<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ওমর ফারুক আশরাফী | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mdalauddin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mdalauddin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ওমর ফারুক আশরাফী.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 26 Jun 2026 15:14:30 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e84fe05b94ed3d3ac4abd70d3675a5a8</guid>
				<title>কারবালার সেই ডাক
ওমর ফারুক আশরাফী 


ইমাম হোসাইন (রা.)-এর কাছে একদিন পত্র এলো। কুফার মানুষ লিখেছে — “হে রাসূলের দৌহিত্র, আপনি আসুন। আমরা আপনার হাতে বাইয়াত নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার সাথেই থাকব।”

কিন্তু মদিনার আলেমগণ সতর্ক করলেন। বললেন, “হে আমির, সাবধান হোন। এটা ইয়াজিদের ছল হতে পারে। আপনাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতেই তারা এই ডাক দিয়েছে। কুফার মাটি বিশ্বাসঘাতকতায় পিচ্ছিল।”

তবুও ছলে, বলে, কৌশলে ইমাম হোসাইনকে কুফার পথে টেনে নেওয়া হলো। ইয়াজিদের আসল উদ্দেশ্য ছিল একটাই — হোসাইনকে সরিয়ে নিজে ক্ষমতার মসনদে বসা।

এলো সেই দিন — আশুরার দিন, কারবালার প্রান্তর।  
অসম যুদ্ধ। একদিকে সত্যের ক্ষুদ্র কাফেলা, অন্যদিকে ক্ষমতার দম্ভ।  
তীর এসে বিদ্ধ হলো ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বুকে। শরীর নেতিয়ে পড়ার আগ মুহূর্তে তিনি ডাকলেন — “নানা... নানা...”

সেই ডাক আরশ কাঁপিয়ে পৌঁছাল রওজায়।  
বলা হয়, নবীজি ﷺ রওজা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। নাতিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন কারবালার ধুলায়। তাঁর পবিত্র কাপড় ধুলো আর রক্তে রঞ্জিত হলো।  

অবশেষে নির্মমভাবে শহীদ করা হলো ইমাম হোসাইন (রা.)-কে।

ইয়াজিদ ভেবেছিল, হোসাইনকে সরিয়ে দিলেই মানুষ তাকে মনে রাখবে, তাকেই আমির মানবে।  
কিন্তু ইতিহাস উল্টো সাক্ষ্য দিল।

আজও যুগের পর যুগ মানুষ ইমাম হোসাইন (রা.)-কে সম্মান করে, তাঁকে সত্যের প্রতীক মানে।  
আর ইয়াজিদের নাম উচ্চারিত হয় ঘৃণা আর লানতের সাথে।

 
অবশেষে একটা কথাই বলি,তরবারি দিয়ে সত্যকে মুছে ফেলা যায় না। রক্ত দিয়ে যে সত্য লেখা হয়, তা কালের সীমা ছাড়িয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254991/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 03:58:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কারবালার সেই ডাক<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>ইমাম হোসাইন (রা.)-এর কাছে একদিন পত্র এলো। কুফার মানুষ লিখেছে — “হে রাসূলের দৌহিত্র, আপনি আসুন। আমরা আপনার হাতে বাইয়াত নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার সাথেই থাকব।”</p>
<p>কিন্তু মদিনার আলেমগণ সতর্ক করলেন। বললেন, “হে আমির, সাবধান হোন। এটা ইয়াজিদের ছল হতে পারে। আপনাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতেই তারা এই ডাক দিয়েছে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254991"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254991/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">428170fd33eced33dd782225f1786bbe</guid>
				<title>ঈদের আনন্দ
ওমর ফারুক আশরাফী


ঈদ হইতেছে মুসলিমদের অন্যতম এক ধর্মীয় উৎসব।যা বছরের দুই বারই আসিয়া থাকে।এই দিন সবাই আনন্দ করিবার জন্যই ব্যস্ত হইয়া থাকে।ঈদ আসিবার ক্ষনে কেউ ক্রয় করিবার আবার কেউ বিক্রয় করিবার জন্য ব্যস্ত হইয়া পরে।

