-
একটি প্রাণী কত দিন বাঁচে—হাতির ষাট বছর কিংবা কোয়াক্কার মিষ্টি হাসি নিয়ে ভাবতে গিয়ে হুট করেই মাথায় একটা অদ্ভুত চিন্তা এলো।
আমরা সাধারণত দীর্ঘায়ুকেই জীবনের বড় সাফল্য বা আনন্দের মাপকাঠি মনে করি। কিন্তু একটু গভীরে ভাবলে কি উল্টোটা মনে হয় না?
জীবন যত দীর্ঘ হয়, বেঁচে থাকার লড়াই, মানসিক চাপ, প্রিয়জন হারানোর শোক, রোগব্যাধি আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার সুযোগও তত বাড়ে। যে প্রাণী মাত্র কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন বাঁচে—যেমন মে-ফ্লাই—তার জীবনে কোনো সঞ্চয়ের চিন্তা নেই, বার্ধক্যের শারীরিক ক্ষয় নেই, কিংবা অতীত-ভবিষ্যতের কোনো মানসিক টানাপোড়েন নেই।
দার্শনিক শোপেনহাউয়ারের একটি কথা মনে পড়ে যায়—অস্তিত্ব যত দীর্ঘ, যন্ত্রণার পাল্লাও তত ভারী। তাই জাগতিক মায়া আর দীর্ঘমেয়াদী কষ্টের দিক থেকে দেখলে, হয়তো সংক্ষিপ্ত জীবনের প্রাণীরাই সবচেয়ে বেশি ভারমুক্ত ও শান্তিতে থাকে।
দীর্ঘ জীবনের দীর্ঘ যন্ত্রণা নাকি স্বল্প সময়ের নিশ্চিন্ত নীরবতা—কোনটা আসলে শ্রেষ্ঠ?1 Comment
Friends
Mahbuba Jahan
@mahbubajahan
নুসরাত জাহান বুশরা
@nusratjahan166909gmail-com
সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম
@syedtouhidulislam
TAPAN CHANDRA SHILL
@tapanchandrashill
গাজিবর রহমান
@gaziborrohman
ফেরদাউস সরকার (বিন নূরী)
@ferdaussorkar
Rubel Ahmed
@rubelahmed
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor

Zaman, আপনার লেখায় জীবনের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে যে নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে, বিশেষ করে “জীবন যত দীর্ঘ হয়, বেঁচে থাকার লড়াই, মানসিক চাপ, প্রিয়জন হারানোর শোক, রোগব্যাধি আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার সুযোগও তত বাড়ে”—এই গভীর পর্যবেক্ষণটি আমাকে দারুণভাবে ভাবিয়েছে এবং আপনি যদি আরও কিছুটা সময় নিয়ে এর সমাধান নিয়ে নিজের মনের কথাগুলো সাজিয়ে লেখেন, তবে তা আমাদের মতো পাঠকদের জন্য অনেক বেশি সমৃদ্ধ একটি অভিজ্ঞতা হবে।