Profile Photo

সায়মা নোরOffline

  • Profile picture of সায়মা নোর

    সায়মা নোর

    2 months, 3 weeks ago

    #সুহাসিনী
    লেখনীতে : Sayma Noor
    পর্ব : ২

    মেঘলা আকাশ মেঘলা দিনে। পরিবেশ টা যেন কেমন তমতমে ঝরো এলোমেলো বাতাসে গাছপালা দুলছে মৃদু। এদিকে রহমান ভিলায় কেমন যেন ঘুমোট বাদা পরিবেশ সবার মুখ তমতমে মাহিনের আম্মু সায়রা রহমান ও এসেছেন রহমান ভিলায় সাথে তা মেয়ে মাইরা ইসলাম মাহিনের আব্বু গত হয়েছে অনেক আগেই মাহিন ভার্সিটি লেখচারার মাহিনই তাদের সংসার চালায় মা ও বোনের খেয়াল রাখে বোন এবার কলেজে পড়ে সামনে এইস এস সি পরিক্ষা।
    হাফিজুর রহমান এর ও এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আরিয়ান নাভীদ রহমান তাদের পারিবারিক ব্যবসা জয়েন করেছে দুবছর হবে পড়াশোনা করে অস্টলিয়া থেকে। পড়াশোনা শেষ করে এসে বাবার সাথে ব্যবসা জয়েন করে। মেয়ে কিয়ারা রাহমান এবার মাইরার সাথেই দুজন আবার বেষ্ট ফেন্ড গলায় গলায় ভাব।
    এদিকে সন্ধ্যা হয়ে আসছে আরিয়ানের বাসায় আসার কোনো খবর নাই। অবশ্য মাহিন আছে সাছে মামাকে ফোন করে বলে দিয়েছে চিন্তা না করতে সময় মতো আরিয়ানকে নিয়ে সে উপস্থিত থাকবে বলেছে তাই হাফিজুর রহমান নিশ্চিন্তে আছেন মাহিন যখন বলেছে টিক সময় মতো নিয়ে আসবে আরিয়ান কে।
    হাফিজুর রহমান মানের এসব ভাবনার মাঝেই সদর দরজা দিয়ে আরিয়ান এবং মাহিন ঘরে প্রবেশ করে হাফিজুর রহমান তাকান সে দিকে তাকিয়ে বলেন যাওয়ার জন্য দেরি হচ্ছে দুজন তারা তারি রেডি হউও আমরা আধাঘন্টার ভিতরে বের হবো।।। বলে তিনি উটে চলে যায় তার রুমে বিয়ে টা ছোট কাট ভাবেই হবে তাই তেমন বেশি মানুষ নেই কিছু কাছের মানুষ ছারা যেখানে ছেলেই রাজি না বিয়ে করতে সেখানে আয়োজন করে কি হবে একঘন্টা আগে ও টিক ছিল না ছেলে বিয়ে করতে যাবে কি যাবে না।
    ছেলে তো রাজি হয়েছে শুধু বাবার ব্যলেকমেলের কারণে
    আরিয়ার রেগেমেগে বেরিয়ে যাওয়ার পর চিন্তা করতে করতে হাফিজুর রহমানের বুকে ব্যাথা উটে পরে ফোন করে যানালে ছেলে বাড়িতে আসে ডাক্তার ডাকা হয় এবং ডাক্তার বলে বেশি টেনশনের ফলে বুকে ব্যথা যদি বেশি টেনশন করেন এর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে তাই বাবার অসুস্থর কথা ভেবেরাজি হয়েছে আরিয়ান।
    বরযাত্রি উপস্থিত হয় মেয়ের বাড়ি তাদের বাড়িতে ও বেশি জামেলা নেই কারণ মেয়ের বাবা অসুস্থ তাইতারা বেশি আয়োজন করেনি মেয়ে র তো আর একটা ভাই নাই যে সব কিছু দেখেশুনে করবে ওই মেয়ের বড় বোনের জাইমার সব টা দেখেশুনে করছে যতোটুকু পারে তবুও একা একটা মানু কয় দিকে সামলাবে।
    সফিক সাহেবের দুই মেয়ে বড় মেয়ে আদৃত ফাতিমা।।। ফাতিমার বিয়ে হয়ে গেছে ৬ মাস হবে। বাবার শরীর খারাপের শুরু পথে বুঝতে পারে তাই বড় মেয়ে কে বিয়ে দিয়ে দেন ছোট মেয়ের টা ও দিতে ছেয়েছিলেন কিন্তু সময় সুযোগ পাননি এর আগেই বিছানায় পরে যান তার কেন্সার দরা পরে লাষ্ট সস্টেজ তাই তিনি বেছে তাকতে তাকতে মেয়ের বিয়ে দিতে চান সফিক সাহেবের ছোট মেয়ে আনায়া অবনী আজ তার বিয়ে আরিয়ানের সাথে প্রথমে সে ও বিয়েতে রাজি ছিল না পরে বাবার অবস্থা দেখে রাজি হয়ে যায়। তাইতো বিয়ের আগে তার হুবু জামাইকে একবারের জন্য ও দেখেনি এমনিতে চিনে ছোট বেলা একবার দেখছে হাফিজুর রহমান সফিক সাহেবের ভালো বন্ধু হওয়ার দরুন একবার তাদের বাসায় দাওয়াতে দেখে।
    এদিকে আরিয়ানরা এসে ডয়িং রুমে বসে কাজি সহ সবাই উপস্থিত হাফিজুর রহমান বললেন অবনীকে নিয়ে আসেন ভাবি আয়শা বেগন উটে গেলেন মেয়ে কে আনতে এদিকে ডয়িং রুমে বেশি কেউ উপস্থিত নেই এই হাতে গুনা দশ বারো জন হবে।
    আয়শা বেগম এবং ফাতিমা দুই দারে দরে নিয়ে আসেন।। এসে একটা কেদারায় বসিয়ে দেন তার পাসেই আরিয়ান বসা আরিয়ান একবার ও তাকায় না সে যে এসে থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে আর উপরে তাকায় না।
    বিয়ে পড়ানো হয় আরিয়ান কোনোমতে কবুল বলে এবং কাবিন নামায় সাইন করে দেয় বিয়ে পড়ানো শেষ হওয়ার পরে পরেই উটে দারিয়ে চলে যায় উপস্থিত সাবাই অবাক হাফিজুর রহমান পরিস্থিতি সামলা দিতে বলে আসলে জররি একটা মিটিং আছে তো তাই চলে গেল আপনারা কেউ খারাপ ভাবেন না।
    বেশি কথা শুনতে হয় নি কারণ এখানে মানুষ বেশি চিল না যা চিল তারা খুবই কাছের মানুষ তার পরে ও যতোই কাছের হোক না কেন কথা তো শুনতে হবেই কানাঘুষা চলে এক মহিলা বলে উটেন অবনী এত মিষ্টি একটা মেয়ে তার কপারেই এ রকম গম্ভীর একটা ছেলে জুটল অবনীরে তর কপারে দুঃখ আছে ছেলেকে দেখেই বুঝা যায় অনেক রাগী হবে দেখ তোর কপালে কি আছে আল্লাহ ভালো যানেন।। দেখে যা বুঝলাম ছেলে মনে হয় বিয়েতে রাজি ছিল না।
    তাদের কথা কানে আসতেই অবনীর চোখ থেকে জল গরিয়ে পরে। পাশ থেকে আয়শা বেগম বলেন এরকম কোনো বেপার না ভাবি আসলে ছেলে টা তো বিজনেস ম্যান তার অনেক কাজ তাকে সময় পায় না তাই আজকে একটা জরুরি মিটিং পড়ায় চলে গেল।
    রহমান ইন্ডাস্ট্রি চিনেন নিশ্চয়ই তার দায়িত্বে ছেলে টাই তো তাই চাপ বেশি।
    মহিলা টা মুখ বাকিয়ে বলল,
    যতই কাজ তাকুক বিয়ের দিন অনত্ত তাকতে পার তো কিন্তু হঠাৎ করে চলে গেল।। এমন কি কাউকে কিছু বলল ও না সুজা চলে গেল।।
    আয়শা বেগম তাক ভাবি মনে হয় বেশি বিজি চিলি মনে ছিল না প্লিজ মনে কিছু নিয়েন না।
    ((( সবাই সাপোট করবেন ভুল ত্রুটি হলে কমাদৃষ্টি তে দেখবেন গল্প টা পরে কেমন লাগলো যানাবেন ধন্যবাদ)))

    8
    5 Comments
    • বাহ্! ভালো লাগলো। তবে বানানের দিকে একটু খেয়াল রাখলে আশা করি আরও সৌন্দর্য বেড়ে যাবে। শুকরিয়া!

      • ধন্যবাদ জানানোর জন্য পর্বতীতে মাথায় রাকব বানানের দিক টা। আর আমার লেখ গুলো পড়ার আমন্ত্রণ রইল

    • পুরো লেখাটা পড়লাম।ভালো লাগলো।শুভকামনা।

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 21 March 2026 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • অবুঝ মনের চাপা টান,
      শুরু হলো নতুন গান।
      অশ্রু মাখা বিষাদ ক্ষণ,
      জুড়বে কি আজ দুজন?

Skip to toolbar