মসজিদের মাইকে যখনই &quot;ঈদ মোবারক&quot; ধ্বনি অ্যালান হইয়া যায় ছোট্ট ছোট্ট ছেলে-পুলেদের কি আটকাইয়া রাখা সম্ভব? কখনোই সম্ভব না।ছেলে-পুলেদের মধ্যে কেউ বোম ফাটায় আবার কেউ বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডায় ব্যস্ত হইয়া পড়ে।অ্যালান হইবা মাত্রই মা-কাকিরা শীল পাটা বিছায়ে মসলা বাটিতে আরম্ভ করিত।আমাদের প্রধান কাজই হইত মসলা বাটা দেখা। আর ছোট্ট মেয়েরা মেহেদী লাগাইতে ব্যস্ত হইয়া পরিত।

আহ!শৈশবের স্মৃতি মনে পড়িয়া গেল।চাঁদরাতে অধির আগ্রহে বসিয়া থাকিতাম কখন সকাল হইবে আর নতুন জামা পড়িব।সকাল হইবা মাত্রই নতুন জামা পরিয়া আব্বার সাথে ঈদের নামাজ পড়িতে ঈদগাহে যাইতাম।জুতা খুলিয়া বগলের তলে রাখিয়া নামাজ পরিতাম যাতে চুরি না হইয়া যায়। নামাজ পড়ে আসিয়া দেখিতাম মা হরেক রকম রান্না করিয়া বসিয়া আছে,তৃপ্তি মিটাইয়া খাইতাম।নামাজ পড়িয়া আসিয়া আব্বাকে সালাম করিতাম অথবা পিছন-পিছন ঘুরিতাম দশ টাকা বা পঞ্চাশ টাকা সালামির জন্য। সালামি দেওয়া মাত্রই দৌড়াইয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া দোকানে যাইয়া কেনাকাটা আরম্ভ করিয়া দিতাম।নৌকায় উঠিতাম,জিলাপি খাইতাম আবার হরেক রকম জিনিস কেনাকাটা করিতাম।বিকেল হইলেই মামা বাড়ি যাইতাম দাওয়াত খাইতে,রাতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা।নতুন জামা পরিয়া বন্ধুদের সাথে ভাবও দেখাইতাম বটে।বর্তমানে এগুলো স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই নহে।

 এই প্রযুক্তির যুগে এই আনন্দ কি সম্ভব? সবাই এখন মোবাইল নিয়েই ব্যস্ত।ঈদের সকালে সেই আনন্দ নাই,নাই বন্ধুদের সাথে আড্ডা।এগুলো সব স্মৃতি  হইয়া রইয়া গিয়াছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252537/</link>
				<pubDate>Sun, 31 May 2026 04:43:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঈদের আনন্দ<br />
ওমর ফারুক আশরাফী</p>
<p>ঈদ হইতেছে মুসলিমদের অন্যতম এক ধর্মীয় উৎসব।যা বছরের দুই বারই আসিয়া থাকে।এই দিন সবাই আনন্দ করিবার জন্যই ব্যস্ত হইয়া থাকে।ঈদ আসিবার ক্ষনে কেউ ক্রয় করিবার আবার কেউ বিক্রয় করিবার জন্য ব্যস্ত হইয়া পরে।</p>
<p>মসজিদের মাইকে যখনই &#8220;ঈদ মোবারক&#8221; ধ্বনি অ্যালান হইয়া যায় ছোট্ট ছোট্ট ছেলে-পুলেদের কি আটকাইয়া রাখা সম্ভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252537"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252537/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c2ac750cd57a42850581602fb050645a</guid>
				<title>তুমিই সকল সৌন্দর্যের উপমা
ওমর ফারুক আশরাফী 

বাংলাদেশের সব মেয়েরাই সুন্দর,  
পদ্মের মতো মুখ, চোখে কাজলের ভোর।  
কথায় জোছনা ঝরে, হাসিতে নদীর ঢেউ,  
তাদের রূপে মুগ্ধ হই, তবুও খুঁজি কেউ।  

তার থেকেও বেশি আনন্দ হলে তুমি,  
তোমার চাহনিতে আমার সকাল জমি।  
তোমার নীরবতাও কথা বলে যায়,  
তোমার নামেই বুকের ভেতর বসন্ত জাগায়।  

তোমার সবকিছুই ভালো লাগে,  
চুলের গন্ধে মেঘ, কণ্ঠে কোকিল জাগে।  
রাগটুকুও মায়া, অভিমানটাও সুর,  
তুমি পাশে থাকলেই পৃথিবীটা নূর।  

সব মেয়েরা সুন্দর, সত্যি বলছি ভাই,  
কিন্তু আমার চোখে তুমিই সেরা তাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246922/</link>
				<pubDate>Wed, 06 May 2026 17:52:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমিই সকল সৌন্দর্যের উপমা<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>বাংলাদেশের সব মেয়েরাই সুন্দর,<br />
পদ্মের মতো মুখ, চোখে কাজলের ভোর।<br />
কথায় জোছনা ঝরে, হাসিতে নদীর ঢেউ,<br />
তাদের রূপে মুগ্ধ হই, তবুও খুঁজি কেউ।  </p>
<p>তার থেকেও বেশি আনন্দ হলে তুমি,<br />
তোমার চাহনিতে আমার সকাল জমি।<br />
তোমার নীরবতাও কথা বলে যায়,<br />
তোমার নামেই বুকের ভেতর বসন্ত জাগায়।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246922"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246922/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">91de7a6ab2393424932183a79c4e2987</guid>
				<title>ভালোবাসার ভেতরের সত্য
ওমর ফারুক আশরাফী 

ভালোবাসা—শব্দটা শুনতে যতটা সুন্দর, ভেতরে ততটাই জটিল। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় এটা শুধু সুখ, হাসি আর স্বপ্নের গল্প। কিন্তু যারা সত্যি ভালোবেসেছে, তারা জানে—ভালোবাসা মানেই কখনো কখনো ভুল বোঝাবুঝি, অজানা কষ্ট আর হারানোর ভয়।

রিয়াদ আর নুসরাতের গল্পটাও এমনই ছিল। শুরুটা ছিল খুব সাধারণ—বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে গভীর একটা সম্পর্ক। তারা দু’জনই ভেবেছিল, তাদের ভালোবাসা অন্য সবার থেকে আলাদা হবে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি তাদের মাঝখানে দেয়াল তৈরি করতে শুরু করল।

নুসরাত কোনো কথায় কষ্ট পেলে চুপ করে থাকত, আর রিয়াদ ভাবত—সে বুঝি আর আগের মতো ভালোবাসে না। আবার রিয়াদ যখন ব্যস্ত থাকত, নুসরাত মনে করত—সে ইচ্ছা করেই তাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। আসলে কেউই খারাপ ছিল না, তারা শুধু একে অপরকে ঠিকভাবে বুঝতে পারছিল না।

ভালোবাসার সবচেয়ে কঠিন দিকটা হলো—এখানে ভয় থাকে। হারানোর ভয়, ছেড়ে যাওয়ার ভয়। এই ভয় থেকেই মানুষ কখনো বেশি আঁকড়ে ধরে, আবার কখনো দূরে সরে যায়। রিয়াদ চেয়েছিল সব ঠিক রাখতে, তাই অনেক কিছু মেনে নিত। কিন্তু নুসরাত সবকিছু মেনে নিতে পারত না—তার মনে হতো, নিজের অনুভূতিকে চাপা দিয়ে ভালোবাসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব না।

একদিন তাদের মধ্যে বড় একটা ঝগড়া হলো। কথার পর কথা বাড়তে বাড়তে এমন জায়গায় পৌঁছাল, যেখানে ফিরে আসা কঠিন। রিয়াদ চুপ করে সব মেনে নিতে চেয়েছিল, কিন্তু নুসরাত পারল না। সে চলে গেল—নিজের সিদ্ধান্তে, নিজের অনুভূতির প্রতি সৎ থেকে।

শেষ পর্যন্ত তারা বুঝল—ভালোবাসা শুধু একসাথে থাকা নয়। এটা বোঝাপড়া, ধৈর্য আর ছাড় দেওয়ার নাম। যে মেনে নিতে পারে, সে সম্পর্ক ধরে রাখতে পারে। আর যে পারে না, সে হয়তো সত্যি ভালোবাসলেও—থাকতে পারে না।

ভালোবাসা তাই এক অদ্ভুত সত্য—এটা যেমন সুখ দেয়, তেমনি কষ্টও দেয়। আর এই দুইয়ের মাঝেই লুকিয়ে থাকে তার আসল সৌন্দর্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245411/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 01:28:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসার ভেতরের সত্য<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>ভালোবাসা—শব্দটা শুনতে যতটা সুন্দর, ভেতরে ততটাই জটিল। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় এটা শুধু সুখ, হাসি আর স্বপ্নের গল্প। কিন্তু যারা সত্যি ভালোবেসেছে, তারা জানে—ভালোবাসা মানেই কখনো কখনো ভুল বোঝাবুঝি, অজানা কষ্ট আর হারানোর ভয়।</p>
<p>রিয়াদ আর নুসরাতের গল্পটাও এমনই ছিল। শুরুটা ছিল খুব সাধারণ—বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245411"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245411/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1aef4438bc4528b387ebef06578fd4ee</guid>
				<title>তাকে এখনো খুঁজে বেরাই
ওমর ফারুক আশরাফী

আমি তখন মাত্র ১২ বছর বয়সী। ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় আমাদের বাড়ি তিন তলায়। নিচতলায় ভাড়া থাকতো লুনা আক্তারের পরিবার। প্রথম দেখাতেই আমার চোখ আটকে গেলো সেই পরীর মতো সুন্দর মেয়েটির দিকে। লুনা আক্তার—নামটা মনে রাখতেই যেন হৃদয় একটু তীব্রভাবে ধপধপ করত। সে শুধু সুন্দরই ছিল না, মেধাবী, নম্র, ভদ্র এবং সব সময় পরিমার্জিত,মনে হতো যেন কোনো স্বপ্নের চরিত্র বাস্তব হয়ে এসেছে।

প্রতিদিন ছাদে উঠলে আমি তাকে খুঁজে বেড়াতাম। শুধু তাকানো—সেই ছোট্ট সাহসটুকুও আমার ছিল না তাকে সরাসরি বলার। একদিন হঠাৎ সে নিজেই আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আপনি আমার দিকে তাকিয়ে থাকেন কেন?”
আমি লাজুক হেসে বললাম, “কী?”
সে হেসে বলল, “আমি লক্ষ্য করেছি, আপনি সব সময় আমার দিকে তাকিয়ে থাকেন। আমাকে কি পছন্দ হয়েছে?”

সেই মুহূর্তে বুকের ভিতরটা যেন থমকে গেল। আমি অবলীলায় বললাম,
“আপনার চোখগুলো খুব সুন্দর।”
লুনা আক্তার হেসে বলল, “আপনি কি আমাকে পছন্দ করেন?”
আমি অবাক হয়ে কেবল হুম বলার সাহস পেলাম।

সে পরের দিন আমাকে বলল,
“কাল একটি গোলাপ নিয়ে এসে আমাকে প্রপোজ করবেন।”
হৃদয় ভর করে সাহস জোগালাম। পরের দিন বুকের ভিতর লুকানো সব সাহস নিয়ে তাকে প্রপোজ করলাম। সে হাসিমুখে রাজি হলো—তখন থেকেই আমাদের সম্পর্কের শুরু।

আমাদের সেই প্রিয় মুহূর্তগুলো তিন বছর ধরে চলল। প্রতিটি দিনই আনন্দের, প্রতিটি স্মৃতি অম্লান। কিন্তু হঠাৎ একদিন লুনা তার পরিবারসহ লন্ডন চলে গেল। দক্ষিণ বনশ্রীর সেই ছোট্ট রাস্তা, আমাদের বাড়ি, আমাদের ছাদের সেই মুহূর্তগুলো—সবই যেন ফিকে হয়ে গেল।

