<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md Rizwan Shuvo | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-rizwan-ullah-shuvo/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-rizwan-ullah-shuvo/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md Rizwan Shuvo.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 04:03:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">218457e215b994060e24498df68cc89e</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and কাজল আহমেদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232911/</link>
				<pubDate>Thu, 11 Sep 2025 18:16:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3cb6a747de0ecd024d75402a74996dfa</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and Nishat Jahan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201581/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Jun 2023 15:31:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5ac7ed8979ae675c7027faa7a4990fdc</guid>
				<title>নারী সমাজ!

চল চল করিয়া সমাজ যায় এগিয়ে,
তবু কেন সমাজেতে নারীরা পিছিয়ে।
পুরুষ-নারী উভয়েই মানুষ সমান,
তবু কেন সমাজেতে এতো ব্যবধান।

সমাজেতে নারীর হাত, কোন অংশে কম নয়,
অযুহাতের দিন শেষ, রেখোনা কোন সংশয়। 
নারী, সমাজেরই এক গুরুতর অংশ,
অধিকার মানে না যে, হোক তার ধ্বংস। 

বিদেশি মাটিতে যাহার সমান অধিকার,
নিজ ঘরে, কেন এতো বৈষম্যের শিকার।
কেনরে বুঝিনে সবে, নারী কোন বোঝা নয়,
অধিকার বুঝিলে সে যে, করিবে যে স্বপন জয়।

সমাজেতে অবহেলা করিলো যাহারে,
দিন শেষে ফিরিবে তাহারই ঘরে।
দুর্বল নয় তারা, বঞ্চিত অধিকার,
অন্ধ এই সমাজেরে জানাইবো ধিক্কার।

অত্যাচার-নিপীড়নে পুড়িলো স্বপ্ন যাহার,
সমাজে সমান ভাবে, প্রয়জন আছে তাহার।
তবুও যে বঞ্চিত সম্মান আর অধিকার,
অন্ধকার এই সমাজেতে নামিবে হাহাকার।

সমাজেরই গাড়ি, হয় যদি এগোতে,
নারী-পুরুষ উভয়েরই হতে হবে সক্ষম।
যদিও বা এক জাতি, রয়ে যায় পিছিয়ে,
সমাজেরই গতি হয়ে যাবে অক্ষম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195683/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Mar 2023 18:17:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নারী সমাজ!</p>
<p>চল চল করিয়া সমাজ যায় এগিয়ে,<br />
তবু কেন সমাজেতে নারীরা পিছিয়ে।<br />
পুরুষ-নারী উভয়েই মানুষ সমান,<br />
তবু কেন সমাজেতে এতো ব্যবধান।</p>
<p>সমাজেতে নারীর হাত, কোন অংশে কম নয়,<br />
অযুহাতের দিন শেষ, রেখোনা কোন সংশয়।<br />
নারী, সমাজেরই এক গুরুতর অংশ,<br />
অধিকার মানে না যে, হোক তার ধ্বংস। </p>
<p>বিদেশি মাটিতে যাহার সমান অধিকার,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195683"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195683/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">391ae0a128757b17e9b0f16a074443f2</guid>
				<title>আবেগহীন

সদরঘাটের এক বেঞ্চিতে,
একা বসে আমি।
ভাবছি নিজেকে নিয়ে,
কি কারণে, যানি। 

সুন্যতার মাঝে হারিয়ে যাওয়া,
নিজেকে আবারো ফিরে পাওয়া।
এই ইচ্ছা জাগে মনে,
হৃদয়ের সব স্পন্দনে।

বুড়িগঙ্গা নদীর জলে,
ভাবছি কোনদিন, নৌকায় চোড়ে।
যাবো এক অজানা পথে,
ঘুরে বেড়াবো দিগন্ত জুড়ে।

কিছুক্ষণের জন্য হলেও,
হৃদয় তার পূর্ণতা ফিরে পাক।
মনের মাঝিরে মুক্ত করিলাম,
যেখানে মন চায় চলে যাক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194675/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Feb 2023 07:41:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবেগহীন</p>
<p>সদরঘাটের এক বেঞ্চিতে,<br />
একা বসে আমি।<br />
ভাবছি নিজেকে নিয়ে,<br />
কি কারণে, যানি। </p>
<p>সুন্যতার মাঝে হারিয়ে যাওয়া,<br />
নিজেকে আবারো ফিরে পাওয়া।<br />
এই ইচ্ছা জাগে মনে,<br />
হৃদয়ের সব স্পন্দনে।</p>
<p>বুড়িগঙ্গা নদীর জলে,<br />
ভাবছি কোনদিন, নৌকায় চোড়ে।<br />
যাবো এক অজানা পথে,<br />
ঘুরে বেড়াবো দিগন্ত জুড়ে।</p>
<p>কিছুক্ষণের জন্য হলেও,<br />
হৃদয় তার পূর্ণতা ফিরে পাক।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194675"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194675/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62a29084c9294364f3d398d3911bf943</guid>
				<title>হৃদয়ে আছো তুমি।

তুমি আমার জীবিত থাকার কারণ,
তুমি আমার সব।
তুমি আমার প্রথম ভালবাসা,
তুমিই আমার অপূর্ণ আশা।

প্রথম যেইদিন দেখেছিলাম ওই ক্লাসে,
এক অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করেছিলাম।
এই নিমিশেই দেখে,
তোমার ভালবাসায় পড়েছিলাম।

তুমি আমার প্রশান্তির উৎস,
তুমি আমার হৃদয়ের স্পন্দন।
এই অচেনা জগতে,
তুমিই আমার আপনজন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194505/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Feb 2023 12:34:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদয়ে আছো তুমি।</p>
<p>তুমি আমার জীবিত থাকার কারণ,<br />
তুমি আমার সব।<br />
তুমি আমার প্রথম ভালবাসা,<br />
তুমিই আমার অপূর্ণ আশা।</p>
<p>প্রথম যেইদিন দেখেছিলাম ওই ক্লাসে,<br />
এক অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করেছিলাম।<br />
এই নিমিশেই দেখে,<br />
তোমার ভালবাসায় পড়েছিলাম।</p>
<p>তুমি আমার প্রশান্তির উৎস,<br />
তুমি আমার হৃদয়ের স্পন্দন।<br />
এই অচেনা জগতে,<br />
তুমিই আমার আপনজন।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d30117dce83220dcfe3ec29de5ecd96b</guid>
				<title>যার গা তার ব্যাথা 

চক চক করিলে সব সোনা হয় না,
দূর হতে সব কিছু বোঝা যায় না।
চোখে দেখা সব কিছু সত্য হয় না,
এই সত্যের আড়ালে থাকা কথা,
ভাবা যায় না।

নৌকায় চোড়ে স্রোতের তান,মাপা যায় না,
ভড়া পেটে খুদার্থের কথা,বোঝা যায় না,
তবুও মানুষ না বুঝে মন্তব্য করা, ভুলে না।

দুর থেকে কারো অবস্থা ভাবা যায় না,
সুখ দুঃখ কিছুই আঁচ করা যায় না।
মাঝেমাঝে তাই সত্য মিথ্যার পার্থক্য,
বোঝা যায় না।

যার গা তার ব্যাথা,
অন্যেরা সব বলে কথা।
তাই না জেনে না বুঝে কোন মন্তব্য না করি,
নিজেরে দেখিয়া,সোজা পথে চলি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/194340/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Feb 2023 14:22:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যার গা তার ব্যাথা </p>
<p>চক চক করিলে সব সোনা হয় না,<br />
দূর হতে সব কিছু বোঝা যায় না।<br />
চোখে দেখা সব কিছু সত্য হয় না,<br />
এই সত্যের আড়ালে থাকা কথা,<br />
ভাবা যায় না।</p>
<p>নৌকায় চোড়ে স্রোতের তান,মাপা যায় না,<br />
ভড়া পেটে খুদার্থের কথা,বোঝা যায় না,<br />
তবুও মানুষ না বুঝে মন্তব্য করা, ভুলে না।</p>
<p>দুর থেকে কারো অবস্থা ভাবা যায় না,<br />
সুখ দুঃখ কিছুই আঁচ করা যায় না।<br />
মাঝেম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-194340"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/194340/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef3b25244997b08c295dbbf357e673e4</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and অয়ন আবদুল্লাহ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193962/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Feb 2023 05:10:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a45021bcf6c7d74e0c9922e2768ae75</guid>
				<title>প্রেসেন্টেশনের দিনে এক রমণীর খোজে। 

নানা জাতের,নানা রঙের,কাতান শাড়িতে,
সাজিয়াছে রমণীরা,সাজবাড়িতে।
প্রেসেন্টেশন দিতে হবে,আজ আমারে,
ঘ্রাণে ঘ্রাণে,ভাসছে ভোমর,ফুলের বাহারে।

আশেপাশে দানেবামে কতো জাতের ফুল,
মায়াবি রুপে মাতওয়ারা হয়ে,
করিলাম কি ভুল।
এতো সুন্দরভাবে,সেজেছে যে নারী,
লাগছিল যেন কোন ডানাকাটা পরী।

ঘণ কালো,চুলের বাহার,
নানা রুপের,পরীর বাগান।
তোমার আমার,আমার তোমার,
ঘুরবো মোড়া ফুলের বাগান।

লাল শাড়ি,সাদা পাড়ে,
আসিলো যে কাছে,
ঘুরে ঘুরে,সিট না পেয়ে,
বসিলো আমার পাশে।
আহা কি সুন্দর যে,
লাগছিল যে তারে,
এমন রুপে পাগল না হয়ে,
কে থাকিতে পারে।

কালো চোখের,দিকে তাকিয়া,
এক দৃষ্টিতে আমি,
চেষ্টা চালিয়েও চোখ সড়াতে,
পারিনা,কেন যানি।
প্রেসেন্টেশনের ওই দিনেতে,
টেনশনেতে ছিলাম, 
লাল শাড়ির রমণীরে,
 মন যে আমার দিলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193844/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Feb 2023 20:48:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রেসেন্টেশনের দিনে এক রমণীর খোজে। </p>
<p>নানা জাতের,নানা রঙের,কাতান শাড়িতে,<br />
সাজিয়াছে রমণীরা,সাজবাড়িতে।<br />
প্রেসেন্টেশন দিতে হবে,আজ আমারে,<br />
ঘ্রাণে ঘ্রাণে,ভাসছে ভোমর,ফুলের বাহারে।</p>
<p>আশেপাশে দানেবামে কতো জাতের ফুল,<br />
মায়াবি রুপে মাতওয়ারা হয়ে,<br />
করিলাম কি ভুল।<br />
এতো সুন্দরভাবে,সেজেছে যে নারী,<br />
লাগছিল যেন কোন ডানাকাটা পরী।</p>
<p>ঘণ কালো,চুলের ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193844"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193844/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b089c8107f833b42f620b65bf12c258</guid>
				<title>আমাদের সমাজে অনেকেই আছে ধর্মের আড়ালে নিজের লোভ আর অনৈতিক কাজ লুকিয়ে রাখে।অন্যের সম্পদ আত্নসাৎ করিয়া সমাজেতে নাম কামায়।এই কবিতা, সাহিত্যের ভাষায় প্রতিবাদ জানানোর জন্য।আশা করি ভালো লাগবে।


