-
সোনার গ্রাম।
ইসমাঈল মজুমদার(বি:দ্র: এই কবিতার আবৃত্তি পোস্ট করা হবে অনুভবের ছোঁয়া ইউটিউব চ্যানেলে এবং ফেইসবুক পেইজ )
আমার গ্রামের মাটির গন্ধে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়,
সবুজ পাতার মায়ার টানে মনটা ফিরে চায়।
ধানের ক্ষেতে বাতাস এসে দোলে আপন মনে,
পাখিরা সব গান শোনায় ভোরের নরম ক্ষণে।দিগন্তজোড়া সবুজ মাঠ, তার মাঝখানে পথ,
মেঠো পথে শিশির ঝরে, জাগে নতুন রথ।
দূর আকাশে সাদা মেঘের ভেসে চলা খেলা,
মাটির বুকে রোদের হাসি, আলোয় ভরে বেলা।এ গ্রাম যেন মায়ের আঁচল, স্নেহভরা ছায়া,
দুঃখ এলে বুক পেতে দেয়, মুছে দেয় সব মায়া।
এখানে মানুষ মানুষকে আপন করে নেয়,
বিপদ এলে সবার আগে পাশে এসে দাঁড়ায়।শহর জুড়ে অট্টালিকা আকাশ ছুঁতে চায়,
কাঁচের ঘরে বন্দী মানুষ ব্যস্ততায় দিন কাটায়।
হর্নের শব্দ, ধোঁয়ার মেঘে ভারী শহর-হাওয়া,
হাজার লোকের ভিড়ের মাঝে আপন মানুষ পাওয়া কই বা?শহর বলে সময় দৌড়ায়, থামার যেন মানা,
গ্রাম বলে, “এসো একটু, বসো, শোনো প্রাণের গানা।”
শহর জাগে নিয়ন আলোয়, রাত হয় না শেষ,
গ্রাম ঘুমায় জোনাক জ্বেলে, চাঁদের মায়ার বেশ।শহরজুড়ে গাড়ির মিছিল, পথ যেন ব্যস্ত নদী,
গ্রামের পথে গরুর গাড়ি, মাটির গন্ধ সুধী।
শহরে কত শব্দ বাজে, তবু মনটা একা,
গ্রামে বসে বাঁশির সুরে সুখের দেখা মেলে।শহরের সেই কংক্রিট ঘেরা দালান যত বড়,
আমার গ্রামের খোলা আকাশ তার চেয়েও সুন্দর।
শহরের পার্কে সাজানো ফুল হাসে কৃত্রিম রঙে,
গ্রামের বকুল আপন মনে সুবাস ছড়ায় সঙ্গে।শহরের বুকে কৃত্রিম নদী, কৃত্রিম সবুজ ঘাস,
গ্রামের বুকে সত্যি নদী, সত্যি বাতাসের শ্বাস।
শহর কিনে নেয় যে সুখটা, দামে যার হিসাব,
গ্রামের সুখ বিনা পয়সায়—নেই কোনোই জবাব।ভোরের বেলা মোরগ ডাকে, “জাগো রে জাগো,”
পূর্ব আকাশ লাল হয়ে কয়, “নতুন দিনের লাগো।”
শিশিরভেজা ঘাসের বুকে সূর্য হাসে ধীরে,
কৃষক নামে সোনার ক্ষেতে স্বপ্ন দু’টি নিয়ে।লাঙল কাঁধে মাঠের পথে কৃষক চলে যায়,
ঘামের ফোঁটা মাটির বুকে সোনার ফসল ফলায়।
তারই হাতে ধানের শীষে হাসে বাংলার প্রাণ,
তারই ঘামে পূর্ণ হয় যে সবার ঘরের ধান।বৈশাখ এলে কালবৈশাখী আকাশ জুড়ে নামে,
ঝড়ের সাথে বৃষ্টি এসে প্রাণ জাগায় থামে।
আমের বনে মুকুল হাসে, কোকিল গায় গান,
নতুন পাতার সবুজ রঙে জেগে ওঠে প্রাণ।জ্যৈষ্ঠ মাসে আম-কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধ ভাসে,
গাছের ডালে পাকা আমগুলো সোনার মতো হাসে।
লিচুর বনে লাল লিচুগুলো ঝুলে থাকে সারি,
গরম দিনের ক্লান্তি ভোলে পথের পথিক ভারী।আষাঢ় নামে মেঘের ভেলায়, আকাশ কালো হয়,
বৃষ্টিধারা ঝমঝমিয়ে মাটির তৃষ্ণা সয়।
খাল-বিল জলে ভরে ওঠে, নদী পায় নতুন প্রাণ,
কদম ফুলের গন্ধে ভরে বর্ষার অভিমান।শ্রাবণের সেই বৃষ্টিধারা টিনের চালে বাজে,
কিশোর ছেলেরা নৌকা ভাসায় গ্রামের ছোট্ট মাঝে।
কেউ বা বসে জানালাতে দেখে বৃষ্টির খেলা,
মেঘের ডাকে থেমে থাকে ব্যস্ত দিনের মেলা।ভাদ্র শেষে শরৎ আসে নীল আকাশের হাসি,
সাদা মেঘের ভেলায় ভাসে রোদের রূপের বাঁশি।
কাশফুলেরা নদীর ধারে দোলে আপন মনে,
শিউলি ঝরে ভোরের বেলা শিশিরভেজা ক্ষণে।হেমন্ত এলে ধানের ক্ষেতে সোনার ঢেউটি ওঠে,
কাস্তে হাতে কৃষক হাসে ফসল কাটার রথে।
নবান্নেরই নতুন ধানে ঘ্রাণ ছড়ায় ঘরে,
পিঠা-পুলির উৎসব নামে আপন সুখের তরে।পৌষের দিনে খেজুর গাছে রসের হাঁড়ি ঝোলে,
ভোরের কুয়াশা সাদা চাদর বিছিয়ে দেয় তলে।
চুলোর পাশে পিঠা ভাজে মায়ের মায়ার হাত,
শীতের রাতে গল্প জমে, কাটে দীর্ঘ রাত।মাঘের কনকনে শীতে কাঁপে গ্রামের ভোর,
রোদ পোহাতে উঠোনজুড়ে বসে কত জন।
খড়ের গাদায় রোদ মাখে অলস দুপুরবেলা,
শীতের রোদে হারিয়ে যায় কুয়াশার সব মেলা।ফাল্গুন এলে পলাশ জ্বলে আগুনরাঙা রঙে,
কৃষ্ণচূড়া হাসে যেন বসন্তেরই ঢঙে।
দোয়েল ডাকে, কোকিল গায়, ফুলে ভরে বন,
বসন্ত এসে রঙ ছড়ায় গ্রামবাংলার মন।ছয় ঋতুর ছয়টি রূপে সাজে আমার গ্রাম,
প্রকৃতি যেন রঙতুলিতে লেখে সোনার নাম।
কখনো সবুজ, কখনো সোনার, কখনো নীল আকাশ,
প্রতি ঋতু নতুন করে দেয় ভালোবাসার শ্বাস।দুপুরবেলা আমগাছতলে ছায়া মেলে ধরে,
বৃদ্ধ মানুষ গল্প করে আপন আপন করে।
ছেলেরা যায় পুকুরপাড়ে হৈ-হুল্লোড় তুলে,
মেয়েরা জল ভরে আনে কলসি মাথায় তুলে।পুকুরজলে শাপলা হাসে, পদ্ম দোলে ধীরে,
ডাহুক ডাকে কচুরিপানার সবুজ পাতার নীড়ে।
জলের মাঝে রোদের ঝিলিক চিকচিক করে যায়,
পাড়ের বটের ছায়া এসে জলের বুকে গায়।বাঁশবনে বাতাস এলে শোঁ শোঁ সুর তোলে,
তালগাছগুলো মাথা নেড়ে আকাশপানে দোলে।
নারিকেলের পাতার ফাঁকে চাঁদের আলো নামে,
জোনাকিরা প্রদীপ জ্বালে সন্ধ্যার নীরব গ্রামে।সন্ধ্যা হলে আজান ভেসে আসে দূরের মসজিদ থেকে,
দিনের ক্লান্তি নেমে আসে পাখির ডানার দেখে।
গরু ফিরে গোয়ালঘরে, রাখাল ফেরে বাড়ি,
চুলোর ধোঁয়া উঠতে থাকে, জ্বলে কুপির বাতি।রাতের আকাশ তারায় ভরা, চাঁদটি হাসে চুপে,
নিস্তব্ধতার মায়ার চাদর চারদিকটাকে ঢাকে।
শহরের মতো আলো নেই, নেই নিয়নের বাহার,
তবু গ্রামের রাতের সৌন্দর্য—অমূল্য উপহার।শহরে মানুষ পাশাপাশি, তবু দূরত্ব অনেক,
গ্রামে একটি সুখের খবরে হাসে শতজন এক।
শহরে পাশের ঘরেও কেউ কাউকে চেনে না,
গ্রামে কার ঘরে কী হয়েছে—কিছুই থাকে না অজানা।শহরে দরজা বন্ধ থাকে নিরাপত্তার ভয়ে,
গ্রামে দরজা খোলা থাকে আপনজনের সয়ে।
শহরে সময় কিনতে হয়, সম্পর্কেও হিসাব,
গ্রামে ভালোবাসা মেলে—নেই কোনো দাম-দরকার।শহরের চাকচিক্য আছে, আছে কত আলো,
তবু কেন ক্লান্ত মানুষ খোঁজে একটু ভালো?
গ্রামের ধুলো মাখা পথে নেই তো বিলাসিতা,
তবু সেথায় খুঁজে পাই যে জীবনেরই কবিতা।শহর আমায় স্বপ্ন দেখায় উঁচু দালান গড়ে,
গ্রাম আমায় স্বপ্ন শেখায় মাটির কাছে পড়ে।
শহর শেখায় এগিয়ে যেতে, সময় ধরে ছুটে,
গ্রাম শেখায় শিকড়টাকে বুকের মাঝে জুটে।এই গ্রামেরই মাটির কোলে আমার শৈশব হাসে,
এই গ্রামেরই নদীর জলে স্মৃতির ঢেউটি ভাসে।
এই গ্রামেরই পথের ধুলো আপন করে নেয়,
এই গ্রামেরই মানুষগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়।ধানের শীষে সোনার হাসি, সর্ষে ক্ষেতে ফুল,
আমবাগানে কোকিল ডাকে, মুছে মনের ভুল।
নদীর জলে নৌকা চলে, পালটি ওঠে হাওয়ায়,
মেঠো পথে রাখাল বাঁশি বাজায় আপন গাঁয়।শিউলি ঝরে ভোরের ঘাসে, কাশ দোলে বাতাসে,
পলাশ হাসে বসন্ত এলে রঙিন ভালোবাসায়।
বর্ষা নামে মেঘের ডাকে, শরৎ হাসে নীলে,
হেমন্তে ধান, শীতে পিঠা—সুখের ছবি মিলে।এখানে আছে দুঃখ-সুখের হাজার গল্পগাথা,
আছে মানুষের হৃদয়জুড়ে মমতারই ব্যথা।
অভাব আছে, কষ্ট আছে, আছে জীবনের টান,
তবু হাসে গ্রামের মানুষ, তবু গায় প্রাণের গান।যে মাটিতে কৃষক বোনে স্বপ্নেরই বীজ,
সেই মাটিতে জন্ম নেয় যে ভবিষ্যতের বীজ।
যে নদীতে নৌকা চলে ভোরের আলো পেয়ে,
সেই নদীই গল্প বলে যুগের কথা গেয়ে।আমার গ্রাম শুধু তো গ্রাম নয়, এ আমার প্রাণ,
এখানেই তো মিশে আছে আমার সুখের গান।
এখানেই তো মায়ের স্নেহ, বাবার ঘামের দাম,
এখানেই তো হৃদয়জুড়ে ভালোবাসার নাম।যত দূরে যাই না কেন, যত দেখি শহর,
মনে পড়ে গ্রামের পথে পড়া সেই রোদ্দুর।
কত আলো, কত বিলাস, কত বড়ো দাম,
সবকিছুর চেয়ে আপন আমার মাটির গ্রাম।শহর যতই সাজুক সেজে, যতই বাড়ুক নাম,
মনের মাঝে সবার আগে থাকে নিজের গ্রাম।
কংক্রিটের এই পৃথিবী যতই হোক মহান,
সবুজ গ্রামের মাটির কাছে হার মানে তার গান।তাই তো আমি গর্ব করে বলি সবার সামনে—
“আমার গ্রামই সেরা গ্রাম এই পৃথিবীর বুকে।”
সোনার চেয়েও দামী সে যে, হৃদয়েরই ধাম,
সবুজে মোড়া, মায়ায় ভরা—আমার সোনার গ্রাম।যদি কেউ কয়, “কোথায় তোমার সবচেয়ে সুখের ঠাঁই?”
হেসে বলি, “গ্রামের পথে—সেথায় ফিরে যাই।”
যদি কেউ কয়, “কোন ঠিকানা হৃদয় করে থাম?”
চোখ বুজে বলি, “বাংলার বুকে—আমার সোনার গ্রাম।”এই গ্রাম আমার ভালোবাসা, এই গ্রাম আমার প্রাণ,
এই গ্রামেই খুঁজে পাই যে জীবনের সম্মান।
জন্ম যদি হয় হাজারবার, চাইব একই নাম—
মাটির গন্ধে, সবুজ ছায়ায়—আমার সোনার গ্রাম।5 Comments-
অনুভূতির ডাইরি, আপনি এত চমৎকারভাবে গ্রামবাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন যে কবিতাটি পড়তে পড়তে চোখের সামনে যেন পুরো দৃশ্য ভেসে উঠছিল। শহরের যান্ত্রিকতা আর গ্রামের মায়ার যে তুলনা আপনি টেনেছেন, তা সত্যি আমাদের সবার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি। আপনার এই লেখাটি আমাদের মাটির টানে বারবার ফিরে যাওয়ার আকুতিকে আরও বাড়িয়ে দিল।
-
অনুভূতির ডাইরি, আপনি গ্রামবাংলার প্রকৃতির যে অপরূপ ও প্রাণবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, বিশেষ করে ‘শহর শেখায় এগিয়ে যেতে, সময় ধরে ছুটে, গ্রাম শেখায় শিকড়টাকে বুকের মাঝে জুটে’—এই লাইনটি পড়ে সত্যিই মনের গভীর থেকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব করলাম। আপনার লেখায় প্রতিটি ঋতুর পরিবর্তন ও গ্রামের সহজ-সরল জীবনযাত্রার যে নিখুঁত বর্ণনা উঠে এসেছে, তা যেকোনো পাঠকের হৃদয়ে নিজের শিকড় ও মাটির প্রতি এক গভীর মমত্ববোধ তৈরি করতে সক্ষম। আপনি চাইলে আগামীতে আপনার এই লেখনীর সাথে গ্রামের কোনো বিশেষ নিস্তব্ধ দুপুরের বা বর্ষার কোনো খণ্ডচিত্রের সাথে মিলিয়ে আরও কিছু ছোট ছোট স্মৃতি যোগ করতে পারেন, যা আপনার কাজটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এমন সুন্দর এবং স্নিগ্ধ অনুভূতির প্রকাশ আপনার লিখনশৈলীকে আরও সমৃদ্ধ করুক এবং নিয়মিত কলম চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আপনি আমাদের আরও এমন মুগ্ধতা উপহার দিয়ে যান।
ঢাল নেই, তলোয়ার নেই,
নেই মোর গায়ে বল।
নারায়ে তাকবীরের কর্মী আমি,
এটুকুই মোর সম্বল।
Ismail Mozumdar

Ismail Hossain Mozumdar
- ইসমাঈল হোসেন মজুমদারের সম্পূর্ণ পরিচয়
পুরো নাম: ইসমাঈল হোসেন মজুমদার
ডাক নাম: ইসমাঈল
কলম নাম: ইসমাঈল মজুমদার
জন্ম: ২০০২ সাল, বাগচতল গ্রাম, মনোহরগঞ্জ থানা, কুমিল্লা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা: বাংলাদেশি
ধর্ম: ইসলাম
Visite Facebook Profile: Click Hear
আমার কবিতা শুনুন।
Page
Youtube Channel
শিক্ষা জীবন:
- প্রাথমিক শিক্ষা: শরীফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।
- পরবর্তী শিক্ষা: বিভিন্ন মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন এবং ২০১৪ সালে চিতাষি সুলতানিয়া ফাজিল মাদরাসায় ইবতেদায়ী চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন।
- পরীক্ষার ফলাফল:
- PSC: ২০১৬
- JSC: ২০১৯
- দাখিল: ২০২২
- আলিম: ২০২৪
বর্তমান পড়াশোনা:
- ফাজিল: চিতোষি সুলতানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
- অনার্স: গাজীমুড়া কামিল মাদ্রাসা।
পারিবারিক পরিচয়:
- পিতা: মরহুম বাহারুল ইসলাম মজুমদার (২০০৪ সালে ইন্তেকাল করেন) – তিনি ছিলেন একজন ইউনিয়ন সদস্য ও স্ক্রিম ব্যবসায়ী।
- মাতা: রোকেয়া বেগম
- ভাই-বোন: তিনি আট ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট।
- মরিয়ম বেগম লাভলী
- ওমর ফারুক সোহেল মজুমদার
- জান্নাতুল ফেরদৌস
- শিউলি
- শেফালী
- মাইমুনা আক্তার বকুল
- ইউসুফ হোসেন মজুমদার
- ইসমাঈল মজুমদার
পেশাগত জীবন:
- তিনি একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ফ্রিল্যান্সার।
- পাশাপাশি, সাহিত্য রচনায়ও তিনি সক্রিয়।
সাহিত্য ও লেখালেখি:
- তিনি মূলত কবিতা, ছোটগল্প ও হাস্যরসাত্মক গল্প লিখে থাকেন।
- তার লেখা কিছু জনপ্রিয় কবিতা ও ছন্দ:
- "আমারে দেখায়া লাভ নেই"
- "প্রিয়"
- "বড্ড ইচ্ছে করে"
- "কোথাও কখনো দেখা হয়নি তোমার ছবিটা"
- "বৃষ্টি বিলাস"
- দুই লাইনের প্রেমের ছন্দসমূহ
- বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরে তার লেখা আহ্বান
তার কবিতাগুলো প্রেম, বিরহ, বাস্তবতা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে লেখা হয় এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বিশেষ পরিচিতি ও জীবন দর্শন:
- তিনি বিশ্বাস করেন, "যেকোনো কিছু সম্ভব, যদি কেউ আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে"।
- সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার এবং লেখনীর মাধ্যমে মানুষের বিবেক জাগ্রত করার চেষ্টা করেন।
- তিনি ইসলামী মোটিভেশনাল ভিডিও তৈরিতেও আগ্রহী।
সংক্ষেপে ইসমাঈল মজুমদার:
✅ কবি ও লেখক
✅ ফ্রিল্যান্সার ও গ্রাফিক ডিজাইনার
✅ সামাজিকভাবে সচেতন ব্যক্তিত্ব
✅ ইসলামী মোটিভেশনাল ভিডিও নির্মাণে আগ্রহী
Friends
naznin shamim
@nazninshamim
Hafizur Rahman shakil
@shakilahamed72gmail-com
MD Al Arafat
@mdalarafat
Shahriar Hossain
@shahriarhossain
নুসরাত জাহান বুশরা
@nusratjahan166909gmail-com
সামিরা হিমু
@himu56
Asaduzzaman Asad
@asaduzzamanasad
CEC for Training
@cecfortraining
কবি ইমদাদ শাহ্
@d7d9622a148864d078eb915a7458eb8b



সুন্দর একটি স্মরণিকা খুবই লাগছে। আপনার গ্রাম নিয়ে প্রতিটি কথা অন্তরের।