-
ক্রমান্বয়ে মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে কাঁচা বাজার। অস্তিত্ব টিকাতে হলে শহর ছাড়তে হবে -নয়তো বাঁচতে হবে অসত উপায় অবলম্বন করে।
যে কোন মাছ কিনতে গেলে ৩০০ টাকার নীচে কেজি নেই। নতুন আলু -৬০টাকা। রমজানেও শসা ৬০টাকা ছিল সে শসার কেজি এখন ১০০টাকা। ভরা মৌসুমের টমোটোর কেজি ৬০/৭০ টাকা থাকে সেটা এখন ১২০টাকা। যে কোন তরকারী কেনেন -৬০ টাকার নীচে কেজি নেই।
এত সব বাম্পার ফলন আর খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা -এরপরও চালের কেজি ৫০টাকা থেকে ৭০ টাকা। ভাতের পরিবর্তে যে আটা খাওয়া শুরু করবেন তারও উপায় নেই -কারণ আটার কেজি এখন ৭৫/৮০ টাকা।
উত্তরবঙ্গে বাতাবী নেবুর সাথে চিনির যে গন জাগরণ উঠেছিল সেটা মনে হয় থেমে গেছে।
চিনির কেজি এখন -১১৫ টাকা। সারা জীবন দেখে আসলাম গুড়ের দাম কম থাকে। স্বপ্ন দেখতে দেখতে সেটা এখন -১৪০টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। তৈল ছাড়া খাওয়ার রেসিপিটা মানুষ রপ্ত করতে পারেনি বিধায় ওটা আবার ১৯০ টাকা।
এতসব চাপের মাঝে মাফিয়াদের কোন টেনশন নেই। কারণ তাদের পুষ্টিকর খাবারের জন্য ব্যাংক ,বীমা ,তৈল,গ্যাস, পেট্রোল ডিজেল -সব আছে। শুধু ভালো নেই মধ্যবিত্তরা ।
তাদের আয় বাড়ছে না কিন্তু খরচ বেড়ে যাচ্ছে উন্নয়নের জোয়ারের গতির চেয়ে ০৫ ফিট উপর দিয়ে। স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ১০ ডিগ্রী উপরে।6 Comments
Friends
Balai-Karmokar
@balai-karmokar
Shafi Hoque
@shafi-hoque
শাহারুখ আহমেদ শান্ত
@shaharukh83
Shubha-Jit-Datta
@shubha-jit-datta
Rokail Diluk
@diluk
nomanur-rahman
@nomanur-rahman
রাহুল চন্দ্র দাস
@rahulchandradas13011994gmail-com
Md-Maruf-Hasan
@md-maruf-hasan
ফারজানা সুলতানা সুরভী
@oddeven



মানুষ মানুষের জন্য এক্টু সহানুভুতি কি পেতে পারে না?