-
আমাদের সমাজে অনেকেই আছে, যারা,তাদের বক্তব্য বা তাদের উপদেশ আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়,কিন্তু নিজের বেলায় আসলে তার উপদেশ যুক্তিহীন হয়ে যায়।এবং তাদের কথার বিপক্ষে গেলে,তাদের চোখে আমরা খারাপ হয়ে যাই বা স্বার্থপর হয়ে যাই।এই কবিতার মুল উদ্দেশ্য তাদের কথাকে সজ্য করে কিভাবে আগানো যায় তা নিয়ে।আশা করি কবিতাটি পরে ভাল লাগবে।
গোঁড়ামী
মানুষ বড়ই বিচিত্র এক প্রাণী,
রহশ্যে ঘেড়া যার জীবনী।
কখন যে কি চায়,বুঝা মুশকিল,
মাথায় শুধু চাহিদা করে কিলবিল।তবে একটা জিনিস ভালোই পারে,
সঠিক হোক বা নাহোক,
উপদেশ আর গেয়ান দিতে ভালোই জানে।কোন কাজ করিতে গেলে,
উপদেশের কোন অভাব হয় না,
যাই করুণ না কেন,
সেই কাজ তাদের মন ছোয়ে না।চান,বা না চান,
আপনাকে উপদেশ দিতে এরা খুবই আগ্রহী।
নিজের ব্যাপারে আসিলে,
মন ভরা থাকে আত্নগ্লানি।মাঝেমাঝে সংকা হতে পারে মনে,
যেন নিজেদের চেয়ে বেশি,
তাহারা আপনাকে চিনে।তাদের চোখে,আপনার সব কাজ ভুল
এই অস্থাহী প্রৃথিবীতে,
তাদের থেকে কেউ গেয়ানি নয়,
নিজের সক্ষমতা বা অক্ষমতা যাই থাকুক না কেন,
মনে নেই তাদের,বিন্দু মাত্র সংশয়।তাহাদের চোখে,আমার সব কিছু,
প্রয়জনহীন বলে মনে হয়।
ভাবছি,আপনি সাধারণ কেউ নন,
একজন জ্যোতিষী মনে হয়।নিজের মনের কথা শোনার জন্য কি,
নিতে হবে অনুমতি বা উপদেশ?
নাকি অনুমতি পত্র ছাড়া কাজ করিলে,
ওই খানেই জীবন শেষ।নিজের কথা ভাবলে,
তবে, হয়ে যাই স্বার্থপর।
অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে,তাকিয়ে তারা,
যেন আমি করেছি এমন কাজ,
যা বেশ দুষ্কর।এই প্রাণী জগৎে,ঙ্গ্যানি মানুষের অভাব নেই,
অন্যের ব্যাপারে নাকগলানো তাদের স্বভাব।
প্রতিবাদ জানালে তবে,
হয়ে যায় সেটা বেয়াদবীর প্রভাব।নাছর বান্ধা তারা,সত্যকে শুনিতে চায় না,
নিজের ব্যাপারে আসলে করে দিধা,
উপদেশ মানিতে,করে বায়না।আয়নায় নিজেকে দেখিলে তবে হয়তো,
বুঝবে তাদের ভুল।
ভুল প্রমান করিলেও যে আছে সংকা,
প্রতিবাদিরা হারাবে সব কূলআহা এই রিতি, এই নিয়ম
যার বিপক্ষে গেলে হারায় সমাজে মুল্য
যেন প্রতিবাদীরা সব সৎ নয়,
বরং শয়তানের সমতুল্য3 Comments
Friends
কাজল আহমেদ
@kajol-ahmed
মাহমুদুর রহমান মনা
@monamilkygmail-com
MDFI
@mdfi
ইয়াসিন আরাফাত
@easir-arafat
অভিউল মারুফ
@oviulmaruf
মোঃ আব্বাস উদ্দীন ধ্রুব।
@dhrubo-abbas
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron
Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ]
@md-zaker-hayat-khan
ruba
@ruba91


সব ধরনের গোরামী মুক্ত হোক সমাজ।