লোলুপ

চমৎকার এই দুনিয়া,
চমৎকার তার স্বভাব।
ভণ্ডামিতে মুগ্ধ মশাই,
মানুষত্তের অভাব।

চোখের শরম হারিয়াছে তাহার,
বহুকাল আগে।
পুকুর চুরিরোগে মশাই,
রাত্রি বেলা জাগে।

সমাজেতে নাম যার,
বড় বড় দাবি।
গণ্যমান্য ব্যক্তি মশাই,
পকেটও তার ভাড়ি।

কুড়ি কুড়ি করিয়া,
করিয়াছে লুটপাট।
বাইরে দিয়া ফিটফাট হলেও,
ভেতরে সেই,সদরঘাট।

টাকাকড়ি হাতে লইয়া,
লোভে হয়েছো কাবু।
শরম ধরম হারাইয়া এখন,
ধর্মের দোহাই দিও না বাবু।

বড় বড় নামের আড়ালে,
করিছো কাম চোরের মতো।
ধর্মের নাম করিয়া,
কুকর্ম ঢাকিছো যতো।

কথায় কথায় মিথ্যার জোয়ারে,
স্রতের মাঝে, ভাসিয়াছো নিজেরে।
অন্যের হক আত্মসাৎ করিয়া,
আয়নায় কি দেখিয়াছো নিজেরে।

হিংশা আর লোভে, 
ভরিয়াছো নিজের মন।
যাইবার কালে থাকিবে না কিছুই,
অস্পর্শিত থাকিবে সব ধণ।

আয়নায়ও নিজেরে পাবে না খুজে,
বুক যে ভড়া নোংরামিতে।
সমাজের কাছে নাম কামিয়াছো,
কিন্তু মন ভরা ভণ্ডামিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193842/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Feb 2023 19:14:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাদের সমাজে অনেকেই আছে ধর্মের আড়ালে নিজের লোভ আর অনৈতিক কাজ লুকিয়ে রাখে।অন্যের সম্পদ আত্নসাৎ করিয়া সমাজেতে নাম কামায়।এই কবিতা, সাহিত্যের ভাষায় প্রতিবাদ জানানোর জন্য।আশা করি ভালো লাগবে।</p>
<p>লোলুপ</p>
<p>চমৎকার এই দুনিয়া,<br />
চমৎকার তার স্বভাব।<br />
ভণ্ডামিতে মুগ্ধ মশাই,<br />
মানুষত্তের অভাব।</p>
<p>চোখের শরম হারিয়াছে তাহার,<br />
বহুকাল আগে।<br />
পুকুর চুরিরোগে মশা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193842"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193842/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">36fb9a76857b8c6abd1b4844c1c71816</guid>
				<title>স্বপ্নের শহর ঢাকা।

স্বপ্নের শহর ঢাকা,
আজ পরে আছে অবহেলায়।
ধুষর রঙের চাদরে মুড়নো,
বিষাক্ত গ্যাসে পরিপূর্ণ আবহাওয়ায়।

সময়ের সাথে পরিবর্তণ হয়েছে,
প্লাস্টিকে মুড়নো সব জলপথ।
পরিষ্কার পানিয় জলের অভাবে,
দরজার কড়া নাড়ছে বিপৎ।

উচু মিনার আর অবকাঠামোর পেছনে,
নির্বুজের মতো দৌড়াতে-দৌড়াতে,
এই শহর তার চিরচেনা বৈশিষ্ট হারিয়েছে। 
নির্বাক এই শহরে,সবুজের অভাব,
যেন চোখ,রাঙিয়েছে।

বিশাক্ত বাতাসে,আর পরিবেশের,
এ কেমন দুর্গতি।
বাতাসের এই বিশের প্রভাবে,
মস্তিষ্কো গুনছে অবন্নতি।

রাস্তাঘাটের যা অবস্থা 
কোথাও মাথা গুজার ঠাই নেই।
জ্যামে-জঞ্জালে,সময়ের বিকাশ নেই। 

সামান্য বৃষ্টিতে পায়ের নিচে,সড়ক যায় হারিয়ে,
নজরকারে ভাস্যমান প্লাস্টিকের নগরি।
নিশির আলোয় পাহারায় দারিয়ে
যেন কোন নৈশ প্রহরী। 

আহা এই স্বপ্নের শহরের,এই কি দূররূপ,
স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনায়,ভুগছে পথচারী।
এই অনিবার্য অবস্থার যেন নিশ্তার নেই,
যেন কোন বিপর্যয়কর মহামারী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193713/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Feb 2023 18:22:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের শহর ঢাকা।</p>
<p>স্বপ্নের শহর ঢাকা,<br />
আজ পরে আছে অবহেলায়।<br />
ধুষর রঙের চাদরে মুড়নো,<br />
বিষাক্ত গ্যাসে পরিপূর্ণ আবহাওয়ায়।</p>
<p>সময়ের সাথে পরিবর্তণ হয়েছে,<br />
প্লাস্টিকে মুড়নো সব জলপথ।<br />
পরিষ্কার পানিয় জলের অভাবে,<br />
দরজার কড়া নাড়ছে বিপৎ।</p>
<p>উচু মিনার আর অবকাঠামোর পেছনে,<br />
নির্বুজের মতো দৌড়াতে-দৌড়াতে,<br />
এই শহর তার চিরচেনা বৈশিষ্ট হারিয়েছে।<br />
নির্বাক এই শহরে,সব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193713"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193713/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1dc61a4a25ddce3ada9be29023600414</guid>
				<title>অশান্ত মন!

কেন জানি মন অশান্ত হয়ে রয়েছে,
যেন কোন অঘটন হওয়ার সংকা,
মনে কাটার মতো,বেধে গেছে।

কেমন যেন এক অস্থিরতা বিরাজ করছে,
যা সামান্যক্ষণের জন্যও থামছে না।
যতই চেষ্টা চালাচ্ছি,
মনকে বোঝাতে পারছি না।

এই অস্থিরতা কিছুতেই কমছে না,
যেন কোন জলন্ত আগ্নেয়গিরি,
উত্তাল হয়ে,ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
যেন একবার বের হতে পারলে 
আর থামবে না

কি যেন এক অচেনা অজানা কারণ বসতো,
মনে চিন্তার ঢেউ,
ঘুরনির মতো ঘুরপাক খাচ্ছে।
এই অজ্ঞাত চিন্তায়,মনের অশান্ত ভাবটি,
ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে।

অজানা,এই রোগে আক্রান্ত এই মনে, 
 নৌকা সারাক্ষণ শুধু হাবুদুবু খাচ্ছে।
অশান্ত মন নিজেকে শান্ত করবার জন্য,
সর্বক্ষণ শুধু এই রোগের সমাধানের লক্ষে,
ঔষদ খুজে বেড়াচ্ছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193485/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Feb 2023 19:34:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অশান্ত মন!</p>
<p>কেন জানি মন অশান্ত হয়ে রয়েছে,<br />
যেন কোন অঘটন হওয়ার সংকা,<br />
মনে কাটার মতো,বেধে গেছে।</p>
<p>কেমন যেন এক অস্থিরতা বিরাজ করছে,<br />
যা সামান্যক্ষণের জন্যও থামছে না।<br />
যতই চেষ্টা চালাচ্ছি,<br />
মনকে বোঝাতে পারছি না।</p>
<p>এই অস্থিরতা কিছুতেই কমছে না,<br />
যেন কোন জলন্ত আগ্নেয়গিরি,<br />
উত্তাল হয়ে,ক্রমেই বেড়ে চলেছে।<br />
যেন একবার বের হতে পারলে<br />
আর থামবে না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193485"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193485/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">effc3d5e50b1bfac3b53c46507090343</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and হৈমন্তীকা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193421/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Feb 2023 05:36:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f857e1b6e1c5b08bb734b8425770e05</guid>
				<title>একদিন গোধূলির বেলায়। 

সবে মাত্র আকাশের গায়ে,
কমলাময়ই ,রঙের চাদর লেগেছে।
গোধূলির বেলায় উষার আলো,
ছেলেখেলায় মেতেছে।

বাস-খানা,সোজা এক টানে চলেছে,
যেন কালকের কোন অবকাশ নেই।
ধিরে ধিরে উষার আলো,
ওই কমলাময় চাদরের কোলে,ঝরে পড়েছে,
যেন আলের দার প্রান্তে আর কেউ নেই।

এই দীর্ঘ পথে,সঙি হয়ে,
চলছে যে এক,লাল বিত্ত।
যেন বহুকাল পরে,
সঙিকে সাথে পেয়ে দুর হবে একাকিত্ত।

এক নাগালে চলেই যাচ্ছে,
যেন বলতে চাচ্ছে,তার অসমাপ্ত গল্পের কথা।
যতই বলিছে শেষ হচ্ছে না,
যেন গল্পগুজবের আড়ালে বলে যাচ্ছে,
মনে জমে থাকা সব দূঃখ -বেদনা।

দীর্ঘ এই যাত্রার পথে,
সেই রোমাঞ্চকর লাল বিত্তটি একান্ত ভাবে,
মনোমুগ্ধকর এক অসাধারণ,
দৃশ্য স্থাপন করে যাচ্ছে।
যেন অসাধারণ কোন,
রুপকথার জগতের খোজে,
দিবা রাত্রি সন্ধান করে বেড়াচ্ছ।

কি অপরুপ সৌন্দর্যের এই দৃশ্যে,
যেন জলন্ত আগুনের কোন শিখা,
উত্তাল হয়ে,বিত্তের রুপ ধারণ করেছে।
যেন রঙিন এই দুনিয়ার,
মায়াবি রুপের আলো,
এই সূমহান বিশ্ব দরবারে ছড়াচ্ছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193318/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Feb 2023 16:42:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদিন গোধূলির বেলায়। </p>
<p>সবে মাত্র আকাশের গায়ে,<br />
কমলাময়ই ,রঙের চাদর লেগেছে।<br />
গোধূলির বেলায় উষার আলো,<br />
ছেলেখেলায় মেতেছে।</p>
<p>বাস-খানা,সোজা এক টানে চলেছে,<br />
যেন কালকের কোন অবকাশ নেই।<br />
ধিরে ধিরে উষার আলো,<br />
ওই কমলাময় চাদরের কোলে,ঝরে পড়েছে,<br />
যেন আলের দার প্রান্তে আর কেউ নেই।</p>
<p>এই দীর্ঘ পথে,সঙি হয়ে,<br />
চলছে যে এক,লাল বিত্ত।<br />
যেন বহুকাল পরে,<br />
সঙিকে সাথে পেয়ে দুর হবে এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193318"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193318/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96a561710ec180abd865fc50f8ccc9e5</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193259/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Feb 2023 05:31:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f77dd79b3d19cb7eec1a4eece9e383c</guid>
				<title>পুরনো একটি কবিতা।বহুকাল আগে লিখেছিলাম, কারো জন্য সময়ের সাথে সব পালটে গেছে কিন্তু তার স্মৃতি পালটায় নি।

নয়ন যারে খুজিল।

খুজে ছিলাম তাহারে,
আমার এই দুই নয়নে।
অবাক হয়ে দেখিলাম তারে,
যেন কোন হুর, নেমেছিল এই নগরে।

