Profile Photo

Md. Mynuddin HawladerOffline

  • mynuddin
  • Profile picture of Md. Mynuddin Hawlader

    Md. Mynuddin Hawlader

    3 years, 6 months ago

    অবসর (গল্পের অংশ বিশেষ)
    মো: মাঈনউদ্দিন
    কিন্তু ওর ঐ একটি অস্ফুট ভাব গভির বেদনার মত আমার অন্তরে প্রোথিত হইয়া যায়। শত চেষ্টাকরিয়াও ঐ ব্যথাটুকুরে নির্মুল করিতে পারিনাই। সাতটি বছর গত হইলো কত সৃতি কত ঘটনার ভিতর দিয়া গেছি কত কিছুর মনমুগ্ধকর ধারা হৃদয়ের অস্টোকোঠরে প্রবেশ করিয়াছে কিন্তু মনিকোঠায় কিছুই পৌছাইতে পারেনাই। যে বাস্তবতার শিক্ষা, জীবন ধারার শিক্ষা, সমাজবোধের শিক্ষা আমাকে তিলে তিলে দারকরিয়েছে সেই সকলকিছুই অলিক আপেক্ষিক মনে হইতে থাকে। অনেক অর্থবৃত্ত অর্জন করেছি সামাজিক মূল্যবোধের জায়গায় পৌছেছি যাহার জন্য ব্যগ্রোহৃদয় হাহাকার করিতো তাহার সবিই পাইলাম তার পরও অন্তরস্থিত গুপ্ত ব্যথাটুকু সরাইতে পারিনাই। 7 বছর শেষ হইলে আমি ফিরিয়া আসি। ঢাকা শহরে আগে যেই সংকির্ন অগোছালো রাস্তাগুলো দেখিয়া গিয়াছি আজ আর সেগুলি নাই অবারিত বক্ষবিস্তার করিয়া দিগ্বিদিক একে অপরকে মুষ্টিবদ্ধ করিয়া আরো দ্বির আরো প্রাঞ্জল ভাবে শহরটির এক অনবদ্য রুপ সৃজন করিয়াছে। শুধু আগের যে পথের ধার, পার্কের পাশ, কিংবা খুপরি দোকান বলিয়া যে যায়গাগুলোকে সম্বোধন করা হইতে সেই গুলি নাই। সবধুলিসাৎ হইয়া গিয়াছে। কিন্তু না কিছু কিছু প্রকৃতির কোন পরিবর্তন হয়নাই বরং তাহার লাবন্যে সমস্তসহর ভরিয়া উঠেছে। কোকাকোলা হইতে বিশ্বরোড পর্যন্ত যে সবুজ অ্যরোট গাছগুলোকে দেখিতাম তাহা আজ পুরোঢাকার সোভাবিস্তারে ব্যবহার করা হইতেছে। খুব ভালো লাগিল যে স্থানটার তরুলতা আমার হৃদয়ে প্রোথিত হইলো তাহার বিস্তার সর্বময় দেখিয়া যার পরনাই আনন্দিত হইলাম। সন্ধা 7টা সেই ব্রেকটাইম গারি ধিরে ধিরে নতুন বাজার অতিক্রম করিলো আগেরমত কিছুই চোখে পরেনা সব কিছুই নতুন। হাতের বামপার্শ্বের যে সংকেতটি আমার ছিল আজ তাহা নাই। রাস্তা চেনাযায় কিন্তু সংকেতাংকিত স্থানটুকু চেনা যায়না। নতুন বাজার হইতে কোকাকোলার দিকে চাইলে অবারিত আকাশ তলে নত মস্তকের ভবন গুলো আজ আর ছোট নাই। এক একজনের শির-ঘার উন্নত হইয়া শহরাভিমুখের স্নিগ্ধ কোমল চাদের আলোকে রুখিয়া দিতেছে। একমুখি রাস্তাগুলি ফোরলেন হওয়াতে চলন্তগারি হইতে ডিভাইডারের রেখাগুলোর দিকে তাকাইলে মনে হয় একটি তেজালো সার তার বড় বড় অক্ষিগোলকের হিংস্রোতা লইয়া রুক্ষভাবে ছুটিতেছে। আমরা ছোটবেলায় যখন ডানোর ডিব্বগুলি দিয়া গারি চালাইতাম তখন ডিব্বার নিচের গোলাকৃতির রেতিকরা রেখাগুলি দেখিলে যেমন মনে হইতো ঠিক তেমন।
    ধিরে ধিরে সামনে এগুতে থাকি এখানকার হাওয়া বাতাসে বহুকাল চাপাপরা সৃতিগুলো ভাষ্মর হইয়া উঠিতেলাগিল। সেই সময়কার এলডিইডির ডিভাইডারের রেখাগুলি এখনো আছে, গাইড ওয়ালে গ্লামার ওয়ার্ডের এডটা এখনো আছে শুধু সময়ের প্রভাবে ধুসর হইয়া গিয়াছে। সরকের সমতল বুকখানি আপনার ভিতর কি যেন রোমাঞ্চের অর্বুদ ফাসিয়া উচু হইয়া ছিল আজও ঠিক তেমনি আছে। দুইধারে সিটিকর্পোরেশনের ড্রেনের ভাঙ্গাচোরা ক্যাচা ক্যাচা স্লাবগুলো দাতভাঙ্গা রাক্ষুসির মত এখনো হা.. করিয়া আছে। যায়গাটিতে আসিলেই একটা অদ্ভুত অনুভুতি অনুভব করিলাম। সেই বটগাছ সেই সিতল বাতাস এখনো লাগে। চতুর্পাশের পরিবর্তনের ধারাগুলি মহাসরক হইয়া, আইলেনার হইয়া, বিলবোর্ড হইয়া চতুর্দিকে দৃশ্যমান হইয়াছে কিন্তু এই বটগাছটির একটুও পরিবর্তন করিতে পারেনাই। স্পস্ট বোঝাযায় অনেক ঝড় ঝঞ্জাকে মোকাবেলা করিয়া সে তার যায়গাই স্থির অবিচল হইয়া টিকিয়া আছে।
    (সংখেপিত)

    7
    4 Comments
Skip to toolbar