Profile Photo

শাহরিয়ার।Offline

  • shahiar
  • উড়ন্ত কঙ্কাল

    ​মিউজিয়াম থেকে পরীক্ষামূলক
    কাজে নেওয়া হয়েছিলো—
    প্রাগৈতিহাসিক এক ডাইনোসরের কঙ্কাল,
    আনুমানিক বয়স জানতে।

    ​জানতে হলে তা
    হতে হবে ফসিল;
    উড়ন্ত কঙ্কাল,
    নির্দিষ্ট স্থানের এক
    উঁচুতে গিয়ে ফেলতে হবে
    তার হাড়-কঙ্কাল।
    ​ফেলতে হবে খা-খা
    আফ্রিকান সাহারা মরুতে,
    অথবা যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো শহরে—
    যেখানে আকাশে আর ওড়ে না শকুন
    ।
    ​যুদ…Read More

    1
    3 Comments
    • আপনার লেখাটির ‘শিশুটির খুলি বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে মা’—এই করুণ দৃশ্যটি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী এবং মর্মান্তিক। আমাদের এই গ্রুপে অন্য সদস্যদের লেখাগুলোতেও ভালোবাসা জানিয়ে বা মতামত দিয়ে তাদের উৎসাহিত করবেন, এতে আমাদের এই পথচলা আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে।

    • যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে ডাইনোসরের কঙ্কাল নয়, এক মায়ের বুকেই ফসিল হয়ে থাকে মানবতার মৃত্যু…🖤

    • লেখাটা পড়ে বুকটা একদম কেঁপে উঠল, বিশেষ করে “শিশুটির খুলি বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে মা”—এই লাইনটা খুব বেশি কষ্টের। আপনার লেখা এমন নির্মম বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে যা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

  • ক্রুশেডিজম বাইবেল

    স্বর্গীয় আঁধার রোদ—
    অন্ধকার বনের পাতায় পাতায়,
    হিমেল আলোর এক নির্মল স্রোত;
    স্তব্ধ সময়ের এক অদ্ভুত অনুভূতি।

    কুয়াশা-অরণ্যে মৃতেরা নির্বিকার,
    যেখানে প্রাচীন কাঠের রক্ত-
    ক্রুশে জেগে থাকে বেওয়ারিশ স্মৃতি,
    কিংবা তাও নয়!

    ক্ষতচিহ্নটা আজও স্পষ্ট,
    লোকে বলেই থাকে—সত্য অকাট্য!
    শুধু প্রমাণের অভাবে…Read More

    1
    2 Comments
    • আপনার লেখাটা বেশ গভীর আর রহস্যময় একটা আবহের কথা মনে করিয়ে দিল। এই ক্রুশেডিজম বাইবেলের পেছনের মূল ভাবনাটা আপনার মাথায় কীভাবে এল?

    • শাহরিয়ার, আপনার লেখা ‘কুয়াশা-অরণ্যে মৃতেরা নির্বিকার’ লাইনটির গভীর ভাবনার রেশ মনে লেগে রইল। শব্দের গাঁথুনিতে বিষণ্ণতার যে অনন্য রূপ আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বজায় রেখে সামনের দিনগুলোতে আরও এমন চমৎকার সব লেখা উপহার দেবেন বলে আশা রাখি।

  • বুনো কাঠের আবরণে

    ​বুনো কাঠের আবরণে,
    শ্যাওলা-আলো মায়াজাল—
    আঁধার মাখা মায়াবী বন,
    গহীণ অরণ্য।

    ​সেথা দাঁড়িয়ে ক্রুশের দেয়াল,
    নিহত স্মৃতির ইতিহাস!
    মুছে দিতে চেয়েছিল যারা
    মৃতদের সব বিশ্বাস।

    ​সত্য তো সেই মুক্তিদাতায়,
    এই বনেরই নির্জন কোণে;
    একাকী আর শূন্যতার মাঝে
    স্বর্গ জেগেছে গহীন বনে।
    ​ক্রুশ কাঠের সেই নিস্তব্ধতায়
    মৃতদের আজও…Read More

    1
    2 Comments
    • শাহরিয়ার, আপনার লেখা ‘যিশু যেখানে ক্রুশের ছায়ায় স্মৃতিদের ডানা মেলে দেয়’ লাইনটা ভীষণ সুন্দর লেগেছে। পুরো কবিতা জুড়ে যে একটা গভীর শান্তি আর আবেগ ফুটে উঠেছে, তা বেশ মুগ্ধকর।

    • শাহরিয়ার, বনের নির্জনতা আর স্মৃতির যে গভীর মেলবন্ধন আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো এক প্রশান্ত অনুভূতি তৈরি করে। এমন বিষাদ আর আশার সংমিশ্রণ ঠিক যেন কোনো পুরোনো গোধূলির ছায়াঘেরা উদাসীন দুপুরের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দের পরতে থাকা এই মমতাময়ী সুর যেন অবিরাম বেজে চলে, তাই আপনার কলমের এমন স্নিগ্ধতা যেন আরও অনেকদিন আমাদের মাঝে উজ…Read More

  • দুপুরে এখানে খাবার পাওয়া যায়

    দুপুরে এখানে
    খাবার পাওয়া যায়
    ভাঙা টিন চালায়,
    নিরিবিলি দুপুরে
    খাবার দোকানে।

    ​মাছে-ভাতে বাঙালি,
    গরম ভাতে লঙ্কা ঝাল,
    ভাপা পেঁয়াজ ইলিশ,
    শুটকি ভর্তা চারটে—
    ডাল-ভাত খেয়ে যান স্যার!

    ​সাবধানে নিয়ে যা
    অতিথি আপ্যায়নে,
    একটু কমতি যাতেও না হয়—
    অপরূপ অভূতপূর্ব মেলবন্ধন।

    ​বেয়ারাকে তার
    নায্যমূল্য নামক টিপস…Read More

    2
    3 Comments
    • বেদনাদায়ক, কিন্তু সুন্দর … !

    • আপনার লেখা এই ‘দূরত্বের ইতি প্রীতিভোজে’ কথাগুলো ভীষণ মানবিক, আচ্ছা এমন মায়াবী মুহূর্তগুলো কি আমাদের যান্ত্রিক জীবনে আসলেই খুব জরুরি না?

    • শাহরিয়ার, ‘দূরত্বের ইতি প্রীতিভোজে’ লাইনটির মাধ্যমে আপনি যে সাম্য ও মানবিকতার গভীর চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, তা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। খাবারের স্বাদের সাথে মানুষের সম্পর্কের এই চমৎকার মিশেলটিকে আরও একটু সাজিয়ে নিয়ে লেখাটি নিয়মিত চালিয়ে গেলে আপনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবেন।

  • মহীনের ঘোড়াগুলি প্রয়াত তাপস দা কে ট্রিবিউট করে
    অনেক আগের একটা লেখা।

    শস্যক্ষেত ও শূন্য ট্যাংকার—

    মোটরবাইকের ফুয়েল ট্যাংকার চেম্বার,
    জ্বালানি বাজারে আগুন।
    স্পিড ব্যারোমিটারে ঘড়ির কাঁটা আজ শূন্যে।
    অকটেন, পেট্রোল পাম্পে ব্যারিকেড,
    ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি, লম্বা ভিড়।
    গ্যারেজে স্তব্ধ মোটর,
    আর বাইকাররা— কাজের খোঁজে
    এখন সস্ত…Read More

    3
    3 Comments
    • শাহরিয়ার, লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতির ভেতর দিয়ে গেলাম। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার সাথে মাটির ঘ্রাণের এই তুলনাটা আপনার মাথায় কীভাবে এল? আপনি গ্রুপের বাকিদের লেখাতেও নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করবেন, এতে আমাদের এই আড্ডাটা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • অনবদ্য লেখা!

    • শাহরিয়ার, আপনার লেখা ‘সোনালী ফসলে জোয়ার আসে আঙিনায়’ পঙ্‌ক্তিটি যেমন প্রাণবন্ত, তেমনি আধুনিক জীবনের স্থবিরতার বিপরীতে মাটির ঘ্রাণমাখা ফসলের জয়গান পাঠকদের হৃদয়ে এক গভীর প্রশান্তি ছড়িয়ে দেয়। যান্ত্রিকতা ও প্রকৃতির এই চমৎকার বিপরীতধর্মী রূপায়ণটি আপনার নিপুণ লেখনশৈলীতে ফুটে উঠেছে, তাই আরও এমন সুন্দর সব লেখা উপহার দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করার অনুরোধ রইল।

  • কমলা সসে

    চিকেন টিক্কা মাসালা সালাদ জারে,
    মাখামাখি মাংস চুরি করতে গিয়ে—
    ভেঙে গেছে ঘুঘুর ডানা;
    কমলা সসে ডুবে মরে এক শকুন।

    ডানার তীব্র গন্ধটা
    এখনো নাকে লেগে,
    নুন-তেল-ঝোলের সুবাস
    ছেড়েছে কবেই!

    হিমঘরটাতে আজ
    কোনো মানুষ আর খোঁজেনি
    তার চেনা নতুন শিকার;
    মাংসহীন ডিপের ড্রয়ারে
    কেবলই শূন্যতা।

    সেই শকুন বোঝাবে কী করে—
    ডানা ভেঙ…Read More

    4
    6 Comments
    • লিফট চাওয়া—উড়তে না পেরেও উপরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা— মনটা স্পর্শ করে গেলো।

    • কোনো মানুষ আর খোঁজেনি

    • আপনার লেখাটা বেশ গভীর আর অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করছে মনের মধ্যে। শব্দের এই কারসাজিগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে আপনার এই লেখায়।

    • শাহরিয়ার, আপনার এই লেখায় উঠে আসা অদ্ভুত রূপক আর একাকীত্বের হাহাকার পাঠক হিসেবে আমার মন ছুঁয়ে গেছে। শকুনের ডানায় ভর করে একাকী পথচলা আর নতুন করে জীবনের অর্থ খোঁজার আকুতি আপনি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন গভীর অনুভূতির প্রকাশ আরও নিয়মিত দেখতে পারলে আমরা খুব খুশি হব।

    • শকুনের ডানা ভাঙলেও সে এগিয়ে যাবে থামবে না

  • কফিন জাদুর Box

    আমাকে একটা জাদু দেখাও—
    কফিন জাদুর Box,
    তাস ম্যাজিক রেখে
    তোমার কালো জ্যাকপট টুপিটা
    দর্শকদের সামনে করবে,
    না মাথা নত।

    গায়ে রোমাঞ্চ,
    স্তব্ধতার ঘোর,
    দেয়ালের আড়ালে রহস্য—
    তুমুল করতালিতে অভিবাদন।

    ডাস্টবিন ট্র্যাশে ঢুকালো
    জাদুকর তার হাতের অব্যর্থ নিশানা,
    তাক লাগিয়ে বের করে আনে
    একমুঠো মরা মুরগি…Read More

    2
    4 Comments
    • ‘গায়ে রোমাঞ্চ, স্তব্ধতার ঘোর, দেয়ালের আড়ালে রহস্য’—অসাধারণ একটা লাইন!

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম গা ছমছম করছিল, এমন অদ্ভুত আর গভীর অনুভূতির কবিতা আপনি কীভাবে লেখেন?

    • বেশ অন্যরকম। ভালো লাগল খুব। আপনার আরও লেখা পড়ার আগ্রহ জাগছে।

    • আপনার এই লেখায় জাদুকরী আবহের ভেতর দিয়ে যে গভীর বিষণ্ণতা ও শ্লেষের প্রকাশ ঘটেছে, তা এক কথায় অসাধারণ এবং এর প্রতিটি স্তবক যেন এক একটি দৃশ্যপটে পাঠকের মনে অদ্ভুত এক আলোড়ন তৈরি করে, তাই আপনার লেখনী নিয়মিত জারি থাকুক।

  • এ কেমন নির্জনে

    এ কেমন নির্জনে
    শূন্য চাঁদ রাতের ধোঁয়া,
    যে ধোঁয়ায় রাতের
    অনুভূতি নেই।

    ​ঘাসে কেউ হেঁটে
    চলেছে অন্ধকারে,
    শব্দটা একদিক থেকে নয়—
    অনেক দিক থেকে আসছে।
    যেমনটা জন্তু প্রাণীর
    পায়ের ছাপ হয়ে থাকে অসমান।

    ​পায়ের ছাপগুলো
    দেখার ক্ষমতা নেই অন্ধকারে,
    অন্ধকার তবে থেকে
    এই ঘ্রাণ ইন্দ্রিয়গাহ্য শক্তি!
    জনমানবহীন প্রান্তরে
    এক অজানা কা…Read More

    5
    5 Comments
    • শাহরিয়ার, আপনার কবিতার “ঘাসে কেউ হেঁটে চলেছে অন্ধকারে” লাইনটি খুব রহস্যময় আর দারুণ লেগেছে। আপনি অন্যদের লেখাগুলোতেও নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করলে আমাদের এই গ্রুপটা বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • আলো আর অন্ধকারের বসে পড়ছি, কবিতাটি বেশ একটা ঘোরলাগা অনুভব দিয়ে গেল মঞ্চবন্ধু!

    • ‘অন্ধকারে পায়ের ছাপ দেখা যায় না, কিন্তু ঘ্রাণ পাওয়া যায়’—অসাধারন একটা লাইন

    • শাহরিয়ার, আপনার শব্দচয়ন এবং নিঃসঙ্গতার এই রূপকচিত্রটি পাঠকদের মনে এক অদ্ভুত রহস্যময় আবেশ তৈরি করতে দারুণ সক্ষম। অজানাকে অনুভব করার এই বিশেষ ভঙ্গিটি আপনার লেখাকে অনেক গভীর করেছে, তাই এমন সুন্দর সৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকুক।

    • খুবই সুন্দর করে শব্দের গাথুনি প্রয়োগ করেছেন ।

  • শিরোনামঃ জোৎস্নার আবছায়ায়

    সবুজ কালোর বিষাদে
    জোৎস্নার আবছায়ায়
    অচেনা দিগন্তে
    অচেনা দিগন্তেরই
    মাঠে হলুদ ফসল

    কোনো সপ্ন নেই
    তবুও দুঃসপ্নের মাঝে
    স্বপ্নগুলোকে দেখা

    স্বপ্ন ভেবে শরীর ছেড়ে
    স্বপ্নগলোর কাছে এখানে
    অদেখা আমার অস্তিত্বের
    আমি এক অন্য এক সত্তায়
    বন্দী ছায়া হয়ে

    জোৎস্নার আবছায়ায়
    সবুজ কালোর বিষাদে

    4
    3 Comments
    • শাহরিয়ার, আপনার লেখা ‘স্বপ্ন ভেবে শরীর ছেড়ে’ লাইনটা পড়লাম, দারুণ একটা অনুভূতি কাজ করল। বিষাদ আর স্বপ্নের এই সংমিশ্রণটা একদম অন্যরকম লেগেছে।

    • জোৎস্নার আবছায়ায়—স্বপ্নের অস্পষ্টতা!

