-
পোড়োবাড়ির_রহস্য
পর্ব_আঠারো
নলডাঙ্গার এতিমখানাগুলোর ঠিকানাসহ মোটামোটি একটা তালিকা নির্ণয় করলো যায়িদ। তারপর কিছু শুকনা খাবার নিয়ে বেরিয়ে পড়লো ওরা তিনজন। বের হওয়ার আগ মুহূর্তে তালহার ছোট মামা তিনজনকে তিনটা মোবাইল দিয়ে বললেন, এখন থেকে এগুলো সঙ্গে রাখবি। কালকে তোদের চিন্তায় আমাদের রাতে ভালো ঘুমই হয়নি। তোদের নাম দিয়ে তোদের নাম্বারগুলো সেভ করে দিয়েছি। আমাদের সবার নাম্বার আর সব ধরণের প্রয়োজনীয় নাম্বারও সেভ করা আছে। কোনরকম বিপদে পড়লে জানাতে ভুল করবিনা। এসময় তোমাদের সাথে এটা থাকা জরুরী। ফোন ছাড়া কি গোয়েন্দার কাজ হয়? যেকোন প্রয়োজনে আমাকে বা অন্যকাউকে, নির্দ্বিধায় ফোন করবে। আকস্মিক এমন ঘটনায় তালহারা তিনজনই খুব খুশি হয়ে গেলো। এটা ওদের খুব দরকার ছিলো। কয়েকদিন ধরে তালহাও ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছিলো। কারণ ওরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে যোগাযোগের কোন উপায় থাকেনা। আজকে ওরা সেই ফোন সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে।
তালহার নানু বাড়ির পুরানো গাড়িটা নিয়েই বের হয়েছে ওরা। সবথেকে কাছের এতিমখানাটার নাম ‘রাহমানিয়া এতিমখানা’। ত্রিশ মিনিটের মাথায় মাদ্রাসাটায় পৌঁছে গেলো ওরা। অনেকখানি জায়গা জুড়ে বানানো হয়েছে মাদ্রাসাটা। স্থাপিত হওয়ার তারিখটা ফটকের পাশের দেওয়ালে খোঁদাই করে লেখা আছে। ১৯৭০ সালে স্থাপিত হয়েছে। তার মানে পুরানো আমলের মাদ্রাসা এটা। গেট পেরিয়ে ঢোকার সময় দারোয়ানের সাথে দেখা হলেও তেমন কোন জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। শুধু জিজ্ঞাসা করেছে কোথায় যাবেন? এই এতটুকুই। অধ্যক্ষের সাথে দেখা করবে শুনে ওদেরকে এগিয়ে গিয়ে অধ্যক্ষের ঘরটা দেখিয়ে দিয়ে আবার নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে বসে পড়লো।দারোয়ানের দেখিয়ে দেওয়া ঘরের সামনে গিয়ে দাড়লো তালহারা। দরজার পাশে দেওয়ালে লাগানো নেমপ্লেটের দিকে চোখ গেলো তালহার। ‘শেখ মহিউদ্দিন ভুঁইয়া’ অধ্যক্ষ। ভেতরে তাকিয়ে দেখলো একজন ষাটোর্ধ্ব ব্যাক্তি টেবিলের উপর ঝুঁকে কি একটা কাজ করছে। তালহা একটু এগিয়ে গিয়ে বিনয়ের সাথে বলল, আমরা একটু আসতে পারি? মহিউদ্দিন ভুঁইয়া মাথা তুলে দরজার দিকে তাকিয়ে কপাল কুঁচকে বলল, কে তোমরা?
দয়া করে ভিতরে আসার অনুমতি দিলে ভেতরে এসেই কথাগুলো বলতাম।
ওদের ঢোকার অনুমতি দিলেন মহিউদ্দিন ভুঁইয়া। ওরা তিনজন ভেতরে ঢুকলে ওদেরকে বসতে বললেন।
উনার বিপরীত পাশে রাখা চেয়ারগুলো টেনে তাতে বসে পড়লো ওরা তিনজন।
এবার তোমাদের পরিচয় দিয়ে বল আমার কাছে কি দরকারে এসেছো?
তালহা ওদের বানানো কার্ডটা এগিয়ে দিয়ে বললো; আমরা গোয়েন্দা। এইযে আমাদের কার্ড। আমার কিছু তথ্য দরকার। তত্যগুলো এতিমখানা সংক্রান্ত কিন্তু আমরা এতিমখানাটার সঠিক ঠিকানা জানিনা। তাই প্রায় সব এতিমখানার নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে এনেছি। আগে বড়গুলোতে খোঁজ করবো। না পেলে তারপর ছোটগুলোতে যাবো।
মহিউদ্দিন তালহার কাছ থেকে কার্ডটা নিয়ে দেখলো। তারপর ওদেরকে লক্ষ্য করে বলল, তা খুদে গোয়েন্দারা আমার কাছে কি জানতে চাও? মানে আমি তোমাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
প্রথমে কীভাবে কথা শুরু করবে বুঝতে পারছেনা তালহা। ফাতিমা আনজাম নাকি আনিসের কথা দিয়ে কথা বলা শুরু করবে তা নিয়ে কিছুক্ষণ ভাবলো। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলো আনিসের কথা দিয়েই শুরু করবে। কারণ ফাতিমা আনজামের নামটা তার নাও মনে থাকতে পারে।
ওদেরকে চুপ থাকতে দেখে মহিউদ্দিন আবার বললেন, কি হলো, বললেনা তোমাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি? কি ধরণের তথ্য দরকার তোমাদের?
মহিউদ্দিনের কথা শুনে তালহার ভাবনার সুতা কেটে গেলো। বলল, আমরা আপনার এখানে পড়তো এমন একজন পুরানো ছাত্রের খোঁজে এসেছি। ওর সম্পূর্ণ নামটা কি জানিনা। তবে ছোট একটা নাম জানি সেটা হলো আনিস। আপনার এখানে পড়াকালীন সময়ে আপনি ওকে এক ধনী পরিবারে দত্তক দিয়ে দেন। সম্পূর্ণ আন্দাজে ঢিল ছুড়লো তালহা। কারণ এটাই যে সেই মাদ্রাসা এ ব্যাপারে ও শিউর না।
কত দিন আগের ছাত্র?
সম্ভবত ১৯৯৯ সালের দিকের কথা।
মহিউদ্দিন ঐ সালের ভর্তির রেজিস্টার ঘেটে এরকম কোন তথ্য না পাওয়ায় নিরাশ হয়ে সেখান থেকে বের হয়ে অন্য মাদ্রাসার উদ্দেশে রওনা দিলো। এভাবে আরও দুইটা বড় মাদ্রাসা ঘুরেও একইভাবে হতাশ হলো ওরা। চারটা বেজে গেছে। বিকাল থেকে শান্ত কুটিরের কাছে থাকার ইচ্ছা। তাই আজকের মত খোঁজার ইস্তফা দিয়ে ওরা তালহার নানু বাড়ি ফিরে গেলো। সকালে খেয়ে বের হয়েছিলো ওরা। ঘুরতে ঘুরতে দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেছে এখনও দুপুরের খাবার পেটে পড়েনি ওদের। হাত-মুখ ধুয়ে দুপুরের খাবার খেতে বসে গেলো। খাওয়া দাওয়া শেষ করে আরও কিছু শুকনা খাবার, তিনটা চেতনানাশক ওষুধ ভর্তি বোতল, একটা রেকর্ডার, আরও টুকিটাকি ছোটখাটো প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ওরা পোড়োবাড়ির উদ্দেশে রওনা হলো। তালহার নানার মান্ধাতা আমলের গাড়িটা এখন ওদের কাজের সঙ্গী হবে।
সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে ওরা পোড়োবাড়িতে পৌঁছালো। মাগরিবের নামাজ আদায় করে নিজেদের কার্যক্রম শুরু করে দেয়। গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি পাশের গলিটাতে ঢুকে পড়ে। ড্রাইভারকে নিরাপদ জায়গায় গাড়ি রেখে ওদের কলের জন্য অপেক্ষা করতে বলে। দেবদারু গাছ ঘেরা ঝোপের মধ্যে দিয়ে ওরা সামনের দিকে এগোতে থাকে। রাস্তার মোড়ে যেখানে রাস্তাটা বাঁক নিয়েছে সেখানে গিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে আশপাশটা বোঝার চেষ্টা করে। চারিদিক শুনশান, কোন মানুষের সারাশব্দ নেই। প্রায় বিশ মিনিট অপেক্ষা করার পর তালহা বলল, প্রথমে আমি বের হয়ে শান্ত কুটিরে ঢুকে পড়বো। আমার যাওয়ার দশ মিনিট পর যায়িদ বের হবি। তুই ঐ একতলা বাড়িটার কাছে গিয়ে দেখবি ওখানে কেউ আছে কিনা। খুব সাবধানে যেতে হবে। ওরা আমাদের যদি আমাদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে তাহলে আমাদের জন্য অবশ্যই ফাঁদ পেতে রাখবে। আর যদি ছোট ভেবে গুরুত্বহীন মনে করে তাহলে তাহলে সেটা আমাদের স্বস্তির কারণ হবে। আমরা চলে গেলে মুসায়েব রাস্তার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবি। ওদের আজকেই মেয়েগুলোকে নিষিদ্ধ পল্লীর লোকদের কাছে হস্তান্তর করার কথা। আমার ধারণা ওরা এখনও আসেনি। কারণ ওরা আসলে ওদের সাথে কোন গাড়ি থাকবে নিশ্চয়। গাড়ি নিয়ে আসলে ওদেরকে এই রাস্তাটাই ব্যবহার করতে হবে, এর বিকল্প কোন রাস্তা নেই। ওরা আসলেই তুই আমাদের সতর্ক বার্তা পাঠাবি। কথাগুলো বলে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভেতরে চলে গেলো তালহা।
খুব সাবধানে নিঃশব্দে শান্ত কুটিরের ভেতর প্রবেশ করলো ও। সিঁড়ি দিয়ে সোজা নিচে নেমে গেলো। আজকে আগের দিনগুলোর মতো কোন মিউজিক শোনা গেলোনা। তবে গন্ধটা আছে। ও যত নিচে নামতে থাকে ততই গন্ধটা প্রকট হতে থাকে। তালহা একেবারে ভেতরে না ঢুকে পিলারের পেছনে থেমে থেমে ঢুকতে থাকে। আজকে আসার সময় ও একটা তালা সাথে করে নিয়ে এসেছে। ৩ নং ঘরের তালাটা বদলে এটা লাগিয়ে দিবে। করিডোরের মাঝ বরাবর একটা মোটা পিলারের পেছনে দাঁড়িয়ে চারিদিকে সতর্ক দৃষ্টি ফেলে দেখতে লাগলো কিন্তু বেশি সময় নিলোনা। যেকোন সময় লোকগুলো এসে পড়বে। পিলারের পেছন থেকে বের হয়ে ৩ নং ঘরটাতে যেখানে যায়িদ আর মুসায়েবকে আঁটকে রেখেছিলো সেটার সামনে চলে গেলো। দরজাটার তালাটা খুলে ভেতরে ঢুকে পড়লো। ঢোকার সময় দরজার উপরে লাগালো সিসি ক্যামেরাটা তালহার নজর এড়ায়নি। আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিলো এমন কিছু করবে ওরা। কারণ তথ্য-প্রযুক্তির এই অবাধ প্রসারের যুগে এসে ওরা যখন বুঝতে পেরেছে ওদের আস্তানায় মানুষ ঢুকে পড়েছে তখন এই ধরণের সতর্কতা অবলম্বন না করাই বোকামী। তালহা একটা রঙিন কাগজ লাগিয়ে ক্যামেরাটা ঢেকে দিলো। লোকগুলো আজকে মেয়েগুলোকে নিয়ে যাবে তাই আজকে ওদের এদিকে আসার কথা না। এই ঘরটার বিপরীত দিকে করিডোরের শেষ মাথার কোন একটা ঘরে মেয়েগুলোকে আঁটকে রাখা হয়েছে সম্ভবত। সদর দরজা দিয়ে ঢুকে এদিকে তাকিয়ে দরজাটা খোলা দেখলে সন্দেহ করবে। তাই তালহা দরজাটা ভেতর থেকে আঁটকে দিলো। অন্ধকারে এদিকে তাকালে দরজাটা বাইরে না ভেতর থেকে বন্ধ সহসা বুঝতে পারবেনা। আর তাছাড়া মুসায়েবতো আছেই। ওরা আসলেই ওদেরকে সতর্ক করে দিবে। তখনই এখান থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাবে তালহা। তাছাড়া এই ক্যামেরা যদি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকে তাহলে খুব সহজেই ওরা ওর অবস্থান টের পেয়ে যাবে। তখন ওকে ধরে ফেলার জন্য লোক চলে আসবে। তাই তালহাকে খুব দ্রুত কাজ সারতে হবে।
ঘরটার ভিতর ঢুকে মেলামাইন বোর্ডের দরজাটা খুলে ওর সাথে লাগোয়া ঘরটাতে ঢুকে পড়ে তালহা। সম্পূর্ণ ঘর জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার বিরাজ করেছে। পিঠে ঝোলানো ছোট ব্যাগটা থেকে টর্চ লাইটগুলো বের করে ঘরের চারদিকে চারটা সেট করলো। আজকে এই ঘরের ঢোকার পরিকল্পনা করেছে বিধায় এতোটা প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে ও। ক্যামেরাটাও সেকারণে সাথে করে নিয়ে আসা। ঘরের চারিদিকে চোখ মেলে দেখলো কোন হিডেন ক্যামেরা লাগানো আছে কিনা। না তেমন কিছুই চোখে পড়লোনা। টর্চের আলোয় ঘরটা মৃদু আলো আলোকিত হয়ে উঠলো। দেওয়াল ভর্তি ছবিগুলো দেখতে লাগলো তালহা। সবগুলোর ছবি তুলে নিলো। গত পরশু অপহৃত মেয়েগুলোর ছবি সম্বলিত পেপার কাটিং সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলো তালহা। দেওয়ালের ছবিগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখলো। নাহ্ এখানে এদের কারোর ছবি নেই। তাহলে এই মেয়েগুলো কারা? কেনইবা এদের ছবি তারিখ সহ এই ঘরের দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে? এমন নানা প্রশ্ন তালহার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগলো। ঘরের এক কোণে হেলান দিয়ে রাখা রাখা দুইটা পোট্রেট চোখে পড়লো। দুইজন রমণীর ছবি। ওগুলোরও ছবি তুলে নিলো তালহা। খুব দ্রুত কাজগুলো সেরে ওখান থেকে বের হয়ে দরজায় তালা লাগাতে যাবে তখনই মোবাইলে টুং করে আওয়াজ হলো। নিশ্চয় মুসায়েব সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছে। মোবাইলটা চেক করে দেখলো ওর ধারণাই ঠিক। দ্রুত মেসেজটা পড়ে নিলো। একটা মাঝারি আকারের মাইক্রো ভাড়া করে নিয়ে এসেছে লোকগুলো। তালহা কালক্ষেপণ না করে দ্রুত দরজাটায় তালা মেরে একটা পিলারের পিছনে ঘাপটি মেরে বসে থাকলো। পিলারের আড়াল থেকেই চারটা লোককে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখলো। একজন লোককে হন্যে হয়ে ৩ নং ঘরটার দিকে যেতে দেখা গেলো। উৎকণ্ঠা নিয়ে লোকটা ঘরটার কাছে গিয়ে দরজায় তালা লাগানো দেখে আবার ফিরে এসে কাউকে ফোন করলো। ওপাশ ফোনটা রিসিভ হলে বলল, স্যার ৩ নং ঘরের দরজাটাতো তালা লাগানো, কেউ ঢোকেনি। আপনি অকারণ চিন্তা করছেন। ঐ ছোট ছোট বাচ্চাগুলো কীইবা করবে আমাদের? হঠাৎ হাসি বিলীন হয়ে লোকটার মুখটা চ-এর মত হয়ে গেলো। বলল, আচ্ছা স্যার দেখছি। কথাটা বলে লোকটা দৌড়ে গিয়ে ক্যামেরাটা দেখতে লাগল। হাত দিয়ে ক্যামেরার গায়ে লাগানো খুলে দিলো। আবার কাউকে ফোন করে বলল, স্যার ক্যামেরার গায়ে একটা কাগজ লাগানো ছিলো। ওটা খুলে দিয়েছি। এখন ছেলেটাকে খুঁজে বের করবো? ঠিক আছে বলে ফোনটা রেখে দিলো লোকটা। দৌড়ে করিডোরের শেষ মাথায় অন্য লোকদের কাছে চলে গেলো। লোকটা আবার ফিরে আসবে। তাই এই অল্প সময়ের মধ্যেই তালহাকে এখান থেকে পালাতে হবে। চারিদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখে তালহা পিলারের আড়াল থেকে বের হয়ে দ্রুততার সাথে বাইরে চলে আসলো। ড্রাইভার চাচাকে বার্তা পাঠিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলে মুসায়েবকে গলির রাস্তার অবস্থা জিজ্ঞাসা করে একটা মেসেজ পাঠালো। ‘আপাতত মাইক্রো ড্রাইভার ছাড়া এখানে কেউ নেই। আমি ওকে চেতনানাশক দিয়ে সাময়িক অজ্ঞান করে রেখেছি।’ মেসেজটা পড়ে তালহা ভাবলো ভিতরের লোকগুলো বের হওয়ার আগেই ওদেরকে এখান থেকে চলে যেতে হবে নইলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। যেই ভাবা সেই কাজ। গলির দিকে এগোবে তখনই ভেতর থেকে লোকগুলোর কথা কানে আসলো। তার মানে ওরা এখন বের হচ্ছে। তালহা খুব দ্রুত দেবদারু গাছের আড়ালে ঢুকে পড়লো।
চলবে2 Comments
Friends
Shoriful Shoron
@shoriful-shoron
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
Morsalin Islam Shouradip
@morsalinshouradip
জাস্রা জুমান
@nmafin4gmil-com
Hijbullah hiju
@hijbullah
মোঃ রিদওয়ান আল হাসান
@mridwanalhasan
মাহ্দী সাকিব
@mahdi-sakib
Md.Emamuzzaman Wahedi
@emamuzzaman
ইফতিশা খানম
@eftishakhanam

অনেকদিন পর পেলাম। অনেক শুভকামনা।