<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রেদোয়ান শাকিল | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/readean/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/readean/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রেদোয়ান শাকিল.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 08 Jun 2026 04:35:06 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">68820613ed0d4826f5cd0d96fd29fa4c</guid>
				<title>মজুফার মা________

পানের সাথে একটু রতন জর্দার পরাগ না হলে আমার পান খাওয়ার আশটা মেটে না। মাত্রই জর্দা সমেত পানের পুরিয়াটা মুখে পুরলাম, তর্জনীর ডগায় চুন।
‎বুড়িটার ক&#039;দিন থেকে অসুখ, মাঝে মাঝে বেরামের বিরাম ঘটে, কয়েকদিন ক্ষান্তি দিয়ে ফের দেখা দেয়। বরির পাতাগুলো পলিথিনে ভরে ঝুপড়ি ঘরের এক কোণায় আটকে রেখেছে।
‎আম্মা কয়েক গোছা পান দিয়ে আমাকে পাঠিয়েছেন বুড়িকে দিতে। হাতে পানগুলো দিলাম। চোখের নীচে বয়সের ভার চামড়ার কুঁচিতে জড়িয়ে আছে। আলাভোলা ঝাপসা দৃষ্টির বেদনা নীরবে তার সারা জীবনের আলেখ্য বলে চলে।
‎&quot;ও বুড়ি ভাত খাইছো দুফরে?&quot;  নীমিলিত অস্ফূট-প্রায় শব্দে জিজ্ঞেস করলাম।
‎&quot;হ খাইছি বাবা, তুমার মাও রুটি আনছিল, ওইডাই খাইছি।&quot;
‎বুড়ির হাতের চুরিগুলো ভেঙেছে আজ থেকে ষাট বছর আগে, বিয়ের কয়েক বছরের অন্তে স্বামী মারা যায় বুড়ির, রেখে যায় মাসুদ, মলক আর মজুফাকে। পিঠাপিঠি তিন ভাইবোন। শুরু হয় অমানবিক জীবন-সংগ্রাম। সে যুগে অভাব ছিল অভাবীর শিথানের বালিশ, মজুফার যখন চারদিন বয়স তখনো এই শিশুকে ঘরে রেখে অন্যের ধান ভেনে সন্তানদের খাবার জুগিয়েছে, আর নিজে শুধু কচু পাতার ভর্তা খেয়ে সারারাত পার করেছে। সারাজীবন সংসারের আশার প্রায়শ্চিত্ত করতে করতে বুড়ি আজ আশির কোঠায় ঠেকেছে। না হলো ঘর আর না হলো সংসার, শেষ বয়সকালেও একা এক ঘরে তার জীবনের অন্তীম মুহূর্তগুলো কেটে যাচ্ছে। সন্তানদের কাছে এখন মা বাড়াভাতে উৎপাত।
‎আলাপের ফাঁকে হঠাৎ ধীরে ধীরে আকাশে মেঘ জমে উঠল। বুড়িকে বললাম, &quot;থাক তুমি, বাতাস উঠছে, ঝড় আইবো, সন্ধ্যায় তুমার জন্য খাবার আনমু।&quot; গামছাতে গামলা বেঁধে ভাত এনেছি, এখন সন্ধ্যার আকাশটা অন্ধকারে ছেয়ে গেছে, বুড়ির কুঠুরিতে কুপিটা নিভু নিভু আলো দিচ্ছে। এই ঘরেই এখন বুড়ির শেষ জীবনের গুছিয়ে নেয়া সুখ। আমি চলে এলাম, একা একলা ঘরে বুড়ির অন্ধকার রাত কীভাবে কাটবে জানি না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247259/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 13:50:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মজুফার মা________</p>
<p>পানের সাথে একটু রতন জর্দার পরাগ না হলে আমার পান খাওয়ার আশটা মেটে না। মাত্রই জর্দা সমেত পানের পুরিয়াটা মুখে পুরলাম, তর্জনীর ডগায় চুন।<br />
‎বুড়িটার ক&#8217;দিন থেকে অসুখ, মাঝে মাঝে বেরামের বিরাম ঘটে, কয়েকদিন ক্ষান্তি দিয়ে ফের দেখা দেয়। বরির পাতাগুলো পলিথিনে ভরে ঝুপড়ি ঘরের এক কোণায় আটকে রেখেছে।<br />
‎আম্মা কয়েক গোছা পান দিয়ে আমাকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247259"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247259/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">753cf3c4472a05eac9e3e3903f42c44a</guid>
				<title>সুখ

আসলে পান-চুরুটের সাথে আমাদের গ্রামবাংলার একটি ঐতিহ্য জড়িত। সংস্কৃতির বিপুল প্রকাশের মাঝে  এটি বাঙালির  একপ্রকার পরিচয়বাহক। মূলত যা বিড়ি তাই চুরুট, আমি না খেলেও ক্ষেতের আলে বসে বা ধান কাটতে কাটতে কামলাগোছের মানুষের এই সুখটান আমাকে সুখী করে, মাটির গন্ধে দেহ জড়িয়ে দেয়। আমি অনায়াসে তাদের সাথে বসতে পারি, সঙ্গে দু-দণ্ড আলাপ আমাকে যেন অবিরাম রিমঝিম বৃষ্টির সুখ এনে দেয়। সহজতা,সরলতা, অবারিত স্মিত হাসির প্রাণোচ্ছলতায় আমি তাদের স্বভাবে বিলিন হতে পারি।  
‎একটি সকাল, যখন নিষ্প্রভ রোদে এখানে ওখানে দৃষ্টির আড়ালে একটা-দুটো পাখি ডাকছে, তখন কখনো আমি তাদের সাথে পথে হেঁটে চলেছি বা টং-পাতা চালা ঘরে বসে গল্পে মজেছি।  
‎
‎নতুন ধান উঠেছে ঘরে,  ভানতে এনেছি। রোদে পোড়া গা, তবে প্রাণচঞ্চল মজবুত গড়নের লোকটি হাতুড়ির ঠকঠক-টংটং শব্দে মেশিনটা সারতে বসেছে ভানতে আনা ধানগুলোর জন্য।  থেমে থেমে বড় বড় ঢেঁকুর তুলছে, মাত্রই  শুকনো লঙ্কা-ডলা আর সঙ্গে পোড়া শুঁটকির পান্তা সাঁটিয়েছে হয়তো। খিলি পানের রস-রাঙা মুখে চুরুটের ধোঁয়া। আমি অনিমেষ চাহনিতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিলাম তার অবয়বে উদ্ভাসিত প্রশান্তি জুড়ে,ভেতরের এক অপার্থিব,উদ্বেলিত মাতালতায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246843/</link>
				<pubDate>Wed, 06 May 2026 03:21:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখ</p>
<p>আসলে পান-চুরুটের সাথে আমাদের গ্রামবাংলার একটি ঐতিহ্য জড়িত। সংস্কৃতির বিপুল প্রকাশের মাঝে  এটি বাঙালির  একপ্রকার পরিচয়বাহক। মূলত যা বিড়ি তাই চুরুট, আমি না খেলেও ক্ষেতের আলে বসে বা ধান কাটতে কাটতে কামলাগোছের মানুষের এই সুখটান আমাকে সুখী করে, মাটির গন্ধে দেহ জড়িয়ে দেয়। আমি অনায়াসে তাদের সাথে বসতে পারি, সঙ্গে দু-দণ্ড আলাপ আমাকে যেন অবিরাম র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246843"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246843/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d2e8fb599082ce63f76b10f20eb9f254</guid>
				<title>ফ্যামিলি অ্যাফেয়ার

ঘটনাটা ঘটে গেল, এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো আজ অনেক দিন পর  কুকুরের তাড়া খেলাম মনে মনে।  রাত প্রায় দশটা,  লুঙ্গি-পাঞ্জাবি পরনে, শহরের ফুটপাতে দোকান থেকে আচার কিনছিলাম। হঠাৎ কারো মোবাইলে কথোপকথনের আওয়াজ পেলাম,&quot; হ্যালো, ফ্যামিলি বানানটা কেমন জানি?  ভুলে গেছি, একটু বলে দেন। &quot; নিচে তাকিয়ে কিছুটা হোঁচট খাওয়ার যোগাড়,   স্যুটেড-ব্যুটেড একটা লোক  বসে এক হাতে কানে ফোন ধরে রেখেছে, অপর হাতে ইংরেজিতে কোনো ফর্ম পূরণ করছে। হাসি পেল খুব, লুঙ্গি পরা থাকলেও কিছু মুহূর্তের জন্য নিজেকে  শিক্ষিত ভেবে ফুলে উঠলাম। পরক্ষণেই  আরেকটা ধাক্কা, আঁড়চোখে দেখলাম এখন তিনি &#039;অ্যাফেয়ার &#039; বানান লেখার জন্য কলম চিবোচ্ছেন, অর্থাৎ  ইংরেজিতে&quot; Family affair&quot;  লিখতে চাচ্ছেন। তারপর মোবাইল-ডিকশনারিতেও ভুল লেখার কারণে বানানটাকে হাজির করাতে পারছেন না।  কি জানি কি হলো, কিছুক্ষণের জন্য আমার মনেও এই বানানটার একটা ভুল রূপ চূড়ান্ত শুদ্ধ বলে প্রকট হলো। আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেই বসলাম &quot; আমি একটু সাহায্য করতে পারি?&quot; ভদ্রলোক ভ্রু কুচকে তাকালেন, মনে হয় শুনলেন, &quot; আল্লার রস্তে কিছু সাহায্য দেন&quot;। বললো, &quot; কীসের সাহায্য? &quot; আমি বললাম দেন আপনার বানান ঠিক  করে দেই। লাজহীন, খটখটে গলার কাশিভাঙ্গা হাসিতে বললো,&quot; ও ও ও। &quot; ভুল-সঠিকের দ্বন্দ্বে বিভ্রান্ত হয়ে ব্যাটাকে মনে হয় ভুল বানানটাই লিখে দিলাম। পরে আমার লেখা বানানটাও ডিকশনারিতে সার্চ করলে দেখি আসছে না! ভয় ভয়ে সরে দাঁড়ালাম। লোকটাকে দেখে মনে হলো—মদনের মতো তখনো ভাবছে যে বানানটা ঠিক হলো কিনা; তাৎক্ষণিক আলগোছে কেটে পড়লাম, শহরে গাড়ীর ভিড়ে, রাতের অন্ধকারের গভীরে আমি ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেলাম। ভুলের দায়ে ব্যাটা আমাকে ধরতে পারলো না, কোনোদিন দেখা হলেও আর চিনবে না। যাহ, Family affair.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246665/</link>
				<pubDate>Mon, 04 May 2026 00:52:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফ্যামিলি অ্যাফেয়ার</p>
<p>ঘটনাটা ঘটে গেল, এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো আজ অনেক দিন পর  কুকুরের তাড়া খেলাম মনে মনে।  রাত প্রায় দশটা,  লুঙ্গি-পাঞ্জাবি পরনে, শহরের ফুটপাতে দোকান থেকে আচার কিনছিলাম। হঠাৎ কারো মোবাইলে কথোপকথনের আওয়াজ পেলাম,&#8221; হ্যালো, ফ্যামিলি বানানটা কেমন জানি?  ভুলে গেছি, একটু বলে দেন। &#8221; নিচে তাকিয়ে কিছুটা হোঁচট খ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246665"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246665/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d52181fcb8ad3ea29efb945dfbe27260</guid>
				<title>জমানো কয়েকটি রোজনামচা ; 
রিদওয়ান। 

এখন বিকেল হলেই চারদিকে ঠান্ডা পড়ে। ধানগাছের ডগায় শিশির বিন্দু জমে যায়–সূর্য ডোবার আগেই। বাড়ীর পাশে রাস্তার ধারে বিস্তৃত ধানের জমি, অল্প দূরেই তাকালে কুয়াশার ঝাপসা চোখে ধরে যায়! শীতের আগমনের পূর্বে কখনো বৃষ্টির নিরবচ্ছিন্ন বর্ষণমুখরতায় আবার কখনো বিশুষ্ক আবহাওয়ায় মাঠে-প্রান্তরে একটি আমেজ-সিক্ততায় প্রকৃতি শীত ঋতুকে অভিবাদন জানায়। আমার ভালো লাগে শীতের সকাল, এবং ভালো লাগে কুয়াশার চাদর মাড়িয়ে নেমে আসা মিষ্টি রোদের প্রভা! 
★★★
বাইরে প্রচণ্ড রোদ, গতরাত থেকে বিদ্যুৎ নেই। ঠাণ্ডা বাতাস জানালার পর্দা উড়িয়ে ভিতরে ছড়িয়ে পড়ছে। লিচুগাছটার  ছায়ায় বাড়ীর আঙিনা সবসময় ❝ শীতলপাটি ❞&#039;র মতো ঠাণ্ডা থাকে। ঘুমের চোখজোড়া হটাৎ আলতো করে খুলে গেলো, বাইরে স্বচ্ছ নীল আকাশ, সবুজের গায়ে নিষ্প্রভ রোদ-ছায়ার  আলিঙ্গন, বাতাসের তাড়ায় গাছের পাতায় পাতায় সবুজের আন্দোলন একটি সতেজ অনুভব জাগ্রত করলো হৃদয়ে! থমথমে আলসে পড়া দুপুর,  উদম হাওয়া এলোমেলো হয়ে উড়ে যায় এদিকসেদিক। 
★★★
এই তো সন্ধ্যা হয়ে এলো, ঝরঝর করে বৃষ্টি নেমেছে। কাকভেজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছি যাত্রীছাউনী&#039;র নীচে।  আজ শুক্রবার, সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো। সারাদিনের অবসরে নিজেকে একটু আলাদা করে সময় দিয়েছি। আমার কর্মময় জীবনের  একটি অখণ্ড অবসর আমার হৃদয়ের কামনা। 
★★★
একটি সহজ সরল জীবনের কামনা প্রতিটি মানুষের হৃদয়েই থাকে। তবে পরিবেশ, পারিপার্শ্বিকতা এবং জীবনের নানামুখী সঙ্কট ও অনিবার্যতার কারণে জীবনের পথচলা মসৃণ হয়ে ওঠে না। জীবনে চলার পথে আমরা শঙ্কাগ্রস্ত হই, কর্মের দায়ভাগে কখনো বিচলিত আবার কখনো উৎকণ্ঠায় হই নির্লিপ্ত । জীবন একটি ফুলের মতো সুন্দর হয় যখন আমরা নিজেদেরকে সংশোধন করি, এবং করার চেষ্টা করি। একটি গোলাপ যেমন অঙ্কুরোদগম থেকে পরিপূর্ণ প্রষ্ফুটিত হয়, সৌরভের স্নিগ্ধ  মায়ায়, রাঙা পাপড়ির ভাঁজে পরম কোমলতায়, তেমনি আমাদের জীবনও গঠন হতে পারে ধৈর্য, সহমর্মিতা এবং পরস্পরের প্রতি কল্যাণ কামানার মাধ্যমে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244756/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 01:28:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জমানো কয়েকটি রোজনামচা ;<br />
রিদওয়ান। </p>
<p>এখন বিকেল হলেই চারদিকে ঠান্ডা পড়ে। ধানগাছের ডগায় শিশির বিন্দু জমে যায়–সূর্য ডোবার আগেই। বাড়ীর পাশে রাস্তার ধারে বিস্তৃত ধানের জমি, অল্প দূরেই তাকালে কুয়াশার ঝাপসা চোখে ধরে যায়! শীতের আগমনের পূর্বে কখনো বৃষ্টির নিরবচ্ছিন্ন বর্ষণমুখরতায় আবার কখনো বিশুষ্ক আবহাওয়ায় মাঠে-প্রান্তরে একটি আমেজ-সিক্ততায় প্রকৃতি শ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244756"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244756/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9ca89065d795aa6dc1c9779de7a65b8f</guid>
				<title>সুখে-দুঃখে দুটি জীবন।

গ্রামের শেষপ্রান্তে মৃঘি নদী। নদীর অপারে লছমনপুর,সবুজের মায়া জড়ানো একটি গ্রাম! নদী ভরা জল নেই এখন,  তাই দু’ধারে ভেসে উঠা পলিমাটির চরে কৃষকেরা ধান চাষ করেছে। ধান ক্ষেতের সবুজে নদীর তীর ❝কুলজুড়া- বুকজুড়া❞ হয়ে আছে! থেমে থেমে এলোমেলো বাতাসের তাড়ায় ধান ক্ষেতে সবুজের ঢেউ জাগে ! সবুজ-সম্মোহনের একটি বিপুল আকর্ষণে আমি হারিয়ে যাই সবুজের মাঠে, দুপুরের ঝিমিয়ে পড়া নীল-রোদের ঘ্রাণে মন ছুটে বেড়ায় কখনো নদীর তীরে বটগাছের ছায়ায়, আবার কখনো  কাঁঠালগাছের ছায়াতলে শীতলপাটিতে বিশ্রামের শান্তি অন্বেষণে! সবুজের বুকে ভাবেভোলা দৃষ্টিতে আমি নিজের মাঝে বিলিন হই!

নদীর তীর ঘেঁষেই বিশাল ঈদগাহ, পাশেই গুজারা ঘাট। অনেক আগে এই ঘাটে বিদেশি বণিকেরা নৌকা বোঝাই করে মাল বহন করে আনতো। নদীর তীরে অদূরেই জীর্ণ বেষ্টনীতে ভাঙা টিনের মরচেপড়া ছাউনিঘেরা ছোট্ট একটা কুঠুরি। উঠোনের আঙিনা সবসময় একটি কাঁঠালগাছের ছায়ায় শীতলস্পর্শ পায়!আবার কখনো পাতার ফাঁক গলে মিঠেল রোদ লুটিয়ে পড়ে উঠোনের খানে খানে! দিন যায়, মাস গত হয় এবং বছর কেটে যায়। ঝড়-ঝঞ্ঝা আর বৃষ্টি-বাদলে একজোড়া পাখী যেমন কোনো বৃক্ষের পত্রগুচ্ছের পুঞ্জীভূত অন্ধকারে আপন নীড়ে বসে দিন গুনে, তেমনি এই ভাঙা কুঠুরিতে এক সুখী যুগলের দিন গুজরান হয়। দু’জনেই বয়সের ভারে নুয়েপড়া।জীবনের শত শঙ্কা, অনিশ্চয়তা আর অসহায়ত্ব নিয়ে তারা এখানে বেঁচে থাকে! স্বামী অন্ধ তবে স্ত্রী নিজের চোখের আলো দিয়ে স্বামীকে আগলে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে! জীবনটাকে বাঁচিয়ে রাখতে দুজনকেই প্রতিদিন পথে বের হতে হয়, অন্ধ স্বামী স্ত্রী’র কাঁধে হাত রেখে এগিয়ে চলে!নিজের জন্য নয় প্রাণের স্বমীকে একটু ভালো রাখতে স্ত্রী আকুল হয়ে অসহায়ত্বের হাত তুলে ধরে পথিকের সামনে! এভাবেই পথচারীদের উপবৃত্তি সংগ্রহ করে তাদের জীবন চলে! সারাদিনের পর ঘরে ফিরে যখন অন্ধ স্বামী হাত আগলে ধরে ঠাহর করে করে স্ত্রীকে  স্পর্শ করে বলে,❝ হেঁটে হেঁটে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, কিছু খেতে দিবে আমাকে?❞ তখন ঘরে কিছু না থাকায় স্বমীর খুধা নিবারণের জন্য  স্ত্রী&#039;র অন্তরে কেমন হাহাকার উঠে তা আমি জানি না! 

শহর থেকে ফিরছিলাম, দেখেছিলাম অন্ধ স্বামীটি তার সঙ্গিনীকে রোদের তাপ থেকে বাঁচাতে পরম যত্নে ছাতামাথায় আগলে ধরে আছে! আসলে স্বামীর প্রকৃত ভালোবাসাই একজন সতী নারীর বেঁচে থাকার মূলধন। 

৪/৪/২৩ ( রোজনামচা ৩)
রিদওয়ান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244649/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Apr 2026 03:18:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুখে-দুঃখে দুটি জীবন।</p>
<p>গ্রামের শেষপ্রান্তে মৃঘি নদী। নদীর অপারে লছমনপুর,সবুজের মায়া জড়ানো একটি গ্রাম! নদী ভরা জল নেই এখন,  তাই দু’ধারে ভেসে উঠা পলিমাটির চরে কৃষকেরা ধান চাষ করেছে। ধান ক্ষেতের সবুজে নদীর তীর ❝কুলজুড়া- বুকজুড়া❞ হয়ে আছে! থেমে থেমে এলোমেলো বাতাসের তাড়ায় ধান ক্ষেতে সবুজের ঢেউ জাগে ! সবুজ-সম্মোহনের একটি বিপুল আকর্ষণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244649"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244649/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba21d10688822283b27e6e0a9d415da0</guid>
				<title>রেদোয়ান শাকিল changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244548/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 11:36:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e239a1fd699693f15a319866be7459b0</guid>
				<title>কিছু নিকষ অনুভূতি। 

আমি কোটি মুহূর্তের মৃত এক জীবন্ত শবদেহ।
‎মৃত, গলা সে মরদেহ, যাতে মাছি উড়ে এসে বসে, 
‎সংসার আর বাহ্যিক শেয়ালরুপি আকাঙ্ক্ষারা যাতে কামড় বসায় কষে!
‎
‎আমি আমার নই যেন,আমি এক জীবনের পুরনো সেই হাহাকার;
‎বিফল অতীতের নষ্ট সময়গুলো করে তিরস্কার, 
‎তীব্র ভর্ৎসনা করে কিছু করতে না পারার।
‎
‎আমি নই নিজের প্রতি একান্ত, কতো স্বার্থের তরে আমি বাঁচি জীবনের শত ঝড় উপেক্ষা করে,
‎সুখ আর এতটুকু শান্তি পাবার আশে নিজেকে উজাড় করে!
‎
‎আমি জানি, আমি বিলিয়েছি নিজেকে।
‎অপরিণত সময়ে প্রকৃতি, ধানের মাঠ, আদিগন্ত শুভ্র কাশফুল আর শ্রাবণের দুপুরে মৃঘির ঘাটে, 
‎আমি আজ বঞ্চিত, সংসার বয়ে বয়ে ক্লান্ত এই জীবনের নদীতটে।
‎</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244544/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 11:31:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিছু নিকষ অনুভূতি। </p>
<p>আমি কোটি মুহূর্তের মৃত এক জীবন্ত শবদেহ।<br />
‎মৃত, গলা সে মরদেহ, যাতে মাছি উড়ে এসে বসে,<br />
‎সংসার আর বাহ্যিক শেয়ালরুপি আকাঙ্ক্ষারা যাতে কামড় বসায় কষে!<br />
‎<br />
‎আমি আমার নই যেন,আমি এক জীবনের পুরনো সেই হাহাকার;<br />
‎বিফল অতীতের নষ্ট সময়গুলো করে তিরস্কার,<br />
‎তীব্র ভর্ৎসনা করে কিছু করতে না পারার।<br />
‎<br />
‎আমি নই নিজের প্রতি একান্ত, কতো স্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244544"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244544/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>