স্বপ্নতেও যার রুপের জাদু,
স্বল্পটুকুও কমেনি।
মহান রবের কি মায়াবি সৃষ্টি,
মনেরে করিলো কাবু।

চাঁদের আলোও যার সামনে মুল্যহিন,
রুপের গারিগরি যার সিমাহিন।
সেই মায়াবি রুপের রাজ কন্যা সে যে,
সৌনদর্য যার অপরিসীম।

প্রথম দেখাতে হয়েছিলাম পাগল,
উন্মাদের মতো পড়েছিলাম নেশায়।
ভালবাসায় পড়েছিলাম যার,
রুপের সেই অপরিসীম মায়ায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193041/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Feb 2023 18:46:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুরনো একটি কবিতা।বহুকাল আগে লিখেছিলাম, কারো জন্য সময়ের সাথে সব পালটে গেছে কিন্তু তার স্মৃতি পালটায় নি।</p>
<p>নয়ন যারে খুজিল।</p>
<p>খুজে ছিলাম তাহারে,<br />
আমার এই দুই নয়নে।<br />
অবাক হয়ে দেখিলাম তারে,<br />
যেন কোন হুর, নেমেছিল এই নগরে।</p>
<p>স্বপ্নতেও যার রুপের জাদু,<br />
স্বল্পটুকুও কমেনি।<br />
মহান রবের কি মায়াবি সৃষ্টি,<br />
মনেরে করিলো কাবু।</p>
<p>চাঁদের আলোও যার সামনে মুল্যহিন,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193041"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193041/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a50c195d124bf87479d3e2fba246e72</guid>
				<title>যদিও, আমি একজন অন্তর্মুখী হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ হই না। আমি কম কথা বলি এবং অনেকে এটি বোঝে না এবং এটিকে অন্যভাবে নেয়।এই কবিতাটি নীরবতার মাধ্যমে সৃজনশীলতার শিল্পকে সংজ্ঞায়িত করার জন্য। আশা করি এটা সবার পছন্দ হবে।

সৃজনশীল নীরবতার শিল্প।

নীরবতা নিজে থেকেই,
হাজারও না বলা কথা বলে ফেলে।
কোন শব্দ বা বাক্যের ব্যাবহার ছাড়াই,
না বলা অনুভূতি বা আবেগ প্রকাশ করে।

নীরবতার আড়ালে,
যে প্রশান্তি অনুভব করা যায়,
তা হয়তো বুঝিয়ে বলা যায় না,
বুঝিয়ে বলা গেলেও,
লোকসমাগমে তা বিশ্বাস যোগ্য হয় না।

আসলে,আমরা এমন এক সমাজে বাশ করি,
যেখানে নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবা হয়।
অন্তর্মুখী থাকাটা, 
যেখানে অহংকারী হিসেবে দেখা হয়।

কিছুক্ষণ নীরব থাকিলে,
অশান্তমন সৃজনশীলতা ফিরে পায়।
এই সৃজনশীলতা মস্তিষ্কের বৃদ্ধিকে,
উদ্দীপিত করে,
এবং উত্তেজনা উপশম করে,
যার ফলে এই দেহ,
উচ্চতর সুস্থতা খুজে পায়।

নীরব থেকেও,যে সাবলীল ভাবে বাচা যায়,
অল্পকথা বলেও,
যে মনের ভাব প্রকাশ করা যায়,
তা বুঝার ক্ষমতা সবার থাকে না।
কেননা,এই অস্থির পথে সামান্যক্ষণের জন্য,
দাড়ানোর সময় কারো কাছে থাকে না।

অন্তর্মুখী থাকা,বা অল্প কথা বলাটা,
যে কোন অপরাধ নয়,
বরং,অন্তর্মুখীকে মনোভাবকে,
অপরাধ ভাবাটা,
কুশংষ্কার ছাড়া কিছু নয়।

নীরবতা আর অন্তর্মুখী হয়ে থাকাটা,
নিজেকে ফিরে পাবার,একটি সুবর্ণ সুযোগ।
যা আমাদের অভ্যন্তরীণ জগৎের সাথে,
তৈরী করে দেয় গভীর সংযোগ।

এই সংযোগ আমাদের সৃজনশীলতাকে,
জগৎের সামনে নিয়ে আসে,
এবং নিজেদের মাঝে লুকনো,
সব প্রতিভা গুলোকে,
সমাজের সামনে তুলে ধরে।

নীরবতা আমাদের মাঝে,
সেই সব নিন্দুগুলোকে খুলে দেয়।
যা আমাদের কল্পনার জগৎকে,
উৎস্য খুজে দেয়।

এই নীরবতা,সেই সব দক্ষতাকে,
সমাজের সামনে তুলে ধরে।
যা সমাজের অস্থিরতার মাঝে হারিয়ে যায়,
যাতে করে মানুষ তার চির চেনা,
শিল্পী মন ফিরে পায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/193036/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Feb 2023 16:15:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যদিও, আমি একজন অন্তর্মুখী হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ হই না। আমি কম কথা বলি এবং অনেকে এটি বোঝে না এবং এটিকে অন্যভাবে নেয়।এই কবিতাটি নীরবতার মাধ্যমে সৃজনশীলতার শিল্পকে সংজ্ঞায়িত করার জন্য। আশা করি এটা সবার পছন্দ হবে।</p>
<p>সৃজনশীল নীরবতার শিল্প।</p>
<p>নীরবতা নিজে থেকেই,<br />
হাজারও না বলা কথা বলে ফেলে।<br />
কোন শব্দ বা বাক্যের ব্যাবহার ছাড়াই,<br />
না বলা অনুভূতি বা আবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-193036"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/193036/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e833e61ec25d618f06d4291ae45c9c2</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and মোহাম্মদ আফজাল হোসেন মাসুম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192942/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Feb 2023 17:41:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80420ea0a98c9896ab39f1c7f4fcf21d</guid>
				<title>আমাদের সমাজে অনেকেই আছে, যারা,তাদের বক্তব্য বা তাদের উপদেশ আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়,কিন্তু নিজের বেলায় আসলে তার উপদেশ যুক্তিহীন হয়ে যায়।এবং তাদের কথার বিপক্ষে গেলে,তাদের চোখে আমরা খারাপ হয়ে যাই বা স্বার্থপর হয়ে যাই।এই কবিতার মুল উদ্দেশ্য তাদের কথাকে সজ্য করে কিভাবে আগানো যায় তা নিয়ে।আশা করি কবিতাটি পরে ভাল লাগবে।

গোঁড়ামী

মানুষ বড়ই বিচিত্র এক প্রাণী,
রহশ্যে ঘেড়া যার জীবনী।
কখন যে কি চায়,বুঝা মুশকিল,
মাথায় শুধু চাহিদা করে কিলবিল।

তবে একটা জিনিস ভালোই পারে,
সঠিক হোক বা নাহোক,
উপদেশ আর গেয়ান দিতে ভালোই জানে।

কোন কাজ করিতে গেলে,
উপদেশের কোন অভাব হয় না,
যাই করুণ না কেন,
সেই কাজ তাদের মন ছোয়ে না।

চান,বা না চান,
আপনাকে উপদেশ দিতে এরা খুবই আগ্রহী।
নিজের ব্যাপারে আসিলে,
মন ভরা থাকে আত্নগ্লানি।

মাঝেমাঝে সংকা হতে পারে মনে,
যেন নিজেদের চেয়ে বেশি,
তাহারা আপনাকে চিনে।

তাদের চোখে,আপনার সব কাজ ভুল
এই অস্থাহী প্রৃথিবীতে,
তাদের থেকে কেউ গেয়ানি নয়,
নিজের সক্ষমতা বা অক্ষমতা যাই থাকুক না কেন,
মনে নেই তাদের,বিন্দু মাত্র সংশয়।

তাহাদের চোখে,আমার সব কিছু,
প্রয়জনহীন বলে মনে হয়।
ভাবছি,আপনি সাধারণ কেউ নন,
একজন জ্যোতিষী মনে হয়।

নিজের মনের কথা শোনার জন্য কি,
নিতে হবে অনুমতি বা উপদেশ?
নাকি অনুমতি পত্র ছাড়া কাজ করিলে,
ওই খানেই জীবন শেষ।

নিজের কথা ভাবলে, 
তবে, হয়ে যাই স্বার্থপর।
অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে,তাকিয়ে তারা,
যেন আমি করেছি এমন কাজ,
যা বেশ দুষ্কর।

এই প্রাণী জগৎে,ঙ্গ্যানি মানুষের অভাব নেই,
অন্যের ব্যাপারে নাকগলানো তাদের স্বভাব।
প্রতিবাদ জানালে তবে,
হয়ে যায় সেটা বেয়াদবীর প্রভাব।

নাছর বান্ধা তারা,সত্যকে শুনিতে চায় না,
নিজের ব্যাপারে আসলে করে দিধা,
উপদেশ মানিতে,করে বায়না।

আয়নায় নিজেকে দেখিলে তবে হয়তো,
বুঝবে তাদের ভুল।
ভুল প্রমান করিলেও যে আছে সংকা,
প্রতিবাদিরা হারাবে সব কূল

আহা এই রিতি, এই নিয়ম
যার বিপক্ষে গেলে হারায় সমাজে মুল্য
যেন প্রতিবাদীরা সব সৎ নয়,
বরং শয়তানের সমতুল্য</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192862/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Feb 2023 07:15:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাদের সমাজে অনেকেই আছে, যারা,তাদের বক্তব্য বা তাদের উপদেশ আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়,কিন্তু নিজের বেলায় আসলে তার উপদেশ যুক্তিহীন হয়ে যায়।এবং তাদের কথার বিপক্ষে গেলে,তাদের চোখে আমরা খারাপ হয়ে যাই বা স্বার্থপর হয়ে যাই।এই কবিতার মুল উদ্দেশ্য তাদের কথাকে সজ্য করে কিভাবে আগানো যায় তা নিয়ে।আশা করি কবিতাটি পরে ভাল লাগবে।</p>
<p>গোঁড়ামী</p>
<p>মানুষ বড়ই বিচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192862"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192862/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e6e21a8c97fda5d8adbce32e04b8fa3</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and Jannatul Ferdausi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192829/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 18:55:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">20f9d7a804ec5d1c4f818bd399516295</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192824/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 17:59:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5dd15c360b83bbc37a62283a18eb81aa</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and শিউলি চক্রবর্তী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192809/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 15:01:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">151aee89d916f8ad9a7c985838e67287</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo and Anika are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192788/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 10:56:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97c6cfe9b542fe6d222babd77f62a31e</guid>
				<title>অন্তহীন

আলো আধারের, শিতল ছোয়া,
হ্রৃদয়ের মাঝে,ভালবাসার ধোয়া
আমি শুধু তোমাকে ভালবেসেছি
আমি শুধু তোমাকে পেতেচেয়েছি

