-
পৃথিবীর ইতিহাসে বিনোদন কর্মীরা কখনই সামাজিকভাবে সম্মানিত কিছু ছিলনা যতটা এখন আছে। উদাহরণস্বরূপ আগেকার যুগে রাজাদের সামনে যেসব বায়েজিরা নাচগান করে বিনোদন দিতো কিংবা কয়েকদশক আগের যাত্রাদলের কর্মীদের কথা ভেবে দেখতে পারেন। আদর্শিক কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তাদের গোনায় ধরা তো দুরের কথা,বরং সামাজিকভাবে এরা ছিল নিম্নস্তরের অসম্মানিত লোক।
এখন মিডিয়ার কল্যানে এরাই হয়ে গেছে সবথেকে ইনফ্লুয়েন্সিয়াল। মানুষ এদেরকে হিরো ভাবা শুরু করেছে। অথচ এরা বিনোদকর্মীর থেকে বেশি কিছু নয়। এরা কেউ স্কলার নয় কিংবা দার্শনিকও নয় যে এদের কোন কাজ বা কথার বিশেষ গুরুত্ব থাকতে পারে। বরং এদের থেকে জ্ঞান/আদর্শ খুজতে গিয়ে আমরাই উলটা সেই জ্ঞান/আদর্শকে অপমানিত করছি। সমস্যা ওদের না,সমস্যা আমাদের। আমরা ভুল জায়গায় ভুল জিনিস খুজছি। ওদের কাজকর্ম বা মতামতকে পাত্তা দেয়াটাই আমাদের আত্তসম্মানে বাধা উচিৎ।1 Comment
Hope is the good thing, May be the best of all things, And good things never die
Nur
Friends
মিথিলা কনক
@methila06
ইকবাল আহমেদ
@iqbal
Araf-Mahmud
@araf-mahmud
nomanur-rahman
@nomanur-rahman
Rehana Akter
@rehana-akter
Md-Maruf-Hasan
@md-maruf-hasan
Jannatul Ferdausi
@ferdausi
Arif Muslimeen
@arif-muslimeen
আব্দুল মজিদ মারুফ
@abdulmojid


পুরোপুরি ভাবে একমত হতে পারলাম না। বিনোদন যারা দিয়ে থাকে তারা হয়ত স্কলার বা দার্শনিক নয় তবে তারা একদম ফেলনা নয়। কয়লার খনিতে যখন হীরক খন্ড থাকতে পারে তখন মানুষের মনের গভীরে যে রত্ন লুকিয়ে আছে তার খবর আর ক’জনাই পাই।