<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md. Tariqul Islam | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/tariqulmasum/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/tariqulmasum/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md. Tariqul Islam.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 18:00:48 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ff21a4aaedfa98d52f3b9cd30155f3d3</guid>
				<title>স্বাধীনতা 
তরিকুল ইসলাম মাসুম

স্বাধীনতা (৪)
স্বাধীনতা তুমি লাখ শহীদের রক্তে কেনা আমার বাংলাদেশ।। 
স্বাধীনতা তুমি সবুজের মাঝে লাল, তোমার রূপের নাইকো শেষ। 
ও স্বাধীনতা, তুমি লাখ শহীদের রক্তে কেনা আমার বাংলাদেশ...।।

স্বাধীনতা তুমি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ,
স্বাধীনতা তুমি রেসকোর্স ময়দান থেকে সৃষ্ট গণআন্দোলন।
স্বাধীনতা তুমি বাঙালির মুক্তির তরে জাতির পিতার স্বপন,
স্বাধীনতা তুমি বাঙালির অধিকার আদায়ের বীজমন্ত্র বপন। 
(ঐ)

স্বাধীনতা তুমি শহীদ যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের অম্লান দান,
স্বাধীনতা তুমি মুক্তিযোদ্ধাদের চিরকালের ভরসার সোপাান।
স্বাধীনতা তুমি বিধবা নারীর বেঁচে থাকবার প্রাণের সম্বল, 
স্বাধীনতা তুমি দুস্থ অসহায়ের দু’মুঠো আহারের অবলম্বন।
(ঐ)

স্বাধীনতা তুমি জাতির পিতার রেখে যাওয়া সেই সংগ্রাম,
স্বাধীনতা তুমি বৃথা না হওয়া লাখ শহীদের রক্তের দাম। 
স্বাধীনতা তুমি সত্য-ন্যায়ের দেখানো পথের সারগাম,
স্বাধীনতা তুমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা সেই সংগ্রাম। 
(ঐ)

লেখার ধরন: গীতি কবিতা
লেখক : তরিকুল ইসলাম মাসুম 
বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। 
থিসিস গবেষক, খাদ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, বিসিএসআইআর, ঢাকা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195701/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Mar 2023 19:17:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বাধীনতা<br />
তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>স্বাধীনতা (৪)<br />
স্বাধীনতা তুমি লাখ শহীদের রক্তে কেনা আমার বাংলাদেশ।।<br />
স্বাধীনতা তুমি সবুজের মাঝে লাল, তোমার রূপের নাইকো শেষ।<br />
ও স্বাধীনতা, তুমি লাখ শহীদের রক্তে কেনা আমার বাংলাদেশ&#8230;।।</p>
<p>স্বাধীনতা তুমি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ,<br />
স্বাধীনতা তুমি রেসকোর্স ময়দান থেকে সৃষ্ট গণআন্দোলন।<br />
স্বাধীনতা তুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195701"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195701/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a57393e56dd4aecf731121051ceb9a77</guid>
				<title>একজন শ্রেষ্ঠতম মহানুভব প্রধান শিক্ষক ছিলেন শহিদুল ইসলাম

স্মরণ : বিশ্বের শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর আহবানে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে “বিশ্ব শিক্ষক দিবস”। শিক্ষক দিবসে জাতির বিবেক শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি হোক সেই প্রত্যাশা করি। আজ কোন আবদার নয় বরং এই দিবস উপলক্ষ্যে স্মরণ করছি সদ্য প্রয়াত প্রবীণ এক শিক্ষাগুরুকে। আর তিনি হলেন ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সফল প্রধান শিক্ষক মরহুম শহিদুল ইসলাম স্যার। (জন্ম: ৩০/১২/১৯৫২, মৃত্যু: ১৩/০৮/২০২২)

ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ করলে যে মানুষগুলি চোখের পর্দায় ভেসে ওঠে তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন জনাব শহিদুল ইসলাম স্যার। যিনি গ্রাজুয়েশনের মাত্র তিন দিন পরই শিক্ষকতায় নিজেকে মনোনিবেশ করেন। যিনি ছিলেন একজন বজ্রকন্ঠী বক্তা, যাঁর বক্তৃতা হাজার হাজার মানুষ মাইক ছাড়াই শুনতে পেতেন। যিনি একাধারে ইতিহাসবিদ, খ্যাতিমান রেফারি এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন সকলের মাঝে।

জনাব শহিদুল ইসলাম স্যার ১৯৫২ সালের ৩০ ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদশ) যশোর জেলাধীন (বর্তমান ঝিনাইদহ) মহেশপুর থানার অন্তর্গত কমলাপুর নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে গ্রামের স্কুলেই অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৯ সালে নারায়নপুর বাহাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিক (এস এস সি) পাশ করেন। 
এরপর যশোর জেলাধীন ঝিনাইদহ মহকুমার (বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলা) অন্তর্গত ঝিনাইদহ শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত কেশবচন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে (বর্তমানে সরকারি কে. সি. কলেজ, ঝিনাইদহ) ভর্তি হন। ১৯৭১ সালে আই.এ (এইচ.এস.সি) পাশ করেন। এরপর একই কলেজ হতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে ইতিহাসে বি.এ ডিগ্রি নেন। ঐ বছর বি.এ পরীক্ষার পাশের হার ছিল মাত্র ৩.৭৫%। 

১৯৭৩ সালেই বি.এ পরীক্ষায় পাশের মাত্র তিনদিন পরই স্বরূপদাহ জুনিয়র হাই স্কূলে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। এরপর ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ বিশেষ করে মরহুম প্রধান শিক্ষক সামসুল হুদা স্যার ও আলহাজ্ব মোঃ জায়েদ আলী স্যার ওনাকে অত্র প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক হিসাবে নিয়ে আসেন। 
১৯৭৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি সহকারী প্রধান শিক্ষকদের পদে উন্নীত হন। ২০০৩ সালের প্রথম সপ্তাহে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মরহুম সামসুল হুদা স্যারের ইন্তেকালের পর ৯ জানুয়ারী তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ২০০৪ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। ৩০ ডিসেম্বর, ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি স্বগৌরবে শ্রেষ্ঠতম প্রধান শিক্ষক হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

১৯৭৮ সাল থেকে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ড যশোর এর অধীনে ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞানের পরীক্ষক ছিলেন। তিনি যখন ক্লাস নিতেন কোন বই কাছে রাখা লাগত না। অনর্গল ইতিহাস বলে চলতেন এবং যেকোন ঘটনার ইতিহাস তারিখসহ বলে দেন অকপটে। বজ্রকন্ঠী বক্তা হিসাবে স্যারের সুনাম রয়েছে। মাইক ছাড়াই হাজার হাজার মানুষ স্যারের কথা শুনতে পারে।  
ছোটবেলা থেকেই জনাব শহিদুল ইসলাম স্যার খেলাধুলার প্রতি ব্যাপক উদগ্রীব ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় কলেজে অধ্যয়ন কালেই ফুটবল খেলার রেফারি হিসাবে সুনাম অর্জন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে তিনি মহেশপুর ও চৌগাছা উপজেলা ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রেফারি হিসাবে খ্যাতি লাভ করেন। আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় তিনি বিভিন্ন সময়ে যোন সভাপতি, কখনও যোন সচিব হিসাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসাবে তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে সমাজসেবার কাজ করে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন। তিনি একাধারে ১৩ বছর কমলাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ডাঃ সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের আমৃত্যু গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ছিলেন। 

হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে তিনি বাঘ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসাবে সুপরিচিত। স্যার যখন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন তখন ‘বাপ’ বলে সম্বোধন করেন। মোবাইলে স্যারকে কল করার সাথে সাথেই রিসিভ করেন। আমি যতবার স্যারের সাথে মোবাইলে কথা বলেছি স্যারের কথা বলার ধারাবাহিকতা এরকমঃ
বাপ কেমন আছো?
তোমার বাপ মা ভাল আছে?
মামুন কেমন  আছে?
আমেনা কোন ক্লাসে পড়ছে? 
তোমার না আরেকটা বোন আছে?
(সবার ছোট রেহেনার নাম স্যার না জানলেও ওর কথাও মনে ছিল)।  
স্যার স্কুলের কৃতি সন্তানদের নাম বিভিন্ন বক্তৃতায় প্রায়ই বলতেন, যারা দেশে বিদেশে সাফল্য অর্জন করেছেন। সাথে আরও বলতেন “তরিকুল আমার স্কুলের সবচাইতে মেধাবী ছাত্র”।  
স্যারের সাথে কথা বলার প্রথম পর্যায়ে কাপুনি চলে আসতো, কিন্তু স্যার যখন কথা বলা শুরু করেন তখন মনে হয় আপন কারো সঙ্গে গল্প করছি। ২০১৪ সালের মে মাসে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একবার স্যারের বাড়ী গিয়েছিলাম। স্যার এবং স্যারের পরিবারের সকলের আথিত্যপেয়তায় আমরা অত্য›ত মুগ্ধ হয়েছিলাম। অবসরে স্যার গ্রামের বাড়ীতেই থাকতেন। নিজ বাড়ীতেই শুয়ে বসে আর নামাজ কালাম করেই দিন পার করেছেন। স্যারের কোমড়ে হাড়ক্ষয়ের দরূন কিছুটা অসুস্থ অবস্থায় দিনাতিপান করেছেন। 

