-
ঈদের আনন্দ
ওমর ফারুক আশরাফীঈদ হইতেছে মুসলিমদের অন্যতম এক ধর্মীয় উৎসব।যা বছরের দুই বারই আসিয়া থাকে।এই দিন সবাই আনন্দ করিবার জন্যই ব্যস্ত হইয়া থাকে।ঈদ আসিবার ক্ষনে কেউ ক্রয় করিবার আবার কেউ বিক্রয় করিবার জন্য ব্যস্ত হইয়া পরে।
মসজিদের মাইকে যখনই “ঈদ মোবারক” ধ্বনি অ্যালান হইয়া যায় ছোট্ট ছোট্ট ছেলে-পুলেদের কি আটকাইয়া রাখা সম্ভব? কখনোই সম্ভব না।ছেলে-পুলেদের মধ্যে কেউ বোম ফাটায় আবার কেউ বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডায় ব্যস্ত হইয়া পড়ে।অ্যালান হইবা মাত্রই মা-কাকিরা শীল পাটা বিছায়ে মসলা বাটিতে আরম্ভ করিত।আমাদের প্রধান কাজই হইত মসলা বাটা দেখা। আর ছোট্ট মেয়েরা মেহেদী লাগাইতে ব্যস্ত হইয়া পরিত।
আহ!শৈশবের স্মৃতি মনে পড়িয়া গেল।চাঁদরাতে অধির আগ্রহে বসিয়া থাকিতাম কখন সকাল হইবে আর নতুন জামা পড়িব।সকাল হইবা মাত্রই নতুন জামা পরিয়া আব্বার সাথে ঈদের নামাজ পড়িতে ঈদগাহে যাইতাম।জুতা খুলিয়া বগলের তলে রাখিয়া নামাজ পরিতাম যাতে চুরি না হইয়া যায়। নামাজ পড়ে আসিয়া দেখিতাম মা হরেক রকম রান্না করিয়া বসিয়া আছে,তৃপ্তি মিটাইয়া খাইতাম।নামাজ পড়িয়া আসিয়া আব্বাকে সালাম করিতাম অথবা পিছন-পিছন ঘুরিতাম দশ টাকা বা পঞ্চাশ টাকা সালামির জন্য। সালামি দেওয়া মাত্রই দৌড়াইয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া দোকানে যাইয়া কেনাকাটা আরম্ভ করিয়া দিতাম।নৌকায় উঠিতাম,জিলাপি খাইতাম আবার হরেক রকম জিনিস কেনাকাটা করিতাম।বিকেল হইলেই মামা বাড়ি যাইতাম দাওয়াত খাইতে,রাতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা।নতুন জামা পরিয়া বন্ধুদের সাথে ভাবও দেখাইতাম বটে।বর্তমানে এগুলো স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই নহে।
এই প্রযুক্তির যুগে এই আনন্দ কি সম্ভব? সবাই এখন মোবাইল নিয়েই ব্যস্ত।ঈদের সকালে সেই আনন্দ নাই,নাই বন্ধুদের সাথে আড্ডা।এগুলো সব স্মৃতি হইয়া রইয়া গিয়াছে।
Friends
abrar
@abrar
তৌফিক কিরণ
@toufiq
md awal
@mdawal
অভিমানী মন
@ovimanimon
মাহমুদুল হাসান
@hasan-mahamud
আব্দুস সবুর
@mdabdussobur
Raad Ahmad
@raadahmad
H.M.Atiquzzaman Furqaan ibne Azadi
@h-m-atiquzzamanfurqaanibneazadi
শাহরিয়ার।
@shahiar