-
নূর জাহান।
জান্নাতুন নূর সাহলা।তেহেরানের মেহেরুন্নিসা নেসা হিন্দুস্তানের এল
পিতা মাতার কোলে ছিল কে জানি তো সম্রাজ্ঞী হবেন?
জন্মেছিল মরুর এক বাবলা গাছের তলায়
বিপদে পরে মা-বাবা কোচি মেহের কে পথে রেখে
যায় এগিয়ে, কিন্তু কান্না শুনে ফিরে আসে
নেয় জড়িয়ে বুকের মানিকে,পরম যত্নে।
পরে সম্রাট আকবরের দয়ায় তাদের দুর্দশা কাটে
পেল ঠাই মেহেরুন্নেসা হেরেমের কোনে।
দিন যায় মাস,মাস যায় যায় বছর কেটে
মেহেরুন্নেসা কৈশোরে পা দিয়ে প্রেমে পরে
শাহাজাদা জাহাঙ্গীরের, সারা প্রসাদ রটে।
সম্রাট আকবর মেহেরুন্নেসার বিয়ে ঠিক করে
শের আফগান কুলি খানের সাথে, কন্যার বিবাহ হইল।
মেহেরুন্নেসা স্বামীর সাথে চলিল বর্ধমানে, চলিল বর্ধমানে
জাহাঙ্গীরের দীর্ঘশ্বাস হায় ,যেন প্রেমের খন্জন চলিল বুকে।
ওদিকে সংসার পেতে কৈশোরের প্রেম ভুলে ছিল
শের আফগান যেমনি বীর,তেমনি প্রেমিক মেহেরুন্নেসা ভাবিত।
কিন্তু একদিন ঘটিল অঘটন, শের মারা গেল ,কপালো পুরিলো
মেহেরের, কন্যা লাডলী বেগমকে নিয়ে ফের হেরেমে আশ্রীত।
মেহেরুন্নেসার রুপ যেন বাড়িতে থাকিল,অন্যদিকে জাহাঙ্গীরের
প্রতিক্ষা ভাঙ্গিল, দুজনে ফিরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইল,আবদ্ধ হইল।
জাহাঙ্গীর নতুন পত্নীর নাম দিল নূরজাহান, পুলকিত নূর জাহান
সেই নামের জন্যই, মোগল সমাজ্ঞের অর্ধেক হাল ধরিল।
জাহাঙ্গীর ছিলেন নেশখোর, আমোদ প্রিয় ও শিকারে ব্যাস্ত
নূর জাহান রাষ্টের রুপার মুদ্রায় নিজের ও নাম তুলিল।
শুধু কি নূর জাহান রুপের,গুণে অনন্যা ,বাঘ্র শিকাড়ে ছিল
তার বিরাটো মহিমা, ৬ গুলিতে চার বাঘ্র শিকারো করিল।
মমতাজের ফুফু সে, কবিতা লিখত খুবই ভালো
তাই তার লেখা কবিতা দুটি চরন, যা আছে তার কবরের গায়ে লেখা
লিখে গেলাম, আপনেরা পড়েন গো মন দিয়া,
”এই নগন্য আগন্তুকের কবরের উপর না কোনো প্রদীপ থাক,
না কোনো গোলাপ। না কোনো প্রজাপতির পাখা পুড়ুক,
না কোনো বুলবুলি গান গাক।”2 Comments
Friends
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
@mdziaurrahman
মানিকুল ইসলাম মানিক (কবি/সাহিত্যিক)
@manik123mmmgmail-com
ঈশিতা ঈরু
@eshitabiswaseru15
ফরিদুল ইসলাম
@dailychandpursomoy
মেহেদী মারুফ
@maruf1
Md Mofiz
@mdmofiz
মো মবিনুল ইসলাম সিয়াম
@mobinulislam
MAHMUD HAYAT
@mahmudhayat
মোঃ ইফতেখার আহমেদ তাজিম
@tazim

অসাধারণ ইতিহাস জানতে পারলাম। মনোহর শব্দচয়নে কবিতাটাকে আলাদা একটা ঐতিহাসিক কবিতা’ র মাত্রা দিয়েছে। এমন কবিতা আরো লিখবেন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।