আজও আমি অপেক্ষা করি। যে কোনো সময়, যে কোনো বিদেশি বিমান থেকে যদি কেউ নামেও, আমার মন প্রথমে শুধু এক নাম খুঁজে—লুনা আক্তার। তিন বছরের সেই ছোট্ট প্রেমের স্মৃতি আজও আমার হৃদয়কে জ্বালিয়ে রাখে। আমি এখনও তাকে খুঁজে বেড়াই, এবং জানি, যেখানে-ই থাকুক, সেই স্মৃতির আলো আমাদের সম্পর্ককে কখনো মুছে ফেলতে পারবে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243394/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 15:30:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তাকে এখনো খুঁজে বেরাই<br />
ওমর ফারুক আশরাফী</p>
<p>আমি তখন মাত্র ১২ বছর বয়সী। ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় আমাদের বাড়ি তিন তলায়। নিচতলায় ভাড়া থাকতো লুনা আক্তারের পরিবার। প্রথম দেখাতেই আমার চোখ আটকে গেলো সেই পরীর মতো সুন্দর মেয়েটির দিকে। লুনা আক্তার—নামটা মনে রাখতেই যেন হৃদয় একটু তীব্রভাবে ধপধপ করত। সে শুধু সুন্দরই ছিল না, মেধাবী, নম্র, ভদ্র এবং সব স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243394"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243394/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f1753de473e1c5fac74e2e01ad9f258</guid>
				<title>আমি দেখি
ওমর ফারুক আশরাফী 

আমি দেখি-
যা চোখ দেখায় না,
আমি শুনি-
যা কান শোনায় না,
আমি উপলব্ধি করি-
যা কেউ উপলব্ধি করে না,
আমি বুঝি-
যা মন বোঝায় না,
আমি করি-
যা কেউ করে নি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241382/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 02:10:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি দেখি<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>আমি দেখি-<br />
যা চোখ দেখায় না,<br />
আমি শুনি-<br />
যা কান শোনায় না,<br />
আমি উপলব্ধি করি-<br />
যা কেউ উপলব্ধি করে না,<br />
আমি বুঝি-<br />
যা মন বোঝায় না,<br />
আমি করি-<br />
যা কেউ করে নি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a87854308713d0e66f8d5db6f0f376ae</guid>
				<title>প্রিয়জন
ওমর ফারুক আশরাফী 


তুমি আমার প্রিয়জন
সুবিধার্থে প্রয়োজন নও।

খুশির দিনে তোমার পাশে ছিলাম
কষ্টের দিনেও আমাকে পাশে পাবে।

তোমার প্রতিটি কাজে 
তোমার সহযোগিতার জন্য 
আমাকে তোমার পাশে পাবে।

ঝড় তুফান যাই আসুক না কেন
আমি তোমার মাথায় ছাদ হবো।

আমি চেঙ্গিসের ভূমিকায় নয়
বরং ওমরের ভূমিকায় থাকবো।

তুমি আমার প্রিয়জন 
সুবিধার্থে প্রয়োজন নও;
তুমি আমার অনেক আপন।

আমি হিংসুক স্বার্থপর নই 
সবাইকে ভালোবাসতে জানি।

আমিও তোমার প্রিয়জন হতে চাই 
এহেন সুবিধার্থে প্রয়োজন নয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241085/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 18:36:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়জন<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>তুমি আমার প্রিয়জন<br />
সুবিধার্থে প্রয়োজন নও।</p>
<p>খুশির দিনে তোমার পাশে ছিলাম<br />
কষ্টের দিনেও আমাকে পাশে পাবে।</p>
<p>তোমার প্রতিটি কাজে<br />
তোমার সহযোগিতার জন্য<br />
আমাকে তোমার পাশে পাবে।</p>
<p>ঝড় তুফান যাই আসুক না কেন<br />
আমি তোমার মাথায় ছাদ হবো।</p>
<p>আমি চেঙ্গিসের ভূমিকায় নয়<br />
বরং ওমরের ভূমিকায় থাকবো।</p>
<p>তুমি আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a89550d3b916aac27ba31d34d52300b7</guid>
				<title>ছোটবেলার দিনগুলো 
ওমর ফারুক আশরাফী 


আমার বয়স এখন ২৫ বছর। আয়নায় তাকালে দেখি এক তাগড়া যুবক দাঁড়িয়ে আছে—দায়িত্ব আছে, চিন্তা আছে, ভবিষ্যতের হিসাব আছে। কিন্তু বুকের ভেতর কোথাও এখনো লুকিয়ে আছে এক ছোট্ট ছেলে, যে সুযোগ পেলেই দৌড়ে চলে যায় তার শৈশবের মাঠে।

সেই মাঠে ছিল গোল্লাছুটের চিৎকার, কাবাডির নিঃশ্বাস আটকে রাখা উত্তেজনা আর হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরা। বিকেলের রোদ যখন নরম হয়ে আসত, আমরা বন্ধুরা মিলে দৌড় প্রতিযোগিতা দিতাম। কে আগে গাছটাকে ছুঁয়ে ফিরে আসতে পারে, সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। হার-জিতের হিসাব ছিল না, ছিল শুধু আনন্দের ঝলক।

শৈশব মানেই ছিল দুষ্টুমিতে ভরা দিন। স্কুলে যেতে মন না চাইলে পেটে ব্যথার অভিনয় করতাম, কখনো বলতাম বমি আসছে। মা একটু চিন্তিত হতেন আর আমি মনে মনে হাসতাম। সেই ছোট্ট ফাঁকির মধ্যেই যেন ছিল বিশাল স্বাধীনতা।

রাতের বেলা দাদীর পাশে শুয়ে ভূতের গল্প শুনতে শুনতে কখন যে ভয় আর কৌতূহল এক হয়ে যেত, টেরই পেতাম না। গল্প শেষ হলেও ঘুম আসত না, মনে হতো অন্ধকারের কোণে কেউ যেন দাঁড়িয়ে আছে। তবুও সেই ভয়েও ছিল এক অদ্ভুত মধুরতা।

এখন সব বদলে গেছে। চারপাশে প্রযুক্তির ঝলক, সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন। মাঠের জায়গা নিয়েছে স্ক্রিন, গল্পের জায়গা নিয়েছে ভিডিও। আজকের শিশুরা হয়তো কখনো বুঝবে না, খালি পায়ে ধুলো মেখে দৌড়ানোর আনন্দ কাকে বলে।

রাতে যখন একা থাকি, পুরোনো অ্যালবাম খুলে বসি। ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখি একটি ছেলেকে, যার চোখে কোনো দুশ্চিন্তা নেই, আছে শুধু স্বপ্ন আর হাসি। তখন বুকের ভেতর হালকা আফসোস জাগে।

কত সুন্দর ছিল সেই শৈশবের দিনগুলো! সময় চলে যায়, মানুষ বড় হয়, কিন্তু ছোটবেলার স্মৃতিগুলো চিরকাল হৃদয়ের ভাঁজে অমলিন হয়ে রয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240614/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 08:01:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটবেলার দিনগুলো<br />
ওমর ফারুক আশরাফী </p>
<p>আমার বয়স এখন ২৫ বছর। আয়নায় তাকালে দেখি এক তাগড়া যুবক দাঁড়িয়ে আছে—দায়িত্ব আছে, চিন্তা আছে, ভবিষ্যতের হিসাব আছে। কিন্তু বুকের ভেতর কোথাও এখনো লুকিয়ে আছে এক ছোট্ট ছেলে, যে সুযোগ পেলেই দৌড়ে চলে যায় তার শৈশবের মাঠে।</p>
<p>সেই মাঠে ছিল গোল্লাছুটের চিৎকার, কাবাডির নিঃশ্বাস আটকে রাখা উত্তেজনা আর হঠাৎ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240614"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240614/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5920943a33099b0fa3fa405e91392de8</guid>
				<title>ওমর ফারুক আশরাফী changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238874/</link>
				<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 17:31:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a7b358fa069036338ed86c1529fed159</guid>
				<title>খেলা ঘর
ওমর ফারুক 

আমি খালি ফুটবল
তুমি খেলো ক্রিকেট।

আমি দেই গোল আর
তুমি মারো ফোর ও সিক্স।

আমার পায়ের নিচে ফুটবল,
তোমার হাতে ব্যাট ও বল।
আমি খেলি তুমিও খেল
খেলে সয়ং বিধাতা।

খেলাঘর;খেলাঘর 
পৃথিবীটাই একটা খেলাঘর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238871/</link>
				<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 17:28:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খেলা ঘর<br />
ওমর ফারুক </p>
<p>আমি খালি ফুটবল<br />
তুমি খেলো ক্রিকেট।</p>
<p>আমি দেই গোল আর<br />
তুমি মারো ফোর ও সিক্স।</p>
<p>আমার পায়ের নিচে ফুটবল,<br />
তোমার হাতে ব্যাট ও বল।<br />
আমি খেলি তুমিও খেল<br />
খেলে সয়ং বিধাতা।</p>
<p>খেলাঘর;খেলাঘর<br />
পৃথিবীটাই একটা খেলাঘর।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>