হঠাৎ একদিন এলার্ম এলো, “ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর সাবেক সফল প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম স্যার আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রজিউন।”
দিনটি ছিল ১৩ আগস্ট ২০২২। শোকাবহ হয়ে উঠল হাজার হাজার শিক্ষার্থীর অন্তর। আমরা হারালাম পরম শ্রদ্ধার একজন শিক্ষাগুরুকে। স্যারের সাথে আমাদের একদিন সময় কাটানোর কথা ছিল। কালের গহ্বরে সেটা আর হয়ে উঠলো না। 
স্যারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব শফিকুল আযম খান চঞ্চল (ঝিনাইদহ - ৩), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জনাব ময়জদ্দিন হামিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এসবিকে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব জনাব সাজ্জাদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতা-কর্মী, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ, বিশিষ্ট সুধী সমাজ প্রমুখ।  

মহেশপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ জানান, “ইদ্রাকপুর হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক কমলাপুর গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলাম মাষ্টার ছিলেন একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। তিনি ছিলেন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা এবং আমাদের অবিভাবক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, একমাত্র পুত্র নাতি নাতনি আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনাগ্রাহী রেখে গেছেন। আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশতে নসীব করেন”।  

ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এ একসাথে প্রায় তিন দশক শিক্ষকতা করেছেন নাটিমা ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত স্বনামধন্য চেয়ারম্যান জনাব ফকির আহাম্মদ। তিনি সদ্য প্রয়াত সাবেক এই প্রধান শিক্ষক সম্পর্কে বলেন, “ “শহিদুল ইসলাম স্যার খুবই ভাল মনের এবং সরল প্রাণের এক মানুষ ছিলেন। তার মত সহজ-সরল মানুষ খুব কমই কম পাওয়া যায়। ওনি অনেক মেধাবী ছিলেন, যেকোন সমস্যা খুব সহজে বুঝিয়ে সমাধান করতে পারতেন। যখন বক্তব্য দিতেন, দিন তারিখ মুখস্ত বলে দিতে পারতেন। কোন ঘটনা ওনি কখনোই ভুলতেন না। আমাদের শিক্ষক ইনডেক্স নম্বর আমাদের মনে না থাকলেও ওনি ঠিকই মনে রাখতেন। সবার সাথে আচার ব্যবহার এতো আমায়িক ছিল, সবার সাথেই হাসিমুখে কথা বলতেন। বেশ সৌখিন মানুষ হওয়ায় অনেক খরচ করতেন, তাতে বেতনের টাকায় সব চাহিদা মিটতো না। আর খেলাধুলায় যথেষ্ট পারদর্শী ছিলেন, নামকরা রেফারী ছিলেন। সমাজসেবা এবং শিক্ষাক্ষেত্রেও অনেক অবদান রেখেছেন। দোয়া করি আল্লাহ তার বেহেশ্তবাসী করুক”।

আজ স্যার আমাদের মাঝে নেই। ঝিনাইদহে অবস্থানকালে স্যারের মৃত্যুর পর প্রথম জানাজা বাদ আসর ঝিনাইদহ শহরের উপকন্ঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং নিজ বাড়িতে পরেরদিন সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে সমাহিত হন। আমরা স্যারের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আজকের দিনে স্যারাকে গভীরভাবে স্মরণ করছি।

লেখক: তরিকুল ইসলাম মাসুম
বি.এস.সি (অনার্স), এম.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং (চলমান) 
ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157013/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Oct 2022 16:21:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন শ্রেষ্ঠতম মহানুভব প্রধান শিক্ষক ছিলেন শহিদুল ইসলাম</p>
<p>স্মরণ : বিশ্বের শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর আহবানে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে “বিশ্ব শিক্ষক দিবস”। শিক্ষক দিবসে জাতির বিবেক শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি হোক সেই প্রত্যাশা করি। আজ কোন আবদার নয় বরং এই দিবস উপলক্ষ্যে স্মরণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157013"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157013/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">92bc0953d0ce15d95cfc6bdb98e4dfdc</guid>
				<title>মেঘের দেশে একদিন
দিনটি ছিল ০৩/১০/২০১৫ ইং 

কুরবানীর ঈদের সপ্তাহ খানেক পর, ট্যুর এ যাওয়া হবে পাহাড়ী দেশে, সুযোগ হাতছাড়া করলাম না ৷ তখন পড়তাম  ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ৷  থাকতাম ফার্মগেটের পূর্ব রাজা বাজার একটি মেসে ৷  
মেঘের দেশ সাজেকে গিয়েছিলাম চার বছর আগে ৷ সময়টি ছিল ২০১৫ ইং সালের অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ ৷ মেঘের দেশ সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন সাজেক ইউনিয়নের একটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্র ৷ 

এটি রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের আর ভারতের দক্ষিণ পশ্চিমের সীমান্ত ঘেষে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর একটি উঁচু উপত্যকা ৷ যার ভিতর দিয়ে লুসাই নদী প্রবাহিত ৷ সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য আর পূর্বে ভারতের মিজোরাম রাজ্য ৷ বর্তমানে পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এই সাজেক ভ্যালি ৷
 আমাদের ট্যুরটি ছিল রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ৷  আমরা ছিলাম প্রায় আশিজন ৷  ঢাবি, বুয়েট আর সরকারী বিজ্ঞান কলেজের ছাত্র ছিলাম সবাই ৷  অক্টোবরের এক তারিখ রাত দশটায় শ্যামলী পরিবহনের দুটি বাসে করে রওয়ানা হলাম ৷ পরেরদিন সকালে ৭টার দিকে আমরা পৌঁছাই খাগড়াছড়ি শহরে৷ সকালের নাস্তা সেরে উঠলাম চাঁদের গাড়িতে (কেউবা বলে চান্দের গাড়ি) ৷ প্রথমদিনের লক্ষ্য ছিল বিকালের মধ্যে সাজেক পৌঁছানো ৷      

মেঘের দেশ সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও রাঙ্গামাটি শহর থেকে দুরত্ব প্রায় ১৩০কিমি আর খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৭০ কিমি ৷ তাই সাজেক যেতে হলে খাগড়াছড়ি শহর থেকে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক ৷ যাইহোক, এই ৭০কিমি এর মধ্যবর্তী স্থান বাঘাইছড়ি ৷ শহর থেকে ৩৫ কিমি, আর বাঘাইছড়ি থেকে সাজেক ৩৫ কিমি (সেনাবাহিনীর অধীনে নির্মিত) ৷ বাস বা পরিবহণে করে  দীঘিনালা পর্যন্ত সরাসরি যাওয়া যায় এবং দীঘিনালা থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৪৯ কিলোমিটার। আর রাঙামাটি থেকে নৌপথে কাপ্তাই হয়ে এসে অনেক পথ হেঁটে সাজেক যাওয়া যায়।

সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এর যাতায়াত সুবিধা খাগড়াছড়ি থেকে ৷ খাগড়াছড়ি শহর অথবা দীঘিনালা হতে স্থানীয় গাড়িতে (জিপ গাড়ি, সি.এন.জি , মটরসাইকেল) করে সাজেকে যাওয়াই হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম । এক্ষেত্রে পথে পড়বে বাঘাইহাট পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্প। সেখান থেকে ভ্রমণরত সদস্যদের তথ্য দিয়ে সাজেক যাবার মূল অনুমতি নিতে হবে । একে আর্মি এসকর্ট বলা হয় । আর্মিগণের পক্ষ থেকে গাড়িবহর দ্বারা পর্যটকদের গাড়িগুলোকে নিরাপত্তার সাথে সাজেক পৌঁছে দেয়া হয় । দিনের দুইটি নির্দিষ্ট সময় (সকাল ১০:৩০ এবং বিকাল ৩:৩০) ব্যতীত আর্মি ক্যাম্পের পক্ষ হতে সাজেক যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয় না । পর্যটকদের সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই নিয়ম অনুসরণ করা হয় । সাজেকগামী জিপ গাড়িগুলো স্থানীয়ভাবে চান্দের গাড়ি নামে পরিচিত । সাজেক যাওয়ার পথে বাঘাইহাটে হাজাছড়া ঝর্ণা অবস্থিত । অনেক পর্যটকগণ মূল রাস্তা হতে সামান্য ট্রেকিং করে গিয়ে ঝর্ণাটির সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন ৷

সাজেকগামী  উঁচুনিচু পাহাড়ের বুক চিড়ে  এই আঁকাবাঁকা রাস্তাগুলি ঠাঁই করে নিয়েছে ৷ পথে পড়বে তিনটি ঝর্ণা আর আলুটিলার গুহা ৷  আমরা হাজাছড়া ঝর্ণা, রিসাং ঝর্ণা ও দ্বৈতছড়া ঝর্ণাগুলিতে গেলাম৷ দ্বৈতছড়া ঝর্ণার পথটা অনেক সরু আর পথে একটি বিশাল বটবৃক্ষ পড়বে ৷ এসবগূলি দেখতে দেখতে এগোতে থাকলাম সাজেক ভ্যালীর দিকে ৷ আমরা সাজেক পৌঁছাই দুই অক্টোবর বিকাল চারটায় ৷ দুপুরের খাবারের কথা না বললেই নয় , উপজাতিদের রেস্তোরা ৷ ছিল ভাতের সাথে মুরগীর মাংস, ডিম ভাজা, ডাউল আর বাশঁ ভাজি (কচি বাশেঁর কোড়ল) ৷ খাবারের মূল্য ১০০ - ২০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল ৷         
  
