-
মৃত মানুষের স্বাক্ষর
✍️ রতন চন্দ্র রায়শহরের দেয়ালে সেদিন নতুন পোস্টার উঠেছিল। বড় বড় অক্ষরে লেখা—“অবহেলিত যৌনকর্মীদের জন্য সরকারি ভাতা—মানবিক রাষ্ট্রের নতুন অঙ্গীকার।” পোস্টারের নিচে হাসিমুখের কয়েকজন নারীর ছবি। মানুষ দাঁড়িয়ে পোস্টার দেখছিল। কেউ বলছিল, “ভালো উদ্যোগ।” কেউ বলছিল, “দেখা যাক, টাকা শেষ পর্যন্ত কার হাতে যায়!”
পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ময়না চুপ করে ছিল। তার চোখ পোস্টারের দিকে নয়—নিচে ছোট অক্ষরে লেখা একটি বাক্যের দিকে—“প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই করে ভাতা প্রদান করা হবে।”
ময়না মৃদু হেসে বলল, “প্রকৃত মানুষ চিনতে যদি এত সহজ হতো, তাহলে আমাদের জীবনটাই হয়তো অন্যরকম হতো।”
রহিমা পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। “তুই কি ভাতা পাবি?”
ময়না কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, “জানি না। তবে একটা ভয় হচ্ছে।”
“কী ভয়?”
“আমাদের নামে টাকা আসবে, কিন্তু আমাদের হাতে আসবে তো?”
১. অদৃশ্য তালিকা
ময়না এই পেশায় এসেছিল নিজের ইচ্ছায় নয়। জীবনের একের পর এক আঘাত তাকে এমন জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছিল, যেখান থেকে ফেরার পথগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যায়। সমাজ তার কাছ থেকে শ্রম নিয়েছে, শরীর নিয়েছে, যৌবন নিয়েছে। বিনিময়ে দিয়েছে শুধু একটি নাম—“ওই মেয়ে।”
তবু ভাতার খবর শুনে তার বুকের কোথাও সামান্য আশার জন্ম হয়েছিল। বৃদ্ধ বয়সে যদি কেউ পাশে না থাকে? অসুস্থ হলে? কাজ করতে না পারলে? অন্তত মাসের শেষে কিছু টাকা থাকবে।
সেদিন রাতে ময়না পুরোনো একটি বাক্স খুলছিল। ভেতরে কিছু কাগজ, একটি বিবর্ণ ছবি ও তার পরিচয়পত্র। হঠাৎ দরজায় তিনবার টোকা পড়ল—টক। টক। টক।
ময়না দরজা খুলে দেখল—কেউ নেই। দরজার সামনে পড়ে আছে একটি সাদা খাম। খামের ওপর শুধু একটি শব্দ—“তালিকা।”
ভেতরে কয়েকটি নাম। তার নিজের নামও আছে। কিন্তু পাশে লেখা—ময়না—মৃত।
ময়নার হাত কেঁপে উঠল। সে নিজের বুকের ওপর হাত রাখল। হৃদস্পন্দন চলছে। ফিসফিস করে বলল, “মৃত মানুষ তাহলে ভয় পায় কীভাবে?”
২. চেয়ারম্যানের ঘর
তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল স্থানীয় কমিটিকে। কমিটির সভাপতি চেয়ারম্যান কাদের মিয়া। মানুষের সামনে তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ও মানবিক মানুষ। মসজিদে দান করেন, গরিবদের কম্বল দেন, ছবি তুলে লেখেন—“মানুষের পাশে থাকাই আমার রাজনীতি।”
তার অফিসের দেয়ালে বড় ব্যানার—“সততা, সেবা ও মানবিকতা।”
কিন্তু রাত নামলে হিসাব বদলে যেত।
সেদিন গভীর রাতে চেয়ারম্যানের টেবিলে মোটা ফাইল খোলা ছিল। পাশে ভাগ্নে রুবেল।
রুবেল বলল, “চাচা, প্রকৃত উপকারভোগীর সংখ্যা অনেক।”
কাদের মিয়া বললেন, “তাহলে?”
“সবাইকে দিলে তো টাকা কম পড়ে যাবে।”
চেয়ারম্যান চশমা খুলে বললেন, “সরকার টাকা দিয়েছে মানুষের জন্য। মানুষ তো আমরাও।”
রুবেল হাসল। “আপনার বোনের নাম দিয়ে শুরু করব?”
“সালমা বেগম।”
“পেশা?”
চেয়ারম্যান কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, “যেটা লিখলে টাকা আসে।”
রুবেল লিখল—সালমা বেগম—যৌনকর্মী।
তারপর আরও নাম—ভাগ্নের স্ত্রী, নেতার মা, ব্যবসায়ীর আত্মীয়, প্রভাবশালী ব্যক্তির পরিচিত। তালিকা দীর্ঘ হতে লাগল। কিন্তু ময়না? রহিমা? তাদের নাম নেই।
৩. মৃত ময়না
তালিকা প্রকাশের দিন পরিষদ ভবনের সামনে ভিড়। ময়না কাঁপা হাতে নিজের নাম খুঁজল। একবার, দুবার, তৃতীয়বার। নেই। রহিমাও খুঁজল। নেই।
ময়না কর্মচারীকে বলল, “ভাই, আমাদের নাম নেই কেন?”
“কাগজ ঠিক ছিল না।”
“কোন কাগজ?”
“যে কাগজ লাগে।”
“আমাদের তো কেউ বলেনি!”
লোকটি বিরক্ত হয়ে বলল, “সরকারি কাজ। নিয়ম বুঝতে হয়।”
ময়না আর কথা বলল না। হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল—সালমা বেগম—পেশা: যৌনকর্মী।
ময়না ফিসফিস করে বলল, “এটা তো চেয়ারম্যানের বোন!”
রহিমা তিক্ত হেসে বলল, “আমাদের পেশারও এখন আত্মীয় হয়েছে!”
কিন্তু ময়না হাসল না। তালিকার নিচে লাল কালিতে লেখা একটি শব্দ তার চোখে পড়েছে—মৃত। নামটি—ময়না।
৪. দ্বিতীয় খাম
সেই রাতে আবার দরজায় টোকা পড়ল—টক। টক। টক।
ময়না দরজা খুলল না। কিছুক্ষণ পর নিচ দিয়ে একটি খাম ঢুকে গেল। ভেতরে লেখা—“তুমি যে ময়না, তার প্রমাণ তোমার কাছে আছে?”
ময়না নিজের পরিচয়পত্র বের করল। ছবির নিচে তার নাম—ময়না। কিন্তু পেছনে একটি সিল। তারিখ—ছয় মাস আগের।
ময়না অবাক হয়ে গেল। ছয় মাস আগে সে কোনো নতুন পরিচয়পত্র করেনি।
তাহলে এই সিল এল কীভাবে?
৫. রহিমার গোপন কথা
রহিমা সেই রাতেই ময়নার ঘরে এল। “তোকে একটা কথা বলব। কিন্তু ভয় পাস না।”
সে ব্যাগ থেকে একটি পুরোনো হিসাবের খাতা বের করল। প্রতিটি নামের পাশে একটি অঙ্ক। কোথাও লেখা—“উঠেছে”, কোথাও—“অর্ধেক”, আবার কয়েকটি নামের পাশে—“নিষ্ক্রিয়।”
ময়না জিজ্ঞেস করল, “নিষ্ক্রিয় মানে?”
রহিমা মাথা নাড়ল।
পাতা উল্টাতে গিয়ে ময়নার চোখ আটকে গেল—
ময়না—সম্পূর্ণ পরিশোধ।
মৃত ঘোষণা সম্পন্ন।
তারিখ—ছয় মাস আগে।
ময়না ফিসফিস করে বলল, “ছয় মাস আগে তো আমার নামে কোনো ভাতা ছিল না।”
রহিমা বলল, “তাহলে টাকা গেল কোথায়?”
দুজনেই নীরব।
৬. জানালার ওপাশে
সেই রাতেই ময়না চেয়ারম্যানের অফিসের পেছনে গেল। জানালার ফাঁক দিয়ে আলো বের হচ্ছিল। ভেতরে চেয়ারম্যান, রুবেল ও আরও দুজন।
একজন বলল, “ময়নার ব্যাপারটা কী?”
রুবেল বলল, “কাগজে তো শেষ।”
চেয়ারম্যান ধীরে বললেন, “কাগজে মানুষকে মেরে ফেলতে বেশি সময় লাগে না।”
“কিন্তু ও যদি কথা বলে?”
“তাহলে ওর কথা প্রমাণ করবে কে?”
ময়নার বুক কেঁপে উঠল।
ভেতর থেকে আরেকজন বলল, “ব্যাংক অ্যাকাউন্টটা?”
রুবেল বলল, “ওর নামেই আছে।”
ময়নার চোখ বড় হয়ে গেল। তার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট! অথচ সে কোনোদিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেনি।
চেয়ারম্যান বললেন, “তাহলে সমস্যা কী?”
রুবেল হাসল, “সমস্যা একটাই। আসল ময়না যদি জানে, তাহলে ভুয়া ময়নাকে বাঁচানো কঠিন হবে।”
ময়নার মাথা ঘুরে উঠল।
ভুয়া ময়না?
৭. অচেনা নারী
পরদিন ভোরে ময়না ও রহিমা ব্যাংকে গেল।
কর্মকর্তা বললেন, “আপনার অ্যাকাউন্ট তো অনেকদিনের।”
“আমি খুলিনি।”
“আপনি নিজে এসে খুলেছিলেন।”
“কবে?”