ভালোবাসার এই মুহুর্ত
যেন থাকে চিরদিন
তোমাতে ডুবে,
ভালবাসবো প্রতিদিন

সারাক্ষণ শুধু তোমার
ছবি ভাসে এই মনে
চলো উড়ে, বেড়াই!
দূর,ওই নিল গগনে

কাজল মাখা,ওই দুই নয়নে
কবিতার ছন্দের অভাব হয় না
হয় না শব্দের চয়নে

তোমার সেই মিষ্টি হাশি
লেগেছে যে মনে
চোখ জুড়ায় আমার
তোমার কথা শুনে

যতই দেখেছি নারী
তোমার মতো কেহ নেই
হয়তো আমার ভাগ্যে
তোমায় ছাড়া কেহ নেই

যেই হাশিতে মন হয়েছে উদার
সার্থক হয়েছে জীবন আমার
পড়েছি যে তোমার মায়ায়
মন পড়েছে তোমার ভালবাসায়

যেখানে যাই,তোমাকেই খুজে পাই
বলো তুমি,তোমার মায়া কিভাবে ছাড়াই

উত্তর তোমার যাই হোক না কেন
ভালবেসে যাব তোমায়
চিরকাল ভেসে থাকিব যেন
বেচেছি তোমারই মায়ায়</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192775/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 10:31:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তহীন</p>
<p>আলো আধারের, শিতল ছোয়া,<br />
হ্রৃদয়ের মাঝে,ভালবাসার ধোয়া<br />
আমি শুধু তোমাকে ভালবেসেছি<br />
আমি শুধু তোমাকে পেতেচেয়েছি</p>
<p>ভালোবাসার এই মুহুর্ত<br />
যেন থাকে চিরদিন<br />
তোমাতে ডুবে,<br />
ভালবাসবো প্রতিদিন</p>
<p>সারাক্ষণ শুধু তোমার<br />
ছবি ভাসে এই মনে<br />
চলো উড়ে, বেড়াই!<br />
দূর,ওই নিল গগনে</p>
<p>কাজল মাখা,ওই দুই নয়নে<br />
কবিতার ছন্দের অভাব হয় না<br />
হয় না শব্দের চয়নে</p>
<p>তো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192775"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192775/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cb41ea6361176b3989fd8c272d29df8</guid>
				<title>স্মৃতিভ্রংশ

ভুলামনে থাকি সারাদিন,
স্মৃতি হারাচ্ছি দিনদিন।

কিছুই কাজ করেনা,
মাথায় কিছু ধরেনা,
ফাটা কলশির,পানির মতো,
মাথায় কিছু থাকেনা।

করিতে গিয়ে এক কাজ,
অন্য কিছু করি।
ভুলে যাওয়া কাজগুলো,
কিভাবে যে মনে করি।


চিন্তা শক্তি দিনেদিনে হ্রাস পাচ্ছে,
মস্তিষ্কোও হারাচ্ছে,তার কার্যকারী ক্ষমতা।
সময়ের আগেই হারিয়ে যাচ্ছে স্মৃতিশক্তি,
মন আমার,এই দুশ্চিন্তায় ভুগছে।

এক মুহর্তের নেই নিশ্চয়তা,
ভুলে যাচ্ছি দৈনন্দিন জীবিকার কথা।

পড়া লেখা,কিছুই মাথায় থাকেনা,
এই ভুলামনের কথা,
কেউ কেন বোঝেনা।

বোঝাতে বোঝাতে দিন যায়,
মস্তিষ্কোও আমার রেহাই চায়।
এত কিছু পারিনা রাখিতে,মনে,
চিন্তার অবকাশ নেই,এই বনে।
 
 
এই বয়সেই স্মৃতিশক্তির এই দূররূপ,
হবে কি তবে আমার,বয়সের শেষ সীমান্তে।
ভুলামন নিয়ে,ভাবছি সারাক্ষণ,
যাত্রা চলেছে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রান্তে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192697/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Feb 2023 16:19:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্মৃতিভ্রংশ</p>
<p>ভুলামনে থাকি সারাদিন,<br />
স্মৃতি হারাচ্ছি দিনদিন।</p>
<p>কিছুই কাজ করেনা,<br />
মাথায় কিছু ধরেনা,<br />
ফাটা কলশির,পানির মতো,<br />
মাথায় কিছু থাকেনা।</p>
<p>করিতে গিয়ে এক কাজ,<br />
অন্য কিছু করি।<br />
ভুলে যাওয়া কাজগুলো,<br />
কিভাবে যে মনে করি।</p>
<p>চিন্তা শক্তি দিনেদিনে হ্রাস পাচ্ছে,<br />
মস্তিষ্কোও হারাচ্ছে,তার কার্যকারী ক্ষমতা।<br />
সময়ের আগেই হারিয়ে যাচ্ছে স্মৃতিশক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192697"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192697/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">20db4a712eece3be17b643cc7159f43f</guid>
				<title>গতকাল রাতে তন্দ্রাতে লিপ্ত,নিদ্রাবিহীন মনে এই কবিতার রচনা।আশা করি সবার ভাল লাগবে।
নিশাচরী মন।

টিক টিক করে,ঘড়ির কাটা চলেছে,
পুর্ণিমার চাঁদ, মাঝ আকাশে উঠেছে,
চাঁদের আলোয় আলোকিত এই শহর,
যেন এক নতুন রুপে সজ্জিত হয়েছে।

ঘুম আসে না চোখে,
যেন কোন মনোরোগের আসামী।
নেশা প্রায় অবস্থানে নিশাচরের মতো,
মাথায় ঘুরছে পাগলামি।

মনে অস্থিরতা বিদ্যমান,
ঠাণ্ডা বাতাস থাকার পরেও,
কেন যেন গা থেকে ঘামের বন্যা বৈছে,
মাঝেমাঝে তবে,হাল্কা দমকা হাওয়া এসে,
দেহকে স্পর্ষ করছে।

শিরশিরে এই অনুভূতি,
গায়ে কাটা দিয়ে যাচ্ছে।
যেন বৈদ্যুতিক কোন তারে আকৃষ্ট হয়ে,
সারা গায়ের শিরাবিন্দুগুলো,
সতেজ হয়ে যাচ্ছে।

এই দিকে রাস্তা ঘাট একেবারে ফাকা,
পরে আছে জনশুন্য অবস্থায়।
ঘুমের চিহ্ন মাত্র নেই বললেই চলে,
তবুও নিথর হয়ে পরে আছি,
অনিশ্চিত কিনারায়।

আজ রাত যেন শেষ হয় না
সময় যতই বারে ঘুম আসে না,
মনরোগের অস্তিত্ব মস্তিষ্কে বিরাজমান,
যেন দিচ্ছে, চেতনা হারানোর প্রমাণ।

নিন্দ্রাবিহীন এই রাত্রি যাপনে,
এই চাঁদই আমার এক মাত্র সঙি।
রাত জাগা,এই দেহ আমার,
যেন করছে,নিশাচরী পেচার ভঙি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192537/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Feb 2023 18:04:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গতকাল রাতে তন্দ্রাতে লিপ্ত,নিদ্রাবিহীন মনে এই কবিতার রচনা।আশা করি সবার ভাল লাগবে।<br />
নিশাচরী মন।</p>
<p>টিক টিক করে,ঘড়ির কাটা চলেছে,<br />
পুর্ণিমার চাঁদ, মাঝ আকাশে উঠেছে,<br />
চাঁদের আলোয় আলোকিত এই শহর,<br />
যেন এক নতুন রুপে সজ্জিত হয়েছে।</p>
<p>ঘুম আসে না চোখে,<br />
যেন কোন মনোরোগের আসামী।<br />
নেশা প্রায় অবস্থানে নিশাচরের মতো,<br />
মাথায় ঘুর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192537"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192537/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d655d9783d6c7b576c3fb710fd91f96</guid>
				<title>আমি পাখি হবো !

মাঝেমাঝে ভাবি, পাখি হয়ে যাই,
পুর্ব-গগনে, উত্তাল আকাশে উড়ে বেড়াই।
না-থেমে,ডানা মেলে,
খোলা আকাশে ঘুড়ে বেড়াই।

বাতাসের সঞে পাল্লা দিয়ে,
উড়ে বেড়াই আকাশে।
গতির সাথে,পাখা মেলে,
দোল খেলি বাতাসে।

বাঁধন হারা হয়ে,উন্মাদের মতো,
নিজেকে যে,খুজে বেড়াই।
হারিয়ে যাওয়া সেই উৎফুল্ল মনকে,
খুজে পাবার চেষ্টা চালাই।

বাতাসের বেগে ছুটে চলি গগনে,
সুদর্শন এই জগৎকে,ধরে রাখি নয়নে।

সব ব্যাথা-বেদনাকে উপেক্ষা করে,
নতুন করে বাচতে শিখি।
আকাশের কোলে ডানা মেলে,
মনখুলে উড়তে শিখি।

মাঝেমাঝে ভাবি পাখি হয়ে যাই,
মনের খুশিতে ঘুড়ে বেড়াই।
যেখানে চোখ পড়ে উড়ে যাই সেখানে,
যেন চিরোস্থাহী শান্তি খুজে পেলাম জীবনে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192465/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Feb 2023 11:28:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি পাখি হবো !</p>
<p>মাঝেমাঝে ভাবি, পাখি হয়ে যাই,<br />
পুর্ব-গগনে, উত্তাল আকাশে উড়ে বেড়াই।<br />
না-থেমে,ডানা মেলে,<br />
খোলা আকাশে ঘুড়ে বেড়াই।</p>
<p>বাতাসের সঞে পাল্লা দিয়ে,<br />
উড়ে বেড়াই আকাশে।<br />
গতির সাথে,পাখা মেলে,<br />
দোল খেলি বাতাসে।</p>
<p>বাঁধন হারা হয়ে,উন্মাদের মতো,<br />
নিজেকে যে,খুজে বেড়াই।<br />
হারিয়ে যাওয়া সেই উৎফুল্ল মনকে,<br />
খুজে পাবার চেষ্টা চালাই।</p>
<p>বাতাসের বে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192465"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192465/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">48182c7e3d05abdf3099982552426699</guid>
				<title>ঢাকাইয়া স্বাদ


ঢাকাইয়া স্বাদ,আসলে যে কাকে বলে,
যেখানে ফিরে আসে বারবার,
লোকেরা, দলে দলে।
হোক সেটা কাচ্চি,আসে খাইতে লাচ্ছি,
এতো স্বাদের এই টানে,মুই ঘ্রাণে ভাসছি। 

মোরগ পোলাও,সাদা পোলাও,
কতো রকমের খাবার,
ভিন্ন স্বাদে,প্রকার ভেদে,
আসে ফিরে বারবার। 

কাবাব,টিকিয়া আছে যতো প্রকারের,
সারা বাংলায় আছে কি তবে,
এতো তারতম্য,খাবারের। 

যে এসে খেয়ে যায়,
মায়ায় তার পড়ে যায়,
ভালোবাসে আরেক বার,
বাসায় খাবার, নিয়া যায়।

ভোর বেলা, সকালে,
মাঠা-লাবাং পাওয়া যায়,
চা দিয়া,পনির দিয়া বাখরখানি খাওয়া যায়।

নল্লি-নিহারী,দিয়া রুটি খায় সকালে,
এতো,স্বাদেরই খাবার মানুষ চায় বারে-বারে।
খাবারের নেশায়,আসে কতো পাবলিক,
ঢাকাইয়া খাবার পাইলে হয়ে যায় সব ঠিক।

অলিগলিতে এতো খাবারের দোকান,
রাস্তা দিয়া হাইট্টা গেলে,ভইরা যাইবে প্রান।
ঘ্রাণে ঘ্রাণে, টানে টানে পরাণ যায় ভইরা,
জামু আমি সেইখানেতে, ঘোড়ার গাড়ি চৈড়া। 

ভালোবাসার আরেক নাম,
ঢাকাইয়া খাবার, কইয়া জান।
খাবার শেষে, দিল খোশে,
মিষ্টি পান,খাইয়া জান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192140/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Feb 2023 15:40:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঢাকাইয়া স্বাদ</p>
<p>ঢাকাইয়া স্বাদ,আসলে যে কাকে বলে,<br />
যেখানে ফিরে আসে বারবার,<br />
লোকেরা, দলে দলে।<br />
হোক সেটা কাচ্চি,আসে খাইতে লাচ্ছি,<br />
এতো স্বাদের এই টানে,মুই ঘ্রাণে ভাসছি। </p>
<p>মোরগ পোলাও,সাদা পোলাও,<br />
কতো রকমের খাবার,<br />
ভিন্ন স্বাদে,প্রকার ভেদে,<br />
আসে ফিরে বারবার। </p>
<p>কাবাব,টিকিয়া আছে যতো প্রকারের,<br />
সারা বাংলায় আছে কি তবে,<br />
এতো তারতম্য,খাবারের। </p>
<p>যে এসে খেয়ে যায়,<br />
মায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-192140"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/192140/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fdf3d3153bbcee2a7baebd1e29dc8bc1</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/192089/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Feb 2023 10:20:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6ad726864792c7ae94bb67e3ca62418</guid>
				<title>কবিতা!

