<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | RD | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rdristy/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rdristy/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for RD.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 26 Jul 2026 07:12:31 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3a313ca053f3c12153722ced328d2c89</guid>
				<title>কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহরটা পুরো অন্য রঙ ধারণ করেছে,এই ঋতুটার সৌন্দর্য্য বোধ হয় এই কুয়াশার গভীর আস্তরনেই।পরিবেশটা একদম নিস্তব্ধ,এত নীরব ঢাকা আমি কখনো দেখিনি।মাঝে মাঝে হয়তো শহরটারও নিশ্চুপ হয়ে যেতে ইচ্ছে হয়।তবে এই নীরবতা হয়তো নিয়ম পরিপন্থী তাই খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে বলে মনে হয়না।একটুপর নতুন বছর পালনে সবাই ব্যস্ত হয়ে যাবে,কত আলো,কতো আনন্দে ভরে যাবে ধরা!কতশত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে হয়তো।আমার বারান্দা থেকে নিলুর ঘরের বারান্দাটা দেখা যায়,অনেক স্মৃতি জমা আছে ঐ জায়গাটায়,কতশত আড্ডা,মান অভিমান,কাকিমার হাতের লুচি তরকারি আরো কতো কি!এক বছর আগেও সবটা পরিপূর্ণ ছিলো অথচ আজ কি অসম্ভব শূন্যতা। কেবল একটা মানুষ নেই বলে জীবনের কতো কিছু থেমে যায়,কতো আয়োজন বাতিলের খাতায় পরে যায়।কাউকে এতটা গুরুত্ব বোধহয় কখনোই দিতে নেই যে সে চলে গেলে সবটা নিঙ্গড়ে  নিয়ে যায়।

পাশে হাত রাখতেই চায়ের কাপটা পড়ে ভেঙ্গে গেলো।মা চা দিয়ে কখনোই বলে যায় না,এই অভ্যেসটা উনার বদলানোই সম্ভব না।তবে কি আজ আর চা খাওয়া হবে না!!মায়ের শখের কাপটা ভেঙ্গেছি আজ খাবার জুটবে কিনা কে জানে আমি আছি চা নিয়ে।অবশ্য চা হলে আর কিছুই যেনো লাগবে না এমনটা ভেবে আরেক কাপ চাওয়াই যায়।
মা,মানুষটা বড্ড মায়াময়।এতো মায়াভরা মুখ আমি আর দেখিনি।
যাক গে  এই মায়াবতী মানুষটার মুখ চেয়ে গোটাকয়েক গালমন্দ সয়ে নেয়াই যায় তবে তা যে টানা ২ ঘন্টা যাবৎ চলবে আমি বুঝতে পারিনি।অবশেষরূপে আরেক কাপ চা এলো,তবে এবার এলো দাদুর রেখে যাওয়া পুরনো স্টিলের গ্লাসে।মা নাকি পণ করছেন আগামী ১মাস যাবতীয় সকল পানীয় আমাকে এতেই দেওয়া হবে।হাহাহা....
চা শেষ না করতেই চারদিকে কলরব শুরু হলো।আমরা মানুষগুলো বড্ড অস্থির, সুখ নামক অদ্ভুতুড়ে সময়টা এতো তাড়াহুড়ো করে শেষ করে ফেলি!!!মানুষ নামক প্রাণীটিকে নিয়ে ভাবতে বেশ লাগে।হঠাৎ কোথথেকে একটা বিড়াল এসে জুটলো,প্রাণী নিয়ে গবেষণাকালে এই প্রাণী এসে জুরে বসবে ভাবিনি,কিছুক্ষণ পরে টের পেলাম সে একা আসেনি,অবশ্য গত একবছর ধরে সে কখনোই একা আসে না।তবুও প্রতিবার আমি অবাক হই তার সাথে আসা তরুণীকে দেখে।ঠিক নিলুর মতো দেখতে,নিলুর বর্ণনা করতে বসলে লোকে আমায় প্রেমিক বলবে যা আমি কোনো কালেই হতে চাইনি।তবে নিলুর গালে টোল পড়তো এই তরুণীর তা নেই।
আমি বললাম কে নিলু এলি?
আহ্লাদী কণ্ঠে বলে উঠলো,আমি ছাড়া তোমার ঘরে আর কে আসবে গল্পসল্প?
নিলু আমায় এ নামেই ডাকতো।
নিলু আরো বললো,চলোতো এবার ছাদে যাই,আজ দাদা অনেকগুলো ফানুস এনেছে,তোমার সাথে উড়াবো।তুমি লাাল রঙেরটা আর আমি নীল।বলেই আচমকা চলে গেলো।আমাকে ফেলেই পালালো।
জীবনে কিছু মানুষ থাকে যারা আামাদের সাথেও থাকবেনা আবার পুরোপুরি ছেড়েও যাবে না।দোদুল্যমান একটা অবস্থা।
নিলু চলে যাওয়ার পর থেকে এ পারায় যতোগুলো উৎসব হয়েছে সবগুলোতে আমি আর ও এভাবই ফানুস উড়িয়েছি।আমি লাল রঙের আর ও নীল।
এটাকে আলোয় ভেসে যাওয়া বলে নাকি আরো অন্ধকারে ডুবে যাওয়া বলে আমি সত্যি জানিনা,জানতে চেয়েছি কিনা তাও সন্দেহ আছে।।
নিলুর মতো,
নতুন বছরেও পুরোনো কিছু থাক...........
&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/186949/</link>
				<pubDate>Sat, 31 Dec 2022 19:54:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহরটা পুরো অন্য রঙ ধারণ করেছে,এই ঋতুটার সৌন্দর্য্য বোধ হয় এই কুয়াশার গভীর আস্তরনেই।পরিবেশটা একদম নিস্তব্ধ,এত নীরব ঢাকা আমি কখনো দেখিনি।মাঝে মাঝে হয়তো শহরটারও নিশ্চুপ হয়ে যেতে ইচ্ছে হয়।তবে এই নীরবতা হয়তো নিয়ম পরিপন্থী তাই খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে বলে মনে হয়না।একটুপর নতুন বছর পালনে সবাই ব্যস্ত হয়ে যাবে,কত আলো,কতো আনন্দে ভরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-186949"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/186949/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9225879066d92f29fcea2a28da8bf46f</guid>
				<title>‘একজন বোধহয় থাকা দরকার যাকে সব কথা বলা যায়&#039;

হয়তো দরকার। কিন্তু সেই একজন যে সবসময় কথাগুলো একি ভাবে শুনবে তার কি  নিশ্চয়তা?প্রশ্নটা নীলার কাছে করেই সে উঠে গেলো।

কিছু মানুষ উত্তর চায়না কেবল ভাবাবে বলে প্রশ্ন করে  পালিয়ে যায়। নীলা তাকে এমন একটা মানুষের তালিকায়  অনেক আগেই রেখেছিলো।নিজের কল্পিত তালিকাপত্রের সূচনাটি সঠিক দেখে বেশ আনন্দ হচ্ছে নীলার।

কিন্তু আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই লোকটি ফিরে এলো।
আকাশে থালার মতো একটা চাঁদ সাথে এক থালি জ্যোৎস্না। পাশে একটা মনের মত মানুষ  থাকলে বেশ সুখময় হতে পারতো সময়টা।নীলারা পাশে একজন অপ্রিয় লোক।তবে লোকটি নীলার বাবার খুব প্রিয়।যদিও তার কোনো উপযুক্ত কারণ নীলা খুঁজে পায়নি।বাবার অকারণে লোককে ভালো লাগে।এটা তার বিশেষ একটা রোগ হতে পারে।

অপ্রিয় লোকটাকে নিজের মনের কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিলোনা তবুও অপ্রয়োজনীয় কাজগুলোই আমাদের আগে করতে হবে। নীলার মনটা যে ভীষণ খারাপ সেটা তাকে জানিয়ে দিলো।
লোকটার ভ্রুক্ষেপ নেই কারো মন খারাপে, মন খারাপ কেবল কিছু সময়ের চুপ করে থাকা ছাড়া আার কিছুই নয়,যা দিন শেষে নিজেকেই ঠিক করতে হয়।কেউ এসে তোমার মন ভালো করার কাজে লেগে যাবে এটা ভাবাও  অপরাধ।
তাই বিষয়টা নিয়ে  লোকটার মাথা ব্যাথা নেই।তার চেয়ে আগের বিষয়টাই বেশি চমকপ্রদ। 
‘একজন বোধহয় থাকা দরকার যাকে সব কথা বলা যায়&#039;

নীলা,সেই একজন কি আমি?যাকে তুমি সব কথা বলতে পারো?
 আবার একটা প্রশ্ন।

এবার নীলার রাগ হতে লাগলো।তবে অপ্রকাশ্য।
জানিনা, এখনো ভেবে দেখিনি।

এতো সহজ একটা উত্তর  লোকটা আশা করেনি,এতো সহজ নীলাকে কখনোই মনে হয়নি।তার মানে সত্যিই নীলার মনটা খারাপ।
আচ্ছা নীলার মন খারাপটা কি ঐ ছেলেটার জন্য যার ছবি অন্য একটা মেয়ের সাথে গতকাল দেখা গেছে? কিন্তু তার প্রতি নীলার আগ্রহ কখনো টের পাইনি।
হয়তো  কিছু প্রিয় কাব্য অনাগ্রহেই লুকায়িত।
নাকি 
‘একজন বোধহয় থাকা দরকার যাকে সব কথা বলা যায়&#039; এই বোধটা নীলাকে ভাবাচ্ছে। অতিরিক্ত ভাবনায় মানুষের মন অকারণেই খারাপ হয়ে যায়।
মানুষ যখন নিজেই মন খারাপের কারণ জানেনা তখন আর মন ভালোও করতে পারে।তখন চায় কেউ এসে যত্ন করে এক টুকরো সুখ দিয়ে যাক।
লোকটি বুঝতে পারছে নীলা তার কাছে এখন সেই কামনাই করছে,কেবল বলতেই যত অসঙ্গতি।
কিন্তু কিছু কথা বলে দিলেই হয়তো পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায় কিন্তু রহস্য কেটে যায়,যা নীলার মতো মানুষরা চায় না।রহস্য তৈরি যাদের কাজ তাদের রহস্য ভাঙ্গলে চলেনা।
নীলার মন ভালো হলো না। কেবল মায়াভরা অস্পষ্ট দৃষ্টি আবিষ্কৃত হলো।অপ্রিয়ও প্রিয় হতে পারে................

&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/138621/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Aug 2022 09:12:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‘একজন বোধহয় থাকা দরকার যাকে সব কথা বলা যায়&#8217;</p>
<p>হয়তো দরকার। কিন্তু সেই একজন যে সবসময় কথাগুলো একি ভাবে শুনবে তার কি  নিশ্চয়তা?প্রশ্নটা নীলার কাছে করেই সে উঠে গেলো।</p>
<p>কিছু মানুষ উত্তর চায়না কেবল ভাবাবে বলে প্রশ্ন করে  পালিয়ে যায়। নীলা তাকে এমন একটা মানুষের তালিকায়  অনেক আগেই রেখেছিলো।নিজের কল্পিত তালিকাপত্রের সূচনাটি সঠিক দেখে বেশ আনন্দ হচ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-138621"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/138621/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0d0635aecf7f5d6ca35c24d94ed9ac0a</guid>
				<title>জীবনের এক একটা মোড় এক একটা গল্প শোনায় আর সময় তার চিত্র আঁকে....আজকের ক্ষাণিকটা চেনা শহর  একটা সময় অনেক দূরের ছিলো অথচ আজ দেখো কেমন সন্ধি করেছি।প্রথম যখন আসি এই কোলাহলের ভিড়ে খুব ভয় করছিলো,,যদি কাছে মানুষগুলো  ভুলে যায় কিংবা শহরটা কাছের হলেও যদি কোনো কাছের মানুষ না হয়!!!!আমরা মানুষের প্রিয় হতে বড্ড ভালোবাসি যার প্রয়োজনীয়তা সত্যিই নেই।তবে আমি আর ব্যতিক্রম হলাম কই!! কিন্তু সময় বড্ড অদ্ভুতরস!!কাছের মানুষগুলো ছেড়ে যায়নি,কাছের বলেই  হয়তো যেতে পারেনি।তবে চেনা জানা মানুষগুলো আগের মতই আছে বলা চলে না।কিন্তু কয়েকটা মানুষ থাকে!কয়েকটা মানুষ  আছে!
