<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Rakib Joy | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rakibjoy28/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rakibjoy28/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Rakib Joy.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 15 Jun 2026 01:10:24 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">407fff3cf22070ffe86f9776fa22df16</guid>
				<title>Rakib Joy and Zinnat Farhana Bithi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174884/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Nov 2022 08:34:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd1f95f88de93a89109becfa4c4054c0</guid>
				<title>&quot;তুমি&quot;

বেশ কতটা মায়াবী চোখে, মিটিমিটি চাঁদের আলোই, গায়ে একখানা চাদর জড়িয়ে মৃদু কিন্তু শিরশিরানি ঠান্ডাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নদীর শ্রোত দেখছিলে। মনে আছে? আমি হঠাৎ ই তোমাকে চমকে দিয়ে বল্লাম তোমার দু&#039;চোখ দেখে আমি ঈর্ষান্বিত হচ্ছি নদীর উপরে! সেই মায়া, সেই ভালোবাসা কি তুমির প্রাপ্য ছিলো না? তুমি বলেছিলে, এটা সাময়িক, পানি শুকিয়ে যাবে, নদী হারিয়ে যাবে, কিন্তু তুমি থেকে যাবে। মনে আছে?
কত কত স্রোতা নদী বিলীন হয়ছে সমুদ্রের মাঝে
ফিরেছে নতুন রূপে, নতুন স্রোতে
তুমি হারিয়ে গেলে ফিরবে পুরনো পথে?
নদী তার পথ চিনে, পলি মাটি তাকে আকৃষ্ট করে
আমার ফেরার পথ পুরনো হবে-
তবুও কি তুমি আকৃষ্ট হবে?
তুমি মৃদু হেসে বলেছিলে, ধ্যাত! আমি তো কোথাও যাবোই না, ফেরার কি আছে?
মাইল খানিক সময় আমাদের দন্ড চলেছিলো, তুমি বলেছিলে আমি কোথাও যাবো না, আর আমি বলেছিলাম, ফেরার পথ কিন্তু সহজ হবে না। 
হঠাৎ ই এক ঝড়ে সব কেমন এলোমেলো হয়ে গেলো, রাস্তায় ফাটল ধরলো, তুমি হোটচ খেলে আর বেঁছে নিলে নতুন একটি পথ। আমি সময়ই পেলেম না, রাস্তার ফাটল গুলো পূরণ করার, এটা কি কথা ছিলো?
তোমার দুঃখ-গুলোতে আমার অংশ ছিলো না? তাহলে সুখের সন্ধানে এতটুকু অপেক্ষা কি আমি প্রত্যাশা করতে পারি না? 
সময় গড়াচ্ছে, তুমিটা তুমিতেই আটকে আছো, আমি তে পরিণত হয়েছো অন্য কারো।
অপেক্ষা করিনি, স্মৃতি মুছতে অপারগ। 
শব্দের দরকার, নতুনত্ব প্রয়োজন, কবিতা আসে না, পাপ কমছে, একাকিত্ব বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছে, ডাইরিটা অপেক্ষা করছে, নতুন নামের। 
সেই নদীটার পথ ধরে আজো আমি হাঁটি, বহুদূর হাঁটি, চটিটার আগায় লেগে কিছু বালি পায়ে উঠে আসে কিন্তু কেউ নেই আমাকে নেয়ার। 
রাতের সেই তোমার অনুভূতি চোখ দু’টি নিয়ে আজ আমি নদীকে দেখি, কিন্তু আমাকে নিয়ে কেউ ঈর্ষান্বিত হবার নেই। নদী শুকচ্ছে, তোমার স্মৃতি শক্ত হচ্ছে, যন্ত্রণা অনুভব করছি, তুমি তো আমি নও! আমি, আমিতে পূরণে ব্যার্থ।
সুখ পাখি গুলো গভীর রাতেও ঘুমায় না, তারাও কি বিরহে ভূগছে? নাকি তারাও পথ ভূল করেছে! করলেই বা কি, তাদের তো গাড়ী আছে, হাওয়া তাদের ঠিক পথেই আবার নিয়ে যাবে, কিন্তু আমার তো হাওয়া নেই।
তোমাকে বলেছিলাম, ফিরতে পারবে তো? ফেরার পথ কিন্তু সহজ হবে না। সেদিন যদি আমার কথায় উৎসাহী হয়ে একবার বলতে, একবার জানতে চাইতে, ফেরার পথটা দেখিয়ে দাও, জিদ ধরে বসে না থাকতে &quot;কখনো যাবোই না&quot; তাহলে হয়তো আমার রাস্তায় ফিরে আসাতে। আবার হয়তো না, কে আসতে চাই ভাঙ্গা রাস্তায়! যার কাছে অসংখ্য রাস্তার সন্ধান আছে। 

আর হয়তো কখনো ফিরতেও পারবে না, রাস্তাটা এখন শুধু ভাঙ্গা ই না, রাস্তার চারিপাশে পরিখা খনন হয়েছে, চাইলেও পুরনো মানুষগুলো প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারী হয়েছে। হ্যাঁ, তুমিও তাদের মধ্যে একজন। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। 
তুমি কি জানতে, সেই রাতটি পূর্ণিমা ছিলো? পরে বুঝেছিলাম, কেনো এত মায়া দেখেছিলাম তোমার চোখে!

সর্বশান্ত আমি সব হারিয়েছি তোমায় সুখ প্রদানে-
নিঃশেষে বৈশিষ্ট্য আমি পড়ে আছি ব্যক্তিত্বে। 
তারা আমায় আটপৌরে ভাবে-
হা হা হা! যদি তারা জানতো!
আমার আলিঙ্গন অন্য এক পৃথিবী দেখাবে-
তাহলে হয়তো রাস্তা ধরে উঠনে এসে জুটতো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174783/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Nov 2022 17:15:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;তুমি&#8221;</p>
<p>বেশ কতটা মায়াবী চোখে, মিটিমিটি চাঁদের আলোই, গায়ে একখানা চাদর জড়িয়ে মৃদু কিন্তু শিরশিরানি ঠান্ডাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নদীর শ্রোত দেখছিলে। মনে আছে? আমি হঠাৎ ই তোমাকে চমকে দিয়ে বল্লাম তোমার দু&#8217;চোখ দেখে আমি ঈর্ষান্বিত হচ্ছি নদীর উপরে! সেই মায়া, সেই ভালোবাসা কি তুমির প্রাপ্য ছিলো না? তুমি বলেছিলে, এটা সাময়িক, পানি শুকিয়ে যাবে, নদী হারিয়ে যাবে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174783"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174783/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d155d60cf06e780602b1b16222080aff</guid>
				<title>&quot;বসন্তের আগমনে&quot;