কবিতা আসলে কী?
কিছু বাক্য বা শব্দ,যা এক ছন্দে মিলে যায়,
নাকি মনের গহিন হতে, 
বেরিয়ে আসা কিছু কথা,
যা মুখে না বলেও বলা যায়।

এক কথায় বলতে গেলে,কবিতা হচ্ছে,
মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য,
ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে বলা, 
কিছু অর্থবহ শব্দের মিশ্রণে তৈরী,
বাক্যগত একটি ছড়া। 

সচরাচর,যে কথা বলা যায় না, 
কিংবা বললেও বুঝানো যায় না, 
তারই প্রেক্ষিতে কবিতার জন্ম। 
আর একজন লেখকের চোখেই বোঝা যায়,
এই ছন্দেবন্ধে থাকা বাক্যের মর্ম। 


মনের ভেতরে লুকনো,
সব খুঁটিনাটি, দুখ-কষ্ঠের আবির্ভাব হয়,
এই কবিতায় সাজানো বাক্য দিয়ে।
তবে কবিতার মুল উদ্দেশ্য,
বোদগম্য হয় পাঠকদের সঞে নিয়ে। 

পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা কবিতা, 
তখনই পুর্ণতা পায়,
যখন একজন সেই কবিতাকে পরে,
এবং কবিতার অর্থ বুঝাতে পায়। 

কারণ একজন লেখকের কাছে,
সবচেয়ে গুরুত্তের বিশয় হলো এটা জানা,
যে,তার কবিতার অর্থ,
পাঠকের বোদগম্য হচ্ছে কি না,
কিংবা তার কবিতার সারাংশ,
পাঠকের পছন্দ হচ্ছে কি না।

তবে বলা বাহুল্য,
লেখকের এটা যানা বেশ প্রয়জন, 
তার কবিতাকে কেন্দ্র করে,
কেমন ভাবনা নিয়েছে পাঠকগন।

তা না হলে,লেখকের কাছে,
পাঠক কি চায়,বুঝা যাবে না,
তখন পাঠকও তার পছন্দমত,
কবিতা পাবে না।

লেখক,পাঠক একি সুত্রে গাঁথা, 
দিন শেষে দুজনই,একি নদির দুই শাঁখা।

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই,
সকল লেখক, লেখিকাদের।
কবিতার এই মঞ্চকে ফুটিয়ে তুলেছেন যারা,
ধন্যবাদ জানাই সকল পাঠকগনকে
কবিতার এই অর্থ,বুঝেছেন যারা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191967/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Feb 2023 18:49:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা!</p>
<p>কবিতা আসলে কী?<br />
কিছু বাক্য বা শব্দ,যা এক ছন্দে মিলে যায়,<br />
নাকি মনের গহিন হতে,<br />
বেরিয়ে আসা কিছু কথা,<br />
যা মুখে না বলেও বলা যায়।</p>
<p>এক কথায় বলতে গেলে,কবিতা হচ্ছে,<br />
মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য,<br />
ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে বলা,<br />
কিছু অর্থবহ শব্দের মিশ্রণে তৈরী,<br />
বাক্যগত একটি ছড়া। </p>
<p>সচরাচর,যে কথা বলা যায় না,<br />
কিংবা বললেও বুঝানো যায় না,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191967"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191967/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec5b4913f9c4553c9629fc2f87cc2c35</guid>
				<title>কথায় আছে কবিতা নাকি মনের ভাব প্রকাশ করার একটি যন্ত্র।তাই এক ভিন্ন ভাবনা নিয়ে লিখেছিলাম, যা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।

চা

 শুধু এক কাপ চা,
এক কাপ চা পারে,
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে,
একটুকরো হলেও,
শান্তির অনুভূতি প্রদান করতে।
হ্যা, সাধারণ এক কাপ চা,
বহু দামি এনারজি দ্রিন্কের চেয়েও মুল্যবান।
যেন ক্লান্তিমই দিনের পর,
 এক রাশ ঘুমের সমান।
মশলা,আর দুধের সংমিশ্রণ এক তৃপ্তিময়,
আবিজাত্যের সৃকৃতি দেয়।
যেন প্রমান করে, 
যে সাধারণ একটি তরল পদার্থ,
মানুষিক প্রশান্তি প্রদান করতে পারে।

সাধারণকে অসাধারণ বানানোর ক্ষমতা,
হয়তো এরকম সাধারণ কিছুর মধ্যে লুকিয়ে আছে।
তো হয়ে যাক এক কাপ চায়ের সাথে
এক রাশ হাশি ও আড্ডা, প্রিয় বন্ধুদের সাথে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191952/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Feb 2023 16:25:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কথায় আছে কবিতা নাকি মনের ভাব প্রকাশ করার একটি যন্ত্র।তাই এক ভিন্ন ভাবনা নিয়ে লিখেছিলাম, যা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।</p>
<p>চা</p>
<p> শুধু এক কাপ চা,<br />
এক কাপ চা পারে,<br />
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে,<br />
একটুকরো হলেও,<br />
শান্তির অনুভূতি প্রদান করতে।<br />
হ্যা, সাধারণ এক কাপ চা,<br />
বহু দামি এনারজি দ্রিন্কের চেয়েও মুল্যবান।<br />
যেন ক্লান্তিমই দিনের পর,<br />
 এক রাশ ঘুমে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191952"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191952/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e6946578f7802a798ef932248b96bda</guid>
				<title>ভৌতিক গল্প আমার খুবি প্রিয়,আর তা যদি হয় সত্য গল্প তাহলেতো কথাই নেই।আজ আপনাদের সামনে আমার শুনা একটি গল্প লিখলাম। আশা করি ভালো লাগবে।

সুগন্ধি 


জাহারারা বেগমের বয়স হয়েছে।স্বামি মারা গেছে আজ প্রায় ২০ বছর হতে চলল।দুই ছেলে আর এক মেয়ে নিয়েই তার সব।দুই ছেলে আমেরিকা আর জুক্তরাজ&#x200d;্যে থাকে।বছর পাচেক হয়েছে মেয়ের বিয়ের,থাকে ঢাকায়।তিন একর জমির মাঝে বিশাল বাঙলো কিন্তু মানুষ থাকেন শুধু দুইজন জাহানারা বেগম আর একজন বুয়া।সারাদিন কাটে একাকিত্বে।একাকিত্তকে কাজে লাগিয়ে ছাদ বাগান করে তুলেছেন।বেশ কিছু জাতের ফুল,বাতাবি লেবু আর কয়েকটি চারা গাছ লাগিয়েছেন।রোজ ছেলে মেয়েদের সাথে কথা বলেন।কথা ছিল বাংলাদেশে আসার কিন্তু  করণা কালে,সব ফ্লাইট বন্ধ থাকায় ছেলেদের আর দেশে আসা হয়নি।গতো মাশে জামাইকে সঙে করে মেয়ে তাসলিমা এসেছিল।তবে বেশিদিন থাকেনি।

জাহানারা বেগমের ফুলের গাছের প্রতি একটু নেশা আছে।দেশি বিদেশি নানান জাতের ফুলের গাছের সমাহার আছে তার বাগানে।কিছু -কিছু এমন ফুলও আছে যা প্রায় বিপন্ন প্রজাতির।লাল গোলাপ,জবা,জুই আরও কত কি।তবুও প্রতি সপ্তাহে একবার হলেও বুয়াকে সঙ্গে নিয়ে কাছের নারসাড়িগুলতে ঘুরে আসেন।কোন ফুল ভালো লাগলে নিয়ে আসেন।

একবার বাসা থেকে খানিকটা দুরে একটি নারসাড়িতে গিয়েছিলেন।সব সাধারণ ফুলের মাঝে একটি গাছ তার আকর্ষণ কেরে নেয়।হাল্কা হলদে রঙের ফুলের একটি গাছ।গাছটি আকারে ছোট কিন্তু দেখতে খুব সুন্দর।গাছটির শুগন্ধি তার সুন্দর্রযকে আরও ফুটিয়ে তুলছে।বাসায় আনার পর থেকে ঘর জুড়ে তার শুগন্ধি।

যেই দিন অই গাছটি কিনে আনলেন,ওই দিন জাহানারা বেগম বাড়িতে একা।বুয়াকে একটা কাজে বাহিরে পাঠিয়েছেন।তিনি ছাদে একা,এমন সময় অনুভব করলেন তার পেছনে কে যেন দারিয়ে।এই মৌসুমী দারিয়ে আছিস কেন?যা গিয়ে এক কাপ চা বানা।ছাদ থেকে নেমে দেখে মৌসুমী নিচে বসে বসে পেয়াজ ছিলছে।মৌসুমী হচ্ছে বুয়ার নাম।কাজের মানুষ হলেও,জাহানারা বেগমের খুব কাছের।জাহানারা বেগম মৌসুমীকে দেকে বললেন,কিরে চা কই?।মৌসুমী অবাক শুরে বলল চা বানাতে বলছিলেন খালাম্মা?খেয়াল করিনাই হয়তো।মৌসুমী চা বানিয়ে আনলো,আর জাহানারা বেগম চা খেতে খেতে টিভি দেখতে লাগল।

জোহরের নামায শেষ করে,বিছানায় বসে আছেন।এমন সময় মনে হলো যেন ছাদে কেউ দৌড়াদৌড়ি করছে।ভাবলেন মৌসুমী ছাদে গেছে হয়তো?।ভাবলেন গাছগুলোতে পানি দিয়ে আসা যাক।উপরে উঠার পর দেখেন ছাদ খালি।ভাবলেন মৌসুমী হয়তো নিচে নেমে গেছে।যাইহোক তিনি খেয়াল করলেন না।ছাদে লাগানো একটা পাইপ দিয়ে গাছ গুলোতে পানি ঢালছিলেন,এমন সময় খেয়াল করলেন........