 রাতে থাকলাম কাঠনির্মিত ঘরে৷ বর্তমানে অনেক আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছে ৷ আছে সৌন্দর্যমন্ডিত  কটেজ৷ উল্লেখযোগ্য রিসোর্টগুলির মধ্যে রয়েছে প্যারাডাইজ সাজেক, মেঘপুন্ঞ্জি রিসোর্ট, রয়েল রিসোর্ট, মেঘ বালিকা রিসোর্ট, মেঘ কাব্য রিসোর্ট, শিন্ঞ্জন রিসোর্ট, সিনারী হোটেল প্রভৃতি ৷  আর সেনাবাহিনী পরিচালিত একমাত্র রিসোর্ট রুণময় রিসোর্ট, এখানে থাকতে হলে প্রথম শ্রেণির সরকারি অফিসার কর্তৃক রিকমান্ডেড হয়ে আসতে হয়৷ভাড়া পড়বে রুমপ্রতি  ৫০০০ - ৭০০০ টাকা, যেখানে প্রতি রুমে ৪জন থাকা যায় ৷ আর সিঙ্গেল রুমে দুই জন করে থাকা যায়,  ভাড়া পড়বে ৩০০০ - ৪০০০টাকা ৷ তবে অফ সিজনে ৩০% ছাড় পাওয়া যায় ৷ সাজেকে প্রধানত লুসাই, পাংখোয়া, ত্রিপুরা আদিবাসীরা বসবাস করে ৷ এখানকার  কলা ও কমলা বিখ্যাত, পাহাড়ে ভ্রমণে এগুলো অত্যাবশ্যকীয় খাবার হিসেবে সুপরিচিত ৷ 

সাজেকের আবাসিক রোডের পাশে একটি গির্জা রয়েছে, অধিকাংশ খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এখানে নানাবিধ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করা হয়৷বিদ্যুতের সুব্যবস্থা না থাকায় সোলার পদ্ধতিতে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয় ৷ পানির উৎস হিসেবে ঝর্ণাই প্রধান, ঝর্ণা থেকে পানি সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ আর যোগাযোগের জন্য রবি ও টেলিটক মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে হয়, অন্য কোন অপারেটর এখানে নেটওয়ার্ক পায় না ৷

 পরের দিন সকালে আমি একটূ তাড়াতাড়িই ঘুম থেকে উঠেছিলাম ৷ একাকী হাটতে লাগলাম সাজেক আর্মি ক্যাম্পের দিকে ৷ মসজিদে ঢুকলাম ফজর নামাজের আযানের সাথে সাথে ৷ এটি রাঙ্গামাটির সর্ব উত্তরের সর্বশেষ আর্মি ক্যাম্প ও মসজিদ ৷ মসজিদে উপস্থিত ছিলেন ইমাম, ক্যাম্প কমান্ডার মেজর (মুয়াজ্জিন)৷ অনেক বিষয়ে উনাদের সাথে আলাপ হলো ৷ জানালেন পাহাড়ের অনেক ইতিহাস  আর পাহাড়ী মানুষদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ৷ আমার কাছে ছিল লাল রঙের  গামছা, গলায় ঝুলিয়ে রাখা যেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি বীর উত্তম সাহেবের পার্টির লোক ৷ মেজর সাহেব একখানা টূপি আমার মাথায় পড়িয়ে গামছা দিয়ে পাগড়ী বাধার মত বেধে দিলেন ৷ অবশ্য এতক্ষনে অনেক সৈন্য মসজিদে প্রবেশ করেছেন, অতপর জামাতের সহিত নামাজ শেষ করে আবার আলাপ হলো ইমাম আর ক্যাম্পের এক সেনা সদস্যের সাথে ৷

সাজেকের অধিকাংশ রিসোর্টগুলো  রুইলুই পাড়ায়, এই পাড়ার গোড়াপত্তন হয় ১৮৮৫ সালে ৷ অপর পাড়াটি কংলাক পাহাড়ের চূড়ায় কংলাক পাড়া ৷ সকাল সাতটার দিকে সবাই  ভ্যালীর হ্যালি প্যাডে এসে পৌঁছালো ৷  ভ্যালীর হেলিপ্যাড থেকে নিচের দিকে তাকালে শুধু মেঘই চোখে পড়বে ৷ এখানে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত দুটি হ্যালি প্যাড রয়েছে ৷ ঘন্টা খানিক পর আমরা রওয়ানা হলাম ক্যাম্প থেকে উত্তর পশ্চিমে প্রায় তিন কিমি দূরে দূর্গম পথ পেরিয়ে কংলাক পাহাড়ের চূড়ায় ৷ যার উচ্চতা সমতল থেকে প্রায় ১৮০০ ফুট এবং সাজেক ভ্যালীর রুইলুই পাড়ার  উচ্চতা  প্রায় ১৭২০ ফুট ৷ কংলাক পাহাড়ের পথটা  আঁকা বাঁকা রাস্তা হওয়ায় নিশানা হিসেবে লাল নিশানাধারী দুজনকে সামনে থাকার সিদ্ধান্ত হল৷ তার একজন আমার সবিক এর বড়ভাই লাল পান্জাবী পরিহিত পটুয়াখালীর দশমিনার সুবক্তা জনাব মোঃ শরফুদ্দিন ভাই , ঢাবি (ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান), অন্যজন ছিলাম গলায় লালগামছা ঝুলানো আমি ৷ 

মেঠোপথ পেরিয়ে সাজেক ভ্যালি থেকে কংলাক পাহাড়ে যেতে সময় লাগত এক থেকে দেড় ঘন্টা, আর্মিদের লাগত ৪০-৫০মিনিট ৷  বর্তমানে সাজেক ভ্যালী থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হয়েছে ৷ বাকী আরও প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেটে পৌঁছাতে হয় কংলাক পাহাড়ের চূড়ায় ৷         
 পাহাড়ের চূড়ান্ত শেষপ্রান্তে পাথরের ভাঁজ বেয়ে উপরে উঠতে হয় ৷ সেখানে প্রায় চল্লিশটি পরিবারের শতাধিক মানুষের বাস ছিল ৷ বর্তমানে অর্ধ শতাধিক পরিবারের বাস সেখানে ৷ কংলাক পাড়ায় তাদের একজন গোত্র প্রধান বা হেডম্যান আছে, যাকে সবাই সম্মান করে এবং সব ক্ষেত্রে তার নির্দেশ মেনে চলে ৷ তবে আশ্চর্যের বিষয় মাত্র কয়েক বছর আগে নাকি এটি আবিষ্কার হয়েছে ৷ পুরোপুরি সভ্যতা পায়নি, কিছুটা শিখছে আর্মিদের মাধ্যমে ৷  আমার নিকট আরও বেশি আশ্চর্যের বিষয় ছিল পাথরে খোদাই করা এক খ্রিস্টান মিশনারীজের কবরের চিহ্ন আর ইটনির্মিত পুরনো একটি প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্রের ধ্বংসস্তুপ! হ্যাঁ, ঐ জায়গা থেকে আর একটু  দুরে একটি ঘন জঙ্গল, ঐখানকার অধিবাসীরা  তখনো সভ্যতার আওতায় আসেনি, ভাষা বোঝেনা , কাউকে দেখলে আক্রমণ করতে আসে ৷  তাই জনসাধারনের যাওয়া বারণ ৷ আর্মিরা প্রোটেক্টেড হয়ে যান ঐ জঙ্গলে ৷

বেলা নয়টার দিকে আমরা ছিলাম কংলাক পাহাড়ের চূড়ায় ৷ যেখান থেকে উত্তরে তাকালে মেঘ ছাড়া কিছুই পড়ে না চোখে ৷ নিচের দিকে তাকালে মনে হবে হয়তো সাগর প্রবাহিত হচ্ছে ৷ যতদূর চোখ যাবে মনে হবে সাগরের জলরাশি ৷ আসলে এগুলো মেঘপুন্ঞ্জি ৷  সেজন্যই বলা হয় মেঘের দেশ সাজেক ৷
পাহাড়ের চূড়াতেই  ক্যামেরা বন্দি হয়েছিলাম সেদিন  বড়ভাই বিএমবি মামুনুর রহমানের সাথে ....        
আজ আর নয়... কাপ্তাই লেক ভ্রমন আর ফেরার গল্প আগামীর হয়ে থাকুক...
Published title: &quot;মেঘের দেশ সাজেক &quot; ভ্রমণের স্মৃতিকথা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/156456/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 16:38:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মেঘের দেশে একদিন<br />
দিনটি ছিল ০৩/১০/২০১৫ ইং </p>
<p>কুরবানীর ঈদের সপ্তাহ খানেক পর, ট্যুর এ যাওয়া হবে পাহাড়ী দেশে, সুযোগ হাতছাড়া করলাম না ৷ তখন পড়তাম  ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ৷  থাকতাম ফার্মগেটের পূর্ব রাজা বাজার একটি মেসে ৷<br />
মেঘের দেশ সাজেকে গিয়েছিলাম চার বছর আগে ৷ সময়টি ছিল ২০১৫ ইং সালের অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ ৷ মেঘের দেশ সাজেক রাঙ্গামাটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-156456"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/156456/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9fce624cd27aaef6d9f62e2d025b9a5d</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/151862/</link>
				<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 08:01:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4f05e5ec30bb73855a820b6685c3c83a</guid>
				<title>দুর্ভোগ

যা হবার হয়ে যাক
পৃথিবীটা রয়ে যাক,
মরলো যে কিছু লোক
বাড়লো তো কিছু রোগ!

উন্নয়ন তো অনেক হলো
লোডশেডিং যে বেড়ে গেলো।
দুর্নীতি তো বেশ হলো
রেলের টিকিট উধাও হলো!

জনগণ যখন ক্ষেপে গেলো
বেড়ে গেলো দুর্ভোগ,
এখন শুনি সরকার
নিচ্ছে জরুরী উদ্যোগ...!!

--- তরিকুল ইসলাম মাসুম
ঝিনাইদহ//২২ জুলাই ২০২২</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/125426/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Jul 2022 17:05:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুর্ভোগ</p>
<p>যা হবার হয়ে যাক<br />
পৃথিবীটা রয়ে যাক,<br />
মরলো যে কিছু লোক<br />
বাড়লো তো কিছু রোগ!</p>
<p>উন্নয়ন তো অনেক হলো<br />
লোডশেডিং যে বেড়ে গেলো।<br />
দুর্নীতি তো বেশ হলো<br />
রেলের টিকিট উধাও হলো!</p>
<p>জনগণ যখন ক্ষেপে গেলো<br />
বেড়ে গেলো দুর্ভোগ,<br />
এখন শুনি সরকার<br />
নিচ্ছে জরুরী উদ্যোগ&#8230;!!</p>
<p>&#8212; তরিকুল ইসলাম মাসুম<br />
ঝিনাইদহ//২২ জুলাই ২০২২</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e499f2f03d9d3ea9e1c12f3e80c1b78</guid>
				<title>জ্বালা
তরিকুল ইসলাম মাসুম

জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা 
 অন্তরে জ্বালা, বড়ই সে জ্বালা;
পালা, পালারে পালা
লাগছে আগুন, সবাই দৌঁড়ে পালা!

পুড়ছে দেশ, মরছে মানুষ
হচ্ছে যে নিঃশেষ,
বাড়ছে বেদনা, বাড়ছে দুর্ঘটনা
কভূ হবে কি ইহার শেষ?
বাড়ছে জ্বালা, অন্তর জ্বালা
হৃদয়টাতে লাগছে আজি তালা। 

জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা
অন্তরে বড়ই জ্বালা
প্রতিদিন শুনি শিক্ষার্থীরা করছে আত্মহত্যা
যেন নিজের কাছে নিজেকেই দিচ্ছেনা পাত্তা।
তাইতো কেউ করছে আত্মহত্যা, 
কেউবা করছে অন্যকে হত্যা।

মরে গেছে আজ আমাদের সকলের আত্মা
শিক্ষার্থীদের উপর বিরাজ করছে প্রেতাত্মা।
কেউ করছে অবাধে-অবৈধ গাড়ি চালিয়ে হত্যা
কেউ শিল্প-কারখানা গড়তে নীতিমালাকে দেয়না পাত্তা।
এটাই এখন বড় জ্বালা,
কিছু হলেই লাগাই তালা।

জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা
অন্তরে বড়ই জ্বালা
কেউ করে আজ হত্যার রাজনীতি, 
কেউ নেতা হতে অন্যকে করে হত্যা
ওদের কাছে নাই কারো প্রাণের মূল্য
দেয় না অন্যের মতের কোনো পাত্তা।

এইতো ক’দিন আগে রৌদ্র ছিল কড়া
বৃষ্টির কাছে খাচ্ছি এখন ধরা।
বর্ষার পানিতে ডুবছে নগর-বন্দর
সিলেট অঞ্চলে আজ তারই অবতারণা
বানভাসীদের বাড়ছে জ্বালা
বড়ই সে জ্বালা।

জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা
অন্তরে বড়ই জ্বালা
কেউ করে ব্যবসা, লাভের জন্য অধিক মূল্য হাকিয়ে!
সিন্ডিকেট সিন্ডিকেট সিন্ডিকেট করছে যে এসব. 
জনগন প্রতিবাদ করলে জানায় ব্যসায়ীরা মুখ বাঁকিয়ে!
তখন বলার কিছুই না পেয়ে থাকি আমরা শুধু তাকিয়ে!!

আজ দিগি¦ক হয়ে দেখছি চারিদিকে 
শুধু জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা
অন্তরে বড়ই জ্বালা।
নিষ্ঠুর ধরণী তোমাদের আজি বলছে 
পালা, পালারে পালা
এ জগৎ ছেড়ে সবাই পালা।।

৭, ১৯ জুন, ২০২২ ইং 
ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/121281/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jun 2022 17:10:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জ্বালা<br />
তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা<br />
 অন্তরে জ্বালা, বড়ই সে জ্বালা;<br />
পালা, পালারে পালা<br />
লাগছে আগুন, সবাই দৌঁড়ে পালা!</p>
<p>পুড়ছে দেশ, মরছে মানুষ<br />
হচ্ছে যে নিঃশেষ,<br />
বাড়ছে বেদনা, বাড়ছে দুর্ঘটনা<br />
কভূ হবে কি ইহার শেষ?<br />
বাড়ছে জ্বালা, অন্তর জ্বালা<br />
হৃদয়টাতে লাগছে আজি তালা। </p>
<p>জ্বালা, জ্বালারে জ্বালা<br />
অন্তরে বড়ই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-121281"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/121281/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dab81ee6da78e06e8dc18aeaab061b6a</guid>
				<title>বাংলা ভাষা শ্রেষ্ঠ ভাষা
তরিকুল ইসলাম মাসুম

বাংলা মোদের মাতৃভাষা, বাংলা মোদের গান
বাংলা মোদের স্বপ্ন আশা, খোদার সেরা দান ৷
বাংলা মোদের শ্রেষ্ঠ ভাষা বিশ্বসভার মাঝে
এই ভাষাতেই কথা বলে বেঁচে থাকতে হবে ৷

বাংলা মোদের মাতৃভাষা খোদার সেরা দান,
তাই ভাষার জন্যই দিলেন জীবন, অকাতরে প্রাণ
এই ভাষাতেই কথা বলে আমরা রাখবো এরই মান,
বিশ্ববাসীও কথা বলবে, বাড়াবে এর সম্মান ৷৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/99129/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Feb 2022 17:41:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাংলা ভাষা শ্রেষ্ঠ ভাষা<br />
তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>বাংলা মোদের মাতৃভাষা, বাংলা মোদের গান<br />
বাংলা মোদের স্বপ্ন আশা, খোদার সেরা দান ৷<br />
বাংলা মোদের শ্রেষ্ঠ ভাষা বিশ্বসভার মাঝে<br />
এই ভাষাতেই কথা বলে বেঁচে থাকতে হবে ৷</p>
<p>বাংলা মোদের মাতৃভাষা খোদার সেরা দান,<br />
তাই ভাষার জন্যই দিলেন জীবন, অকাতরে প্রাণ<br />
এই ভাষাতেই কথা বলে আমরা রাখবো এরই মান,<br />
বিশ্ববাসীও ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-99129"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/99129/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4840fba03af0dccc0637f8d51dc1669a</guid>
				<title>বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ
কলমে - তরিকুল ইসলাম মাসুম

বঙ্গবন্ধু তুমি, বাঙালি জাতির তরে
স্বাধীন করেছিলে একটি দেশ,
নাম দিয়েছিলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ,
বঙ্গবন্ধু, তুমিই স্বাধীন বাংলাদেশ ৷

নদী ভাঙনের মতো ভেঙেছিলো
সোনালী সে দেশের গতিপথ বহুবার,
হাজারো চড়াই উৎড়াই পেরিয়েছে,
তবুও বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে
মহাসমারোহে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
জনতার দরবারে পালিত হলো এবার ৷

অবশেষে জাতি পেলো নতুন আশা,
দূর হোক সব কলঙ্ক আর নিরাশা ৷
সোনার বাংলা হবেই যে একদিন
প্রিয় জন্মভূমি মোদের মনে সেই আশা,
সেই কামনাতেই দিন গুণছি মোরা
মহান আল্লাহ মোদের একমাত্র ভরসা ৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76784/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Dec 2021 17:18:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ<br />
কলমে &#8211; তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>বঙ্গবন্ধু তুমি, বাঙালি জাতির তরে<br />
স্বাধীন করেছিলে একটি দেশ,<br />
নাম দিয়েছিলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ,<br />
বঙ্গবন্ধু, তুমিই স্বাধীন বাংলাদেশ ৷</p>
<p>নদী ভাঙনের মতো ভেঙেছিলো<br />
সোনালী সে দেশের গতিপথ বহুবার,<br />
হাজারো চড়াই উৎড়াই পেরিয়েছে,<br />
তবুও বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে<br />
মহাসমারোহে স্বাধীনতার সুবর্ণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-76784"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/76784/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">988137483290e303c3ff95e35128aea9</guid>
				<title>বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

আজ মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্বমহিমায় স্বগৌরবে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আজকের এই দিনে প্রথম বিজয় অর্জন করেছিল বাঙালি জাতি ও আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি সোনার বাংলা। বিজয়ের ৫০ পেরিয়ে ৫১তম দিবসে জাতি তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে কতটুকু এগিয়ে গেল, সচেতন নাগরিক হিসাবে প্রত্যেকের এই বিষয়গুলি ভাবা আবশ্যক। পাশাপাশি দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়নের পথে বাধাসমূহ চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে বাঙালি জাতি তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাক-সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে তালবাহানা শুরু করলে বাঙালি জাতি বীরদর্পে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। ১৯০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৪৭ সালে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতবর্ষ বিভক্ত হলেও দুইটি আলাদা প্রদেশ নিয়ে পাকিস্তান গঠন করা যৌক্তিক ছিল না। যার ফলশ্রুতিতেই পাকিস্তান সরকারের অধীনে দীর্ঘ ২৪ বছর শাসন আর শোষণের দুর্দশার মধ্যে কেটেছে বাঙালি জাতির। 