হেমন্তের মিষ্টি গন্ধ যেনো বসন্তের সুরে মিলিয়ে যাচ্ছে তোমার কাতরায়। স্নিগ্ধতা বাড়ছে, নদী সংকুচিত হচ্ছে,  শিশির ভেজা গাছগুলো সবুজ ধরে রাখার প্রচেষ্টায়, কৃষ্ণচুড়া তার রং দেখাতে সোচ্চার, কোকিলের গান শেখা প্রায় শেষ, মঞ্চে উঠবে কিচ্ছুক্ষণ এর মধ্যেই, ডিসেম্বর হাতছানি দিচ্ছে, শহর নতুন হাতজোড়া আঁকড়ে ধরবে বলে ইশারা করছে, প্রকৃতির উষ্ণতা প্রয়োজন- সে তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় খুঁজছে।
হেমন্তের সুগন্ধ যেনো তার সহ্য হয় না, সে বিষ ছড়াতে এসছে নবজাতকের মাঝে। সে জানে তার শেষ হবে ঝরে যাওয়াতে, সময় শেষে সব রং ঝরে যাবে, ঝরে যাবে সব ফুল, ঝরে যাবে সব পাতা, ঝরে যাবে সব মায়া, ঝরে যাবে কোকিলের গান, শুকিয়ে যাবে মাঠ ঘাট নদী, তাহলে মানুষ নয় কেনো? ঝরে যাওয়ার বসন্তের বাস্তবতা। বৈশাখী ঝড় তাকে স্পর্শ করবে না, কারণ সে তোমার মাঝে ঝড় তৈরি করে হারিয়ে যাবে, তার আর ঝড়ের প্রয়োজন কি! 
তুমি কি নবজাতক? 
স্বাগতম তোমাকে, রং তোমাকে রঙিন করবে। প্রকৃতি তোমাকে নিয়ে খেলবে এবং মেতে উঠবে তোমার উষ্ণতায়। ঠিক ততটাই যতটা প্রকৃতির তোমাকে প্রয়োজন। টিকে থাকা সত্যিই একটু কষ্টের হবে। একে একে স্নিগ্ধতা তোমাকে উন্মাদ করে তুলবে, উষ্ণতা তোমাকে ঝড়ের বেগে কাছে নিয়ে, কাতরতা তোমার সব শক্তিকে মূহুর্তেই বিলীন করে জড়িয়ে নিবে তার আচ্ছাদন এ, অতঃপর শুরু হবে তোমাকে নিয়ে তার খেলা! কত কত মেঘ করবে আকাশে, বিজলির আগুনে ভয়ে তুমি চুপসে যাবে, কি ভাবছো, এতো সহজেই প্রকৃতি তোমাকে ছেড়ে দিবে? হাহা, কেবল তো শুরু, চুপসানো তোমার ঐ শরীরটাকে, হঠাৎ ই এক মূহুর্তের বৃষ্টি আবার প্রশান্তি দিয়ে যাবে, আবারো তোমার শরীরকে ফুলিয়ে তুলবে, যখন তোমার মনে হবে তুমি শক্তিশালী, ঠিক তখন নি, বৈশাখী ঝড় এসে তোমার দেহটাকে আছড়ে-বিছড়ে, ছিন্নভিন্ন করে করে দিবে। মনে হবে, হাল ছেড়ে দিয়! ঠিক তখনই, নদী ভরে উঠবে, স্রোত তোমাকে অনুপ্রাণিত করবে, ঝড় থেমে যাবে, নতুন ভাবে বীজ বপন শুরু হবে, তুমিও সেটাই চেষ্টা করবে, এবং করবে ও সেটা, ভেবে নিবে হয়তো নতুন করে সবকিছুর শুরুটা সুন্দর এবং আনন্দময় হবে! ঠিক সেই মূহুর্তেই, প্রচন্ড গরমে তোমার মাথা টগবগিয়ে উঠবে, শরীরতে ভীষণ শিরশিরানি অনুভব করবে, চারিদিকে হতাশার ঘামে তোমার মস্তিষ্ক থেকে দুর্গন্ধ ছড়াবে, তুমি এবর সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলবে নাহ্ ছেড়ে দেয়া উচিৎ! ঠিক সেই সময়েই তোমার বপন করা বীজগুলো ফল দেয়া শুরু করবে, নতুন ফল দেখে তুমি আবারো আকৃষ্ট হবে এবং মেতে উঠবে উৎসবে। ঠিক তখনই তোমার শরীরের শিরা গুলোতে ফাটল ধরা শুরু করবে, তিব্র যন্ত্রণা অনুভব করবে, এতটা যন্ত্রণা তোমার মনে হবে তুমি তোমার নিজেকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে, মাটিতে মিশিয়ে ফেলবে! আর তখনি, আবারো হাতছানি দিয়ে ডাকবে বসন্ত! 
&quot;ঝরে যাওয়া ফুলগুলো ফোটে 
রং হারানো স্মৃতিগুলো মুখ তুলে দেখে
দূরত্বের পথ গুলো শেষ হয়ে যায়
জীবন হতে মৃত্যু প্রসারিত সময় পাই
ঋণ গুলো বড়তে থাকে
প্রেম গুলো জেগে উঠে-
তোমার মায়ায়, তোমার সমর্পনে।&quot;

 প্রকৃতির এই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া তোমাকে নিয়ে খেলায় মেতে থাকবে, ঠিক ততদিন যতদিন তুমি প্রকৃতিতে দুর্গন্ধ ছড়াবে। না তুমি ধরতে পরবে না তুমি ছাড়তে পারবে, ছেড়ে দিলে মন কাঁদবে, ধরে রাখলে শরীর কাঁদবে। সবকিছু থেকে ঠিক সেই মূহুর্তে রেহাই পাবে- প্রকৃতি তোমাকে তখনি গ্রহণ করবে, যখন তুমি পবিত্র, তোমার ভালোবাসা পবিত্র। 

বিচ্ছেদের তিক্ততা বড়ই কষ্টের। 
এভাবেই চলে যাবে হাজারো বসন্ত, আবার উঁকি দিয়ে আসবে তোমার উঠোনে। 
ঝরে যাবে নতুনত্বের সৃষ্টিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173875/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Nov 2022 18:24:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বসন্তের আগমনে&#8221;</p>
<p>হেমন্তের মিষ্টি গন্ধ যেনো বসন্তের সুরে মিলিয়ে যাচ্ছে তোমার কাতরায়। স্নিগ্ধতা বাড়ছে, নদী সংকুচিত হচ্ছে,  শিশির ভেজা গাছগুলো সবুজ ধরে রাখার প্রচেষ্টায়, কৃষ্ণচুড়া তার রং দেখাতে সোচ্চার, কোকিলের গান শেখা প্রায় শেষ, মঞ্চে উঠবে কিচ্ছুক্ষণ এর মধ্যেই, ডিসেম্বর হাতছানি দিচ্ছে, শহর নতুন হাতজোড়া আঁকড়ে ধরবে বলে ইশারা করছে, প্রকৃতির উষ্ণতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173875"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173875/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c5b5fd1b8d72009f4e529edad93aea57</guid>
				<title>&quot;অপয়া নারী&quot;

সবে মাত্র ১৫পেরিয়ে ১৬তে পা দিয়েছে ছোট মেয়েটি লামিয়া। ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হওয়াতে বাবা-মার ইচ্ছে পড়া চলাকালীন তেমন ভালো ছেলে পেলে বিয়ে দিয়ে দিবে তাকে। দেখতে শুনতে এবং সভ্যতায় ভালো হওয়াতে, প্রায়ই বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন হয়েছে সে। এরি মধ্যে একটি সম্বন্ধ তার বাবার ভালো লাগাতে মোটামুটি বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে তার। 
ছেলে প্রাইমারী স্কুল শিক্ষক, বয়স একটু বেশি হলেও, এযুগে সরকারি চাকরির বাজার খুবই চৌড়া। তাই তার বাবা আর বেশি কিছু না ভেবে বিয়ের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে দিয়েছে। বর্তমানে মেয়েদের চলাফেরার স্বাধীনতা থাকলেও, বিয়ের ক্ষেত্রে বাবা সিদ্ধান্তই শেষ সিদ্ধান্ত। 
যেই কথা সেই কাজ ১সপ্তাহের মাথায় লামিয়ার বিয়ের কাজ শেষ এবং জামাই হাফেজের বাসায়। 
সংসারে নতুন ছোট্ট একটি মেয়ে লামিয়া, দুনিয়া কেবল মাত্র বুঝা শুরু হয়েছে। দিন ১৫ যেতেই হাফেজের একটি এক্সিডেন্টে দুর্ভাগ্য বষত হাফেজের মৃত্যু ঘটে। শুরু হয়ে যায় লামিয়ার জীবনের একটি অভিশপ্ত ডায়েরি। গ্রাম বাংলার কুসংস্কার অনুসারে আশেপাশে বলা শুরু হয়ে যায়, এই বিয়েই হয়তো হাফেজের জীবন নিয়েছে, এই কথাটি ছোট হতে হতে একটি সময় শুরু হয়ে যায়, লামিয়াই হয়তো হাফেজের জীবনটা নিয়েছে। মেয়ের বয়স কম হওয়াতে লামিয়ার বাবা তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে চলে আসে। শুরু হয় লামিয়ার নতুন জীবনের পথ চলা....

লামিয়া কলেজে ভর্তি হয়, তার বাবা এখন আর তাকে বিয়ে দিতে চায় না, লামিয়াও চাই পড়াশোনা করতে। কিন্তু সমাজ বলে আমাদের প্রকৃতিতে একটি বিষ বস্তু আছে, যারা ভালো কে ভালো বলতে লজ্জা পেলেও, সৃষ্টি হতে প্রদত্ত খারাপকে ব্যাক্তি সত্তার উপর চাপিয়ে দিয়ে, টিটকারি মারতে পছন্দ করে। সমাজের এই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে, কিছুদিন এর মধ্যে হার্ডএট্যাক এ মারা যায় লামিয়ার বাবা। নেমে আসে লামিয়ার জীবনে দ্বিতীয় কালো অধ্যায়। সমাজ তাকে এবার যেনো সত্যিই অপয়া নামে আখ্যায়িত করলো। কিন্তু তার বাবার মৃত্যুর জন্য যে সমাজদায়ী সে বিষয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সমাজের এই তীব্র সমালোচনায় একটি সময় লামিয়ার মা ও তাকে অপয়া ভাবা শুরু করলো। যদিও গর্বধারণী মা, তিনি সব ই বুঝেন, কিন্তু যখন ই উত্তেজিত হয়ে পড়েন, মেয়েকে অপয়া বলতে ২বার ভাবেন না। লামিয়া মাত্র কলেজে ১ম বর্ষের ছাত্রী। কিন্তু অপয়া শব্দে সে এমন ভাবে অভ্যস্ত হয়েছে যেনো তার নাম লামিয়া না তার নাম অপয়া। 
এদিকে তার বাবা নেই, মা মেয়ের সংসারে দেখবার মতো কেউ নেই, অত্মীয়রা সমাজের মধ্যেই পড়ে, তাই লামিয়াকে সমাজের দৈত্যদের মতো আত্মীয়রাও অপয়া ভাবে। যার ফলে মা আর মেয়েকেই নিজেদের সংসার রক্ষা করতে হয়। এভাবেই চলতে থাকে তাদের সময়। 
কলেজের ২য় বর্ষে লামিয়া আর তার কলেজেরই একটি ছেলে রিমেলের মধ্যে একটি ভাব সৃষ্টি হয়। সেই ভাবটি একটি সময় ভালোবাসায় পরিনত হয়। রিমেল আগে থেকেই জানতো লামিয়ার সম্বন্ধে, তার পরিবারের সম্বন্ধে, কারণ তারা পাশাপাশি গ্রামের প্রতিবেশী। এ বিষয় নিয়ে রিমেলের খুব একটা মাথা ব্যাথা ছিলো না। চলতে থাকে তাদের সময়। 
এরি মধ্যে তাদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল বেরিয়েছে, লামিয়া ভালো রেজাল্ট করেছে, সেটাতে মা খুশি হলেও সমাজের চোখে সে অপয়া। লামিয়ার ইচ্ছে সে শহরে যেয়ে পড়াশনা করবে, কিন্তু তার বাবা না থাকাতে খরচ চালানো যে সম্ভব না সেটা লামিয়া জানতো, তাই নিজের ইচ্ছে নিজের মধ্যে চাপা রেখে সেই কলেজেই অনার্স এ ভর্তি হয়ে যায়। এদিকে রিমেল উচ্চ মধ্যবৃত্ত পরিবারের ছেলে হওয়াতে তাকে শহরে ভর্তি করে দেয়া হয়। রিমেল শহরে চলে যায় কিন্তু তাদের মধ্যে যোগাযোগ, দেখা সাক্ষাৎ চলতে থাকে। এদিকে লামিয়ার সাথে ঘটে যাওয়া ২টি ঘটানার জন্য তার মা ও আর তাকে বিয়ে দেয়ার কথা ভাবে না। লামিয়ার সবকিছু এখন তার নিজের সিদ্ধান্তে হয়, কারণ, এখন সে অপয়া, এখন তার পুরপুরি দ্বায়িত্ব নিজের। এভাবে চলতে থাকে অনেক সময়। 
হাঠাৎ ই একদিন কোনো ভাবে লামিয়া এবং রিমেলের সম্পর্কের কথা জানতে পারে রিমেলের পরিবার। রিমেলের বাবা এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী, ছেলেকে কিছু না জানিয়ে, বাসায় ডেকে পাঠানো হলো লামিয়া ও তার মা কে। যথেষ্ট অপমান এবং লাঞ্ছিত করা হলো তাদের। 
এদেশে বিধবা বিবাহ প্রথা চালু থাকলেও, সেটি যেনো কল্পনা, পুরুষের স্বইচ্ছায় একাধিক বিয়ে সভ্য হলেও, একজন বিধবার বিয়ে যেনো অসভ্য। 
লামিয়ার মা বাসায় ফিরে এসে, লামিয়াকে যথেষ্ট কথা শুনিয়ে নিজেই যেনো হতাশ হয়ে পড়লেন। সমাজের মুখে নানান লাঞ্ছনা ছড়িয়ে পড়েছে, নতুন ভাবে অপয়া শব্দটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, সবকিছু লামিয়া মেনে নিলেও, তার মা একটি সময় আর মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেই। এক্ষেত্রেও যেনো দোষটা লামিয়ার। সমাজের এখানেও কোনো হাত নেই। সমাজের মতে, লামিয়া একে একে তার প্রাক্তন স্বামী, পিতা এবং মাতা কে খুন করেছে। লামিয়া অসহায় হয়ে পড়ে, সে সময়ে তার পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ ছিলো না, ছিলো শুধু দূর থেকে সঙ্গ দেয়া রিমেল। 
কয়েকদিন এর মধ্যে লামিয়া বুঝতে পারে, এ সমাজ তার জন্য না, সে চলে যায় শহরে, সেখানে রিমেল তার জন্য একটি টিউশনি এর ব্যাবস্থা করে রেখেছে, একটি ছোট রুম নিয়ে শহরে থাকা শুরু হয় লামিয়ার, ভরসা শুধুই রিমেল। লামিয়া রিমেলকে এতোটা ভরসা করতো যে রিমেল যা বলে সেটাই তার জন্য যথেষ্ট, কেনোনা তার সকল কষ্টের সময় গুলোতে রিমেল তার সাথে ছিলো, পৃথিবীতে বিশ্বস্ত বলতে এই এক রিমেল ই আছে তার, তাদের এই বিশ্বাস এবং ভালেবাসা থেকে একটি সময় সৃষ্টি হয় তাদের মধ্যে শারীরিক আবদ্ধতা। দু&#039;জন ই সমবয়সী হওয়াতে তাদের চাহিদা গুলো একে উপরের যেনো পৃষ্ঠপোষকতা ছিলো। এভাবে চলতে থাকে তাদের সময়, আস্তে আস্তে সমাজের দেয়া অপয়া নামটি যেনো লামিয়া ভুলে গেছে, ভালেবাসার আরাধনায় যেনো নতুন পৃথিবী সৃষ্টির স্বপ্ন দেখছে সে। বেশ কিছু দিন যেতেই, লামিয়ার সাথে রিমেলের মিলামেশাটা কমতে থাকে, লামিয়া লক্ষ করে রিমেল তাকে যথেষ্ট এভোয়েড করছে, সে ব্যাপারটি নিয়ে শঙ্কিত বোধ করে। কিছুদিন পরে লামিয়া জানতে পারে রিমেল গ্রামের বাসায় গেছে এবং তার বিয়ে ঠিক হয়েছে তার কলেজ জীবনের এক বান্ধবীর সাথে। লামিয়া ভাবে হয়তো রিমেলকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয়া হচ্ছে, কিন্তু সে রিমেলের বন্ধু সাহেদ এর মধ্যেমে জানতে পারে, মেয়েটির সাথে রিমেলের ২বছর ধরে সম্পর্ক আছে। এটি শোনার পরে এবার লামিয়ার নিজের প্রতি নিজের একটি ক্রোধ সৃষ্টি হয়, এবং সে নিজেকেই অপয়া ভাবতে থাকে। সে জানেনা সে কি করবে। এভাবে কিছুদিন কেটে যায়, লামিয়া উপরন্তু শক্ত থাকলেও, ভেতরে যেনো সে আর জীবিত নেই। হটাৎ লামিয়ার ফোনে একটি ম্যাসেজ, সে ভেবেছিলো হয়তো রিমেল পাঠিয়েছে, হয়তো কিছু বলবে রিমেল তাকে। কিন্তু না সে ম্যাসেজটি রিমেলের বন্ধু সাহেদ-এর। 
&quot;দেখ, লামিয়া, আমি রিমেল না, আমি জানি রিমেল তোমার সাথে কি কি করেছে, কিন্তু আমি রিমেলের মতো না, তোমাকে আমি অনেকদিন ধরে পছন্দ করি, কিন্তু রিমেলের জন্য কিছু বলতে পারি নি, তুমি একটি বার আমাকে বিশ্বাস করে দেখতে পারো&quot;
ম্যাসেজটি পড়ে, লামিয়ার মুখে একটি মুচকি হাসি! 
সে এবার নিশ্চিত হয়েছে, পৃথিবীকে চিনতে তার আর বাকি নেই! লামিয়া ফোনটি বন্ধ করে দেয়। অতঃপর একটি পাতা আর কলম নিয়ে বসে-

এই সমাজ আমাকে বিয়ে দিয়েছে, এই সমাজ আমার থেকে আমার স্বামীকে কেড়ে নিয়েছে, এই সমাজ আমাকে অপয়া বানিয়েছে, এই সমাজ আমার থেকে আমার বাবা কে কেড়ে নিয়েছে, এই সমাজ আমাকে মিথ্যে ভালোবাসায় আবদ্ধ করেছে, এই সমাজ আমার মা কে কেড়ে নিয়েছে, এই সমাজ আমাকে ভালেবাসার নামে ধর্ষণ করেছে আর সবশেষে এই সমাজ আমাকে আবারো ধর্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে। তাহলে আমি কে? আমার পরিচয় কী? আমি অপয়া! নাকি এ সমাজ অপয়া? আমি তো একটু বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু এই অপয়া সমাজ আমাকে বাঁচতে দেয়নি। এই সমাজে মানুষ না মানুষরূপী ভক্ষণকারী বসবাস করে। আমি ভক্ষণ করতে পারিনি, তাই হয়তো ভক্ষণের স্বীকার হয়েছি। আমি নিজেকে আর ধর্ষণ হতে দিতে চাইনা, তাই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলাম, আমার বিদায়ে কেউ দায়ী নয়, আমার মৃত্যুতে আমি দ্বায়ী, কারণ আমি অপয়া, এ সমাজ নয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147504/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 14:37:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;অপয়া নারী&#8221;</p>
<p>সবে মাত্র ১৫পেরিয়ে ১৬তে পা দিয়েছে ছোট মেয়েটি লামিয়া। ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হওয়াতে বাবা-মার ইচ্ছে পড়া চলাকালীন তেমন ভালো ছেলে পেলে বিয়ে দিয়ে দিবে তাকে। দেখতে শুনতে এবং সভ্যতায় ভালো হওয়াতে, প্রায়ই বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন হয়েছে সে। এরি মধ্যে একটি সম্বন্ধ তার বাবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147504"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147504/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">04fb30ccf16c741dff0573d58df568f8</guid>
				<title>Rakib Joy and Jannatul Ferdausi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147237/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Sep 2022 17:08:24 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c521c509e7a64f1453f2eee3ccc9d2a4</guid>
				<title>&quot; ঘুম &quot;

সকাল ৯টায় ভার্সিটির ৩য় বছরের ১ম ক্লাসের জন্য অয়ন ক্লাসরুমে প্রবেশ করে, পিছনের একটি বেঞ্চে বসে, দুই হাত হাইবেঞ্চ এ রেখে মাথাটা দিয়ে, চোখ দুইটা বন্ধ করতেই, ক্লাসরুমে ম্যাম এর আগমন। 
ম্যাম- আজ তোমাদের ৭ম সেমিস্টার মানে ৩য় বর্ষের প্রথম ক্লাস। আমি তোমাদের সাথে নতুন, আজ ক্লাস বিষয়ে না, তোমরা নিজেদের মতো করে আমার সাথে পরিচিত হবে। এই যে আপনি, আপনার নাম কি?
ছাত্র- আমার নাম রকি আহমেদ।
ম্যাম- বাসা কোথায় এবং আপনার প্রিয় একটি জিনিসের নাম বলুন, কারণ সহ।
রকি- ম্যাম আমার বাসা নাটর জেলায়। আমার প্রিয় জিনিস বাইক। আমি আমার ফাঁকা সময়ে এটিকে নিয়ে অনেক ভাবে বিনোদন লাভ করে থাকি এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে এটি আমার অনেক কাজে লাগে।
ম্যাম- আচ্ছা, বসেন৷ আপনি দাঁড়ান৷ নাম কি, বাসা কোথায় এবং পছন্দের একটি জিনিস বলেন?
ছাত্রী- ম্যাম আমার নাম ইসমাত। ম্যাম আমার বাসা নওগাঁ জেলায়। আমার প্রিয় জিনিস হলো বই, আমি বই পড়তে খুব পছন্দ করি, কেননা বই আমাকে অনেক কিছু শিক্ষা দেয়, পাশাপাশি আমি আমার ফাঁকা সময়ে বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে বিনোদন ও লাভ করি। 
এভাবে একে একে সবার জানা শেষে, শেষ পর্যায়ে এসেছে অয়ন।
ম্যাম- এই যে আপনি, আপনি দাঁড়ান, আপনি এতো অগোছালো কেনো? চুল গুলোর ঠিক নাই, দেখে অসুস্থ মনে হচ্ছে, চোখ গুলা লাল হয়ে আছে, কি ব্যাপার? সারারাত কি শুধু অনলাইন আর আড্ডা দিয়ে ঘুম হয়নি?
অয়ন- না ম্যাম আসলে তা না। 
ম্যাম- আপনার নাম কি? বাসা কোথায়?
অয়ন- ম্যাম আমার নাম, মোঃ আল-রাব্বী অয়ন। আমার বাসা, নওগাঁ জেলার, মান্দা উপজেলার,প্রত্যন্ত একটি গ্রাম ভারশোঁ- তে।
ম্যাম- সবাই তো একটি করে পছন্দের জিনিসের নাম বলে গেছে, এবার আপনি আপনার একটি অপছন্দের জিনিসের নাম বলেন?
অয়ন- ম্যাম পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে অপছন্দের জিনিস হচ্ছে, ঘুম। 
কথাটি শুনে ক্লাসের ৩৯-৪০জন শিক্ষার্থী একসাথে হেসে উঠলো। ম্যাম সাথে সাথে সবাইকে চুপ করতে বলে, নিজেও একটু হাসি মুখ নিয়ে অয়ন কে জিজ্ঞেসা করলেন, এমন অদ্ভুত অপছন্দ কেনো?
অয়ন- ম্যাম, কথাপ্রসঙ্গে আগেই বলেছি, আমি প্রত্যন্ত একটি গ্রামের ছেলে, স্বাভাবিক ভাবে একটি খুব সাধারণ পরিবারের ছেলে আমি, পড়াশোনার প্রবল ইচ্ছে শক্তির কারণে অর্থের সংকট থাকা সত্বেও আমি আপনাদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি। যেখানে পরিবারে, ভাত আনতে পান্তা ফুরায়, সেখানে আমার ভরনপোষণ এর দ্বায়িত্ব পরিবারের পক্ষে টানা অনেকটায় আকাশচুম্বী। সকল কারণ গুলোর জন্য আমার নিজের অর্থ নিজে জুগান দিয়ে হয়। আর তার জন্য ম্যাম আমাকে টিউশানির পথ বেছে নিতে হয়েছে, ভার্সিটিতে সকাল ৯টা থেকে ১টা অব্দি ক্লাস শেষ করে, দুপুর ২টার মধ্যে ছাত্র বাসায় যেয়ে একে একে ৪টা টিউশনি শেষ করে রুম এ ফিরে আসতে রাত ৯টা বেজে যায়, তারপর একটু ফ্রেশ হয়ে খাওয়াদাওয়া শেষ করতে করতে ১০.৩০টা থেকে ১১টা বেজে যায়, তারপর ভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট এবং নানান হোম-ওয়ার্ক শেষ করতে রাত ১/২টা বেজে যায়, পরের দিনের টিউশনি প্রস্তুতি নিতে আমাকেও কিছু সময় পড়তে হয়, এই যে ম্যাম এই রাত ১/২টা বাজলেই আমার শরীরটা এতো ক্লান্ত হয়ে যায় আর এতোটা ঘুম পায়, যা আপনাকে আমি বলে বুঝাতে পারবো না, তখন নিজের ওপরে নিজের এতোটা রাগ হয় আর ঘুম এর ওপর এতোটা আক্ষেপ হয়, মাঝে মাঝে বলেই ফেলি জানোয়ার আমার এখনো টিউশনির প্রস্তুতি নেয়া বাকি আছে, তুই একটু পরে আই। সে সময় ম্যাম আমার মনে হয়, ঘুম এর মতো বিরক্তিকর জিনিস পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না। 
এর জন্য ম্যাম আমার অপছন্দের একটি জিনিস হলো ঘুম। 
তার এই উত্তর এ পুরো ক্লাসরুম একদম চুপ, ঝড়ের আগে যেমন সবকিছু থমকে থাকে, ক্লাসরুমটাও তেমন থমকে গিয়েছে-
ম্যাম কিছুক্ষণ চুপ থাকার পরে, আচ্ছা এবার বলো পৃথিবীতে তোমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটা কি?
অয়ন- একটু ঢোক গিলে, কিছুটা সময় নিয়ে, ম্যাম পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে পছন্দের জিনিস হলো ঘুম।
সবাই আবার ও হতভম্ব হয়ে গেলো, সবাই অয়ন এর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। যেনো অয়ন সবাইকে তার দিকে আকৃষ্ট করে রেখেছে!
ম্যাম- কেবল ই না বল্লে, ঘুম তোমার সবচেয়ে অপছন্দের জিনিস। তাহলে এটিই আবার পছন্দের হয় কিভাবে? 
অয়ন- ম্যাম, ইতিমধ্যেই আমি আপনাদের বলেছি, ঘুম আমার কেনো অপছন্দের তালিকায় শীর্ষে। আসলে ম্যাম এই ক্লাস, টিউশনি, নিজের পড়া, টিউশনির প্রস্তুতি, মাঝে মাঝে চাকরির প্রস্তুতি এসব নিয়ে মাঝে মাঝে এতোটা ব্যাস্ত হয়ে পড়ি যে ২-৩দিন না ঘুমিয়ে আমার সময় পার হয়ে যায়, হটাৎ একটি বৃহস্পতিবার রাত আমার কাছে ঘুম ভিক্ষে করতে আসে, এবং কানে কানে বলে যায়, আগামীকাল শুক্রবার। তুমি ঘুমাতে পারো, এই যে ম্যাম শরীরের এতোটা ক্লান্তি নিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে যখন আমি ঘুমানোর জন্য, বিছানায় শুয়ে, নিশ্চিন্তে একটু চোখটা বন্ধ করি, তখন মনে হয়, পৃথিবীতে আমার মত সুখী ব্যাক্তি আর কেউ হতে পারে না৷ আমি সেই মূহুর্তে এতোটা প্রশান্তি লাভ করি যা আপনাকে আমি বলে বুঝাতে পারবো না, মনে মনে একটা কথা বলি, ঘুম তোমাকে বড্ড ভালোবাসি, বলতে বলতে যে কখন ঘুমিয়ে যায় নিজেই জানি না। 

তার দুইটি উত্তরে পুরো ক্লাস এতোটাই প্রজ্জ্বলিত ছিলো যে, নিজেদের অজান্তেই সকলেই তার জন্য তালি দিয়ে উঠলো। ম্যাম সবাইকে শান্ত করে, শুধু একটি কথায় বল্লেন, আয়ন, তুমি আজ আবারো একটি কথার বাস্তব উদাহরণ দিয়ে গেলে, মানুষ পৃথিবীতে সবচাইতে যেটি ভালোবাসে, সময়ের পরিপেক্ষিতে হয়তো সেটিকেই মানুষ সবচাইতে বেশি ঘৃণা করে। প্রচন্ড ঘৃণা করার জন্য যেমন প্রচন্ড ভালোবাসার প্রয়োজন, ঠিক তেমনি প্রচন্ড ভালোবাসাও একটি সময় প্রচন্ড ঘৃণার পরিনত হতে পারে। 
অয়ন- ম্যাম আমি আসলে এতো কিছু জানি না। আমি শুধু এটাই চাই, জীবনের শেষ ঘুমটা যেনো আমার প্রশান্তির ঘুম হয়। আর মানুষের জীবনে যেটি আসবে সেটিকে অবশ্যই আগে থেকে গ্রহনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিৎ। 
এরি মধ্যে ক্লাসের সময় শেষ হয়ে আসে এবং ম্যাম অয়নকে একটি ধন্যবাদ জানিয়ে ক্লাস থেকে বিদায় নেন।

কে জানে-
এই হয়তো, 
বিকেলের রৌদ্রুমাখা উঠানে, হঠাৎ ই অন্ধকার নেমে আসবে, আত্মাহীন শরীরটা ঘুমিয়ে রবে বিকট চিৎকারের মাঝে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147219/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Sep 2022 16:12:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; ঘুম &#8221;</p>
<p>সকাল ৯টায় ভার্সিটির ৩য় বছরের ১ম ক্লাসের জন্য অয়ন ক্লাসরুমে প্রবেশ করে, পিছনের একটি বেঞ্চে বসে, দুই হাত হাইবেঞ্চ এ রেখে মাথাটা দিয়ে, চোখ দুইটা বন্ধ করতেই, ক্লাসরুমে ম্যাম এর আগমন।<br />
ম্যাম- আজ তোমাদের ৭ম সেমিস্টার মানে ৩য় বর্ষের প্রথম ক্লাস। আমি তোমাদের সাথে নতুন, আজ ক্লাস বিষয়ে না, তোমরা নিজেদের মতো করে আমার সাথে পরিচিত হবে। এই যে আপন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147219"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147219/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">31f7db93c5eb242c90b2a0e07de0e4d7</guid>
				<title>&quot;শহর&quot;

ছোট্ট একটি শহর, কিন্তু হাজারো স্বপ্নের ভিড়, জ্যামে আটকে পড়ে থাকা ছেলেটা হটাৎ ই চমকে উঠে বল্লো, মামা আর কতক্ষণ? ১০.৪৭ বাজে, ১১টায় আমার ইন্টারভিউ। সময় মত না পৌঁছাতে পারলে আমার চাকরি টা যাবে!
মামা- দেখেছেন ই তো কত্তো জ্যাম! এর মধ্যে দিয়ে যামু ক্যামনে কন তো? এইতো ২মিনিটের হাঁটা দিলে আপনি পৌঁছায়া যাবেন।!
সজল- আচ্ছা মামা কত দিবো?
মামা- ৩০টা টাকা দেন মামা।
সজল- একেই তো আগেই নামায় দিলা, তার ওপরে ১০টাকা বেশি চাও কেন? এই নাও ২০টাকা।
টাকাটা দিয়ে, সজল হাঁটা দিলো অফিসের উদ্দেশ্য। 
-সজল বরিশালের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এসে, ঢাকাতে অনার্স কমপ্লিট করে চাকরির পিছনে ছুটছে। 
আজ তার ৪র্থ ইন্টারভিউ। চাকরিটা তার খুব দরকার, গ্রামে তার অসুস্থ বাবা-মা, শহরে তার ভালেবাসার মানুষটিকে আটকে রাখার চেষ্টা। নিজের দিক থেকে দেখলে আসলে চাকরিটা তার নিজের জন্য যতটুকু দরকার তার চেয়ে অনেকাংশেই তার আশেপাশের মানুষ গুলোর জন্য বেশি দরকার। 
ইন্টারভিউ শেষে সে বুঝতে পারলো, প্রথম ৩টার মতো এবারো সে ব্যর্থ।
মা- কি রে বাবা ইন্টারভিউ কেমন হলো? 
সজল- না মা, এবারো হবে না, আর একটু সময় লাগবে হয়তোবা, তুমি চিন্তা করো না, হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। 
মা- দেখ বাবা একটু দ্রুত দেখ। সকালেতো মনে হয় কিছু খাস নি, খেয়ে নিস।
সজল- আচ্ছা মা, ঠিক কাছে। 
ফোনটি কাটতেই ঝিলিক এর ফোন!
ঝিলিক সেই মেয়েটি, যাকে আটকানোর জন্য চাকরির পিছনে এতো ছুট।
সজল- নাহ্! এবারো হলো না মনে হয়। 
ঝিলিক- তাহলে আর কি, তুমি চাকরির সাথে সাথে আরেকটি মেয়ে ও খুঁজে নিও। 
কথাটি বলে ঝিলিক ফোনটি কেটে দিলো, এদিকে সজল এক গুচ্ছো হতাশা আর ক্লান্তি নিয়ে রুম এ ফিরে এসে আবার পেপার এ চাকরির খোঁজার কাজে লেগে পড়লো। 
কিছু দিন হলো ঝিলিক এর নম্বরে ফোন ধরে না, সজল মাঝে মাঝে চেষ্টা করে, আবার চাকরির খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। এভাবে আরো বেশ কিছু ইন্টারভিউ দিতে দিতে হটাৎ একদিন একটি ইন্টারভিউ শেষে তার মা এর ফোন।
সজল- হ্যাঁ মা! আজ আমার ইন্টারভিউ ভালো হয়েছে, আশা করছি চাকরিটা হয়ে যাবে।
মা- বাবা তুই বাসায় চলে আয়!!
সজল- কেনো মা কি হয়েছে???
মা- তোর বাবা আর নেই!!!!
সজল-।। 
সজল কোনো কিছু না ভেবেই মূহুর্তে রুমে এবং রুম থেকে সোজা বাসে টিকিট কেটে বরিশাল গ্রামের বাসায়। এর মধ্যে তার আর ঝিলিক এর সাথে কথা হয়নি। হতাশা দুঃখ কাটিয়ে দু&#039;দিন যেতেই, শেষ ইন্টারভিউ এর অফিস থেকে ফোন।
অফিস- জ্বি আপনি, চাকরিটা পেয়েছেন, আগামী পরশু থেকে আপনি জয়েন করতে পারেন।
অনেক গুলো হতাশা আর কষ্টের পরে এক গুচ্ছ ঠান্ডা বাসাত যেনো সজলের শরীর দিয়ে বয়ে গেলো! সে তার মাকে ব্যাপারটা বল্লো এবং ঝিলিক কে সব ঘটনা গুলো বলার জন্য ফোন দিলো। কিন্তু এবার ঝিলিক যে ফোনটি ধরলো না তা নয়, ফোনটি বন্ধ পেলো সজল। 
সজল বেশি কিছু না ভেবে, পরের দিন মা&#039;র কাছে থেকে বিদায় নিয়ে, মা কে শহরে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে বেরিয়ে পড়লো শহরের উদ্দেশ্য। এসে তার চাকরি পাওয়ার খবর দিতে সোজা চলে গেলো ঝিলিক এর বাসায়। বাসায় যেয়ে যা শুনলো তার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিলো না। 
দারোয়ানঃ ঝিলিক আপার তো গত ৪দিন আগে বিয়ে হয়ে গেছে। 
সজলঃ কি বলো এসব, আমি ঝিলিকের বাসার কারো সাথে কথা বলবো।
সেই মূহুর্তে ঝিলিকের বাবা উপস্থিত এবং শক্ত গলায় বলে উঠলো কে তুমি? আর ঝিলিক কে দিয়ে কি হবে?
সজলঃ আংকেল আমি ঝিলিকের বন্ধু, ওর সাথে অনেক দিন দেখা নাই তাই একটু খোঁজ নিতে এসছিলাম।
ঝিলিকের বাবাঃ কেমন বন্ধু তুমি যে, ঝিলিকের বিয়ে হয়ে গেছে এটা জানো না?

সজল এবার ব্যাপারটা বুঝতে পারলো এবং কোনো কথা না বলে মাথা নিচু করে সেখান থেকে চলে আসলো। সে বুঝতে পরছিলো না কি করবে, এদিকে বাবা হারানোর যন্ত্রণা অন্যদিকে সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক বিচ্ছেদ এর প্রবল ঢেউ এ, সজল আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলো না, রাস্তার পাশে এক গাছের নিচে বসে মেঘের মতো গর্জন করে কান্না করতে লাগলো, বেশ কিছুক্ষণ পরে নিজেকে সামলে নিয়ে রুম এ চলে আসলো। এর পর কিছু না ভেবেই গ্রামে চলে আসলো মা এর কাছে। কারণ সে জানতো শহরকে ভালোবেসেছিলো ঝিলিকের জন্য, শহরে থাকার ইচ্ছেটাও ছিলো ঝিলিক এর জন্য, চাকরির পিছনেও ছুটেছিলো ঝিলিকের জন্য। আর সেই ঝিলিক ই যখন নেই, তখন তার আর কি প্রয়োজন থাকতে পারে শহরে। 

চেনা শহর যেনো মূহুর্তেই অচেনা হয়ে উঠে। শত শত স্বপ্নের ভীড় আজও শহরে জ্যাম করে, মৃত স্বপ্নগুলো বাড়ি ফিরে আসে, নতুন স্বপ্ন গুলোকে জায়গা করে দেয়, রিকশায় চাপা স্বপ্ন গুলো গাড়ির চাকায় চাপা পড়ে যায়, স্বপ্ন গুলো চোখে বৃষ্টি হয়ে ঝরে যায়, স্বপ্ন গুলো আবার সৃষ্টি হয়ে নতুন কাউকে খুঁজে পাই।
এই শহর হেরে যাওয়ার নয়, এই শহর অপরিপূর্ণতার নয়, এই শহর জ্যাম এর শহর, ঘুম থেকে উঠে আরেকটি নতুন স্বপ্ন জ্যাম এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার শহর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/146859/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 18:36:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;শহর&#8221;</p>
<p>ছোট্ট একটি শহর, কিন্তু হাজারো স্বপ্নের ভিড়, জ্যামে আটকে পড়ে থাকা ছেলেটা হটাৎ ই চমকে উঠে বল্লো, মামা আর কতক্ষণ? ১০.৪৭ বাজে, ১১টায় আমার ইন্টারভিউ। সময় মত না পৌঁছাতে পারলে আমার চাকরি টা যাবে!<br />
মামা- দেখেছেন ই তো কত্তো জ্যাম! এর মধ্যে দিয়ে যামু ক্যামনে কন তো? এইতো ২মিনিটের হাঁটা দিলে আপনি পৌঁছায়া যাবেন।!<br />
সজল- আচ্ছা মামা কত দিবো?<br />
মামা-&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-146859"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/146859/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d8c5b2b5c780f373f3b05513b11a440</guid>
				<title>Rakib Joy and Nilufar Ghani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139451/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 18:02:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">773483ba7e78522a3f8069072c3ae3ee</guid>
				<title>Rakib Joy and Halima-Moly are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139197/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 10:01:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0589acb1b1fb16f820c2e41250fc315b</guid>
				<title>Rakib Joy and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139191/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 09:58:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">adb1c28254f526c5787c6de9069679d4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139093/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Aug 2022 05:48:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6614079efab2b372161a2a4a55913692</guid>
				<title>প্রীয় নীল,
দেখো আজও এই ঘর- চারটি দেয়ালেই সীমাবদ্ধ, কিন্তু কি মনে হয় জানো, ঘরটি ঘিরে যেনো কত হাজার হাজার দেয়াল সৃষ্টি হয়েছে! নইতো এক চিলতে আলো কি ঘরটিকে উজ্জ্বল করার ক্ষমতা রাখতো না? সেই যে আলোকোজ্জ্বল ঘরের এক অতৃপ্ত মায়া যেনো আর আমাকে আলিঙ্গন করে না, কত বছর হয়ে গেলো ঘরটি আজও অন্ধকারাচ্ছন্ন!!!
যে সুগন্ধ তোমাকে আলিঙ্গন করে, 
সে সুগন্ধ বাতাসে মিশ্রিত বিষ ঢেলে দেয়! 
যে জল তোমার তেষ্টা মেটায়, 
সে জল ক্রমশঃই পাত্র বদলাই! 
যে বিছানা তোমাকে তৃপ্ত করে, 
সে বিছানা সাড়ে তিন হাত মাটিতে সংকোচিত! 
ফিরে দেখো প্রিয়-
তোমার লাবণ্য অতি শীঘ্রই নিপিড়ীত। 
আচ্ছা নীল, তোমর লাবণ্য কি জীবনধারী? এই লাবণ্যের শক্তিতেই তো তুমি ঘর ছেড়ে প্রাসাদের আচ্ছাদনে প্রবেশ করেছিলে তাই নয় কি? তোমার লাবণ্যের উজ্জ্বলতা নিভে গেলে পথ হারিয়ে ভেঙ্গে পড়ো না! ভাঙ্গা পথের শুরু তুমি যেখানে করেছিলে ঠিক সেখানে ফিরে এসো, দেখবে আমার ঘরের অন্ধকারে, পুরনো এলবামে লুকিয়ে রাখা তোমার সেই খোপাই দেয়া জবা ফুলের ছবিটি পুরো ঘরকে আলোকিত করেছে। 
                                                    ইতি
                                            - তোমার, অন্ধকার!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138801/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 18:59:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রীয় নীল,<br />
দেখো আজও এই ঘর- চারটি দেয়ালেই সীমাবদ্ধ, কিন্তু কি মনে হয় জানো, ঘরটি ঘিরে যেনো কত হাজার হাজার দেয়াল সৃষ্টি হয়েছে! নইতো এক চিলতে আলো কি ঘরটিকে উজ্জ্বল করার ক্ষমতা রাখতো না? সেই যে আলোকোজ্জ্বল ঘরের এক অতৃপ্ত মায়া যেনো আর আমাকে আলিঙ্গন করে না, কত বছর হয়ে গেলো ঘরটি আজও অন্ধকারাচ্ছন্ন!!!<br />
যে সুগন্ধ তোমাকে আলিঙ্গন করে,<br />
সে সুগন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138801"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138801/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">10884c42785d74b8a797f5cb4955c15d</guid>
				<title>Rakib Joy changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138793/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 18:23:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>