-
মো: মাঈনউদ্দিন।
সারাদিন গিয়া সন্ধা ঘনাইয়া আসিলে বাড়ির কে কোথায় আছে খোজ নেয়ার আবশ্যক মনে করিলেন অমলের নানি। বুড়িরর বয়স হইয়াছে বটে আসলে সে বাদরের হাড্ডি। হাটলে চলিলে মনে হয় মনুষ্যমুরত আকা একটি গেরুয়া কুচকানো চামরার ব্যগেকিছু সুকনো হাড্ডি ভরিয়া বোধ হয় প্রভু কোন অদৃশ্য জিনের বদৌলতে এখান থেকে ওখানে টানিয়া হেচরাই আনানেওয়া করিতেছেন। মাঝে মাঝে ধপাস করিয়া মেঝেতে আছার মারিতেছেন। আছার খাইয়াও কুচকি বুড়ি নানন রকম রম্যরষে প্রভু সহ প্রভুর সৃস্টিলোকের অপাঙ্কিত ভুলগুলি নিয়া ঠাট্রাবিদ্রুপ করিয়া থাকেন। আজকেও অমনি করিতে ছারেননাই ঘরের ভিতর আছার খাইয়া অমল আর নির্মলাকে একের পর এক অভিষাপ দিতে লাগিলেন। আল্লাহ আমি বাচিয়া থাকিতে ওদের যেন সংসার দেখি, একটায় আরেকটারে মারতে দেখি, আবার একটায় আরেকটারে হাতে ধরিয়া উঠাইতে দেখি, চোখের পানি মুছিয়া দিতে দেখি, চোখের জল ঝড়াইতে দেখি। এগুলিকি অভিষাপ নাকি দোয়া আমি বুঝিতে পারিলামনা তবে তাহার মনের ক্ষোব দুরকরিবার ধরনটাই ছিল এরকম। যে কারনে তার ছেলে সন্তান নায়নাতকুরের মধ্যে ভালবাসার কমতি ছিলোনা। মাঝে মাঝে তা অভিষাপ হইয়া যাইতো আবার মাঝে মাঝে তা দোয়া হইয়া যাইত। এগুলি অভিষাপ বা দোয়াই হোক তবে তাহা সুনিবার বা বুঝিবার মত নিস্তব্দ গৃহমাঝে দুচারটা মসা, মাছি আর তেলাপোকারা ছাড়া কেউ ছিলনা। এদের কাছে কুচকো বুড়ির কথাগুলি নিছক আবোলতাবোল আর গুরুত্বহীন মনে হইলো তাই মশাগুলি ভোন ভোন করিয়া রক্তখাইতে আর মাঝিগুলি সো সো করিয়া চিত্ত জালাইতে প্রবিত্ত হইলো। আর তেলাপোকাগুলি তার মরা কুচকানো চামরাগুলি খাইতে চেষ্টা করিতেছিল। আর মাঝখানে বুড়ি আরাহুডা পানিকাউলফার ডগার মত হাতদুটি দিয়া তাহাদের প্রতিহত করিতেছিলেন।4 Comments
Friends
রাহুল চন্দ্র দাস
@rahulchandradas13011994gmail-com
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
আব্দুল মজিদ মারুফ
@abdulmojid
মোঃ আরিফুল ইসলাম
@ammouriful
স্মৃতি রানী রত্না
@srratna1990
Shahana-Shirin-Sultana
@shahana-shirin-sultana
Shibly Ahmed Mozumder
@shiblyahmedmozumder
মালিহা নামলাহ
@malihanamlah
Tasmeen laila
@tasmeen-laila86



ভালো লাগলো