অবশেষে জাতিকে মুক্ত করতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। বাঙালির মুক্তির সনদ খ্যাত এই ভাষণের পরই বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাক হানাদার বাহিনীর গণহত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। সেই থেকে ২৬৬ দিনের দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বীর বাঙালির ঐক্য আর সাহসিকতায় ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম এই পুন্যভূমির সূচনা হয়। 

স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে আজ দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে উন্নীত। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার দুর্বার নের্তৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নশীল থেকে উন্নতির সোপানে ধাবিত হচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ২০২১ সালে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে, ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়নের দেশে আর ১৯৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অকল্পনীয় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিজস্ব বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন হল, দৃশ্যমান হল পদ্মা সেতুর মত দীর্ঘ সেতু, উদ্বোধন হল স্বপ্নের মেট্টোরেল, নির্মাণ কার্য চলছে কর্ণফুলি টানেল, রূপপুর পারমাবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনার। 

এতদসত্বেও জাতি কি পেরেছে তার সেই প্রত্যাশিত লক্ষ্যে আরোহণ করতে? আমরা যদি তার উত্তর খুজি, তাহলে উত্তর আসবে - ‘না। উদাহরণস্বরূপঃ আমরা মালেশিয়াকে মডেল ধরতে পারি। সর্বক্ষেত্রে উন্নতি করে কিভাবে এগিয়ে গেছে মালেশিয়া, তা সবার জন্য অনুপ্রেরণা। আমরাও উন্নত হয়েছি, তবে আমাদের অগণিত উন্নতির পাশাপাশি অজস্র সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে বেকারত্ব, বেড়েছে মুদ্রা স্ফীতি, বেড়েছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। শিক্ষার হার পাশের হারের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেলেও গুণগত মানের চরম অবণতি ঘটেছে। 

তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সর্বক্ষেত্রেই আমূল পরিবর্তন এসেছে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-সংস্কৃতি, চিকিৎসা, খেলাধুলায় উন্নতির ছোঁয়া লক্ষ্যণীয়। স্বাধীনতা পরবর্তী মাথাপিছু আয় ১১০ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি আজ তা প্রায় ২৪০০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। জাতি হিসেবে আমরা অনেক পথ অতিক্রম করেছি। তবে অশনি সংকেতও রয়েছে এসবের অন্তরালে। অর্থ পাচার, কালোবাজারি বেড়েছে বহুগুণে। মাথাপিছু  বৈদেশিক লোনের বোঝাও বেড়েছে। এটা প্রশমিত পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, জাতি সূর্য হারাতে পারে আপন গন্তব্যের।  

আজ উচ্চশিক্ষার দ্বার খুলেছে ব্যাপকভাবে, মাত্র ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বর্তমানে প্রায় অর্ধশত বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে শিক্ষার মান দিন দিন নিচে নেমেই যাছে। মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার পরিবেশ কোথাও নেই। জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে প্রতিটি উপজেলায় অনার্স চালু করা মোটেই সমীচিন হয়নি। জেলায় জেলায় বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা না করে প্রতিষ্ঠিত বিশ^বিদ্যালয়গুলোর মান বাড়াতে থ্রিডি মানসম্মত কার্যক্রম হাতে নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন রাজনীতিমুক্ত ও গবেষণা নির্ভর ক্যাম্পাস। যেখানে গবেষণায় মনোনিবেশ করবে অধ্যাপকগণ, তাতে সহযোগী হবে প্রতিটি শিক্ষার্থী। উচ্চতর ডিগ্রিধারী প্রার্থী কিংবা নিজস্ব বিষয় সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাসম্পন্ন প্রার্থীকে সরাসরি ন্যূনতম সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ প্রদান এবং বিশেষ বেতন-ভাতার আওতায় এনে গবেষণামুখী শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্র সংসদের মাধ্যমে ছাত্র নেতৃত্ব গড়ে তুলে ভবিষ্যতের জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ার পথ সুগম করতে হবে।  

স্বাধীনতার পর স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তিনটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি কলেজ ও একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারিকরণ করা হয়েছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে সরকারি মাধ্যমিক দ্যিালয় এবং এক বা একাধিক সরকারি কলেজ রয়েছে। তবে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করার প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম বিশ শতাংশ স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা সরকারিকরণ রাখা। যেখানে সারাদেশে মাত্র তিনটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা রয়েছে। এটা মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সকল প্রতিষ্ঠান একত্রে জাতীয়করণ করা যাবে না। প্রতিবছর বাছাই করে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করা প্রয়োজন ছিল। প্রতিষ্ঠাকাল, শিক্ষার্থী সংখ্যা, ভৌগলিক অবস্থান ও ফলাফলের অতীত ইতিহাস বিবেচনা করে সুবর্ণ জয়ন্তীতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করলে বিজয়ের সাফল্য আরও বেশি সার্থক হতো। সার্থক হতো শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোয় নিয়ে মেধাবীদেরকে শিক্ষকতায় অনুপ্রাণিত করার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে।

আমাদের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশই তরুণ, যাদের মধ্যে বেকারত্ব বৃদ্ধি আর কারিগরি প্রশিক্ষণের অভাবে হতাশা বেড়েছে সীমাহীন। সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি দেশকে করে দিয়েছে সর্বশান্ত। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষাক্ষেত্র, চিকিৎসাক্ষেত্র, কৃষিক্ষেত্রে দুর্নীতি আজ চরমে। গণতন্ত্র দিয়ে প্রতিষ্ঠিত দেশে আজ গণতন্ত্র ভূলুন্ঠিত, নাই মত প্রকাশের স্বাধীনতা, এমনকি গণতন্ত্র চর্চার মুক্ত পরিবেশ। সর্বত্র চলছে অপশাসন আর স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারিতা। এসব অনাসৃষ্টিকে রুখে দিতে হবে। অন্যথায় জাতির অগ্রগতি মুখ থুবড়ে পড়বে। 

প্রতিদিনই কোন না কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। চুরি, ডাকাতি কমলেও বেড়েছে ছিনতাই, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, গুম, খুন, ধর্ষণের মত এহেন কোন কর্ম নাই যা প্রতিনিয়ত ঘটছে না। বেড়েছে নেশা, মদ, জুয়া, ইয়াবা সেবন ও ব্যবসার মত রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ড। যার উদাহরণ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ক্যাসিনো ব্যবসা, মাদক ব্যবসা। করোকালের অতি সাম্প্রতিক জাল রিপোর্ট প্রদান, দলীয় সন্ত্রাসের অধীনে ত্রাণলুট, স্বেচ্ছাচারিতা, গণধর্ষনের মতো ঘৃণ্য কর্মকান্ড। যদিও সরকার এসবের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে এবং নির্মূলে পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকাররে পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংস্থা সজাগ দৃষ্টির ভূমিকায় অবতীর্ণ। 

শিক্ষাক্ষেত্রে তরুণ তরুণীদের মধ্যে সঠিক জ্ঞানচর্চার পরিবর্তে নেশাগ্রস্থতা আর অনৈতিকতা বেশি লক্ষ্যণীয়। তাছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে চরম দুর্নীতির মূলে রয়েছে শিক্ষায় দলীয়করণ বা ঘুষের মাধ্যমে যোগ্যদের পরিবর্তে অযোগ্যদের অনুপ্রবেশ ঘটানো। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এমনকি উচ্চতর পাবলিক পরীক্ষায় দুর্নীতি ও নকল করার প্রবণতা চরম। অন্যদিকে প্রাইভেট ভাবে গড়ে ওঠা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে নামসর্বস্ব শিক্ষায় ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট বিক্রি করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যবসাক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজেও চরম অসন্তোষ প্রকাশ করছেন প্রতিনিয়ত। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষ সেদিকে এখনো কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে একদিকে অযাচিত টেস্ট আর মেডিসিন দিয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করা হচ্ছে, অন্যদিকে হাসপাতাল নির্মাণ আর যন্ত্রপাতি ক্রয় এ চরম দুর্নীতি লক্ষ্যণীয়। ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রেরই চিকিৎসা আশু প্রয়োজন। সম্প্রতি করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের ভংগুর দশা, অব্যবস্থাপনা এবং অনিয়ন্ত্রিত দুর্নীতির হালচাল এজাতি অবলোকন করেছে। স্বাস্থ্যখাত ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অব্যবস্থাপনা আমলে নিয়ে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্য়কর পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে মানুষ ও প্রাণিসম্পদকে সুরক্ষা দিতে হবে।

তথ্য প্রযুক্তিতে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক, তবে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা এক্ষেত্রে অনেক পিছে। দেশে ইতোমধ্যে ৫জি নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে। তবে দেশজুড়ে ৩জি নেটওয়ার্ক এখনো পূর্ণতা পায়নি। সরকারি টেলিযোগাযোগ মাধ্যম এখনো দুর্বল অবকাঠামোয় অবরুদ্ধ রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে আইসিটি নৈতিকতা মানা হয় না, আর তরুণ-তরুণীরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যহারের চাইতে অপব্যবহারই বেশী করছে। ফলে যুব সম্প্রদায় ধ্বংসের মুখে নিপতিত হতে চলেছে দিন দিন। সরকারের উচিত হবে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক আইন বাস্তবায়ন আর বিপুল এই জনগোষ্ঠীকে কারিগরি ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সঠিক প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা করে জনসম্পদে রূপান্তর করা। 

আজ আমরা বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে পৌঁছেছি। আমরাই পারব আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে। তবে আমাদেরকে মানবিক হতে হবে, উদার ও মহৎ জাতির পরিচয় দিত হবে। দুর্নীীতর করালগ্রাস থেকে জাতিকে বাঁচাতে হবে। প্রতিটি সেক্টরে যোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনতে হবে, তাঁদেরকে সম্মানের আসনে আসীন করে যথাযথ মর্যাদা দিতে হরে। রাজনৈতিক অঙ্গনকে পরিশীলিত করতে হবে বহুগুণে। বাঙালির রাজনীতির প্রাণ-পুরুষ শেরে-বাংলা এ.কে ফজলুল হক থেকে শুরু করে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে লালন করতে হবে হৃদয়ে, কথা ও কর্মে। তবেই পাবে উন্নত শিক্ষা, চিকিৎসা আর বাসস্থানের পরিবেশ। দেশ হবে স্বনির্ভর আর শান্তির পূন্যভূমি স্বপ্নের সোনার বাংলা।

লেখকঃ তরিকুল ইসলাম মাসুম
শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যিলয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75516/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Dec 2021 13:11:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি</p>
<p>আজ মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্বমহিমায় স্বগৌরবে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আজকের এই দিনে প্রথম বিজয় অর্জন করেছিল বাঙালি জাতি ও আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি সোনার বাংলা। বিজয়ের ৫০ পেরিয়ে ৫১তম দিবসে জাতি তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে কতটুকু এগিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75516"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75516/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9904fa12900684ff0ef57e8e16740666</guid>
				<title>সাইন্স ফিকশন স্টোরি: ‘পিস্টন’

        মতিন সাহেব একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা (চীফ ইঞ্জিনিয়ার) হিসেবে চাকুরী করেছেন বিভিন্ন প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে। করোনার প্রাদুভার্বের শুরু থেকেই গৃহবন্দি ছিলেন। এরই মধ্যে অবসরে গিয়ে নাতি-নাতনীদের নিয়ে সময় কাটান।

হেমন্তের আসন্ন শীতের সকালে বাসার ছাদে সবাই রোদ পোহাচ্ছে। মতিন সাহেব তখন গল্প শুরু করলেন। চাকুরী জীবনে কোথায় কোথায় থেকেছেন, কি কি কাজ করতেন সেসব নিয়ে গল্প শুনতে মশগুল সবাই। তখন নাতি-নাতনীরা (লুনা, লিকু, মিশু ও শিমু) জানতে চাইলো তাদের দাদু কোন ধরনের যন্ত্র নিয়ে কাজ করতেন।

মতিন সাহেব জবাব দিলেন, “আমি বিভিন্ন ধরনের কম্প্রেসর নিয়ে কাজ করেছি। আমরা প্রতিটি কাজ টিম নিয়ে করতাম। আমার নির্দেশনায় সহযোগীরা সুন্দর করে যন্ত্রপাতি পরিচালনা করতো।”

তখন লুনা বললো, “আচ্ছা দাদু, কম্প্রেসর কি? আমাদের দেখাও না”
মতিন সাহেব বলেন, “ কম্প্রেসর এমন একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস যা বর্ধিত চাপ সৃষ্টি করে কোন বায়ু কিংবা তরল ও গ্যাসীয় পদার্থকে স্বল্প আয়তনে নিয়ে আসে। আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের কম্প্রেসর ব্যবহার করি।” এরপর মতিন সাহেব কিছু যন্ত্রপাতি দেখালেন…।

লিকু বললো, “আচ্ছা দাদু, আমরা কি কি কম্প্রেসর ব্যবহার করি ?”
মতিন সাহেব জবাব দিলেন, “আমরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি রেসিপ্রোকেটিং কম্প্রেসর। এছাড়াও সেন্ট্রিফিউগ্যাল কম্প্রেসর, রোটারি কম্প্রেসর বিভিন্ন কাজে লাগে। রেসিপ্রোকেটিং কম্প্রেসর কাজ করে পিস্টনের সাহায্যে, সেন্ট্রিফিউগ্যাল কম্প্রেসর কাজ করে ইমপেলারের সাহায্যে আর রোটারি কম্প্রেসর কাজ করে পিস্টন জাতীয় রোটরের সাহায্যে”।

মিশু বললো, “দাদু, রেসিপ্রোকেটিং কম্প্রেসর আমরা বেশি ব্যবহার করি আর এটি কাজ করে পিস্টনের সাহায্যে। তাহলে পিস্টন কিভাবে কাজ করে আমাদের বোঝাও না”।

তখন মতিন সাহেব সবার মনোযোগ আকর্ষন করে বলতে লাগলেন, “পিস্টন হচ্ছে রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিন, রেসিপ্রোকেটিং পাম্প, গ্যাস কম্প্রেসার, হাইড্রোলিক সিলিন্ডার এবং একই ধরনের কাজ করা যন্ত্রগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পিস্টনের অবস্থান সিলিন্ডারের ভেতরে এবং পিস্টন রিং এর সাহায্যে এটি বায়ুরোধী করা হয়। ইঞ্জিনের মধ্যে এটার কাজ হচ্ছে, সিলিন্ডারের মধ্যে প্রসারণশীল গ্যাস হতে পিস্টন রড এবং কানেক্টিং রডের মাধ্যমে ক্রাংক শ্যাফট-এ বল প্রদান করা। পাম্পের মধ্যে এর ফাংশন পুরোপুরি উল্টো। পাম্প-এ ক্রাংক শ্যাফট থেকে পিস্টনে বল প্রদান করে সিলিন্ডারের ভেতরের ফ্লুইডকে চাপ প্রদান করে বের করে দেওয়া হয়। আবার কিছু কিছু ইঞ্জিনে পিস্টনকে ভালভ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সোজা কথায় বলতে গেলে পিস্টন এমন একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস যা অনেক মেশিনের ও ইঞ্জিনের কর্ম সম্পাদন করতে ব্যবহার করা হয়।”

মতিন সাহেবের কথা শেষ হলে সবাই একটু দম নিলো। তারপর শিমু বললো, “আচ্ছা দাদু, তুমি বললে সিলিন্ডারের ভেতরে পিস্টন রিং এর সাহায্যে বায়ুরোধী করতে হয়। তাহলে বায়ুরোধী করতে কি কি পিস্টন রিং ব্যবহার করা হয়?”

মতিন সাহেব বললেন, “তাহলে শোন, দুই ধরণের পিস্টন রিং ব্যবহার হয়। সেগুলো হলো কম্প্রেশন রিং আর অয়েল রিং। কম্প্রেশন রিং কম্বাশন চেম্বার হতে কম্প্রেশন লিকেজে বাধা দেয় আর অয়েল রিং পিস্টনের মুভমেন্ট যেন সুষমভাবে হয় তার জন্য অয়েল রিং এর মাধ্যমে অয়েল ফিল্ম তৈরি করা হয়।” মতিন সাহেব আরও বলতে লাগলেন, “পিস্টন সাধারণত এক ধরনের এ্যালুমিনিয়াম এলয় দিয়ে তৈরি করা হয়। এ্যালুমিনিয়াম হালকা ধাতু এবং তাপ সুপরিবাহী পদার্থ। এছাড়া ঘনত্ব কম, উচ্চ রিলায়াবিলিটি এবং পুনঃব্যবহার যোগ্য বলে পিস্টন তৈরি করতে এ্যালুমিনিয়াম এলয় ব্যবহার করা হয়।”

পিস্টনের গল্প বলতে বলতে রোদ বাড়তে লাগলো। নাতি-নাতনীরা মতিন সাহেবের কাছে গল্প শুনে মুগ্ধ হলো। তারাও দাদুর মতো ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রতিজ্ঞা করলো। এরপর স্কুলে যাবে বলে সবাই প্রস্তুতি নিতে চলে গেলো। মতিন সাহেবও নাতি-নাতনীদে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে বলে বিদায় জানালেন।

(আমার প্রফেসর --- পিস্টন নিয়ে একটা গল্প লিখতে বলেছেন। আজ সাজিয়ে ফেললাম সায়েন্স ফিকশন আকারে একটি কাল্পনিক গল্প।)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/68964/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Dec 2021 16:46:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাইন্স ফিকশন স্টোরি: ‘পিস্টন’</p>
<p>        মতিন সাহেব একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা (চীফ ইঞ্জিনিয়ার) হিসেবে চাকুরী করেছেন বিভিন্ন প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে। করোনার প্রাদুভার্বের শুরু থেকেই গৃহবন্দি ছিলেন। এরই মধ্যে অবসরে গিয়ে নাতি-নাতনীদের নিয়ে সময় কাটান।</p>
<p>হেমন্তের আসন্ন শীতের সকালে বাসার ছাদে সবাই রোদ পোহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-68964"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/68964/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">027fa1b64d338316e1a302673d778a8f</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Mohona Afreen Asha are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/68284/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Dec 2021 09:05:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">55269602faf17271271f9dd7da1857c2</guid>
				<title>হেমন্ত

হেমন্ত চলছে...
শীতের আগমনী বার্তাও আসন্ন;
মাঠে মাঠে পাঁকা ধান কাটা চলছে,
পানের বরজে নতুন পানও আসন্ন।

ঋতুচক্রে কোথাও কোথাও শীত আসছে,
সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশার দেখা মিলছে;
করোনার প্রকোপ মাড়িয়ে ধরণী নতুনরূপে ফিরছে,
প্রকৃতি যেন আজ পবির্তনের নেশায় দুলছে !

কৃষকের গৃহে আসতে উদগ্রীব মাঠের সোনালী ধান,
ন্যায্য মূল্য পেলে ভাঙবে কি কৃষকের অভিমান?
তবু যেন তাহার ঘরে হেমন্তের উৎসব আসন্ন,
প্রতীক্ষিত সেই সুখের দর্শন, বছরান্তে নবান্ন।

- তরিকুল ইসলাম মাসুম 
শিক্ষার্থী, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/67289/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Dec 2021 14:23:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হেমন্ত</p>
<p>হেমন্ত চলছে&#8230;<br />
শীতের আগমনী বার্তাও আসন্ন;<br />
মাঠে মাঠে পাঁকা ধান কাটা চলছে,<br />
পানের বরজে নতুন পানও আসন্ন।</p>
<p>ঋতুচক্রে কোথাও কোথাও শীত আসছে,<br />
সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশার দেখা মিলছে;<br />
করোনার প্রকোপ মাড়িয়ে ধরণী নতুনরূপে ফিরছে,<br />
প্রকৃতি যেন আজ পবির্তনের নেশায় দুলছে !</p>
<p>কৃষকের গৃহে আসতে উদগ্রীব মাঠের সোনালী ধান,<br />
ন্যায্য মূল্য পেলে ভাঙবে কি কৃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-67289"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/67289/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eff90d9be7f427346c8994b57fa54619</guid>
				<title>শিক্ষক দিবসে জাতির বিবেক শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি চাই 

শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকার আর শিক্ষাই একটি জাতির মেরুদন্ড। তাই শিক্ষা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং শিক্ষা ছাড়া মানব জীবন অসার। শিক্ষা মানুষকে সমাজে পরিচিত দান করার পাশাপাশি মানুষের নৈতিকতার বিকাশ ঘটানো, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, সৎ নাগরিক হিসাবে আদর্শ ও সৃজনশীল গুনাবলির বিকাশ ঘটানো। একটি জাতির উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষা। 

শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। আর সেই শিক্ষার কারিগর হলেন জাতির বিবেক শিক্ষকগণ। বিশ্বের শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর আহবানে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে &quot;বিশ্ব শিক্ষক দিবস&quot;। সেই সকল গুণী শিক্ষকদের জন্য আমাদের ও রাষ্ট্রের করণীয় কি তা সকলের জানা আবশ্যক ॥

শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন হোক:
শিক্ষকগণ মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেওয়ার মহান ব্রত নিয়েই সমাজ, রাষ্ট্র তথা গোটা বিশ্বে শিক্ষকরা কাজ করে যাচ্ছেন যুগের পর যুগ। শিক্ষকতা এমন এক ব্রতের নাম যার দ্বারা জাতির ভবিষ্যৎ নির্মিত হয়। কিন্তু অনেকাংশেই আমাদের দেশে শিক্ষকদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। বিশ্বের উন্নত দেশের দিকে তাকালে দেখা যায় উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষকদের উচ্চ মর্যাদায় আসীন করা হয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রচুর সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়। 

অপরদিকে, আমাদের দেশের শিক্ষকদের বেলায় তার ভিন্নতা লক্ষ্যণীয়। এমনকি বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাতেও হিমশিম খেতে হয়। ফলে অনেক মেধাবী ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা এই পেশায় আসতে আগ্রহী নয়। জাতির সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ছাড়া দেশ ও জাতির উন্নয়নের কথা ভাবার উপায় নাই। 

প্রথম স্তরে আমাদের দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন কম এবং তুলনামূলক কম সুবিধা পায়। দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। বেতন কাঠামো ও অন্যান্য সুবিধা কম হওয়ায় মেধাবীরা এগিয়ে আসে না এই পেশায়। বেসরকারিভাবে (প্রাইভেট) পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকেরা বেতন পান বেশী, এমনকি সুযোগ সুবিধাও বেশী পায়। সবর্শেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকার থেকে তেমন সুবিধা দেওয়া হয় না। বিশেষভাবে তাঁদের গবেষণা খাতে বরাদ্দ তামাশার শামিল। ফলে অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতার দরুণ গবেষণায় ছেদ পড়ে।

শিক্ষাক্ষেত্র দুর্নীতিমুক্ত করা হোক:
 শিক্ষা জাতির মেরুদ-, আর এই মেরুদ-কে সমাজ, রাষ্ট্র, বিশ্বের সাথে পরিচিত করিয়ে দেন একজন শিক্ষক। শিক্ষকগণই সমাজ ব্যবস্থায় সংস্কার, গোঁড়ামি ও কুসংস্কার ইত্যাদি দূর করে সমাজকে আলোর পথে অগ্রসর হন। শিক্ষকের আদর্শ, সাহসিকতা, নীতি-নৈতিকতা, সততা আর মূল্যবোধ অনুসরণ করে একজন শিক্ষার্থী নিজের জীবন গঠন করেন। একজন শিক্ষকের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একজন ছাত্র তার জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। একজন শিক্ষকের প্রভাব একজন ছাত্রের জীবনে মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত থাকে।

শিক্ষক নিঃসন্দেহে একজন সম্মান ও শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু যুগ যুগ ধরে তাঁরা আর্থিক সংকটে থেকেও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। সমাজ বিনির্মাণে অবদান রেখে চলেছেন এবং সমাজের অন্ধত্ব দূরীকরণে কাজ করে চলেছেন নিঃস্বার্থভাবে। 

কিন্তু বর্তমানে কিছু অসংগতিও লক্ষ্যণীয়। শিক্ষাক্ষেত্র হয়ে পড়ছে শিক্ষা ব্যবসা কিংবা দুর্নীতি শিক্ষার হাতিয়ার। কেননা, শিক্ষক নিয়োগে মেধা দক্ষতার পরিবর্তে প্রভাবশালী মহলের প্রভাব আর অর্থ লেনদেন যেন এক রীতিতে পরিণত হয়েছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্রই অর্থ লেনদেন করে অযোগ্যদেরকেও শিক্ষকের মহান আসনে বসানো হচ্ছে। ফলে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর অর্থ দিয়ে চাকরি কেনা শিক্ষকেরা অর্থ ওঠাতে শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। স্কুলে সঠিকভাবে পাঠদানের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদেরকে প্রাইভেট বা কোচিংমুখী করতে বাধ্য করে। 

সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকদের অশোভন আচরণ ও শিক্ষার্থীদের প্রতি যৌন হয়রানি বৃব্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন পাঠে পরোক্ষভাবে অপসংস্কৃতির প্রভাবও রয়েছে। ফলে নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। এই পরিস্থিতির উত্তরণ আবশ্যক। তবেই শিক্ষকদের পেশার মহত্ব বজায় থাকবে।

বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে এই দিবস পালন করা হয়। এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা:
১. শিক্ষকের প্রকৃত অধিকার প্রদান করা হোক। 
২. সম্মান সমাজে বাড়িয়ে দেওয়া হোক।
৩. সব পেশার উর্ধ্বে শিক্ষকতা পেশাকে মর্যাদা দেওয়া হোক। 
৪. অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সঠিক তদারকির সুব্যবস্থা করা হোক।

লেখকঃ তরিকুল ইসলাম মাসুম
শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40626/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Oct 2021 07:20:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিক্ষক দিবসে জাতির বিবেক শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি চাই </p>
<p>শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকার আর শিক্ষাই একটি জাতির মেরুদন্ড। তাই শিক্ষা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং শিক্ষা ছাড়া মানব জীবন অসার। শিক্ষা মানুষকে সমাজে পরিচিত দান করার পাশাপাশি মানুষের নৈতিকতার বিকাশ ঘটানো, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, সৎ নাগরিক হিসাবে আদর্শ ও সৃজনশীল গুনাবলির বি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-40626"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/40626/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0b076428cc79eabd5eef1515a7a119c2</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Zahidul Jamy are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/32728/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Sep 2021 07:47:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bbdf574052805835509c851b7002651e</guid>
				<title>শরৎ এলো
- তরিকুল ইসলাম মাসুম

শরৎ এলো, ক&#039;দিন হলো
বর্ষাকালটা বিদায় নিলো!
ভাবছি ক&#039;দিন লিখবো কিছু,
সর্দি জ্বরটা লাগছে পিছু ৷

শরৎ এলো, বর্ষা গেলো;
বৃষ্টি-বাদল কি থেমে রইলো?
না না না, আকাশটা হচ্ছে কালো
নিম্নচাপ যে বেড়েই চললো!

শরৎ এলো, বেজায় ভালো
আউশ ধান সব কাটা হলো৷
সোনালী আঁশের আঁশ শুকালো
বিক্রি করে মুদ্রা হলো ৷

শরৎ এলো, আকাশ যে কালো
ক্ষণে ক্ষণে বজ্রপাত হলো,
কত জনের প্রাণ যে নিলো!
কাশবনে সাদা ফুল ফুটলো৷

আষাঢ় গেলো, শ্রাবণ গেলো
বর্ষা তবু রয়েই গেলো ৷
মৌসুমেতে পরিবর্তন হলো
তবুও তো শরৎ এলো ৷৷
তারিখ: আগস্ট, ২০২১/ ঝিনাইদহ ৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30925/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Sep 2021 01:55:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শরৎ এলো<br />
&#8211; তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>শরৎ এলো, ক&#8217;দিন হলো<br />
বর্ষাকালটা বিদায় নিলো!<br />
ভাবছি ক&#8217;দিন লিখবো কিছু,<br />
সর্দি জ্বরটা লাগছে পিছু ৷</p>
<p>শরৎ এলো, বর্ষা গেলো;<br />
বৃষ্টি-বাদল কি থেমে রইলো?<br />
না না না, আকাশটা হচ্ছে কালো<br />
নিম্নচাপ যে বেড়েই চললো!</p>
<p>শরৎ এলো, বেজায় ভালো<br />
আউশ ধান সব কাটা হলো৷<br />
সোনালী আঁশের আঁশ শুকালো<br />
বিক্রি করে মুদ্রা হলো ৷</p>
<p>শরৎ এল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-30925"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/30925/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c3643105c10acdd78c70e0af20a25ebd</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Badsha Mohammad Najjashi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29247/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Aug 2021 20:12:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">55f4459f878189d4ed985f75f2d6cdfc</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and ইসমাইল হোসেন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/28375/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Aug 2021 07:01:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f098f3e0b04ea459003cc047d81cdc7</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and MD Asraful Molla Sadek (MAMS) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/28094/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Aug 2021 06:30:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb7405e95084b2c6afa44e4d6becfe04</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Shahadat Hossain are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/28060/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Aug 2021 00:26:51 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4b8dfb5bc3e45b26fc4e67f7da9fc9f5</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Mahmuda Sultana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/28053/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 20:48:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c9944482d86da94b7d41aa4c03daf47</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and নুসরাত জাহান অর্পি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27991/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 18:59:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65f0becf7d7fbbf3c132126fbf307f2c</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and আহমেদ হানিফ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27981/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 17:14:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">deec026526803d5c46f7ec2cc5a34c02</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and ফাতেমা লিপি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27975/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 15:58:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">691c98bd7870f13652257bf6bb80243f</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and __ariyan__ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27972/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 15:50:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1ea0346f1054f962d190e399e1dbb158</guid>
				<title>হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু
- তরিকুল ইসলাম মাসুম

বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীন একটি দেশ,
লাখ শহীদের রক্তে কেনা বাংলাদেশ ৷
একটি সবুজ-শ্যামল সোনার দেশ
একটি মানবিক আর স্বাধীন বাংলাদেশ ৷

যে দেশের পাখিরা গান করতো
সবুজ বন বনানীর ঐ ডালে ডালে,
যেখানে প্রকৃতি হাসে সুরভিত ফুলে,
ফুলের পরাগ আর সৌরভে ৷

হঠাৎ একদিন ঘাতকের কবলে পড়ে
মায়ের কোল খালি করে তুমি বিদায় নিলে,
সেই থেকে দুঃখের সাগরে ভাসি মোরা,
তোমায় হারানোর ব্যথা মোরা থাকবো কেমনে ভুলে?

বঙ্গবন্ধু তুমি, বাঙালি জাতির তরে
স্বাধীন করেছিলে একটি দেশ,
নাম দিয়েছিলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ,
বঙ্গবন্ধু তুমিই স্বাধীন বাংলাদেশ ৷

লেখক: শিক্ষার্থী, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ,
                                 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27796/</link>
				<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 15:13:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু<br />
&#8211; তরিকুল ইসলাম মাসুম</p>
<p>বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীন একটি দেশ,<br />
লাখ শহীদের রক্তে কেনা বাংলাদেশ ৷<br />
একটি সবুজ-শ্যামল সোনার দেশ<br />
একটি মানবিক আর স্বাধীন বাংলাদেশ ৷</p>
<p>যে দেশের পাখিরা গান করতো<br />
সবুজ বন বনানীর ঐ ডালে ডালে,<br />
যেখানে প্রকৃতি হাসে সুরভিত ফুলে,<br />
ফুলের পরাগ আর সৌরভে ৷</p>
<p>হঠাৎ একদিন ঘাতকের কবলে পড়ে<br />
মায়ের কোল খালি করে তুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-27796"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/27796/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">faa1b7216eee61ca66af4eb24d876dc6</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/26427/</link>
				<pubDate>Thu, 05 Aug 2021 12:39:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">02f118485ddc20fa5bd147ea5bb64304</guid>
				<title>বাইরে যেও না
তরিকুল ইসলাম 

বিশ্বজুড়ে মহামারী নিয়ে এলো নোভেল করোনা,
বিশ্ববাসী শোনো তবে- বাইরে যেও না;
যদি পেতে চাও করোনা থেকে পরিত্রাণ,
এর চাইতে ঢের কোনো নাই যে সমাধান;
সবসময়ই থেকোরে ভাই ভীড় হতে সাবধান ৷৷

চীন হতে সে জন্ম নিয়ে সংক্রমিত আজ জগতজুড়ে,
করোনা থেকে দূরে থাকতে তাই যেও না বাড়ির বাহিরে ৷
তবু লকডাউন মানা কষ্ট তাদের, অনাহারে যারা ক্লিষ্ট,
এমন মহামারী দেখিনিতো ভাই, মানুষেরই যাহা সৃষ্ট ৷

এমন দিনে জাতির তরে করার কি আছে করার উপায়?
বিত্তবানগণ সাহায্য দিয়ে জাতিকে নিও একটু তড়ায় ৷
এখন শীঘ্রই উচিত বন্ধ করা করোনার সংক্রমণ ,
মহান প্রভু দাও গো এবার মোদের পরিত্রাণ ৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/26426/</link>
				<pubDate>Thu, 05 Aug 2021 12:28:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাইরে যেও না<br />
তরিকুল ইসলাম </p>
<p>বিশ্বজুড়ে মহামারী নিয়ে এলো নোভেল করোনা,<br />
বিশ্ববাসী শোনো তবে- বাইরে যেও না;<br />
যদি পেতে চাও করোনা থেকে পরিত্রাণ,<br />
এর চাইতে ঢের কোনো নাই যে সমাধান;<br />
সবসময়ই থেকোরে ভাই ভীড় হতে সাবধান ৷৷</p>
<p>চীন হতে সে জন্ম নিয়ে সংক্রমিত আজ জগতজুড়ে,<br />
করোনা থেকে দূরে থাকতে তাই যেও না বাড়ির বাহিরে ৷<br />
তবু লকডাউন মানা কষ্ট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-26426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/26426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab91b427c0d07ec933d78d5ab55d5eee</guid>
				<title>করোনার যন্ত্রণা
তরিকুল ইসলাম 

করোনা.... আর জ্বালাস না...
চীন হতে তুই জন্ম নিয়ে ঘূরছিস এখন জগতজুড়ে,
কি মজা পাছ বলরে এবার দেশ বিদেশে ক্ষতি করে ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
তোর কারণে আমরা আছি বড়ই বিপদে
বিশ্বজুড়ে মরছে মানুষ, এবার ক্ষান্ত দে ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
মারলি কত এম.পি - মন্ত্রী, মরছে মানবদল
চীনেতে তোর জন্ম হল, এই বুঝি তোর ফল!

করোনা.... আর জ্বালাস না...
বাড়ল কতো চুরি-দারি, কমলো জনবল
তোর থাবাতে নিঃস্ব মানুষ, চেষ্টাতে নিষ্ফল ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
পথে ঘাটে চলছে গাড়ি, কম যাত্রী নিয়া
দ্বিগুন ভাড়া কেটেও নাকি আসল ওঠে না ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
ষোল মাস ধরে স্কুল বন্ধ, বন্ধ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়,
শিক্ষার্থীরা ফিরতে যে চায়, পাঠের সে আলোয় ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
কত মানুষ কর্মহীন আজ, শুয়ে বসে দিন কাটে রোজ
অর্থ বিনে হয় না আজি, তিন বেলা তার ভোজ ৷

করোনা.... আর জ্বালাস না...
ভোটের আগে অনেক নেতা নিতো ভালোই খোঁজ
দূর্দিনে আজ অসহায় সে, কে নেবে তার খোঁজ?

করোনা.... আর জ্বালাস না...
বহু লোক আজ চাকুরিহারা, অসহায় খুব এখন তারা
দূর্দিনে নাই উপায় কোনো, কি যাবে আর এখন করা,
কাটবে কবে মহামারী, করোনাশুন্য হবে ধরা!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18877/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:48:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>করোনার যন্ত্রণা<br />
তরিকুল ইসলাম </p>
<p>করোনা&#8230;. আর জ্বালাস না&#8230;<br />
চীন হতে তুই জন্ম নিয়ে ঘূরছিস এখন জগতজুড়ে,<br />
কি মজা পাছ বলরে এবার দেশ বিদেশে ক্ষতি করে ৷</p>
<p>করোনা&#8230;. আর জ্বালাস না&#8230;<br />
তোর কারণে আমরা আছি বড়ই বিপদে<br />
বিশ্বজুড়ে মরছে মানুষ, এবার ক্ষান্ত দে ৷</p>
<p>করোনা&#8230;. আর জ্বালাস না&#8230;<br />
মারলি কত এম.পি &#8211; মন্ত্রী, মরছে মানবদল<br />
চীনেতে তোর জন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-18877"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/18877/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9cdd74c6f72dbf7b1f8e05c44256f57d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18863/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:41:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b75995d6066407cbce7bbc440c33f45c</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18852/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:32:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b75995d6066407cbce7bbc440c33f45c</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18851/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:32:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b75995d6066407cbce7bbc440c33f45c</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18850/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:32:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b75995d6066407cbce7bbc440c33f45c</guid>
				<title>Md. Tariqul Islam and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/18849/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jul 2021 10:32:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>