Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় চৌদ্দ)
    মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের নির্মাণস্থলে বিস্ফোরণের পর কয়েকটা দিন যেন অস্বাভাবিক ধীর গতিতে কাটল। পাহাড়ের বুকের যে জায়গাটায় কয়েক সপ্তাহ আগেও সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেশিনের শব্দ শোনা যেত, সেখানে এখন বেশিরভাগ সময় জুড়ে থাকে এক ধরনের ভারী নীরবতা। ধ্বংস হয়ে যাওয়া কাঠামোর ওপর বৃষ্টির পানি জমে আছে, কোথাও ভাঙা কংক্রি…Read More

    3
    3 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা অরণ্যের নিস্তব্ধতা আর মানুষের তৈরি স্বপ্নের ভাঙন আপনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা পড়ে আমি মুগ্ধ হয়েছি। বিশেষ করে আপনার এই বাক্যটি— “কখনো কখনো প্রতিপক্ষকে নিজের হিসাবের ওজনের ভারেই ভেঙে পড়তে দিতে হয়”—অসাধারণ একটি দার্শনিক উপলব্ধির জায়গা তৈরি করেছে। আপনি চাইলে এমন গভীর আবেগপূর্ণ কাহিনী আরও নতুন নতু…Read More

    • রেজোয়ানের নীরব প্রতিরোধে প্রকৃতিই যেন নিজের অধিকার ফিরে পেল…🖤

    • আপনার লেখাটি পড়ে শেষ করতে করতে মনের মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত প্রশান্তি কাজ করছে। পুরো গল্পটাতে পাহাড়ি পরিবেশ আর রেজোয়ানের নীরব লড়াইয়ের যে চিত্র আপনি এঁকেছেন, তা সত্যিই দারুণ। চমৎকার সমাপ্তির জন্য আপনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই!

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় তেরো)
    পরদিন সকাল থেকে মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের নির্মাণস্থলে অস্বাভাবিক ব্যস্ততা দেখা গেল। আগের রাতের ঘটনার পরও কোম্পানি কাজ বন্ধ রাখেনি, বরং যেন আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে। সকালবেলার কুয়াশা পুরোপুরি কাটার আগেই মেশিনের শব্দ পাহাড়ের বুক কাঁপাতে শুরু করল। এক্সকাভেটরের লোহার দাঁত লালচে পাহাড়ি মাটির ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। ট্রাক একে…Read More

    3
    3 Comments
    • রেজোয়ানকে যত পড়ছি, ততই চরিত্রটা রহস্যময় লাগছে।

    • পাহাড়ের গহীন নির্জনতা আর রেজোয়ানের সুনিপুণ কৌশলের মিশেলে লেখা এই অধ্যায়টি টানটান উত্তেজনায় ভরপুর, বিশেষ করে রাতের নিস্তব্ধতায় কমান্ডোর সেই সতর্ক পদচারণার বর্ণনাটি পাঠকের মনে এক গভীর আবহ তৈরি করে। আপনার লেখনীতে পরিবেশের বর্ণনা যেভাবে ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত সজীব, তাই আপনি যদি রেজোয়ানের ভেতরের দ্বিধা বা তার অতীত জীবনের কোনো বিশেষ মুহূর্তের ক…Read More

    • বিষণ্ন সুমন, রেজোয়ানের ঠান্ডা মাথার এই নিখুঁত পরিকল্পনা আর পাহাড়ের নিস্তব্ধতায় ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ পড়তে পড়তে রীতিমতো রোমাঞ্চ অনুভব করছিলাম।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় বারো)
    ভোর হওয়ার আগেই মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের নির্মাণস্থলে যে নীরবতা নেমে এসেছিল, তার মধ্যে পরাজয়ের একটা গন্ধ জুড়ে ছিল। আগের রাতের লোকগুলো কেউ ভালো করে ঘুমায়নি। কারও হাঁটুতে ব্যান্ডেজ, কারও কপালে শুকনো রক্তের দাগ, কারও চোখে রাতভর আতঙ্কের ছবি। অথচ সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার মেশিনের শব্দ জেগে উঠল। যেন কিছুই ঘ…Read More

