<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Khandakar Fazlul Karim Rabby | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rabbyml/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rabbyml/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Khandakar Fazlul Karim Rabby.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 18:01:06 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ebaa158dba842e88db90dbca01bb0000</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and আশ্রাফুজ জামান তানবীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/132093/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 18:46:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2144eb23cc2218b7fb94b9fcd8d44e7</guid>
				<title>গহিনের অতল (গান)
ফজলুল করিম রাব্বী
===================================

১ টাকার, শক্ত কাগজের -
ছাপ মারা  লম্বা টিকিট,
লোকাল ট্রেনের -
পাট্টা কাঠের বেঞ্চ,
৫ পয়সার কাঠি ওয়ালা
রঙ্গিন লেবেন চুস,
দৌড়ে নেমে পরা,
কসবা’র সেই  ছোট্ট রেল ষ্টেশন।

ভূলতে --- চাই,
ভূলতে --  পারি না,
তোমার সাথে হেটে যাওয়া-
সেই পরন্ত বিকেল।।

ডায়রীর পাতা ঢেকে দিয়েছে ধূলি --
তবুও বারে বারে ফিরে আসে
পুরানো সেই গহিন অতলের স্মৃতি,

তেমার সাথে রাগ-অভিমান
ছেরে ফেলে ছড়িয়ে দেয়া আসবাব
মধুময় কিছু কিছু খুনশুটি,
ভুলে গেছ সব তুমি
ভূলতে পারিনি আমি --- ।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/22458/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Jul 2021 15:06:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গহিনের অতল (গান)<br />
ফজলুল করিম রাব্বী<br />
===================================</p>
<p>১ টাকার, শক্ত কাগজের &#8211;<br />
ছাপ মারা  লম্বা টিকিট,<br />
লোকাল ট্রেনের &#8211;<br />
পাট্টা কাঠের বেঞ্চ,<br />
৫ পয়সার কাঠি ওয়ালা<br />
রঙ্গিন লেবেন চুস,<br />
দৌড়ে নেমে পরা,<br />
কসবা’র সেই  ছোট্ট রেল ষ্টেশন।</p>
<p>ভূলতে &#8212; চাই,<br />
ভূলতে &#8212;  পারি না,<br />
তোমার সাথে হেটে যাওয়া-<br />
সেই পরন্ত বিকেল।।</p>
<p>ডায়রীর পাত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-22458"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/22458/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">58ece61a659fd6ca8d6f3e76b6ed811f</guid>
				<title>ইচ্ছেগুলো ছুঁইতে পারি না
ফজলুল করিম রাব্বী
=================================

ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি,
বাহির থেকে দেখতে পাই শুধু
ছুইঁতে পারিনা যে।
ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি।
ইচ্ছে বতায়নে একটি আশার পাখি
আসা যাওয়া করে,
ধরতে গিয়ে ধরতে পারিনা
যায় সে উড়াল দিয়ে।
ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি
বাহির থেকে দেখতে পাই শুধু
ছুঁইতে পারি না যে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/22456/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Jul 2021 14:54:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইচ্ছেগুলো ছুঁইতে পারি না<br />
ফজলুল করিম রাব্বী<br />
=================================</p>
<p>ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি,<br />
বাহির থেকে দেখতে পাই শুধু<br />
ছুইঁতে পারিনা যে।<br />
ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি।<br />
ইচ্ছে বতায়নে একটি আশার পাখি<br />
আসা যাওয়া করে,<br />
ধরতে গিয়ে ধরতে পারিনা<br />
যায় সে উড়াল দিয়ে।<br />
ইচ্ছেগুলো আমার কাঁচের দেয়ালে বন্দি<br />
বাহির থেকে দে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-22456"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/22456/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">206bc80961cea20d60cdfceb3268c37c</guid>
				<title>।। কবিতার শব্দ নাই ।।
।।  ফজলুল করিম রাব্বী ।।
***********************************
কি লিখবো আর কবিতা ?
খেটে খাওয়া শ্রমীকের মুষ্ঠির মধ্যে,
ঘরে থাকা ক্ষুদার্ত শিশুর চোখের জলে
আটকে গেছে আমার কবিতা।

কোন শব্দগুচ্ছ আনবো বল, আমার কবিতায় ?
প্রখর রোদে, উত্তপ্ত পথে
ঠেলা ঠেলে নিয়ে যাওয়া
ঘামে ভিজা শ্রমিকের, ফোসকা পরা
পায়ের পাতার নীচে
লেপটে সেপটে যায়, 
আমার কবিতার শব্দ গুলা।।

কি শব্দ ব্যবহার করবো
আমার কবিতায় ?
হাড়িতে ভাত নাই,
ঘরেতে নাই বাজার, 
অসহায় বাব - মা,
তাকায় চোখে চোখে।

কোন বাক্য দিয়ে আমি লিখবো কবিতা
এক বেলা খেয়ে, দুবেলা না খেয়ে,
কিম্বা দুই দিনে, একবার খেয়ে,
বেঁচে থাকে যে, কিশোর টা !

কোন শব্দ মালায় সাজাবো বল
আমার কবিতা।
যৌতুকের দাবী মিটাতে না পেরে,
অত্যাচারে জড়জরিত হয়ে,
গলায় ফাঁস লাগিয়ে মরে যাওয়া
যুবতি বধুটির কথা।

কি লিখবো আর কবিতা ?
অসহায় পিতা,
অসহায় মাতা,
অসহায় ভ্রাতা,
রোগে, শোকে, অপথ্যে
ভোগে ভোগে, মরে যাওয়া
হাজারো মানুষের কথা ।

কি লিখবো আমি আমার কবিতা,
নিঃস্তব্দ স্কুল, শ্রেণী কক্ষ
ঘাসে আগাছায় ছেয়ে যাওয়া,
খেলার মাঠ-পায়ে চলা পথ।
তাড়িয়ে বেড়ায়না রঙিন প্রজাপতি
কোন দুরন্ত শিশু, বাগানের ঘাসে।
রাস্তার ধারে, দেয়না আড্ডা আর
কোন বেকার যুবক
গলির পান দোকানটায়-
এসে বলেনা, একটা পান দাও
পাড়ার অবসরে থাকা কোন বয়স্ক মুরুব্বি।

পাড়ার মোড়ের ছোট্ট টং দোকান টার
চকলেটের বোয়াম টা খালি প্রায়।
দৌড়ে দৌড়ে আসে নিতে কোন শিশু
একটা চকলেট কিম্বা ললিপপ।

থেমে গেছে থমকে গেছে ঐ খানে
আমার কবিতার শব্দ
বাক্য গুলি সব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21763/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 19:28:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।। কবিতার শব্দ নাই ।।<br />
।।  ফজলুল করিম রাব্বী ।।<br />
***********************************<br />
কি লিখবো আর কবিতা ?<br />
খেটে খাওয়া শ্রমীকের মুষ্ঠির মধ্যে,<br />
ঘরে থাকা ক্ষুদার্ত শিশুর চোখের জলে<br />
আটকে গেছে আমার কবিতা।</p>
<p>কোন শব্দগুচ্ছ আনবো বল, আমার কবিতায় ?<br />
প্রখর রোদে, উত্তপ্ত পথে<br />
ঠেলা ঠেলে নিয়ে যাওয়া<br />
ঘামে ভিজা শ্রমিকের, ফোসকা পরা<br />
পায়ের পাতার নীচে<br />
লেপটে সেপটে যায়,<br />
আমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21763"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21763/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a0b0b7b6a6499152b495e8fa6fa40bbe</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and মো: মাসুম মিয়া are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21617/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 12:08:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a8fe6e6072df4ca27e293ae69b55e7f</guid>
				<title>নদী আর চোখ
ফজলুল করিম রাব্বী
*********************************