ছাদে লাগানো একটা পাইপ দিয়ে গাছ গুলোতে পানি ঢালছিলেন,এমন সময় খেয়াল করলেন একটা  মেয়ের কন্ঠ।যেন কেউ হাল্কা গলায় গুন গুন শব্দ  করছে।তিনি পিছনে তাকিয়ে দেখে কেউ নেই।ভাবলেন হয়তো ভুল শুনেছেন।খানিকটা অবাক হলেন,তবে তা পাত্তা না দিয়ে চলে আসলেন।

রাত তখন বাজে ১২.৩০টা গ্রামগঞ্জে এই সময়টা হলো প্রায় মাঝরাতের সমান।পানির পিপাসা লাগায় জাহানারা বেগমের ঘুম ভেঙে গেল।মাঝরাতে আবার বুয়াকে ডাকবেন?এই ভেবে তিনি দাইনিঙ রুমে গেলেন।মৌসুমী ঘুমায় আরেক রুমে।রুমের দরজা চাপানো।দাইনিঙ রুমে একটা চেয়ার টেনে নিয়ে,পানি খাচ্ছেন।এমন সময় মনে হলো রান্না ঘরে কে যেন দারিয়ে।দেখে মনে হলো মৌসুমীর মতো।জাহানারা বেগম ভাবলেন এতো রাতে সে রান্না ঘরে কি করছে?মৌসুমী,এই মৌসুমী?ঘুমাস নাই কেন?।দেখেন কেউ জবাব দেয় না।কৌতুহুলে তিনি রান্না ঘরে গেলেন।যেতেই দেখেন কেউ নেই।নিমিসেই তিনি মৌসুমীর রুমের দরজার দিকে ছুটলেন।মৌসুমী উঠ?জলদি উঠ।মৌসুমী চমকে উঠলো।দেখে জাহানারা বেগম,তার পাশে দারিয়ে।কি হয়েছে খালাম্মা?আপনি ঠিক  আছেন?জাহানারা বেগমের শ্বাস ফুলে গেছে,কিছুই স্পষ্ট বলতে পারলেন না।যতটুকু বলতে পারলেন তাতেই মৌসুমীর কাছে কথা গেল।মৌসুমী রান্না ঘরে গিয়ে বাতি জালিয়ে দিল।খালাম্মা অইখানেত কিছুই নাই।জাহানারা বেগম এমনিতেই একা থাকেন,এখন ভয়ে নাজেহাল অবস্থা।তাই তিনি মৌসুমীকে বললেন আজ রাতে তার রুমে গিয়ে ঘুমতে।

সেইরাতে ঘরের সব বাতি জালিয়ে রেখেই ঘুমতে গেলেন।ঘুমও যেন শত্রুতা পালন করছিল আসে না আসে না অবশেষে ঘুম এল।সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে।মৌসুমী আগে উঠে নাশ্তা বানিয়েছে।খালাম্মা ঠিক আছেন?।জাহানারা বেগম হালকা গলায় বললেন হ্যাঁ।মৌসুমী জিগ্যেস করলো,খালাম্মা কাল কে কি হয়েছিল,একটু বুঝিয়ে বলবেন?।জাহানারা বেগম ধোগ গিল্লেন,বললেন কাল রাতে পানি খাওয়ার জন্য দাইনিং রুমে গিয়েছিলাম।তখন দেখি রান্না ঘরে কার যেন ছায়া।ভাবলাম তুই বুঝি?তাই অইখানে গেলাম।কিন্তু অইখানে কেউ ছিল না।রুমটাও ছিল অন্ধকার,সব মিলিয়ে একবারে ভয়ে পেয়ে গিয়েছিলাম।খালাম্মা হয়তো ভুল দেখসেন।আমিও তো অইখানে গেলাম কিন্তু কাউকে দেখি নাই।জাহানারা বেগম কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস টানলেন।কিন্তু একটা সন্দেহ আর ভয়ের প্রভাব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল। হয়তো ভাবছিলেন তার শ্বরির ঠিক আছে কিনা?
সকাল থেকে মুশুল ধারায় বৃষ্টি পড়ছে,জাহানারা বেগম বারান্দায় তার রকিং চেয়ারে বসে চা খাচ্ছেন।এমন সময় অনুভব করলেন.....



সকাল থেকে মুশুল ধারায় বৃষ্টি পড়ছে,জাহানারা বেগম বারান্দায় তার রকিং চেয়ারে বসে চা খাচ্ছেন।এমন সময় অনুভব করলেন কে যেন তার পেছনে ছোটাছুটি করছে।আবার বাচ্চাদের মতো ফিস ফিস করে হাসছে।জাহানারা বেগমের ব্যাপারটা বেশ সন্দেহ ভজন  লাগল।তিনি বিষয়টি ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বলে ভাব্বেন।কন্ঠটি হতাৎ বন্ধ হয়ে গেল।জাহানারা বেগম ভাবলেন কি ব্যাপার।তখন পেছন থেকে মৌসুমী এসে হাজির।বলল খালাম্মা ভাত হয়েছে খাবেন না?জাহানারা বেগম এমনিতে ভীষণ ভীতু স্বভাবের কিন্তু তার কৌতুহুল খুব বেশি।তাই সে বুঝতে চেষ্টা করছিল যে আসলেই কি সে কিছু শুনতে পাচ্ছে নাকি এটা তার মনের কোন চিন্তা।ব্যেপারটা স্পষ্ট ছিল যে কিছু একটা আছে।তবে এটা তার ক্ষতি করার চেষ্টা করে নি।তাই তিনি মৌসুমীকে এর সম্পর্কে আর কিছু বলেন নি।

এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছিল ,জাহানারা বেগম লমবা সময় ধরে বারান্দায় একা একাই সময় কাটান।মৌসুমী সেখানে গেলে তাকে কোন না কোন অযুহাতে তারিয়ে দেন।কারণ অকারণে একা একাই কথা বলেন।মৌসুমীর, প্রথম থেকে সন্দেহ ভজন লাগছিল।একদিন মাগ্রিবের সময় সে লক্ষ করতে লাগল।দেখে জাহানারা বেগম তার রুমের দরজা লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো।কিন্তু বিচিত্র বিষয় ভেতরে অন্য কেউ না থাকলেও জাহানারা বেগম একাএকি কার সাথে কথা বলছে।মাঝে মাঝে আবার হাশি ঠাট্টা করছেন।মৌসুমী দরজায় কান পেতে তাদের কথা শুনছিল।হতাৎ পেছন থেকে একটি শব্দ এল,যেন কেউ খিল খিল শব্দ করে হাসছে।মৌসুমী শব্দটির দিকে খেয়াল করলো।মনে হলো যেন কোন শিশুর কন্ঠ,একটি ছোট মেয়ের মতো।কিন্তু শব্দটি বেশিক্ষণ স্তাহী ছিল না।

প্রায় ঘন্টা খানিক পর জাহানার বেগম মৌসুমীকে দেকে পাঠালেন বললেন মিতুর জন্য এক কাপ দুধ নিয়ে আসতে।খালাম্মা এই মিতু কে?মৌসুমীর প্রশ্ন শুনে জাহানারা বেগম অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন।মানে কি?তুমি মিতুকে চিননা?মিতু অইযে দেখ বিছানায় বসে খেলছে।মৌসুমী এক নজর বিছানার দিকে তাকাল। কিন্তু সেখানেতো কেউ নেই খালাম্মা।জাহানারা বেগম এইবার রেগে গেলেন বললেন যাওতো যাও দুধ নিয়ে এসো।মৌসুমী অবাক হয়ে রান্না ঘরে চলে গেল।ভাবলো খালাম্মার হয়তো মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে।গরম দুধের গ্লাস সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন জাহানারা বেগমের কাছে।আজব এজ দৃশ্য জাহানারা বেগম কাকে যেন দুধ আর বিশকুট স্বাদছে।মৌসুমী এক দৃষ্টিতে শুধু জাহানারা বেগমের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।মনে মনে ভাবলো অনার ছেলেদেরকে এই কথা জানানো উচিত। 



মৌসুমী গ্রামের মানুষ সকালে ঘুম থেকে তারাতারি উঠে।সকালে ঘুম থেকে উঠেই তার প্রথম কাজ হলো কাপড় ধুয়ে ছাদে দিয়ে আসা।রোজ সকালের মতো মৌসুমী গৌসল খানায়  কাপড় ধুচ্ছে,এমন সময় মনে হলো যেন কেউ তার ঘাড়ে স্পর্ষ করেছে।সে চমকে গেল,কিছুক্ষন এদিক সেদিক তাকিয়ে কাউকেই খুজে পেল না।সে এক প্রকার ভয় পেয়েই বের হয়ে গেল।মনে যেন খানিকটা সন্দেহ আর সঙ্কা।যদি খালাম্মার কথা সত্যি হয়?।এইদিকে জাহানারা বেগম মৌসুমীকে ডেকে পাঠালেন।বললেন গরম পানি চরাতে আজ তিনি গৌসল করবেন।মৌসুমী নিজের মনে নিজেকে বোঝাল যে হয়তো সে ভয়ে এইসব কল্পনা করেছে।সব বাদ দিয়ে বরং কাজে ফিরা যাক।চুলায় পানি চোরিয়ে মোসুমী ছাদে কাপড় দাওয়ার উদ্দেশ্যে চলে গেল।পুর ছাদ যুরে সে একা।কাপর ঝুলিয়ে সে কিছক্ষন একা বশে বশে গুন গুন করছে।হতাৎ কি কারণে যেন তার চোখ মাটিতে পরলো।বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে সে খেয়াল করলো,যে তার ছায়ার পাশাপাশি আরেক্টা ছায়া।সে ভাবলো,ঠিক দেখছেতো?সে এক দুইপা আগাতেই দেখে অই ছায়াটি তার থেকে একটু পরে এগোচ্ছে।সঙ্কার আর কোন অবকাশ রইল না।নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে দৌড়ে পালাল।এত জোরে দৌড় দিল যে নিচের সিড়িতে হোচট খেয়ে পরে গেল।জাহানারা বেগম পরার শব্দ শুনতে পেয়ে এগিয়ে এসে দেখে মৌসুমী মেঝেতে পরে আছে।ভাগ্যক্রমে মৌসুমী কোন আঘাত পায়নি,কিন্তু সে এখন আর এই বাড়িতে থাকতে নারাজ।এইদিকে জাহানারা বেগম মৌসুমী কে যেতে দিতে চাইছেন না।মৌসুমী নিজের ইচ্ছায় অটুট।সে যাবেই,তার যাওয়ার আগে জাহানারা বেগমের মেয়ে তাসলিমাকে ফোন করে এইসব খলে বলল।

তাসলিমা এসে হাজির,দেখে মৌসুমী ততক্ষণে চলে গেছে।বাড়িতে জাহানারা বেগম একা।মৌসুমী তাকে জাহানারা বেগমের অদ্ভুত আচরণ বিচরণের কথা জানানো মাত্রই সে তার মায়ের কাছে ছুটে আছে।এরি মাঝে ঢাকার নামকরা এক মনরোগ বিশেষঞ ডাক্তারের সাথে কথা বার্তা চলছে।জাহানারা বেগমের অশুস্থ্যতার কথা বিদেশে তার ছেলেদেরও জানানো হলো।জাহানারা বেগম এইদিকে তার অশুস্থ্যতার কথা মানতে চাইছেন না।বার বার বলছেন মিতু সত্যি আছে।রোজ তার সাথে দেখা করতে আসেন।তিনি মিতুর সাথে খেলাধুলাও করেন।জাহানারা বেগমের মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হলো।


এইদিকে তাসলিমা, মৌসুমীর বাসায় চলে গেল মৌসুমীর বাড়িতে।তার শ্বরীর বেশ খারাপ,সে নাকি এখন একলা কথাউ যেতে ভয় পায়।তাসলিমা তাকে বার বার বোঝানোর চেষ্টা করছে যে ভুত টুট বলতে কিছুই নেই।কিন্তু কে শুনে কার কথা।তাই তাসলিমা তাকে সব কথা খুলে বলার জন্য বলেন।তাসলিমা ভুতে বিশ্বাস করে না।সে একজন শিক্ষিত নারী এইসবে তার বিশ্বাস নেই।সে জানতে চাইলো,এই ঘটনার শুত্রপাত কবে থেকে হয়েছে?।মৌসমী অনেক্ষণ ভেবে বলল যেইদিন অই গাছটা কিনে এনেছিলেন অইদিন থেকে।সে বলল হয়তো গাছটা অভিশপ্ত।তাসলিমা ওদের বাড়ি ছেড়ে তার মায়ের বাসায় গেল।সে নিজের চোখে পরিক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছিল।যদিও সে মনে মনে ভেবেই নিয়েছিল যে অইখানে কিছু নেই।

রাত তখন ১.৩০টা বাজে তাসলিমার ঘুম আসছিল না,তাই সে ছাদে চলে গেল।নিচ তলায় তার স্বামী ঘুমাচ্ছে।হতাৎ দেখে তার স্বামী ছাদে এসে হাজির।আচমকা তাকে দেখে তাসলিমাও অবাক।সে বলল সে নাকি কারও কান্নার শব্দ শুনতে পেয়েছে।তাই তাসলিমার কিছু হলো কি না এটা দেখার জন্য ছাদে চলে আসছে।তাসলিমা তার স্বামীকে আর কোন কথা বলল না।এদিকে তার মাথায় এখন খানিকটা সন্দেহ যেগে উঠলো।বাস্তব অবাস্তবের মাঝে সে প্রশ্নের উত্তর খুজে বেরাচ্ছিল।এক সময় সিদ্ধান্ত চিল সে এর উত্তর এইখানে পাবে না,তাই সকাল হতেই সে চলে গেল সেই নারসাড়িতে যদিও তার মুল উদ্দেশ্য ছিল এটা প্রমাণ করা যে এইসব মনের ভুল চিন্তা ছারা আর কিছু নয়।নারসাড়ির মালিক জব্বার মিয়ার কাছে মৌসুমী এই ঘটনার বর্ণনা দিতেই তার চেহেরার রুপ পাল্টে গেল।জব্বার মিয়া প্রশ্ন করলেন,ওইটা কি একটি হলদে রঙের ফুল গাছ?।মৌসুমী একটু ভীতু শ্বরে বলল হ্যাঁ?।এ শুনে জব্বার মিয়া হাটু গেরে বসে কাদতে শুরু করলেন।তাসলিমা একটু কৌতুহলবশত জিঞেস করে ফেললেন,ভাই কি হয়েছে কোন সমস্যা?।জব্বার মিয়া অশ্রুজ্জল চোখে বললেন এই গাছটি তার মেয়ে মিতু লাগিয়েছিল।সে ফুল গাছ বেশ পছন্দ করতো।তার পছন্দের রঙের সাথে তাল মিলিয়ে এই গাছটি কিনে আনা হয়েছিল।একদিন ছাদের উপর খেলতে খেলতে তার পা পিছলে যায়,আর নিচে পড়ে যায়।তার মৃত্যুর পর সে প্রায়ই তাকে অনুভব করতো।আরও ভাল যায়গায় রাখার জন্য সে অই ফুল গাছটি এইখানে নিয়ে আসে।কিন্তু এর পর সে মিতুকে আর অনুভব করতে পারছিল না।যেন মিতু তার বাসা ছেড়ে চলে গেছে।

তাসলিমা যেন এখন তার প্রশ্নের উত্তর পেয়েগেছে।সে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করলো,যেন তার মনের একটি বোঝা কম হয়ে গেল।সে গাছটি ফিরিয়ে দিল।


প্রায় বছর খানিক পর, জাহারারা বেগম চিকিৎসা শেষে ফিরে আসে।তাজ্জবের বিষয়, এর পর জাহারারা বেগম স্বাভাবিকই ছিলেন।যদিও এই ভাল সময় বেশিদিন চিরোস্থাহী হয়নি।মাস খানিকের মাথায় তিনি পরলোক গমন করেন।

সত্য কিংবা অসত্য তা হয়তো কখনো প্রমান করা যাবে না।কিন্তু এটা ভেবে শান্তনা দাওয়া যেতেই পারে,যে সমস্যার সমাধান মিলেছিল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191949/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Feb 2023 16:19:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভৌতিক গল্প আমার খুবি প্রিয়,আর তা যদি হয় সত্য গল্প তাহলেতো কথাই নেই।আজ আপনাদের সামনে আমার শুনা একটি গল্প লিখলাম। আশা করি ভালো লাগবে।</p>
<p>সুগন্ধি </p>
<p>জাহারারা বেগমের বয়স হয়েছে।স্বামি মারা গেছে আজ প্রায় ২০ বছর হতে চলল।দুই ছেলে আর এক মেয়ে নিয়েই তার সব।দুই ছেলে আমেরিকা আর জুক্তরাজ&#x200d;্যে থাকে।বছর পাচেক হয়েছে মেয়ের বিয়ের,থাকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191949"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191949/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce36470545ff7016681cafcd8759d84b</guid>
				<title>মানবতার অবক্ষয়

জীবন বড়ই নিষ্ঠুর,বর্বরতা সেখানে,
মানব প্রানের মুল্য,কমেছে যেখানে।

মুহুর্তে মুহুর্তে পালটে যাচ্ছে,
সমর্পকের গুরুত্ব,
হাহাকারের এই মঞ্চে,
কমেছে জীবনের মহত্ব,
দিনেরাতে,সময়ের ব্যবধানে,বেড়েছে দুরুত্ব।

ঝাকে ঝাকে,তৃর্থের কাকের মতো,
সুযোগ সন্ধানির অভাব নেই।
পেছন থেকে আক্রমণ করবার মতো,
মেরুদন্ড বিহিন,মানুষেরও কমতি নেই।

আপন ঘরে,আপসহীন ভাবে,
হিংস্র শিয়ালের মতো থাবা দাওয়ার জন্য, অপেক্ষামান মানুষের লাইনের কোন শেষ নেই।

সত্য যেখানে,দিনে দিনে মুল্যহিন হয়ে যাচ্ছে,
সেখানে সত্যবাদীর প্রয়জন নেই।
মিথ্যার জাহাজে চোড়ে,
পথচলা ব্যাক্তিদের সংখা যেখানে বাড়ছে,
সেখানে সততার মুল্য নেই।

মৃত মানুষের মতো,
সত্যকে আলিঙ্গন করার জন্য,
সাহসের অবসান ঘটেছে যে দেশে,
আমরা মানুষ নই,পিশাচ সেজেছি ভেশে।

কার জন্য নেই কার সময়,
উপকার করবার জন্য,
মনে আসে সংশয়।
সত্য মিথ্যার ব্যবধানে,
জন্মেছে যতো ভয়।

আজ মানুষ বড়ই নিষঙ্গ,
দুর্নিতি প্রতিফলিত হয়,যার প্রতিমায়।
হতভাজ্ঞ এই জাতি,
ডুবেছে লোভের মায়ায়। 

আসলেই কি আমরা মানবসন্তান,
সৃষ্টির সেরা যিব। 
নাকি কোন নরপিশাচ,
যে বেড়িয়েছে নিভিয়ে প্রদিপ। 

অবাক হয়ে হতভম্ব হচ্ছি,
মানবতার এই নির্মম রুপ দেখে।
বিরক্ত বোদ করছি,
কথায় নেমেগেছি,তা দেখে।

হাজারো জীবের ধংশের কারণ,যে জাতি।
করেনি ধিধা কোনদিন,
আজ কালের পরিবর্তনে,
ধংশের সাক্ষি হতে চলেছে,এই জাতি,
চেষ্টা চালাচ্ছে সিমাহিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191801/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Jan 2023 15:54:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানবতার অবক্ষয়</p>
<p>জীবন বড়ই নিষ্ঠুর,বর্বরতা সেখানে,<br />
মানব প্রানের মুল্য,কমেছে যেখানে।</p>
<p>মুহুর্তে মুহুর্তে পালটে যাচ্ছে,<br />
সমর্পকের গুরুত্ব,<br />
হাহাকারের এই মঞ্চে,<br />
কমেছে জীবনের মহত্ব,<br />
দিনেরাতে,সময়ের ব্যবধানে,বেড়েছে দুরুত্ব।</p>
<p>ঝাকে ঝাকে,তৃর্থের কাকের মতো,<br />
সুযোগ সন্ধানির অভাব নেই।<br />
পেছন থেকে আক্রমণ করবার মতো,<br />
মেরুদন্ড বিহিন,মানুষেরও কমত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191801"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191801/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6266f4bdd37ef66ba592bb04238c715d</guid>
				<title>কালো পাখির উল্লেখ করা হয়েছে একটি পৌরাণিক গল্পের কারণে,যেখানে কালো দাঁড়কাক মৃত্যু নিয়ে আসে।

গৌরস্থাণ

অন্ধকার জগৎ,গভীর নিরবতা,
সবিই এখানে, লতা পাতায় ঢাকা। 

নেই কোন ভিড়, নেই কোন শব্দ,
শোনা যাবে শুধু,ঝিঝি পোকার কন্ঠ। 

সাপ বিচ্ছু আর ইদুরের বসবাস,
এখানে এদেরিই আদি নিবাস। 

প্রতিদিনই আসে নতুঞ্জন,
ওই জগৎে তারাই আপন। 

যনমানবহিন এই জায়গায়,
পড়ে থাকে সব অবহেলায়। 

রাত্রি হলে চাঁদ হাসে,
আকাশের কোলে,মহাশুন্যে ভাসে।
নিরবতা ও একাকিত্তের আড়ালে, 
সব ভাবমূর্তি লুকিয়ে থাকে।

এই নিরবতা আর নিষঙ্গতা,যেন প্রমান করে,
যেতেই হবে একদিন না ফেরার পথে।
হোক সেটা আগে বা পরে,
যেতে হবে সেই একি নৌকায় চোড়ে।

জীবনের এই এক চিরন্তন সত্য,
যে এসেছে,এবং যা আসছে,
সবাই একি যাত্রার সাথি।
যেতেই হবে সেইদিন,
যেইদিন আসবে,সেই কালো পাখি।

