-
সুগভীর প্রশান্তি
তুই আমার একমাত্র শান্তি
এ কথা কি তুই জানিস।
তোর বিহনে আমার কিছুই ভালো লাগে না
এ কথা কি তুই জানিস।
এই যে তুই আমার সঙ্গে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত – কথা না বলে থাকিস
আমি কিছুতেই বুঝতে পারিনা – কেন তুই এমন করিস।
তুই কি বুঝিসনা – এমনি করে আমরা দিনদিন নির্জিব হয়ে যাচ্ছি,
যে দিন চলে যায় সেদিন কি আর ফিরে পাওয়া যায়?
যতই কষ্ট হউক জীবনে হাসি খুশি থাকাটা খুবই জরুরি,
তাকি তুই বুঝিস না।
বল এ জীবনটা আর কতটুকু!
আমরা যদি মিছে মান – অভিমানে সময় হারাই,
আর কি ফিরে পাবো তা-জানি পাবো না।
তুই কি তা জানো না?
তুই যখন কথা বলো তখন আমার ঘর হাসে,
ঘর হাসলে আমার মন হাসে,
মন হাসলে আমার শহর হাসে,
এই ব্যস্ত শহরটাকেও তখন আপন মনে হয়।
তুই যে আমার ঘর, আমার হাসি,
আমার বিদগ্ধ মনের এক সুগভীর প্রশান্তি।3 Comments-
মো. আলম হোসেন, আপনার লেখাটিতে প্রিয়জনের অনুপস্থিতিতে মনের যে আকুলতা ও ঘর হাসিয়ে তোলার চিত্রকল্প ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। সম্পর্কের মান-অভিমান আর জীবনের ক্ষণস্থায়ী সময়ের কথাগুলো আরও গভীর কোনো রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন, যা আপনার লেখনীকে পাঠকদের কাছে আরও আপন করে তুলবে।
Md. Alam Hossain
Director, Bangladesh OSHE Foundation & Poem Writer
জন্ম: ৫ অক্টোবর ১৯৭১, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর। বাবা বিশিষ্ট সমাজ সেবক দেলোয়ার হোসেন এবং মা ধর্মানুলম্বী আনোয়ারা বেগম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ড. মালেকা সায়েন্স কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি ও লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করি।
পেশায় একজন উন্নয়ন কর্মী। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার একটি শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু হয়। তারপর ২০০৫ সাল থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশ অক্যুপেশনাল সেইফট, হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশনে কাজ করছেন। শ্রমিকের স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা, শোভন কর্মপরিবেশ, শ্রমিকের অধিকার ও পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে কাজ করেন। বর্তমানে এই সংস্থার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াকালীন সময়ে কলেজ ম্যাগাজিনে "আহত বেদনা" শিরোনামে আমার একটি অনুগল্প প্রকাশিত হয়। গত বছরের বই মেলায় "নিঃশব্দ কান্না" নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সপ্তর্ষি প্রাকাশন থেকে প্রকাশিত হয়। প্রেমই আমার লেখালেখির মূল উপজীব্য বিষয়।

মো. আলম হোসেন, লেখাটা পড়ে মনটা খুব আবেগপ্রবণ হয়ে গেল কারণ অভিমান আর ভালোবাসার এই অনুভূতিগুলো একদম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন চমৎকার অনুভূতির প্রকাশের মাঝে কি কখনও সব মান-অভিমান ভুলে আপনারা দুজনে মন খুলে কথা বলার সুযোগ পান?