“ছয় মাস আগে।”
তারপর তিনি একটি স্ক্যান করা ছবি দেখালেন। ছবিতে ওড়না দেওয়া একজন নারী। ময়না ছবির দিকে তাকিয়ে জমে গেল। নারীটির মুখ তার মতোই—চোখ, নাক, মুখের গড়ন।
ময়না বলল, “এই নারী কে?”
কর্মকর্তা বললেন, “আপনি।”
ময়না মাথা নাড়ল। “না। ওটা আমি নই।”
রহিমা কাঁপা গলায় বলল, “ময়না… তোর মতো দেখতে আরেকজন আছে।”
৮. সালমার আগমন
পরদিন চেয়ারম্যানের অফিসে একটি খাম পৌঁছাল। ভেতরে ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভুয়া তালিকা ও একটি পেনড্রাইভ।
চেয়ারম্যানের মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল।
খামের শেষে লেখা—“তালিকা বদলান। এবার সত্যিকারের নাম লিখুন।”
ফোন বেজে উঠল।
“হ্যালো?”
অপর প্রান্তে নীরবতা। তারপর নারীকণ্ঠ—“আপনি আমাকে চেনেন।”
“কে?”
“আপনার তালিকায় আমি যৌনকর্মী।”
চেয়ারম্যান থমকে গেলেন। “সালমা?”
“আপনি আমার নাম চুরি করেছেন। কিন্তু আমার বিবেকটা পারেননি।”
ফোন কেটে গেল।
৯. তদন্ত
তিন দিন পর জেলা অফিস থেকে তদন্তকারী দল এল। ময়নার হাতে ছিল পুরোনো হিসাবের খাতা, ভুয়া তালিকা, ব্যাংকের কাগজ এবং অচেনা নারীর ছবি।
তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কে খুলেছে?”
“আমি জানি না।”
ঠিক তখন দরজা খুলে একজন নারী ঢুকলেন। মুখে ওড়না। ধীরে ধীরে ওড়না সরালেন।
ময়না পিছিয়ে গেল। কারণ তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নারীটি দেখতে প্রায় হুবহু তার মতো।
চেয়ারম্যানের মুখ সাদা হয়ে গেল। রুবেল ফিসফিস করে বলল, “আপনি!”
নারীটি বলল, “হ্যাঁ। এবার আমাকে অস্বীকার করুন।”
তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কে?”
“আমার নাম মায়া।”
ময়নার বুক কেঁপে উঠল।
মায়া বলল, “ছয় মাস আগে আমাকে দিয়ে ময়নার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলানো হয়েছিল।”
চেয়ারম্যান চিৎকার করলেন, “মিথ্যা!”
মায়া ফোনের ছবি দেখাল। চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার একাধিক ছবি, লেনদেনের ছবি ও ভুয়া তালিকার প্রমাণ।
তদন্ত কর্মকর্তা ফোনটি নিয়ে নিলেন।
১০. শেষ রহস্য
তদন্ত কর্মকর্তা হঠাৎ বললেন, “একটা বিষয় এখনও পরিষ্কার নয়। এই ভুয়া তালিকাটি তৈরি করেছে কে?”
চেয়ারম্যান চুপ। রুবেল চুপ। মায়াও চুপ।
হঠাৎ মায়া বলল, “আমি জানি।”
সবাই তাকাল।
“কে?”
মায়া ময়নার দিকে তাকিয়ে বলল, “ময়না নিজেই।”
ময়না চিৎকার করে উঠল, “আমি?”
মায়া বলল, “তুমি ছয় মাস আগে আমার সঙ্গে দেখা করেছিলে।”
“আমি তো তোমাকে কখনো দেখিনি!”
“তুমি মনে করতে পারছ না।”
সে পেনড্রাইভটি তদন্ত কর্মকর্তার হাতে দিল।
ভিডিও চালু হলো। ছয় মাস আগের দৃশ্য। ময়না চেয়ারম্যানের অফিসে বসে আছে। চেয়ারম্যান তাকে একটি ফাইল দিচ্ছে।
ময়না বলছে, “এই তালিকা যদি সত্যি হয়, তাহলে প্রকৃত মানুষগুলো ভাতা পাবে তো?”
চেয়ারম্যান বলছে, “অবশ্যই।”
তারপর ভিডিও কেটে গিয়ে দেখা গেল—ময়নার স্বাক্ষর।
এরপর রুবেল একটি ফাইলে লিখছে—“ময়না—মৃত।”
ময়না পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ তার মনে পড়ল—ছয় মাস আগে সে সত্যিই চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়েছিল। ভাতার তালিকা নিয়ে কথা বলতে। কিন্তু সেদিন তার সঙ্গে আরও একজন নারী ছিল—মায়া।
ময়না ধীরে ধীরে তাকাল।
“তুই কে?”
মায়া উত্তর দিল, “আমি সেই মানুষ, যাকে তুমি ছয় মাস আগে বাঁচাতে চেয়েছিলে।”
তদন্ত কর্মকর্তা অবাক হয়ে বললেন, “কী বলতে চাইছেন?”
মায়া ব্যাগ থেকে আরেকটি কাগজ বের করল। কাগজে লেখা—“প্রকৃত উপকারভোগীদের গোপন তালিকা।”
সেখানে চেয়ারম্যানের আত্মীয়দের নাম নেই। আছে—ময়না, রহিমা এবং আরও বহু প্রকৃত মানুষের নাম।
মায়া বলল, “চেয়ারম্যান সেই তালিকা বদলে ফেলেছিল। কিন্তু আসল তালিকার একটি কপি আমি রেখে দিয়েছিলাম।”
ময়না বুঝতে পারল—ছয় মাস ধরে যে অদৃশ্য মানুষটি তাকে সতর্ক করছিল, সে ছিল মায়া।
কিন্তু মায়া কেন তার মতো দেখতে?
মায়া ধীরে বলল—“আমি তোমার ছোটবেলার বোন।”
ময়না স্থির হয়ে গেল।
“আমার তো কোনো বোন নেই…”
মায়া বলল, “তোমাকে তাই বলা হয়েছিল।”
ঘরে নিস্তব্ধতা।
মায়া শেষ কথাটি বলল—“চেয়ারম্যান শুধু তোমার নামে ভুয়া মানুষ বানায়নি, ময়না। তোমার নিজের পরিবার, পরিচয়—সবকিছুর কিছু অংশ কাগজ থেকে মুছে দিয়েছিল।”
ময়না কোনো কথা বলতে পারল না।
তার সামনে পড়ে ছিল সরকারি তালিকা। তাতে লেখা—ময়না—মৃত।
সে কাগজটি হাতে নিল। কলম দিয়ে “মৃত” শব্দটির ওপর দাগ টেনে দিল।
নিচে লিখল—“জীবিত।”
তারপর আরও একটি বাক্য—“মানুষকে কাগজে মেরে ফেলা যায়, কিন্তু সত্যকে নয়।”
বাইরে তখন নতুন পোস্টার লাগানো হচ্ছিল—“প্রকৃত উপকারভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করুন।”
ময়না পোস্টারের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল, “পোস্টারে সত্যি লেখা সহজ। এবার দেখি, তালিকায় কে সত্যি লেখে।”
সে হাঁটতে শুরু করল।
পেছনে পড়ে রইল চেয়ারম্যানের অফিস, ভুয়া তালিকা, ভুয়া স্বাক্ষর, ভুয়া পরিচয়।
আর একটি প্রশ্ন—“একজন মানুষকে কতবার হত্যা করা যায়?”
ময়না জানত—শরীর একবার মরলে মানুষ মরে। কিন্তু কাগজে? কাগজে মানুষকে বারবার মেরে ফেলা যায়।
তারপরও সত্যি যদি বেঁচে থাকে—
“একদিন সেই মৃত মানুষই ফিরে এসে তালিকার বাইরে দাঁড়িয়ে পুরো তালিকাটাকেই প্রশ্ন করে।”5 Comments -

রতন চন্দ্র রায়
ইম্পোজিটর
রতন চন্দ্র রায়
পেশা - সরকারি চাকরি
শখ- লেখা / কবিতা/ গল্প/ উপন্যাস
কর্মস্থল- বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস), তেজগাঁও, ঢাকা- ১২০৮
ঠিকানা- ৪১০ নবীনবাগ উত্তর গোড়ান,
- খিলগাঁও, ঢাকা ১২১৯
Friends
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
@mdziaurrahman
নুর
@thelight
Shahriar Hossain
@shahriarhossain
বিপাশা মন্ডল
@bipashamondal
গাজিবর রহমান
@gaziborrohman
মোঃ মোক্তারুজ্জামান মোক্তার
@mokteruzzamanpbtgmail-com
asif khandaker
@asifkhandaker
দিতি আহমেদ
@ahmedditee87gmail-com
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম)
@fs-hasan-mohammad



গল্পটা পড়ার সময় বারবার গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল, খুব দারুণ লিখেছেন আপনি। ক্ষমতার অপব্যবহার আর মানুষের অসহায়ত্বের এমন চিত্রকল্প সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়। ময়নার লড়াই আর মায়ার আগমনী পর্বগুলো সব মিলিয়ে দারুণ একটা টুইস্ট ছিল, আপনার লেখনী সত্যিই অসাধারণ।