    5
    4 Comments
    • পাহাড়ের রহস্যময় পরিবেশ এবং রেজোয়ানের বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই টানটান উত্তেজনার মুহূর্তগুলো সত্যিই চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, তাই আপনি চাইলে পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও রেজোয়ানের পরিকল্পনার আরও গভীর কোনো দিক যুক্ত করে লেখাটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

    • সত্যিই “পাহাড়ের হিসাব আলাদা”। মাঝখানে কয়েকটা পর্ব মিস করেছি। সময় নিয়ে পড়তে হবে।

    • পাহাড় বাঁচানোর লড়াইয়ে রেজোয়ানের নীরব সাহস যেন অন্ধকার ভেদ করা এক অদম্য আলো…🖤

    • বিষণ্ন সুমন, “রেজোয়ান জানে, শত্রুকে হারানোর সবচেয়ে সহজ উপায় সবসময় তাকে আঘাত করা নয়” – আপনার এই কথাটি একদম গভীর সত্য কথা। এই গল্পের পরবর্তী মোড়টি ঠিক কেমন হতে পারে বলে আপনি মনে করছেন?

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় এগারো)
    বিকেলের শেষ দিকে মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের নতুন কাটা রাস্তা দিয়ে একটার পর একটা গাড়ি উঠতে দেখে শ্রমিকদের অনেকেই কাজ থামিয়ে তাকিয়েছিল। প্রথমে একটা কালো মাইক্রোবাস, তার পেছনে দুটো পিকআপ, সবশেষে আরেকটা জিপ। গাড়িগুলোর গায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম নেই, ভেতরে বসে থাকা লোকগুলোকেও নির্মাণকাজের মানুষ বলে মনে হলো…Read More

    3 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, রহস্যময় পরিবেশ ও অভিজ্ঞ মানুষের নিপুণ কৌশলের বর্ণনা আপনার লেখায় দারুণ ফুটে উঠেছে, যা আমাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পের গভীরে ধরে রেখেছে। আপনার লেখনীতে অরণ্যের ভয়ের আমেজ আর টানটান উত্তেজনা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো, আপনি আপনার এই সৃজনশীল যাত্রা চালিয়ে যান।

      আপনি যদি সময় করে এই প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য লেখকদের কাজেও নিয়মিত ইত…Read More

    • অরণ্যের অন্ধকারে রেজোয়ান যেন নীরব ছায়াশিকারি, যার প্রতিটি পদক্ষেপে শিকারিরাই পথ হারায়…🖤

    • বিষণ্ন সুমন, রেজোয়ানের এই পাহাড়ী অভিজ্ঞতার পুরো বিষয়টি আপনি যেভাবে তুলে ধরেছেন তা পড়তে পড়তে একদম অন্যরকম এক শিহরণ অনুভব করছিলাম!

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় দশ)
    মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের পাহাড়ি প্রকল্পে এবার সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াল ভয়। প্রথম দিকে কয়েকজন পাহারাদার আহত হয়েছিল। দু-একজন পথ হারিয়েছিল। তারপর একজন রেজোয়ানকে চোখের সামনে দেখেও পর মুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখেছিল। এসব ঘটনা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে হয়ত কানাঘুষা ছিল, কিন্তু তারপরেও কাজ চলছিল। এখন আর সেই অবস্…Read More

    1
    3 Comments
    • আপনার এই সাবলীল বর্ণনাটি রহস্য এবং রোমাঞ্চের এক চমৎকার আবহ তৈরি করেছে, যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত আটকে রাখতে সক্ষম। পাহাড়ের নীরবতা ও মানুষের মনে জমে থাকা ভয়ের এমন সূক্ষ্ম চিত্রায়ন সত্যই প্রশংসনীয়, যা অনেকটা রহস্যধর্মী উপন্যাস বা টানটান উত্তেজনার গল্পের কথা মনে করিয়ে দেয়। আপনি আরও লিখতে থাকুন, আপনার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    • অন্ধকারে রেজোয়ানের অদৃশ্য উপস্থিতি ভয়কে এমন এক ছায়ায় রূপ দিয়েছে, যা আলোতেও মুছে যায় না…🖤

    • আপনার লেখা এই পাহাড়ের রহস্যঘেরা পরিবেশের বর্ণনাটা ভীষণ চমৎকার এবং পড়তে পড়তে আমি একদম গল্পের ভেতর হারিয়ে গিয়েছিলাম!

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় নয়)
    মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের মালিক শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছিলেন, ভয় দেখিয়ে শ্রমিক ধরে রাখা যাবে না। একদল চলে গেছে, আরেকদল যাওয়ার কথা ভাবছে। এদিকে রাতের পাহারায় আর লোক পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ পাহাড়ের কাজ থামিয়ে রাখার মতো অবস্থাও নেই। তার ওপর প্রতিদিনের বিল, মেশিনের খরচ, রাস্তার কাজ, মালামাল আনা, শ্রমিকের মজুরি, সব মিলিয়ে…Read More

    1
    4 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, আপনার অরণ্যের গহীন রহস্য আর রেজোয়ানের শান্ত ব্যক্তিত্বের যে বুনন আপনি তৈরি করেছেন, তা সত্যিই খুব আকর্ষণীয় এবং পাঠককে ধরে রাখার মতো একটি কাজ হয়েছে। পাহাড়ের প্রতিটা বাঁকে যে অস্বস্তি আর অনিশ্চয়তা আপনি খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা গল্পটিকে একটি অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আপনি আপনার এই চমৎকার লেখনী চালিয়ে যান, আমরা আপনার পরবর্তী…Read More

    • একদল চলে গেছে, আরেকদল যাওয়ার কথা ভাবছে।

    • অরণ্যের অন্ধকারে রেজোয়ানের নীরব প্রতিরোধ যেন অদৃশ্য ঝড়ের মতো আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়…🖤

    • বিষণ্ন সুমন, “মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল হয় তখন, যখন সে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে বিপদ কেটে গেছে”—এই লাইনটা একদম মনের মতো হয়েছে, আর রেজোয়ানের এই নীরব অথচ শক্তিশালী জেদ দেখে আপনার কি মনে হয় শেষ পর্যন্ত সে রিসোর্টের মালিককে থামিয়ে দিতে পারবে?

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় আট)
    শ্রমিকেরা একে একে চলে যাওয়ার পর মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের কাজ যেন হঠাৎ করেই ধীর হয়ে গেল। দিনের আলোয় বাইরে থেকে দেখলে অবশ্য তেমন কিছু বোঝার উপায় ছিল না। পাহাড়ের গায়ে মাটি কাটার মেশিন দাঁড়িয়ে আছে। নতুন রাস্তার পাশে বাঁশের খুঁটি পড়ে আছে। কাঠ আর পাথরের স্তূপ আগের জায়গাতেই আছে। অস্থায়ী শেডগুলোর চুলা থেকে ধোঁয়া উঠ…Read More

    3
    4 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, আপনি অত্যন্ত নিপুণভাবে পাহাড়ের রহস্যময় পরিবেশ ও মানুষের মনের ভয়কে এই লেখায় ফুটিয়ে তুলেছেন। রেজোয়ানের নিঃশব্দ উপস্থিতি এবং পাহারাদারদের সেই অস্থিরতার বর্ণনাগুলো পড়ার সময় চোখের সামনে যেন সিনেমার দৃশ্য ভেসে উঠছিল। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আপনি সামনে এগিয়ে যেতে পারেন, আপনার সাবলীল শব্দচয়ন পাঠকদের মনে এক দারুণ কৌতুহল তৈরি করে রাখবে।

    • অরণ্যের নীরব অন্ধকারে রেজোয়ানের প্রতিরোধ যেন ঝড়ের আগের নিঃশব্দ বজ্রধ্বনি…🖤

    • রেজোয়ানের রহস্যময় কর্মকাণ্ড পড়ে বেশ রোমাঞ্চ লাগল 😯🌲

    • আপনার লেখাটি পড়ে এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো সত্যিই পাহাড়ে বসে রহস্যময় কোনো গল্প শুনছি। রেজোয়ানের চরিত্রটা যেভাবে ধীরে ধীরে ভয়ের সঞ্চার করছে, তা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। অরণ্যের এই নিস্তব্ধ আর রহস্যময় পরিবেশের বর্ণনাগুলো পড়ার সময় বারবার গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় সাত)
    রাতের পর রাত কেটে যাচ্ছিল, আর মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের লোকজন ধীরে ধীরে একটা অস্বস্তিকর অবস্থার সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠছিল। দিনের পাহাড় আর রাতের পাহাড় এক থাকলো না। সূর্য ওঠার পর যে ঢালটা সাধারণ একটা রাস্তা, দুপুরে যার ওপর দিয়ে শ্রমিকেরা হাসতে হাসতে ওঠানামা করে, সন্ধ্যা নামার পর সেই একই ঢাল অন্ধকারের মধ্যে…Read More

    6
    6 Comments
  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় ছয়)
    রিসোর্টে প্রথম ঘটনার পরের সকালটা অস্বাভাবিক নীরব ছিল। মেঘদূত মাউন্টেন রিসোর্টের নির্মাণ এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই যে হৈচৈ শুরু হতো, সেদিনও তার ব্যতিক্রম হওয়ার কথা ছিল না। শ্রমিকেরা ঘুম থেকে উঠে চা-সিগারেট খাবে, কেউ বাঁশ কাঁধে নিয়ে বের হবে, কেউ মাটি কাটার জায়গায় যাবে, মেশিনের ইঞ্জিন গর্জে উঠবে, ট্রাকের চ…Read More

    3
    5 Comments
    • ‘তোমরা এখনো আমাকে বুঝতে পারোনি’ — রেজোয়ানের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে দারুণ কৌতূহল হচ্ছে।

    • অরণ্যের রহস্যময় পরিবেশ আর রেজোয়ানের চরিত্রচিত্রণ যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বেশ চমৎকার হয়েছে। “পাহাড় কখনো নিজের সব রহস্য একবারে প্রকাশ করে না”—এই লাইনটি যেমন গভীর, তেমনি পাঠকদের মনে কৌতূহল জাগিয়ে তোলার জন্য দারুণ একটি উপায়। আপনার লেখনীর এই রহস্যময় আবহে ডুবে থাকতে ভালো লাগছে, তাই কলম এভাবেই সচল রাখুন।

    • পাহাড়ের নীরব অন্ধকারে রহস্যের ছায়া আরও গভীর হয়ে ওঠে…..🤍🖤

    • রেজোয়ানের সেই রহস্যময় কৌশলটা অসাধারণ, একজন পাহারাদারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েও “মারতে আসে নাই” এই কথাটা বলানোটা তার উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট করে না দিয়েও একটা রহস্য রাইখা দিলো😀😀

    • বিষণ্ন সুমন, অরণ্যের রহস্য আর রেজোয়ানের চরিত্র নিয়ে আপনার এই লেখাটি একদম দারুণ হয়েছে। “পাহাড় কখনো নিজের সব রহস্য একবারে প্রকাশ করে না”—আপনার গল্পের এই লাইনটা সত্যি বেশ গভীর। রহস্যে ঘেরা এই পাহাড়ি পরিবেশের বর্ণনা পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগল, পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় পাঁচ)
    পরদিন থেকেই রেজোয়ানের চলাফেরায় একটা পরিবর্তন দেখা গেল। আগের দিনের ঘটনাটা তাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, দিনের আলোয় দাঁড়িয়ে শক্তি দেখিয়ে এই লড়াই জেতা যাবে না। দুজন লোককে কয়েক সেকেন্ডে মাটিতে ফেলে দেওয়া তার কাছে কোনো বড় ব্যাপার নয়, কিন্তু সেই ঘটনার পর যদি কোম্পানি তাকে প্রকাশ্যে ঝামেলাপ্রবণ একজন অবসরপ্রাপ্ত কর…Read More

    2
    4 Comments
    • ধৈর্য, কৌশল আর প্রকৃতিকে বোঝার এই যুদ্ধকৌশল পড়ে মুগ্ধ হলাম। পরের অধ্যায়ের অপেক্ষায় রইলাম!