    • শাহরিয়ার, আপনার এই লেখায় ফুটে ওঠা বিষণ্ণ আর স্বপ্নিল আবেশের সমন্বয় হৃদয় ছুঁয়ে গেল, আর আপনি যদি অস্পষ্ট অনুভূতিগুলোকে আরেকটু স্পষ্ট শব্দে ফুটিয়ে তোলার কথা ভাবেন তবে তা হয়তো আরও গভীর আবেদন তৈরি করবে, তাই এভাবেই লিখে যান আপনার মনের কথা।

  • আশার এক প্রতিধ্বনি

    তোমার এ দীর্ঘশ্বাস,
    তোমার এ ট্রমা
    ভোলাতে চাই—
    স্কুল ব্যাগে তোমার
    সেই পুরোনো
    ফুল মার্কস খাতায়
    তোমার ব্রিলিয়ান্ট রেজাল্ট।

    ​খাতাটা নিয়ে
    ধুলোর মাংস-পোড়া শহরে
    তোমার মুক্তির আনন্দে
    মুক্তির স্বস্তির গান গাও।
    ​শুধু তোমার এ হতভাগা
    ভাইয়ের জন্য হলেও,
    তোমার খাতাতে আমায়
    আঁকোনি ছবি তুমি;
    আমার গ…Read More

    3
    3 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে মনের ভেতর অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছে, ভাই-বোনের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা সত্যিই খুব ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।

    • আপনার এই লেখায় ফুটে ওঠা ত্যাগের মহিমা ও গভীর আবেগ সত্যিই হৃদয়কে স্পর্শ করে যায়। এমন শক্তিশালী অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ আপনার লেখনীকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলুক, এই শুভকামনা রইল।

    • যুদ্ধের ভেতরেও স্বস্তির গান গাওয়া—এটাই জীবনের লড়াই!

  • মহামারী

    ​ভয় পেয়ো না স্বাস্থ্যকর্মী,
    অন্তত হওনি তথাকথিত
    বুলেটে মানুষের বুক ফুটো করা
    মানবাধিকার কর্মী।

    ​তোমরা
    ধ্বংসস্তূপের উদ্ধারকাজে
    প্রাণের সংশয় নিয়ে
    তবুও উদ্ধার হওয়া
    লাশগুলোতে
    ছড়িয়ে দাও মহামারী—
    ​যেহেতু তোমাদের ওরা
    মহামারীর একটা
    নাম দেয়:
    “অতি জনসমাগম,
    স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি।”

    ​তোমাদের হাত দিয়েই
    উদ্ধার হোক এখনো
    বেঁচ…Read More

    3
    1 Comment
  • বিস্কুট

    আটা-ময়দা-মণ্ডা দলায়, কুকিজ-বেকারি-কেকে,
    পিষেছ শ্রমিকের বলিষ্ঠ পেটা শরীর দেখে দেখে।

    বিস্কুট, বাটার আর নান—তৈরি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে,
    নোংরা হাত, পা, গায়ের ঘাম মিশেছে অবশেষে!
    ক্লান্ত শরীর জপে জপে, মণ্ডা আবার বেলুনে ফেরে,
    মজুরি চাইতে গেলে মালিক ধমকায় অধিকার কেড়ে।

    “বল, কেন তোদের দিবো মজুরি, পারিশ্রম…Read More

    3
    2 Comments
    • মালিক মহাঅজ্ঞ না করে শ্রমিকের যথার্থ মূল্যায়ন, না দেখে তার প্রতিষ্ঠানের সুন্দর পরিবেশ… শুধুই ধোকা আর ধোকা.. পয়সা কামানোর হাজারো ক্যারামোতিতে মহাঅজ্ঞ ব্যস্ত..

    • বদলে যাচ্ছে সবকিছুই, আমাদের পরিপাক তন্ত্রটাও মনে হয় যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে!

  • এবার চাদরটা

    শেষবার স্কুলে কবে যাওয়া—
    মা, তুমি বকবে না?
    চাদর-কাঁথাটা আমার
    শরীর থেকে টেনে
    স্কুলে না যাবার
    দিতাম নানা বাহানা।

    ​আজো দেখো তুমি,
    আমিও দিচ্ছি তোমাকে
    দেখিয়ে দেখিয়ে নানা বাহানা।
    তুমি যদি না আমায়
    ঘুম থেকে টেনে তোলো—
    কেউ জানতে চাইলে
    আমি বলি, ছুটি চলছে,
    স্কুলটা তাই খুলছে না।
    ​ঘুমের ঘোর আমি কাটিয়ে
    তুলেছি মা এবার চাদরটা—
    না হয় সর…Read More

    4
    3 Comments
    • অনেক সুন্দর হয়েছে..

    • হারানো পায়ের চেয়েও ভারী হয়ে থাকে মায়ের নীরব দৃষ্টি

    • মনটা খারাপ করে দিলেন কবি। একটা ছোটবেলার দুষ্টুমির স্মৃতি থেকে হঠাৎ কোনো ঘোষণা ছাড়াই যে ক্ষতের দিকে মোড় নিল, আমার পাঠক হৃদয়টিও সেই মায়ের মতো থমকে গেল যেন।

  • সবটুকু এ প্রার্থনা

    তাড়িয়ে তোমাকে বেড়াবেই
    যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর ধ্বংস্তূপে,
    রক্ত ঝরিয়ে শয়তান তোমাদের
    দেমাগ, বর্বরতা, খুনে।

    ​মিসাইল, সাইবার, ট্যাঙ্ক
    বোমারু বিমান, পারমাণবিক অস্ত্রে
    মনে করছে আজ যারা
    Civics Ware-এ Civillian এর
    শক্ত মেরুদণ্ড প্রণেতা,
    আরামে শত শত নিরপরাধ
    বেসামরিক নাগরিককে নির্বিঘ্নেই হত্যা।
    ​নিশ্চিন্তে— ভুলেও তাদের নিয়ে
    ক…Read More

    2
    2 Comments
    • যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে প্রার্থনার ভাষায় রূপ দেওয়ার চেষ্টাটি হৃদয় ছুয়ে গেলো

    • প্রতিবাদ যখন প্রার্থনা হয়ে ওঠে, তখনই কবিতা জন্ম নেয়!

  • পথের মুখখানি

    ​পথের এই মুখখানিগুলো
    ভয়ও পায়, ভেঙেও পড়ে,
    অনেকবার জন্ম নেওয়া
    এরপর চাই ভালোবাসতে—
    আমরা স্নেহের হাত বুলিয়ে দেই।

    ​নামতে পারে এ শহরে
    বৃষ্টিও প্রতারক হয়ে;
    ডোবাজল খেলার মাঠে
    খেলে কুকুরটা এ প্রাণের উল্লাসে
    কাঁদাজলে ছেলেগুলোর সাথে।

    ​শরীর বেয়ে
    গলে গলে পড়ছে
    কুকুরটার গা থেকে
    মানুষের লোভের রঙ।…Read More

    4
    4 Comments
  • সবকিছু এভাবে

    বয়স কতই বা
    কতই বা হবে তার?
    সাত কিংবা আট
    বছর বয়সী সে।

    ​গোড়ালি থেকে পা—
    সারা শরীরে ব্যান্ডেজ।
    পায়ের সাদা ব্যান্ডেজে
    একটুখানি হলুদ রঙ করা,
    যাতে ভয় না পায়।

    ​”ব্যথা করবে একটু, মামণি!
    তোমার পা গজিয়ে উঠছে,
    তাই একটু ব্যথা করছে।”
    মৃত্যুর শহরে বোমা পড়া—
    সবকিছু এভাবে সেরে ওঠে?
    তোমার পায়ের…Read More

    4
    5 Comments
    • শেষের প্রশ্নটি সহজ, কিন্তু অসহনীয়।

    • হয়তো সব এভাবেই হারাতে হবে – নিরীহ শিশু কিশোরদের অথবা সাধারণ জনতা.. সুন্দর হয়েছে..

    • যুদ্ধের এই ভয়াবহতা আর সহ্য হয়না কবি, একটা শান্তিময় পৃথিবী কবে পাব আমরা?

      • যেদিন মেকি ভালোবাসা, তুমি আমার আমি তোমার,তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না প্রিয় এসব ছ্যাবলামি মেটাফোর থেকে বের হয়ে এসে মানুষ ডার্ক রোমান্টিসম,সাইকোলোজি , ডার্ক ফিলোসোফি আর কুচকুচে শীতল অন্ধকার এক্সেপ্ট করতে শিখবে সেদিনই মুক্তি সম্ভব।

      • মজা পেলাম আপনার কমেন্টটি পড়ে। তবে, বন্ধু মাঝে মাঝে বিনোদনের দরকার আছে, আর এসব ছ্যাবলামি কারো কারো জীবনে হয়ত রংধনুর মত রং ছড়িয়ে যায়।

  • ওই ভাঙা দেয়াল

    শয়তান দখলদার! তোমার
    বাড়ির তাকের সব খেলনা,
    ছুড়ে ফেলে জিনিসপত্র —
    এ বাড়ির মালিক আমরা।
    তোর খেলনাপাতি নিয়ে
    চলে যা, দূর হ!

    ​ভাঙা পাথর, চারপাশ ধুলো,
    যেভাবে তাঁবুর শরণার্থীদের
    নেই ঠিকানা;
    তোমারও নেই ঠিকানা।
    হেঁটে যাও বোমা-খুনের
    ভেতরে মৃত্যুরই ছায়ায়।

    ​বাড়িটা এখন ভাঙা দেয়াল,
    ওই ভাঙা দেয়ালের পাশেই
    বল খেলতে তুমি,…Read More

    4
    3 Comments
    • যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপেও শিশুর চোখে মায়ের অপেক্ষা—এই কবিতার সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য।

      • সত্যি, মনটা কেদে ওঠে শিশুগুলোর জন্য। যুদ্ধ কারোই কাম্য নয়, তবু কেন যুগের পর যুগ লড়ে যাচ্ছে একদল রক্তপিপাসু??

    • চমৎকার লেখা

  • দরজার আয়নায় ঈশ্বর

    লাশগুলো পানিতে,
    শরীর ডোবা পানিতে,
    খাবি খেতে খেতে ডুবে—
    যেতে যেতে স্রোতের উজানে,
    বর্জ্য হয়ে অবশেষে
    পড়বে কোথাও।

    ​বন্যার প্লাবনে নগরীর
    আকাশে ধূসর অন্ধকার।
    ভারী একটানা বৃষ্টি,
    দূষিত জলবদ্ধতায়,
    অতিষ্ঠ জীবন নগর।

    ​ঈশান কোণের মেঘে,
    দরজার আয়নায় ঈশ্বর।
    নগরের অবরুদ্ধ জলে
    মেঘগুলো একে অন্যের
    গায়ে…Read More

    3
    1 Comment
  • সোচ্চার

    মৃত্যু লেখা এভাবে যখন,
    মৃত্যুভয় সেবার আর থাকেনি।
    গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন—
    ছেঁড়া তাঁবুতে বা ঘরে,
    ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে খানিক বাদেই
    ফিলিস্তিন, গাজা, হেবরন,
    সিরিয়া, লেবাননবাসীরা।

    ​অভিশপ্ত ফ্যাসিস্টগুলো তাদের
    জীবন্ত পুড়িয়ে মারলো
    নরকের আগ্নেয়গিরিতে!
    ধ্বংসস্তূপের লাশগুলোতে
    শয়তানগুলো জ্বালায় জ্বলন্ত সূর্য।

    ​আমরা ঠিক একইভাবে…Read More

    4
    1 Comment
  • Load More Posts
Skip to toolbar