এই শহরটা একটা সময় একটা মানুষের স্বীকারপত্র লিখেছিল আবার স্থির দুটো চোখ কারো প্রস্থান দেখেছিলো, সময় ফুরাতেই একটা গল্পও শেষ করে দিয়েছিলো....ঐ যে সেদিন অনেকটা পথ পার করে নিজের সময়গুলো ভেলায় ভাসাতে ছুটে আসা একটা অপ্রিয় মানুষকে দেখেছিলাম,হয়তো ঐ সময়ভর সেও একটা গল্প...সান্ধ্য আলো আর ল্যাম্পপোস্টের গল্প!যেখানে রিকশার ধীরগতিও তার কাছে বড্ড চঞ্চল......
সকাল বেলায় ঘিরে থাকা মানুষগুলো  আস্তে আস্তে কমতে থাকে,হয়তো তাদের সময় ঐটুকুই..
আবার দুপুরের প্রচন্ড রোদেও কিছু মানুষ পাশাপাশি হাঁটতে পারে কিংবা বাসের নষ্ট ফ্যানটার নিচেও অনায়াসে গল্প জুরে.. ঐ যে কয়েকটা মানুষ থাকে!!কয়েকটা মানুষ আছে!!
বিকেলের রাস্তার পাশের প্রিয় চা স্টলের চায়ের সঙ্গী কেন জানি ঐ মানুষটাই হতে পারে!!হয়তো সময়টা তখন তা জন্যই তোলা থাকে...
শতশত ভালো না লাগার সময়গুলো কিছু মানুষ ভরিয়ে দিতে পারে শুধু সময়গুলো ভিন্ন ঘড়ির কাটা খোঁজে....
ঐ যে কয়েকটা মানুষ থাকে!কয়েকটা মানুষ আছে.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/117931/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jun 2022 15:59:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের এক একটা মোড় এক একটা গল্প শোনায় আর সময় তার চিত্র আঁকে&#8230;.আজকের ক্ষাণিকটা চেনা শহর  একটা সময় অনেক দূরের ছিলো অথচ আজ দেখো কেমন সন্ধি করেছি।প্রথম যখন আসি এই কোলাহলের ভিড়ে খুব ভয় করছিলো,,যদি কাছে মানুষগুলো  ভুলে যায় কিংবা শহরটা কাছের হলেও যদি কোনো কাছের মানুষ না হয়!!!!আমরা মানুষের প্রিয় হতে বড্ড ভালোবাসি যার প্রয়োজনীয়তা সত্যিই নেই।তবে আমি আর ব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-117931"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/117931/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5d0c0e729cfd2b9cc82704f8a37852f2</guid>
				<title>কয়েকবছর আগে হঠাৎ করেই একটা পাখি ঠিক যাকে বলে উড়ে এসে জুড়ে বসা তেমন করে আমার ঘরে এসে বসে।আমি খুব একটা পাত্তা না দেওয়ায় কিছুক্ষণ পর চলেও যায়।পরদিন আবার আসে।কি জানি কি উদ্দেশ্য তার।আমার ঘরটা বেশ ছোট,সাধারণ। দুপুরের তীব্র রোদ ঘরে ঢোকার অনুমতি না পেলেও,বিকেলের মিষ্টি আবির মাখানো গোধূলির সবটুকু রঙ দেয়াল জুড়ে থাকতো,বিশেষত্ব বলতে এইটুকু।এই রঙ যে একটা পাখিকেও আকর্ষিত করতে পারে আমার তা জানা ছিলো না!খাঁচায় বন্দি পাখিগুলো আমায় বেশ ভাবাতো,কিন্তু এ পাখিকে নিয়ে ভাবতে চাচ্ছিলাম না। কাউকে নিয়ে বেশি ভাবলে আবার মায়া জন্মে যাবে,যা আমি মনের অজান্তেও চাই না।তবে সবসময় যা চাই তেমনটাই যে হবে তাও তো না।এরপর সে রোজ আসা শুরু করলো,আমার অনুমতির তোয়াক্কা না করেই,,,,নিজের মতো হাসতো,খেলতো,,,,আমাকেও হাসাতো।আমার প্রতি তার যে এক অকারণ কর্তব্য আছে সেটা জানান দিতো রোজ....এভাবে কে রোজ খোঁজ নিবে আমার এটাই বোঝাতো হয়তো!!!নাহ আর ignore করা গেলোনা,মায়া পড়ে গেলো।নিজেকে মায়াবতী মনে হলো।পৃথিবী তে ভয়ংকর ব্যাপার গুলোর একটি হলো মায়া।বন্দি করে দিলাম পাখিটাকে,ভাবলাম মায়ায় বেধেছি!ভুলটা এখানেই হলো।পাখিটা আজ মুক্তিপ্রার্থী, তাকে মুক্ত করতে হবে নয়তো সে আন্দোলনে সামিল হবে,আজ আর তার মায়া নেই।আমিও বড্ড ভালো মানুষ তাই তাকে এক আকাশ মুক্তি দিলাম!!!!!
&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/89149/</link>
				<pubDate>Wed, 12 Jan 2022 14:38:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কয়েকবছর আগে হঠাৎ করেই একটা পাখি ঠিক যাকে বলে উড়ে এসে জুড়ে বসা তেমন করে আমার ঘরে এসে বসে।আমি খুব একটা পাত্তা না দেওয়ায় কিছুক্ষণ পর চলেও যায়।পরদিন আবার আসে।কি জানি কি উদ্দেশ্য তার।আমার ঘরটা বেশ ছোট,সাধারণ। দুপুরের তীব্র রোদ ঘরে ঢোকার অনুমতি না পেলেও,বিকেলের মিষ্টি আবির মাখানো গোধূলির সবটুকু রঙ দেয়াল জুড়ে থাকতো,বিশেষত্ব বলতে এইটুকু।এই রঙ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-89149"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/89149/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">afea4bd0391b3ddaf98f2353aa409930</guid>
				<title>কুয়াশার আস্তরণে ডুবে থাকা পৃথিবীটাও বেলা গড়াতেই রৌদ্রাবৃত হতে চায়।মুঠো ভর্তি রোদ নিয়ে ছুটে বেড়ায় এদিক সেদিক,হয়তো কত শত পথ....যে শিশির বিন্দু কাব্য তৈরি করে ততক্ষণে সেও অদৃশ্যে হারায়।অন্ধকার লাইব্রেরিটাতেও পূর্ব কোণের জানালাটা ঠিক আলো এনে দেয়,দৃশ্যমান হয় অগণিত বই...ঘুম ভাঙ্গাবে বলে আচমকা চলে আসে দক্ষিণা হাওয়া,যদিও দক্ষিণের জানালাটা বন্ধই থাকে বেশিরভাগ।শুরু হয় জনমানবে আনাগোনা, ক্রমেই ছিটেফোঁটা থেকে বাড়তে থাকে সেই কলরব।তবে আজ কেমন যেন ভিন্ন লাগছে সব,প্রতিটা সকালের মতো দেখতে সাধারণ কিন্তু  কোথাও যেন মানতে ইচ্ছা করছিলো না সত্যিই সাধারণ। পৃথিবীতে নিজের সাথে যুদ্ধ  হয়তো সব থেকে বিড়ম্বনার বিষয় তাই বেশ অনেকটা সময় কেটে গেলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো গেলো না...লাইব্রেরিটা খুলতে আজ বড্ড দেরি হয়ে গেলো,,,অবশ্য হর হামেশা দেরিটা হয় না বলে পাঠকসমাজ আমাকে ক্ষমা করলেও করতে পারে...কিন্তু ক্ষমা কি চাইলেই পাওয়া যায়!!!ক্ষমা না পেলেও গতকালের কারো রেখে যাওয়া একটা পাণ্ডুলিপি  পাওয়া গেলো আমার টেবিলে। ইশ!!!!এটা নিয়ে গতরাতে ভাবার কথা ছিলো অথচ সাধারণ কাজের অজুহাতে এই অসাধারণ বিষয়টাই মাথায় আসেনি।কি আছে এই হলুদ রঙের পাণ্ডুলিপিতে??? হয়তো ভালোবাসায় আচ্ছান্ন কোনো গল্পজোট অথবা ভয়ংকরতম কল্পনারস কিংবা আবেগী উপন্যাস,,,,,,আরো অনেক কিছুই তো হতে পারে,নিজের মতো ভেবে নেওয়াটা কি উচিত হবে? তবে নিজের মতো ভেবে নেওয়াটা কিন্তু বেশ মজার অন্য কারোর অনধিকার প্রবেশে দরজাটা থাকেনা।এই বিষয়টি অনুধাবন করেছিলাম আমার বন্ধু আবুল কে দেখে,কোনো ঘটনা ঘটলেই সে নিজের মতো সেটার এক চমকপ্রদ অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ বানিয়ে ফেলতো....ইদানীং অবশ্য তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে।যাক সেসব কথা।

পান্ডুলিপিটা হলুদ রঙের কেনো?এই বিষয়টা আমাকে বেশ ভাবাচ্ছে অথচ পড়তে ইচ্ছে করছে না,তবে বিস্ময় কাজ করছে ষোলআনা.. কিছু জিনিস এমনি হয় যতক্ষণ অজানা ততক্ষণ ই বিস্ময়কর আবার জেনে গেলেই পানসে হয়ে যায়...
রেবা আর আমার মধ্যেও এমনটাই ঘটেচিলো।রেবার কাছে আমি একটা বইয়ের মতো ছিলাম,ও প্রতিদিন আমাকে পড়তো এক একটা বইয়ের পৃষ্টার মতো আর বিস্ময় খুঁজে পেত,(অবশ্য এটা ওর ভাষ্য আমিতো আমার মাঝে কোনো বিস্ময় কোনোকালেই পাইনি) কিন্তু বেচারি বুঝতে পরেনি বইটা পড়া হয়ে গেলে আমিও সাধারণ হয়ে যাবো।আচ্ছা! ও তো আমাকে একটা লাইব্রেরি ভাবতে পারতো! তাহলে আরো দীর্ঘ সময় আমি ওর অভ্যেস হতে পারতাম...আজ রেবার কথা খুব মনে পড়ছে....স্যার জীবনানন্দ দাশের  ভাষায় বলতে ইচ্ছে করছে-----
   কোনো এক অন্ধকার লাইব্রেরির                  নিস্তব্ধ হলুদ পাণ্ডুলিপির মতো  দেখলাম তাকে,
      শ্রাবণের রৌদ্রে রেবা নদীর মতো ছিলো যে একদিন...........


&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/88536/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Jan 2022 20:29:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুয়াশার আস্তরণে ডুবে থাকা পৃথিবীটাও বেলা গড়াতেই রৌদ্রাবৃত হতে চায়।মুঠো ভর্তি রোদ নিয়ে ছুটে বেড়ায় এদিক সেদিক,হয়তো কত শত পথ&#8230;.যে শিশির বিন্দু কাব্য তৈরি করে ততক্ষণে সেও অদৃশ্যে হারায়।অন্ধকার লাইব্রেরিটাতেও পূর্ব কোণের জানালাটা ঠিক আলো এনে দেয়,দৃশ্যমান হয় অগণিত বই&#8230;ঘুম ভাঙ্গাবে বলে আচমকা চলে আসে দক্ষিণা হাওয়া,যদিও দক্ষিণের জানালাটা বন্ধই থাকে বেশির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-88536"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/88536/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7741d1cc4386d5347340f29b2ff97b59</guid>
				<title>সব গল্পের হয়তো শেষ থাকে না।
সময়ের স্রোতে ভেসে বেড়ানো প্রতিটা মানুষ কেবলি একটা সরল সমীকরণ খুঁজতে থাকে।দীর্ঘ মনে হওয়া পথটা হয়তো ক্ষীণ  হতে থাকে সুখে আবৃত মানুষগুলোর কাছে কিন্তু অপেক্ষার্থীর প্রহর তো ফুরায় না...এভাবে চলতে চলতে হঠাৎ দেখা হওয়া কিছু মানু্ষের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে।সম্পর্ক গুলো সরল সমীকরণের গণ্ডি পার করে শুধু যে জটিল হয় তা না তৈরি হয় নতুন একটা গল্প...রাগ, অভিমান আর ঝগড়ার মিশ্র অনুভূতির বেড়াজালে বাধা গল্পজোট হোক না অপরিণত, হোক না রবীঠাকুরের ছোট গল্পের মতো &quot;শেষ হইয়াও যার হয়না শেষ&quot;।।
পাচিলে বসা শালিক পাখিটাও অপেক্ষা করে হঠাৎ করে উড়ে এসে অভিমানগুলো সরিয়ে দেবে তার কেউ,,আবারো দেখা যাবে জোড়া শালিক...আর আমরাতো মানু্ষ,অভিমানগুলো রোদে শুকিয়ে জরো করে রাখবোনা,,ঝুম বৃষ্টি হয়ে কেউ ধুয়ে দিবে বলে!!!!না হলে আর গল্প হলো কই!
বেলা শেষের অন্তিম ক্ষণে দাঁড়িয়ে হলেও,আমাদেরো একটা গল্প হলো বলো!!ঐ যে শেষ না হওয়ার মতো গল্প..সময় পেলে বলতে বসে যাবো--সেদিন ছিলো মেঘলা আকাশ হঠাৎ করেই দেখা হয়ে গেলো.................
&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29207/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Aug 2021 17:23:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সব গল্পের হয়তো শেষ থাকে না।<br />
সময়ের স্রোতে ভেসে বেড়ানো প্রতিটা মানুষ কেবলি একটা সরল সমীকরণ খুঁজতে থাকে।দীর্ঘ মনে হওয়া পথটা হয়তো ক্ষীণ  হতে থাকে সুখে আবৃত মানুষগুলোর কাছে কিন্তু অপেক্ষার্থীর প্রহর তো ফুরায় না&#8230;এভাবে চলতে চলতে হঠাৎ দেখা হওয়া কিছু মানু্ষের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে।সম্পর্ক গুলো সরল সমীকরণের গণ্ডি পার করে শুধু যে জটিল হয় তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29207"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29207/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6be6b2e29462c55798074e456a3b5749</guid>
				<title>প্রিয়,
বহুদিন হলো তোমায় চিঠি লিখিনা,আজ কেনো জানি সব জরতা কাটিয়ে আবার প্রিয় কলম আর নোট খাতার পাতা ছিড়ে বসে পড়লাম তোমায় চিঠি লিখবো বলে।বিশ্বাস করো অনেক ভাবনাচিন্তা করে তবেই বসেছি,দক্ষিণের রুমটাতে,বেশ সুন্দর বাতাস বইছে কিন্তু,চাইমটা টুনটুন করে বাজচ্ছে ঠিক যেমন তুমি থাকতে বাজতো..খুব অদ্ভুত হলেও সত্য আশেপাশের সব কেমন যেন একি থাকে বদলে যাই কেবল আমরা রক্তমাংসধারী মানুষগুলো।মনে আছে,তুমি যখন প্রথম শহরের বাইরে গেলে চাকরির সূত্রে আমি প্রতিদিন বায়না করতাম একটা করে চিঠি লেখার জন্য,আর তুমি রাগ করে বলতে এত সময় কই!!
আমি তোমাক বোঝাতেই পারতাম না তুমি চিঠির প্রতিটি শব্দে আমায় কত যত্নে ব্যাখ্যা করো,কি উপমায় সাজিয়ে তুলো শুধু সেটাই দেখার জন্য ব্যাকুল ছিলাম...কিন্তু বারংবার বলা কথাগুলো তুমি বুঝলেনা।আমি যখন অভিমান করে বলতাম আমার না বলা কথাগুলো বুঝে নাও,, তুমি বলতে না বললে বুঝব কিভাবে!!আজ বুঝি যে আমার বলা কথাগুলো বুঝেনি আর  না বলা  কথা তো........
ঐ দেখো তখনকার মতো আজও আমি অভিযোগের ডালা নিয়ে বসেছি অথচ জানতেই ভুলে গেছি তুমি কেমন আছো! তুমি ঠিকি বলতে ভুল আমারো ছিলো পার্থক্য শুধু একটাই আমি ভুল মেনে নত হতে জানি কিন্তু তুমিতো সুউচ্চ পাহাড়,নত হওয়া তোমার মানায় না তবে নিয়মটা কেবল আমার জন্যই বুঝি ছিলো...নত হতে শিখেগেছিলে অন্য কারো জন্য...
খুব খিল খিল করে হাসতে ইচ্ছে করছে এটা ভেবে চিঠিও লিখতে শিখেগেছিলে অন্য কারে জন্য....
ব্যর্থতাটা আমারি থেকে গেলো,আমিই পারিনি তোমায় আবেগেপূর্ণ করতে।।আবার হিংসেও হচ্ছে জানো,কত রুপে রুপায়ন করেছো তোমার প্রিয়তমাকে এটা ভেবে......
বাইরের বাতাসটা ক্রমে ভারী হয়ে আসছে আর ভারী হয়ে আসছে আমার নিঃশ্বাস... বাইরের উঠতি ঝড়টা কি কেবল বাইরের ই নাকি আমার ভেতরটা তছনছ করে দেওয়ার জন্যও যথেষ্ট।। কিন্তু এমনতো কথা ছিলোনা।শেষবার যখন দেখা হলো,আড় চোখে তাকিয়েছিলে বেশ কয়েকবার,কি দেখছিলে ভালো আছি কি না!ভালো থাকা বুঝি চেহারায় আঁকা থাকে!!!হ্যাঁ বেশ ভালো আছি,এই ভালো থাকায় বড় ক্লান্ত আমি।বায়না করতে ভুলে গেছি,অভিমান গুলোকে মুছে ফেলেছি,তবে তোমার মতো হতে পারিনি।আচ্ছা তোমার প্রিয়তমা কি চিঠির উত্তর দিয়েছিলো??সেদি হঠাৎ কিসের টানে পটু দার দোকানে চলে গেছিলাম,পটুদাও ভুল করে বানিয়ে ফেলেছিল তোমার আমার স্পেশাল লেবু চা এক চামচ চিনি আর একটা লবঙ্গ....পটুদাও ভুলেনি আমাদের অথচ আমরা কি করে ভুলে গেলাম!!সেদিনের পর পটুদাও বুঝে গেছিলো আমাদের পথটা কতটা বেঁকে গেছে.....
সেদিনও তোমায় দেখেছিলাম দূর থেকে কেমন ফ্যাকাস লাগছিলো মুখটা অথচ এই সুন্দর মায়াভরা মুখটার জন্য  কত মেয়ে পাগল ছিলো..তোমার কবিতা শোনার আশায় কত অপেক্ষার প্রহর জমতো অডিটরিয়ামে।একটু আধটু গান ও গাইতে,আর তোমার গানের সুর ছিলাম আমি....তখন আমি না এলে সুর আসতোনা তোমার গলায় অথচ সময় এই আমি সুরটাকে বাদ দিয়েও দিব্যি গান হয়ে যেত পরে....রেডিও তে রোজ শুনতাম।ভার্সিটি তে থাকার সময় গ্যাস্ট্রিকে ব্যাথায় যেবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম,আহা কি ব্যাকুলতা দেখেছিলাম তোমার চোখে,ভালোবাসার অনুভূতি  কত গভীর হতে পারে সেদিন দেখেছিলাম আমি।।
তবে এই এত এত ভালোবাসা কোথায় হারালো বলোতো?
আমি ছাড়া অন্য কারোর জন্যও কি এমন ব্যাকুল হতে পেরেছিলে তুমি?
নাকি অবহেলার অভ্যেসটা রয়েই গেছে!!!
আমাকে ছাড়া ভালো থাকার তো কথা ছিলো না,অবশ্য সব কথা রাখবে এমন কথাও তো দাওনি তুমি।আমি বোকার মতো সব দিয়ে বসেছিলাম,তাই আর ফেরাতে পরিনি।না তোমাকে,না তোমার জন্য সাজানো গল্পগুচ্ছ কে....


চিঠি লিখতে লিখতে কখন যে ঝুম বৃষ্টি নেমে গেছে খেয়াল ই করিনি...বারান্দায় চলে গেলাম আনমনেই,বৃষ্টির ফোটাগুলো গায়ে এসে পড়ছে।আলাপ চলে যাওয়ার পর  তেমন বৃষ্টিতে ভেজা হয়না,আসলে প্রকৃতির নিরন্তর পরিবর্তন স্মৃতিগুলোকে তাজা করে দেয়।স্মৃতি,যা মোছার সাধ্য মানুষের নেই।যদি থাকতো হয়তো মানুষ ভালো থাকতো কিংবা উল্টো টাও হতে পারে....পেছন ফিরে দেখি চিঠির পাতাগুলো তীব্র বাতাসের যাতনায় উড়ে যাচ্ছে,বহুদূরে,আকাশের কাছাকাছি। হয়তো এভাবই একদিন পৌঁছে যাবে আলাপের কাছে,তাই খুব একটা আফছোছ হচ্ছেনা।
এভাবে ভালো থাকতে থকাতে ক্লান্ত আমি এবার একটু খারাপ থাকতে চাই আলাপের সাথে,হয়তে অন্য কোনো নদীর ওপারে..........!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7794/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Apr 2021 20:10:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়,<br />
বহুদিন হলো তোমায় চিঠি লিখিনা,আজ কেনো জানি সব জরতা কাটিয়ে আবার প্রিয় কলম আর নোট খাতার পাতা ছিড়ে বসে পড়লাম তোমায় চিঠি লিখবো বলে।বিশ্বাস করো অনেক ভাবনাচিন্তা করে তবেই বসেছি,দক্ষিণের রুমটাতে,বেশ সুন্দর বাতাস বইছে কিন্তু,চাইমটা টুনটুন করে বাজচ্ছে ঠিক যেমন তুমি থাকতে বাজতো..খুব অদ্ভুত হলেও সত্য আশেপাশের সব কেমন যেন একি থাকে বদলে যা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7794"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7794/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d2a7efb8106213b007caf56a1a1e1950</guid>
				<title>আজকাল আর কারো সাথে তেমন কথা বলতে ভালো লাগেনা।আস্তে আস্তে কথাগুলো কেমন জরাগ্রস্ত হয়ে আসছে।অবশ্য আমার সাথে কথা বলার জন্য যে হাজারো মানুষ বসে আছে তাও নয়।বরং সবাই গা বাঁচিয়েই চলে।কি আপন আর কি পর।একসাথে থাকতে থাকতে কিছু আপন মানুষ বিরক্তি প্রকাশ করে আবার কিছু আপন মানুষ একসাথে না থাকতে পারার অপরাধে ছেড়ে চলে যায়,অন্য কাউকে আপন বানিয়ে ফেলে।কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আপন মানুষের অর্থ কি এটাই??
জীবন পার হয়ে যাচ্ছে,বয়স বেড়ে যাচ্ছে অথচ এখনো কত প্রশ্নের সংগ্রহশালা বয়ে বেরাচ্ছি যার উত্তর না আমি খুঁজে পাবো না আমাকে কেউ খুঁজে দেবে....মাঝে মাঝে কিছু মানুষ আমাকে ছেড়ে চলে যায়,মাঝে মাঝে আমি কাউকে ছেড়ে চলে আসি,এটাই নাকি জীবনের  balance,,,তারা আমায় ছাড়লে প্রশ্ন তোলা মানা কারণ নিঃশ্চয় আমার দোষ ছিলো অথচ আমি ছাড়লে প্রশ্নবোধক চিহ্নটা আমার নিয়তের উপর লাগানো হয়,সব দোষ কি একটা মানুষের ই হয়???
জীবনের একটা পর্যায়ে যখন সবার সাথে ভালো ছিলাম তখন কেউ বিশ্বাস ই করতোনা,সামনে হাজারো ভালোবাসর অভিনয় করে আড়ালে বলতো ওর ভালোমানুষিটা পুরোটাই অভিনয়,,অথচ অভিনয়টা কে করলো????জীবনের আরো একটা পর্যায়েও যখন একি রকম থাকলাম  লোকে উপাধি দিলো বোকা, এটাই পাওনা ছিলো???
ভালোবাসা,বন্ধুত্ব,মায়া,স্নেহ সবগুলো শব্দ যখন একসাথে দূরে ঠেলে দেয় তখন বাঁচাটা কঠিন হয়ে যায়।
কারো পা না থাকার কষ্ট দেখে জুতো পড়তে না পারার কষ্ট ভুলা গেলেও নিজের  পৃথিবীর নিজের মানুষগুলো অচেনা হয়ে গেলে,ভালোবাসা কমিয়ে দিলে তার তুলোনা কি কিছু দিয়ে করা যায়?????
এত বছর বাঁচার মতো বাঁচার পর হঠাৎ জীবনের মাঝ পৃষ্ঠায় এসে যদি একটা বড় শূণ্য দেখা যায় তখন পরের পৃষ্ঠাগুলো এগুতে ভয় হয়।কারণ একি দুঃখ বারবার পেলে হয়তো নিজেকে সামলাতে পারেনা সবচেয়ে শক্ত মানুষটাও........

&#x270d;megh</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7738/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Apr 2021 15:28:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আজকাল আর কারো সাথে তেমন কথা বলতে ভালো লাগেনা।আস্তে আস্তে কথাগুলো কেমন জরাগ্রস্ত হয়ে আসছে।অবশ্য আমার সাথে কথা বলার জন্য যে হাজারো মানুষ বসে আছে তাও নয়।বরং সবাই গা বাঁচিয়েই চলে।কি আপন আর কি পর।একসাথে থাকতে থাকতে কিছু আপন মানুষ বিরক্তি প্রকাশ করে আবার কিছু আপন মানুষ একসাথে না থাকতে পারার অপরাধে ছেড়ে চলে যায়,অন্য কাউকে আপন বানিয়ে ফেলে।কিন্তু আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7738"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7738/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>16</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">657aa2fde0e27baaa56866abe784bf71</guid>
				<title>সে আলোর গভীরে লুকিয়ে থাকা হঠাৎ সন্ধ্যে,যখন চলে আসে তাকে উপেক্ষা করা যায় না বরং বরণ করে নিতে হয় নিজের আলোয়।আস্তে আস্তে  কুয়াশার গভীরতা বাড়তে থাকে আর দূরের সরল পথ  কেবলি যেমন মরিচিকার মায়াজাল বুনতে থাকে তেমন সে,,,,দেখতে পাচ্ছি  অথচ সে অস্পৃশ্য ঠিক যেন অশরীরী..প্রতিটি শরীরী প্রাণীর হয়তো  একটি করে অশরীরী সত্ত্বা থাকে,যেখানে সে পূর্ণতা পায়,নিজেকে অনুসন্ধান করে,অভিনয়টা সেখানে খামখেয়ালি বায়না মাত্র...রাতের তীব্র অন্ধকার তার গা ঘেঁষে থাকে অথচ সে এক অদ্ভুত আলোকসজ্জা,, ভোরের মতো শান্ত কিন্তু শীতের শিশিরের মতো টলমলে,
এক নারীচিত্র যার চোখে আগুন জ্বলে...............
&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5645/</link>
				<pubDate>Fri, 02 Apr 2021 09:25:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সে আলোর গভীরে লুকিয়ে থাকা হঠাৎ সন্ধ্যে,যখন চলে আসে তাকে উপেক্ষা করা যায় না বরং বরণ করে নিতে হয় নিজের আলোয়।আস্তে আস্তে  কুয়াশার গভীরতা বাড়তে থাকে আর দূরের সরল পথ  কেবলি যেমন মরিচিকার মায়াজাল বুনতে থাকে তেমন সে,,,,দেখতে পাচ্ছি  অথচ সে অস্পৃশ্য ঠিক যেন অশরীরী..প্রতিটি শরীরী প্রাণীর হয়তো  একটি করে অশরীরী সত্ত্বা থাকে,যেখানে সে পূর্ণতা পায়,নিজেকে অনুসন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5645"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5645/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41c886190da493be1934c70eb03cdf8d</guid>
				<title>প্রিয় কৃষ্ণকলি,
আজকে বিকেল থেকেই প্রচুর বৃষ্টি পরছে। অসময়ের বৃষ্টি গুলোকে হয়তো একটু বেশিই ভালো লাগে।মেঘে মেঘে ঘর্ষন হয়, আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় আর তারপর বৃষ্টি শুরু হয়। আচ্ছা এর সাথে তোমাকে মনে পরার কি connection?  আমি সত্যিই খুঁজে পাই না। তবে এই বৃষ্টি তোমাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেয় বারবার।
তোমার আর আমার তো এতো পার্থক্য! তবুও তোমাকে আমার করার কি দীর্ঘ প্রতিক্ষা আমার! আমি ধবধবে সাদা আর তুমি শ্যামবর্ণ। আমি চিরকাল স্বপবান মানুষ আর তুমি বেখেয়ালি। আমি ভালোবাসি বৃষ্টি আর বৃষ্টিতে তোমার আসে জ্বর। আমি ভালোবাসি দুধ চা, তোমার ভালোবাসা লেবু চা। ওহ্ তুমি আবার ভালোবাসাই পছন্দ করো না.. কেনো? জীবনে ভালোবেসে ঠকেছিলে নাকি? একদিন কথায় কথায় বলেছিলাম তুমি আমার কৃষ্ণকলি, বা বা সেকি রাগ তোমার!  আকাশ ছোয়া অভিমান।  তুমি সেদিন কৃষ্ণকলির মানে বুঝেছিলে। আমি জানি উল্টো টাই বুঝেছিলে। অথচ এতোদিনের জমিয়ে রাখা ভালোবাসা কিন্তু তুমি আজও বুঝলে না। 
সূচনা সব সময় কৃষ্ণকলির মানে রং উপহাস করা না। বরং তার পেছনে লুকিয়ে ছিলো তোমারই জন্য উপমা। বোঝো তো ভুল বোঝো কেনো? জানো পৃথিবীটা আজ ভরে গেছে সিরিয়াস মানুষে কিন্তু এর মাঝে তোমার পাগলামো দেখি মুগ্ধ হয়ে। মনে হয় তোমার মতোন একটা পাগল মানুষ.. নাহ তোমার মতো না.. এই পাগলিটাকেই যদি পেতাম!! তেমা ছাড়া রাত দিনের হিসেব টা অহেতুক নিয়ম ছাড়া আর কিছু না। আমি ভেবেছিলাম আমাকে তুমি বুঝবে, ভালোবাসবে।
সেবার মেলায় মাটির পুতুলটা কে যেমন যত্ন করে তুলে নিয়েছিলে, আমাকেও সেভাবে কাছে ডেকে নিবে কিন্তু পুতুল টাকে যেমন ফেলে এসেছিলে তেমনি আমাকেও ফেলে দিবে ভাবি নি! কাছে নিলেই না।।  আর ফেলে কি দিবে! এতো careless কেনো তুমি?  আজও কানের দুলটা কেথায় রেখেছো মনে পরে নি! নাকি কপালের টিপ পরতে ভুলে গেছো! টিপ পরলে তোমাকে কিন্তু দারুণ লাগে। পরো না কেনো? আচ্ছা আজো কি হাতে মেহেদী একাই পরেছো? সুন্দর হয়েছে?  নাকি সবার চোখের সুন্দরটা আজো ভালো লাগছেনা!!!!! আচ্ছা, বিয়ের পর তেমার বরের  care করবা তো? নাকি তখনও এমন বেখেয়ালি থাকবা! আমার কিন্তু বেখেয়ালি বউ ই দরকার ছিলো.......!শেষ একটা প্রশ্ন করি। ভালোবাসা যখন তোমার পছন্দই না তাহলে বিয়েটা করছো কেনো???
