-
না চাইলেও এমন অনেক কিছুই আমাকে করতে হয়েছে এই এক জীবনে। জীবন সম্পর্কিত আকাঙ্ক্ষা ও শ্রমের অসামঞ্জস্যতাহেতু এই গ্লানিগুলোতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছি আমি। সিরিয়াসনেসের অভাব মানবসমাজে আমাকে পদদলিত করেছে বারেবারে। চাকরিটা আমি শুরু করেছি হঠাত। আমার করার মত কিছুই ছিলো না সামনে। ছিল শুধু নিঃশ্বাস রুদ্ধকর অসীম মানসিক চাপ।
চাইনিজ কুরিয়ার সার্ভিস। হংকং, চিন, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশের পোশাক শিল্প সম্পর্কিত পণ্যগুলোর আদান প্রদান- মূলত আমদানি রপ্তানির মাধ্যম হিসেবে আমাদের এক্সপ্রেস সার্ভিস কাজ করে থাকে। কাস্টমস এর কিছু কিছু ব্যাপারের সাথে পরিচিত হওয়া ছাড়া কিছুই ঘটেনি আমার এখানে এসে। কোথাও জীবন যাপন শুরু করলে সেখানকার বাস্তবতা স্বভাবতই আমাকে চেপে ধরে। এখানেও তা-ই ঘটেছে। অপরিচিত লোকজন পরিচিত হলো, কথাবার্তার মধ্য দিয়ে কারোর কারোর জীবনের কিছু কিছু ব্যাপারকে জানতে পারার পাশাপাশি তাদের জীবনের সাথে আমার জীবনও কমবেশি জড়িয়ে গেলো- এ-ই যা লাভ! লাভ এই কারণে যে মানুষের আরেকটু কাছে যাওয়ার সুযোগ ঘটেছে আমার। দেখতে পাই কী অপরিসীম যাতনা, পরাধীনতা, গ্লানিবোধে আক্রান্ত মানুষ। টাকা ছাড়া আর কোন ভাবাবেগের উপলক্ষ্য এখানে নেই।
অসুখী, অসন্তুষ্ট জীবন নিয়ে দূরদেশে প্রায় পড়ে আছে অনেকেই। বিরাট অংকের টাকা মাসে মাসে পাওয়া যায় না; জীবন চালানোর মতো জুটে। সেটাই পরম পূজনীয় বস্তু হয়ে আছে আমাদের সকলের জীবনে। মানুষ মানুষকে টাকা কামানোর উৎস ছাড়া আর যেন কোনভাবেই দেখতে চায় না। এই ধারণা, ধারণার বশবর্তী আমার বাবাই আমাকে নিয়ে করে থাকে- আত্মীয় পরিজনকে দোষ দেয়ার কী আছে!
পরিবারের আয়রোজগার ছিল বরাবরই অনিশ্চয়তায় পূর্ণ। যা আমার চিন্তাধারাকে তৈরি করেছে বলা যায়। আমার সামগ্রিক জীবন কাঠামো হয়েছে হালকা মেজাজের। কোন ভারিক্কী চিন্তা বা সংহত রুচির কাঠামো আমাতে নেই। মধ্যবিত্ত ছাঁচে ঢালা অভ্যাস কিছু আছে। মধ্যবিত্ত পরস্পরের জীবনকে ঘৃণা করে। আমিও করে থাকি। বলা আবশ্যক, অর্থনৈতিক সমাজ কাঠামোতে আমি ও আমার পরিবার মানবেতর। বিত্তহীন। কোন স্থাবর সম্পত্তি, বাড়িঘর বা কোনরকমের জমিজমা আমদের এক ইঞ্চিও নেই।
অথচ মানসিক গড়ন কিছুটা আমার হয়েছে মধ্যবিত্তের অনুরূপ। এর পিছনে অনেক ইতিহাস, অনেক পুঞ্জীভূত ঘটনা থাকা স্বাভাবিক। সর্বশেষ ইউনিভার্সিটির জীবন যাপনের কথা বলতে হয়। যাই- হোক, চাকরিটা আমি শুরু করেছিলাম খুব হঠাত।
মা বাপ টঙ্গীতে থাকে; শ্রমজীবী মানুষ। ভাইরাসজনিত অনিশ্চয়তায় লকডাউনে সিকিউরিটি গার্ড বাবার চাকরিটা চলে গেছে, মায়ের সুবিধাজনক বেতন ভাতার চাকরিটাও আর নেই। বাবাকে দেখি সারাদিন ঘরেই পড়ে থাকতে। ছেলেবেলা থেকেই দেখে এসেছি মায়ের কোন বিশ্রাম ছিলো না, এখনো দেখি তাই চলে। যৎসামান্য অর্থকড়ি আসে এমন একটা অস্থিতিশীল চাকরি মাকে করতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে। টঙ্গী শ্রমিকের এলাকা। আমার নিজের শৈশব কেটেছে যে গ্রামে সেই গ্রামের ও আশেপাশের অনেক গ্রামের অনেকেই জমিজমা খুইয়ে, মহাজনী ধারদেনায় পড়ে, কেউ কেউ আরেকটু স্বচ্ছলতার আশায় কিংবা কেউ সামনে মেয়েকে বিয়ে দিতে হবে সেই খরচের ধাক্কা সামাল দেয়ার উপায়ন্তর না দেখে এখানে এসে পড়ে আছে। গ্রামের তুলসিতলা, কৈবর্ত্যের নানা পার্বণ, গরু ছাগল হাস মুর্গি, বিভিন্ন দেবদেবীর সন্তুষ্টি ও শাপ- সমস্ত অগ্রাহ্য করে তারা উদ্বাস্তুর মত টঙ্গীতে এসে পড়েছে। গ্রামে বছর বছর ধান ও অন্যান্য শস্যের চাষাবাদ হয়ে ওঠেছে বিরাট ক্ষতির ব্যাপার। কর্মহীনতা, বন্যা ইত্যাদি মূর্তিমান রাক্ষসের মত এসে কপালে করাঘাত করে গেছে যাদের তারা আজ সব কৃষি বাদ দিয়ে কারখানা শ্রমিক সেজে আছে। অধিক রোজগারের চেয়ে বরং জীবনধারণের অভ্যাসেই তারা পরিচিত ক্ষুদ্র, কুসংস্কারে জর্জরিত যার যার শিকড় ফেলে শহরের বস্তিতে এসে আস্তানা গেড়েছে। যদি তারা প্রত্যেকেই গ্রামের বড় কৃষক হতো, একজনও তাইলে এ পথ মাড়াতো না। আমি তাদের বস্তিতে মাঝেমাঝে যাই- মা বাবাকে গ্রামের পরিচিত, শহরের অপরিচিতদের সাথে বেচেবর্তে থাকতে দেখি অনেকের ভীড়ে।
কোম্পানির অফিস থেকে দশ মিনিটের হাঁটাপথ পার হয়ে একটা ঘিঞ্জি বিল্ডিঙে আমরা কর্মচারীরা থাকি। ব্যাচেলরদের মেসের মত বিরাট মেস। দোতলায় খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা আছে। নানা কিসিমের লোকজন থাকে একেকটা রুমে। জীবন সম্পর্কিত তাদের ধারণাগুলোর কিছুটা তাদের আচরণ থেকে বোধগম্য। তবে টাকাই যে ঈশ্বরের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ও সমকক্ষ এ বিষয়ে মতান্তর ঘটে না। চাইনিজ এই কুরিয়ার সার্ভিসের এজেন্টশিপের মালিকের বাড়ি নোয়াখালি। আমরা যে বিল্ডিঙে থাকি সেখানকার লোকজনের বিরাট অংশের বাড়ি নোয়াখালিতে। জনৈক মামা, আমি ও আরো তিনজন গাদাগাদি করে চারতলার একটা রুমে থাকি। আমার রুমমেটদের সবার বাড়ি নোয়াখালিতে। আমাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ জীবনাচরণকে উপেক্ষা করে খিটমিটে মেজাজ নিয়ে প্রত্যেকেই বেঁচে আছি। খুঁটিনাটি নানা বিষয়ে মতান্তর হয়ে থাকে কোম্পানির লোকজনের মধ্যে। শুক্রবার ও অন্যান্য ছুটির দিনগুলো খুব অসহনীয় লাগে আমার। ঘন্টার পর ঘন্টা টেবিলে বসে থাকি খাতা কলম নিয়ে। এ ব্যাপারেও দেখা যায় অনেকের আপত্তি আছে। অর্থনৈতিক সুবিধা নেই এ ধরণের পড়ালেখায় মামার এলার্জি বর্তমান। তার কাছে আমার এ লেখালেখি বা শুধু অকারণে বসে থাকাকে দূর্বোধ্য ও বিরক্তিকর লাগে। কৈশোরে যখন ছড়াটাইপ কবিতা লেখার এবং প্রায়শই অপাঠ্যগ্রন্থগুলো স্কুলের বইয়ের ফাঁকে লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করতাম, বাবার কাছেও আমার এই ব্যাপারগুলোকে আদিখ্যেতা মনে হতো।
আমি একা থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি যে কোন পরিস্থিতিতে। চব্বিশ ঘন্টা কারো না কারো উপদেশ, বিরক্তি, ভালোবাসার ঘূর্ণিজালে পতঙ্গের মতো আটকে থাকা আমার সবিশেষ অপছন্দ। অনেক অসহায়ত্ববোধ, রাগ ক্ষোভ উত্যুঙ্গে পৌঁছালে তখন বাইরে গিয়ে চা বিড়ি খাই। স্বাধীন যাপনের কথা মাঝেমাঝে ভাবি। কোন একটা স্বাধীন পেশায় যুক্ত হই নি এখনো তাই ভেবে ভেবে নিজের উপর খুব রাগ হতে থাকে মাঝেমাঝে।
আমি প্রকৃত প্রস্তাবে একজন দ্বিধাদীর্ণ মানুষ। ফলে কবিতা লেখা বা সরকারি বেসরকারি কোন একটা পেশাজীবন বেছে নেয়া আমার দ্বারা সম্ভব হয় নি। কোন অভ্যাস বা চেষ্টার প্রতিও আন্তরিকতা নেই। ফলে ঈর্ষা ও দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে পড়ে, অন্যের সদুপদেশ অন্যের পরামর্শ অন্যের রুচির অনুসারে নিজের অনন্য সত্তাকে নষ্ট করতে হচ্ছে। এই অপচয়বোধ থেকেই আমার যাবতীয় ট্র্যাজেডির জন্ম।
মাঝেমাঝে মনে হতে থাকে জীবনটা ফুরিয়ে গেছে। এই ফুরিয়ে যাওয়ার অনুভবে আক্রান্ত আমি ভবিতব্যের কিছুই ভাবতে পারি না। বিগত সুখদুঃখের জর্জরিত এক জীবনের আলো খেলে চোখে। ভয়ানক অমাবস্যার রাতে পুরনো মন্দির থেকে দীপাবলির রাতে মোমবাতি চুরি করে আনার রোমাঞ্চগুলোকে মনে পড়ে। পৌষ সংক্রান্তির গ্রামটাকে ভাবি। ভোলা সংক্রান্তির কুশপুত্তলিকা, তিল্লাসংক্রান্তির রাতে খড়ের গৃহে বাইরে কাটানো শীতরাত, মেয়েদের দেবীপূজার আলপনা, কুমারীদের ডেইল ভাসানোর গীত, চৈত্রের খা খা রোদে শীতলাদেবীর মেলা- সবকিছু সুদূরের মত লাগে। এই সকলই রূপকথার গল্পশেষের বেদনা নিয়ে আসে। মনসাপূজার সময়ের বেহুলার কাহিনির মতো ব্যথার এক রেশ রেখে যায়। যা নিয়ে এখনো জীবনকে যাপন করে থাকি। ছেলেবেলার মত দুঃসাহসী স্বপ্ন দেখি না। পিতা মাতা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো নির্বাসিতের জীবন বিকিয়ে চলেছে মৃত্যুর দিকে। বাস্তব দায়িত্ববোধের অভাব, চেতনাজুড়ে মা মাপের প্রতি অসীম মমত্ববোধের অভাব আমাকে পীড়া দিয়ে থাকে খুব জোরে। চাকরিটা শুরুর পর থেকেই সবকিছু কেমন বাষ্পাচ্ছন্ন নিয়তির মত লাগে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাইরে ইলশেগুঁড়ি খুব বৃষ্টি হচ্ছে আজ কয়দিন ধরে। সমুদ্র আমি কখনোই দেখি নি; একবার দেখা উচিত বলে ভাবি। এরকম কতকিছুকেই উচিত বলে ভেবেও করা হয়ে উঠে নি তা-ই ভাবি। মাইকেলের জীবনী পড়ে মাইকেল হতে চাওয়া, বিদ্যাসাগরের জীবনী পাঠান্তে তার মত মহৎ জীবনকে যাপন করার আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদির কোনকিছুই চরিতার্থ হয় নি। ছেলেবেলায়, শুধু কি ছেলেবেলায়, এখনো আমাদের নিজেদের একটা ঘরের কথা ভাবি। সারাজীবন পরগাছাদের মতো অন্যের বাড়িতে কাটিয়ে দিয়েছে আমার বাবা। কারো না কারো পরিত্যক্ত বাড়িতে, না হয় আত্মীয়দের কারো সাথে একান্নবর্তী জীবন স্মরণকাল থেকে স্বাধীনতার বোধকে বিপর্যস্ত করে দিয়ে গেছে। ভিটেমাটি বা নির্দিষ্ট কোন পেশার প্রতি বাপের ঝোঁক ছিলো না। থাকলেও তা ঘটে উঠে নি। এই সমস্ত বাস্তবতা, আধাবাস্তবতা নানা কারণে আমার মধ্যে হয়তো ধরাবাঁধা কোন নৈতিকতা বা আচরণ বা দর্শনের ছাপ রাখে নি। জীবনের প্রতি দরদ বা জীবনের কাছে চাওয়া আমার খুব দূর্বল, ফাঁপা। বাসনার এই দুর্বল মনই আমাকে আবিষ্কার করে কুরিয়ার সার্ভিসের এমন অনুপযোগী চাকরি বাকরিতে নিয়োজিত হতে।
ছোট ছোট দুঃখগুলো, বারবার ফিরে আশা কষ্টগুলোই আমাদের কাবু করে তোলে। জীবনের প্রতি আমার এই বিকারহীনতা আমাকে কষ্ট দেয় সত্য, কিন্তু ধৈর্য ধরে পেরোনোর পথ খোলা রাখে না। আগেই বলেছি, অন্যের সদুপদেশ ও পরামর্শের চাপ আমি সইতে পারি না। কর্মস্থলে কেউ যদি আমাকে কোন কারণেই দুর্বল ভাবে, ইচ্ছে করে সাথে সাথেই পাগলামীর চূড়ান্ত একটা রূপ দেখিয়ে তল্পিতল্পা গুছিয়ে নিই। অনেক কষ্টে তা সংবরণ করে থাকি। আমার কোন কাঙ্ক্ষিত জীবন ছিলো না তা নয়। জীবনযুদ্ধে পরাজিত অনুভব নিয়ে বেঁচে আছি বলে যাপনটাকে একান্তই প্রায়শ্চিত্ত মনে হতে থাকে। যেহেতু জীবনকে যুদ্ধ হিসেবে দেখি না, তাই এইসব নানা শব্দে আমার অরুচি আছে যেগুলো জীবনকে সফল বা ব্যর্থ বলতে শেখায়। আমি শুধু দেখি সমাজ ও রাষ্ট্র ইত্যাদি বিরাট বিরাট ব্যাপারগুলো আমাকে কীভাবে ক্রীতদাস করে রাখছে। মালিকেরা শ্রমিকদের গৃহপালিত পশুর চোখে দেখে। এর ব্যত্যয় কোথাও ঘটে না। কেউ যখন কর্মস্থলে ব্যক্তিগত রুচির জন্য আপনাকে খোঁটা দিতে চাইবে, আপনার তাকানো উচিত হবে আরো বহু দূরে। আমি নিশ্চিত সিগারেট বা এরকমের কোন এক তুচ্ছ কারণে যেমন হঠাত করেই চাকরিটা শুরু করেছিলাম, সেভাবেই হঠাত এর পরিসমাপ্তি ঘটবে।
স্বাধীন, স্বসৃষ্ট পেশা ছাড়া শান্তির অবকাশ সাধারণতই মেলে না। তবে অভ্যাসের কাছে সকলেই পরাভূত হয়ে থাকে। যে আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে এতো খুঁতখুঁতে স্বভাবের লোক, সে আমিই আজ শুক্রবার বা এরকমের ছুটির দিনগুলো কাটাতে ভয় পাই। বন্ধের দিনগুলো কাটাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। অর্থাৎ চাকুরি বাকুরির জীবনে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি এতো সহজেই যে ভেবে খুব অবাক লাগল আমার। আমি আগে একক স্থান কাল পাত্রে বেশিদিন থাকতে পারতাম না, ক্রমে ক্রমে তা-ও সয়ে যাচ্ছে। ধারণা ছিলো, এই থাকতে না পারার আমার বাপের চারিত্র্যিক দিকটি আমাকে ন্যূনতম রকমের থিতু হতে দেবে না কোনখানে। যা আমার নিজের দুঃখগুলো আর পিতামাতার আশাহত হওয়ার আমার দিককার কারণকে প্রবল করে তুলবে। আমার মাকে আমি জন্মের পর থেকে কোনদিন কেমন আছেন তা ভয়েই জিজ্ঞেস করতে পারি নি। খুব ভয় পাই এইখানে এসে। কারখানায় শারীরিক শ্রম বেঁচে জীবনধারণের বয়স তাদের অনেক আগেই গত হয়ে গেছে। পরিবারের হাল আমারই ধরার কথা- যা সমাজ, আত্মীয় কেউ অস্বীকার করে না। তবু দেখা গেলো, খুব তুচ্ছ একটা ব্যাপারকে উপলক্ষ্য করে বর্তমান চাকরিটা- যা-ই যৎসামাণ্য পাই চলার মতন- তা মুহূর্তে ছেড়ে দিয়ে দিছি। এক মুহূর্তের বেশি দ্বিতীয়বার মনে হবে না যে, নিজের কাছেই হাস্যকর, অবিবেচনাপ্রসূত একটা জীবন মনে হয় কাটিয়ে দিচ্ছি আমি। আর এই ট্র্যাজেডির মূল্য এক আমি ছাড়া দ্বিতীয় কারো জানার কথা নয় বলেই আমার বিশ্বাস।2 Comments
Friends
অরণ্য মিথিল
@aronnonaim
ভাস্কর
@vaskarchou
অনুপম হাসান
@anupam-hasan
Keya Islam
@keyamoni6970
Gazi Rafsan Shahab
@rafsan-shahab
Jubayer Al Mahmud
@jubayer
অরিন্দম সাইফুল্লাহ
@arindam-saifullah
Fahmida Akter
@fahmida420
রাসেল আদিত্য
@raseladitta


আপনার কাব্ব্যর কিছু অংশবিশেষ ভাল লাগল