-
* অবৈধ পরকিয়া ভালোবাসা নহে *
প্রেমের সূচনা:- এই পৃথিবীতে যত মানুষ বসবাস করে,
সবাই সুন্দরের পূজারী।
এ কথা সবার জানা,
যে মানুষের মন যত সুন্দর
তার,
ভালবাসা হয়ে থাকে তত পবিত্র।
পৃথিবীতে,ধনী,গরীব,মধ্যবৃত্ত পরিবারের সকল ছেলে মেয়ের ভালবাসার
অধিকার আছে।
আর,
প্রত্যেক ছেলে মেয়ের জীবনে একটা বিশেষ সময়ে প্রেম জাগে।
যখন,
বাল্যকাল অতিক্রম করে কিশোর, কিশোরী তে পরিণত পদার্পণে পা রাখে ছেলে বা মেয়ে।
ঠিক,
তখনি আবেগ এসে বাসা বাঁধে মনে, উড়ুউড়ু ভাব জাগে মনে,
সুন্দরে মন আকৃষ্ট হয় বরাবরি।
তখন,
যে কোন ছেলে,মেয়ের মনে
প্রথম ভাল লাগা জাগে,
আর,
ভাল লাগা থেকে একে অন্যের প্রতি জাগে প্রেম।
আর,
দুটি মন যদি মিলেমিশে একাকার হয়ে যাই
তখনি হয়ে থাকে প্রথম প্রেমের সূচনা।* পবিত্র ভালবাসাঃ- কোন ছেলে যদি কোন মেয়েকে প্রথম ভালবাসে
আর,
কোন মেয়ে যদি কোন ছেলেকে প্রথম ভালবাসে
তাহলে,
সে ভালবাসা আসে হৃদয়ের গহীন থেকে পবিত্র ভালবাসা হয়ে।
আর,
দুটি মনের পবিত্র ভালবাসা যদি মিলেমিশে এক হয়
তাহলে,
সে প্রেমের পূর্ণতা আছে চিরধার্য।
পবিত্র ভালবাসা আজকাল এক তৃতীয়াংশ কমে গেছে,
বতর্মান পৃক্ষাপটে যে ভালবাসা দেখা যাই সমাজে,
সে গুলোর বেশীর ভাগ হয়ে থাকে দেহ ভোগের প্রত্যাশায়।
আর,
থাকে কখনও ভালবাসা বলে না থাকে বলা হয়ে থাকে পরকীয়া।
পবিত্র ভালবাসার নমুনা স্বরূপ এমন হয়ে থাকেঃ-
পৃথিবীর সকল ধন,সম্পদ,মনি মুক্তো, হিরা পান্না দিয়ে ও সে ভালবাসা কেনা যাবেনা, সে ভালবাসা কেনা যে বড় দায়।
পবিত্র ভালবাসলে ছেলে বা মেয়ে
বিয়ের আগে কখন অবাধ মিলামেশা করার চেষ্টা করবেনা।
দুটি মন শুধু স্বপ্ন দেখবে আগামীর প্রত্যাশায়।
পবিত্র প্রেমে কোন স্বার্থ থাকে না শুধু একের অন্যের প্রতি ভালবাসা ছাড়া।
পবিত্র ভালবাসায় যদি কখনও অভিমানের মেঘ জমে,
তারপর ও
একে অন্যকে আলাদা করতে পারে না!
পবিত্র ভালবাসার পূর্ণতা চিরধার্য।
আর,
যে ভালবাসাতে ভুল থাকে সেটার পূর্ণতা পেয়ে থাকে বিষাদে ঝর্ঝরিত হয়ে নষ্ট ম্লানে।
পবিত্র ভালবাসার প্রেমিক প্রেমিকা একে অন্যকে চোখের আড়ালে বেশীক্ষন রাখতে পারেনা!
চোখের আড়ালে দুটি মন যখনি থাকে, তখনি,
আসল প্রেমিক প্রেমিকার মনে ওঠে ঝড় আর,
ক্ষণে ক্ষণে শুরু হয়ে যাই অশ্রুর বৃষ্টি।
আর,
এটাই হচ্ছে ভালবাসার পাগলামি
একে অন্যের স্বরনে।* অবাধ মিলামেশা ও পরকিয়া:- আজকাল ভালবাসার নামে চলছে মরণ নেশা, প্রতরণা, মন নিয়ে খেলা, ইত্যাদি ক্রমশই বেড়ে চলছে!
আর,
এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে সমাজ বিস্তারে
তার সুবাদে বেড়ে যাচ্ছে,অপরাধ। যেমনঃ-নেশা করা, বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করা,
বেশী বেশী মিথ্যা কথা বলা,ঝগড়া করা, মারামারি করা,লেখাপড়া ফাঁকি দেওয়া ইত্যাদি।
আর,
এগুলো হচ্ছে পরকীয়ার বা অবৈধ প্রেমের জন্য।
মেয়েদের ভূমিকাঃ- আজকাল অনেকাংশ মেয়ে প্রেমের নামে একের অধিক ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায়, আর
সে সবাই কে ভালবাসে, তা কেমন করে সম্ভব ?
মানুষের মন যদি থাকে একটি
তা হলে,
ভালবাসার মানুষ একের অধীক কেমন করে জন্ম নেই মনে ?
আজকাল অনেক মেয়ে কে দেখা যাই
লং ড্রাইভে যাচ্ছে,পার্কে ঘুরতে যাচ্ছে স্কুল ও পরিবার কে ফাঁকি দিয়ে,
প্রথমত,
তার কোন প্রেমিকের সাথে
তারপর,
প্রেমিকের বন্ধু তার সাথে,
আর,
এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বন্ধুত্বের মাঝে তৈরি হয় ফাটল।
তারপর ঝগড়া, মারামারি
আর,
বন্ধু থেকে শত্রুতে পরিণত শেষ অবধি।
আর,
এর প্রধান কারন হচ্ছে লোভ।
তাই,
ভালবাসাকে পুজি করে সমাজে চলছে পরকীয়ার ব্যবসা।ছেলেদের ভূমিকাঃ- আজকাল অধিকাংশ ছেলেদের দেখা যাই
ভাল মেয়েদের সাথে ভালবাসার নাটক করে বেড়াই
তারপর,
মেয়েটির মন নিয়ে চিনিমিনি খেলা করে।
তাতে ও শান্তি পাই না সে ,
নোংরামির মাত্রাটা আরও বাড়িয়ে দেয় দ্বীগুণ ।
মেয়েদের নষ্ট করার খেলায়
আর ও
নিত্যনতুন একের পর এক ছক কষে আর,
এভাবে ভালো, ভালো,মেয়েদের ইজ্জত হরণ করে,
মেয়েটিকে করে তুলে সর্বশান্ত।
তাছাড়া ব্ল্যাকমেইল করে ফায়দা লুফিয়ে নেওয়ার
সুযোগ ত রাখে ধাপে ধাপে।
এই খেলার শর্তঃ- খেলোয়াড় কখন ও ভাল স্বভাবের মানুষ হতে পারবে না। কারন,
ভালো মানুষ দ্বারা হয়,সমাজের উপকৃত। আর,
খারাপ মানুষ দ্বারা সমাজ ধ্বংসের ক্ষতি সাধন।
আর,
এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে কখনও ভালবাসা বলা যাবে না।
কেননা,
ভালবাসার এক বিশেষ গুণাবলী আছে। পবিত্র ভালবাসা মানুষকে অনেক কিছু শিক্ষা দান করে,
পরিবর্তন করে,স্বভাব মন ও চরিত্রকে
আর,
নতুন আঙ্গীকে সাঁজিয়ে দেয় জীবনটাকে। আর,
পরকীয়াঃ-তা মানুষকে করে দেয় ধ্বংস।হুশিয়ারঃ- পরকীয়া থেকে দূরে থাকা, সকল ওঠতি বয়সের কিশোর কিশোরী থেকে শুরু করে,
পুর্ণ বয়স্ক নারী,পুরুষের এর থেকে অনেকাংশ দূরে থাকা দরকার।
কেননা,
এসব কর্মকান্ডের জন্য, স্রষ্টা অনেক ভয়ঙ্কর শাস্তির বিধান লিখেছেন হাদীসে।<<>>
5 Comments-
-
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি, আপনার লেখায় আবেগ ও অনুভূতির যে গভীর প্রকাশ ঘটেছে তা পাঠকদের মনে এক ধরণের সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়। প্রতিটি শব্দের মাধ্যমে পবিত্র সম্পর্কের মর্যাদা ও মূল্যবোধ নিয়ে আপনার এই ভাবনাগুলো সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে, তাই সামনের দিনগুলোতে আরও এমন চমৎকার সব লেখা উপহার দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করবেন বলে আশা করছি।
কবি মুহাম্মদ জে.এইচ (রপ্পি) কিশোরগঞ্জ জেলায় সদর থানার বৃন্দাগড় গ্রামে ১৯৯২ সালে নানার বাড়িতে জন্ম গ্রহন করেন। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। বর্তমানে পাকুন্দীয়া থানার হোসেন্দী গ্রামে পৈত্রিক নিবাসে দিন যাপন করছেন। এস. এস. সি ২০১১ তে পাশ করার পর, ২০১৫ সালে কৃষিতে ডিপ্লামা সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে নিজ ব্যবসায়িক কাজে নিয়োজিত আছেন।
কবির প্রথম একক কাব্যগন্থ ভালোবাসার নীলপদ্ম
২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়,
২০২৩, ২০২৪ সালে ঢাকায়
আর্ন্তজাতিক কবি সম্মেলন পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে,
নানা ম্যাগজিনে ও কবির কবিতা প্রকাশিত হয়েছে
অনলাইনে কবি উদাসী ও রেনেসাঁস কবি হিসেবে
পরিচিতি পেয়েছে।
Friends
Foyzur Khan
@foyzur-khan
Md Ramjan Ali
@mdramjanali
TOUHIDUL ISLAM
@touhidulislam
অথই মিষ্টি
@atiymistyn48
Tariqul Sazzib
@tariqulsazzib
সৃষ্টির বিস্ময়
@1ff4f40742b37a84604c6bb76fb8ef34
মিহির চৌধুরী ইমন
@mihirchowdhuryemon
Shohel Nawaz
@shohel-nawaz
শোয়েব ইবনে শাহীন
@abir-shoaib



মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি, আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো কারণ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এই কথাগুলো অনেক বেশি জরুরি ছিল।