Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৬
    পাহাড়ের ঢাল এবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে এসেছে, কিন্তু পথ সহজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপদ কমেনি। বরং সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের প্রতিটি পাথর, প্রতিটি শুকনো ঝোপ, প্রতিটি উঁচু ঢাল এমন স্পষ্ট হয়ে উঠছিল যে লুকিয়ে থাকার সুযোগ যেন আরও কমে আসছিল।

    মারদেকা সবার আগে হাঁটছিল। তার চোখ কখনও…Read More

    3
    3 Comments
    • দীর্ঘ এই শব্দের মিছিলে মন হারালেও, ভাবনার গভীরতা চমৎকার। এই আঙিনায় আপনার অক্ষরের আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিনিয়ত। অন্তহীন শুভেচ্ছা!

    • পাহাড় ফিরিয়ে দিল অতীতের সব উত্তর এবার সামনে অপেক্ষা করছে ভবিষ্যতের যুদ্ধ…..🤍🖤

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৫
    পাথরের ফাঁকটার ভেতর দিয়ে নিচে নামার সময় প্রথমেই মারদেকার মনে হয়েছিল, পৃথিবী যেন হঠাৎ তার পায়ের নিচ থেকে সরে গেছে। ওপরে গিরিখাতের মুখে তখনও গুলির শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

    মারদেকা নিচের দিকে তাকিয়ে কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। অন্ধকার এত গভীর ছিল যে মনে হচ্ছিল পাহাড়ের ভেতর একটা কালো কুয়ো মুখ…Read More

    4
    8 Comments
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৪
    পাহাড়ের অন্ধকারে তিনটি ছায়া ধীরে ধীরে এগিয়ে চলল। সামনে এলিয়াস, তার কয়েক গজ পেছনে লারসেন, আর তাদের মাঝামাঝি মারদেকা। গিরিখাতের সরু পথটা কখনও এত নিচে নেমে যাচ্ছে যে হাঁটতে গেলে মাথার ওপর পাথরের ছাদ মনে হচ্ছে, আবার কোথাও হঠাৎ প্রশস্ত হয়ে দুপাশের দেয়াল একটু দূরে সরে যাচ্ছে। আকাশের সরু ফালি দিয়…Read More

    4
    5 Comments
    • শব্দে শব্দে উত্তেজনা আর রহস্যের ঘনঘটা।

    • যদিও এমন গল্প পড়া আমার অভ্যেস নেই পড়ে তবুও ভালো লাগলো ।

    • পাহাড়ের গহীন অন্ধকারে লারসেন এবং মারদেকার এই শ্বাসরুদ্ধকর যাত্রা ও রহস্যময় অতীতের উন্মোচন সত্যিই খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। বিশেষ করে “তার চোখের ভেতর এমন একটা অনুভূতি যা লারসেন বহু বছর আগে নিজের চোখেও দেখেছিল”—এই বাক্যটি চরিত্রগুলোর মধ্যকার সূক্ষ্ম আবেগ ও সম্পর্কের গভীরতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

      আপনার লেখনশৈলী বেশ মুগ্ধকর, আশা কর…Read More

    • অন্ধকার গিরিখাতের গভীরে চাপা পড়া অতীত আজ যেন নিজেই ডেকে ওঠে পালানোর পথ ফুরিয়ে এসে দাঁড়ায় নিয়তির মুখোমুখি…..🤍🖤

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার এই ওয়েস্টার্ণ গল্পের বর্ণনাভঙ্গি এবং গিরিখাতের থমথমে পরিবেশের আবহটা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে “অন্ধকারে চোখের চেয়ে কান অনেক বেশি সত্যি কথা বলে”—কথাটা লেখকের পর্যবেক্ষণ শক্তির চমৎকার বহিঃপ্রকাশ। উত্তেজনায় ভরপুর এই পর্বটি শেষ করার স্টাইলটা সত্যিই চমৎকার হয়েছে।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৩
    “দৌড়াও।”

    লারসেনের কণ্ঠস্বরটা পেছন থেকে আসার সঙ্গে সঙ্গেই মারদেকা আর একবারও ফিরে তাকাল না। তার সামনে পাহাড়ের সরু পথটা অন্ধকারের ভেতর বাঁক নিয়ে নিচের দিকে নেমে গেছে। দুই পাশে খাড়া পাথর, কোথাও কোথাও শুকনো ঝোপ এমনভাবে পথের ওপর ঝুঁকে আছে যে দৌড়াতে গিয়ে শরীর সেগুলোর সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। তার বুটের ন…Read More

    5
    5 Comments
    • রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে, ভালো লাগছে পড়তে মঞ্চবন্ধু! দৌড়ের দৃশ্যটা অসাধারণ টেনশনে ভরপুর! সরু পাহাড়ি পথ, পেছনে গুলির শব্দ, আর সেই ভাঙা সেতুর মতো সরু অংশ পার হওয়ার মুহূর্তটা রীতিমতো নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখার মতো। রহস্য, অ্যাকশন আর চরিত্রের গভীরতা তিনটে একসাথে চমৎকার একটা আবহ তৈরী করেছে গল্পে। পরের পর্বে মারদেকার জন্মের সেই গোপন ইতিহাস জানার অপ…Read More

    • দুর্দান্ত বিল্ড-আপ!

    • বিস্তৃত এই লেখার গভীরে প্রবেশ করা আমার পক্ষে কিছুটা কঠিন ছিল। তবে আপনার লেখনীর জাদুতে এই সাহিত্যের মঞ্চ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এই কামনাই করি।

    • লেখার গতিপথ সঠিক ভাবে এগিয়েছে। এধারার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে পাঠক হারাবে না। শুভ হোক সৃষ্টিশীলতা।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২২
    দুপুরের সূর্য তখন পাহাড়ের মাথার ওপর দিয়ে ধীরে ধীরে পশ্চিমে নামতে শুরু করেছে। পুরোনো আশ্রয়ের ধ্বংসস্তূপের চারপাশে আলো আর ছায়ার অদ্ভুত খেলা চলছে। কোথাও পাথরের গায়ে রোদ এত তীব্র যে চোখ মেলে তাকানো কঠিন, আবার তার পাশেই কয়েক হাত দূরে এমন গাঢ় ছায়া, যেন দিনের আলো সেখানে কোনোদিন পৌঁছায়নি।…Read More

    3
    2 Comments
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২১
    সকালের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই লারসেন ঘুম থেকে উঠে পড়েছিল। আসলে ঘুম থেকে ওঠার প্রশ্নই ছিল না। রাতের শেষ প্রহর থেকে সে বিছানায় শুয়ে ছিল, কিন্তু চোখ বন্ধ করলেই বহু বছরের পুরোনো কিছু দৃশ্য তার মাথার ভেতর ফিরে আসছিল। আগুনের লাল আলো, পাহাড়ের গায়ে কালো ছায়া, ছুটে চলা ঘোড়ার খুরের শব্দ, আর অন্ধকারে…Read More

    4
    3 Comments
    • লারসেন-মারদেকার সম্পর্কটা এত সুন্দর গড়ে উঠেছে—শিক্ষক-ছাত্র থেকে যেন একটা গভীর বন্ধনে পরিণত হচ্ছে।

    • ভাবনাটা দারুণ!

    • মঞ্চে আপনার এই উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ! আমাদের এই গ্রুপে অনেক সুন্দর সুন্দর লেখা আসছে, আপনিও অন্যদের লেখায় একটু সময় নিয়ে লাইক আর কমেন্ট করলে সবার সাথে বেশ ভালো একটা আড্ডা জমে উঠবে।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–বিশ
    রাতের সেই মুহূর্তটা অনেকক্ষণ ধরে লারসেনের মনে ঘুরতে থাকল। মারদেকা পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, হাতে ছুরি, চোখে এমন এক স্থিরতা, যে স্থিরতা কোনো তেরো বছরের ছেলের চোখে থাকার কথা নয়। লারসেন জানত, ছেলেটা এখন আর শুধু কৌতূহলী নয়। সে বুঝতে শুরু করেছে, র‍্যাঞ্চের চারপাশে যে অস্বাভাবিকতা তৈরি…Read More

