Profile Photo

Syed FarahOffline

  • syedfarah
  • Profile picture of Syed Farah

    Syed Farah and Profile picture of AnikaAnika are now friends

    Profile Photo
    Anika
    @anikaa
  • 🚀 মঙ্গল গ্রহের রূপকথা
    লাল ধুলোর তুফানটা যখন লালপাহাড়ের চূড়া ছুঁয়ে বয়ে যাচ্ছিল, তখন আরিয়ান তার প্রেসার স্যুটটা শক্ত করে চেপে ধরল। মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর চেয়ে অনেক পাতলা—মাত্র ১…Read More

    3
    3 Comments
    • আপনার লেখা এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো, বিশেষ করে “হয়তো একদিন আমাদের এই রক্তিম লাল গ্রহটাও পৃথিবীর মতো সবুজ আর প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে” লাইনটা দারুণ লেগেছে! মঙ্গলের এই রূপকথা শেষে আপনাদের কি মনে হয়, বাস্তবেও কি মানুষের পক্ষে এভাবে অন্য গ্রহে বসতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে?

    • Syed Farah, মঙ্গলের রুক্ষ পরিবেশ ও সেখানে প্রাণের আশাকে কেন্দ্র করে আপনার লেখা এই বর্ণনাটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও রোমাঞ্চকর হয়েছে। বিশেষ করে দুই ভাই-বোনের আবিষ্কারের মুহূর্ত এবং দূরবর্তী পৃথিবীকে দেখার দৃশ্যটি বেশ আবেগঘন ও চমৎকার ফুটে উঠেছে। আপনি চাইলে পরবর্তী অংশে তাদের এই আবিষ্কারের প্রভাব নিয়ে আরও বিস্তারিত লিখতে পারেন, যা পাঠককে এই ভিনগ্রহের অভিজ…Read More

    • গল্পটি খুবই ভালো লাগলো।

  • অমর নক্ষত্র: চে

    ​বুয়েনস এইরেসের শান্ত বাতাস থেকে কঙ্গোর উত্তাল নদী,
    হাঁপানির টান বুকে নিয়ে লড়েছো তুমি যুগের পর যুগ, অবধি।
    ডাক্তারের সাদা কোট ছেড়ে পিঠে নিলে প্রহরীর ব্যাগ,
    লাতিন আমেরিকার সবুজ বনে কেটেছো মুক্তির নতুন পথ।
    ​মেক্সিকোর রাতে কাস্ত্রোর সাথে সেই চেনা অঙ্গীকার,
    সিয়েরা মায়েস্ত্রার রক্তিম রা…Read More

    3
    3 Comments
    • আপনার লেখায় ফুটিয়ে তোলা চে গেভারার জীবনের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতিটি পঙক্তি হৃদয়ে দারুণ এক গভীর অনুভূতির সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে ভালোবাসার মানুষ ও প্রিয় কবিতার খাতাকে ছেড়ে মানুষের মুক্তির মিছিলে শামিল হওয়ার বর্ণনাটি বেশ চমৎকার, তাই এমন আবেগঘন ও শক্তিশালী লেখনী যেন নিরন্তর চলতে থাকে।

    • চে-কে একসময় দারুণ লাগতো।

  • ঝাড়ু দেওয়ার মুহূর্তে এল নোবেল জয়ের খবর: কবি অ্যান কারসনের সাহিত্যিক জাদু

    ​আইসল্যান্ডের রেইকিয়াভিক শহরের এক শান্ত বিকেলে নিজের ঘরের রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন ৭৬ বছর বয়সী কানাডীয় কবি ও অনুবাদক অ্যান কারসন। বাইরে তখন তীব্র বাতাসের গর্জন। ঠিক সেই মুহূর্তেই সুইডেন থেকে ফোনে এল কাঙ্ক্ষিত সংবাদ—তিনি অর্জন করেছেন ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কা…Read More

    3
    4 Comments
    • ঝাড়ু হাতে থেকেও কারসনের সাহিত্য আজ নোবেলের আলোয় উজ্জ্বল…..🤍🖤

    • Syed Farah, অ্যান কারসনের নোবেল পাওয়ার এই গল্পটা আর তাঁর লেখা পড়ার অদ্ভুত নিয়মটা জেনে দারুণ লাগল!

    • Syed Farah, এই লেখাটিতে অ্যান কারসনের নোবেল জয়ের মুহূর্তের সরল বর্ণনা এবং তাঁর সৃজনশীল কাজের পরিচয় আমাকে মুগ্ধ করেছে, বিশেষ করে “বিচারকমণ্ডলী হয়তো ‘পাগল’ হয়ে গেছেন!” কথাটি পড়ে বেশ হাসি পেয়েছে। আপনার এই তথ্যবহুল রচনার মতোই সাহিত্যের জাদুকরী সব দিক নিয়ে নিয়মিত আলোচনা আমাদের অনেকের জন্যই দারুণ প্রেরণার উৎস হতে পারে। আশা…Read More

  • নয়নমণির ক্যানভাস

    ​তুমি ছিলে মোর নয়নতারায়, শুভ্র শিউলি সেজে,
    হৃদয়-উঠানে ফুটতে প্রত্যহে রজনীগন্ধা হয়ে।
    তোমার হাসিতে পলাশের রঙ বাঁশির সুরেই বেজে,
    গল্প গড়ত আমার সীমানা তোমারে কেন্দ্র বয়ে।
    ​হঠাৎ কোথায় হারিয়ে গেলে কোন অজানার দেশে?
    গহিন পাহাড়ে, ফিরোজা সাগরে, নাকি কোনো দূর বনে?
    সাত-সাগরের ওপারে কি আজ গোধূলির রং মেখে—
    একাকী হেঁটেছ?…Read More

    2
    3 Comments
    • হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জন স্মৃতির রঙে থেকে গিয়ে বিষণ্ন হৃদয়কে আবারও বাঁচতে শেখায়…..🤍🖤

    • আপনার লেখা এই লাইনটি খুব ভালো লাগলো— ‘স্মৃতির তুলিতে আজও আঁকি আমি চেনা সেই মুখখানি’। প্রতিটি শব্দে এতো আবেগ মিশে আছে যে পড়ার সময় সত্যি অন্যরকম এক অনুভূতি হচ্ছিল। দারুণ লিখেছেন আপনি, এভাবে নিয়মিত লিখবেন কিন্তু।

    • আপনার লেখা এই পঙ্‌ক্তিগুলোতে ফুটে ওঠা শিউলি আর কৃষ্ণচূড়ার রঙে সাজানো স্মৃতির আবেশ হৃদয় ছুঁয়ে যায়, বিশেষ করে বিচ্ছেদের মাঝেও প্রিয়জনকে অমর করে রাখার আকুতি খুব গভীর। অন্য সদস্যদের লেখার নিচে আপনার ভালোবাসা বা প্রতিক্রিয়া জানালে এবং তাদের পোস্টে সুন্দর মন্তব্য করলে আমাদের এই আপন ভুবনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

  • কাফনের টাকা

    বুকের কাছে রাখা টিনের কৌটোটা খোলার সময় আমেনার হাত দুটো হালকা কাঁপছিল।

    বাঁশের মাচানের নিচে, একটা পুরনো পাটের বস্তায় মোড়ানো ছিল সেটা। ভেতরে তিনটে এক হাজার টাকার ময়লা নোট, আর দুটো একশো টাকার কড়কড়ে কাগজ। সাথে একটা ছোট কাগজের টুকরোয় কাঠপেন্সিলে আঁকাবাঁকা হরফে লেখা—‘আমার জানাজা আর কাফন’।

    নূর হোসেন আজ ভোররাতে চুপচাপ চোখ বুজেছে…Read More

    6
    6 Comments
    • আপনার লেখা ‘নিজের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে নিজের কাফনের দামটা নিজেই মিটিয়ে দিয়ে গেছেন’—এই লাইনটা সত্যি খুব মর্মস্পর্শী আর চোখে জল আনার মতো। শরণার্থী জীবনের এমন কঠিন বাস্তবতার গল্প আগে কখনো এভাবে পড়ার সুযোগ হয়নি, সব মিলিয়ে নূর হোসেনের চরিত্রটি কি আপনাদের চারপাশের কারো জীবন থেকে অনুপ্রাণিত? আপনি চাইলে গ্রুপে অন্যদের পোস্টে নিয়মিত রিঅ্যাক্ট বা সুন…Read More

    • একদম চিরস্থায়ী ঠিকানায়।

    • “জন্ম, শৈশব, যৌবন, বিয়ে, সংসার আর বার্ধক্য”—সবকিছু একই আট বাই দশ ফুট জায়গায় কেটে যাওয়া ভাবতেই মনটা ভার হয়ে গেলো।

    • আপনার লেখায় জীবনের শুরু, মধ্যবর্তী সময় এবং শেষ সময় শেষ ঠিকানা সব গুলো ফুটে উঠেছে। আমার হৃদয়টা ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে 😓

    • আপনার লেখায় ফুটে ওঠা মানবিক জীবনের গভীর হাহাকার এবং শেষ সম্বল দিয়ে নিজের শেষযাত্রার আয়োজন করা প্রতিটি মুহূর্ত হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। সম্পর্কের এই নিবিড় টান ও সংগ্রামের চিত্রটি এত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, আপনি নিয়মিত লিখলে এমন অনেক গভীর অনুভূতির প্রকাশ আরও সুন্দরভাবে পাঠক হৃদয়ে পৌঁছে যাবে।

    • পরিচয়হীন জীবনের শেষ সঞ্চয়টুকুও নূর হোসেনকে এনে দিল মাটির বুকে এক চিরস্থায়ী ঠিকানা…..🤍🖤

  • Profile picture of Syed Farah

    Syed Farah and Profile picture of Khusi MoniKhusi Moni are now friends

    Profile Photo
    Khusi Moni
    @khusimoni
  • জীবনের পান্থশালা

    ​এই জগত এক পান্থশালা, তুমি ক্ষণিকের এক যাত্রী,
    কেউ কি এখানে নিজের ভেবে সাজায় সোনার বাতি?
    কেউ কি এখানে ভিত্তি গড়ে চিরস্থায়ী সুখে?
    মায়া ভুলে চলো আগে, যেখানে ঘর আছে তোমার মুখে।
    এখানে তুমি অতিথি শুধু, নও এই ধরাধামের ঈশ্বর,
    মুসাফির হয়ে থাকো, করো আখেরাতের পাথেয় সঞ্চয়।
    ​শোনো নি, তপ্ত মরুভূমি কেমনে এক মরূদ্যান পায়,
    তিক্ত…Read More

    5
    6 Comments
  • Profile Photo
    Sharika Khatun
    @sharika6924gmail-com
  • Profile picture of Syed Farah

    Syed Farah and Profile picture of wajibadwajibad are now friends

    Profile Photo
    wajibad
    @wajibad
  • Profile picture

    আলোর সান্নিধ্য

    ​যাকে তুমি খুঁজে ফেরো দূরের আকাশে,
    তিনি তো আছেন ঘিরে তোমারি নিশ্বাসে।
    নিজের চোখ কি পারে নিজেরে দেখতে?
    দীপ লাগে না তো আর আলো আলোমতে!
    ​চোখ মেলে যা কিছু দেখ, কানে যা শোনো,
    বুকের ভেতরে শ্বাস গুনে চলা কোনো—
    সবই তো তাঁরই আলো, তাঁরই দয়া-দান,
    তোমার মাঝেই আছে তাঁরই আহ্বান।
    ​পবিত্র কুরআনে তিনি স্পষ্ট বলেছেন,
    শাহরগের চেয়েও কাছে তিন…Read More

    5
    1 Comment
  • দুনিয়ার মায়া ও অবিনশ্বর আলো

    ​মায়ের কোলে প্রথম আঁখি খোলা,
    ধীরে ধীরে বিশ্বটারে চেনা,
    কাজের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে
    বন্ধু আর স্বজন কিনে নেওয়া।
    ​সৃজনের আকুলতায় ভরা
    মানুষের অন্তহীন মন,
    দুনিয়াকে ভালোবেসে আকুল
    সাজায় সে ভালোবাসার ঘর।
    ​পবিত্র কুরআন তবে বলে—
    দুনিয়া তো পরীক্ষা কেবল,
    এই মায়া চিরন্তন নয়,
    এখানেই থমকে যাবে পথ।
    ​একদিন মাটির বুকে ঢ…Read More

    2
    1 Comment
    • দুনিয়ার মায়ার মাঝেও আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

  • রিজিকের আলো

    থালায় জমা খাবারটুকু ফেলো না গো আর,
    অপচয়ে হারায় দেখো বরকত রান্নার।
    আল্লাহ বলেন— খাও গো মনের আনন্দ আর সুখে,
    সীমা তুমি ডিঙিয়ো না, হাত রেখে আজ বুকে।

    যেজন হেলায় অমূল্য এই রিজিক ফেলে দেয়,
    রহমাতেরি মিষ্টি আলো দূরে সরে যায়।
    কৃপণতা নয় তো ভালো, নয় তো অপব্যয়,
    মাঝামাঝি পথেই শুধু আসল শান্তি রয়।

    কৃষক ভাইয়ের ঘামের ফোঁটা, ফস…Read More

    6
    7 Comments
    • কৃষক ভাইয়ের ঘামের কথা মনে করিয়ে দিল, অনেক সুন্দর মেসেজ 😌

    • খুব সুন্দর একটা বার্তা দিয়েছেন, বিশেষ করে অপচয় রোধ করার কথাগুলো আমাদের সবারই মেনে চলা উচিত। আপনার লেখাটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো, একদম সময়োপযোগী একটা কথা মনে করিয়ে দিলেন।

    • অপচয়হীন জীবন।

    • মনটা ছুঁয়ে গেলো 🌹🌹

    • Syed Farah, এই সুন্দর কথাগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এক অনন্য তাগিদ দেয় যা প্রতিটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রতিটি চরণের ছন্দগুলো মনে করিয়ে দেয় যে কৃষকের শ্রম আর খাবারের সম্মান রক্ষায় আমাদের সজাগ হওয়া কতটা জরুরি। সুন্দর এই বার্তাগুলো এভাবেই আমাদের চলার পথে আলোর দিশারি হয়ে থাকুক এবং আপনার লেখালেখি অব্যাহত থাকুক।

    • অসাধারণ! খুবই ভালো লিখেছেন। গভীর ভাবনা নিয়ে… এটাকে সচেতনমূলক কবিতাও বলা যেতে পারে।

  • Load More Posts
Skip to toolbar