<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Redoan Asif Risan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/redoanasifrisan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/redoanasifrisan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Redoan Asif Risan.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 25 Jun 2026 16:52:40 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b7bfece3aab9d4918fc9feae3b23730d</guid>
				<title>বইঃ আটাশতম_শ্রাবণ
লেখকঃ রেদোয়ান_আসিফ_রিসান
পার্ট_০৩

মেহেরীনকে ছাড়া কেটে গেল প্রায় দেড়টা বছর।
এই আঠারোটি মাস নিশানের কাছে কেবল কতগুলো সংখ্যা ছিল না, ছিল এক দীর্ঘ নীরবতা। প্রতিটি দিন যখন স্কুলের করিডোর দিয়ে সে হেঁটে যেত, তার মনে হতো ঠিক পাশের জানালাটা দিয়ে মেহেরীন এইমাত্র উঁকি দিল। কিন্তু তাকালেই দেখত সেখানে কেবল রোদের ঝিলিক কিংবা ধুলোবালির ওড়াউড়ি। মেহেরীন চলে যাওয়ার পর সেই কাঠগোলাপ গাছটার নিচ দিয়ে হাঁটা বন্ধ করে দিয়েছিল নিশান। ওই ঘ্রাণটা পেলেই বুকটা কেমন হু হু করে ওঠে।
আজ স্কুল জীবনের বিদায়ের দিন।
অডিটোরিয়ামে মিলাদ আর দোয়ার অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। প্রধান শিক্ষক আবেগঘন কণ্ঠে বিদায়ী ভাষণ দিচ্ছেন, কিন্তু নিশানের কানে কোনো কথাই ঢুকছে না। তার কেবল মনে পড়ছে ক্লাস নাইনের সেই বৃষ্টিভেজা দিনটার কথা, যখন মেহেরীন ওর ছাতার নিচে এসে দাঁড়িয়েছিল। আজ সেই ছাতাও নেই, সেই মানুষটাও নেই।
সবাই যখন একে অপরের সাদা ইউনিফর্মে মার্কার কলম দিয়ে লিখছে, &quot;দোস্ত মনে রাখিস&quot;, &quot;মিস ইউ অল&quot;
নিশান তখন ক্লাসরুমের একদম শেষ বেঞ্চে একা বসে ছিল। ওর শার্টটা ধবধবে সাদা। কেউ সেখানে কিছু লেখেনি, কারণ নিশান কাউকে সুযোগই দেয়নি।
হঠাৎ সৌরভ এসে ওর পাশে বসল। সৌরভের শার্টে হিজিবিজি লেখায় ভরা। সৌরভ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, &quot;শেষ পর্যন্ত শেষ হয়েই গেল রে নিশান। আজ থেকে আমরা আর স্কুলের ছাত্র না। কাল থেকে সবাই অন্য ঠিকানায় চলে যাব।&quot;
নিশান জানালার বাইরে তাকিয়ে ম্লান হাসল। আর বলল-
 &quot;ঠিকানা তো মেহেরীন দেড় বছর আগেই বদলে ফেলেছে সৌরভ। আমরা তো শুধু নিয়ম রক্ষার জন্য এতদিন এখানে ছিলাম।&quot;
সৌরভ নিশানের কাঁধে হাত রাখল। &quot;তুই কি এখনো ওর জন্য অপেক্ষা করিস? দেড় বছরে তো একটা যোগাযোগও হলো না।&quot;
&quot;অপেক্ষা করাটা তো আমার হাতে নেই রে বন্ধু। ওটা হৃদয়ের ব্যাপার। ও বলেছিল অপেক্ষা করতে, আমি করছি। ব্যস, এটুকুই।&quot;
ক্লাসরুম থেকে বের হওয়ার সময় নিশান দেখল মিরাজ একদল বন্ধুর মাঝে দাঁড়িয়ে খুব হাসছে। মিরাজ এখন স্কুলের বড় লিডার। সে নিশানকে দেখে এগিয়ে এল। মিরাজ বাঁকা হেসে বলল, &quot;কিরে নিশান? শার্ট তো একদম পরিষ্কার! কেউ কিছু লেখেনি? আচ্ছা চল, আমি লিখে দিই।&quot;
নিশান সরে দাঁড়িয়ে বলল, &quot;না থাক। কিছু সাদা জায়গা সাদাই থাক মিরাজ। সবখানে দাগ দিতে নেই।&quot;
……..
….
ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট করা হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244315/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 02:49:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বইঃ আটাশতম_শ্রাবণ<br />
লেখকঃ রেদোয়ান_আসিফ_রিসান<br />
পার্ট_০৩</p>
<p>মেহেরীনকে ছাড়া কেটে গেল প্রায় দেড়টা বছর।<br />
এই আঠারোটি মাস নিশানের কাছে কেবল কতগুলো সংখ্যা ছিল না, ছিল এক দীর্ঘ নীরবতা। প্রতিটি দিন যখন স্কুলের করিডোর দিয়ে সে হেঁটে যেত, তার মনে হতো ঠিক পাশের জানালাটা দিয়ে মেহেরীন এইমাত্র উঁকি দিল। কিন্তু তাকালেই দেখত সেখানে কেবল রোদের ঝিলিক কিংবা ধু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244315"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244315/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6635cff76ce95064050b94b4a2e813a4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244186/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 12:11:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec26c681eed393c3b032e08a4d004f7e</guid>
				<title>বইঃ আটাশতম_শ্রাবণ
লেখকঃ রেদোয়ান_আসিফ_রিসান
পার্ট_০২

তাদের মাঝে বন্ধুত্বটা গত কয়েক মাসে গভীর হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মেহেরীন কখনো আলাদা করে এভাবে কথা বলার প্রস্তাব দেয়নি।
নিশান লক্ষ্য করল, কাঠগোলাপ গাছ থেকে আরও একটি ফুল টুপ করে মাটিতে পড়ে গেল। বসন্তের শেষ বিকেলগুলো কেন জানি খুব বেশি হাহাকারময় হয়। স্কুল ছুটির ঘণ্টা পড়ল। &#039;টন-টন&#039; শব্দটা আজ নিশানের কানে অন্যরকম এক সুর নিয়ে এল। সবাই যখন ব্যাগ গুছিয়ে হৈ-হৈ করে বের হয়ে যাচ্ছে, নিশান তখন ধীরপায়ে এগোলো স্কুল গেটের দিকে।
পুরনো বটগাছটার নিচে মেহেরীন দাঁড়িয়ে ছিল। পড়ন্ত রোদের একটা ফালি ওর মুখে এসে পড়েছে। নিশানকে দেখে ও একটু এগিয়ে এল।
মেহেরীন বলল, &quot;আমি ভাবলাম তুমি বুঝি আসবে না।&quot;
নিশান ম্লান হেসে বলল, &quot;তুমি বললে আর আমি আসব না, এমন কি কখনো হয়েছে? কী যেন বলবে বলছিলে?&quot;
মেহেরীন কিছুক্ষণ নিশানের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর খুব নিচু স্বরে বলল, &quot;বাবা বদলি হয়ে যাচ্ছেন। হয়তো এই মাসটাই আমাদের এই স্কুলে শেষ মাস।&quot;
নিশানের পৃথিবীটা যেন মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। সে অস্ফুট স্বরে বলল, &quot;চলে যাবে? কোথায়?&quot;
&quot;অন্য শহরে। অনেক দূরে।&quot; মেহেরীনের গলায় এক ধরণের বিষণ্ণতা। &quot;আমার খুব ভয় করছে নিশান। নতুন জায়গা, নতুন মানুষ... আমি কি এই স্কুলের দিনগুলো ভুলতে পারব? আমি কি তোমাকে ভুলতে পারব?&quot;
নিশান কিছু বলতে পারল না। তার গলার কাছে কী একটা দলা পাকিয়ে এল। সে শুধু দেখল, মেহেরীনের চোখের কোণে এক ফোঁটা জল চিকচিক করছে। মেহেরীন ওর হাত থেকে ডায়েরিটা নিয়ে ঝটপট কিছু একটা লিখল, তারপর ডায়েরিটা ফেরত দিয়ে বলল, &quot;বাড়ি গিয়ে পড়বে। এখন না।&quot;
মেহেরীন চলে গেল। নিশান ডায়েরিটা হাতে নিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে রইল। মেহেরীন চলে যাওয়ার পথেও যেন সেই কাঠগোলাপের সুবাসটুকু বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে।
বাসায় ফিরতে রাত হলো নিশানের কাঁপা কাঁপা হাতে ডায়েরিটা খুলল। মেহেরীন লিখেছে:
&quot;নিশান, দূরত্ব কি কখনো স্মৃতি মুছে দিতে পারে? যদি আমাদের দেখা আর না হয়, তবে এই কাঠগোলাপের ঘ্রাণে আমাকে খুঁজে নিও। তুমি কি আমার জন্য অপেক্ষা করবে?&quot;
নিশান জানালার বাইরে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল, &quot;অপেক্ষা? আমি তোমার জন্য অনন্তকাল দাঁড়িয়ে থাকতে পারি মেহেরীন।&quot;
........
....
ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট করা হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244184/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 12:09:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বইঃ আটাশতম_শ্রাবণ<br />
লেখকঃ রেদোয়ান_আসিফ_রিসান<br />
পার্ট_০২</p>
<p>তাদের মাঝে বন্ধুত্বটা গত কয়েক মাসে গভীর হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মেহেরীন কখনো আলাদা করে এভাবে কথা বলার প্রস্তাব দেয়নি।<br />
নিশান লক্ষ্য করল, কাঠগোলাপ গাছ থেকে আরও একটি ফুল টুপ করে মাটিতে পড়ে গেল। বসন্তের শেষ বিকেলগুলো কেন জানি খুব বেশি হাহাকারময় হয়। স্কুল ছুটির ঘণ্টা পড়ল। &#8216;টন-টন&#8217; শব্দটা আজ নিশানের ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244184"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244184/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b2348a2a775a189b9458f8e827f2cbaa</guid>
				<title>বই:  আটাশতম_শ্রাবণ
 লেখক:  রেদোয়ান_আসিফ_রিসান
 পার্ট_০১

ঢাকার পুরনো এই স্কুল টার দেয়ালগুলো নোনা ধরা, পলেস্তারা খসে পড়া। করিডোর দিয়ে হাঁটলে এক ধরণের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ নাকে আসে। নিশান তার কাঁধের ব্যাগটা শক্ত করে ধরে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। নবম শ্রেণীর রসায়ন ক্লাস শেষ হয়েছে মাত্র। ক্লাসের ভেতর তখন তীব্র শোরগোল, যেন একঝাঁক পাখি খাঁচা থেকে মুক্তি পেয়েছে।
নিশান বরাবরই একটু আলাদা। কোলাহল তাকে টানে না, বরং সে কোলাহলের ভেতর নিজের এক টুকরো নির্জনতা খুঁজে নেয়। জানালার বাইরে একটা বড় কাঠগোলাপ গাছ। বসন্তের শেষ, তাই গাছটা ফুলে ফুলে সাদা হয়ে আছে। নিশান একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল একটা ঝুলে থাকা ডালে।
&quot;নিশান!&quot;
হঠাৎ পেছন থেকে একটা চঞ্চল কণ্ঠস্বর। নিশান চমকে ফিরে তাকাল। মেহেরীন দাঁড়িয়ে আছে। নীল পাড় দেয়া সাদা ফ্রক, চোখে একজোড়া চশমা যা ওর চেহারায় একটা মায়াবী ছাপ যোগ করে। ওর হাতে একটা খাতা আর একটা আধফোটা কাঠগোলাপ।
নিশান আমতা আমতা করে বলল, &quot;হ্যাঁ মেহেরীন? কিছু বলবে?&quot;
মেহেরীন হাসল। ওর হাসিতে একটা অদ্ভুত প্রশান্তি আছে, যা নিশানের বুকের ভেতর হুটহাট তুফান তুলে দেয়। মেহেরীন হাত বাড়িয়ে ফুলটা নিশানের নাকের সামনে ধরল।
&quot;ঘ্রাণ নাও তো! বলতে পারো এই ফুলের বিশেষত্ব কী?&quot;
নিশান কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে একটু ঘ্রাণ নিল। মিষ্টি, ভরাট একটা গন্ধ। সে নিচু গলায় বলল, &quot;বিশেষত্ব... মানে? ফুল তো ফুলই।&quot;
মেহেরীন ঠোঁট উল্টে বলল, &quot;উঁহু, হলো না। এই ফুলটার বিশেষত্ব হলো এর শুদ্ধতা। এটা ঝরে গেলেও এর সুবাস কমে না। অনেকটা খাঁটি মানুষের মতো। তুমিও অনেকটা এই ফুলটার মতো নিশান। বড্ড শান্ত…
নিশানের গাল লাল হয়ে উঠল। সে কোনো মতে বলল, &quot;তুমি আমাকে নিয়ে একটু বেশিই ভাবো বোধহয়। আমি তো সাধারণ একজন।&quot;
&quot;সাধারণ বলেই তো তুমি অসাধারণ,&quot;
মেহেরীন চোখের কোণে একটু দুষ্টুমি মিশিয়ে বলল। &quot;শোনো, আজ স্কুল শেষে গেটে একটু দাঁড়াবে? আমার একটা কথা ছিল।&quot;
নিশান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, &quot;কী কথা?&quot;
মেহেরীন উত্তর দিল না। শুধু রহস্যময় একটা হাসি দিয়ে ভিড়ের মাঝে মিশে গেল। নিশান সেখানে দাঁড়িয়ে রইল পাথরের মূর্তির মতো। ওর হাতের আঙুলে তখনো কাঠগোলাপের সেই মিহি রেণু লেগে আছে।
মেহেরীন ভিড়ের মাঝে মিশে যাওয়ার পর নিশান অনেকক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে রইল। তার বুকের ভেতর একটা অজানা দুরুদুরু শব্দ।
মেহেরীন কেন তাকে স্কুল গেটে দাঁড়াতে বলল?
........
....
ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট করা হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244183/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 12:08:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> বই:  আটাশতম_শ্রাবণ<br />
 লেখক:  রেদোয়ান_আসিফ_রিসান<br />
 পার্ট_০১</p>
<p>ঢাকার পুরনো এই স্কুল টার দেয়ালগুলো নোনা ধরা, পলেস্তারা খসে পড়া। করিডোর দিয়ে হাঁটলে এক ধরণের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ নাকে আসে। নিশান তার কাঁধের ব্যাগটা শক্ত করে ধরে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। নবম শ্রেণীর রসায়ন ক্লাস শেষ হয়েছে মাত্র। ক্লাসের ভেতর তখন তীব্র শোরগোল, যেন একঝাঁক পাখি খাঁচা থেকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244183"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244183/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3054b70e2a6f939b9d388996bb71c7f4</guid>
				<title>**নতুন প্রজন্ম, টক্সিক সম্পর্ক ও Gaslighting** —

নতুন প্রজন্মের মানসিক দুর্বলতা এবং আবেগগত সংবেদনশীলতা তাদের টক্সিক বা ম্যানিপুলেটিভ ব্যক্তিদের শিকার হতে আরও সহজ করে। টক্সিক ব্যক্তিরা সাধারণত অন্যদের আবেগগত দুর্বলতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং সামাজিক নির্ভরশীলতার সুযোগ নেয়। Gaslighting হলো একটি মানসিক манিপুলেশন কৌশল, যেখানে মানুষকে নিজের বাস্তবতা, স্মৃতি বা অনুভূতি নিয়ে সন্দেহ করতে বাধ্য করা হয়। বাংলাদেশের সামাজিক এবং পারিবারিক কাঠামোতে, যেখানে আবেগ প্রকাশ সীমিত এবং সম্পর্কের ওপর উচ্চ প্রত্যাশা থাকে, সেখানে Gaslighting-এর প্রভাব বিশেষভাবে প্রবল হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা টক্সিক বা ম্যানিপুলেটিভ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে, তারা দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগ, হতাশা, আত্মসম্মান হ্রাস এবং আবেগগত অসন্তুষ্টির শিকার হয়। টক্সিক ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত কয়েকটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। তারা প্রায়শই নিয়ন্ত্রণমূলক, সমালোচনামূলক, এবং অন্যদের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপকারী হয়। তারা প্রায়ই ভুক্তভোগীর আবেগকে অবমূল্যায়ন করে এবং নিজের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়। গবেষণা অনুযায়ী, যারা ছোটবেলা থেকেই অন্যের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল এবং আত্মবিশ্বাস কম, তারা এই ধরনের ব্যক্তির প্রভাব দ্রুত গ্রহণ করে এবং সম্পর্ক থেকে মানসিক ক্ষতি পায়।
Gaslighting-এর প্রক্রিয়া সাধারণত সূক্ষ্মভাবে শুরু হয়। প্রথমে ছোট ছোট মিথ্যা, সংশোধিত তথ্য বা অন্যদের বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ভুক্তভোগীর বিশ্বাসকে দাউদাউ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে, ভুক্তভোগী নিজের অনুভূতি এবং বাস্তবতার প্রতি সন্দেহ করতে শুরু করে। বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে যারা সামাজিক চাপ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার মধ্যে বড় হচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে Gaslighting-এর প্রভাব আরও প্রবল এবং দীর্ঘমেয়াদী হয়ে ওঠে। গবেষণা দেখিয়েছে, দীর্ঘ সময় Gaslighting-এর শিকার হওয়া যুবকদের মধ্যে হতাশা, আত্মবিশ্বাস হ্রাস, উদ্বেগ এবং আবেগগত অস্থিরতার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে। টক্সিক বা ম্যানিপুলেটিভ সম্পর্কের শিকার হওয়ার প্রভাব শুধুমাত্র মানসিক নয়, এটি সামাজিক ও শিক্ষাগত জীবনের ওপরও প্রভাব ফেলে। যারা এই ধরনের সম্পর্কের মধ্যে থাকে, তারা সহজেই নিজের মূল্যায়ন ও ক্ষমতা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি প্রায়ই তাদের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সামাজিক যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি, তারা সহজে আত্মরক্ষা কৌশল এবং Healthy Boundaries তৈরি করতে পারে না, যার ফলে ম্যানিপুলেশন আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

গবেষণা থেকে জানা যায়, টক্সিক এবং Gaslighting-এর শিকার হওয়া যুবকদের মধ্যে আবেগগত পুনর্বাসনের জন্য সচেতনতা, শিক্ষা এবং মানসিক সাপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ। যারা নিজেদের আবেগ এবং সীমা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তারা এই ধরনের মানসিক শোষণ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারে। Bangladesh-এর সামাজিক কাঠামো এবং পরিবারিক সমর্থনের মাধ্যমে এই প্রজন্মকে টক্সিক পরিস্থিতি চিহ্নিত করা এবং মানসিকভাবে রক্ষা করার দক্ষতা তৈরি করা সম্ভব।

আপনাদের মূল্যবান সময় ও মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।
— রেদোয়ান আসিফ রিসান
লেখক</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244181/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 12:00:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> **নতুন প্রজন্ম, টক্সিক সম্পর্ক ও Gaslighting** —</p>
<p>নতুন প্রজন্মের মানসিক দুর্বলতা এবং আবেগগত সংবেদনশীলতা তাদের টক্সিক বা ম্যানিপুলেটিভ ব্যক্তিদের শিকার হতে আরও সহজ করে। টক্সিক ব্যক্তিরা সাধারণত অন্যদের আবেগগত দুর্বলতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং সামাজিক নির্ভরশীলতার সুযোগ নেয়। Gaslighting হলো একটি মানসিক манিপুলেশন কৌশল, যেখানে মানুষ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244181"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244181/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">79b6e6ccac493ae176371d162048f7b2</guid>
				<title>Redoan Asif Risan changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/242132/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 16:45:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>