<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | নাহিদ হাসান নয়ন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/nahid-hasan-noyon/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/nahid-hasan-noyon/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for নাহিদ হাসান নয়ন.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 05:29:00 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ec57c7ce624d676f2fba776b7e525a44</guid>
				<title>&#x270d;&#xfe0f;নিরবতায় প্রতিধ্বনি 

আমার চোখে জমেছে যুগের ক্লান্তি,
আমার ছায়া যেন নিজের সঙ্গেই পরাজিত।
প্রতিটি অঙ্গ অনবরত উচ্চারণ করে
এক অদৃশ্য বিদায়ের স্তোত্র—
যেন জন্ম থেকেই আমি মৃত্যুর সুরে বাঁধা।

একদিন হঠাৎ সময় নিঃশেষ হয়ে যাবে,
সকাল উঠবে না আর,
বিকাল গড়াবে না কোনো সোনালি আলোয়,
সন্ধ্যা নামবে না মাটির ঘ্রাণে ভিজে।

তখন বাতাসে ভাসবে ধুলোর গোপন গন্ধ,
নীরবতা নেমে আসবে সাগরের গভীর ঢেউয়ের মতো।
আমি মিলিয়ে যাবো এমন নিখুঁত অদৃশ্যতায়,
যেন আমার অস্তিত্ব ছিল কেবল
এক ক্ষণস্থায়ী ছায়ার মতো—
অথচ তার প্রতিধ্বনি রয়ে যাবে চিরন্তন স্মৃতিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233547/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 16:44:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x270d;&#xfe0f;নিরবতায় প্রতিধ্বনি </p>
<p>আমার চোখে জমেছে যুগের ক্লান্তি,<br />
আমার ছায়া যেন নিজের সঙ্গেই পরাজিত।<br />
প্রতিটি অঙ্গ অনবরত উচ্চারণ করে<br />
এক অদৃশ্য বিদায়ের স্তোত্র—<br />
যেন জন্ম থেকেই আমি মৃত্যুর সুরে বাঁধা।</p>
<p>একদিন হঠাৎ সময় নিঃশেষ হয়ে যাবে,<br />
সকাল উঠবে না আর,<br />
বিকাল গড়াবে না কোনো সোনালি আলোয়,<br />
সন্ধ্যা নামবে না মাটির ঘ্রাণে ভিজে।</p>
<p>তখন বাতাসে ভাসবে ধুলোর গোপন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233547"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233547/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0bfcb70ad7086c6f11f25e8200605829</guid>
				<title>অবাক আকাশ, জ্বলন্ত শরীর

আকাশ নামলো আগুনের ছায়ায়,
নিচে ছটফট করে একটি ছোট্ট বুক।
&#039;মা&#039; বলে ডাকে—গলা পুড়ে যায়,
ধোঁয়ার ভেতরেও খোঁজে একটুখানি সুখ।

জিহ্বায় লেগে পুড়ে যায় নাম,
&#039;আম্মু&#039;—শুধু একবার বলতে চেয়েছিল।
চোখে তখনো স্বপ্ন জ্বলছিল,
আর আকাশ?
সে শুধু তাকিয়ে ছিল—
অসহায়, নির্বাক,
অপরা‌ধীর মতো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231551/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 16:18:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অবাক আকাশ, জ্বলন্ত শরীর</p>
<p>আকাশ নামলো আগুনের ছায়ায়,<br />
নিচে ছটফট করে একটি ছোট্ট বুক।<br />
&#8216;মা&#8217; বলে ডাকে—গলা পুড়ে যায়,<br />
ধোঁয়ার ভেতরেও খোঁজে একটুখানি সুখ।</p>
<p>জিহ্বায় লেগে পুড়ে যায় নাম,<br />
&#8216;আম্মু&#8217;—শুধু একবার বলতে চেয়েছিল।<br />
চোখে তখনো স্বপ্ন জ্বলছিল,<br />
আর আকাশ?<br />
সে শুধু তাকিয়ে ছিল—<br />
অসহায়, নির্বাক,<br />
অপরা‌ধীর মতো।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">84be32705f0f2d699919983405c01e23</guid>
				<title>নাহিদ হাসান নয়ন and Keya Islam are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230714/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 09:19:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1d5545dddc49331ea32f72fc1d02b9f7</guid>
				<title>জীবনের পেছনের জানালা
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান 

 হলের বারান্দা থেকে যারা আকাশ দেখে, তারা শুধু নীল দেখে না—
দেখে শূন্যতা।
দেখে সেই প্রান্তর, যেখানে বাবার ফাটা হাতের তালুতে শুকিয়ে যাওয়া রক্ত জমে আছে,
আর মা—যার মুখে বয়সের চেয়ে অনেক বেশি ক্লান্তি।

তোমরা হয়তো জানো না, কিছু ছেলে সারারাত মশার কামড় খেয়ে জেগে থাকে—
কারণ মশারি ছিঁড়ে গেছে অনেক আগেই, আর নতুনটা কেনার টাকাটা ওদের ছোট বোনের টিউশন ফি-তে চলে গেছে।
ওরা বলে না কিছু, শুধু সকালে উঠে অন্যদের মুখ দেখে হাসে।

একদিন দেখি এক বন্ধু লাইব্রেরির পুরোনো প্রশ্নের খাতা উল্টে পাল্টে ঘামছে।
বলল—&quot;বই কিনতে পারি নাই ভাই, ওই প্রশ্নগুলোতেই পড়া দিতে হবে।”
তার কাঁধে ব্যাগ, আর ব্যাগের ভেতর শুধু একটা কলাপাতা মোড়ানো ভাত—
সঙ্গে লবণ।
কারণ ওইদিনের বাজারে ডাল কিনতে গেলে ওর বাবাকে ধার চেয়ে বলতে হতো—
&quot;ছেলে আমার ইউনিভার্সিটিতে পড়ে।&quot;

তুমি কী জানো, একটা ছেলে তার বাবার জন্য প্রতিদিন ওষুধ কিনতে গিয়ে নিজের চোখের চশমা বদলাতে পারে না?
একটা মেয়ে, যার বাবার হাত নেই—গরুর গাড়ি উল্টে গিয়েছিল একবার—
সে রাতে ফ্যান ছাড়া ঘুমায় যাতে বিদ্যুৎ বিল কম আসে।
তোমরা যারা জীবনকে চারপাশে সাজানো দেখে এসেছো, তারা হয়তো জানো না,
একটা মেয়ের প্রথম চাকরির বেতন দিয়ে তার মা একটা চুল কাটার মেশিন কিনেছে।
কারণ বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত, চুল পড়ে যাচ্ছে।
বাড়িতে আয় নেই।
ভাঙা ভাঙা শরীরটা নিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন দোকানের পাশে, কেউ যদি বলে—&quot;কিছু কাজ আছে কি?&quot;

আর জানো কি?
একজন ছেলে রাতে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েছিল,
হাতের নিচে ছিল তার ছোট বোনের স্কুল ড্রেস—সেলাই করা।
সে নিজেই সেলাই করেছে, কারণ দোকানে দিলে ২০ টাকা বেশি নিত।
তার পকেটে মাত্র ৫০ টাকা ছিল—সেটা দিয়ে সে তার মাকে একটা ওষুধ কিনে দিয়েছে,
আর স্কুল ড্রেস নিজে সেলাই করেছে।
ওর বন্ধুরা বলে—&quot;তুই তো একটু কৃপণ রে!&quot;
সে হেসে বলে—&quot;আরে ভাই, হিসাব করতে হয় তো!&quot;

হলের দেয়ালে একবার একটা ছেলেকে কাঁদতে দেখেছিলাম।
চোখ লাল, গাল শুকনো, কণ্ঠ স্তব্ধ।
জানালার বাইরে তাকিয়ে সে শুধু বলেছিল—
“ভাই, আমি আর পারতেসি না। প্রতিদিন শুধু দৌড়াই। সকালে পড়া, দুপুরে দুইটা টিউশন, সন্ধ্যায় খাবারের দোকানে কাজ।
ঘরে মা-বোনের মুখ মনে পড়ে… কিন্তু কিছুই করতে পারি না।”

আমি কিছু বলিনি।
কারণ, কী বলব?
যেখানে অশ্রু কথা বলে, সেখানে শব্দ অপ্রয়োজনীয়।

তুমি জানো কি?
একটা ছেলে, যার বাবা তাকে এক বছর ধরে ফোন করে না—
কিন্তু ছেলেটা প্রতি মাসে বিকাশে টাকা পাঠায়, কারণ মা এখনো অপেক্ষায় থাকে।
মায়ের চোখে এখনো “বাবা আসবে” বিশ্বাস,
ছেলেটা সে বিশ্বাস ভাঙতে চায় না।

একজন মেয়ে ক্লাস শেষে কাজ করে একটি ডে-কেয়ারে, শিশুদের সামলায়।
কারণ তার ছোট ভাই জন্ম থেকেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত।
সেই ভাইয়ের জন্য হুইলচেয়ারের টাকা জমাতে গিয়ে তার নিজের চশমার কাচ ভাঙা হয়ে গেছে—
তবুও পড়াশোনায় সে পিছিয়ে পড়ে না।

এইসব মুখ চেনা নয়।
এরা জীবনের পেছনের জানালায় দাঁড়িয়ে,
নিরবে সবার সুখের জন্য নিজের ঘুম, খাবার, আনন্দ বিসর্জন দেয়।

তারা ঈদের আগে কেনা জামায় নিজের জন্য কিছু রাখে না,
তাদের মা-কে ফোন দিলে বলে—“তোর গলার হাসিটাই আমার ঈদ।”
আর তারা—হল ঘরের সেই ছেলেটা, মেয়েটা—ফোন রেখে বলে,
&quot;আমি ভালো আছি মা। খুব ভালো আছি।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230436/</link>
				<pubDate>Fri, 20 Jun 2025 13:47:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের পেছনের জানালা<br />
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান </p>
<p> হলের বারান্দা থেকে যারা আকাশ দেখে, তারা শুধু নীল দেখে না—<br />
দেখে শূন্যতা।<br />
দেখে সেই প্রান্তর, যেখানে বাবার ফাটা হাতের তালুতে শুকিয়ে যাওয়া রক্ত জমে আছে,<br />
আর মা—যার মুখে বয়সের চেয়ে অনেক বেশি ক্লান্তি।</p>
<p>তোমরা হয়তো জানো না, কিছু ছেলে সারারাত মশার কামড় খেয়ে জেগে থাকে—<br />
কারণ মশারি ছিঁড়ে গেছে অনেক আগেই, আর নতুনটা কেনার টা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230436"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230436/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88d568e3d2ac93c3837be0e3853a9623</guid>
				<title>&#x270d;&#xfe0f;ছোটগল্প: “বাবার ঘড়ি”
প্রথম পর্বঃ

ঘড়িটা এখনো দেয়ালে টাঙানো।
চলে না, শুধু ঝুলে থাকে।
যেমন বাবা থাকতেন—চুপচাপ, বাড়ির চারপাশে, চোখ রাখতেন সবদিকে, কিন্তু কোনো শব্দ করতেন না।

এই ঘরটা বাবার হাতে বানানো।
ছাদে টিন, দেয়ালে মাটি লেপা, কাঠের জানালায় আজও সেই পুরনো হুক।
ঘরের এক কোণে রাখা বাবার কাঠের টুলটা আমি এখনো সরাইনি।
ওটার ওপর আর কেউ বসে না—কেউ সাহসও করে না।

বাবা কথা বলতেন কম,
কিন্তু তার চুপ করে থাকা,
তার সকালবেলার হাঁকডাক,
তার বাজার থেকে ফেরার পায়ের শব্দ—এসবেই গল্প ছিল।

আমি তখন ছোট।
বাবা ঘরে ঢুকলে কেমন জানি শীতল একটা হাওয়া আসত ঘরে—
না ঠান্ডা, না গরম, এক ধরনের ভরসার গন্ধ।

একদিন হঠাৎ সে গন্ধ হারিয়ে গেল।

বাবা শুধু বললেন—&quot;চিন্তা করিস না, আমি তোর ভেতরেই থাকব।&quot;

আমার তখন বুঝবার বয়স ছিল না।
শুধু মনে আছে, আমি তখন ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম—
ঘড়ি থেমে গিয়েছিল, বাবা যাওয়ার পরদিন।

অনেক বছর পেরিয়েছে।

এই ঘরে আমি এখন একা থাকি।
ঘড়িটা ঠিক করাইনি—কারণ ওটা যেন বাবার অভিমানের মতো হয়ে গেছে।
ওর না চলাটাই একটা কথা বলে—
যা বাবাও বলতেন না, কিন্তু বোঝা যেত।

শুনেছো কখনো ঘড়ি থেমে গেলে একটা নীরবতা জন্ম নেয়?

ওটা এমন নীরবতা, যা শব্দের চেয়ে গভীর,
যেখানে বাবার হাঁপ ধরে আসা নিঃশ্বাস,
তার চুপচাপ বসে থাকা সন্ধ্যাগুলো,
আর আমার চোখে জল আটকে রাখার লড়াই—সব এক হয়ে যায়।

আমি এখন প্রায়ই বারান্দায় বসে থাকি।
হাতে চায়ের কাপ, চোখে মেঘ।

পড়শিরা ভাবে আমি একা।
তারা জানে না—বাবা এখনো আমার ঘরের ভেতর হেঁটে বেড়ান।
আমি জানি, তিনি ঘড়িটার কাঁটার ভেতর থাকেন।
চলে না ঠিকই, কিন্তু তার ছায়া পড়ে প্রতিটি ঘণ্টায়।

কাল রাতে হঠাৎ বাতাসে কাঁপে উঠেছিল জানালার কাঁচ।
আমি ভেবেছিলাম—বাবা কি ফিরেছেন?

তারপর দেখি, ঘড়ির কাঁটা এক মিনিট এগিয়েছে।

আমি বুঝি, সময় অনেক আগেই থেমেছে।
এখন যা চলছে, তা শুধুই বাবার অপেক্ষা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229908/</link>
				<pubDate>Sat, 31 May 2025 19:01:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x270d;&#xfe0f;ছোটগল্প: “বাবার ঘড়ি”<br />
প্রথম পর্বঃ</p>
<p>ঘড়িটা এখনো দেয়ালে টাঙানো।<br />
চলে না, শুধু ঝুলে থাকে।<br />
যেমন বাবা থাকতেন—চুপচাপ, বাড়ির চারপাশে, চোখ রাখতেন সবদিকে, কিন্তু কোনো শব্দ করতেন না।</p>
<p>এই ঘরটা বাবার হাতে বানানো।<br />
ছাদে টিন, দেয়ালে মাটি লেপা, কাঠের জানালায় আজও সেই পুরনো হুক।<br />
ঘরের এক কোণে রাখা বাবার কাঠের টুলটা আমি এখনো সরাইনি।<br />
ওটার ওপর আর কেউ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229908"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229908/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">951b265f6cebfd62ab5ded48b7345eb3</guid>
				<title>খোলা আকাশের দিকে চেয়ে থাকি—সেখানে যেন এক অসীম শূন্যতার নীরব বিস্তার।
নীলিমার গভীরে হারিয়ে যেতে যেতে অনুভব করি, আমি একা নই—আমার ভাবনাগুলিও যেন ওই শূন্যতার সাথে মিশে যেতে চায়।
এই মুহূর্তে, শরীর জুড়ে মৃদু বাতাসের স্পর্শ, আর অন্তর্গত কল্পনাগুলোর নীরব যাত্রা—সবকিছু এতটাই কোমল, এতটাই স্বপ্নময়, যে জীবনের কঠিন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এগুলো অবাস্তবই মনে হয়।
যেন আমি এক ভিন্ন জগতে—যেখানে যুক্তি নয়, অনুভবের শাসন চলে।
এই বেমানানতা, এই বৈপরীত্যই হয়তো জীবনের সবচেয়ে সত্য রূপ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229778/</link>
				<pubDate>Wed, 28 May 2025 11:23:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খোলা আকাশের দিকে চেয়ে থাকি—সেখানে যেন এক অসীম শূন্যতার নীরব বিস্তার।<br />
নীলিমার গভীরে হারিয়ে যেতে যেতে অনুভব করি, আমি একা নই—আমার ভাবনাগুলিও যেন ওই শূন্যতার সাথে মিশে যেতে চায়।<br />
এই মুহূর্তে, শরীর জুড়ে মৃদু বাতাসের স্পর্শ, আর অন্তর্গত কল্পনাগুলোর নীরব যাত্রা—সবকিছু এতটাই কোমল, এতটাই স্বপ্নময়, যে জীবনের কঠিন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এগুলো অবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229778"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229778/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a5959b6299897201a653850d1f0cb256</guid>
				<title>শিরোনাম: পুরাতন লাইব্রেরির আত্মকথন
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান 

নীরব আমি, ধুলো মাখা দেয়ালে,
স্মৃতিরা ঘুমোয় আমার পাতায় পাতায়।
কেউ আর আসে না, আসে না আর,
শব্দেরা বসে থাকে একা, চোখে ব্যথার ভার।

একদিন ছিলাম আমি সভ্যতার কেন্দ্র,
জ্ঞান-জ্বালার মশাল হাতে নিভৃত সন্ধ্যায়।
ক্লান্ত শিক্ষার্থীর চোখে দেখতাম স্বপ্ন,
নতুন দিগন্তের, ইতিহাসের, কাব্যের কণ্ঠ।

একটা বাচ্চা আসত, হাত মেলে ধরত বইয়ের কাছে,
আজ সে হয়তো বড়, ভুলে গেছে আমাকে।
তবু আমি আছি, কাঁপা পাতার নিচে,
জন্ম দিয়ে যাই শব্দ-সন্তান প্রতিটি নিঃশ্বাসে।

হয়তো একদিন, আবার কেউ আসবে,
তাজা শ্বাস নিয়ে খুলবে আমার হৃদয়।
তখন আমি আবার বলব—
“এসো জ্ঞান খোঁজো, সময় থেমে নেই, আমিও মরি না কখনো।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229536/</link>
				<pubDate>Sat, 24 May 2025 10:43:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিরোনাম: পুরাতন লাইব্রেরির আত্মকথন<br />
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান </p>
<p>নীরব আমি, ধুলো মাখা দেয়ালে,<br />
স্মৃতিরা ঘুমোয় আমার পাতায় পাতায়।<br />
কেউ আর আসে না, আসে না আর,<br />
শব্দেরা বসে থাকে একা, চোখে ব্যথার ভার।</p>
<p>একদিন ছিলাম আমি সভ্যতার কেন্দ্র,<br />
জ্ঞান-জ্বালার মশাল হাতে নিভৃত সন্ধ্যায়।<br />
ক্লান্ত শিক্ষার্থীর চোখে দেখতাম স্বপ্ন,<br />
নতুন দিগন্তের, ইতিহাসের, কাব্যের কণ্ঠ।</p>
<p>এক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229536"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229536/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09ad4583508aa97d5736d2eebb7090cc</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229428/</link>
				<pubDate>Wed, 21 May 2025 19:04:34 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d41bdd007d0eb3d741dadb621ebfca2a</guid>
				<title>নাহিদ হাসান নয়ন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229425/</link>
				<pubDate>Wed, 21 May 2025 18:56:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad49002738cae3dce72b687f9d12e349</guid>
				<title>নিঃশব্দতার প্রান্তে
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান 

পাহাড় দেখেছি—যেখানে নীরবতা পাথরে পাথরে ধ্বনিত হয়,
একান্ত ব্যক্তিগত যন্ত্রণার মতো জমে থাকে ঢেউহীন বিস্তার।
সমুদ্র দেখেছি—তার গর্জনের ভিতরেও লুকিয়ে থাকে এক প্রাচীন বিষাদ,
যেন অতল জলের গভীরে কেউ রেখে গেছে এক অশ্রুসিক্ত ইতিহাস।

তেপান্তর পেরিয়েছি—যেখানে দিগন্তের রেখাও দুলে ওঠে মরীচিকার আশ্বাসে।
সেই বিশালতার মাঝেও ছিলো একরকম অন্তর্হিত সংকোচ,
একাকিত্বের দীর্ঘশ্বাস।

তবু—
এই নির্জনতা, এই নিঃশব্দের ভাষা, আগে কোথাও পাইনি।
এ এমন এক শূন্যতা,
যা শব্দে বর্ণনায় আসে না,
শুধু অনুভবে খেলে যায়,
হৃদয়ের অলিন্দে নিঃশব্দ পায়চারির মতো।

চৌকাঠ পেরোলেই—
শহরের কোলাহল,
যেখানে প্রতিটি শব্দ যেন একেকটি ছিন্ন গানের অংশ,
ভাঙা নোটে বাঁধা অচেনা সুর।
মানুষ হাসে, বলে, ছুটে চলে—
কিন্তু কেউ শোনে না নিজেরই মনের কণ্ঠস্বর।

এই শহর—
আলোয় মোড়া, অথচ অন্তরে অন্ধ।
এখানে হৃদয় নেই,
শুধু হৃৎপিণ্ডের শব্দ।

আর আমি—
চৌকাঠে দাঁড়িয়ে ভাবি,
নিঃশব্দতা কি সত্যিই শূন্য?
নাকি সেটাই সবচেয়ে পূর্ণ এক আর্তি—
যা শুধু তারা জানে,
যারা রাত জেগে আকাশ দেখে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229423/</link>
				<pubDate>Wed, 21 May 2025 18:49:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃশব্দতার প্রান্তে<br />
&#x270d;&#xfe0f;নাহিদ হাসান </p>
<p>পাহাড় দেখেছি—যেখানে নীরবতা পাথরে পাথরে ধ্বনিত হয়,<br />
একান্ত ব্যক্তিগত যন্ত্রণার মতো জমে থাকে ঢেউহীন বিস্তার।<br />
সমুদ্র দেখেছি—তার গর্জনের ভিতরেও লুকিয়ে থাকে এক প্রাচীন বিষাদ,<br />
যেন অতল জলের গভীরে কেউ রেখে গেছে এক অশ্রুসিক্ত ইতিহাস।</p>
<p>তেপান্তর পেরিয়েছি—যেখানে দিগন্তের রেখাও দুলে ওঠে মরীচিকার আশ্বাসে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229423"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229423/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e3b38f984bc48c12d49aa7bfbed5d69</guid>
				<title>নাহিদ হাসান নয়ন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157046/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Oct 2022 17:10:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0dfbdd90d2df3cb1d46bb4f9dc5eda01</guid>
				<title>নাহিদ হাসান নয়ন and Halima-Moly are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139535/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 02:27:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ce19d94b68005f54c080f54ffdf9c7a1</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139504/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 19:44:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97b1771df9258c425ccf2689c8a1e18d</guid>
				<title>নাহিদ হাসান নয়ন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139497/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 19:40:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c29fcef528ebd9f904a0b24cc4a1b2f</guid>
				<title>ধরো তোমার সাথে হঠাৎ কোনো এক বসন্তের বিকালে দেখা&quot;
সেইদিন সেই বিকালে তোমার সাথে আমার কয়েক বছর পর দেখা।
এতদিন পরও আমি তোমার সেই মুগ্ধ করা চোখ চিনতে আমার বিন্দু মাত্র অসুবিধা হয় নি।
শুধু কয়েক মুহুর্তের জন্য হৃদপিণ্ডে কম্পন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ।
মনে পড়ে কি প্রিয় একসময় আমাদের কতো কথা হতো, কতো আড্ডা দিতাম,একসাথে হেটে যেতাম অনেক কতো দুরের পথ।কতো স্বপ্ন দেখতাম সেইসব স্বপ্ন তো রয়ে  গেল।তোমার দেওয়া উপহার গুলো রেখে দিয়েছি স্বযত্নে নিজের কাছে।
মানুষ হারানোর কষ্ট কতো যে বেদনাদায়ক, যার হারার যেই বুঝে।তোমাকে হারানোর পর এই একাকিত্ব আমাকে  কাঁদায়। দিনের আলোকেও মনে হয় চরম একাকিত্বের আঁধারের মতো
কথা না হলে, যোগাযোগ না থাকলে মানুষ কি হারিয়ে যাই প্রিয়?
মনে পড়ে না কি একটুও আমাকে প্রিয় ?
শুধু প্রার্থনা আমার সৃষ্টিকর্তা যেন তোমাকে ভাল রাখে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139487/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 19:28:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধরো তোমার সাথে হঠাৎ কোনো এক বসন্তের বিকালে দেখা&#8221;<br />
সেইদিন সেই বিকালে তোমার সাথে আমার কয়েক বছর পর দেখা।<br />
এতদিন পরও আমি তোমার সেই মুগ্ধ করা চোখ চিনতে আমার বিন্দু মাত্র অসুবিধা হয় নি।<br />
শুধু কয়েক মুহুর্তের জন্য হৃদপিণ্ডে কম্পন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ।<br />
মনে পড়ে কি প্রিয় একসময় আমাদের কতো কথা হতো, কতো আড্ডা দিতাম,একসাথে হেটে যেতাম অনেক কতো দুরের পথ।কতো স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-139487"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/139487/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>