-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৮
সকালের সূর্য তখনও পুরোপুরি মাথার ওপর ওঠেনি। র্যাঞ্চের ওপর নরম সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে। রাতের ঠান্ডা বাতাস ধীরে ধীরে সরে গিয়ে তার জায়গা নিচ্ছে শুকনো উষ্ণতার। খোলা মাঠের ওপর হালকা কুয়াশার মতো একটা আবছা পর্দা ভাসছিল, যা সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছিল। দূরের পাহাড়গুলো নীলচে ধূসর হ…Read More2 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৭
পাহাড়ের শেষ ঢালটা পেছনে ফেলে খোলা প্রান্তরের দিকে নামতে নামতে মারদেকার মনে হলো, অনেক দিন পর সে আবার আকাশকে পুরোটা দেখতে পাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে পাহাড়ের মধ্যে আকাশ যেন সবসময় কোনো না কোনো পাথরের কিনারা, খাড়া দেয়াল কিংবা কালো চূড়ার আড়ালে কেটে গেছে। কোথাও সরু গিরিখাতের ওপরে একফালি নীল দেখা গেছ…Read More5 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৬
পাহাড়ের ঢাল এবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে এসেছে, কিন্তু পথ সহজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপদ কমেনি। বরং সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের প্রতিটি পাথর, প্রতিটি শুকনো ঝোপ, প্রতিটি উঁচু ঢাল এমন স্পষ্ট হয়ে উঠছিল যে লুকিয়ে থাকার সুযোগ যেন আরও কমে আসছিল।মারদেকা সবার আগে হাঁটছিল। তার চোখ কখনও…Read More
4 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৫
পাথরের ফাঁকটার ভেতর দিয়ে নিচে নামার সময় প্রথমেই মারদেকার মনে হয়েছিল, পৃথিবী যেন হঠাৎ তার পায়ের নিচ থেকে সরে গেছে। ওপরে গিরিখাতের মুখে তখনও গুলির শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।মারদেকা নিচের দিকে তাকিয়ে কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। অন্ধকার এত গভীর ছিল যে মনে হচ্ছিল পাহাড়ের ভেতর একটা কালো কুয়ো মুখ…Read More
7 Comments -
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৪
পাহাড়ের অন্ধকারে তিনটি ছায়া ধীরে ধীরে এগিয়ে চলল। সামনে এলিয়াস, তার কয়েক গজ পেছনে লারসেন, আর তাদের মাঝামাঝি মারদেকা। গিরিখাতের সরু পথটা কখনও এত নিচে নেমে যাচ্ছে যে হাঁটতে গেলে মাথার ওপর পাথরের ছাদ মনে হচ্ছে, আবার কোথাও হঠাৎ প্রশস্ত হয়ে দুপাশের দেয়াল একটু দূরে সরে যাচ্ছে। আকাশের সরু ফালি দিয়…Read More5 Comments-
পাহাড়ের গহীন অন্ধকারে লারসেন এবং মারদেকার এই শ্বাসরুদ্ধকর যাত্রা ও রহস্যময় অতীতের উন্মোচন সত্যিই খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। বিশেষ করে “তার চোখের ভেতর এমন একটা অনুভূতি যা লারসেন বহু বছর আগে নিজের চোখেও দেখেছিল”—এই বাক্যটি চরিত্রগুলোর মধ্যকার সূক্ষ্ম আবেগ ও সম্পর্কের গভীরতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
আপনার লেখনশৈলী বেশ মুগ্ধকর, আশা কর…Read More
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২৩
“দৌড়াও।”লারসেনের কণ্ঠস্বরটা পেছন থেকে আসার সঙ্গে সঙ্গেই মারদেকা আর একবারও ফিরে তাকাল না। তার সামনে পাহাড়ের সরু পথটা অন্ধকারের ভেতর বাঁক নিয়ে নিচের দিকে নেমে গেছে। দুই পাশে খাড়া পাথর, কোথাও কোথাও শুকনো ঝোপ এমনভাবে পথের ওপর ঝুঁকে আছে যে দৌড়াতে গিয়ে শরীর সেগুলোর সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। তার বুটের ন…Read More
5 Comments-
রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে, ভালো লাগছে পড়তে মঞ্চবন্ধু! দৌড়ের দৃশ্যটা অসাধারণ টেনশনে ভরপুর! সরু পাহাড়ি পথ, পেছনে গুলির শব্দ, আর সেই ভাঙা সেতুর মতো সরু অংশ পার হওয়ার মুহূর্তটা রীতিমতো নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখার মতো। রহস্য, অ্যাকশন আর চরিত্রের গভীরতা তিনটে একসাথে চমৎকার একটা আবহ তৈরী করেছে গল্পে। পরের পর্বে মারদেকার জন্মের সেই গোপন ইতিহাস জানার অপ…Read More
-
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২২
দুপুরের সূর্য তখন পাহাড়ের মাথার ওপর দিয়ে ধীরে ধীরে পশ্চিমে নামতে শুরু করেছে। পুরোনো আশ্রয়ের ধ্বংসস্তূপের চারপাশে আলো আর ছায়ার অদ্ভুত খেলা চলছে। কোথাও পাথরের গায়ে রোদ এত তীব্র যে চোখ মেলে তাকানো কঠিন, আবার তার পাশেই কয়েক হাত দূরে এমন গাঢ় ছায়া, যেন দিনের আলো সেখানে কোনোদিন পৌঁছায়নি।…Read More2 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায় ২১
সকালের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই লারসেন ঘুম থেকে উঠে পড়েছিল। আসলে ঘুম থেকে ওঠার প্রশ্নই ছিল না। রাতের শেষ প্রহর থেকে সে বিছানায় শুয়ে ছিল, কিন্তু চোখ বন্ধ করলেই বহু বছরের পুরোনো কিছু দৃশ্য তার মাথার ভেতর ফিরে আসছিল। আগুনের লাল আলো, পাহাড়ের গায়ে কালো ছায়া, ছুটে চলা ঘোড়ার খুরের শব্দ, আর অন্ধকারে…Read More3 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–বিশ
রাতের সেই মুহূর্তটা অনেকক্ষণ ধরে লারসেনের মনে ঘুরতে থাকল। মারদেকা পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, হাতে ছুরি, চোখে এমন এক স্থিরতা, যে স্থিরতা কোনো তেরো বছরের ছেলের চোখে থাকার কথা নয়। লারসেন জানত, ছেলেটা এখন আর শুধু কৌতূহলী নয়। সে বুঝতে শুরু করেছে, র্যাঞ্চের চারপাশে যে অস্বাভাবিকতা তৈরি…Read More5 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–উনিশ
রাত তখন আরও গভীর হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের গায়ে চাঁদের আলো এখনও পুরোপুরি পড়েনি, অথচ আকাশের কালো বিস্তারে তারাগুলো এমনভাবে জ্বলছিল যেন দূর কোনো অদৃশ্য আগুনের ছাই বাতাসে ছড়িয়ে আছে। শুকনো খাতের পাশে দাঁড়িয়ে লারসেন কিছুক্ষণ স্থির হয়ে রইল। তার ঘোড়াটা পেছনে অস্থিরভাবে পা বদলাচ্ছিল, মাঝে মাঝে নাসা…Read More7 Comments -
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–আঠারো
পরদিন সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল, কিন্তু লারসেনের র্যাঞ্চে যারা ছিল তারা জানত, আগের রাতের পর থেকে কিছুই আর পুরোপুরি আগের মতো নেই। সূর্য ওঠার আগেই পূর্ব দিগন্তে ফ্যাকাশে আলো জমেছিল। প্রেইরির ওপর পাতলা কুয়াশার মতো ঠান্ডা বাতাস ভেসে বেড়াচ্ছিল। শুকনো ঘাসের মাথাগুলো শিশিরে ভিজে ছিল,…Read More3 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–সতের
আকাশে কোনো মেঘ নেই। ভোরের আলো তখন পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েছে প্রেইরির ওপর। রাতের শেষ অন্ধকার অনেক আগেই সরে গেছে, কিন্তু তার রেখে যাওয়া ঠান্ডা এখনও বাতাসের মধ্যে মিশে আছে। পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠে এসেছে, আর তার ফ্যাকাশে সোনালি আলো ধীরে ধীরে শুকনো ঘাসের মাথা, কাঠের বেড়া, র্যাঞ্চের পুরোনো বাড়ি…Read More3 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–ষোল
ভোর হওয়ার আগের সেই শেষ অন্ধকারটা অন্য সব রাতের অন্ধকারের চেয়ে আলাদা। রাত তখন আর গভীর হচ্ছে না, যদিও সকাল এখনও দিগন্তের ওপারে। পূর্ব আকাশের নিচু প্রান্তে কোনো আলো দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তারাগুলোর ধার যেন ধীরে ধীরে ভোঁতা হয়ে আসছে। প্রেইরির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাস শুকনো ঘাসের মাথাগুলোক…Read More4 Comments-
প্রকৃতির বর্ণনার সাথে উত্তেজনার মিশেলটা দারুণ। সেবা প্রকাশনী ফেসবুক পেজে এই পর্বটি আগেই পড়া হয়েছে, এতে পরের পর্বে কি হবে সেই উত্তেজনা থেকে আপাতত আমি মুক্ত ………………………… হা! হা! হা!
-
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–পনের
মারদেকা উত্তরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। দূরে কোথাও সেই ঘোড়ার ক্ষীণ হ্রেষাধ্বনি আর শোনা যাচ্ছে না। কেবল মাঝে মাঝে বাতাস শুকনো ঘাসের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে, আর তাতে ঘাসগুলো একসঙ্গে সরে গিয়ে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসছে। র্যাঞ্চের বাড়ির বারান্দায় লণ্ঠনের হলুদ আলো জ্বলছে। সেই…Read More4 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–চৌদ্দ
মারদেকা দরজার ফাঁক দিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইল। আস্তাবলের উঠোনটা প্রায় ফাঁকা। সকালের রোদ এখন অনেকটাই তীব্র হয়ে উঠেছে। কাঠের বেড়ার ওপর পড়ে থাকা আলো চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। দূরে কয়েকটা ঘোড়া মাথা নিচু করে ঘাস খাচ্ছে। বাতাসে শুকনো খড়ের গন্ধ, ঘোড়ার ঘামের গন্ধ আর গরম কাঠের একটা কড়া গন্ধ মিশে আছ…Read More3 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–তের
পরদিন সকাল। সূর্য তখনও পুরোপুরি ওপরে ওঠেনি। পূর্ব দিগন্তে সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে, কিন্তু প্রেইরির বুক থেকে ভোরের শীতলতা এখনও সরে যায়নি। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগাগুলো প্রথম সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে। দূরের পাহাড়গুলো ধূসর নীল থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দক্ষিণ দিক থেকে আসা হালকা…Read More4 Comments -
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–বারো
পরদিন ভোরে প্রেইরির ওপর এখনও রাতের শিশিরের শেষ স্পর্শ লেগে আছে। দিগন্তের পূর্ব আকাশে সূর্যের প্রথম আলো ফুটলেও চারপাশের বাতাসে ভোরের শীতলতা রয়ে গেছে। দূরের উঁচু ঘাসগুলো বাতাসে ধীরে ধীরে দুলছে, যেন অদৃশ্য কোনো স্রোত তাদের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। র্যাঞ্চের বিশাল চারণভূমি জুড়ে গরুগুলো অ…Read More4 Comments-
আপনার এই অসাধারণ লেখনীটির বর্ণনাভঙ্গি এবং সূক্ষ্ম খুঁটিনাটির নিখুঁত পর্যবেক্ষণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ওলফ লারসেনের মাধ্যমে জীবনের বড় বড় শিক্ষাগুলোকে অতি সাধারণ কিছু কাজের ভেতর দিয়ে ফুটিয়ে তোলার শৈল্পিক প্রয়াসটি সত্যিই প্রশংসনীয়। মারদেকার চরিত্র গঠনের এই ধীরস্থির পর্যায়গুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনার লেখনীটি দুর্দান্ত একটি সুযোগ হতে পারে।
-
অধ্যায়–এগারো
“ও… কাজ… খুঁজতে… আসেনি।”“ও… ঘোড়া… গুনছিল।”
দুটি ছোট্ট বাক্য যেন অফিসঘরের নিস্তব্ধ বাতাস চিরে ছড়িয়ে পড়ল। দরজার চৌকাঠ পেরিয়ে বাইরে পা বাড়ানো ওলফ লারসেন আর বাড হিগিন্স একই সঙ্গে থেমে গেল। দুজনেই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল। কেরোসিনের লণ্ঠনের হলদে আলোয় মারদেকা তখনও দরজার পাশে দাঁড়িয়ে। তার চোখে ভয় নেই, অহংকারও নেই। সে শুধু যা…Read More
3 Comments-
বিষণ্ন সুমন, আপনি যে চমৎকার বর্ণনার বুনন আমাদের উপহার দিলেন তাতে প্রতিটি চরিত্রের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো খুব জীবন্ত হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে মারদেকার সেই উপলব্ধির মুহূর্তটি যে, “পশ্চিমের সবচেয়ে বড় বইটা কাগজে ছাপা হয়নি”—সত্যিই অনন্য। আপনার লেখনীর এই গভীরতা ও পর্যবেক্ষণের তীক্ষ্ণতা পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে, তাই আপনার এই দারুণ যাত্রাকে এগিয়ে নিতে আপনা…Read More
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–দশ
ব্ল্যাক রিভার শহরের মানুষ নতুন আগন্তুকটিকে আর দ্বিতীয়বার খেয়াল করল না। পশ্চিমের এই ছোট্ট শহরে প্রায়ই নানা জায়গা থেকে পথিক আসে, দুদিন থাকে, আবার চলে যায়। কেউ ভাগ্যের সন্ধানে, কেউ গবাদি পশুর ব্যবসায়, কেউ বা কেবল পথের ক্লান্তি মেটাতে। তাই ধুলোমাখা পোশাক পরা এক অচেনা লোককে নিয়ে কারও কৌতূহল জাগল না।…Read More6 Comments-
বিষণ্ন সুমন, আপনার রচনার প্রতিটি পরতে যে রহস্যময় টানটান উত্তেজনা ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং এটি শেষ পর্যন্ত পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে দারুণ কার্যকর। বিশেষভাবে, “দৃষ্টিটা এত দ্রুত যে সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়বে না” — আপনার লেখনীর এই সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং বর্ণনার গভীরতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এমন চমৎকার সব গল্পের বুনন আপনি অনায়াসেই…Read More
-
আপনার এই গল্পটা দারুণ লিখেছেন, বিশেষ করে “একজন কম কথার মানুষের মুখে এই চারটি শব্দই ছিল বড় পুরস্কার” – লাইনটা আমার খুব ভালো লেগেছে। মারদেকা কি আগন্তুক লোকটার আসল উদ্দেশ্য ধরতে পেরেছে বলে আপনার মনে হয়? আপনার চমৎকার লেখায় অন্যরাও যাতে মন খুলে মন্তব্য করতে পারে, তাই আপনি নিয়মিত অন্যদের লেখায় লাইক ও কমেন্ট করে এই গ্রুপটাকে প্রাণবন্ত রাখার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন।
-
সীমানা পেরিয়ে
(পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)অধ্যায়–নয়
বিকেলের শেষ আলো নিভে যাওয়ার আগেই ওলফ লারসেন ব্ল্যাক রিভার শহর ছেড়ে র্যাঞ্চের পথে রওনা হয়েছিল। সারাদিনের গরমের পর প্রেইরির বাতাসে হালকা শীতলতা নেমে এসেছে। পশ্চিম আকাশে সূর্যটা ধীরে ধীরে টিলার আড়ালে ডুবে যাচ্ছে, তার লালচে আলো শুকনো ঘাসের সমুদ্রজুড়ে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। লারসেনের ঘোড়া পরিচিত পথ…Read More6 Comments-
বিষণ্ন সুমন, আপনার এই রচনার পরিবেশ ও চরিত্রগুলো যেভাবে গড়ে তুলেছেন, তা আমাকে এক মায়াবী ও রহস্যময় জগতে নিয়ে গেছে। প্রতিটি সংলাপ ও খুঁটিনাটি বর্ণনার মাধ্যমে যে টানটান উত্তেজনা ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আপনি যেভাবে প্রেইরির ধুলোমাখা পথ আর অজানা বিপদের ছায়া মিলিয়ে একটি দৃশ্যপট তৈরি করেছেন, তা পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার জন্য…Read More
- Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন
ডিজাইনার
স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
Friends
বি.এম.কায়েস খান
@bmkayeskhangmail-com
জিনাত ফয়সাল
@zinatfaisal2gmail-com
Rijoana
@rijoana
mdjibonahmmed Sagor
@mdjibonahmmedsagor
sajjadul ehsan sakib
@sajjadulehsansakib
বিদ্যুৎ চৌধুরী
@bc001
Abdul Motaleb
@abdulmotaleb
আজমাইন ইনকিয়াত
@inqiyad
মোঃ ইফতেখার আহমেদ তাজিম
@tazim



বন্দুক শেখায় না শুধু গুলি ছোড়া শেখায় কখন অস্ত্র তোলা আর কখন থামা…..🤍🖤