-
একজন গুনাহগার বান্দা যখন অন্তর থেকে তাওবাহ করে, আল্লাহর নিকট কান্নাকাটি করে, আল্লাহ তা’য়ালা কে ডাকে, সেই তাওবাহতে সেই কান্নাতে সেই ডাকে শুধুই আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশা থাকে।
সে জানে তার অনেক গুনাহ, কিন্তু এসকল গুনাহ কখনোই আল্লাহর রহমতের চেয়ে বড় নয়।
সে জানে আল্লাহ এক নিমিষেই সমস্ত দুঃখকষ্ট, সমস্যা দূর করে দিতে পারেন।
আর সে এটাও জানে একটা সময় মারা যেতে হবে, গুনাহের কারণে কবরে শাস্তি পেতে হবে, অনন্তকাল হয়তোবা জা-হা-ন্না-মের আগুনে জ্বলতে হতে পারে! আল্লাহ তা’য়ালাই একমাত্র আশ্রয়স্থল, সাহায্যকারী, পরিত্রাণদাতা।
আল্লাহ ﷻ বলেছেন,
যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সিজদাবনত হয়ে এবং দাঁড়িয়ে ইবাদত করে, পরকালকে ভয় করে এবং তাঁর প্রতিপালকের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে তা করে না?) বল, ‘যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? বুদ্ধিমান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সূরা যুমার:৯)
‘হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজদের উপর বাড়াবাড়ি করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। অবশ্যই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’। (সূরা যুমার:৫৩)
তবে যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা ফুরক্বান:৭০)
সালাত আদায় করুন, রাতে তাহাজ্জুদে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করুন, কান্নাকাটি করুন।
আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন, আমাদের রব, আল্লাহ্ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে অবতরণ করে তার বান্দাদের ডাকতে থাকেন, ‘কে আমাকে ডাকছে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কার কি প্রয়োজন আছে? আমি তার প্রয়োজন পূরণ করব। কে আছে এমন যে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (সহীহ বুখারিঃ১১৪৫)
ইয়া রব! আপনি ছাড়া আমাদের আর কেউ নাই, আপনি আমাদের ওপর রহম করুন, আমাদের ক্ষমা করুন।8 Comments
Friends
জুবায়ের বি এ এইচ অন্তর
@zubair
Hridoy
@solayman-uddin-hridoy
Israt Lamia
@israt-lamia
sanjida akter jim
@sanjidajim
Farhana Afrose
@farhana-afrose
ফারজানা আক্তার জেমী
@jemi2021
পরিমল রায়
@parimal-roy
Shahria
@shahriar
Lovely Live
@lovely-live



সুন্দর পোস্ট