    • আপনার অরণ্যের এই রহস্যময় এবং ধীরস্থির বর্ণনাটি পড়ে খুব ভালো লাগল, বিশেষ করে ‘অন্ধকারের মধ্যে দূরের ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, বাঁশপাতার ঘর্ষণ, ছড়ার পানির শব্দ আর মাঝে মাঝে কোনো অচেনা পাখির ডাক শুনা যায়’—এই অংশটুকু যেন চোখের সামনে আস্ত একটা জঙ্গল তৈরি করে দেয়। আপনার বর্ণনায় পাহাড়ের নীরবতাকে যেভাবে একটি শক্তিশালী চরিত্রের মতো ফুটিয়ে তুলেছেন, ত…Read More

    • নীরব প্রতিরোধের আড়ালে পাহাড়ের রহস্য আরও গভীর হয়ে উঠেছে…..🤍🖤

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার অরণ্যের শেষ প্রহরের এই রহস্যময় আর টানটান উত্তেজনার পর্বটি পড়ে শেষ করার পর সত্যি বলতে এক অদ্ভুত শিহরণ অনুভব করছি।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় চার)
    সিদ্ধান্তটা নেওয়ার পর রেজোয়ানের ভেতরে অদ্ভুত একটা শান্তি নেমে এসেছিল। কয়েকদিন ধরে সে যে প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই এখন তার কাছে পরিষ্কার। জমির কাগজ তার নামে, সীমানার পুরনো নকশা তার হাতে, ভূমি অফিসে তার মালিকানা নিয়ে সরাসরি কোনো আপত্তি ওঠেনি, প্রশাসন সমস্যাটা জানে,…Read More

    2
    4 Comments
    • শেষের হাসিটাই সবচেয়ে ভয়ংকর

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার লেখায় অরণ্য আর মানুষের সংঘাতের যে দৃশ্যগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তা অসাধারণ, বিশেষ করে এই লাইনটি— “সবুজ পাহাড়ের বুকের মধ্যে সেই ক্ষত অনেক দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে”— অত্যন্ত গভীর এবং আবেগময়। পরিস্থিতির বর্ণনাগুলো খুবই স্বচ্ছ ও প্রাণবন্ত, যা পাঠকদের গল্পের সাথে একাত্ম হতে সাহায্য করবে। আপনার পরবর্তী পর্বের জন্য শুভকামনা রইল, চমৎকার সব…Read More

    • খুব যত্নে নির্মিত একটি অনুভূতি মনে হলো, যেখানে প্রতিটি শব্দের নিজস্ব ভূমিকা আছে।

    • আপনার গল্পের “পাহাড়ের বুক আরও কাটা হচ্ছে, নতুন রাস্তা তৈরি হচ্ছে, মাটি সমান করা হচ্ছে” লাইনটি পড়ে মনটা সত্যিই খুব খারাপ হয়ে গেল। রেজোয়ানের শান্ত অথচ দৃঢ় ব্যক্তিত্বের এই লড়াইটা অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। সামনের পর্বগুলোতে রেজোয়ান কীভাবে নিজের জমি রক্ষা করবে, সেটা দেখার জন্য অনেক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় থাকলাম।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় তিন)
    পরদিন সকালটা ছিল ভারী উজ্জ্বল। বর্ষার পরের আকাশ পুরোপুরি পরিষ্কার না হলেও মেঘের ফাঁক দিয়ে রোদ নেমেছিল শহরের ওপর। ডিওএইচএস-এর পরিচিত রাস্তায় গাছের পাতায় জমে থাকা পানির ফোঁটা ঝিলমিল করছিল। গেটের কাছে নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়মিত তৎপরতা, রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া অফিসগামী গাড়ি, স্কুলের পোশাকে ছুটে চলা ছে…Read More

    1
    3 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, আপনি অত্যন্ত নিপুণভাবে রেজোয়ানের মানসিক দ্বন্দ্ব এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির টানাপোড়েন ফুটিয়ে তুলেছেন। বিশেষ করে, “আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, কিন্তু ভালো সিদ্ধান্ত নিতে হলে আবেগকে কিছুক্ষণ বাইরে রাখতে হয়”—আপনার এই পর্যবেক্ষণটি অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। আপনার লেখনীর এই পরিপক্বতা এবং চরিত্রের দৃঢ়তা প্রকাশের ধরণটি সত্যিই প্রশংস…Read More

    • কাগজ তার পক্ষে থাকলেও প্রতিপক্ষ কাগজের শক্তিতে বিশ্বাস করে না”—শেষটা দারুণ রহস্য রেখে গেলো।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনি বেশ গুছিয়ে লিখেছেন এবং পুরো কাহিনীতে এক ধরনের টানটান উত্তেজনা কাজ করছিল। বিশেষ করে “আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, কিন্তু ভালো সিদ্ধান্ত নিতে হলে আবেগকে কিছুক্ষণ বাইরে রাখতে হয়”—এই লাইনটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। চরিত্রগুলোর এমন বাস্তবসম্মত উপস্থাপনা গল্পটাকে আরও অনেক বেশি জীবন্ত করে তুলেছে, পরবর্তী অংশের অপেক্ষায় রইলাম।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় দুই)
    রাতে ভালো ঘুম হয়নি রেজোয়ানের। খাগড়াছড়ি থেকে ফিরে আসার পর ডিওএইচএস এর পরিচিত, নিরাপদ পরিবেশেও তার মনটা যেন পাহাড়েই পড়ে ছিল। জানালার বাইরে রাতের ঢাকা শান্ত। রাস্তার দুপাশে ছায়াঘেরা গাছ, নির্দিষ্ট দূরত্বে নিরাপত্তার আলো, গেটের কাছে পাহারারত নিরাপত্তাকর্মী। মাঝেমধ্যে নিঃশব্দে কোনো গাড়ি ঢুকে যাচ্ছে, আবার কিছ…Read More

    4
    5 Comments
    • বিষণ্ন সুমন, রেজোয়ানের অন্তর্দ্বন্দ্বে ভরা এই চমৎকার বর্ণনায় আপনি বিশেষ করে “কাগজগুলো দেখতে দেখতে রেজোয়ানের মনে হলো, কেউ সরাসরি তার দলিলকে অস্বীকার করছে না” এই লাইনটির মাধ্যমে যে অস্থিরতা ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়, আপনি চাইলে আগামী পর্বে রেজোয়ানের অনুসন্ধিৎসু মনের আরও গভীরে গিয়ে তার দৃঢ়তাকে পাঠকদের সামনে আরও প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরতে পারেন।

    • খাগড়াছড়ি থেকে ফিরে আসার পর ডিওএইচএস এর পরিচিত, নিরাপদ পরিবেশেও তার মনটা যেন পাহাড়েই পড়ে ছিল।

    • রহস্যটা জমে উঠছে পরের অধ্যায়ের অপেক্ষায় রইলাম😀

    • বিষণ্ন সুমন, রেজোয়ানের প্রতিটি পদক্ষেপ যেভাবে পরিকল্পিত আর ধীরস্থিরভাবে এগোচ্ছে তা বেশ চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। বিশেষ করে “এখানে সবাই সমস্যাটা জানে, কিন্তু কেউ প্রথম মানুষ হতে চাইছে না” – এই লাইনটি পুরো পরিস্থিতির গভীরতা দারুণভাবে ধরিয়ে দিয়েছে।

    • গল্পের রহস্যময় আবহটা বেশ টানটান লাগছে।

  • অরণ্যের শেষ প্রহর

    (অধ্যায় এক)
    বিকেলের আলো তখনো পাহাড়ের গা ছেড়ে যায়নি। খাগড়াছড়ির শহর অনেক পেছনে পড়ে গেছে, আর পিচঢালা রাস্তার পরিচিত চেহারাটাও বেশ কিছুক্ষণ হলো বদলে গেছে সরু, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে।

    গাড়িটা ধীরে ধীরে ওপরে উঠছিল। রাস্তার এক পাশে পাহাড় উঠে গেছে ধাপে ধাপে, কোথাও মাটির ঢাল, কোথাও কালচে পাথরের খাঁজ, কোথাও আবার বাঁশঝাড় আর বুনো গাছ…Read More

    4
    5 Comments
    • পাহাড়ি পথের বর্ণনা আর অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেলের দৃঢ় চরিত্রের মেলবন্ধনে গল্পটি অত্যন্ত সাবলীল ও মনোগ্রাহী হয়েছে, বিশেষ করে আপনার লেখা—”অরণ্যের ভেতরে ঢুকতেই বাইরের শব্দ ধীরে ধীরে কমে গেল”—অংশটি আমাকে যেন নিজেই সেই নিরিবিলি পাহাড়ে নিয়ে গেল। বর্ণনার এই নিখুঁত ভঙ্গি বজায় রেখে পরবর্তী পর্বগুলো সাজাতে পারলে পাঠকদের আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে, তাই…Read More

    • আজই সেবা’র পেজে এই সিরিজটা দেখলাম। তখনই ভাবছিলাম, এই সিরিজটা তুলটে দেয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করবো। কিন্তু মেঘ না চাইতেই জল পেয়ে গেলাম। আপনাকে ধন্যবাদ। পাহাড়, অরণ্য আর রহস্য সবমিলেয়ে জমজমাট একটা গল্পের আভাস পাচ্ছি।

      • এটা দেখলাম অনেকেই পছন্দ করেছে। মাত্রই একজন তাদের পেজে এটা শেয়ার করতে অনুরোধ করলো।

    • দখলদারের বেড়া টপকানোর আগে কর্ণেল বেছে নিলেন আইনের ধৈর্যশীল পথটাই…..🤍🖤

    • অপেক্ষায় রইলাম দারুণ শুরু করছেন😊😊

  • রিটায়ার্ড কর্ণেল রেজোয়ান। চাকুরীতে থাকাকালীন খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় একটা জায়গা কিনেছিলেন। ইচ্ছে ছিল অবসরে যাবার পর ওখানে একটা রেস্টহাউজ বানাবেন। পরিবার পরিজন নিয়ে এসে মাঝে মাঝে থাকবেন। কিন্তু, যখন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে জায়গায় যান, দেখেন ওখানে এক রিসোর্ট কোম্পানীর সাইনবোর্ড ঝুলছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, পাহাড়ের এক পরাক্রমশ…Read More

    3
    4 Comments
    • দখলদারদের অজানা ছিল নাইট ওলফের যুদ্ধ এবার শুরু হবে নিজের মাটির জন্যই…..🤍🖤

    • বিষণ্ন সুমন, আপনি বেশ টানটান উত্তেজনার একটা গল্পের প্লট দাঁড় করিয়েছেন। এই কর্ণেল রেজোয়ানের পরের পদক্ষেপগুলো দেখার জন্য আমি বেশ আগ্রহী হয়ে আছি। আচ্ছা, গল্পটা কি কোনো বাস্তব ঘটনার ছায়া অবলম্বনে লেখা?

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার লেখায় ‘নাইট ওলফ’-এর মতো একজন কমান্ডোর আত্মপ্রকাশের মুহূর্তটি বেশ উত্তেজনাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। “বুঝতে পারলেন যা করবার নিজেকেই করতে হবে”—আপনার এই লাইনটি চরিত্রটির দৃঢ় মানসিকতার এক দারুণ বহিঃপ্রকাশ। এই গল্পের পরবর্তী অংশ পড়ার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, তাই আপনার লেখনী সচল থাকুক।

    • আপনার লেখাগুলো বেশ দারুণ হয়। কখনও ভাবিনি আপনাকে এখানে পেয়ে যাবো। সেই গল্প-কবিতা সাইট থেকে আপনাকে চেনা। এখানে আপনাকে দেখতে পেয়ে বেশ ভালো লাগলো!! 🙂

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ৩০
    র‌্যাঞ্চের ওপর সকাল নেমেছিল, কিন্তু সেই সকাল আর অন্য দিনের মতো ছিল না। সূর্য উঠেছিল যথারীতি, ঘাসের ডগায় আলো পড়েছিল, আস্তাবলের সামনে ঘোড়াগুলোকে পানি দেওয়া হচ্ছিল, দূরের মাঠে গবাদি পশু ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিল, তবু পুরো জায়গাটার ওপর যেন অদৃশ্য একটা চাপ জমে ছিল। ভাঙা বেড়ার জায়গায় নতুন কাঠ বসানো হয়েছে,…Read More

    3
    5 Comments
    • দীর্ঘ এই শব্দের মিছিলে মন হারালেও, ভাবনার গভীরতা চমৎকার। এই আঙিনায় আপনার অক্ষরের আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিনিয়ত। অন্তহীন শুভেচ্ছা!