ইতি,
গল্প।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5467/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Mar 2021 10:17:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয় কৃষ্ণকলি,<br />
আজকে বিকেল থেকেই প্রচুর বৃষ্টি পরছে। অসময়ের বৃষ্টি গুলোকে হয়তো একটু বেশিই ভালো লাগে।মেঘে মেঘে ঘর্ষন হয়, আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় আর তারপর বৃষ্টি শুরু হয়। আচ্ছা এর সাথে তোমাকে মনে পরার কি connection?  আমি সত্যিই খুঁজে পাই না। তবে এই বৃষ্টি তোমাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেয় বারবার।<br />
তোমার আর আমার তো এতো পার্থক্য! তবুও তোমাকে আমা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5467"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5467/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>14</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a78c3342fb48ee66c2fca04141a1395f</guid>
				<title>RD changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5353/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Mar 2021 11:50:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">85855d7932f6fc27f103c89f2d320766</guid>
				<title>দূরপাল্লার ট্রেনের কামরাগুলো অনেক পুরনো স্মৃতি বহন করে।কতশত মনুষ বসেছে এই কামরাগুলোতে,আরও কত মানুষ বসবে কতকাল ধরে।কত ভালোবাসার স্পর্শ মিশে আছে দেওয়াল গুলোতে,আবার ছেড়ে চলে যাওয়ার বেদনার সাথে সাথে হারিয়ে ফেলার চিৎকারও আছে।সবই এখন স্মৃতি এবং আরও কিছু স্মৃতি হওয়া বাকি......
বিনোদিনির সাথে প্রথম দেখা এই ট্রেনের একটি কামড়াতে,বয়স ১৫/১৬ হবে।প্রথম দেখায় ভালোলাগা আর চটজলদি ভালোবাসাও।কথায় আছে এই চটজলদি ব্যাপারগুলো যেমন জলদি হয়েও যায় তেমনি হুট করে হারিয়েও যায়। সত্যিই তাই বিনোদিনিও হারিয়ে গেছিলো,তবে ভাববার বিষয় তারা কি জীবন থেকে হারায় নাকি মন থেকে।জীবন আর মনের বেশ একটা কলহ আছে,,,,জীবন সবসময় চলতে চায় সরল,সমান্তরাল পথে,সেখানে সারাজীবন কারো সাথে সমান্তরালভাবে চলা যায়।দুজন মানুষ যখন সমান্তরালভাবে চলে তখন তাদের গন্তব্য একি হয় কিন্তু twist হলো তারা কখনো মিলতে পারেনা,কখনই না.....কিন্তু মন নামক অদ্ভুত জিনিসটি ঠিক চলে উল্টো,তার গন্তব্য লাগেনা,মিলিত হওয়ার গভীর প্রয়াশ তার চলুক না ত্যারা ব্যাকা.....
বিনোদিনিকে কেন ভালো লেগেছিলো জানিনা,কারণ খুঁজতে যাইনি কখনও।লোকসমাজকথিত সৌন্দর্য্য তার ছিলনা,না ছিলো চোখে কাজল,না কপালে টিপ,না ছিলো সে মিষ্টভাষী।তবু বরো ভালো লেগেছিলো।আমি তার প্রেমে পড়িনি,তাকে ভালোবেসেছিলাম তা না হলে সে যখন ট্রেন থেকে লাফিয়ে তার শরীর ধীরে ধীরে নদীতে পড়ছিল,আমিও কেন পাগলের মতো শত বাধা উপেক্ষা করে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম তাকে বাঁচাবো বলে......
আফছোছ আমি বেঁচে গেলাম কিন্তু.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5352/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Mar 2021 11:44:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দূরপাল্লার ট্রেনের কামরাগুলো অনেক পুরনো স্মৃতি বহন করে।কতশত মনুষ বসেছে এই কামরাগুলোতে,আরও কত মানুষ বসবে কতকাল ধরে।কত ভালোবাসার স্পর্শ মিশে আছে দেওয়াল গুলোতে,আবার ছেড়ে চলে যাওয়ার বেদনার সাথে সাথে হারিয়ে ফেলার চিৎকারও আছে।সবই এখন স্মৃতি এবং আরও কিছু স্মৃতি হওয়া বাকি&#8230;&#8230;<br />
বিনোদিনির সাথে প্রথম দেখা এই ট্রেনের একটি কামড়াতে,বয়স ১৫/১৬ হবে।প্রথম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5352"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5352/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>