-
কবিতা- ফ্ল্যাট টু- লেইট।
ইশতিয়াক জিন্দানী রিশাতআমার বুকের ভেতরটায়
তিন কামরার ছোট্ট একটা ফ্ল্যাট ।
শোবার ঘরটায় আমি আর কষ্ট থাকি।
একসাথে খাই,ঘুমোই
ঘুম না এলে রাত জেগে পাহারা দেই
বুড়ো রাতটাকে।পাশের ঘরটা তোদের,তোমার,আপনার
জন্য বরাদ্দ।
এখন বেশিরভাগই খালি পড়ে থাকে ঘরটা।
একসময় কত হুল্লোড় ছিল ওদিকটায়!
আর এখন মানুষ দেখলেই আমার
ভয় ভয় লাগে।
মানুষগুলোও কেমন যেন!
কষ্টকে দেখলেই পালিয়ে বেড়ায়।সুখ এ ফ্ল্যাটের অনিয়মিত অতিথি।
এ ব্যাপারে কষ্ট বেশ অতিথিপরায়ণ।
সুখ এলেই বসার ঘরে আয়েশ করে বসতে দেয়,
চা করে আনে।
আমার বরং সুখটাকেই হিংসুটে লাগে,
সে কষ্টকে সহ্যই করতে পারেনা!শোবার ঘরটার পাশেই
ছোট্ট একটা বেলকনি আকাশ পেতে বসে আছে।
পুরো ফ্ল্যাটের মধ্যে এটাই আমার সবচে প্রিয়।
সময় পেলেই সযত্নে তাকে সাজিয়ে রাখা
স্মৃতিগুলো খুলে বসে পড়ি বেলকনিটায়।কড়া লিকারের জীবনটায় দু’চামচ
একাকীত্ব মিশিয়ে মগ হাতে
পাশে এসে দাঁড়ায় কষ্ট।
তখন তাকে বড় আপন মনে হয়।
ভাবি,কষ্টের সাথে বেশতো আছি সুখেই!এসব ভাবতে ভাবতেই
হঠাৎ বেজে ওঠে কলিংবেল।
দরজা খুলে দেখি
মৃত্যু দাঁড়িয়ে আছে!3 Comments

ইশতিয়াক জিন্দানী রিশাত
সাদা কাগজের কালো কালি।
আমার নাম ইশতিয়াক জিন্দানী রিশাত। আমার জন্ম ১৯৯৮ সালের ১৩ই নভেম্বর শুক্রবার। জন্ম থেকে নিশ্বাসের স্বাদ নিচ্ছি সিলেট জেলায়। অর্থাৎ আমার জন্ম বাংলাদেশের সিলেট জেলার, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার, মল্লিকপুর গ্রামে। আমার পিতা রিয়াজ উদ্দীন ইসকা। একজন সাংবাদিক ও লেখক। জেনেটিক ভাবেই আমার রক্তে লেখালেখির পোকা রয়েছে। প্রতিদিন আমার গল্পের সাগরে সাঁতরাতে হয়। নানান গল্প খেলা করে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে।
অনেক জ্ঞানীরা লেখকদের বিভিন্ন ভাবে প্রকাশিত করেছেন। লেখক ২প্রকার। ১ছাগল লেখক, এবং ২পাগল লেখক। ছাগল লেখক টাকার জন্য লেখে, এবং পাগল লেখে ভালো লেখার জন্য লেখে। আমি হচ্ছি পাগল লেখক। মানুষ পড়বে, এবং বলবে লেখা টা ভালো। এতেই তৃপ্তি। তবে, মানুষজন বলে লেখকদের না-কি তৃপ্তি নেই। তাঁদের তৃষ্ণা বৃদ্ধি পেতেই থাকে।
দেখা যাক আমার তৃষ্ণা কত টুকু বৃদ্ধি পায়।
তুলট এর মাধ্যমে নিজের লেখালেখির প্রতিভা আরও বিকশিত হবে।
আশাকরি, মগজের আরও বিস্তার হবে,এই তুলটের মসৃণ পথে।
ধন্যবাদ।


শুভেচ্ছা