Profile Photo

নাদিয়া রিপাত রিতুOffline

  • Ritu
  • মেয়েদের ভিতরের গল্প
    ;নাদিয়া রিপাত রিতু
    মা-বাবা ছোট থেকে একটা মেয়ে‌কে লেখা-পড়া করিয়ে বড় করে।যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হয় মেয়েটিকে চেষ্টা করে ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে মেয়েটি সংসার জীবনে যেন‌ সুখে থাকে  সব সময় মা-বাবা এটাই চাই।তার জন্য মা-বাবা কোনো কিছু কমতি রাখেনা।যার যতটুকু সামর্থ্য আছে মেয়েকে দিয়ে শ্বশুর বাড়িতে পাঠায়।এরপর ও যদি কিছু বেশ কম হয়ে যায় মেয়েটাকে শুনতে হয় নানা রকম কথা।মেয়েটা মা-বাবার সম্মানের জন্য চুপ থেকে সব সহ্য করে যায়।এরপর কোনো কাজ ভুল হলে মেয়েটাকে শুনতে হয় মা-বাবা নিয়ে খোটা। বিয়ের এক দুই মাস যেতে না যেতে মেয়েটার বদনাম পুরো পাড়া করে।বিয়ের সময় সব ছেলের পরিবার এটাই বলে কোনো কাজ করতে হবে না মেয়ের মত থাকবে।আর বছর যেতে দেয় না মেয়েটা দোষ ধরা শুরু।তারা সত্যি মেয়েটাকে নিজের মেয়ে ভাবতো এত দোষ খুঁজতো না।এসব সহ্য করে কিছু মেয়ে বছরের পর বছর সংসার করে।আর স্বামী সে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।আর বউয়ের হয়ে কথা বললে বউ পাগল ছেলে।বিয়ে করবে অথচ বউয়ের হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেনা ।আর সবাই বলে শ্বশুর বাড়ি গেলে এসব সহ্য করতে হয় । অনেক মেয়েরা সবটা সহ্য করেনা তারা সমাজের জন্য খারাপ।বুড়ো বয়সে এসব শ্বশুর শাশুড়ি চাই  বউমা যেন নিজের মেয়ের মত সেবা করবে। কিন্তু মেয়ে ভাবতে তাদের সমস্যা হয় কেন? একটা নতুন মেয়ে আসছে মেয়েটাকে আপন করে নিলে ক্ষতি হয়ে যায়।মেয়েটাকে একটু ভালোবাসুন নিজের মেয়ে ভেবে দোষ ত্রুটি মাফ করে দিন। আপনি সাংসারিক জীবনে নতুন না কিন্তু যে মেয়েটি আপনার বাড়ির বউ হয়ে আসছে সে সম্পূর্ণ নতুন।তাকে কিছুটা সময় দিন সব বুঝার ।অনেক মেয়েরা সবটা ভুলে ও মা-বাবার মত সেবা করে । শ্বশুর বাড়িতে মানছি সহ্য করতে হয় মন মানসিকতা তো পরিবর্তন হওয়া দরকার। সভ্যতা উন্নত হচ্ছে তাহলে কেন এসব মন মানসিকতা পাল্টাচ্ছে না। প্রত্যেকটা মা-বাবার উচিত মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার আগে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে এত কিছু‌না দিয়ে মেয়েটার জন্য কিছু করা যার থেকে কিছুটা হলে ও মেয়েটার নিজের খরচ নিজে চালাতে পারে। আর বাপের বাড়ি যত কোটাপতি হোক শ্বশুর বাড়ি যতই মধ্যবিত্ত হোক । মন মানসিকতা ভালো না হলে মেয়েরা সম্মান পাইনা।শ্বশুর বাড়ি পাঠানোর আগে সম্ভব হলে বিয়ের সময় চুক্তি করে নেওয়া পড়ালেখা লেখা করানোর।আর দামী টিভি ফ্রিজ এসব না দিয়ে বরং এমন কিছু দিন যা থেকে মেয়েটা উপার্জন করতে পারবে ।একটা মেয়ের জীবন কী সত্যিই পুতুল খেলা মনে করে এ সমাজের মানুষ ।এটা শুধু আমার গল্প না প্রত্যেকটা ঘরের চিত্র।১০০% মধ্যে ৯৮ % মেয়ের জীবন এমন হয়।আর আমি বলছিনা সব মেয়ে ভালো ।দোষ গুণ সবার মাঝে আছে।আমি ৯৮% মেয়ের পক্ষে লেখাটি লিখেছি।আমরা চুপচাপ সহ্য করে নিই‌ বলে এই সমাজ পরিবর্তন হচ্ছে না।সব মেয়ের তো একই সমস্যা এটা ভেবে সহ্য করে নিই।যারা সহ্য করতে পারেনা বিচ্ছেদ,না হলে আত্মহত্যা। স্বামীর সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলে বিচ্ছেদ তো হবেই।আর কত মেয়েকে আত্মহত্যা করতে হবে ।মেয়েরা জীবন দিয়ে ও যে মন মানসিকতা বদলাতে পারছে না।এই জন্য হয়তো আমাদের সভ্যতা পরিবর্তন হলেও মন মানসিকতার পরিবর্তন হচ্ছে না।আমার সব মা-বাবার কাছে একটাই অনুরোধ নিজের মেয়েটাকে যেমন দেখতে চান পরের মেয়েকে এভাবে রাখবেন।বউ ভেবে না মেয়ে ভেবে কাছে টেনে নিন।দেখবেন প্রত্যেকটা মেয়ে নিজের ভেবে সংসারটা আগলে রাখবে।

    3
    2 Comments

Friends

Profile Photo
ফারহানা
@akterponnyfarhanagmail-com
Profile Photo
Fazilatun Nesa
@fazilatun-nesa
Profile Photo
লিটনধর
@dharraj04gmail-com
Profile Photo
prankrishna Biswas
@prankrishnabiswas
Profile Photo
Zaman. com
@zaman-com
Profile Photo
Md Al Maun
@mdalmaun
Profile Photo
Shamim Hossain
@shamimhossain
Skip to toolbar