Profile Photo

অনুভূতির ডাইরিOffline

  • onuvutir.dairi
  • اسلام عليكم ورحمةالله

    আমি যদি কখনো কন্যা সন্তানের পিতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করি, তবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হবে তাকে উত্তমভাবে লালন-পালন করা, তার মধ্যে হায়া, ঈমান, তাকওয়া ও সুন্দর চরিত্র গড়ে তোলা। কন্যা সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিয়ামত ও আমানত। পিতা হিসেবে আমার কর্তব্য হবে এই আমানতকে এমন একজন মানুষের হাতে অর্পণ করা, যে তার প্রতি ইজ্জত রক্ষা করবে, ভালোবাসবে, দ্বীনের পথে পরিচালিত করবে।

    আজকের সমাজে অনেক পিতা-মাতা মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে অর্থ-সম্পদ, আভিজাত্য, পদমর্যাদা আর চাকরির মর্যাদাকে প্রাধান্য দেন। অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের স্পষ্টভাবে শিক্ষা দিয়েছেন— “যখন তোমাদের কাছে এমন একজন যুবক আসে যার দ্বীন ও চরিত্র তোমাদের পছন্দ হয়, তবে তার সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করো। যদি তা না করো, তবে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও অশান্তি ছড়িয়ে পড়বে।” (তিরমিজি) । এ থেকেই স্পষ্ট হয়, বিয়েতে মূল বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে দ্বীন ও চরিত্র, ধন-সম্পদ নয়।

    অতএব, যদি কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যে, একদিকে দরিদ্র পরিবারের সন্তান কিন্তু দ্বীনদার, ঈমানদার এবং গাইরতমান ব্যক্তি, আর অন্যদিকে ধনী পরিবারের সন্তান কিন্তু গাইরতহীন, দ্বীনহীন ও চরিত্রহীন—তবে আমি নিঃসন্দেহে আমার কন্যার জন্য প্রথমজনকেই বেছে নেব। কারণ ধনসম্পদ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈমান, তাকওয়া ও গাইরতের মূল্য চিরন্তন।

    আমার কন্যা যদি ফকিরের ছেলের ঘরেও যায়, কিন্তু সেখানে ইজ্জত পায়, সম্মান পায়, দ্বীনদার পরিবেশে বেড়ে ওঠে, তবে সেটাই হবে তার জন্য প্রকৃত সুখ। কারণ সত্যিকারের সুখ নির্ভর করে সম্পদের প্রাচুর্যের উপর নয়, বরং অন্তরের প্রশান্তি, আল্লাহর প্রতি ভরসা এবং চরিত্রবান স্বামী-সংসারের উপর। অন্যদিকে, যদি সে কোটি টাকার মালিকের ঘরে যায়, কিন্তু সেখানে স্বামী গাইরতহীন হয়, দুনিয়ার মোহে মগ্ন থাকে, তাকে যথাযথ সম্মান না দেয়—তবে সেই ঘর কখনোই তার জন্য শান্তির নীড় হবে না।

    একজন মেয়ে তার স্বামী থেকে যা সবচেয়ে বেশি আশা করে, তা হলো ভালোবাসা, সম্মান ও নিরাপত্তা। আর এগুলো আসে তখনই, যখন স্বামী দ্বীনদার ও চরিত্রবান হয়। যে স্বামীর অন্তরে আল্লাহর ভয় নেই, রাসূল ﷺ এর সুন্নাহর অনুসরণ নেই, তার কাছ থেকে সত্যিকার সুখ আশা করা বৃথা। এমনকি সে যদি ধনসম্পদে ভরপুর হয়, তবুও তা সংসারে শান্তি আনতে পারে না।

    তাই আমি যদি পিতা হই, আমার প্রথম শর্ত হবে—আমার জামাতা যেন দ্বীনদার হয়। সে ধনী হোক বা গরিব, তাতে কিছু যায় আসে না। আমার দৃষ্টি থাকবে তার তাকওয়া, ঈমান, চরিত্র ও গাইরতের দিকে। আল্লাহর কাছে আমি এই দোয়া করব—তিনি যেন আমার কন্যার জন্য এমন জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করেন, যে তাকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে, তার ইজ্জত রক্ষা করবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে সংসার করবে।

    কারণ, দুনিয়া একদিন শেষ হয়ে যাবে। সম্পদ, আভিজাত্য সব মুছে যাবে। কিন্তু আমার কন্যার জীবনের প্রকৃত সফলতা হবে তখনই, যখন তার সংসার হবে ঈমান ও তাকওয়ার আলোকে গড়ে ওঠা একটি পরিবার। আর সেই পরিবার গড়ে তুলতে পারে কেবল একজন দ্বীনদার, গাইরতপূর্ণ পুরুষ।

    ان شاء الله

    اسماعيل حسين
    ইসমাঈল মজুমদার

    4
    1 Comment
    • বারবার ঈমান, তাকওয়া ও গাইরতের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাল নেই, তলোয়ার নেই,
নেই মোর গায়ে বল।
নারায়ে তাকবীরের কর্মী আমি,
এটুকুই মোর সম্বল।

Ismail Mozumdar

Ismail Hossain Mozumdar

  1. ইসমাঈল হোসেন মজুমদারের সম্পূর্ণ পরিচয়

পুরো নাম: ইসমাঈল হোসেন মজুমদার
ডাক নাম: ইসমাঈল
কলম নাম: ইসমাঈল মজুমদার
জন্ম: ২০০২ সাল, বাগচতল গ্রাম, মনোহরগঞ্জ থানা, কুমিল্লা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা: বাংলাদেশি
ধর্ম: ইসলাম

Visite Facebook Profile: Click Hear

আমার কবিতা শুনুন।

Page

Youtube Channel


শিক্ষা জীবন:


  • প্রাথমিক শিক্ষা: শরীফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।
  • পরবর্তী শিক্ষা: বিভিন্ন মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন এবং ২০১৪ সালে চিতাষি সুলতানিয়া ফাজিল মাদরাসায় ইবতেদায়ী চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন।
  • পরীক্ষার ফলাফল:
    • PSC: ২০১৬
    • JSC: ২০১৯
    • দাখিল: ২০২২
    • আলিম: ২০২৪

বর্তমান পড়াশোনা:

  • ফাজিল: চিতোষি সুলতানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
  • অনার্স: গাজীমুড়া কামিল মাদ্রাসা।

পারিবারিক পরিচয়:

  • পিতা: মরহুম বাহারুল ইসলাম মজুমদার (২০০৪ সালে ইন্তেকাল করেন) – তিনি ছিলেন একজন ইউনিয়ন সদস্য ও স্ক্রিম ব্যবসায়ী।
  • মাতা: রোকেয়া বেগম
  • ভাই-বোন: তিনি আট ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট।
    1. মরিয়ম বেগম লাভলী
    2. ওমর ফারুক সোহেল মজুমদার
    3. জান্নাতুল ফেরদৌস
    4. শিউলি
    5. শেফালী
    6. মাইমুনা আক্তার বকুল
    7. ইউসুফ হোসেন মজুমদার
    8. ইসমাঈল মজুমদার

পেশাগত জীবন:

  • তিনি একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ফ্রিল্যান্সার।
  • পাশাপাশি, সাহিত্য রচনায়ও তিনি সক্রিয়।

সাহিত্য ও লেখালেখি:

  • তিনি মূলত কবিতা, ছোটগল্প ও হাস্যরসাত্মক গল্প লিখে থাকেন।
  • তার লেখা কিছু জনপ্রিয় কবিতা ও ছন্দ:
    1. "আমারে দেখায়া লাভ নেই"
    2. "প্রিয়"
    3. "বড্ড ইচ্ছে করে"
    4. "কোথাও কখনো দেখা হয়নি তোমার ছবিটা"
    5. "বৃষ্টি বিলাস"
    6. দুই লাইনের প্রেমের ছন্দসমূহ
    7. বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরে তার লেখা আহ্বান

তার কবিতাগুলো প্রেম, বিরহ, বাস্তবতা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে লেখা হয় এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।


বিশেষ পরিচিতি ও জীবন দর্শন:

  • তিনি বিশ্বাস করেন, "যেকোনো কিছু সম্ভব, যদি কেউ আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে"।
  • সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার এবং লেখনীর মাধ্যমে মানুষের বিবেক জাগ্রত করার চেষ্টা করেন।
  • তিনি ইসলামী মোটিভেশনাল ভিডিও তৈরিতেও আগ্রহী।

সংক্ষেপে ইসমাঈল মজুমদার:

✅ কবি ও লেখক
✅ ফ্রিল্যান্সার ও গ্রাফিক ডিজাইনার
✅ সামাজিকভাবে সচেতন ব্যক্তিত্ব
✅ ইসলামী মোটিভেশনাল ভিডিও নির্মাণে আগ্রহী

Friends

Profile Photo
naznin shamim
@nazninshamim
Profile Photo
Hafizur Rahman shakil
@shakilahamed72gmail-com
Profile Photo
MD Al Arafat
@mdalarafat
Profile Photo
Shahriar Hossain
@shahriarhossain
Profile Photo
Asaduzzaman Asad
@asaduzzamanasad
Profile Photo
CEC for Training
@cecfortraining
Profile Photo
কবি ইমদাদ শাহ্
@d7d9622a148864d078eb915a7458eb8b
Skip to toolbar