Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • Profile picture of বিষণ্ন সুমন

    বিষণ্ন সুমন

    1 week, 4 days ago

    আমি আমাকে চিনি

    তোমরা আমাকে অর্বাচীন বলো।
    হোদল কুতকুত খেলায় আমি নাকি ঠিক এঁটে যাই।

    অথচ রামসাগরে ভেলা ভাসানোর ছলে
    তোমরা মর ডুবে
    যদিও কদাচিৎ ভেসে উঠো
    রক্ত করবী ভেবে অহেতুক
    পদ্ম গুল্মের নালী ধরে টানাটানি কর।

    আমার দমে পাহাড়ের চুড়া জ্বলে
    তাতে ঠিক আকাশ ফাঁটে
    নামে রোদ্দুর
    স্বপ্ন ভঙ্গের মরনদশা কেবলি তোমাদের।

    সম্ভাবনার অমিত ছাপা কলে
    তোমরা কর জীবনের বিন্যাস।
    সাপের সাথে দিব্যি লুডু খেল
    আবার বাজপাখির শূণ্য উদরে
    সেঁধিয়ে দাও রক্তাক্ত কাঁটা চামচ।

    আমি ফলের মাথা কেঁটে ফল খাই না।
    আমি জানি কোন এক অংকুরোদগমের কালে
    এটাও একটা ফলবান বৃক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

    তোমরা মার
    নিজেরা মর
    আবার বেঁচে উঠ
    একটা মিথ্যে জীবনের পান্থশালায়
    তোমাদের জীবনের খেলা চলে।

    আমি স্বপ্ন দেখিনা
    স্বপ্নভঙ্গে কাঁদিওনা কোনদিন।
    আমি এক আপাদমস্তক অর্বাচিন মানুষ।
    জন্মের পর থেকে কুতকুতিয়ে চলেছি।

    আমার জানার শেষে না পাওয়ার ব্যথা নেই।
    নেই হরেক টানাপোড়েনের গল্প।
    আমি লম্বা দমে পথ চলেছি
    হেঁটে গেছি ধীর স্থির শান্ত হয়ে
    সামনে অলক্ষ্য জীবনের অমোঘ শামিয়ানা।
    জানি এর নিচেও ঠিক মিলে যাবে অকাল প্রয়ান।

    তোমরাও মরবে।
    মরতে গিয়েও বেঁচে উঠতে চাইবে।
    এভাবেই টালমাটাল তুমি চলে যাবে
    আজ কিংবা আগামীকাল ঠিক একদিন
    রক্তকরবীর মতই বুকে কাঁটা নিয়ে
    অহেতুক রাম সাগরে সলিল সমাধি হয়ে।

আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar