Profile Photo

প্রদীপ্ত লুব্ধকOffline

  • Shawon-Sarkar
  • অগ্রহায়ণের সুঘ্রাণ ভরা গ্রহান্তরের মাঠে,
    একাকী কার অন্তর্জ্যোতি ইতস্তত হাঁটে।
    কখনও লুকায়, চকিতে চায়, কখনও থমকে যায়,
    কখনও বা সাদা মেঘে ভেসে কি যেন খুঁজে বেড়ায়।
    আয়ুরেখা ছিঁড়ে অনেক দূরে পষাণ গুহায় বাড়ি,
    লাটাই হারানো সুতোর ডানায় আর কি দেয় পাড়ি-
    কোন সকালে অসচেতনে রোপিত অঙ্কুরিত চারা,
    আনকোরা ক্ষেত ভরিয়ে তুলেছে নিরালা স্বপ্নহারা।
    হরিদ্রাবরণ সে ক্ষেত থেকে বিষাদপ্রবণ উপত্যকায়
    আত্মগোপনে বালিকামন বিচরণ করে বেড়ায়।
    সময় নিবিড়ে থেমে থাকে কখনো বা ধীরে চলে ,
    ক্ষুদ্র সময় বিস্তৃত হয় কালক্ষেপনের ছলে ।
    দূরদূরান্তে পাহাড়প্রান্তে দিতে চায় রোদ ফাঁকি,
    এখনও তো বিকাল শেষের অনেকটা আছে বাকি।
    অন্তরীক্ষে বিস্তীর্ণ ক্ষেতে অগ্নিভ শুষ্কতা,
    সীমান্তহীন দিগন্তরেখায় বিবাগী শূন্যতা ।
    পাহাড়শিখরে আভান্বিত কমলা আলোর রাগে,
    সোনালী ফসল তুলতে হবে বেলা ডোবার আগে।
    ফসল তুলে কি আর হবে, কোথায় রাখবে কে,
    অযাচিত অনাদৃত তবু জীয়নলতা যে –
    হাওয়ায় দোলে ফসলের হাসি মালভূমির পরে,
    আলোকরশ্মি ঠিকরে আসে স্বর্ণশীর্ষ জুড়ে ।
    নিদাঘ দিনের দীর্ঘতা ফুরায় না কেন কে জানে
    বহুবর্ষজীবি বনাঞ্চল ঐ কিসের প্রহর গোণে-
    মর্মরধ্বনি আসে না যেন পর্ণমোচী প্রান্তর থেকে
    ফেরারী সময় বিশ্রাম নেবে বয়স থামিয়ে রেখে।
    বিজন গ্রহে বেজে চলে একটি হৃদস্পন্দন,
    মৃত্যুহীন পরাবাস্তবে আটকে স্বেচ্ছা নির্বাসন ।

    5
    1 Comment
Skip to toolbar