অন্ধকার জগৎ,গভির নিরবতা 
অন্থহিন এই, নিরব নিস্তব্ধতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191787/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Jan 2023 13:03:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কালো পাখির উল্লেখ করা হয়েছে একটি পৌরাণিক গল্পের কারণে,যেখানে কালো দাঁড়কাক মৃত্যু নিয়ে আসে।</p>
<p>গৌরস্থাণ</p>
<p>অন্ধকার জগৎ,গভীর নিরবতা,<br />
সবিই এখানে, লতা পাতায় ঢাকা। </p>
<p>নেই কোন ভিড়, নেই কোন শব্দ,<br />
শোনা যাবে শুধু,ঝিঝি পোকার কন্ঠ। </p>
<p>সাপ বিচ্ছু আর ইদুরের বসবাস,<br />
এখানে এদেরিই আদি নিবাস। </p>
<p>প্রতিদিনই আসে নতুঞ্জন,<br />
ওই জগৎে তারাই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0a37e2aa20c89064c2b29002c933ec3</guid>
				<title>Md Rizwan Shuvo changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191680/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 19:51:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e5a9b527ff2a0c5d8b53b50081f20d1</guid>
				<title>আজ কাল, ছেলে মেয়েরা কোন জব না করতে পারলে।বা একটু পিছিয়ে থাকলে বাসায় তাদেরকে আর মানুষ মনে করা হয় না।বাবা মাও পাত্তা দেয় না।আমার এই কবিতা তাদের জন্য যারা চাকরি না পেয়ে নিক ঘরে অপমানিত হচ্ছে।

আজব এই সংসারেতে

আজব এক সংসারেতে,
আটকে আছি মাঝখানেতে।
দিকদিগন্ত খুজে বেড়াই,
কাজে শুধু প্যাড়া খাই।

নৌকা আমার মাঝ নদিতে,
ভাসছি মোরা খড়া স্রতে।
ট্যেকা ট্যেকা করে মাঝি,
করিনা কিছু,বলে ঝাড়ি।

কি যে করি, ভেবে বেড়াই,
বুঝিনা তবে কোন পথে যাই।
কোন পথে যে,সঠিক হবে,
তাহারা শান্তি পাবে,তবে।

উচু দালে,নদির পাড়ে,
সব বাধাখান, আমার ধারে।
এই আশাতে,নৌকা বাই,
পথে ঘাটে বাধা পেড়াই।

অবাক এক দুনিয়ারে ভাই,
চোখ জুরানোর সময়ও নাই।
কেউ বলে, না আমি কি চাই,
যেখানে তাক করে,ওইখানেতে যাই।

যেখানে যাই ওইখানেতে,
করিনা কিছু,এই দিনেতে।
শুনেন ভাই,আর পারিনা,
কথা আপনার,আর মানিনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191633/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 08:51:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজ কাল, ছেলে মেয়েরা কোন জব না করতে পারলে।বা একটু পিছিয়ে থাকলে বাসায় তাদেরকে আর মানুষ মনে করা হয় না।বাবা মাও পাত্তা দেয় না।আমার এই কবিতা তাদের জন্য যারা চাকরি না পেয়ে নিক ঘরে অপমানিত হচ্ছে।</p>
<p>আজব এই সংসারেতে</p>
<p>আজব এক সংসারেতে,<br />
আটকে আছি মাঝখানেতে।<br />
দিকদিগন্ত খুজে বেড়াই,<br />
কাজে শুধু প্যাড়া খাই।</p>
<p>নৌকা আমার মাঝ নদিতে,<br />
ভাসছি মোরা খড়া স্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191633"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191633/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b88a540b86b85a257aab167dea32efc</guid>
				<title>আমার প্রিয় লেখকগন এই কবিতার ভাষার জন্য যদি কেউ কষ্ঠ পেয়ে থাকে তার জন্য আমি দুঃখিত। 

ইউনিভার্সিটি আমার,ইউনিভার্সিটি

সকালেতে উঠিয়া, হয় ক্লাসে যাইতে,
সারাদিন,সারাবেলা পারিনা ঘুমাইতে।
পড়ার চাপে নাজেহাল,
মাথা চাপে বেহাল।

যাইতে-যাইতে সোনা,
মুখে লাগে নোনা ঝোনা।
আসিতে-আসিতে খোকা,
খাই শুধু, বকা শোকা।

শুরু হতে সময় শেষ,
আসতে আসতে দিন শেষ।
কি ভাবে যে, কি করি,
আমার দুঃখ কারে বলি।

মাথা কাজ করে না,
পড়া কিছু ঢুকে না,
সব কিছু আকা ব্যাকা,
করে শুধু মাথা ব্যাথা।

আকাশেতে তাকিয়া,
কতো কথা বলিয়া,
মনের স্বাদ মিটিয়া,
আসিব জগৎে ফিরিয়া।

আধা পাকা ঘুমেতে,সকালে ক্লাসে বসিয়া,
মাথা করে গ্যাং গ্যাং এত কিছু শুনিয়া।
চাপের মুখে সারাদিন,
ভাবছি তবে, আরও কয়দিন।

দিন শেষে ক্লান্ত, মন থাকে ওশান্ত।
পা আমার চলে না,মাথা কাজ করে না।
সারাদিন সারাবেলা,
মেসিন রুপে পথচলা।

এতো রাস্তা পাড়ি দিয়া,
ক্লাসে আমারে যাইতে হয়।
সইতে সইতে এতকিছু ,রইছে যতো সংশয়।
সব কিছু মানিয়া,নিজেকে বুঝাতে হয়,
মানুষ আমি, মেসিন নয়।

ক্লাসে থাকি দিশেহারা,
স্রাবণেতে মনহারা।
বসে থাকি সারাক্ষণ,
পাই না খুজে কুল কিনারা।

কবিতার হাত ধরে,
মনের কথা বলছি।
কবিতার এই ভাষা আমি,
মনে প্রানে গাইছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191630/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 08:45:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার প্রিয় লেখকগন এই কবিতার ভাষার জন্য যদি কেউ কষ্ঠ পেয়ে থাকে তার জন্য আমি দুঃখিত। </p>
<p>ইউনিভার্সিটি আমার,ইউনিভার্সিটি</p>
<p>সকালেতে উঠিয়া, হয় ক্লাসে যাইতে,<br />
সারাদিন,সারাবেলা পারিনা ঘুমাইতে।<br />
পড়ার চাপে নাজেহাল,<br />
মাথা চাপে বেহাল।</p>
<p>যাইতে-যাইতে সোনা,<br />
মুখে লাগে নোনা ঝোনা।<br />
আসিতে-আসিতে খোকা,<br />
খাই শুধু, বকা শোকা।</p>
<p>শুরু হতে সময় শেষ,<br />
আসতে আসতে দিন শেষ।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191630"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191630/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eef770e54b2dabbecab5c2fa569e1605</guid>
				<title>বিষন্নতা

বৃষ্টি ভেজা, এই সড়ক জুড়ে,
কেমন যেন এক নিস্তব্ধতা জোড়িয়ে রয়েছে। 
হতে পারে ঘড়ির কাটা কিংবা বিষন্নতা,
সবই যেন তাকিয়ে রয়েছে। 
যেন ফিসফিস শব্দ করে কেউ কথা বলছে।
যেন বলছে অবাস্তবই সত্য।
একাকিত্বের মাঝে যেন,
অস্তিত্ব বিহিন এক অবায়োবের উপস্থিতি।
এ যেন হার হিম করা অনুভূতি,
যেন রাতের অন্ধকারে সব যেগে উঠেছে।
ভেজা মাটির ঘ্রানের আধারে,
এক অন্নরকম গন্ধের হাতছানি।
যেন সদ&#x200d;্য জালানো ধুপের গন্ধ,
কে যেন ডাকছে আমায়,
যেন চির পড়িচিত কোন আত্মীয়। 
আবেগ প্রবল এক কন্ঠে কে যেন কাদছে,
যেন বলছে,তার অসমাপ্ত ইচ্ছের কথা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191628/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 08:40:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিষন্নতা</p>
<p>বৃষ্টি ভেজা, এই সড়ক জুড়ে,<br />
কেমন যেন এক নিস্তব্ধতা জোড়িয়ে রয়েছে।<br />
হতে পারে ঘড়ির কাটা কিংবা বিষন্নতা,<br />
সবই যেন তাকিয়ে রয়েছে।<br />
যেন ফিসফিস শব্দ করে কেউ কথা বলছে।<br />
যেন বলছে অবাস্তবই সত্য।<br />
একাকিত্বের মাঝে যেন,<br />
অস্তিত্ব বিহিন এক অবায়োবের উপস্থিতি।<br />
এ যেন হার হিম করা অনুভূতি,<br />
যেন রাতের অন্ধকারে সব যেগে উঠেছে।<br />
ভেজা মাটির ঘ্রানের আধা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191628"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191628/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac9111f4070c054fe7aedab5e4e8fc73</guid>
				<title>পুরাণ ঢাকা

পুরান ঢাকা,যাকে বলা হয় আলোর শহর।
যেখানে রাত কখনো ঘুমায় না।
যার আনন্দ উদযাপন কখনই ম্লান হয় না। 
দেয়ালে দেয়াল যেখানে ইতিহাসের ছোঁয়া,
যেখানে  প্রতিটি রাস্তা এবং গলিজুরে রয়েছে, 
যতোসব গল্প ও কাহিনী।
চারশতো বছরের পুরনো এই শহর,
যা বুড়িগঙ্গার তীর ঘিড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। 
শতাব্দি ঘিড়ে যেখানে বাণিজ্যের প্রাচুর্য বেড়েছে, 
নানান স্বাদ এবং মশলার সুগন্ধ,
যার বাতাসে মিশে চারদিক ছড়িয়েছে।
যেখানে রয়েছে নানান স্বাদের খাবার,
যা বহু প্রাচীন কাল হতে,
তার নিজস্ব অস্তিত্বকে ধরে রেখেছে।
স্বাদ ও গৌরবের এই শহর,
যেখানে প্রত্যেক এলাকাজুড়ে রয়েছে, 
নিজস্ব গল্প ও ইতিহাস।
কবি মনিশিরা যেখানে তাদের,
রুপকথাকে সাজিয়ে তুলেছেন,
যেখানে নানা কবিতা ও গল্প বুনেছেন।
এই সেই পুরান ঢাকা,
চার শতাব্দি পরেও যে তার অস্তিত্ব হারায়নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191471/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Jan 2023 13:51:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুরাণ ঢাকা</p>
<p>পুরান ঢাকা,যাকে বলা হয় আলোর শহর।<br />
যেখানে রাত কখনো ঘুমায় না।<br />
যার আনন্দ উদযাপন কখনই ম্লান হয় না।<br />
দেয়ালে দেয়াল যেখানে ইতিহাসের ছোঁয়া,<br />
যেখানে  প্রতিটি রাস্তা এবং গলিজুরে রয়েছে,<br />
যতোসব গল্প ও কাহিনী।<br />
চারশতো বছরের পুরনো এই শহর,<br />
যা বুড়িগঙ্গার তীর ঘিড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।<br />
শতাব্দি ঘিড়ে যেখানে বাণিজ্যের প্রাচুর্য বেড়েছে,<br />
নান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191471"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191471/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>