-
“শেষ অক্ষরে – লিখি”
– আহমেদ আরভিনআমি তো চাই না গগন গগন পার করিতে,
শুক্ল মাধুরীর তনুময় জল পাঠ করিতে,
উষ্ণ আঁখির মায়ায় – ক্ষীণ বিষাদের বাঁধ ভাঙিতে।
আমি তো ছিলাম তোমার বাঁ-দিক ক্ষণে রেশ কাটিতে,
তোমার হরিৎ বৃত্ত শাড়ির আকৃতি আঁচের বেশ কাছেতে,
গোটা নিশি গুঞ্জন উন্মাদনের উন্মেষ মেঘমালাতে –
এ পাশ কাটিতেই তোমার কেশের স্পন্দন – স্পর্শ করে মোর বাঁ-দিককে।
আর ঐ আধরাতেই আমি লিখিয়া ফেলি তোমার নাম, শরৎ-বসন্ত-ভাদরের সাথে,
কত চরণ, নিবেদন, ভুবন এক করিয়া – একাকারে ঘন অম্বুদের চরণাবলীতে,
যে তোমারে খুঁজিব আমি – খুব করিয়া খুঁজিব আমি।যেন তোমারে আবার ডাকিব আমি, তুমি মোর বিষাদ-আঁখির নোনা পাখি,
যেরূপ অঙ্গিরা, পুলহ, অত্রি – মোর নোঙর করা কবিতার শেষ রাত্রি –
সলিল নেত্র বাহিকার উগ্র ক্রোধ ঐ গগন অবধি গাইয়া যায়,
তোমারে ডাকিব বলে ইন্দীবরে-ইন্দ্রিয়ের নীলাভ্র স্রোত বাহিয়া যায়।যেন আবার লিখি মোর বিষাদিণীকে, মোর অন্তগুহোর ঘোর বিষাদ ইতি যে,
মোর অনুশিরার ফুল প্রভাতিনীকে, মোর কিশলয়ের সুর প্রভা-দীঘিকে।
সেদিন কোমল কৃষ্ণ কবরীর দেখা দিয়াছে, অধর-বিম্ব রেখার তুলট আঁকিয়া গিয়াছে—
ঐ জলকেলিতে বিতীহোত্র স্নান করিয়া – যেন জগতের সেরা সৃষ্টির দেখা দিয়াছে।
আমি তখন তোমার বাঁ-দিক ক্ষণে, অপলক দৃষ্টি আমরণ ধরিয়া রাখিবার চেষ্টায়—
খুব করিয়া কাঁদিয়াছিলাম – ঐ চিত্ত-গগন অন্তস্থলে ডুবিয়াছিলাম অরুণ তৃষ্ণায়।আমি নিভৃত। পথপানে-চাওয়া বিশাল অন্তরীক্ষ সাক্ষী হে নির্বাণা—
নিত্য তুমি রবে গোটা শুক্ল পৃষ্ঠার চিঠিতে –
আমি লিখিব তোমারে, ভাবিব উদয় শুভ্র অরুণাদিত্যে;
তবুও তুমি প্রেম – মোর কল্পলোকের কল্পনা থেকে যাইয়ো না –
মোর ক্ষীণ বিষাদে ছাড়িয়া যাইয়ো না – তুমি, সুখ থেকে কভু যাইয়ো না।3 Comments
কবিতাতে কথা হবে - প্রতি ছন্দে থাকবে গল্প নয় লিপ্সু ।
Friends
আশরাফুল আলম রিশি
@rishi
মোঃ মাহফুজুর রহমান
@nnxnsnmfkfkkgmail-com
জুলহাজ আলী জীবন
@julhaj
পিপীলিকা
@abujubair
Poly Alam
@butterflywords
আজিজুর রহমান
@azizurrahman
End The river
@endtheriver
Puja Chakrabartty
@pujachakrabartty
আশরাফ রনজন
@mohammedashrafulislamashrafranjan



বাংলা শব্দের জাদুকরী ব্যবহার! প্রতিটি পংক্তি যেন এক একটি জলরঙের ছবি। অসাধারণ!