    3
    5 Comments
    • আপনার কলম এগিয়ে চলুক!আরও লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

    • চোখে এমন এক স্থিরতা, যে স্থিরতা কোনো তেরো বছরের ছেলের চোখে থাকার কথা নয়।

    • অসাধারণ একটা টানটান রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করেছেন।

    • পুরনো চিহ্নই বলে দেয় নতুন প্রশ্নের ঠিকানা, অতীত কখনো সত্যিই মরে না…🤍

    • আশা করি এই মঞ্চে আপনার আরও দারুণ সব লেখা দেখতে পাব। ভালো থাকবেন!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–উনিশ
    রাত তখন আরও গভীর হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের গায়ে চাঁদের আলো এখনও পুরোপুরি পড়েনি, অথচ আকাশের কালো বিস্তারে তারাগুলো এমনভাবে জ্বলছিল যেন দূর কোনো অদৃশ্য আগুনের ছাই বাতাসে ছড়িয়ে আছে। শুকনো খাতের পাশে দাঁড়িয়ে লারসেন কিছুক্ষণ স্থির হয়ে রইল। তার ঘোড়াটা পেছনে অস্থিরভাবে পা বদলাচ্ছিল, মাঝে মাঝে নাসা…Read More

    3
    7 Comments
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–আঠারো
    পরদিন সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল, কিন্তু লারসেনের র‍্যাঞ্চে যারা ছিল তারা জানত, আগের রাতের পর থেকে কিছুই আর পুরোপুরি আগের মতো নেই। সূর্য ওঠার আগেই পূর্ব দিগন্তে ফ্যাকাশে আলো জমেছিল। প্রেইরির ওপর পাতলা কুয়াশার মতো ঠান্ডা বাতাস ভেসে বেড়াচ্ছিল। শুকনো ঘাসের মাথাগুলো শিশিরে ভিজে ছিল,…Read More

    3
    3 Comments
    • সূর্য ওঠার আগেই পূর্ব দিগন্তে ফ্যাকাশে আলো জমেছিল.

    • মঞ্চে আপনার এই উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ! আমাদের এই গ্রুপে অনেক সুন্দর সুন্দর লেখা আসছে, আপনিও অন্যদের লেখায় একটু সময় নিয়ে লাইক আর কমেন্ট করলে সবার সাথে বেশ ভালো একটা আড্ডা জমে উঠবে।

    • ভালো লেখনী!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–সতের
    আকাশে কোনো মেঘ নেই। ভোরের আলো তখন পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েছে প্রেইরির ওপর। রাতের শেষ অন্ধকার অনেক আগেই সরে গেছে, কিন্তু তার রেখে যাওয়া ঠান্ডা এখনও বাতাসের মধ্যে মিশে আছে। পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠে এসেছে, আর তার ফ্যাকাশে সোনালি আলো ধীরে ধীরে শুকনো ঘাসের মাথা, কাঠের বেড়া, র‍্যাঞ্চের পুরোনো বাড়ি…Read More

    4
    3 Comments
    • দীর্ঘ এই শব্দের মিছিলে মন হারালেও, ভাবনার গভীরতা চমৎকার। এই আঙিনায় আপনার অক্ষরের আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিনিয়ত। অন্তহীন শুভেচ্ছা!

    • ‘যেটা জানো না, সেটা জানি না বলতে পারা বড় শিক্ষা’—লারসেনের এই উপদেশটি অত্যন্ত গভীর! অজ্ঞতা স্বীকার করাই জ্ঞানের প্রথম ধাপ!

    • মঞ্চে আপনার এই উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ! আমাদের এই গ্রুপে অনেক সুন্দর সুন্দর লেখা আসছে, আপনিও অন্যদের লেখায় একটু সময় নিয়ে লাইক আর কমেন্ট করলে সবার সাথে বেশ ভালো একটা আড্ডা জমে উঠবে।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–ষোল
    ভোর হওয়ার আগের সেই শেষ অন্ধকারটা অন্য সব রাতের অন্ধকারের চেয়ে আলাদা। রাত তখন আর গভীর হচ্ছে না, যদিও সকাল এখনও দিগন্তের ওপারে। পূর্ব আকাশের নিচু প্রান্তে কোনো আলো দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তারাগুলোর ধার যেন ধীরে ধীরে ভোঁতা হয়ে আসছে। প্রেইরির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাস শুকনো ঘাসের মাথাগুলোক…Read More

    3
    4 Comments
    • প্রকৃতির বর্ণনার সাথে উত্তেজনার মিশেলটা দারুণ। সেবা প্রকাশনী ফেসবুক পেজে এই পর্বটি আগেই পড়া হয়েছে, এতে পরের পর্বে কি হবে সেই উত্তেজনা থেকে আপাতত আমি মুক্ত ………………………… হা! হা! হা!

      • কি দস্যি মেয়েরে বাবা, চুপিচুপি ভায়ের উঠোন ঘুরে এলেন, কিন্তু ভাইকে জানতেই দিলেন না। প্লিজ দু’ কলম লিখে জানান দিয়ে আসুন।

      • সীমান্ত পেরিয়ে গল্পটা বেশ এগিয়ে গেছে দেখছি, বন্ধু পৃথুলা তো আরো একধাপ এগিয়ে তবে, শীঘ্রই ধরে ফেলবো আবার!

    • ভাবনাটা দারুণ!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–পনের
    মারদেকা উত্তরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। দূরে কোথাও সেই ঘোড়ার ক্ষীণ হ্রেষাধ্বনি আর শোনা যাচ্ছে না। কেবল মাঝে মাঝে বাতাস শুকনো ঘাসের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে, আর তাতে ঘাসগুলো একসঙ্গে সরে গিয়ে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসছে। র‍্যাঞ্চের বাড়ির বারান্দায় লণ্ঠনের হলুদ আলো জ্বলছে। সেই…Read More

    3
    4 Comments
    • মারদেকা উত্তরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল.

    • অভিনন্দন!

    • বিস্তৃত এই লেখার গভীরে প্রবেশ করা আমার পক্ষে কিছুটা কঠিন ছিল। তবে আপনার লেখনীর জাদুতে এই সাহিত্যের মঞ্চ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এই কামনাই করি।

    • একটি ক্লাসিক ওয়েস্টার্ণ গল্পের সকল উপাদান যেমন: রহস্য, উত্তেজনা, চরিত্রের গভীরতা; এর সব কিছুই আছে। দুর্দান্ত!!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–চৌদ্দ
    মারদেকা দরজার ফাঁক দিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইল। আস্তাবলের উঠোনটা প্রায় ফাঁকা। সকালের রোদ এখন অনেকটাই তীব্র হয়ে উঠেছে। কাঠের বেড়ার ওপর পড়ে থাকা আলো চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। দূরে কয়েকটা ঘোড়া মাথা নিচু করে ঘাস খাচ্ছে। বাতাসে শুকনো খড়ের গন্ধ, ঘোড়ার ঘামের গন্ধ আর গরম কাঠের একটা কড়া গন্ধ মিশে আছ…Read More

    3
    3 Comments
    • ক্লাইম্যাক্স তৈরিতে আপনার দক্ষতা দেখেছি ছোট গল্পগুলোতে, এই পর্বে দেখলাম অসাধারন সাসপেন্স বিল্ডিং। সাথে খুব সাধারন ভাষা ব্যবহার করে গল্প বলার অসাধারন ভংগী। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।

    • দীর্ঘ এই শব্দের মিছিলে মন হারালেও, ভাবনার গভীরতা চমৎকার। এই আঙিনায় আপনার অক্ষরের আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিনিয়ত। অন্তহীন শুভেচ্ছা!

    • আশা করি এই মঞ্চে আপনার আরও দারুণ সব লেখা দেখতে পাব। ভালো থাকবেন!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–তের
    পরদিন সকাল। সূর্য তখনও পুরোপুরি ওপরে ওঠেনি। পূর্ব দিগন্তে সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে, কিন্তু প্রেইরির বুক থেকে ভোরের শীতলতা এখনও সরে যায়নি। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগাগুলো প্রথম সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে। দূরের পাহাড়গুলো ধূসর নীল থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দক্ষিণ দিক থেকে আসা হালকা…Read More

    3
    4 Comments
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–বারো
    পরদিন ভোরে প্রেইরির ওপর এখনও রাতের শিশিরের শেষ স্পর্শ লেগে আছে। দিগন্তের পূর্ব আকাশে সূর্যের প্রথম আলো ফুটলেও চারপাশের বাতাসে ভোরের শীতলতা রয়ে গেছে। দূরের উঁচু ঘাসগুলো বাতাসে ধীরে ধীরে দুলছে, যেন অদৃশ্য কোনো স্রোত তাদের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। র‍্যাঞ্চের বিশাল চারণভূমি জুড়ে গরুগুলো অ…Read More

    2
    4 Comments
    • অস্ত্র চালানোর চেয়ে অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ শেখা বেশি জরুরী। বুনো পশ্চিমের এই শিক্ষা সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    • আপনার এই অসাধারণ লেখনীটির বর্ণনাভঙ্গি এবং সূক্ষ্ম খুঁটিনাটির নিখুঁত পর্যবেক্ষণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ওলফ লারসেনের মাধ্যমে জীবনের বড় বড় শিক্ষাগুলোকে অতি সাধারণ কিছু কাজের ভেতর দিয়ে ফুটিয়ে তোলার শৈল্পিক প্রয়াসটি সত্যিই প্রশংসনীয়। মারদেকার চরিত্র গঠনের এই ধীরস্থির পর্যায়গুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনার লেখনীটি দুর্দান্ত একটি সুযোগ হতে পারে।

    • ওয়েস্টার্ন গল্পের মজাই আলাদা।

    • আপনার লেখাটি পড়ছিলাম আর সত্যিই খুব মুগ্ধ হয়েছি, বিশেষ করে লারসেনের বলা এই কথাটা খুব দারুণ লেগেছে— “যে হাত অস্ত্রকে সম্মান করতে শেখেনি, সেই হাতকে লক্ষ্যবস্তু দেওয়া উচিত নয়।” মারদেকার শেখার এই ধৈর্য ও মনোযোগী হওয়ার বিষয়টি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে আপনার লেখায়, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম!

  • অধ্যায়–এগারো
    “ও… কাজ… খুঁজতে… আসেনি।”

    “ও… ঘোড়া… গুনছিল।”

    দুটি ছোট্ট বাক্য যেন অফিসঘরের নিস্তব্ধ বাতাস চিরে ছড়িয়ে পড়ল। দরজার চৌকাঠ পেরিয়ে বাইরে পা বাড়ানো ওলফ লারসেন আর বাড হিগিন্স একই সঙ্গে থেমে গেল। দুজনেই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল। কেরোসিনের লণ্ঠনের হলদে আলোয় মারদেকা তখনও দরজার পাশে দাঁড়িয়ে। তার চোখে ভয় নেই, অহংকারও নেই। সে শুধু যা…Read More

    3
    3 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, মারদেকার এই ধীরে ধীরে বদলে যাওয়ার জার্নিটা ভীষণ ভালো লাগছে। আপনিও অন্যদের লেখায় একটু বেশি নিয়মিত রিয়্যাকশন দিয়ে বা সুন্দর একটা মন্তব্য করে গ্রুপটাকে প্রাণবন্ত রাখার ব্যাপারে একটু উদ্যোগী হবেন কি?

    • “পশ্চিমের সবচেয়ে বড় বইটা লেখা আছে মাটিতে, ধুলোয়, ঘাসে আর বাতাসে।”…………… জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলো বইয়ের বাইরে, প্রকৃতি ও অভিজ্ঞতার মধ্যে লুকিয়ে থাকে! মুগ্ধ হওয়ার মতো একটা লাইন!

    • বিষণ্ন সুমন, আপনি যে চমৎকার বর্ণনার বুনন আমাদের উপহার দিলেন তাতে প্রতিটি চরিত্রের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো খুব জীবন্ত হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে মারদেকার সেই উপলব্ধির মুহূর্তটি যে, “পশ্চিমের সবচেয়ে বড় বইটা কাগজে ছাপা হয়নি”—সত্যিই অনন্য। আপনার লেখনীর এই গভীরতা ও পর্যবেক্ষণের তীক্ষ্ণতা পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে, তাই আপনার এই দারুণ যাত্রাকে এগিয়ে নিতে আপনা…Read More

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–দশ
    ব্ল্যাক রিভার শহরের মানুষ নতুন আগন্তুকটিকে আর দ্বিতীয়বার খেয়াল করল না। পশ্চিমের এই ছোট্ট শহরে প্রায়ই নানা জায়গা থেকে পথিক আসে, দুদিন থাকে, আবার চলে যায়। কেউ ভাগ্যের সন্ধানে, কেউ গবাদি পশুর ব্যবসায়, কেউ বা কেবল পথের ক্লান্তি মেটাতে। তাই ধুলোমাখা পোশাক পরা এক অচেনা লোককে নিয়ে কারও কৌতূহল জাগল না।…Read More

    5
    6 Comments
    • খুবই ভাল লাগলো অসাধারণ ।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার রচনার প্রতিটি পরতে যে রহস্যময় টানটান উত্তেজনা ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং এটি শেষ পর্যন্ত পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে দারুণ কার্যকর। বিশেষভাবে, “দৃষ্টিটা এত দ্রুত যে সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়বে না” — আপনার লেখনীর এই সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং বর্ণনার গভীরতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এমন চমৎকার সব গল্পের বুনন আপনি অনায়াসেই…Read More

    • খুবই ভালো লাগছে

    • তাই ধুলোমাখা পোশাক পরা এক অচেনা লোককে নিয়ে কারও কৌতূহল জাগল না।

    • আপনার এই গল্পটা দারুণ লিখেছেন, বিশেষ করে “একজন কম কথার মানুষের মুখে এই চারটি শব্দই ছিল বড় পুরস্কার” – লাইনটা আমার খুব ভালো লেগেছে। মারদেকা কি আগন্তুক লোকটার আসল উদ্দেশ্য ধরতে পেরেছে বলে আপনার মনে হয়? আপনার চমৎকার লেখায় অন্যরাও যাতে মন খুলে মন্তব্য করতে পারে, তাই আপনি নিয়মিত অন্যদের লেখায় লাইক ও কমেন্ট করে এই গ্রুপটাকে প্রাণবন্ত রাখার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন।

    • অপেক্ষা………………………

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–নয়
    বিকেলের শেষ আলো নিভে যাওয়ার আগেই ওলফ লারসেন ব্ল্যাক রিভার শহর ছেড়ে র‍্যাঞ্চের পথে রওনা হয়েছিল। সারাদিনের গরমের পর প্রেইরির বাতাসে হালকা শীতলতা নেমে এসেছে। পশ্চিম আকাশে সূর্যটা ধীরে ধীরে টিলার আড়ালে ডুবে যাচ্ছে, তার লালচে আলো শুকনো ঘাসের সমুদ্রজুড়ে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। লারসেনের ঘোড়া পরিচিত পথ…Read More

    5
    6 Comments
    • গল্পটা খুবই অসাধারণ।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার এই রচনার পরিবেশ ও চরিত্রগুলো যেভাবে গড়ে তুলেছেন, তা আমাকে এক মায়াবী ও রহস্যময় জগতে নিয়ে গেছে। প্রতিটি সংলাপ ও খুঁটিনাটি বর্ণনার মাধ্যমে যে টানটান উত্তেজনা ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

      আপনি যেভাবে প্রেইরির ধুলোমাখা পথ আর অজানা বিপদের ছায়া মিলিয়ে একটি দৃশ্যপট তৈরি করেছেন, তা পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার জন্য…Read More

    • এমন লেখা পাঠকের সঙ্গে শুধু কথা বলে না, তাকে প্রশ্নও করে।

    • আপনার লেখা এই লাইনটা, “পশ্চিমের মাটি বা প্রেইরির ভাষা পড়তে শেখা”-র বর্ণনাগুলো একদম জীবন্ত মনে হয়েছে, দারুণ লেগেছে পড়তে!

    • গল্পের সাথেই আছি মঞ্চবন্ধু!

    • ‘প্রেইরিতে বন্দুকের গুলির চেয়েও মূল্যবান জিনিস হলো ধৈর্য।’……………… এই এক লাইনেই পশ্চিমের আসল রুপ ফুটে উঠেছে।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–আট
    ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই লারসেন র‍্যাঞ্চের চারপাশের বিশাল প্রেইরিটা ধীরে ধীরে জেগে উঠতে শুরু করল। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে। দূরের টিলাগুলো নীলচে কুয়াশার আড়ালে আধো দেখা যাচ্ছে। কোথাও একটা কোয়েল ডেকে উঠল, তারপর আবার চারদিকে নেমে এল গভীর নিস্তব্…Read More

    4
    3 Comments
    • মনে হচ্ছে ক্লাইম্যাক্স বেশি দূরে নাই। প্রেইরিতে যুদ্ধের আভাস স্পষ্ট।

    • আপনার লেখনশৈলীতে ফুটে ওঠা প্রেইরির সকালের বর্ণনাটি অসাধারণ, বিশেষ করে “রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে”—এই বাক্যটি পাঠককে মুহূর্তেই গল্পের সেই শান্ত পরিবেশে নিয়ে যায়। প্রতিটি চরিত্রের সূক্ষ্ম আচরণ এবং তাদের মধ্যকার বোঝাপড়া খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পড়ার সময় চোখের সামনে পুরো দৃশ্যপটটি…Read More

    • আপনার লেখা ওয়েস্টার্ণ গল্পটা সত্যিই খুব ইন্টারেস্টিং আর পড়ার সময় পুরো সিনেমার মতো দৃশ্য ভেসে উঠছিল। মারদেকার ঘোড়ার সাথে বন্ডিং তৈরি করার অংশটা খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। পরবর্তী পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, দারুণ লিখেছেন!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়-সাত
    পরদিন ভোরে র‍্যাঞ্চের উঠোনে অস্বাভাবিক নীরবতা নেমে ছিল। সূর্যের প্রথম আলো পাহাড়ের কাঁধ ছুঁয়ে তৃণভূমির ওপর ছড়িয়ে পড়লেও অন্য দিনের মতো কোথাও হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছিল না। আস্তাবলের সামনে ঘোড়াগুলো দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তাদের পরিচর্যা করতে আসা কাউবয়দের মুখে আজ অদ্ভুত গাম্ভীর্য। যেন রা…Read More

    5
    4 Comments
    • রহস্য বাড়ছে, সাথে উত্তেজনাও…………………

      • একদম! এই পর্বটা পড়ে সত্যিই মুগ্ধ হলাম! রাঞ্চের সেই থমথমে সকালের বর্ণনা থেকে শুরু করে একদম শেষের রহস্যময় দুই ঘোড়সওয়ারের দৃশ্য পর্যন্ত একটা চাপা টেনশন অসাধারণভাবে ধরে রাখা হয়েছে! বিশেষ করে মারদেকার চোখ দিয়ে গল্পটা দেখানোর কৌশলটা লেখক খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন!

    • আপনার এই লেখনীতে অনিশ্চয়তার যে ছায়া এবং চরিত্রগুলোর মধ্যকার গভীর সতর্কতার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে; বিশেষ করে মারদেকার চারপাশ পর্যবেক্ষণ করার বিষয়টি গল্পের আবহকে অত্যন্ত জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার ওয়েস্টার্ন জনরার গল্পটি বেশ টানটান উত্তেজনায় এগোচ্ছে, মারদেকার চারপাশ পর্যবেক্ষণ শেখার অংশগুলো দারুণ লিখেছেন। আমাদের এই গ্রুপটি প্রাণবন্ত রাখতে আপনি নিজে যেমন অন্য লেখকদের পোস্টে সুন্দর মন্তব্য করবেন, তেমনই আশা করি অন্যরাও আপনার লেখার ওপর নিয়মিত প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

  • Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar