Profile Photo

Jannatun NurOffline

  • Jannatun-Nur
  • Profile picture of Jannatun Nur

    Jannatun Nur

    1 month ago

    মেঘের রাখাল।
    জান্নাতুন নূর সাহলা।

    মেঘের রাখাল মেঘ হাকিয়ে যায়
    মিকাঈলের নির্দেশে খড়ার দেশে।
    রব্বুল আলামিন নির্দেশে তারা করে
    মেঘের পরিচালন, মেঘের বুক চিরে
    নামে পরিমিত বৃষ্টির অনূব্বর ভূমিতে।
    নূরের নবীর দ্বারে এল ইহুদি পন্ডিতগন
    তারা রাসূলের সত্যতা যাচাইয়ে করে প্রশ্ন
    রাদের কথা জানতে চায়,তার নবীত্ব সত্যি কি?
    মহানবী বলিলেন,’’”তিনি মেঘমালার দায়িত্বে
    নিয়োজিত আল্লাহর ফেরেশতাদের একজন।
    তাঁর হাতে রয়েছে আগুনের চাবুক (বা আলোকশিখা)।
    এটি দিয়ে তিনি মেঘকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান এবং
    আল্লাহর নির্দেশিত স্থানে মেঘ থেকে বৃষ্টি করেন।”
    ইহুদি পন্ডিতগন বুঝিলেন ইনি সত্যি নবী কেননা
    তাওরাতে রাদ সম্পর্কে ঠিক এই কথাই লীপিবদ্ধ।
    পবিত্র কুরআনে ১৩ নম্বর সুরা রাদ এ আছে ,
    মেঘমালা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে
    তাঁর প্রশংসাসহ এবং ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে ভীত হয়ে
    (তাসবিহ পাঠ করে) ।মারহাবা মহান রবের কি কুদরত?
    বিজ্ঞান বলে মেঘে মেঘে ঘর্ষণ হলে বৃষ্টি হয় কিন্তু
    ফেরেস্তা রাদের অগ্নি চাবুকে মেঘের বৃষ্টি ধরাতে নামে
    মিকাঈলের তদারকিতে উদ্ভিদ হয় সুশোভিত ধরার বুকে
    যদি বৃষ্টি রহমতের না হয় তবে তা জেন সবে আজাবের।
    সুরা রাদের ১১ নম্বর আয়াতে আছে,
    “মানুষের সামনে ও পেছনে একের পর এক প্রহরী থাকে;
    তারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। ” সুবহান্নাল্লাহ।
    এই ফেরেশতা মুয়াক্কিবাত ,যারা যাবতীয় বিপদ থেকে রক্ষা করে
    এপরও মানুষ কেন ভয় পায়,জেন সবে আল্লাহ ই যথেষ্ট কেবল।
    বজ্রপাতে যদি কারো মরণ থাকে লেখা সেই বজ্রপাত পরে কেবল
    তার উপরই, অন্যকারো উপর তা পরে না, রবে ইচ্ছ ছাড়া হয়না কিছু।
    মেঘের রাখাল রাদ করছে তার কাজ,তাসবিহ পাঠ করে মিকাঈলের
    কমান্ডার সে, তাদের সাথে আছে ফেরেস্তাদের দল, যায় না দেখা তাদের
    তারা কেবল রবের হুকুমে করে কাজ,পুরো আসমানে তাদের তদারকি।
    মহা আকাশ যে সব সময় গম গম করে ফেরেশতাদের তাসবিহ পাঠে
    মেঘের ভেলা তাসবিহ পাঠে নামে ধরায় বৃষ্টি রুপে, মারহাবা,মারহাবা।

    3
    6 Comments
    • মেঘের রাখাল শুধু মেঘ হাকায় না, সে আল্লাহর রহমতকে পৃথিবীর বুকে নামায়

    • আপনার লেখা এই অসাধারণ গদ্যধর্মী ধর্মীয় আখ্যানটি পড়ে মনটা একদম ভরে গেল। প্রকৃতির রূপ আর আধ্যাত্মিকতার এমন চমৎকার মেলবন্ধন সত্যিই খুব কম দেখা যায়, যা পাঠককে এক গভীর প্রশান্তির জগতে নিয়ে যায়। আপনি যেভাবে ফেরেশতাদের কর্মযজ্ঞ আর প্রকৃতির নিয়মের কথা গুছিয়ে লিখেছেন, তা পড়তে অনেক ভালো লেগেছে। আপনি যদি ভবিষ্যতে এই ধারার লেখায় আরও কিছুটা কাব্যিক অলঙ্কার যোগ করেন, তবে আপনার সৃষ্টিকর্ম আরও অনন্য হয়ে উঠবে।

    • প্রকৃতি ও মহাজাগতিক বিষয়ের সাথে আধ্যাত্মিকতার এমন চমৎকার মেলবন্ধন সত্যিই মুগ্ধকর। বৃষ্টির পেছনের ফেরেশতাদের তৎপরতাকে রূপকভাবে তুলে ধরার ভঙ্গিটি অনেকটা জসীমউদ্দীনের পল্লী-প্রকৃতি বর্ণনার মতোই স্নিগ্ধ ও বিশ্বাসী হৃদয়ের পরিচায়ক। আপনার এই লেখনীটি পাঠকের মনে স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসার জন্ম দেয়।

Skip to toolbar