<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Suranjit Master | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/suranjitmaster/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/suranjitmaster/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Suranjit Master.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 14:56:00 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">2c726ed5c9d93af6b68d3bceb91c5119</guid>
				<title>আমাকে একটা কবিতা দাও-
কোথায় গেলো কবি? কোথায়?
আমাকে কবিতা দাও আবৃত্তি করবো
হ্যাঁ আবৃত্তি করবো -
দেবে না! কেন?
এটাতো নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বাধীনতা।
আমার কবিতা কই? 
আমি চিৎকার করে বলছি -
পল্লী জননী আবৃত্তি করবো না,
স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে এলো আবৃত্তি করবো না। 
মাগো ওরা বলে, বিদ্রোহী কবিতা আবৃত্তি করবো না। 
আমি চিৎকার করে বলছি -
আমাকে কবিতা দাও। 
এসো হে বৈশাখ এসো এসো আমি বলাবো না।
আমাকে কাল বৈশাখী দাও, ভুমিকম্প দাও, সাইক্লোন দাও।
আমাকে এক বুক ঘৃনা দাও নয়তে দানবের হাসি,রাক্ষসের হুংকার। 
আমি আবৃত্তি করবো না -
বঙ্গবাণী, কপোতাক্ষ নদ, শেষের কবিতা কিংবা স্বাধীনতা।
দেবে না,  কেন? দাও, দাওনা!
যেখানে মঙ্গল, রবি, শশি থাকবেনা।
না না ইতিহাস থেকে নয় 
কাব্য মহাকাব্য থেকে নয়
নতুন,  একেবারে নতুন ঝলমলে।
বিপ্লবী, বৈষম্যহীন সংস্কার থেকে-
কাওয়ালী থেকে,  ইনকিলাব, বুলডোজার, মব থেকে দাও।
লেখোনা একটি কবিতা আমার জন্যে
আবৃত্তি করি নতুন করে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252514/</link>
				<pubDate>Sat, 30 May 2026 18:14:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমাকে একটা কবিতা দাও-<br />
কোথায় গেলো কবি? কোথায়?<br />
আমাকে কবিতা দাও আবৃত্তি করবো<br />
হ্যাঁ আবৃত্তি করবো &#8211;<br />
দেবে না! কেন?<br />
এটাতো নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বাধীনতা।<br />
আমার কবিতা কই?<br />
আমি চিৎকার করে বলছি &#8211;<br />
পল্লী জননী আবৃত্তি করবো না,<br />
স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে এলো আবৃত্তি করবো না।<br />
মাগো ওরা বলে, বিদ্রোহী কবিতা আবৃত্তি করবো না।<br />
আমি চিৎকার করে বলছি &#8211;<br />
আমাকে কব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252514"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252514/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b4e573c5040c4136d56b01132081a58</guid>
				<title>ডায়েরি যখন ফেইসবুক -

৯০ দশকের কথা। আমি তখন হাইস্কুলে পড়তাম। আমার একটি অভ্যাস ছিলো ড্রয়িং করার।বই বা কোন কাগজে সুন্দর ছবি দেখলেই আঁকার ইচ্ছে হতো। ভীষণ মনোযোগ দিয়ে আঁকতাম। এঁকেই সবার আগে মাকে দেখাতাম। সুন্দর না হলেও মা খুব প্রশংসা করতেন। আমি খুব খুশি হতাম। তারপর এগুলো পড়ার রুমে গাম দিয়ে লাগিয়ে রাখতাম।প্রতিবেশী বা কোন আত্মীয় আসলে মা এগুলো একটা একটা করে দেখাতেন আর বলতেন এগুলো আমার ছেলে এঁকেছে। আমি অনুপ্রাণিত হতাম আরো বেশি করে ড্রয়িং করতে। তখন কিন্তু এত এত কালার পেন্সিল ছিলো না। থাকলেও ৭/৮ মাইল হেঁটে উপজেলায় গিয়ে কিনে আনার সুযোগ ছিলোনা। এত কষ্ট করে আঁকা ছবি কিছু দিন পরেই তেলাপোকা খেয়ে সাবাড় করে দিতো। কেন জানেন? এগলো গাম দিয়ে লাগানো ছিলোনা। গামের অভাবে ভাতের ফেন দিয়ে ঘষিয়ে লাগিয়ে দিতাম তাই। একদিন আমার এক ভাগিনা বেড়াতে আসলো আমাদের বাড়িতে। ও খুব ছোট। সন্ধ্যায় মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আমার সাথে পড়তে বসলো। হঠাৎ দেয়ালে থাকা ছবিগুলোতে আগুন লাগিয়ে দিলো। সব গুলো পুড়ে ছাই। সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ভাগিনাকে মা ইচ্ছেমত গালি দিলো। মা তো মা- ই।
আরেকটি অভ্যাস ছিলো। আমি মাঝে মাঝে ডায়েরি লিখতাম। সাড়াদিন কি করলাম, সাড়া সপ্তাহ কি করলাম  তা ধারাবাহিক ভাবে লিখতাম। লিখে লুকিয়ে রাখতাম টেবিলের ড্রয়ারে। টেবিলটা সুন্দর ছিলো এবং ড্রয়ারটি বেশ বড় ছিলো।আমার ব্যক্তিগত জিনিস এখানে তালাবদ্ধ করে রাখতাম। যাকগে,  যে কথা বলছিলাম আমি কবিতা লিখতাম, ছন্দ লিখতাম,  প্রেমের চিঠি লিখতাম যদিও প্রেমিকা ছিলোনা। মনে যা আসতো তাই লিখতাম। একারণেই ডায়েরিটি লুকিয়ে রাখতাম। কেউ এটা দেখতো না। যখন একা থাকতাম তখন ডায়েরি বের করে পড়তাম। বেশ ভালো লাগতো। তবে সহপাঠী বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু  মাঝে মাঝে ডায়েরি বের করে পড়তো।আমি রাগ করতাম। বলতাম এটা আমার একান্ত গোপনীয়। তুমি এটা পড়তে পারোনা। কালের বিবর্তনে এখনকার ছাত্ররা এরকম লিখে কিনা জানিনা। হ্যা লিখে।আরো ভালোভাবে লিখে। লিখে প্রকাশও করে।কারণ কি জানেন?  ঐ যে আমি ডায়রিটার কথা বললাম না, এটা সময়ের প্রয়োজনে ডায়েরি না হয়ে এর নাম হয়ে গেছে ফেইসবুক। শুধু তফাৎটা হলো আগে লুকিয়ে রাখতাম আর এখন কিছু একটা লিখেই ফেইসবুক এ পোস্ট করে।আবাল- বৃদ্ধ - বনিতা,ছোট-বড়, ছাত্র -শিক্ষক সবাই লিখে পোস্ট করেন। আমরা সবাই একে অপরের লেখা পড়ে লাইক কমেন্ট শেয়ার করি। এটা যে খারাপ তা নয়। এটা থেকেও অনেক  কিছু শেখার আছে। অনেক শিক্ষণীয় পোস্ট আছে যা থেকে জ্ঞান অর্জন করা যায়। সেই ডায়েরি থেকে ফেইসবুক হয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে গেছে। ফেইসবুক নিয়মিত ব্যবহার করলে সংবাদ পত্র বা টিভি নিউজ না দেখলেও চলমান বিশ্বের সাথে আপডেট থাকা যায়। আবার এর খারাপ দিকও আছে। এর সুফল বা কুফল নির্ভর করে ব্যবহারকারীর ওপর। যেমন ঘোড়া একটি প্রাণীর নাম। একজন পশু বিশেষজ্ঞ এটাকে চতুষ্পদ জন্তু বলবেন, একজন ভ্রমণকারী এটাকে বাহন বলবেন। আবার রাজার কাছে এটা শখের খেলনা। একটি প্রাণীই একেক জনের কাছে একেক অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটাই হচ্ছে দৃষ্টি ভঙ্গি। ফেইসবুকও হচ্ছে তাই। যে যেভাবে ব্যবহার করবে সেরকম ফলও পাবে।
কেই একজনকে একটি চাকুরী দিয়ে গর্ববোধ করে যে আমি অন্তত একটি মানুষের জন্য ভালো কাজ করতে পেরেছি। আবার আরেক জন অন্য একজন শান্তি প্রিয় মানুষের চাকুরী থেকে বরখাস্ত করে আনন্দে উল্লাস করে।এটাই দৃষ্টি ভঙ্গির ভিন্নতা।  কাজেই আমরা যদি সবাই পজিটিভ চিন্তা করে ফেইসবুক ব্যবহার করি তাহলে এটি অর্থবহ না হয় নৈতিকতার স্খলনই বৈকি।
শুভ সকাল 
সুরঞ্জিত দাস 
১৩/০৯/২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252358/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 17:53:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডায়েরি যখন ফেইসবুক &#8211;</p>
<p>৯০ দশকের কথা। আমি তখন হাইস্কুলে পড়তাম। আমার একটি অভ্যাস ছিলো ড্রয়িং করার।বই বা কোন কাগজে সুন্দর ছবি দেখলেই আঁকার ইচ্ছে হতো। ভীষণ মনোযোগ দিয়ে আঁকতাম। এঁকেই সবার আগে মাকে দেখাতাম। সুন্দর না হলেও মা খুব প্রশংসা করতেন। আমি খুব খুশি হতাম। তারপর এগুলো পড়ার রুমে গাম দিয়ে লাগিয়ে রাখতাম।প্রতিবেশী বা কোন আত্মীয় আসলে মা এগু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252358"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252358/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c426ba9ad5d9f9cd9e451eb874802933</guid>
				<title>প্রিয়তম,
আজ রাতটা খুব নিঃশব্দ। জানালার বাইরে শুধু একটা পুরোনো ল্যাম্পপোস্টের আলো কাঁপছে। আর আমার হাতে তোমার সেই শেষবারের ছোঁয়াটা এখনো লেগে আছে।
তুমি চলে গেছ। ছিনতাইকারীর লোভী হাতের আঘাতে। একটা সাধারণ রাত, একটা সাধারণ রাস্তা... আর তুমি আর ফিরলে না। পুলিশ বলছে “মামলা চলছে”। কিন্তু আমি জানি, তোমার হাসিটা, তোমার গলার স্বরটা, তোমার বুকের উষ্ণতা — এসব কোনো মামলায় ফিরে আসবে না।
আমি অপরাজিতা। তুমি আমাকে এই নামেই ডাকতে। বলতে, “তুমি কখনো হারবে না।” আজ সেই নামটা বুকে চেপে বসে আছে। হারিনি তো? তবু মনে হয়, তোমাকে ছাড়া আমি অর্ধেক হয়ে গেছি।
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার কাপে চা ঢালতে গিয়ে হাত কেঁপে গেল। তোমার জামাটা এখনো ওয়ার্ডরোবে ঝুলছে। গন্ধটা এখনো আছে। আমি মুখ গুঁজে কাঁদি। কেউ দেখে না। দেখলে বলবে, “সাহস রাখো।” কিন্তু সাহস কীভাবে রাখব, যখন আমার সবচেয়ে বড় সাহসটাই চলে গেছে?
তুমি জানো, আমরা কত স্বপ্ন দেখেছিলাম? ছোট্ট একটা বাড়ি, বারান্দায় দুটো চেয়ার, সন্ধ্যায় চা আর গল্প। তুমি বলতে, “বুড়ো হয়ে গেলেও তোমার হাত ধরে হাঁটব।” সেই হাতটা আজ খালি।
ছিনতাইকারীরা হয়তো কয়েকটা টাকা, মোবাইল নিয়ে পালিয়েছে। কিন্তু তারা নিয়ে গেছে আমার পুরো পৃথিবীটা। আমি রাগ করি না আর। শুধু ক্লান্ত লাগে। খুব ক্লান্ত।
তবু জানো, আমি ভেঙে পড়ব না। তোমার জন্যই না। তুমি যে আমাকে শিখিয়েছিলে — জীবন থামে না। তাই আমি উঠব। চাকরি করব। তোমার মা-বাবার পাশে দাঁড়াব। তোমার স্বপ্নগুলোকে বাঁচিয়ে রাখব। হয়তো একদিন তোমার নামে কিছু করব, যাতে লোকে বলে — “ওই যে অপরাজিতা, যে হার মানেনি।”
রাত গভীর হয়েছে। চোখ বন্ধ করলে তোমার মুখটা ভেসে ওঠে। হাসছ। বলছ, “কেঁদো না। আমি তো আছি।”
হ্যাঁ, তুমি আছ। আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে, প্রতিটি স্মৃতিতে।
যেখানেই থাকো, শান্তিতে থেকো। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আজও। কালও। চিরকাল।
তোমারই অপরাজিতা

( বুলেট বৈরাগী স্মরণে ) -সুরঞ্জিত ২৮/০৪/২৬ খ্রি</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252107/</link>
				<pubDate>Wed, 27 May 2026 16:47:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়তম,<br />
আজ রাতটা খুব নিঃশব্দ। জানালার বাইরে শুধু একটা পুরোনো ল্যাম্পপোস্টের আলো কাঁপছে। আর আমার হাতে তোমার সেই শেষবারের ছোঁয়াটা এখনো লেগে আছে।<br />
তুমি চলে গেছ। ছিনতাইকারীর লোভী হাতের আঘাতে। একটা সাধারণ রাত, একটা সাধারণ রাস্তা&#8230; আর তুমি আর ফিরলে না। পুলিশ বলছে “মামলা চলছে”। কিন্তু আমি জানি, তোমার হাসিটা, তোমার গলার স্বরটা, তোমার বুকের উষ্ণতা —&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252107"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252107/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>