<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | নীরব মোস্তফা | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/nirobota33gmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/nirobota33gmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for নীরব মোস্তফা.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 27 Sep 2026 09:22:40 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">5e368e8f4e1e14197297629b378370d1</guid>
				<title>অনেক লিখতে ইচ্ছা হয় 
লেখা হয় না কিছুই,
 মনে সংকোচ আর ভয়
পাছে যদি কিছু হয়।

সত্য ক‌ইলে বিপদ হয়
আশে পাশের অনেক কয়,
তাইতো মিথ্যার আড়ালে 
অনেক সত্য‌ই ঢাকা রয়।

কাঁদে প্রাণ, যাবে মান
এই ভেবেই নীরব থাকি, 
সত্য একদিন প্রকাশ হবে 
অন্তরে স্বস্তি পুষে রাখি।

অপ্রকাশিত দুঃখ 
নীরব মোস্তফা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266758/</link>
				<pubDate>Fri, 28 Aug 2026 16:06:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক লিখতে ইচ্ছা হয়<br />
লেখা হয় না কিছুই,<br />
 মনে সংকোচ আর ভয়<br />
পাছে যদি কিছু হয়।</p>
<p>সত্য ক‌ইলে বিপদ হয়<br />
আশে পাশের অনেক কয়,<br />
তাইতো মিথ্যার আড়ালে<br />
অনেক সত্য‌ই ঢাকা রয়।</p>
<p>কাঁদে প্রাণ, যাবে মান<br />
এই ভেবেই নীরব থাকি,<br />
সত্য একদিন প্রকাশ হবে<br />
অন্তরে স্বস্তি পুষে রাখি।</p>
<p>অপ্রকাশিত দুঃখ<br />
নীরব মোস্তফা </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b5a2ad9134149c89eca06db625da62a8</guid>
				<title>বিচার চাই
নীরব মোস্তফা

ওয়াসীমুদ্দিন মুসলিম ছাত্রাবাসের পুকুর পাড়ের ১০২ নাম্বার রুমটিতে আমার বসবাস। গত বর্ষায় হলের জানালার পাশে একটি আমের বিচি রেখেছিলাম। কিছুদিন হল দেখিলাম এটা অঙ্কুরোদগম হয়ে পাতা ছড়িয়েছে। জানালার ফাঁক দিয়ে প্রতিদিন পানি দিতাম। গাছটি আস্তে আস্তে বড় হতে লাগিল। আমার খুব আনন্দ লাগিত। গাছটির প্রতি আমার ভালোবাসা জন্মাতে লাগিল। যত বড় হচ্ছে তত ভালোবাসা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিন ক্লাস থেকে ফিরে এসে দেখি একটা ছাগল এসে গাছটি খেয়ে ফেলল। শুধু গুড়ি থেকে মূল কান্ডটি রইল। প্রেমিকা হারানোর মত কষ্ট পেয়ে ছিলাম। আমিও হাল ছাড়ার পাত্র না। ঐদিন বিকেলে বড় বাজার থেকে জাল কিনে নিয়ে আসলাম। চতুর্দিকে বেড়া দিয়ে আবার পরিচর্যা শুরু করলাম।

দুই বছরে গাছটি অনেক বড় হয়ে গেল। বন্ধুরা বলতে লাগল এত যত্ন করলে কিতা অইব ফল কিন্তু অন্যরাই খাইব। আমি খুশি হইতাম। কারণ কেউ না কেউ তো পাবেই তাতেই আমি খুশি। হলে সকালের মেনু ছিল আলু ভর্তা আর ডাল। প্রতিদিন একগুঁয়েমি লাগত। তবে এখন খুব মিস করি। প্রায়ই ডিম ভাজি খেয়ে টিউশনে যেতাম। লাইফে সবচেয়ে বাজে টিউশন ছিল হারুয়া মোড়ে সুমি ম্যানশনে। এত কৃপন আর বাজে লোক কখনো পাইনি। একদিন ঘুম থেকে ওঠে দেখিলাম গাছের নীচে অনেক মানুষের ভীড়। ব্রাশ করতে করতে গিয়ে অবলোকন করিলাম নিশাদ অনশন করেছে। হাতে একটা &quot;নুসরাতের বিচার চাই&quot; লেখা প্ল্যাকার্ড।

মনটা গরম তেলে ভাজা পপকর্নের মত ফেটে গেল। আমার কিছু বুঝিতে বাকি রহিল না। অবশ্যই গত রাতে তাদের মাঝে মনোমালিন্যতা হয়েছে। ভালোবাসা এমনিই। যে ভালোবাসায় যত বেশি অভিমান সেই ভালোবাসা তত গভীর। নিশাদ একটা রোমান্টিক ছেলে। তাকে আমি লাভার বয় বলে ডাকিতাম। তাছাড়া ইংরেজি সাহিত্যে পড়া ছেলেগুলো এমনিতেই রোমান্টিক হয়। যখনি আমরা তার সাথে মজা করিতাম তখনি সে বলিত, প্লিজ লেট মি লাভ টু নুসরাত। তবে তার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ছিল কম। ছেলেদের প্রকাশভঙ্গি এমনই। তাদের প্রকাশ করার ক্ষমতা থাকে কম কিন্তু গভীরতা থাকে অনেক বেশি। আর এই জিনিসটাই মেয়েরা বুঝতে চায় না। 

আমায়িক ও চটপটে ছেলে সে। খুবই গোছালো ও পরোপকারী। বললেই ভালো ডিমান্ডের টিউশন পেয়ে যেতাম। সবাই জানিতাম নুসরাতের সকল ব্যয়ভার বহন করিত। ড্রেস আপ, শিক্ষা খরচ, মোবাইল খরচ, হাত খরচ এভরিথিং সে বহন করত। মনে হত এখনি সংসার পাতা শুরু করেছে। মাঝেমধ্যে নুসরাত কে বলিতাম, তুমি এত প্রেসার দাও কেন? হেসে হেসে সে বলিত, ছেলেদের দায়িত্ব নিতে হয়। এখন থেকেই সে দায়িত্ব কি জিনিস বুঝুক। নিশাদ একটা টিউশনের টাকা সম্পূর্ণ তাকে দিয়ে দিত। নুসরাত প্রায়ই নিশাদকে নব&#039;র আব্বু বলে ডাকিত। এমনকি তার মেসেন্জারেও নিক নেইম ছিল ওটা। তাদের খুব ইচ্ছে ছিল একটা ফুটফুটে ছেলে সন্তান হবে নাম রাখিবে নব। আমি ছিলাম ডাক পিয়ন। উভয়ের চিঠি আমি খুলে পড়তাম। একবার একটা চিরকুট পড়ে খুব মজা পেয়েছিলাম। পার্কে গিয়ে নিশাদ বড় একটা অপরাধ করেছিল। সেদিন নুসরাত খুব লজ্জা পেয়েছিল। তবে তারা বিশ্বাস করিত আমার দ্বারা তাদের কোন ক্ষতি হবে না।

কয়েকদিনের মধ্যেই ক্যাম্পাসে তারা লাইলী-মজনুর মত বিখ্যাত হয়ে গেল। এত সাবলীল ছিল তাদের প্রেম দেখে অনেকেই আফসোস করত। শুনিলাম নুসরাতের নন ক্যাডার এক ছেলের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে। হিসাববিজ্ঞানের ছাত্রী ছিল সে। জীবনের সমীকরণটা কীভাবে মিলিয়েছে আমার বোধগম্য হচ্ছে না। সুন্দরী মেয়েদের বেশি অহংকার আর জেদ থাকে। এজন্যই তারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে। তবে কাউকে ইচ্ছে করে ঠকিয়ে কেউ সুখী হতে পারে না। সেদিন শেক্সপিয়রের ফ্র&#x200d;্যালটি দ্যাই নেইম ইজ উইমেন এই কথাটির যথার্থ অনুধাবন করিতে পারিলাম। মেয়েদের মন বুঝা অনেক কঠিন কাজ। সেদিনের পর থেকে মেয়েদের উপর আমার একটা বিতৃষ্ণা সৃষ্টি হয়েছে। এই দুঃখে মাঝে মাঝে চিরকুমার হতে সাধ জাগে। কিছু কিছু মেয়ে সর্বদা বেটার অপশন খুঁজে। আর পেয়ে গেলে অতীতের সব প্রতিশ্রুতি ও পরিস্থিতি খুব সহজেই গিলে ফেলে। দুনিয়াটা আসলে এমন কেন! বেটার অপশন পেলেই কি বেটার ভালোবাসা পাওয়া যায় ! 

আমি আম গাছটাকে যেভাবে তিলে তিলে বড় করেছি, নিশাদের ভালোবাসাটা ঠিক এমনই ছিল। নিশাদ যেদিন সরকারি জব পেয়েছিল সেদিন নুসরাত এসে আমাদের সবাইকে পার্টি দিয়েছিল। প্রথম বর্ষে তার লাইফটা খুবই এলেমেলো ছিল। প্রায়ই পাগলা মসজিদের পিছনে গিয়ে কি যেন টানত। তার বাবা নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে তাকে খরচ দিত। নিজেও টিউশন করে অনেক টাকা আয় করত। একদিন এসে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল তাকে বুঝানোর জন্য। আমি নিজেই তার প্রেমটা জমিয়ে দিয়েছিলাম। সুন্দর একটা মনের বদৌলতে নিশাদ সহজ, সরল জীবন পেয়েছিল। দিনের ১৮ টি ঘণ্টায় থাকত তারা একসাথে হয়ত সরাসরি অথবা ভার্চুয়ালী। আমার খুব কান্না পায় নিশাদ ছেলেটা কখন কি করে ফেলে! হয়ত তার পরিবার শুনলেও কষ্ট পাবে কারণ সে ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট। অভাব কি জিনিস তাকে কেউ বুঝতে দেয় নি। নিশাদ কীভাবে পারবে একটা স্বাভাবিক জীবন লিড করতে। মাঝ রাস্তায় ফেলে যাওয়া নুসরাতের কাজটা একদম ঠিক হয় নি। উভয় পরিবারই তাদের সম্পর্কের বিষয়টা জানিত। এমনকি নুসরাত নিজেই তার বাবার কাছে আবদার করেছিল। মানুষ কীভাবে পারে এতটা বেঈমান হতে!

এজন্যই কবি বলেছেন, নারীর অপর নাম ছলনাময়ী।  সাতাশটি বছর কেটে গেল কাউকে বিশ্বাস করতে পারিলাম না। এক নজর না দেখে যে রুম থেকে বের হত না, অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রতিরাতে ঘুম পাড়ানির গান শুনাত। অপছন্দের সব আকাঙ্ক্ষা বিলীন করে দিত। সবাইকে এক পাল্লায় আর ভালোলাগার মানুষ কে অপর পাল্লায় রেখে সম্মান করত। এত বিশ্বাস আর স্যাক্রিফাইসের পরেও নুসরাতের কাছে কম মনে হত। কেন জানি তার কাছে কেয়ারলেস ও অপমান লাগত। ভালোবাসা এমনই। সর্বদা কম মনে হবে। কখনো পরিতৃপ্তি আসবে না। যতই পাবে তার চেয়ে বেশি পাবার প্রবণতা থাকবে। আজ সবই মিথ্যা বাহানা! 

তিল তিল করে বেড়ে ওঠা আম গাছটি যেভাবে একটা বড় গাছ হয়েছে তেমনি নুসরাত নিশাদের সম্পর্কটাও এভাবেই এত দূর চলে আসছে। নিজকে আর সংযত করতে পারিলাম না। নিশাদের শ্লোগানের সাথে তাল মিলিয়ে আমিও বলিলাম, আমিও নুসরাতের বিচার চাই। সমস্বরে সবাই  বলিয়া ওঠিল আমরাও বিচার চাই। আমরা মিছিল করিতে করিতে কলেজ গেইটে গিয়ে প্রত্যেকের ক্লাসে চলিয়া গেলাম। জানিনা এই পৃথিবীতে তার বিচার হবে কি না। কারণ এই পৃথিবীতে মানুষের মন ভাঙার বিচার হয় না। তবে একদিন বিচার হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265232/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 13:42:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিচার চাই<br />
নীরব মোস্তফা</p>
<p>ওয়াসীমুদ্দিন মুসলিম ছাত্রাবাসের পুকুর পাড়ের ১০২ নাম্বার রুমটিতে আমার বসবাস। গত বর্ষায় হলের জানালার পাশে একটি আমের বিচি রেখেছিলাম। কিছুদিন হল দেখিলাম এটা অঙ্কুরোদগম হয়ে পাতা ছড়িয়েছে। জানালার ফাঁক দিয়ে প্রতিদিন পানি দিতাম। গাছটি আস্তে আস্তে বড় হতে লাগিল। আমার খুব আনন্দ লাগিত। গাছটির প্রতি আমার ভালোবাসা জন্মাতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265232"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265232/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49915e0066dc3be3c774dda2575ce030</guid>
				<title>ধন্যবাদ গাদ্দার
- নীরব মোস্তফা

অতঃপর দুটি আঁখি বন্ধ হয়ে গেল। আর নিজকে সংযত রাখতে পারলাম না। চৈত্র মাসের পত্রঝরা সেগুন গাছের মত সব অভিমান বাদ দিয়ে বসন্তের আম্রকাননের মুকুল ফোটালাম। কিন্তু হায়! কে জানিত বসন্তের কোকিলের মত এসে বর্ষার অজ্ঞলি হবে। 

নিরীহ মাটিতে জন্ম দিয়েছি সচেতনতার বীজ। একবার নয় বারবার গাদ্দারীর ঘ্রাণ পেয়েছি। কিন্তু তুমি অধম তাই বলে আমি উত্তম হব না কেন। তিলে তিলে শিখেছি সব সহনশীলতা। নখের মত কেটেছি সব দুঃখ।মৌন উদ্ভিদের বীজ বুনেছি। পথ হারালেও হার মানে না মন। পরানের গহীন ভিতর ক্ষমার আওয়াজ পাওয়া যায়। 

কিন্তু ক্ষমা তুমি পাবে না। আমি তোমাকে মাফ দিলেও নিজকে কখনো ক্ষমা করতে পারবে না। আঁধারে আলো পাবে কিন্তু সে আলোতে বাতি জ্বলবে না। পথ খুঁজে নেবে আত্মহননের আর সব হবে কুঁয়াশা। মন ভরে তোমাকে অভিশাপ দিলাম। এক জীবনে তুমি সুখী হবে , খুব সুখী। 

বৃষ্টির জল আর কতটুকু কান্না মুছবে, বল?
যদি পুরো বৃষ্টির জলই অশ্রু হয় নিরবধি ।
আমার কাজল রাঙা চোখ যদি কখনো লাল হয় 
তুমি কখনো আক্ষেপ করবে না-
স্পর্শহীন স্পর্শ লেপ্টে থাকুক সারা শরীর জুড়ে
এলোথেলো হোক আমার চুল, হলে হোক অনেক ভুল
তবুও রূপকথার রাজ্যে একটি নব সূর্যের উদয় হোক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264229/</link>
				<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 03:34:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধন্যবাদ গাদ্দার<br />
&#8211; নীরব মোস্তফা</p>
<p>অতঃপর দুটি আঁখি বন্ধ হয়ে গেল। আর নিজকে সংযত রাখতে পারলাম না। চৈত্র মাসের পত্রঝরা সেগুন গাছের মত সব অভিমান বাদ দিয়ে বসন্তের আম্রকাননের মুকুল ফোটালাম। কিন্তু হায়! কে জানিত বসন্তের কোকিলের মত এসে বর্ষার অজ্ঞলি হবে। </p>
<p>নিরীহ মাটিতে জন্ম দিয়েছি সচেতনতার বীজ। একবার নয় বারবার গাদ্দারীর ঘ্রাণ পেয়েছি। কিন্তু তুমি অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264229"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264229/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6254abb1845f75c366c67e01c8ca3ac</guid>
				<title>নীরব মোস্তফা and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262135/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 04:57:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba89ba6a51b1bfdfa94ba18ff5b1136b</guid>
				<title>নীরব মোস্তফা and সোহেল রানা are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262132/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 04:22:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5b5f82f633518ee02f8c37189a918293</guid>
				<title>নীরব মোস্তফা and খালেদা আক্তার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261781/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Aug 2026 03:51:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">57278a752dee67d0c6f5f91960570716</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261716/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 20:13:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f968b3733fc1bc049c220519ea8f8c06</guid>
				<title>ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
মনের সাথে যুদ্ধের কবিতা আমি আর লিখবো না।

ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
বিখ্যাত লাইব্রেরীর বিখ্যাত ব‌ইগুলো পড়ে
জ্ঞান রাজ্যের জ্ঞান তৃষ্ণা মিটিয়ে নিব।

ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
আবদ্ধ জীবন থেকে জগৎটাকে ঘুরে দেখব
দুঃখগুলো বন্দি করে পাতালে পাঠাব।

ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
আমাদের সব দুঃখ জমা দেবো জাদুঘরে,
মাঝেমাঝে অপরিচিত শহরে হব ভবঘুরে।

ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
প্রেয়সীকে নিয়ে মধ্য রাতে প্যাডেল রিকশায় চড়ব
আর নগরের বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট গিয়ে কফি পান করব।

ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে
মা-বাবার মুখে দু মুঠো অন্ন তুলে দিব
ওরস্যালাইন গুলে দিব সময়ে সময়ে।

অবশেষে আমি ইহাকে পেয়েছি
এখন মা হাসপাতালে আর আমি ডিউটিতে।

একটি চাকরি পেলে 
নীরব মোস্তফা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261668/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 19:54:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে<br />
মনের সাথে যুদ্ধের কবিতা আমি আর লিখবো না।</p>
<p>ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে<br />
বিখ্যাত লাইব্রেরীর বিখ্যাত ব‌ইগুলো পড়ে<br />
জ্ঞান রাজ্যের জ্ঞান তৃষ্ণা মিটিয়ে নিব।</p>
<p>ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে<br />
আবদ্ধ জীবন থেকে জগৎটাকে ঘুরে দেখব<br />
দুঃখগুলো বন্দি করে পাতালে পাঠাব।</p>
<p>ইচ্ছে ছিলো একটি চাকরি পেলে<br />
আমাদের সব দুঃখ জম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-261668"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/261668/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">82932f47ebf43c93b6a0e698551de404</guid>
				<title>অভিযোগ অবসান 
নীরব মোস্তফা 

কোন এক বসন্তের বাতাসে
কৃষ্ণচূড়া গাছের আড়ালে থেকে
কোকিল মধুর কন্ঠে ডেকে ওঠবে
 আর বলে দেবে -
ওগো মোর প্রিয়তমা,
তোমাকে পেলে আর কিছু চাই না।

লাল বেনারসি আর কাচের রেশমি চুড়ি পড়ে, 
তুমি অপেক্ষার প্রহর গুনবে
সময় যে কাটবেই না।
মনের সাথে সন্ধি করে
আকাশের দিকে তাকিয়ে 
হাজার অভিযোগ করবে।

আর নয় দেরি-
তোমার পাশে এসে দাঁড়াবে
আর আনন্দের হিল্লোলে তুমি বলে ওঠবে
এতদিন কোথায় ছিলে?
চলো হারিয়ে যাই দূর নীলে।

হাজারো অপেক্ষার মাঝে
সেই অপেক্ষার হবে অবসান।
দূর দিগন্তে যাবে হারিয়ে
পৃথিবীর সকল অভিযোগ।
দুজন দুজনে একাকার হয়ে 
স্বর্গ সুখে হারিয়ে যাবে।
আর থেকে যাবে শুধু 
ভালোবাসার কাব্য আকাশে বাতাসে।

অপেক্ষার ভাজে ভাজে স্বপ্ন থাকে
আর সেই স্বপ্ন থেকেই ভালোবাসার গভীরতা আসে।
সেই গভীরতা থেকেই ভালোবাসার অমরত্ব আসে।
জানি বিশ্বাস হচ্ছে না,
হওয়ার কথাও না;
আমি যে এখনো অন্য আকাশে 
তোমার আকাশে এলেই সব পরিচিত মনে হবে।
মনে হবে জনম জনম একসাথে বেঁচে থাকি,
সোনালী রোদ্দুরে থেকে নীলিমার প্রান্তরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260794/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 14:02:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিযোগ অবসান<br />
নীরব মোস্তফা </p>
<p>কোন এক বসন্তের বাতাসে<br />
কৃষ্ণচূড়া গাছের আড়ালে থেকে<br />
কোকিল মধুর কন্ঠে ডেকে ওঠবে<br />
 আর বলে দেবে &#8211;<br />
ওগো মোর প্রিয়তমা,<br />
তোমাকে পেলে আর কিছু চাই না।</p>
<p>লাল বেনারসি আর কাচের রেশমি চুড়ি পড়ে,<br />
তুমি অপেক্ষার প্রহর গুনবে<br />
সময় যে কাটবেই না।<br />
মনের সাথে সন্ধি করে<br />
আকাশের দিকে তাকিয়ে<br />
হাজার অভিযোগ করবে।</p>
<p>আর নয় দে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260794"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260794/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>