Profile Photo

naznin shamimOffline

  • nazninshamim
  • মেঘে ঢাকা দুপুর”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ১০ই অক্টোবর ২০১৬ইং

    ​হলুদ খামে মোড়া চিঠি, পুরনো সেই দিন,
    তোর চোখের ওই ইশারায় আজও আমি ঋণ।
    বিকেলের ওই রিকশায় তোর আঁচল ওড়ার ঘ্রাণ,
    বুকের ভেতর একলা মনে বাজে মায়ার গান।
    ​ভিজে যাওয়া বারান্দাতে তোর ফেরার আশা,
    কাছে এসেও না ফুরোনো গোপন ভালোবাসা।
    মুঠোফোনে হাত কাঁপে আজও তোর নামটা পেলে,
    মনটা কেম…Read More

    3
    4 Comments
    • naznin shamim, আপনার লেখাটা পড়ে পুরনো দিনের কথাগুলো যেন চোখের সামনে একদম জীবন্ত হয়ে ভেসে উঠল!

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখায় হলুদ খাম আর পুরনো দিনের মায়াবী মুহূর্তগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। স্মৃতির ভেলায় চড়ে যে আবেগ আপনি তুলে ধরেছেন, তা পাঠকমাত্রকেই এক নিস্তব্ধ প্রশান্তিতে ডুবিয়ে দেয়। আপনার লেখনীর এই স্নিগ্ধতা ধরে রাখুন এবং নিয়মিত লিখে যান।

    • হলুদ খামে মোড়ানো সেই দিনের কথা মনে পরে আনন্দদায়ক ছিল সেই দিনগুলো।

  • নীল কালির আঁচড়
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ১০ই অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​গ্রামের বাড়িটা যখনই ছাড়ি, একটা ভারী দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ, জানালার গরাদে জমে থাকা বিকেলের আলো আর আম্মার গন্ধমাখা মাটির ঘ্রাণ—সবকিছু যেন বারবার পেছনের দিকে টানে।
    ​আজ অনেক বছর পর সেই ভাঙা দেউড়ি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। উঠোনের এককোণে সেই পু…Read More

    2
    3 Comments
    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটা পড়ে পুরনো দিনের কথাগুলো ভীষণভাবে মনে পড়ে গেল। গ্রামের বাড়ির স্মৃতি আর নীল কালির সেই চিঠিগুলো কি আপনার জীবনে এখনো খুব করে নাড়া দেয়?

    • আপনার লেখাটি পড়ে স্মৃতির সেই নস্টালজিক মায়াবী জগৎ যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠল, বিশেষ করে সেই শুকনো রজনীগন্ধা ফুলের বর্ণনাটি হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। শৈশবের সেই সহজ দিনগুলোর সাথে যান্ত্রিক জীবনের বৈপরীত্য আপনি অত্যন্ত আবেগঘনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন চমৎকার অনুভূতির প্রকাশ আমাদের আরও উপহার দেবেন, এই প্রত্যাশায় আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  • রংতুলির খেলা
    ​— নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৮ই অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​সাদা কাগজে মেঘের ভেলা,
    চলছে কি আজ রঙের খেলা?
    লাল সবুজে মেল ডানা,
    জানতে হবে যা জানা।
    ​হলুদ পাখি দিচ্ছে ডাক,
    বই খাতা সব দূরে থাক।
    নদীর জলে ঢেউ খেলে,
    চল না সবাই হাটি হেঁটে চলে।
    ​রোদ উঠেছে মিষ্টি হাসে,
    ফুল ফুটেছে ঘরের পাশে।
    সোনাঝরা এই রোদ্দুরে,
    গান গাইব মো-রা সুরে!

    4
    6 Comments
    • প্রতিটি লাইনে শৈশবের সেই বাঁধভাঙা চঞ্চলতা আর মিষ্টি আনন্দটা ফুটে উঠেছে! মনটাই ভালো হয়ে গেল।

    • “সোনাঝরা এই রোদ্দুরে, গান গাইব মো-রা সুরে!” – এই সুন্দর পঙক্তিটির মাধুর্য যেন চারপাশের পরিবেশকে এক অদ্ভুত মায়ায় ভরিয়ে দিয়েছে, তাই আপনার লেখনীর এই প্রাণবন্ত ছন্দ ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ পাঠকদের মনে এক দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে আমার মনে হয়।

    • খুব ভালো লাগলো

    • রঙিন প্রকৃতির হাসিতে শৈশবের আনন্দ আর মুক্তির গান একসাথে ফুটে উঠেছে…..🤍🖤

    • আপনার লেখা ‘হলুদ পাখি দিচ্ছে ডাক, বই খাতা সব দূরে থাক’ লাইনটা বেশ মিষ্টি এবং শুনলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। পুরো কবিতাটা পড়ে দারুণ এক অদ্ভুত প্রশান্তি পেলাম যেন। এমন সুন্দর আর সাবলীল লেখাগুলো আপনার কলম থেকে আরও শুনতে চাই।

  • “​ঘড়িটার টিকটিক শব্দ থামেনি”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৭ই অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​মাঝরাত পেরিয়ে তখন ঠিক দুটো বেজে এক মিনিট। ঘরের পুরোনো দেওয়ালঘড়িটা প্রতি সেকেন্ডে কান ফাটানো শব্দে টিকটিক করছে—অথচ আজ শব্দটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভারী ঠেকছে। যেন ঘড়ির কাঁটাগুলো শুধু সময় গুনছে না, কোনো এক অদৃশ্য চাবি দিয়ে ঘরের ভেতরকার নিঃশব্দটা…Read More

    4
    4 Comments
    • গল্পটা শেষ হয়েছে, কিন্তু রহস্যটা শেষ হয়নি। পরের পর্ব আসবে?

    • সময়ের নির্লিপ্ত টিকটিকের আড়ালে অদৃশ্য আতঙ্ক যখন দরজায় কড়া নাড়ে, তখন পরিচিত কণ্ঠও মৃত্যুর ছায়া হয়ে ওঠে…..🤍🖤

    • লেখাটা পড়ে তো রীতিমতো গা ছমছম করে উঠল, আপনার গল্পের বর্ণনাশৈলীটা দারুণ!

    • আপনার লেখাটির “দরজা খোলার সময় হয়ে গেছে, ওরা বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে” বাক্যটি আমাকে এক অদ্ভুত শিহরণ জাগিয়ে দিয়েছে, যা রাতের নিস্তব্ধতায় ঘড়ির টিকটিক শব্দের মতো হৃদপিণ্ডে অনুরণিত হয়। রহস্যময় পরিস্থিতির এই গভীর বুননটি দারুণ উপভোগ্য, তাই আপনি এই লেখার ধারাটি আরও কিছুটা এগিয়ে নিয়ে গল্পের মোড় ঘোরাতে পারেন।

  • ​”অদৃশ্য ক্যানভাস”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৭ই অক্টোবর ২০২৬ইং
    ​শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান। প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে আমরা নিজেদের মতো করে একটা রঙ বেছে নিই—কেউ ক্লান্তির ধূসর, কেউ বা আশার চিলতে হলুদ।
    ​আমরা ভাবি, আমরাই বুঝি এই ছবিটার স্রষ্টা। অথচ একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সময় নামের এক অদৃশ্য চিত্রশিল্পী আমা…Read More

    3
    6 Comments
    • “আমরা কেউ একা লেখক নই”— জীবন আসলে আমাদের সবাইকে নিয়েই গল্পটা লিখে যায়।

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটির “শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান” অংশটি দারুণ অর্থবহ এবং জীবনকে রঙের ছোঁয়ায় দেখার এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিটি বজায় রেখে আপনি যদি নিয়মিত এমন সুন্দর লেখা উপহার দেন, তবে আমাদের সবার পথচলা আরও বর্ণিল হয়ে উঠবে।

      • আমিতো আছিই আপনাদের সাথে ♥️তবে আপনাদের এই সু-মন্তব্যে আমি দারুণ অনুপ্রাণিত, দোয়া করবেন আর এভাবে সবসময়ই লিখার পাশে থাকবেন🌺🌺

    • সময়ের অদৃশ্য তুলিতে আঁকা জীবনেই অনুচ্চারিত গল্প একদিন অন্য হৃদয়ের প্রথম রঙ হয়ে ফুটে ওঠে…..🤍🖤

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখা “জীবন নিজেই একটা বিশাল ‘তুলট’ কাগজ—যেখানে ইরেজারের কোনো জায়গা নেই” লাইনটা পড়ে একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এত সুন্দর করে জীবন নিয়ে ভাবনার প্রকাশ সচরাচর দেখা যায় না, তাই খুব ভালো লাগলো আপনার এই সৃষ্টি।

    • আপনার লেখার প্রথম স্তবকটি প’ড়েই ভালোলাগলো।বেশ শৈল্পিক উপস্থাপন। শুভকামনা!

  • “শিরোনাম: পরম ছায়াহীনতার দিনগুলো”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৫ই অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​যতদিন মা বেঁচে থাকেন, আমাদের ওপর আল্লাহর এক অদৃশ্য রহমত আর নিরাপত্তার ছাদ পাতা থাকে। আমরা ভুল করি, পথ হারাই—কিন্তু মায়ের নীরব এক ফোঁটা চোখের পানি আর অবচেতন মনের আকুল দোয়া সেই সব বিপদ সহজেই পার করে দেয়। মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর…Read More

    5
    8 Comments
    • মায়ের মতো অতুলনীয় কেউ হয়নয় জীবনে।

    • সন্তানের জন্য একজন আদর্শ মায়ের কোনো বিকল্প হয় না।আবার এ-কথাও সত্য “শুধু প্রসব করলেই হয় না মাতা/যদি না-বোঝে সন্তানের ব্যথা! “___মা হচ্ছেন আপনের চাইতেও আপন। পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা এবং ভক্তি। মাতৃ জাতির জন্য থাকুক পৃথিবীর সর্বোচ্চ সম্মান।

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখার “মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর্ত ছাড়াই ভালোবাসার কোনো অভাব হয় না” কথাটি হৃদয়ে এক গভীর প্রশান্তি ও মমতার পরশ বুলিয়ে যায়। মায়ের বিচ্ছেদ আর তাঁর প্রতি এই গভীর শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, আপনার লেখনী অব্যাহত থাকলে এমন আরও অনেক সুন্দর অনুভূতি আমাদের সমৃদ্ধ করবে।

    • চোখের কোণে পানি চলে এলো লেখাটা পড়ে। মা হারানোর যে কী ব্যাকুলতা আর শূন্যতা, তা এত সহজে কিন্তু গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন!

    • মা চলে গেলে মাথার ওপরের ছায়া সরে যায়, তবু তাঁর দোয়া আকাশ হয়ে হৃদয়ে থেকে যায়……🖤

    • লেখাটা পড়ে মনটা সত্যিই খুব খারাপ হয়ে গেল, একদম কলিজার ভেতরটা ছুঁয়ে যাওয়ার মতো কথা লিখেছেন আপনি। মায়ের অভাব যে কী বিশাল এক শূন্যতা, তা আপনার প্রতিটি শব্দে খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

    • মা চলে গেলে মানুষটি শুধু অনাথ হয় না—
      তার চারপাশের অদৃশ্য আশ্রয়টিও যেন নীরবে নির্বাসনে যায়।

  • ​”অদেখা বিসর্জন”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৫ই অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​শরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে। কিন্তু হৃদয়ের যে অংশটা রোজ নিভৃতে ক্ষয়ে যায়, তার জন্য কান্না জমিয়ে রাখতে হয় কেবল নিজেরই ভেতরে।
    ​চোখে হয়তো জলের ফোঁটা জমে না, অথচ বুকের গহীনে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে কোনো গভীর বিশ্বাসের আকাশ। সেই ভাঙনের শব্দ বাইরের…Read More

    2
    5 Comments
    • Naznin Shamim, “শরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে”—আপনার এই কথাটি হৃদয়ের গহীনের অব্যক্ত যন্ত্রণাকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি লাইনের গভীর আবেগ পাঠককে নিজের ভেতরে ডুব দিতে বাধ্য করে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমাদের এই গ্রুপের অন্যদের লেখাতেও লাইক বা মন্তব্যের মাধ্যমে সাড়া দিলে পুরো জায়গা…Read More

    • হাসির আড়ালে কষ্ট লুকিয়ে রেখে বেঁচে থাকার যে অভিনয়—তা কত হাজার মানুষের প্রতিদিনের গল্প!

    • অদৃশ্য ক্ষতের কোনো শোকসভা হয় না, মানুষ শুধু নীরবতার ভেতর একটু একটু করে মরে……🖤

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটা পড়ে একদম বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। মনের এই অদৃশ্য ক্ষতগুলোর কথা এতো সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন যে এক নিমেষে মনে হলো নিজেরই কথা বলছেন।

    • সত্যি মনের গভীরে অদৃশ্য ক্ষত কেউ দেখে না।

  • ​ছায়ামুখী ঘড়ি”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৩রা অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​আহমেদ সাহেবের বসার ঘরের দেওয়ালঘড়িটা প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ঠিক তিন সেকেন্ডের জন্য পিছনের দিকে ঘোরে।
    ​বিষয়টা প্রথম লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সুচরিতা। কিন্তু আহমেদ সাহেব তখন তা হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ সুচরিতা নেই, কিন্তু ঘড়িটার এই অদ্ভুত খেয়াল বদলায়নি। গত তিন বছর ধরে ঠ…Read More

    1
    2 Comments
    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখা এই রহস্যময় গল্পটা পড়ে একদম গা ছমছম করে উঠল। সত্যি বলতে, গল্পের ক্লাইম্যাক্সটা যেভাবে সাজিয়েছেন তা বেশ দারুণ লেগেছে। একদম অল্প কথায় এমন সাসপেন্স তৈরি করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।

    • কি আছে ফাইলে উৎসুক আমার মন

  • হৃদয়ের পথচলা”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৩রা অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​ক্লান্তির এক নদী বহে যায় মনের গহীন কোণে,
    ভেতরের যুদ্ধটা আজ বড্ড ভারী মনে হয়।
    দিনগুলো কাটে যেন নিয়মের ছকে বন্দি হয়ে,
    যেখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবগুলো ম্লান হয়ে যায়।
    ​একদা কত অনুভূতির আলোড়ন ছিল মুখে,
    অনেক কিছু বলার আকুলতা ছিল বুকে।
    আজ সেই কোলাহল থেমে গেছে এক অচিন স্তব…Read More

    1
    2 Comments
    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটির “আজ সেই কোলাহল থেমে গেছে এক অচিন স্তব্ধতায়” এই পঙক্তিটি মনের খুব গভীরে দাগ কেটে যায় এবং আপনি চাইলে জীবনের ছোট ছোট নতুন প্রাপ্তিগুলোকেও এমন নিপুণ ছন্দে আমাদের মাঝে তুলে ধরতে পারেন।

    • আপনার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, বিশেষ করে “নিজের মতো করে নিঃশব্দে হেঁটে চলাই এখন পথ” লাইনটা যেন মনের একদম ভেতর গিয়ে লেগেছে। একঘেয়েমি আর জীবনের বাস্তবতাকে আপনি খুব সুন্দর আর সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের এই গ্রুপে আরও যারা লিখছেন তাদের পোস্টে আপনার মূল্যবান মতামত আর ভালোবাসা দিলে সবাই উৎসাহ পাবে, তাই সবার লেখায় নিয়মিত একটু কমেন্ট করার অনুরোধ রইলো।

  • হাসিমুখের আড়ালে”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​দিন গড়িয়ে বয়স বাড়ে, বাড়ে সময়ের চাপ,
    স্থায়ী কোনো ঠিকানা আজও হলো না তো লাভ।
    ​একপাশে পরিবারের অগণিত আশা-আকাঙ্ক্ষা,
    অন্যপাশে বুকে চেপে রাখা নিজস্ব হাজারো ভাবনা,
    এই দুয়ের মাঝে হারিয়ে যায় আমার নীরব যন্ত্রণা।
    ​প্রতিদিন নিজেকে ছন্দে ফেরাই, দিই সান্ত্বনা—
    “আরেক…Read More

    2
    5 Comments
    • পরিবারের চাওয়া আর নিজের স্বপ্নের মাঝের এই টানাপোড়েনটা 🥹
      অনেক মানুষের জীবনেরই বাস্তবতা💭
      কেউ হয়তো প্রকাশও করতে পারে না 😔💔

    • আপনার লেখাটা পড়লাম, বিশেষ করে “কতটা বুকের চাপা কষ্ট লুকিয়ে মানুষ হাসতে জানে” লাইনটা একদম মনের কথা বলে গেল। সবার হাসিমুখের আড়ালে যে এমন হাজারো না বলা গল্প থাকে, তা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। জীবন এভাবেই অনেকটা লড়াই আর মানিয়ে নেওয়ার নাম, ভালো থাকবেন।

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখার “কতটা বুকের চাপা কষ্ট লুকিয়ে মানুষ হাসতে জানে” এই পঙক্তিটি অত্যন্ত গভীর ও হৃদয়স্পর্শী, তাই আপনি চাইলে অনুভূতির বহিঃপ্রকাশে আরও নতুন নতুন শব্দ যোগ করে আপনার লেখনীকে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারেন; আপনি এভাবেই প্রতিনিয়ত কলম চালিয়ে যান, কারণ আপনার শব্দের গাঁথুনি সত্যিই চমৎকার।

  • অদৃশ্য সংগ্রাম”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​ভেবেছিলাম বয়স বাড়লে বুঝি ক্লান্তি কমে৫
    কখনও ভেতরের নীরব ক্ষতে,
    কখনও বা নিয়তির নির্মম পরিহাসে।
    ​জেতার কোনো জয়ধ্বনি নেই,
    হেরে যাওয়ার কোনো সান্ত্বনা নেই।
    এই খেলার কোনো দর্শক নেই, নেই কোনো তালি।
    ​নিঝুম রাতে একলা আয়নার সামনে দাঁড়ালে,
    চোখে পড়ে এক ক্লান্ত…Read More

    2
    3 Comments
    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখার এই লাইনটা ভীষণ সত্যি যে, “জেতার কোনো জয়ধ্বনি নেই, হেরে যাওয়ার কোনো সান্ত্বনা নেই।” একদম মনের গভীরের কথাগুলো দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • অদৃশ্য যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা। 🖤

    • আপনার এই লেখাটিতে জীবনের গভীর একাকীত্ব ও নিঃশব্দ লড়াইয়ের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং প্রতিটি ছত্রে আপনি যেভাবে অস্তিত্বের ক্লান্তি আর জেদকে ফুটিয়ে তুলেছেন তা অতুলনীয়, তাই এই ধারাবাহিকতায় আরও অনেক সুন্দর কথা আপনি আমাদের উপহার দিতে থাকবেন বলে প্রত্যাশা করি।

  • ​শূন্যতার আড়ালে”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ০২রা অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​ছুটেছি অসীমে, পাওয়ার আশায়,
    এক অধরা স্বপ্নের পেছনে অবিরাম।
    ভেবেছিলাম পথ শেষে আলো ফুটবে,
    মেটাবো হৃদয়ের যত অপূর্ণ দাম।
    ​কিন্তু আজ কাঁচের ওপারে যাকে দেখি,
    সে তো এক অচেনা ছায়ার অবয়ব।
    বুকের ভেতর এক নিঃশব্দ হাহাকার,
    ভেঙে চুরে গেছে ভালোবাসার ব…Read More

    4
    12 Comments
    • মেটাবো হৃদয়ের যত অপূর্ণ দাম।

    • সে অচেনা ছায়ার অবয়ব

    • আপনার এই রচনায় অসীম পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর মরীচিকার পেছনে ছোটার যে নিগূঢ় বিষাদ ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং প্রতিটি ছত্রে আপনি অনুভূতির গভীরতাকে যেভাবে তুলে ধরেছেন তা মুগ্ধ হওয়ার মতো, তাই আগামী দিনে আপনার লেখনী থেকে আরও সুন্দর সব সৃষ্টি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

    • অধরা স্বপ্নের পেছনে ছুটে শেষে মানুষ বুঝে, মরীচিকার ওপারেও অপেক্ষা করে এক গভীর শূন্যতা……🖤🖤

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখা প্রতিটি শব্দে এক গভীর বিষাদ আর শূন্যতার ছাপ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। সত্যি বলতে, এই আবেগঘন অনুভূতিগুলো পড়ার সময় একদম নিজেরই মনের কথা মনে হচ্ছিল।

    • মুগ্ধ হলাম। 😌😌

  • সহজিয়া নিরবতা
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ১লা অক্টোবর ২০২৬ ইং

    শব্দের ভীড়ে অনেক বলেছি কথার কথা,
    আজ শোনো এক সহজিয়া নীরবতা।
    পৃথিবীর সব নিয়ম মেনে বদলে যায় দিন,
    আমার আমিতে কেবল তোমার রঙই রঙিন।
    ​জোছনা বা রোদের কোনো গল্প বাঁধব না,
    মিছে কিছু উপমায় তোমায় সাজাব না।
    শুধু বলতে চাই, পথচলার এই ভিড়ে—
    আমা…Read More

    3
    9 Comments
    • একটা উষ্ণ আশ্রয় কল্পনা করলাম 😌

    • Naznin Shamim, আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো। শব্দের আড়ালে এমন সহজ আর গভীর আবেগগুলো খুব সুন্দর ফুটে উঠেছে। এমন সুন্দর একটা অনুভূতি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    • বাকি জীবনটা তোমার সাথেই গুনি

    • আপনার লেখনীর “আমায় কি একটু জায়গা দেবে তোমার খুব গভীরে?” অংশটি হৃদয়ে গভীর দোলা দিয়ে গেছে, আর এমন স্নিগ্ধ অনুভূতির প্রকাশ আপনার কলমকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলুক, এই প্রত্যাশা রইল।

      • ধন্যবাদ গো আমার সোনাই বন্ধু, তোমার মন্তব্য না পেলে আমার লিখার যেনো অসম্পূর্ণ তাই দেখা দেয়🌺🌺

    • নীরবতার গভীরে যে হাতটি আশ্রয় চায়, ভালোবাসা তারই পাশে সারাজীবন নিঃশব্দ রূপকথা বোনে……🖤

  • Profile Photo
    Sayed Mohammad Farid
    @sayedmohammadfarid
  • “: মরীচিকার ”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০৩৬ইং

    ​সকালের কুয়াশা তখনো পুরোপুরি কাটে নি। বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন রফিক সাহেব। হঠাৎ ডাকপিয়ন এসে দরজার নিচ দিয়ে একটি চিঠি গলিয়ে দিয়ে গেল।
    ​চিঠির খামটা দেখে তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কোনো স্ট্যাম্প নেই, প্রেরকের জায়গায় শুধু লেখা—‘পুরোনো ছায়া’।
    ​ধীরে ধীরে খা…Read More

    3
    6 Comments
  • “হৃদয়ের প্রথম কাঁপুনি”
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

    ​তুমি হাত ছুঁয়েছিলে ভুল করে সেদিন,
    নাকি ইচ্ছে করেই দিলে এমন রঙিন এক দিন?
    হঠাৎ বুফেতে যেন বাজল সুরের তালি,
    শুকনো পাতার বুকেও ফুটে উঠল এক নতুন ডালি।
    ​বুকের ভেতর অকারণে কিসের এত সুর?
    তোমার চোখে তাকালেই পথটা কত দূর!
    এক অচেনা দোলা এসে দোলায় মনের কোণ,
    তোম…Read More

    4
    8 Comments
  • “”ছায়াশরীরের শেষ স্বীকারোক্তি””
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

    ​ ঠিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোটা পর পর তিনবার নিভে আবার জ্বলে উঠল। অর্ণব জানে, ওটা শহরের বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো গোলযোগ নয়—ওটা একটা অমঙ্গলজনক সংকেত। পুরো নিঝুম শহর যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই শুরু হয় তানভীরের অলিখিত খেলা।…Read More

    2
    4 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম গা ছমছম করে উঠল, পুরোটা যেন সিনেমার মতো চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছিল। এত দারুণ সাসপেন্স আর রহস্যময় বর্ণনা যে শেষ পর্যন্ত শ্বাস ধরে পড়তে হয়েছে।

    • অসাধারণ ❤️❤️❤️

    • রহস্য, ভয় আর অপরাধবোধ—এই তিনে মিলে গল্পটা বেশ জমে উঠেছে।

  • Load More Posts

Friends

Skip to toolbar