-
কারবালার সেই ডাক
ওমর ফারুক আশরাফীইমাম হোসাইন (রা.)-এর কাছে একদিন পত্র এলো। কুফার মানুষ লিখেছে — “হে রাসূলের দৌহিত্র, আপনি আসুন। আমরা আপনার হাতে বাইয়াত নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার সাথেই থাকব।”
কিন্তু মদিনার আলেমগণ সতর্ক করলেন। বললেন, “হে আমির, সাবধান হোন। এটা ইয়াজিদের ছল হতে পারে। আপনাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতেই তারা এই ডাক দিয়েছে। কুফার মাটি বিশ্বাসঘাতকতায় পিচ্ছিল।”
তবুও ছলে, বলে, কৌশলে ইমাম হোসাইনকে কুফার পথে টেনে নেওয়া হলো। ইয়াজিদের আসল উদ্দেশ্য ছিল একটাই — হোসাইনকে সরিয়ে নিজে ক্ষমতার মসনদে বসা।
এলো সেই দিন — আশুরার দিন, কারবালার প্রান্তর।
অসম যুদ্ধ। একদিকে সত্যের ক্ষুদ্র কাফেলা, অন্যদিকে ক্ষমতার দম্ভ।
তীর এসে বিদ্ধ হলো ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বুকে। শরীর নেতিয়ে পড়ার আগ মুহূর্তে তিনি ডাকলেন — “নানা… নানা…”সেই ডাক আরশ কাঁপিয়ে পৌঁছাল রওজায়।
বলা হয়, নবীজি ﷺ রওজা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। নাতিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন কারবালার ধুলায়। তাঁর পবিত্র কাপড় ধুলো আর রক্তে রঞ্জিত হলো।অবশেষে নির্মমভাবে শহীদ করা হলো ইমাম হোসাইন (রা.)-কে।
ইয়াজিদ ভেবেছিল, হোসাইনকে সরিয়ে দিলেই মানুষ তাকে মনে রাখবে, তাকেই আমির মানবে।
কিন্তু ইতিহাস উল্টো সাক্ষ্য দিল।আজও যুগের পর যুগ মানুষ ইমাম হোসাইন (রা.)-কে সম্মান করে, তাঁকে সত্যের প্রতীক মানে।
আর ইয়াজিদের নাম উচ্চারিত হয় ঘৃণা আর লানতের সাথে।অবশেষে একটা কথাই বলি,তরবারি দিয়ে সত্যকে মুছে ফেলা যায় না। রক্ত দিয়ে যে সত্য লেখা হয়, তা কালের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
2 Comments
Friends
abrar
@abrar
তৌফিক কিরণ
@toufiq
md awal
@mdawal
অভিমানী মন
@ovimanimon
মাহমুদুল হাসান
@hasan-mahamud
আব্দুস সবুর
@mdabdussobur
Raad Ahmad
@raadahmad
H.M.Atiquzzaman Furqaan ibne Azadi
@h-m-atiquzzamanfurqaanibneazadi
শাহরিয়ার।
@shahiar


কারবালার চেতনা ও ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগকে আবেগঘন ভাষায় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।