    • দারুণ সমাপ্তি। কিন্তু এতোদিন ধরে পড়ছিলাম, কেমন যেন খালি খালি লাগছে। এমন লেখা আরো চাই

      • হয়তো আরো অনেক পরে অন্য কোন গল্পে একজন কিংবদন্তি বন্দুকবাজ হিসেবেই ফিরিয়ে আনবো তাকে। সেবা প্রকাশনীর পেজেও অনেকের অনুভুতিও আপনার মতই ছিল। ওখানে কিন্তু এখন আমার একশন থ্রীলার চলমান। পারলে ঢু মেরে আসবেন।

    • মারদেকার চরিত্রটা সত্যিই ভালো লেগেছে😊😊

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৯
    র‌্যাঞ্চের ওপর হামলা শেষ হওয়ার পরও বন্দুকের গন্ধ বাতাসে লেগে ছিল। দুপুরের সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়েছে, কিন্তু খোলা মাঠের ওপর ধুলো এখনও পুরোপুরি বসেনি। ভাঙা বেড়ার কয়েকটি খুঁটি মাটিতে কাত হয়ে পড়ে আছে। কোথাও কাঠের তক্তায় গুলির কালো দাগ, কোথাও ছড়িয়ে আছে ভাঙা জানালার কাচ। যে উঠোনে সকালে ঘোড়ার খুরের…Read More

    2
    4 Comments
    • ঘটনার ঘনঘটায় ভরপুর এই সুন্দর রচনার প্রতিটি বাঁক খুব যত্নের সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, বিশেষ করে আপনার এই লাইনটি—”বন্দুকবাজও ভয় পায়, পার্থক্য হলো, সে ভয়কে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে দেয় না”—খুবই গভীর এবং হৃদয়স্পর্শী।

    • মারদেকার চরিত্রটা আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে—এটাই সম্ভবত গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিক

    • ভয়কে জয় করার শিক্ষাই আসলে সিদ্ধান্তকে সঠিক সময়ে দাঁড় করানোর শিক্ষা দৌড়ে পালানোর বদলে এবার সে নিজের মানুষদের পাশেই দাঁড়াতে শেখে।…..🤍🖤

    • গল্পটা দারুণ সাবলীল ভঙ্গিতে লিখেছেন, পড়ার সময় চোখের সামনে পুরো দৃশ্যপট ভেসে উঠছিল। মারদেকার মানসিক দ্বন্দ আর লারসেনের শিক্ষাগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা রইল, অনেক ভালো লেগেছে আপনার লেখাটা।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায় ২৮
    সকালের সূর্য তখনও পুরোপুরি মাথার ওপর ওঠেনি। র‌্যাঞ্চের ওপর নরম সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে। রাতের ঠান্ডা বাতাস ধীরে ধীরে সরে গিয়ে তার জায়গা নিচ্ছে শুকনো উষ্ণতার। খোলা মাঠের ওপর হালকা কুয়াশার মতো একটা আবছা পর্দা ভাসছিল, যা সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছিল। দূরের পাহাড়গুলো নীলচে ধূসর হ…Read More

    3
    4 Comments
    • বন্দুক শেখায় না শুধু গুলি ছোড়া শেখায় কখন অস্ত্র তোলা আর কখন থামা…..🤍🖤

    • এই অধ্যায়ে মারদেকাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত মনে হলো।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার লেখাটি প্রতিটি লাইনে এমন এক টানটান উত্তেজনা ও দৃশ্যের অবতারণা করেছে যে আমি পড়ার সময় একদম মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে ছিলাম। বিশেষ করে যুদ্ধের মাঝে মারদেকার মানসিক দোটানা এবং লারসেনের রক্তাক্ত হওয়ার দৃশ্যটি আপনার বর্ণনায় অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী হয়ে ফুটে উঠেছে। আপনি চাইলে আপনার লেখনীর এই গভীরতা বজায় রেখে চরিত্রের আবেগগুলো আরও একটু বিস্তারিত কর…Read More

    • বিষণ্ন সুমন, “বন্দুক শুধু শত্রুকে মারে না, বন্দুক মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে”—লারসেনের এই কথাটি আমার মনের ভেতর অনেকক্ষণ ধরে ঘুরছে, আপনার লেখাটি পড়তে পড়তে সত্যিই মনে হচ্ছিল আমি সেই র‌্যাঞ্চের ধুলোবালি আর উত্তেজনার মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছি! মারদেকা কি শেষ পর্যন্ত প্রতিশোধের নেশায় বন্দুকের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করে ফেলবে, নাকি সে লারসেনের মতো স…Read More

  • Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar