<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Sharmin | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sharmin1/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sharmin1/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Sharmin.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 24 Oct 2026 21:09:35 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">357aff8db24511dadaf5b667969f2296</guid>
				<title>বৃষ্টির ভেতর হলুদ
.... স্বপন বিশ্বাস 

এমন বৃষ্টি ছিল—
দুপুরের আকাশ যেন বহুদিন পরে
তার পুরোনো কান্না মনে করে
নেমে এসেছিল মাটির কাছে;

শালিকেরা কোথায় গেছে—
ভেজা পাতার নিচে শুধু
অন্ধকারের নরম শব্দ,
দূরের কোনো বাঁশবনে
জল ঝরে একটানা।

কাদামাটির পথটি
বহু দূরের কোনো গ্রামের দিকে
চলে গেছে মনে হয়—
যেখানে সন্ধ্যা হলে
ধানের গন্ধে জেগে ওঠে
হারিয়ে-যাওয়া মানুষের মুখ।

সেই পথের ধারে
একটি গাছের নিচে
হলুদ পোশাকে দাঁড়িয়ে ছিল সে।

হলুদ—
যেন বর্ষার ভেজা পৃথিবীতে
শেষ বিকেলের রোদ
ভুল করে এসে পড়েছে;

তার চুলে বৃষ্টি ছিল,
চোখের কোণে ছিল
কোনো অচেনা নদীর গভীরতা—
যে নদী একদিন
আমাদের সকলের ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে,
আজ শুধু তার স্মৃতি আছে।

পাতারা কাঁপছিল;
বৃষ্টির ফোঁটায় ফোঁটায়
সবুজ পৃথিবী যেন
নিজের পুরোনো মুখ ধুয়ে নিচ্ছিল।

দূরে একটি মাটির ঘর—
তার চালের কিনারে জল,
উঠোনে ভাসে আকাশের ছায়া;
কেউ সেখানে নেই,
তবু মনে হয়
কেউ একজন এইমাত্র
দরজা খুলে তাকিয়েছিল।

সে কি কারও জন্য দাঁড়িয়েছিল?

নাকি এই বৃষ্টির কাছে
মানুষের কোনো অপেক্ষা নেই—
শুধু একটি হলুদ বিকেল
তার শরীরের ভিতর
নিঃশব্দে বেঁচে ছিল?

আমি তাকে ডাকিনি।

এমন দিনে মানুষকে ডাকতে নেই—
বৃষ্টিরও তো কিছু গোপন কথা থাকে,
পাতারও থাকে,
ভেজা মাটিরও থাকে;
আর কোনো কোনো মুখ
দূর থেকে দেখলেই
একটি সম্পূর্ণ জীবনের মতো মনে হয়।

তারপর সন্ধ্যা নামল ধীরে।

গাছের পাতায়
শেষ আলোটি নিভে গেল,
পথের জলে ভেসে রইল
একটি হলুদ রঙের ক্ষীণ স্মৃতি।

সে চলে গেল—
কোনো শব্দ না করে।

শুধু বৃষ্টি রয়ে গেল,
রয়ে গেল ভেজা গন্ধ,
রয়ে গেল সেই গাছটি,
আর আমার চোখের ভিতর
একটি অদ্ভুত হলুদ আলো—

যেন বহু বছর পরে
কোনো এক বর্ষার রাতে
আবার তাকে দেখা যাবে
এই পৃথিবীর কোনো নির্জন পথে;

যেখানে ঘাসের ভিতর
শিশির জমে থাকে,
পাখিরা ঘুমিয়ে থাকে,
আর বৃষ্টি পড়ে
একটি হারানো জীবনের মতো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266386/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Aug 2026 17:24:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টির ভেতর হলুদ<br />
&#8230;. স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>এমন বৃষ্টি ছিল—<br />
দুপুরের আকাশ যেন বহুদিন পরে<br />
তার পুরোনো কান্না মনে করে<br />
নেমে এসেছিল মাটির কাছে;</p>
<p>শালিকেরা কোথায় গেছে—<br />
ভেজা পাতার নিচে শুধু<br />
অন্ধকারের নরম শব্দ,<br />
দূরের কোনো বাঁশবনে<br />
জল ঝরে একটানা।</p>
<p>কাদামাটির পথটি<br />
বহু দূরের কোনো গ্রামের দিকে<br />
চলে গেছে মনে হয়—<br />
যেখানে সন্ধ্যা হলে<br />
ধা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266386"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266386/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">33025bcb61c289fe0d6d67888801ac84</guid>
				<title>নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন নয়, প্রয়োজন বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যাবস্থা
....... স্বপন বিশ্বাস 

বাংলাদেশের শিক্ষা খাত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষার বিস্তারে রাষ্ট্রের অন্যতম বড় সাফল্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিক্ষার সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি সাক্ষরতার হারও উন্নত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বাস্তবতা বদলেছে। এখন আর শিক্ষা খাতের প্রধান সংকট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নয়; বরং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈষম্য, শিক্ষার্থীর সংকট এবং শিক্ষার মান নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। তাই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সমতা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। দুঃখজনক হলেও সত্য, একদিকে শিক্ষার্থী সংকটের কারণে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা স্থগিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একই শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত শিক্ষা পরিকল্পনার দুর্বলতাকেই সামনে নিয়ে আসে। যখন বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোই পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাচ্ছে না, তখন নতুন প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নীতিমালায় দীর্ঘদিন ধরে জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক দূরত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মফস্বল এলাকায় সাধারণভাবে তিন কিলোমিটারের মধ্যে এবং  ১০ হাজার জনসংখ্যার জন্য একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা হয়। এই নীতিমালার আলোকে দেশের প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক কম হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ২০ হাজার ৩১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯ হাজার ২৫৯টি মাদ্রাসা এবং ৭ হাজার ৯২৫টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। অর্থাৎ এই তিন ধারার প্রতিষ্ঠানই প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার। এর বাইরেও রয়েছে হাজার হাজার কওমি মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজি মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে শিক্ষার্থী বিভিন্ন ধারার প্রতিষ্ঠানে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে এবং প্রচলিত অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। এই সংকটের বাস্তব চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে কারিগরি শিক্ষায়। সরকারি তথ্য বলছে, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬২ শতাংশ আসন শূন্য পড়ে থাকে। আবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমে ৩৭৮টি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তি হয়নি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন বহু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে, যেখানে একটি শ্রেণিতে মাত্র ১০, ২০ কিংবা ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান চলছে। এমন বাস্তবতায় নতুন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা মানে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকট আরও বাড়িয়ে দেওয়া।
অন্যদিকে বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈষম্যও চোখে পড়ার মতো। কোথাও একাধিক বহুতল ভবন, আধুনিক বিজ্ঞানাগার, আইসিটি ল্যাব ও সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার রয়েছে; আবার কোথাও একটি নিরাপদ ভবন পর্যন্ত নেই। অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো কার্যকর আইসিটি ল্যাব গড়ে ওঠেনি, পর্যাপ্ত কম্পিউটার নেই, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে একই দেশের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মধ্যে বেড়ে উঠছে। এটি শুধু অবকাঠামোগত বৈষম্য নয়, শিক্ষার মানের বৈষম্যও।আজ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম করে তুলতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে আইসিটি ল্যাব, বিজ্ঞানাগার, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত না করে শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।শিক্ষা খাতে আরেকটি বড় সমস্যা হলো তদারকির অভাব। কোথাও শিক্ষক সংকট, কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষক, কোথাও নিয়মিত পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পরিবর্তে প্রশাসনিক দুর্বলতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর মনিটরিং, জবাবদিহিতা এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। রাষ্ট্রের সম্পদ সীমিত। তাই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে সেই অর্থ বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ব্যয় করাই অধিক যৌক্তিক। একটি নতুন প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ, আইসিটি ল্যাব স্থাপন, বিজ্ঞানাগার উন্নয়ন, গ্রন্থাগার সমৃদ্ধকরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে অনেক বেশি শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে।অবশ্যই দেশের দুর্গম চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা কিংবা এমন অঞ্চল যেখানে এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সংকট রয়েছে, সেখানে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন প্রয়োজন। কিন্তু যেখানে একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী সংকটে ভুগছে, সেখানে নতুন অনুমোদন নয়; বরং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়, মানোন্নয়ন এবং বৈষম্য দূর করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের নীতি। শিক্ষা কোনো ভবনের নাম নয়, শিক্ষা একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি। সেই ভিত্তি তখনই শক্তিশালী হবে, যখন দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী সমান সুযোগে মানসম্মত শিক্ষা পাবে। তাই এখন সময় এসেছে সংখ্যার প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে গুণগত উন্নয়নের পথে হাঁটার। নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈষম্য দূর করা, আধুনিকায়ন, কার্যকর তদারকি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই হোক আগামী দিনের শিক্ষা নীতির প্রধান লক্ষ্য। তাহলেই শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন হবে, রাষ্ট্রের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা লাভ করবে।
.....
স্বপন বিশ্বাস 
কবি ও কলামিস্ট 
১০/৮/২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260463/</link>
				<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 15:16:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন নয়, প্রয়োজন বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যাবস্থা<br />
&#8230;&#8230;. স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>বাংলাদেশের শিক্ষা খাত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষার বিস্তারে রাষ্ট্রের অন্যতম বড় সাফল্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260463"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260463/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b34340870bd97bc573e0fe7c972d7af2</guid>
				<title>মায়ের পচা দেহের গন্ধ: গোটা সমাজ ব্যবস্থার পচনের সংকেত
.......... স্বপন বিশ্বাস 
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন কিছু হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দেখা গেছে—একজন বৃদ্ধা মা কিংবা বাবা মৃত্যুর পর দিনের পর দিন ঘরের ভেতরে পড়ে আছেন, অথচ তাদের খোঁজ নিতে আসেনি আপনজনেরা। একসময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা জানতে পারেন মৃত্যুর খবর। এমন ঘটনা শুধু একটি পরিবারের ব্যর্থতা নয়; এটি আমাদের সমাজ, শিক্ষা ও মূল্যবোধের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি। ভাবতে অবাক লাগে, যে মা সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য নিজের ক্ষুধাকে বিসর্জন দিয়েছেন, রাত জেগে সন্তানের জ্বর দেখেছেন, নিজের স্বপ্নগুলোকে হত্যা করে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েছেন, সেই মায়ের মৃতদেহ যদি দিনের পর দিন অযত্নে পড়ে থাকে, তাহলে আমাদের সভ্যতার দাবি কতটা সত্য? আজ আমরা শিক্ষার হার বৃদ্ধি নিয়ে গর্ব করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে, বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়েছে, প্রশাসন, চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যবসা সকল ক্ষেত্রেই সাফল্যের গল্প শুনি। কিন্তু একটি প্রশ্ন ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে-আমরা কি শুধু শিক্ষিত হচ্ছি, নাকি সত্যিকার অর্থে মানুষও হচ্ছি?
সনদ মানুষকে চাকরি দিতে পারে, পদমর্যাদা দিতে পারে, অর্থ ও প্রভাব দিতে পারে; কিন্তু মানবিকতা শেখাতে পারে না। মানবিকতা শেখানো হয় পরিবারে, সমাজে এবং নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে। আজ সেই জায়গা গুলোই যেন ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়ছে। ফলে আমরা উচ্চশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়তে দেখছি, কিন্তু মানবিক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে কি না, সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
একসময় যৌথ পরিবার ছিল আমাদের সমাজের শক্তি। দাদা-দাদি, নানা-নানি, মা-বাবা, সন্তান, সবাই মিলে ছিল এক পারিবারিক বন্ধন। বৃদ্ধরা ছিলেন পরিবারের শ্রদ্ধার কেন্দ্রবিন্দু। আজ নগরায়ণ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক জীবন ও ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রভাবে সেই বন্ধন অনেক ক্ষেত্রে আলগা হয়ে গেছে। বাবা-মা যেন অনেকের কাছে দায়িত্ব নয়, বরং বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।প্রযুক্তির এই যুগে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মুহূর্তে যোগাযোগ করা সম্ভব। কিন্তু অনেক সন্তান মাসের পর মাস মায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় খুঁজে পায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজারো বন্ধুর খোঁজ রাখা হয়, অথচ নিজের জন্মদাত্রী মায়ের খবর নেওয়ার প্রয়োজন অনুভূত হয় না। এটি শুধু ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়; এটি সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এমন ঘটনাগুলো এখন আর মানুষকে তেমন বিস্মিত করে না। সংবাদপত্রে খবর হয়, সামাজিক মাধ্যমে কিছুদিন আলোচনা হয়, তারপর সবাই ভুলে যায়। যেন এগুলো আমাদের সমাজের স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। এই স্বাভাবিকীকরণই সবচেয়ে ভয়ংকর। একজন মায়ের পচা দেহের গন্ধ আসলে একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজ ব্যবস্থার পচনের গন্ধ। এটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যেখানে পরীক্ষার নম্বর আছে কিন্তু নৈতিকতার মূল্যায়ন নেই। এটি আমাদের রাষ্ট্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যেখানে প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। এটি আমাদের সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যেখানে মানুষ ক্রমশ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। তবে সব দায় শুধু সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় মানবিক ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব বাড়াতে হবে। পরিবারে ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের শেখাতে হবে—মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব কোনো দয়া নয়, এটি নৈতিক কর্তব্য। ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়েও পারিবারিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিবেশী সমাজকেও আরও সচেতন হতে হবে। একসময় গ্রামে-গঞ্জে কেউ অসুস্থ হলে কিংবা কয়েকদিন দেখা না গেলে প্রতিবেশীরা খোঁজ নিতেন। সেই সামাজিক বন্ধন পুনর্গঠন জরুরি। কারণ মানুষ একা নয়; সমাজের অংশ হিসেবেই তার অস্তিত্ব।
মনে রাখতে হবে, আমরা সবাই একদিন বৃদ্ধ হব। আজ যাকে অবহেলা করছি, কাল হয়তো সেই একই পরিণতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। জীবনের শেষ সময়ে একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি চান, তা হলো সন্তানের স্নেহ, ভালোবাসা ও উপস্থিতি। অর্থ, পদমর্যাদা কিংবা সামাজিক সম্মান তখন খুব বেশি মূল্য বহন করে না। তাই আজ সময় এসেছে নতুন করে প্রশ্ন করার। আমরা কেমন সমাজ গড়ছি? এমন সমাজ, যেখানে সাফল্যের শিখরে ওঠা সন্তান মায়ের মৃত্যুর খবরও রাখে না? নাকি এমন সমাজ, যেখানে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা এখনও মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়?
একজন মায়ের পচা দেহের গন্ধ আমাদের বিবেককে নাড়া দিক। আমাদের মনে করিয়ে দিক, মানুষ হওয়ার শিক্ষা ছাড়া অন্য সব শিক্ষা অসম্পূর্ণ। কারণ ইতিহাস কখনও শুধু বড় পদে থাকা মানুষের কথা মনে রাখে না; ইতিহাস মনে রাখে সেই মানুষদের, যারা তাদের মা-বাবার মুখে শেষ বয়সে একফোঁটা হাসি ফুটিয়ে দিতে পেরেছিলেন। মানবতার সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াই প্রকৃত শিক্ষার সর্বোচ্চ সনদ।
.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252780/</link>
				<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 11:09:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মায়ের পচা দেহের গন্ধ: গোটা সমাজ ব্যবস্থার পচনের সংকেত<br />
&#8230;&#8230;&#8230;. স্বপন বিশ্বাস<br />
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন কিছু হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দেখা গেছে—একজন বৃদ্ধা মা কিংবা বাবা মৃত্যুর পর দিনের পর দিন ঘরের ভেতরে পড়ে আছেন, অথচ তাদের খোঁজ নিতে আসেনি আপনজনেরা। একসময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা জানতে পারেন মৃত্যুর খবর। এমন ঘটনা শু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252780"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252780/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87892c490b80a76797add88d99c00bfb</guid>
				<title>দেশ গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা
....... স্বপন বিশ্বাস 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন জিয়াউর রহমান  স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, রাষ্ট্রনায়ক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তিনি আজও আলোচিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আত্মনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তার প্রভাব এখনও দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রশাসনে দৃশ্যমান। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্ভিক্ষ, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত। ঠিক সেই সময় জাতীয় জীবনে আবির্ভূত হন জিয়াউর রহমান। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন- একটি রাষ্ট্রকে কেবল রাজনৈতিক স্লোগানে নয়, বরং উৎপাদন, শৃঙ্খলা, কর্মসংস্থান ও জাতীয় ঐক্যের ভিতের ওপর দাঁড়াতে হয়। তাই তার রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রে ছিল “বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ”, আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি এবং গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন। জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দর্শন ছিল “বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ”। তিনি মনে করতেন, ভাষা, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক বাস্তবতা ও স্বাধীনতার চেতনার সমন্বয়ে একটি স্বতন্ত্র জাতীয় পরিচয় গড়ে উঠতে হবে। তার এই দর্শনের উদ্দেশ্য ছিল বিভক্ত রাজনৈতিক সমাজকে একটি জাতীয় কাঠামোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ করা। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মীয় মূল্যবোধকে সামাজিক নৈতিকতার অংশ হিসেবে দেখলেও রাষ্ট্রকে উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমান যুগান্তকারী কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে গ্রামের মানুষের মধ্যে। তাই তিনি “খাল খনন”, “গ্রাম সরকার”, “পল্লী উন্নয়ন” এবং “স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি” চালু করেন। তার বিখ্যাত কর্মসূচি ছিল-“খাল কাটো, দেশ গড়ো”। এর মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, সেচব্যবস্থা উন্নত করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করার চেষ্টা করা হয়। জিয়াউর রহমান কৃষিকে শুধু খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে অর্থনীতির প্রাণশক্তি হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কৃষককে উৎপাদনে উৎসাহ দিতে তিনি সার, বীজ ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ করেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং শহরমুখী জনসংখ্যার চাপ কমে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। এজন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তার বিশ্বাস ছিল, কেন্দ্র থেকে নয়,উন্নয়নের প্রকৃত শক্তি আসবে তৃণমূল থেকে। জিয়াউর রহমানের আরেকটি বড় অবদান ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন। স্বাধীনতার পর দেশে যখন একদলীয় শাসনের প্রবণতা তৈরি হয়েছিল, তখন তিনি রাজনৈতিক বহুমতের পথ উন্মুক্ত করেন। সংবাদপত্র, রাজনৈতিক দল ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্র কিছুটা প্রসার লাভ করে। যদিও তার শাসনামল নিয়েও বিতর্ক রয়েছে, তবুও অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, বাংলাদেশের বহুদলীয় রাজনীতির পুনর্জাগরণে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
পররাষ্ট্রনীতিতেও তিনি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ এশিয়া এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার করেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করার পেছনে তার সরকারের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আজকের বৈদেশিক রেমিট্যান্সভিত্তিক অর্থনীতির প্রাথমিক ভিত অনেকাংশে সেই সময়েই তৈরি হয়।
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও তার চিন্তা ছিল সুদূরপ্রসারী। তিনি কর্মমুখী শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং যুবসমাজকে উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তার বক্তব্য ছিল,একটি দরিদ্র দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের সংস্কৃতি।
তবে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। সামরিক শাসন, ক্ষমতা গ্রহণের প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। ইতিহাসের বিচারেও এসব বিতর্ক আলোচিত হবে। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, তিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি রূপরেখা দাঁড় করিয়েছিলেন।
আজকের বাংলাদেশে যখন উন্নয়ন, গণতন্ত্র, জাতীয় পরিচয় ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার প্রশ্ন সামনে আসে, তখন জিয়াউর রহমানের কিছু চিন্তা নতুনভাবে আলোচনায় আসে। বিশেষ করে গ্রামীণ উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে তার দর্শন এখনও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করেন অনেকে। দেশ গঠনের স্বপ্ন কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শন। জিয়াউর রহমান সেই দর্শনের মধ্যেই বাংলাদেশকে দেখতে চেয়েছিলেন,যেখানে থাকবে আত্মমর্যাদা, উৎপাদনশীলতা, জাতীয় ঐক্য ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন। তার স্বপ্ন ও পরিকল্পনার সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একজন মুক্তিযোদ্ধা থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়া এই মানুষটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক অধ্যায়, যাকে ঘিরে আলোচনা কখনও শেষ হবে না। কারণ, তিনি শুধু ক্ষমতার রাজনীতি করেননি; তিনি একটি দারিদ্র্যপীড়িত জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আর সেই স্বপ্নের প্রতিধ্বনি এখনও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় অনুভূত হয়।
.....
স্বপন বিশ্বাস 
কবি ও কলামিস্ট</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252476/</link>
				<pubDate>Sat, 30 May 2026 11:08:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশ গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা<br />
&#8230;&#8230;. স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন জিয়াউর রহমান  স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, রাষ্ট্রনায়ক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তিনি আজও আলোচিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আত্মনির্ভর, উৎপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252476"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252476/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8fd9b27a574e3583cdaf4a20c4665b61</guid>
				<title>এবার ঈদে
...... স্বপন বিশ্বাস 

এবার ঈদে কিনবো জামা
একটা  মাটির পুতুল
পারলে একটা কিনবো ফিতা
কানের দুইটা দুল।

মায়ের সাথে হাটে গিয়ে
দেখবো রঙিন মেলা,
চুড়ি পরে খিলখিলিয়ে
কাটবে সারা বেলা।

ভাইয়া নেবে নতুন জুতা
আব্বু নেবেন টুপি,
সেমাই গন্ধ ছড়িয়ে যাবে
ঘরময় রূপ ঝুপি।

চাঁদ উঠিলে আকাশ জুড়ে
খুশিতে মন ভাসে 
ঈদের দিনে সবাই মিলে
মিষ্টি খেতে বসে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252109/</link>
				<pubDate>Wed, 27 May 2026 16:52:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এবার ঈদে<br />
&#8230;&#8230; স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>এবার ঈদে কিনবো জামা<br />
একটা  মাটির পুতুল<br />
পারলে একটা কিনবো ফিতা<br />
কানের দুইটা দুল।</p>
<p>মায়ের সাথে হাটে গিয়ে<br />
দেখবো রঙিন মেলা,<br />
চুড়ি পরে খিলখিলিয়ে<br />
কাটবে সারা বেলা।</p>
<p>ভাইয়া নেবে নতুন জুতা<br />
আব্বু নেবেন টুপি,<br />
সেমাই গন্ধ ছড়িয়ে যাবে<br />
ঘরময় রূপ ঝুপি।</p>
<p>চাঁদ উঠিলে আকাশ জুড়ে<br />
খুশিতে মন ভাসে<br />
ঈদের দিনে সবাই মিলে<br />
মিষ্টি খেতে বসে। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3ee77d45018f622876f70029da1fb78</guid>
				<title>বন্দী পাখি 
...... স্বপন বিশ্বাস 

বনের পাখি খাঁচায় বন্দী,
যতই করি আদর,
মন থাকে তার বনে বনে,
দেহ খাঁচার ভিতর।

 উড়তে চায় সে ডানা মেলে 
নীল আকাশের পানে,
শিশিরভেজা ভোরের আলো
ডাকে আপন গানে।

 হলেও সে সোনার খাঁচা
মেটে না তার সাধ,
মুক্ত হাওয়ার ছোঁয়া ছাড়া
সব ভাবে সে ফাঁদ।

বাঁশির সুরে ডাকি তাকে,
চোখে জমে নীর,
 মন তবু তার খুঁজে ফেরে
বনের আপন নীড়।

শিখিয়ে দিল পাখি আমায়
জীবনের এ সার—
স্বাধীনতা ছাড়া কোনো
সুখ নয় সত্যিকার।
......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249336/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 11:36:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্দী পাখি<br />
&#8230;&#8230; স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>বনের পাখি খাঁচায় বন্দী,<br />
যতই করি আদর,<br />
মন থাকে তার বনে বনে,<br />
দেহ খাঁচার ভিতর।</p>
<p> উড়তে চায় সে ডানা মেলে<br />
নীল আকাশের পানে,<br />
শিশিরভেজা ভোরের আলো<br />
ডাকে আপন গানে।</p>
<p> হলেও সে সোনার খাঁচা<br />
মেটে না তার সাধ,<br />
মুক্ত হাওয়ার ছোঁয়া ছাড়া<br />
সব ভাবে সে ফাঁদ।</p>
<p>বাঁশির সুরে ডাকি তাকে,<br />
চোখে জমে নীর,<br />
 মন তবু তার খুঁজে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249336"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249336/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e38aebc748639d11b5bb0fe1ba096c8</guid>
				<title>তুমি হৃদয় জুড়ে
.......স্বপন বিশ্বাস 

তুমি আছো মা হৃদয় জুড়ে,
চোখের পাতার নীরব সুরে।
মলিন স্মৃতির কুয়াশায়,
তবু তোমার ছোয়া না পাই।

ভোরের আলো, সন্ধ্যাতারা,
খুঁজে তোমায় দিশেহারা।
শূন্য ঘরে একলা বসে,
ডাকতে তোমায় অশ্রু ভাসে।

আঁচলভরা স্নেহের গন্ধ,
আজও জাগায় মধুর ছন্দ। 
দুঃখ এলে মনে হয় মা,
মাথায় রাখো স্নেহের ছোঁয়া।

চোখের আড়াল, মনের কাছে,
প্রতিটি ক্ষণ তুমি যে আছো।
আমার প্রাণের গভীর তলে,
 তুমি মা আছো অনন্ত জুড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247903/</link>
				<pubDate>Fri, 15 May 2026 05:45:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি হৃদয় জুড়ে<br />
&#8230;&#8230;.স্বপন বিশ্বাস </p>
<p>তুমি আছো মা হৃদয় জুড়ে,<br />
চোখের পাতার নীরব সুরে।<br />
মলিন স্মৃতির কুয়াশায়,<br />
তবু তোমার ছোয়া না পাই।</p>
<p>ভোরের আলো, সন্ধ্যাতারা,<br />
খুঁজে তোমায় দিশেহারা।<br />
শূন্য ঘরে একলা বসে,<br />
ডাকতে তোমায় অশ্রু ভাসে।</p>
<p>আঁচলভরা স্নেহের গন্ধ,<br />
আজও জাগায় মধুর ছন্দ।<br />
দুঃখ এলে মনে হয় মা,<br />
মাথায় রাখো স্নেহের ছোঁয়া।</p>
<p>চোখের আড়াল, মনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247903"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247903/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>