এখানে কোন নদী নাই
এখানে কোন নদী নাই
আছে দুইটি চোখ।
এখানে হয়না কোন জোয়ার ভাটা
তবুও ঝরে অঝর ধারায় জল।
এখানে কোন নদী নাই
নাই কোন সাগরের অতল,
তবুও কল কল করে
কান্নার কল কলানী রব।
এখানে কোন জলপ্রপাত নাই
এখানে কোন জলপ্রপাত নাই
তবুও ছলছলিয়ে নিঃশব্দে ঝরে যায়
কিছু অগোছালো দুঃখ-শোক,
তুমি আমায় যতই দুঃখ দাও
তুমি আমায় যতই দুঃখ দাও,
বলবোনা কারো কাছে,
তোমার বিচার চেয়েছি আমি
আরশ-জমিনের মালিকের কাছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21514/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 05:50:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নদী আর চোখ<br />
ফজলুল করিম রাব্বী<br />
*********************************</p>
<p>এখানে কোন নদী নাই<br />
এখানে কোন নদী নাই<br />
আছে দুইটি চোখ।<br />
এখানে হয়না কোন জোয়ার ভাটা<br />
তবুও ঝরে অঝর ধারায় জল।<br />
এখানে কোন নদী নাই<br />
নাই কোন সাগরের অতল,<br />
তবুও কল কল করে<br />
কান্নার কল কলানী রব।<br />
এখানে কোন জলপ্রপাত নাই<br />
এখানে কোন জলপ্রপাত নাই<br />
তবুও ছলছলিয়ে নিঃশব্দে ঝরে যায়<br />
কিছু অগোছালো দুঃখ-শ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21514"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21514/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f72769f65e706192b3311bb914fce778</guid>
				<title>এক জোড়া চোখ
ফজলুল করিম রাব্বী
----------------------
পুরোনো রেল স্টেশনের 
শ্বেত শ্বেতে প্লাটর্ফম।
ভাঙ্গা হাতলের পুরোনো
কাঠের বেঞ্চ
তোমার অপেক্ষায়
বসে বসে দেখি ঘড়ির কাটা।
নামবে তুমি লোকাল ট্রেন থেকে
তাই, অপেক্ষায় দুচোখ
খুঁজে দরজায় আর জানালায়।
তোমার নামার পর
তুমি নামার পর
কোন দিন হয় কি কোন কথা ?
শুধু তোমায় দেখে দেখে,
দুচোখ ভরে নিয়ে
বাতাসে তোমার শরীরের ঘ্রাণ নেয়া।
তারপর, 
তারপর দৌড়ে প্লাটর্ফম
পেরিয়ে কিছুটা পথ তোমার পিছু হাটা,
এরপর, এরপর, পরের দিনের
বিকেলের অপেক্ষায়
রাত জাগা।
তুমি, ফালতু ভেবনা
আমার ভালোবাসাটা,
বুঝাতে পারি না
তাই চেয়ে চেয়ে
দুচোখ জুড়িয়েে
এক অব্যক্ত প্রেমের
অম্রিত শোধা পান করা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21513/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 05:43:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক জোড়া চোখ<br />
ফজলুল করিম রাব্বী<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
পুরোনো রেল স্টেশনের<br />
শ্বেত শ্বেতে প্লাটর্ফম।<br />
ভাঙ্গা হাতলের পুরোনো<br />
কাঠের বেঞ্চ<br />
তোমার অপেক্ষায়<br />
বসে বসে দেখি ঘড়ির কাটা।<br />
নামবে তুমি লোকাল ট্রেন থেকে<br />
তাই, অপেক্ষায় দুচোখ<br />
খুঁজে দরজায় আর জানালায়।<br />
তোমার নামার পর<br />
তুমি নামার পর<br />
কোন দিন হয় কি কোন কথা ?<br />
শুধু তোমায় দেখে দেখে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21513"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21513/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">595fb10ee0af3092cd63a76e39ca9de2</guid>
				<title>তুমি আর আমি
ফজলুল করিম রাব্বী
=====================================

আমার রক্ত ধ্বমনিতে বয়ে চলে কিছু দুঃখ দুঃখ কনিকা,
শিরা উপশিরায়, লাল গাড় তরলের সাথে জমাট বাধেে
আঘাত আর উপেক্ষা বঞ্চনার জ্বালা।।

তোমার তোমাকে আবিস্কার করতে যেয়ে 
ভূলে গেছি আমার আমি কে।
তুুমি এতই দূরের তুমি,
যেন, মনে হয় তুমি আমার সেই
হৃদয়বাসি দূরের মানুষ”
শুধু অনুভবে দেখি মাঝে মাঝে
যায় না ছুঁয়া, যায় না ধরা।

অন্তরের গহিন গহিনে 
খেলছ তুমি
ডুব সাতারের খেলা।
তুমি তোমার, আমি আমার
তোমাকে তবুও যায় ভুলা।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21507/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 05:39:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি আর আমি<br />
ফজলুল করিম রাব্বী<br />
=====================================</p>
<p>আমার রক্ত ধ্বমনিতে বয়ে চলে কিছু দুঃখ দুঃখ কনিকা,<br />
শিরা উপশিরায়, লাল গাড় তরলের সাথে জমাট বাধেে<br />
আঘাত আর উপেক্ষা বঞ্চনার জ্বালা।।</p>
<p>তোমার তোমাকে আবিস্কার করতে যেয়ে<br />
ভূলে গেছি আমার আমি কে।<br />
তুুমি এতই দূরের তুমি,<br />
যেন, মনে হয় তুমি আমার সেই<br />
হৃদয়বাসি দূরের মানুষ”<br />
শুধু অনুভবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21507"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21507/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4885133ac81bcdcc9a1cc2cad88a1077</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Monzurul Haque are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20817/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 12:11:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b92b661b28756130fcdab47eb82315d4</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and মো আসিফ মাহমুদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20795/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 10:39:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63eb69ab862464b31f39ce2c9cf9c713</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20794/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 10:39:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ff787a82b0eb2f0bb7719da356c896c</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and কে,এম, আশিকুল আলম রিজন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20788/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 10:22:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a94ec3b77a38d6dddc695d0d15c0dc7c</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and সঞ্জিত তির্কী কাব‍্যিক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20780/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 09:49:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5018083133d25efe237bca5ace285d6e</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Munif Muhtasim are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20779/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 09:32:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8ca1cb5d6489becb8f5c070ccce9d1b</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and মো দানিয়াল আরাফাত (প্রমিস) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20772/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 09:12:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b71e790c0bbd841d48ef71dd6ecb47fa</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Alauddin Ahmed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20770/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 09:00:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6cbd64d7694c8af28d913ea3a24c347</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20767/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 08:13:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">803654eae90e0068647d752028bcd42c</guid>
				<title>মাছ ধরার জিন
খন্দকার ফজলূল করিম রাব্বী 
******************************
গ্রামের অনেক আছে যারা শখ করে রাতের বেলায় মাছ ধরতে যায়। তেমনি দুজন গৃহস্থ ছিলেন যারা প্রায় রাতেই বিলে মাছ ধরতে যেত। বিশেষ করে শীত কালে নদীতে পানি থাকে কম। তখন এই দুজন গৃহস্থ রাতে মাছ ধরার জন্য বিলে যায়। এই দুজনের একজননের নাম হাফিজ আর একজনের নাম কফিল। হাফিজ একটু অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থ। কিন্ত কফিল কম অবস্থা সম্পন্ন। তবে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল অনেক গভীর। দুজন বাস করতো গ্রামের দুই পাড়ায়। একজনের বাড়ি থেকে আর একজনের বাড়ি ছিল বেশ খানিক টা দূরে। তার পরে ও একজন আর এক জনকে ছাড়া মাছ ধরতে যেত না।

হাফিজের বাড়িটা ছিল গ্রামের উত্তর প্রান্তে। আর কফিলের বাড়িটা ছিল গ্রামের পশ্চিম দক্ষিণ কোনায়। তাছাড়া হাফিজের বাড়ির পাশ দিয়েই বিলে যেতে হতো। তাই কফিলের একটা বারতি কাজ ছিল। তাহল ফজরের আজানের আগে উঠে এসে হাফিজকে ডেকে তোলা। এভাবে অনেক দিন ধরেই তারা মাছ ধরে আসছে। এই রকম একদিন তারা দুজন যুক্তি করল মাছ ধরতে যাবে।

হাফিজ বলল, পাশের বিলেতো অনেক দিন মাছ ধরি এবার চল টাকরার বিলে মাছ ধরতে যাই। ঐ বিলের শিং গুলি খব সাদের হয়।

এই কথা শুনে কফিল বলল, হ দোস্ত আমারও একবার মনে হইছিল টাকরার বিলের কথা। কিন্তু ঐ বিলে রাতে মাছ ধরতে যাওয়ার সাহস হয় না। নানা আজগুবি কথা শুনি।

হাফিজ বলে, দুর তুমিও এসব বিশ্বাস কর নাকি। দুজনে তো কত কঠিন কঠিন কাম করে ফেলালাম। টাকরার বিলতো কোন ব্যাপারই না। কিচ্ছু হবে না। চল একদিন যাই।

আচ্ছা, কবে যাবা, হাফিজের কথা শুনে কফিল সাহস করে রাজি হয়। 

কথা হয় আগামী কাল রাতে হাফিজকে এসে কফিল ঘুম ভাঙ্গাবে। একথা বলে যে যার বাড়ি চলে যায়। এর মধ্যে আর একদিন। পরদিন তারা আর কারো সাথে কেউ দেখা করে না। গ্রামের অন্য কেউ যাতে বেশ এটা না জানে সেদিকে ও তারা খেয়াল রাখে। কারন কফিল আর হাফিজের মাছ ভাগ্য খুব ভাল তাই তাদের দুজনের সাথে মাছ ধরতে যাবার জন্য অনেকেই যেতে চায়। কিন্তু তারা গ্রামের আর কাইকেই তাদের দলে ভিরায় না। যাক পর দিন কথা মত কফিল হাফিজকে ডাকবে। এই চিন্তা করে হাফিজ তার বৌকে বলে রাখে মাছ ধরার সরঞ্জাম যেন ঘুছিয়ে রাখে। কথা অনুযায়ি হাফিজের বৌ সব গুছিয়ে রাখে ঠিক ভাবে।

হাফিজ ঐ রাতে একটু আগেই শুয়ে পরে। বৌ কে বলে রাখে, কফিল এসে ডাক দিলে যেন হাফিজকে ডেকে দেয়। হাফিজের বৌ হাতের কাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পরে। রাত গভির হয়। হাফিজ আগে আগে ঘুমানোর কারনে মনে করে রাত হয়তো ভোর হয়ে এসেছে। তাই এ কাত ও কাত করতে থাকে। আর মনে মনে চিন্তা করে কফিলটা এখনো কেন আসছে না। আজানের আগে না গেলে মাছ ধরে আরাম নাই। যেই ভাবা এমনি বাইরে থেকে কফিল তাকে ডাক দেয়।
কফিল, এই হাফিজ দোস্ত ওঠ। তারা তাড়ি যেতে হবে। টাকরার বিলতো অনেক দূরে। একটু আগে আগে গেলে ভাল হবে।

কফিলের ডাক শুনে হাফিজ উঠে পরে। বৌকে বলে, দরজা লাগিয়ে দাও আমি গেলাম। বলে ই হাফিজ মাছের জাল, ডোলা নিয়ে বেরিয়ে পরে। তারাহুরায় হারিকেন নিতে ভুলে যায়। উঠানে এসে দেখে কফিলও দাড়িয়ে আছে। দেখে কোন কথা জিঙ্গাস করে না। হাফিজ খালি বলে ঠিক সময় মতই তুমি এসে পরছ দেখছি। আমি খুব দুরচিন্তার মধ্য ছিলাম তুমি যদি দেরী কর।

কফিল বলে, হ একটু দুরের বিলতো আগে না গেলে মাছ পওন যায়না। পা চাইয়া হাট। 

হাফিজের কাদে জাল থাকায়  একটু পিছে পরে যায়। তার পরও কফিলের সাথে সে তাল মিলায়ে ই চলে। আইজ মনে হয় শীত একটু বেশী পরছে। বলে হাফিজ।

কফিল কোন কথা বলে না।

তুমি একটু আস্তে হাট। এত তাড়া তাড়ি হাটছ কেন? বলে হাফিজ।

কফিল তাও জোরে হাটে। হাফিজ বলে ডোলাটা একটু ধর। কফিল কোন কথা বলে না। হাফিজ আবার জিজ্ঞাস করে তোমার কি বেশী শীত লাগছে। এবার ও কফিল কোন কথা বলে না। হাফিজ বুঝতে পারেনা। কি হয়েছে। কফিল কথো বলেনা কেন। অন্য দিনতো হাফিজ চুপথাকে কফিল খালি বক বক করে, আজ আবার কি হল। হাফিজ একটু জোরে হেটে কফিলের কাছে আসতে চায়। কিন্তু হাফিজ থেকে কফিলেল দুরত্ত্ব কিছুইতে কমাতে পারে না। হাফিজ বলে কফিলতো কোন দিন এত জোরে হাটে না। তাছাড়া আমার হাত থেকে জালাটা তার হাতে নিয়ে নিত আজ ওর কি হল। টাকরার বিলে যাবার জন্য ও রাজি হয়নি। আমি জোর করার সে রাজি হয়েছে। এই জন্যই কি মন খারাপ। তাহলে থাক ওর সাথে কথা বলে লাভ নাই। বরং বিলে যাই মাছ ধরা শুরু করলে, আপনা আপনি ঠিক হয়ে যাবে। 

দুজনেই হাটতে থাকে। হাটতে হাটতে বিলের কাছে চলে আসে। এসেই কফিল পানিতে নেমে যায়। হাফিজ বলে আরে আগে আগে নামলা কেন। জালডা গুছায়া লই। 

হাফিজের কথা না শুনে কফিল নদীর মাঝে চলে যায়। বলে, এই দিকটায় আস, পানি কম আছে মাছও বেশী পাবা। হাফিজ কফিলের কথা মতো নদীতে নামতে যায় কিন্তু পরক্ষণেই থেমে যায়। একি কফিলের পাতো পানির নিচে নাই এত পানি তারপরও ওর মাত্র হাটু পানি। এটা কেমন করে হয়। হাফিজ বিষয় টা কিছুটা আন্দাজ করতে পারে। তাই আর পানিতে নামে না। 

কফিল তাড়া দেয়, কই তুমি নামলা না।

হাফিজ বলে, তুমি নাম আমি একটা বিড়ি খইয়া লই। 

এদিকে হাফিজকে বিড়ি মুখে দিতে দেখে কফিল বুঝে যে, ও তো এখন আগুন ধরাবে। তাহলেতো ওর গায়ের রূপ দেখে ফেলবে তাই সে তাড়াতারি বলে এখন বিড়ি খাবা। আরে কয়েটা খেও দিয়া লও।

হাফিজ ভাবে সে কি কথা বিড়ি না খেলে শরীর মেজ মেজ করে। তাছাড়া তুমিওতো প্রদিন বিড়ি খেয়েই পানিতে নামত্ েআজ বিড়িটিড়ি খাবা না। 

কফিল বলে, না তুমি খাও।

হাফিজ মনে মনে ভাবে, আইজ বিড়ি খাবানা। বুজলাম, কি করা যায়, পইরাতো গেছি টাকরার বিলের টকরার হাতে। কেমনে রক্ষা পাই। তোমারে খবর লওয়াই তাছি। বলে বিড়ির পেকেট ছিড়ে বিড়ি মুখে দেয়। উদ্দেশ্য আগুন দরালে হয়তো বয়টা কেটে যাবে এবং কফিল বেশী টাকরাটা চলে যাবে। সেই কথা মনে করে। কিন্তু বিধি বাম ভুলে সে ম্যাচ আনে নাই। হায় এখন উপায়, ভাবত ভাবতে হাফিজ একটা বুদ্ধি বের করে। বলে আমি একটু পায় খানা করে আসি তুমি এখানেই থাক। খুব পায়খানা চাপছে। বলেই সে নিজে কে একটু আরালে নিতে চায়। কিন্তু কফিল বলে বেশী ধুরে যাওয়ার দরকার নাই এখানেই করে ফেল।

হফিজ বলে, এখানে আবার করে কিভাবে। তুমি নাম না এইতো আমি কাজ শেষ করেই আসতাছি। বলেই ও কাছ থেকে একটু সরে গিয়ে জাল টাল ফেলে বাড়ির দিকে দেয় এক লম্বা দৌড়। দৌড়ে কিচু দূরে গিয়ে পিছন ফিরে দেখে কফিল আবার তাকে দাওয়া করল কিনা। দেখে যে, না এখনও টের পায়নি তাই আর সে দেরী করে না। এক দৌড়ে বাড়ির পথে। হাফা হাফাতে এসে ঘরের দরজায় টোকা দেয়। ডাকে বৌ, বৌ দরজা খুল। 

বৌতো অবাক, আরে তুমি বিলে গেলে, মাছ ধরা শেষ। 

হাফিজ বলে, হ, দরজাটা খুল।

বৌ দরজা খোলে, হাফিজ ঘরে ঢুকে। বৌও যাতে ভয় না পায়। বলে, শীত করতেছেতো তাই, চইলা আইলাম। কেউ আমারে ডাকলেও দরজা খুলবি না। সকালে কফিল আইসা মাছ দিয়া যাইবো। বলেই হাফিজ শুয়ে পরে। 

এদিকে আসল কফিল আসে, ফজরের আজান এর আগ মুহূর্ত। হফিজকে ডাকে হাফিজ কোন জবাব দেয় না। হাফিজের বৌ ঘরের ভিতর থেকে বলে, কে

কফিল, বাইরে থেকে বলে, বাউজ আমি কফিল, দোস্তরে একটু ডাইকা দেন।

হাফিজের বৌ বলে, কেন ?

কফিল বলে, আইজ কথা ছিল টাকরার বিলে মাছ ধরতে যামু।
হাফিজের বৌ বিষয়টা বোঝতে পারে না, কফিলকে জিজ্ঞাস করে কেন, আপনে আপনার ভাইয়ের লগে মাছ মারতে যান নাই।

কফিল বলে, নাতো
হাফিজের বৌ বলে, কি কন এই সব। ওনিতো এই মাত্র আইয়া শুইল। কইল, সকালে নাকি আপনে আইয়া মাছ আর জাল দিয়া যাইবেন।

কফিল আশ্চর্য হয়ে যায়, কি কন ভাবী, আমিতো মাত্রই আইলাম। মাইনে কি।

মাইনে কিছুনা, ’উনি আইজ মাছ ধরতে যাইব না। আপনারে কইছে বাড়ি যাইতে।

আইচ্ছা ভাবি, কি হইছে দোস্তর কি শরীর খারাপ। এই দোস্ত, বাইরে আইয়। আর না হইলে ভাবীরে বল দরজা খুলতে আমি ঘরে আই।

হাফিজ বৌকে বলে, কোন মতেই দোয়ার খুইল না। কইয়া দেও সকালে আমি নিজে ওর বাড়ি গিয়া দেখা করুম নে তখন সব বলুল।

এই কথা শুনে কফিল বলে, না আমারে তোমার বলতেই হইব। আমি আর বাড়ি গেলাম না। একটু পরে আজান দিব। এহন গিয়া শুইলেই ঘুমাইয়া পরাম। তার চেয়ে তোমার ঘরের উলনাত বইয়া থাকি। তুমি ঘুম থেইক্কা উঠলে তোমার কারন জাইনাই ঘরে যামু। কফিল হাফিজের ঘরের দাওয়ায় বসে থাকে।

ফজরের আজান হয়। তারও অনেক পরে হফিজ উঠে। বের হয়। দেখে কলি ঘরের বেরায় হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে আছে। ভয়ে কাছে যায় না। হাফিজ তার বৌকে ডাকে। বৌ আসে। হাফিজ তার বৌকে বলে আগুন আনতে। বৌ আগুর আনে। হাফিজ আগুন নিয়ে গিয়ে কফিলের কাছে যায়। কফিলের শরীরে লাগাবে এমনি কফিল ধরমর করে জেগে উঠে। হাফিজের বৌ চিৎকার দিয়ে উঠে। পারার লোক এসে জরো হয়। সবাই বলা বলি করতে থাকে দুই দোস্ত এত মিল অথচ একজন আর একজন কে আগুন লাগিয়ে পুড়ে ফেলতে চাইছে। কি রহস্য। অনেকে আবার ঘটনাটিকে অন্য দিকে নিয়ে যেতে চাইল। 

গ্রামের এক বয়ষ্ক লোক এগিয়ে এসে ঘটনা জানতে চাইল। হাফিজ রাতে ঘটনা বলল। সবাই শুনেতো অবাক। বয়স্ক লোকটি বলল হাফিজ তুমি যে বেচেঁ আইছ এটা অকেন বড় কথা। জগরা কইর না। এতে কফিলের ও কোন দোষ নাই। তোমাই ভুল তুমি রাত কত হইছে আন্দাজ করতে পার নাই। তাছাড়া তুমি যে কথা ঠিক বলছ তার প্রমান কি।

হফিজ বলে প্রমান আমার জাল, আমার জালতো, ঐ বিলের পারে রাইখা আইছি। চলেন আমার লগে। হাফিজের কথা শুনে, গ্রামের সবাই ছুটল বিলের ধারে। গিয়ে দেখে যেখানের জাল সেখানেই আছে। 

এটা টাকরার কাজ। এই বিলে দিনেই কেউ মাছ ধরতে আইয়ে না। তোদের সহস কমনা। রাতে মাছ ধরতে আই ছিলা। আর কোন দিন এই কাম কইর না। 

গ্রামের মুরুব্বি বলল, আমরা এই বিলে মাছ ধরতে আইতাম দল বাইন্দা। মশাল, বাতি জ্বালাইয়া। একলা আইলে এরকম হইবই।

কফিল এসে হাফিজকে জরাইয়া ধরে, দোস্ত, তোমার কোন হইলে আমি ঠিক হাটফেইল করতাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20754/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 07:27:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাছ ধরার জিন<br />
খন্দকার ফজলূল করিম রাব্বী<br />
******************************<br />
গ্রামের অনেক আছে যারা শখ করে রাতের বেলায় মাছ ধরতে যায়। তেমনি দুজন গৃহস্থ ছিলেন যারা প্রায় রাতেই বিলে মাছ ধরতে যেত। বিশেষ করে শীত কালে নদীতে পানি থাকে কম। তখন এই দুজন গৃহস্থ রাতে মাছ ধরার জন্য বিলে যায়। এই দুজনের একজননের নাম হাফিজ আর একজনের নাম কফিল। হাফিজ একটু অবস্থা সম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20754"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20754/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f93c6a774389a659c28c34c94490085a</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20719/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 06:37:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7408f488e3ea1fb3d01414a830952733</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20715/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Jul 2021 06:25:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">793b8daf45cecdccb398d14ac7ff6e4f</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20599/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:37:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">39aa6f8d192cc909fbf14b19e5f9b5aa</guid>
				<title>লাশের নাচন
খন্দকার ফজলুল করিম রাব্বী
*************************

চাচা বাড়ী এলেই আমরা ছোটরা ঘিরে ধরতাম গল্প বলার জন্য। চাচাও বানিয়ে বানিয়ে নানা ধরনের মজার মজার গল্প শুনাতেন। চাচার গল্প শুনে মনে হত বাস্তবেই ঘটেছে আর চাচা সেখানে নিজেই উপস্থিত। চাচা পুলিশের চাকরি করতেন। চাচার কর্মক্ষেত্র ছিল সিলেটের কোন এক এলাকায়। হাউড় আর বিল ছিল বেশী। কাজের চাপে চাচা প্রায়ই চাকরী ছেড়ে দিতেন। আর চাকরী ছাড়ার ব্যাপারে তিনি খুব সুন্দর গল্প বলতেন। আমার দাদী এগুলি শুনে সব সময় বলতেন ”কামচুরাডা কামের ডরে এই সব মিথ্যা বানোয়াড গল্প বলে, তোরা ওর কথা কানে নিশনা”। দাদী যাই বলুক আমাদের কাছে কিন্তু চাচার গ্রহণ যোগ্যতা ছিল। বিশেষ করে তার মজার গল্পের জন্য। সেই রকম কিছু গল্প আমার মনে পরে।


একবার বাড়ীতে টেলিগ্রম এল চাচা খুব অসুস্থ। টেলিগ্রাম পেয়েই দাদা চলে গেলেন তাকে দেখোর জন্য। দাদা গিয়ে দেখেন আসলেই অসুস্থ। কি অসুখ কেউ বলতে পারে না। চাচার সহকর্মীরা দাদাকে বললেন আপনি যখন এসেছেন কয়দিন থাকেন দেখি কিছুটা ভাল হয়কিনা। দাদা প্রায় এক সপ্তা ছিলেন। আমরা বাড়ীতে সবাই খুব উদভিগ্ন ছিলাম। সাতদিন পর দাদা এবং চাচা দুজনই বাড়ী এলেন। দাদা এসেতো খুব রাগারাগী। আমরা ছোটরা কিছুই বুঝতে পারিনি। কি কারনে এই রাগারাগী হচ্ছে। পরে আমরা চাচার কাছ থেকে এই রাগা রাগীর বিষয়টি গল্প আকারে শুনেছি। চাচা এবার যে গল্পটি আমাদের শুনালেন তা খুবই ভয়ের এবং মজার।


চাচা, চাচার একজন সহকর্মী এবং চাচর অফিসের বড় অফিসার হাউড় এলাকায় নাকি গিয়েছিলেন একটা খুনের মামলার তদন্ত করতে। সেখানে গিয়ে তারা একটা আট টুকরা মানুষের লাশ পেলেন। গ্রাম বাসির ভাষ্যমতে এটি জিনের কাজ। জিন নাকি এই গ্রামে আরো অনেক লোক কে এই রকম মেরে ফেলেছে। কিন্তু স্থানীয় চেয়ার ম্যান এবং এলাকার বিশিষ্ট্য জনের মতে এটি একটি পরিকল্পিত খুন। চেয়ারম্যানকে কোন একটা কেসে ফসানোর জন্য তার বিপক্ষরা এইটা করেছে। পুলিশের লোক হিসাবে চাচা, পুলিশ অফিসার, এবং চাচার সহকর্মী তিনজনেরই দ্বায়ীত্ব হয়ে দাড়িয়েছে, এই খুনের সঠিক কারণ বের করার। এটা যে জিনের কাজ নয় তা প্রমান করার। অফিসারতো কোন মতেই এটাকে খুন ছাড়া অন্য কিছু মানতে পারছেন না। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে লাশের সনাক্ত করা নিয়া। লাশের সবই আছে কিন্তু লাশের মাথাই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। সমস্ত পরিচয়ই মানুষের চেহারার মধ্যে। অথচ সেই মাথাই সাথে নাই।


চাচার বর্ননায়।


এই অবস্থায় আমার বড়কর্তা হতাস হয়ে পড়লেন। কি করা যায় ভাবতে ভাবতে তিনি এক বারে চিৎকার চে চা মেচি করে সমস্ত গ্রামের মানুষদের অস্থির করে ফেলেন। আমি ওনার সাথে কোন কথাই বলতে পারছিলাম না। চেয়ারম্যানতো মাথায় হাত দিয়ে, নিঃশ্চুপ একটা গাছের নিচে বসে আছে। মুখে তার কোন খথাই নাই। সাধারণ মানুষ ভয়ে একদম মুখ খুলতে নারাজ। এর মধ্যে এই ভির ঠেলে এক পাগল এসে হাজির। পাগল এসেই সুজা বড়কর্তার পায়ে ঝড়িয়ে ধরল। আমাদের বড়কর্তা আবার পাগল দেখলে ভয় পায়। সে চেয়ার ছেড়ে দিল এক দৌড়। পাগলও তার পিছু পিছু ধাওয়া করল। বড় কর্তার শরীরটা ছিল একটু ভাড়ী। সে দৌড়ে আর তাল সামলাতে পারল না। কিছু দূর গিয়েই চিৎপটাং। পাগলও তার উপরে পরে আর কি। আমি এবং আমর সহকর্মী দৌড়ে গিয়ে পাগলকে থামালাম। পাগল কিছুইতে থামবেনা। স্যারের এই অবস্থা দেখে চেয়ারম্যান এসে তাড়াতাড়ি করে সামনে দাড়ায়। গ্রামের মানুষতো এই পাগল দেখে ভয়ে পালিয়ে গেল। তারা নািেক এই পাগলকে এর আগে এই এলাকায় দেখেনি। তারা বলে এটাই সেই জিন। এখন মানুষের বেেেশ এসেছে। কেউ মুখের কথা বললেই তার ঘার ভেঙ্গে রক্ত চুষে খাবে। গ্রামের মানুষ যার যেমনে জান নিয়ে পালাল।

  
পাগলকে রশি দিয়ে একটা গাছের সাথে বাধা হল। স্যার আর কাছে আসে না। চেয়ারম্যানের বৈঠকখানার ভিতরে গিয়ে দড়জা বন্ধ করে জানালা দিয়ে। দেখছেন আমরা কি করি। 
আর বলছেন, ওরে এখন থেকে নিয়ে যাও। 

পাগল বলে, আমি তোর সাথে কথা নাবলে এখান থেকে এক পাও নরব না। ’তুই একটা সিগারেট দে, তোর সিগারেট টা টানতে টানতে তোর সাথে কথা বলবো। আমি কে জানিস, আমি এ এলাকার প্রেসিডেন্ট। আমোরে দেইখা তুই স্যালুট দেস নাই, তোর সাথে কথা না বলে আমি যামুনা। তুই বাইর হইয়া আয়। আমারে বাইন্দু রাখবি কতক্ষণ। একদিনতো ছাড়া পামু তখন তোর খবর লইয়া লামু। ইত্যাদি।


স্যারতো ভয়ে আর ঘর থেকে বের হয় না। চেয়ারম্যান পাগলের কাছে আসে

  
বলে, তুই যা বলার আমার কাছে বল। কি বলতি চাস বল আমি তাইনেরে বলমু।

  
এই কথা শুনে পাগলতো আরো ক্ষেপে যায়। না ভাষায় বকা বাকি শুরু করে। 
এই চেয়ারম্যান তুই আমার কাছে আইবি না। চোরা চেয়াম্যান দুই নম্বর চেয়ারম্যান। গম মাইরা খাস, আমার কাছে আইবি না।

  
এসব শুনে চেয়ারম্যান ও আর পাগলের কাছে আসে না। এখন মহা বিপদ হয়ে দাড়াল। স্যার ও আেেস না, পাগল ও কথা বলে না। সে কি বলতে চায়। এদিকে বেলা গরিয়ে যাচ্ছে। হাওড় অ ল, সন্ধ্যা হলে আর থানা সদরে ফিরা যাবে না। ভাবনায় পরে গেলাম। কিছু সময় পরে সহকর্মীর সাথে পরামর্শ করে স্থির কলাম রহস্য উদঘাটন করতে হবেই। কি করা যায়। পাগলের কাছে গেলাম। আমারে দেখেতো এমন ক্ষেপা ক্ষেপল পারলে আমাকে কাচা খেয়ে ফেলে।


তুই আইবি না। বিড়ি খওরা। মুখে বেতাছিড়া গন্ধরে বাবা। আইলে তোরে কারাই দিমু। যাই হোউক সাহস করে দুজনে মিলে কাছে গেলাম। চেয়ারম্যান আবার দুজন চৌকিদার ডেকে আনল। আমরা চারজন পাগলের কাছে গেলাম। পাগল কিছুটা নরম হল। এদিকে চেয়ারম্যানের এক কাজের লোক এসব দেখে এগিয়ে এল। সে বলল। ওর গাজার নোশা পাইছে। খারান ওরে একটা কলকি সাজাই দেই। সে একটা কলকি সাজিয়ে আনল। এইটা দেখে পাগল কিছুটা সান্ত্ব হল। কিন্তু ওর হাত বাধা হওয়ায় কলকি ধরতে পারছে না। চেয়ারম্যানের কাজের লোক কলকিটা তার মুখে ধরল। পাগল মনে সুখে কয়েকটা টান দিল।

  
টান দিয়ে বলল, আমার হাত খুইলা দে ভালা কইরা সুকটান দেই। কাজের লোক তার হাত খুলতে যাচ্ছিল, এমন সময় ভিতর থেকে স্যার চিৎকার করে বলে, হাত খুলবেনা।


স্যার কথা শুনে কাজের লোকটা থেমে গেলে। পাগল স্যারের দিকে তাকিয়ে জোর গলাল বলতে লাগল, ’তোরা লাশের কেল্লা পাবি কই, আমি ই জানি এই কেল্লা কই আছে।’ আমার কাছে আয় তোরে সন্ধান কইয়া দেই। এই কথা শুনে আমি এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাস করলাম আমাকে বল, আমি স্যার কে বলে দেই। পাগল বলে ’ না তোরে বলা যাবে না, তোদের স্যারকেই বলব।


এই কথা শুনে আমি স্যারের কাছে গিয়ে বললাম, ’স্যার ওর কাছে মনে হয় ভাল কোন তথ্য পাওয়া যেত পারে আপনি একবার কথা বলেই দেখুন না।


স্যার বললেন ’তুমি বলছ, ও সব বলতে পারবে। 

আমি বললাম মনে হয় স্যার। 

আমার কথা শুনে স্যার বলল আচ্ছা ’আমি ওর কাছে যাচ্ছি, তোমরা সাথে থেকো।

 আমি বললাম আচ্ছা। আমরা দুজন আছি।

 স্যারকে ঘর থেকে বের করে আনলাম। স্যার আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলেন। আমরা স্যারে পেছনে। পাগল বলল তোর আসবি না। আমরা থেমে গেলাম। পাগলের কাছে গিয়ে স্যার দাড়ালেন। আমরা একটু দুরে দাড়িয়ে থেকে দেখলাম। স্যার পাগলের সামনে গিয়ে লম্বা করে এক শ্যালুট দিলেন। আমরা একে অপরের দিকে তাকালাম। ব্যাপার কিছু বুজতে পারলাম না। স্যার এই পাগলকে কেন শ্যালুট দিচ্ছে। স্যারের কি আবার মাথাটা খারাপ হয়ে গেল ? অল্লাহই জানে। স্যার একদম পাগলের মাথার কাছে কান নিল। তারপর কিছু সময কি শুনল। আমাদের দিকে এগিয়ে এল মুখটা গম্ভীর চেয়ারম্যানের কাছে গেলেন, আমাকে এবং দুজন চৌকিদারকে ডাকলেন। আমরা কাছে গেলাম। 


স্যার চেয়ারম্যান কে বললেন চাটাই জোগার করতে। আমার সহকর্মীকে বলেন লাশের কাছে থাকতে এবং চাটাই এলে লাশ বেধে ফেলতে। আমাকে, দুজন চৌকিদার কে বললেন তার সাথে যেতে। আমরা কোন প্রশ্ন করলাম না। যন্ত্রের মতো কাজ করতে লাগলাম। স্যার সাথে গ্রামের কয়েকজনকে ও সাথে নিলেন। স্যার আগে আমি পিছে। দুই চৌকিদার আর কয়েকজন গ্রামবাসী আমাদের পেছনে।


স্যার চৌকিদারকে বললেন একজন আমার সামনে যাও বিলের যেখানে বড় বট গাছ আছে সেখানে যেতে হবে। একজন চৌকিদার সামনে গেল। আমরা হাটতে শুরু করলাম।


 এদিকে বিকাল গরিয়ে প্রায় সন্ধ্যা দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিলের মাঝা মাঝি চলে এসেছি। এসেই চুক্ষুস্থির। বিলের মাঝে বিশাল একটা গাছ। ডাল পলা এমন ভাবে ছড়িয়ে বিশাল জায়গা দখল করেছে। শ্বাসমূল এমন ভাবে গাছের চতুদিকে জন্মেছে যে আসল গাছ কোনটি তা বুঝা মুশকিল। স্যার গিয়ে গাছের নীচে দাড়ালেন। দাড়িয়েই জুড়ে একটা নিঃশ্বাস টানলেন। আমাকে আর একজন চৌকিদার কে নিয়ে এদিক সেদিক কি যেন খুজতে লাগলেন। আমরা তো অবাক যে স্যার পাগল দেখে ভযে দৌড়ে গিয়ে ঘরে আশ্রয় নিল সেই কিনা। এখানে এই নির্জন বিলের মধ্য এত সাহসী। পাগল কি মন্ত্র দিয়ে দিল। কোন কিছুই ভাবতে পারছি না। স্যার যা বলছে তাই করছি।


এদিকে গ্রাম বাসি যারা আমাদের সাথে এসেছিল দুরে দাড়িয়ে না রকমের ভয়ের গল্প বলতে ছে। স্যার সেদিকে কোন কান দিচ্ছেন না। কি যেন খুজতেছে। স্যারের হাতের ওয়াকি টকি দিয়ে আবার কথাও বলছে। সারাদিন ওয়াকি টকিতে কোন আয়াজ হয়েছে বলে মনে হয়না। এখন কোথ থেকে কথা আসে। একটা ভয় আর সংঙ্কা আমর মনে বার বার উকি মারছে। মনে মনে ভয়ই পাচ্ছি। কোন মামলার কেসরে বাবা। তদন্ত করতে এসে বাপের কষ্টের টাকায় বড় করা জান টা না হাড়াই। স্যারকেই এখন ভয় করছে কিরে ভাই কোন আসর টাসর নাকি। এই সব যখন ভাবছি তখনই স্যারের ডাক শুনতে পেলাম তোমরা এদিকে এসো। আর গ্রামবাসী আপনারা চতুরদিক থেকে এলাকাটা ঘিরে ফেলুন। খুনি যাতে পালাতে না পারে। গ্রামবাসীরা এতখন দুরে দাড়িয়ে ছিল। স্যারের কথা শুনে স্যারের দিকে এগিয়ে গেল। আমরাও গেলাম।

  
গিয়ে যা দেখলাম তা এক আশ্চর্য দৃশ্য। তোরা শুনলে ভয় পাবি। 

না না আমরা ভয় পাব না তুমি বল। আমরা সবাই চেপে ধরলাম। চাচা আবার শুরু কললেন।


আমরা গিয়ে দেখি গাছের খুরুরের ভিতর থেকে দুটি চোখ দেখা যায়। মনে হয় জিবীত মানুষ গাছের খপরির ভিতর থেকে চেয়ে আছে।

  
লাশের মাথা আবার খুপরির ভিতরে গেলে কিবাবে। আমি জিজ্ঞাস কলাম।


সেটাইতো সবার কথা। আমরা গাছটাকে ভাল করে পরিক্ষা করলাম। নিচে বা সাইড দিয়ে কোন মতে কেউ হয়তো ভিতরে ফেলে দিয়েছে। তাও সম্ভব না কারণ গাছটার নিচে কোন বড় ধরনের ছিদ্র নাই। আবার কেউ যদি উপর দিয়েও ফেলে তবে মাথাটা এমন ভাবে সমান সমান হয়ে বসতো না। এটা খারপ উদ্দেশ্যে যারা খুন করেছে তারা পরি কল্পিত ভাবে এটা করেছে। যাতে গ্রামের মানুষদের কে বুকা বানাতে পারে। সবাই যাতে এটাকে ভুতের কান্ড মনে করে। যাক এবার স্যার এসে বললেন কি করা যায়। এই মাথা কিভাবে এখান থেকে উদ্ধার করা যায়। এভাবে সবাই চেয়ে দেখলে হবে না একটা কিছু উপায় বের করতে হবে। দা কুড়ার কিছু একটা নিয়ে আসুন। এই কথা শুনে সবাই খালি এ ওর মুখের দিকে তাকায়।

  
স্যার জোড়ে একটা ধমক দিলেন। কি আজব এলাকারে বাবা, একটা লোক কথা শুনে না। এই মানুষদের কি দিয়ে বানিয়েছে। স্যার এবার রাগের মাত্রা আরো বারিয়ে দিয়ে বললেন, ’আপনারা যদি আমেদের সহায়তা না করেন তাহলে সমস্ত গ্রামের মানুষকে বেধে থনায় চালান করে দেব। তখন সুর সুর করে সব খবর বেড়িয়ে আসবে। আপনারা কি চান। হাজত খাটতে না হাজত না খাটতে।
স্যারের ধমক খেয়ে একজন দৌড়ে গিয়ে একটা কুড়াল নিয়ে এল। আর একজন একটা দা। কিন্তু দা হল কুড়াল হল কে গাছের ছিদ্র করবে। কেউ রাজি না। গ্রামের মানুষ বলে এই গাছে যে দা-কড়াল লাগোবে সেই নিঃবংশ হযে যাবে। সেই ভয়ে কেউ গাছের ধারেকাছেও ঘেষ না। উপায় অন্ত না দেখে স্যার বলেন ’আচ্ছা, গাছ কাটতে হবে না। আপনাদের মধ্যে কে কে গাছে চড়তে পারেন হাত তুলেন ?
গ্রামবাসী বলে আমরা গ্রাও গেরামের লোক সবাই কম বেশী গাছে উটতে পারি কিন্তু এই গাছে কেউ চড়বে না। কারন এটা আসর ধরা গাছ। এটাতে যেই চড়বে পরে মারা যাবে।


সবাই যখন এই নিয়ে কথা বলছে আর কে কাটবে কে গাছে চড়বে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। হঠাৎ দেখা গেলে গাছের খুপরির ভিতরে আরো দুটি চোখ দেখা যায়। তবে সেই চোখ নারা চরা করছে। মোট চারটা চোখ। এ দেখে গ্রামবাসী চিৎকার চেচামেচি শুরু করে দিল হায হায়, জিন এসে গেছে পালাও। যে যেদিকে পারছে দৌড়ে পালাতে লাগলো। আমি গাছের খুপরির দিকে একনজর তাকিয়ে চোখ বন্ধ করে অন্য দিকে তাকিয়ে রইলাম। আর গাছের দিকে তাকাই না।

  
তাকালাম একটা ধাক্বা খেয়ে। দেখি আমার সহকর্মী দৌড়ে এসে আমর উপর পরছে। তার পিছন পিছন চেয়ারম্যান, তার পেছেনে চেয়ারম্যানের কাজের লোক। স্যার পাগলাতো দড়ি খুলে পালাইছে। আমাদেরকে লাঠি দিয়া বাইরাইয়া জখম বানাইছে। এখন কি করি। ওরে ধইরা ভালা কইরা হাত কড়া লাইলেই ভাল হত। এই দেখেন আমার কপালডা ফুলাইয়া ফালাই ... আর শেষ করতে পালনা। একদম হা হয়ে গাছের দিকে তাকিয়ে রইলেন।


আমরাও তার দৃষ্টি অনুসরন করে গাছের দিকে তাকলাম। আচানক ব্যপার, সেই পাগলা। কাটা মুন্ডটি নিয়ে গাছের খুপরি থেকে নেমে ঠিক স্যারের সামনে। মাথাটি সে এমন ভাবে তার মাথার সাথে ধারেছে, দেখলে মনে হয় একজন মানুষের দুটি মাথা।


আমি একবার তাকিয়ে আমার সহ কর্মীকে জড়িয়ে ধরলাম। সেও আমাকে জড়িযে ধরে পরে গেলাম। আর আমরা আশ্চর্য হচ্ছিলাম স্যারের কান্ড দেখে। সে স্যার পাগল দেখে দৌড়ে পালিয়ে ছিলেন সেই স্যার এখন পাগলের সাথে ব›দ্ধুত্ব করে ফেললেন ? এটা কি করে সম্ভব। আমরা দুজন একজন আরেক জনকে বলাম যদি এখান থেকে ফিরে যেতে পারি তাহলে চাকরী ছেড়ে পলাব।


তারপরই কি পালিয়ে এল চাচা, আমাদের টুকুটা প্রশ্ন করে বসল।

  
চাচা বলল না, আরো ঘটনা আছে। এই তো মাত্র শুরু।


আরো ঘটনা, বল শেষ কর, আমার আবার ঘুমে ধরেছে। আমাদের সোনালী তাগদা দিল।


চাচা আবার শুরু করলেন, সে আরেক মঝার কান্ড, চেয়ারম্যান যে হা করলেন, তার হা আর বন্ধ হয়না। তাকে নিয়ে সবাই টানা টানি। কেউ হাত টিপছে, কেউ শরীর টিপছে। কারণও আছে যে লোকটি খুন হয়েছে সে নাকি চেয়াম্যানের দুর সম্পর্কের আত্মিয়। এতক্ষণ মাথা ছিলনা, তাই চিনতে পারেননি। এখন চিনেছেন আর তাই বাক রোদ্ধ হয়েগেছে। কোন কথা নাই। তাছাড়া পাগল যে ভাবে মাথা নিজের মাথার সাথে লাগিয়ে গাছের খুপরি থেকে বের হচ্ছিল তা দেখে রিতিমোতো আমরা সবাই ভয় পেয়ে গিয়ে ছিলাম। যাক সে কথা সবাই ধরা ধরি করে চেয়ারম্যানকে বাড়ীর দিকে নিয়ে চলল। 
আমরা স্যারের কাছে গিয়ে দাড়ালাম। পাগলকে দেখলাম পশের কলাগাছ থেকে কলা পাতা আর কলার খোর দিয়ে মাথাটা বেধে ফেলেছে। স্যার একজন চৌকিদারকে ডেকে পাগলের হাত থেকে মাথাটা নিতে বললেন। পাগল চৌকদারের হাতে দিতে চাইল না। স্যার আমাদে ডাকলেন। আমি হাত বারিয়ে মাথাটা নিলাম।


স্যার আমাদেরকে হাটতে বললেন। আমরা হাটা শুরু করলাম। একটু গিয়ে আমরা স্যারের জন্য থামলাম। স্যার চিৎকার দিয়ে বললেন তোমরা থেমোনা হাট। আমি আসছি। তাও আমরা পিছনে তাকালাম। দেখি স্যার কি করে। দেখি স্যার সেই পাগলের সাথে হাত মিলাচ্ছেন। বিদায়ের সময় স্যার আবার তাকে স্যালুট দিচ্ছেন। আমি আমার সহ কর্মীর দিকে তাকালাম। আমাদের দুজনের চাওয়া চাওয়ী দেখে চৌকীদার দুজন হাসল। তাদের হাসি দেখে আমরা ও হেসে উঠলাম। হাসি থামল স্যার কন্ঠস্বর শুনে। তোমরা হাসছ কেন ? ফিরে দেখি স্যার আমাদের পিছনে। আর পাগল গাছের গোরায় দাড়ানো। এদিকে সন্ধ্যা নেমে এসেছে।


স্যার নিজে থেকেই বললেন, পাগল নাকি রাতে এখানেই থাকে। এটাই ওর আবাস স্থল। তাই সে এল না। কৌতহল নিয়ে আমি পেছনে ফিরে তাকালাম এই বিলের মাঝে কোন লোকজন নাই হউক সে পাগল একা থাকে ? মনের মধ্যে কেমন যেন একটা মুছড় দিয়ে উঠল। প্রকাশ কলাম না।


আমরা চেয়ারম্যানের বাড়িতে এলাম। লাশের সাথে মাথাটা ঠিক মত মিশানো হল। ঘারের একটা টুকরা পওয়া যায়নি তাই ঠিক মিলছিলনা। পরিচয় পেয়ে গ্রাম শদ্য মানুষ এসে হাজি। সে আরেক মহা সমাবেশ। সবাই খালি কাদে। এই লোকটা নাকি খুই ভাল ছিল। বাজারে দোকান চালাতো। সম্পর্কে চেয়ারম্যানের চাচাত ভাই। চেয়ারম্যানের পরামর্শ দাতা ছিল সে। সামনে নির্বাচন, তাই চেয়ারম্যানকে জব্দ করার জন্য প্রতি পক্ষরা একাজ করেছে। এটা চেয়ারম্যানের সমর্থকদের বক্তব্য। তবে প্রতি পক্ষের পালটা অভিযোগ চেয়ারম্যান তাদেরকে ফাসানোর জন্য এই কাজ করেছে। সে যাই হোক তোরা আসল গল্প শুন। এগুলি তোদের না জানলে ও হবে। মূল ঘটনাটা, অর্থাৎ আমার অসুস্থ হবার ঘটনা এবং চাকরী ছাড়ার ঘটনা শুন।


সরাদিন এইসব নিয়ে হুরাহুরি করে আমার সাখের সহকর্মী একেবার অসুস্থ হয়ে পরল। এখন লাশের সাথে কে যাবে। স্যার সিধান্ত দিল আমাকে লাশের সাথে যেতে হবে। সাথে থাকবে দুজন চৌকিদার আর লাশ বহন করার জন্য দুজন লেবার। আমরা যখন পথে নামি তখন রাত প্রায় নয়টার মত হবে। শীতের রাত আশপাশের গ্রাম গুলি নিরব হয়ে আছে। এমন কুয়াশা করেছে যে এক হাত দুরের জিনিসও ভাল করে দেখা যায় না। একজন চৌকিদার সামনে। তারপর দুজন বহন কারী তারপরে আমি আর আমার পিছনে আর একজন চৌাকদার। হাটছি খুব দ্রুত। রোয়াধান কাটা হয়েছে। আইল ধরে হাটা যায় না। হাটতে গেলে আইলে ঠিকভাবে পা পরে না। তাই আমরা ক্ষেতের উপর দিয়েই হাটছি। কারো মুখে কোন কথা নাই। শুধু হাটছি। প্রত্যোকের নিঃশ্বাসের শব্দ প্রত্যেকে শুনছি। কাদের বন্দুকটা বুকের সাথে কমান্ডো স্টাইলে ধরে আছি। টিগারে হাত। আসার সময় স্যার আমাকে সাবধান করে দিয়েছে, আমি যেন শতর্ক থাকি। কারন প্রতি পক্ষ লাশ চিনিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই সদা আমার চোখ এদিক সেদিক করছে। যারা কাদে নিয় হাটতে ছিল তারা হঠাৎ থেমে গেল। আমি বললাম থামলে কেন? হাট।
তারা দুজনই হাটতে চাচ্ছেনা। কারন অন্ধকারে ভাল দেখছেনা। কি করে হাটবে। আমি দমক দিলে কয়েক কদম হাটে আবারও থেমে যায়। বলে স্যার হাটা যাবেনা।

  
এক তো লাশের গন্ধ, আবার মাঝে মাঝে কেমন যেন ভারি মনে হয়। কাদ ছিড়ে যেতে চায়। বহন কারী একজন বলে


আর একজন, শুনেছি খুন হওয়া লাসের সাথে ভুতের আসর হয়। তাই লাশ ভারি হয়ে যায়। ভুতরা লাশের কলিজা খায়। আমার পক্ষে এক পাও হাটার অবস্থা নাই। বলে কাদ থেকে চাঙ্গারী নামিয়ে দাড়িয়ে গেল।


আমি যতই ধমক দেই ওরা আমার কথা শুনে না। আরো বলে, ’গরীব বলে এই রাইতে লাশ বহন করতে রাজি হইছি, নাইলে এই রাইতে কেউ এ কামে রাজিই হইতো না।


বেশী বেশী ধমকাইলে যদি আবার সব ফেলে চলে যায় তাই কিচ্ছু বলি না। চৌাকদারকে ডেকে বললাম, একটা টর্চ লাইটের ব্যবস্থা করা যায়।

  
চৌকিদার বলে এটা বিলের মাঝ খান স্যার এখানে কার কাছে টর্চ পামু। তবে আর একটু সামনে গেলে, গাঙ্গের কল আছে, সেইখানে আমর এক পরিচিত পাহারা দার আছে। কল ঘরেই থাকে ওর কাছ থেইক্কা দেখি একটা হারিকেন জোগার করতে পারি কিনা। এই তুমরা আর একটু কষ্ট করে ঐ সামনে চল একটু শুকনা যায়গা দেইখা বসে জিরাও আমি দেখি একটা হারিনেক আনতে পারি কিনা।


তুমি একাই যাইবা, আমি প্রশ্ন করলাম। সঙ্গে একজন নিয়া যাই। এই আলতা তুই আমার লগে আয়।
চৌকিদার আর আলতা চলে গেল। রইলাম আমরা তিনজন। একজন চৌকিদার এর একজন বহন কারী। চৌকিদার চলে যাবার কিছু পরে একজন বলে আমার একটু পেস্রাব চাপছে, আমি একটু পেস্রাব করে আই, বলেই চরে গেল। কিছুক্ষণ পর আর একজন। আমি একা, এরা যে, গেল আর আসার নাম নাই। অনেক্ষন হয়ে গেল। আমি একা বসে আছি। ভয়ে কোন দিকে তাকাই না। দুরে শেয়াল ডাকতেছে। একটু শরীরটা হালকা লাগে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে আবার নিঃশ্চুপ। মনে হয় এই পৃথীবিতে আমিই আছি আর কোন মানুষ নাই। বসে থাকতে থকাতে চোখ বুঝে আসে। পরক্ষণে আবার ধম করে জেগে উঠি, সারের কথাটা কানে বাজে, ’সাবদান থেক, প্রতিপক্ষ কিন্তু লাশ চিনিয়ে নিতে পারে।’ ঐ বেটা আবার অসুস্থ হয়ে গেছে। শালা আমি একা কি করতে পারি। যদি এরা দুজনও আসে তাহলেই আমার কাছ থেকে লাশ ছিনিয়ে নিতে পারবে। কি করতে পারি আমি একা। এসব ভাবছি। কোন মতেই ভয়ের বা অশরীরি কোন ভুত-প্রেতর কথা বাছি না। এর মধ্যে দেখি টর্চের বাতির মত ঝল ঝল করে কি যেন আমার দিকে আসছে। আমি ভয় পেয়ে গেলাম, ভয় কাটানোর জন্য জোড়ে হাকলাম কে? কোন শব্দ নাই। দেখলাম লাইট নিভে গেছে। কিছু সময় পর অনুভব করলাম আমার শরীরিলের মধ্যে কিসের যেন গরম নিঃশ্বাস লাহছে। মনের কল্পনা মনে করে নড়ে চড়ে ওঠলাম। আমার নড়া টের পেয়ে দেখি দুই শেয়াল দৌড় দিয়ে পাশের একটা ঝুপের মধ্যে ঢুকে গেল। আমি বুকের মধ্যে থুতু দিলাম। এখন ও এরা আসছে না কেন। এসব ভাবতে ভাবতে আমার নিজেই পশ্রাব চাপল। আমি জানতাম যে লাশের কাছে পম্রাব করা যায়না। লাশ থেকে প্রায় চল্লিশ হাত দূরে গিয়ে  পশ্যাব করতে হয়। তাই একটু দুরে গিয়ে পশ্রাব করতে বসলাম। কাজ সেরে যেই দাড়িয়েছি দেখি লাশ আর চাঙ্গারীতে নাই। লাশ উঠে খারা হয়ে আছে। তাড়া তাড়ি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। দৌড় দিয়ে আবার জায়গা মত এসে বসে গেলাম। না দেখি সব ঠিকই আছে। আর কোথও নরি না। বসেই আছি।


এদিকে ঘুমে বার বার চোখ বুজে আসতে ছিল। একবার মাথাটা ডনে হেলে পরে আব কখনো বামে। বন্দুক টারে বুকের কাছ থেকে সরিয়ে মাটিতে রেখে, নইটার মধ্যে হাত দিয়ে হাতটার উপর মাথা রেখে মাথার হেলে পরাটা সামলাতে ছিলাম। এমন সময় দেখি চার জন সাদা পোষাক পড়া লোক এসে লাশের চাঙ্গারী তুলে নিতে চাইছে। কে, কারা বলে চিৎকা করলাম দেখি না কেউ নাই। বসা থেকে উঠে একটু এদিক সেদিক পায়চাড়ি করে ঘুমটাকে ছাড়াবার চেষ্টা কলাম। যেই আমি লাশের দিকে আসছি দেখি আবার চার জন, চারজন দেখতে দেখতে হয়ে গেল আটজন। সবাই মিলে নাচতেছে আর আমার চারদিকে ঘিরে ফেলছে। আমার সমস্থ শক্তি দিয়ে চিৎকার করতে চাইলাম কিন্তু কোন আওয়াজ বেরুনা। বোবার মতো খালি ঠোৎ নারছি। মনের আজান্তে কখন যে বন্দুকের টিগারে টিপ পরে গেল বলতে পারব না। শুধু শেয়ালের একটা কেউ শব্দ, তার পর আর বলতে পারবো না।


যখন অনুভব করতে পালাম। তখন দেখি আমি থানা সদরের হসপিটালে। হাতে সেলাইন লাগানো। কি হয়েছে, জানতে চাইলাম। নার্স বলল, ’রাতে বিল থেকে বেহুশ অবস্থায় আপনাকে নিয়ে আসা হয়ে ছিল’।


কারা নিয়ে এসেছে। একজন পুলিশ অপিসার আর চারজন মানুষ। আপনকে এখনে ভর্তি করে, তারা থানায় গেেেছ। আমি আর কোন চিন্তা করতে পারছিলাম না। চোখে ঘুম এসে গেল। আর রাতের সেই ভয়ের কথা মনে হল। আমি আবার দ্রুত চোখ বুজ ঘুমিয়ে পরলাম।


তিন চারদিন পর। আমি, আমার সহকর্মী আর স্যার অফিসে কথা বলছি, ঐ ঘটনাটা নিয়ে।

  
স্যার বললেন মাথাটা উপর দিয়ে এই খুপরির মধ্যে ফেলা হয়েছিল। তারা ফেলে সময় মাথার সাথে একটা রশি বেধে খুব চাতুরির সাথে এই কাজ করেছে। উপর দিয়ে এই খুপরির ভিতরে নামা যায়। খুপরির ভিতরে চার পাঁজন অনায়েসে আরাম করে বসতে পারে। ঐ জায়গাতে প্রতি রাতেই গাজার আসর বসতো। গ্রামের মানুষ সেদিকটায় বেশ একটা যায় না যদিও চাষীরা সেখানে মাঝে মাঝে যেত তবে কেউ দেখতে ঐ খুপরির ভিতরে দেখতে পেতনা। তাছাড়া সবাই বট গাছটাকে এড়িয়ে চলতো। এই সুযোগটা কাজে লাগয়ে গ্রামে খারাপ লোকজন মানুষদের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরী করে রেখেছিল। এখানে নানা অসমাজিক কাজকর্ম হতো।


আচ্ছা স্যার ঐ পাগল এসব জানল কি করে। আমি জিজ্ঞাস করলাম।


স্যার বলল, ঐ পাগলের আস্তানই ছিল ঐটা, খারাপ মানুষদের কারনে সে আস্তানা ছাড়তে বাধ্য হয়।
ও, আচ্ছা স্যার পাগলের ব্যাপরটা আমাদের মথায় আসতেছেনা। প্রথমে আপনাকে দেখলাম পাগলের ভয়ে, ঘরে গিয়ে লোকালেন, অথচ পরে ্ওর সাথে আপনার ভাব হয়ে গেল। ভয় পাচ্ছিল না। কারনটা কি জানতে পারি স্যার। আমর সহকর্মী স্যার প্রশ্ন করল।


স্যার বললেন, ওনিতো আমাদের এই কেইসের গোয়েন্দ কর্মকর্তা।


আমাদের থেকে একটু দুরে একটা চেয়ারে বসাছিলেন আমাদের ক্লাক। সে ওঠে এসে স্যারকে বলল 

আপনারা তিনজনইতো এই কেইসের জন্য গিয়ে ছিলেন। আর কাউকেতো দায়ীত্ব দেওয়া হয়নি স্যার।


আরে কি বলছ তুমি, এই আমার দুবছর আগে এসাই পদে প্রমশোন হয়েছিল নুরুল হুদা, সে ওতো সেখানে আমাদের সাথে ছিল। ক্লার্ক কে দমক দিলেন স্যার।


ক্লার্ক বলল, আমি সবার ডিওটি সিট তৈরী করি। আমিতো এই রকম কাউকে আপনাদের সথে কেন, এক বছরের মধ্য ডিওটি দেওয়া হয় নাই। তবে আপনি যে, এসাই নুরুল হদার কথা বলছেন, সে আমাদের এখানেই ছিল।


স্যার বলল, হ্যা আমি সেই নুরুল হুদার কথাই বলছি। যাকে পরে এখান থেকে পুস্টিং করা হয়েছি।


ক্লার্ক বলল, সেই নুরুল হুদাতো স্যার আজ থেকে পাঁচ বছর আগেই মারা গেছে।


তুমি কি বলছ, জেনে বলছতো, স্যার জিজ্ঞাস করে।


হ্যা স্যার, আমি জেনেই বলিেছ, যদি বিশ্বাস না হয়, এই দেখেন, আমাদের রের্কড বুক। ক্লার্ক এটা পুরানো রেকর্ড বই দেখাল।


স্যার পাতাটা পড়লেন। পড়ে, সে কি কথা, আমি যে তাকে দেখলাম, আমি কেন, ওরাও তো দেখেছে। কি তোমরা দেখনি। ঘটনাটা সত্য না। সত্য না, বললতে বলতে চেয়ারে হেলান দিয়ে বেহুশ হয়ে গেলেন।
আমরা ভয়ে চাচাকে জড়িয়ে ধরলাম। ঐ রাতে ভয়ে আমরা পশ্রাব করতেও বের হইনি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20598/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:34:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লাশের নাচন<br />
খন্দকার ফজলুল করিম রাব্বী<br />
*************************</p>
<p>চাচা বাড়ী এলেই আমরা ছোটরা ঘিরে ধরতাম গল্প বলার জন্য। চাচাও বানিয়ে বানিয়ে নানা ধরনের মজার মজার গল্প শুনাতেন। চাচার গল্প শুনে মনে হত বাস্তবেই ঘটেছে আর চাচা সেখানে নিজেই উপস্থিত। চাচা পুলিশের চাকরি করতেন। চাচার কর্মক্ষেত্র ছিল সিলেটের কোন এক এলাকায়। হাউড় আর বিল ছিল বেশী। কাজের চাপে চাচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20598"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20598/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3d371295e774fb7db19ba7389b7cb1a</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20596/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:10:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3d371295e774fb7db19ba7389b7cb1a</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20595/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:10:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3d371295e774fb7db19ba7389b7cb1a</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20594/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:10:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3d371295e774fb7db19ba7389b7cb1a</guid>
				<title>Khandakar Fazlul Karim Rabby and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20593/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 17:10:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>