-
ফেরার দিন
– শরীফ এমদাদ হোসেনযদি নষ্ট ঘড়ির মতো সময় থমকে দাঁড়াতো
আমি জানলার ধারে বসে থাকতাম
নদীর দিকে পিঠ দিয়ে
যেন কেউ পেছন থেকে নাম ধরে ডাকবে
আর সে ডাকটা চিনতে একটুও দেরি না হয়।তুমি চলে গেলে বলেই গাছেরা এখন অকারণ পাতা ঝরায়, বিকেলের রোদ হালকা বারুদ ছড়ায়
পুকুরপাড়ে বসে থাকা ছায়াগুলো অপেক্ষা না করে
অন্ধকারে তলিয়ে যায়।আমি জানি, যাবার সময় তুমি কিছু বলোনি
কেবল উঠোন পেরিয়ে হেঁটে গেলে
চালের নিচে জমে থাকা কথাগুলো তখনো শুকোয়নি।শরৎ এসেছে বহুবার
কাশফুলের মাথায় মাথায় নীরবতা
এসেছে মেঘেদের নীলাকাশ দেখানোর বার্তা
রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা ধুলো-কাদা জানে—
কার পায়ের শব্দ আর ফিরে আসবে না।রাতে ঘুম আসে দেরি করে
জোনাকির আলোয় ভেসে ওঠে তোমার না বলা কথা
আমি চোখ বন্ধ করে থাকি—
যেন ভুল করে ডেকে না ফেলি।কেউ জানে না, তুমি এখন কোথায় কেমন আছো
হয়তো বৃষ্টির শহরে, নয়তো রোদে পোড়া মাঠে;
শুধু বাতাস মাঝে মাঝে থেমে যায়, তোমার নামটা উচ্চারণ করবে বলে।যদি কোনোদিন হঠাৎ ফিরেই পড়ো
আমাকে ডাকতে হবে না—
এই উঠোন, এই নীরবতা, সবকিছু তোমাকে আগে থেকেই চিনে নেবে।1 Comment
Friends
মো: নাজমুল আখতার
@faith
আনিকা মারজান ইরা
@anikamarjanera
শ.ম.ওয়াহিদুজ্জামান
@sharifmuhammadwahiduzzaman
মাজেদুল হক
@birohikobi
অমিত
@amitroy
Syed Farah
@syedfarah
মেহেদী হাসান
@mehadi
প্রিন্স ঠাকুর
@princetagorebd
ডাঃ এম হোসন
@mosarefhoseingmail-com

“চালের নিচে জমে থাকা কথাগুলো তখনো শুকোয়নি”—এই উপমাটি এত ঘরোয়া এবং স্পর্শকাতর যে এটি পড়ার সময় বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে।