Profile Photo

Md. Mynuddin HawladerOffline

  • mynuddin
  • Profile picture of Md. Mynuddin Hawlader

    Md. Mynuddin Hawlader

    3 years, 8 months ago

    প্রাইভেট মাষ্টার
    মো: মাঈনউদ্দিন

    পিংকি,চেরি, অর্কষ্ট্রা ও আন্টি ঘোরতর অপমান করে রহমানকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। রহমান এমনিতেই সম্মান রক্ষা করে চলে তার পাবলিকলি অপমানের কারনে সে প্রচন্ডরকমের মানষিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পরেছে। যারা তাহাকে যথেস্ট ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে যানিত তারা সকলেই কেমন যেন আশ্চর্য রকম ভাবে আর চোখে দেখতে শুরু করছে। এই মানষিক যন্ত্রনা সইতে না পেরে সে নিজেকে বদলানোর জন্য একটি আশ্চর্য রকম সিদ্ধান্ত নিয়া বসিল। সে মনে মনে ভাবিল যাকে যেভাবে সন্তুষ্ট করা যায়া সে তার সাথে সে ভাই ব্যবহার করবে সে হোক ভালো কিংবা মন্দ। এই সিদ্ধান্ত রহমানেকে নতুন জীবনাচরন দান করলো সে সবার কাছেই ভালো পাত্র হিসেবে আস্তে আস্তে আবার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠলো। মানুষ তাকে আবার নতুন করে ব্যপক ভাবে গ্রহন করতে শুরু করলো। সময়ের পরিক্রমায় রহমান আবার পিংকিদের বাসার লজিং মাস্টার হিসেবে চাকরি নিল। যে রহমানকে তারা বিরক্তিকর, একগুয়ে বলে জানতো যার যে মানুষটার চোখের ভাষা বোঝার ক্ষমতা নাই তাকে ওদের কাছে যন্ত্রনা দায়ক লাগতো আজ তারি চোখের ভাষা তাদের কাছে পরম প্রশান্তির লাগতেছে, দেহভাব বেশ আবেশি, প্রলুব্ধ লাগতেছে। রহমানের এই পরিবর্তিত রুপ ঘরের সবার কাছে বেশ গ্রহনযোগ্যতা পাইলো তাই সকলে তাকে স্বাদরে গ্রহন করলো। আজ রহমান ঘরে ঢুকিলে ভাবগম্ভিরভাবে সম্ভ্রান্ত রুপে সালাম করেনা বেশ স্বতস্ফুর্ত ও কৌশলি ভঙ্গিমায় মেনেজ করিয়া কথা বলে। কাকিমাকে হাসি হাসি মুখে আন্টি বলিয়া কাকাকে আঙ্কেল বলে আর সবাইকে হায় হ্যেলো বলিয়া মেনেজ করে।
    আজ প্রথম দিন একটি টি সার্ট আর একটি ট্রাউজার পরে চাকরিতে রওনা দিল। বাসায় পৌছিলে চেরি বলিল ওয়ায়ায়াও দারুন লাগছে আপনাকে স্যার। আগে আমরা স্যারদের সম্মান করতাম সালাম দিয়ে শ্রদ্ধাভরে আর এখন স্যারদের সম্মান করে ওয়াাাাাও দিয়ে রোমাঞ্চভরে। সার্টের কার্তুজ ধরিয়া একটু নিচে টানার ভঙ্গিতে পারফেক্ট স্টাইলে রহমান বললো হেব্বি তাইনা। চেরি ট্রাউজারটির দিকে কয়েকবার তাকিয়ে বেশ খিদি খিদি ভঙ্গমায় আরচোখে একবার চেয়ে বাসার ভিতরে চলে গেলো। আন্টি, পিংকি, অর্কস্ট্রা রহমানকে দেখে এমন ভঙ্গিতে সামনে দারিয়েছে স্পষ্ট বোঝাগেল যে তাদের সবারি বেশ মনপুত হয়েছে। অর্থৎ রহমানের স্ট্যাটাসটা তাদের পর্যায় এসেছে। আন্টি বললেন হেই তুমিতো বেশ স্মার্ট তাহলে আগে এমন ভাবে চলতে কেনো দেখতে ভালো লাগতোনা। এখন মনে হয় আমাদের ফ্যমিলিতে তুমি পারফেক্ট। রহমান বেশ মেচিউরড ভঙ্গিতে বললো নতুন শহরেতো তাই অনেক কিছু শিখতে হয়ছে। শহরে যে সবার চোখে চোখ রেখে কথা বলাটা কত বড় মেচিউরিটি আমি সেটা আগো বুঝিনাই। আন্টি বেশ অর্থবহ ভাবে বললেন ইয়েস, গো এহেড। শহর রহমানের চোখ দুটিকে এমনভাবে বদলে দিয়েছে যেন একটি সাদা কাগজ অপর চোখে যখন যে ছবি দেখে তারি ছাপ পরে যায় বোঝাযায় যে ও চোখ কি বলছে। রহমান এগুলো আগেও বুঝতো কিন্তু কেউ পাছে বুঝে ফেলে যে সে বোঝে তাই নিজেকে ভদ্রতার আরালে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করতো কিন্তু নব্যশহরিয়া হালচাল দেখে ও বুঝতে পারলো নিজেকে লুকিয়ে রাখাতো চরম বোকামি এখানে তাই একটু মেলে ধরতে চায় প্রকাশ করতে চায় যে আমিও তোমাদের চোখের ভাষা বুঝি। শহরে যে চোখে চোখ রেখেই চলতে হয় চোখের ভাষা না বুঝলেতো চলেনা। চোখে চোখ রাখা বলতে সাহসিকতাকে বোঝাতে চাচ্ছি। আজ প্রাইভেটের প্রথম দিন তাই পরার কথাবার্তার বদলে মেকাপ ড্রেসআপনিয়েই বেশি কথা হল আর পরিচয় ওদের আগও ছিল রহমান ওদের গত বছর পরিয়েছিল তাই পরিচয়ের আলাপ তেমন হয়নাই।
    (সংখেপিত)

    6
    2 Comments
Skip to toolbar