Profile Photo

রতন চন্দ্র রায়Offline

  • ratanchandraroy
  • প্রতিবেদন
    পৃথিবীর প্রতি অনাস্থা, এলিয়েনদের সঙ্গে বসবাসের ভাবনা

    প্রতিবেদনের বিষয়: যৌন সহিংসতা, নারীর নিরাপত্তা ও সামাজিক অবক্ষয়
    প্রতিবেদক: ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    ভূমিকা

    পৃথিবীটা কি সত্যিই মানুষের বসবাসের জন্য নিরাপদ?

    প্রশ্নটি শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন যখন নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার…Read More

    1
    3 Comments
    • যে পৃথিবীতে নিরাপত্তার জন্য এলিয়েনের স্বপ্ন দেখতে হয়, সেখানে মানবতার আয়নায় আমাদের মুখই সবচেয়ে ভয়ংকর……🖤🖤

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি অনেক বেশি ভাবনার খোরাক পেলাম, কারণ এই পৃথিবীর অস্থির সময়ে এমন সত্য কথাগুলো আমাদের বারবার আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটির “মানুষের পৃথিবীতে মানুষ হওয়াটাই যেন সবচেয়ে কঠিন কাজ” বাক্যটি সমাজের নির্মম বাস্তবতাকে খুব গভীর আবেগের সাথে তুলে ধরেছে, তাই এই অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে আরও লেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক উৎসাহ জানাই।

  • মৃত মানুষের স্বাক্ষর
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    শহরের দেয়ালে সেদিন নতুন পোস্টার উঠেছিল। বড় বড় অক্ষরে লেখা—“অবহেলিত যৌনকর্মীদের জন্য সরকারি ভাতা—মানবিক রাষ্ট্রের নতুন অঙ্গীকার।” পোস্টারের নিচে হাসিমুখের কয়েকজন নারীর ছবি। মানুষ দাঁড়িয়ে পোস্টার দেখছিল। কেউ বলছিল, “ভালো উদ্যোগ।” কেউ বলছিল, “দেখা যাক, টাকা শেষ পর্যন্ত কার হাতে যায়!”
    পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে…Read More

    3
    5 Comments
    • গল্পটা পড়ার সময় বারবার গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল, খুব দারুণ লিখেছেন আপনি। ক্ষমতার অপব্যবহার আর মানুষের অসহায়ত্বের এমন চিত্রকল্প সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়। ময়নার লড়াই আর মায়ার আগমনী পর্বগুলো সব মিলিয়ে দারুণ একটা টুইস্ট ছিল, আপনার লেখনী সত্যিই অসাধারণ।

    • কাগজে একজন জীবিত মানুষকে মৃত বানিয়ে ফেলার ভাবনাটা খুব অস্বস্তিকর, কিন্তু দারুন শক্তিশালী।

    • আপনার লেখাটির এই অংশটি আমাকে বিশেষভাবে স্পর্শ করেছে—”মানুষকে কাগজে মেরে ফেলা যায়, কিন্তু সত্যকে নয়।” সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনযুদ্ধ এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার এমন নিখুঁত প্রতিফলন আপনার লেখায় যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই অসাধারণ।

    • কাগজে মানুষকে মেরে ফেলা যায়, কিন্তু সত্যের স্বাক্ষর মুছে ফেলা যায় না……🖤🖤

  • মা-হারা ভাতিজা
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    মা-হারা এই ছোট্ট মুখে
    কত যে প্রশ্ন জমে,
    “মা কোথায়?”—নীরব চোখে
    খোঁজে আপন মনে।

    মায়ের কোলে ঘুম পাড়ানি
    শোনে না আর রাতে,
    মায়ের হাতের স্নেহের পরশ
    নেই তো তারই সাথে।

    খেলনা হাতে হাসে যখন,
    হাসির আড়াল ব্যথা,
    মায়ের ছবি বুকের মাঝে—
    স্মৃতিই তার কথা।

    বাবার বুকে মাথা রেখে
    চুপটি করে রয়,…Read More

    2
    4 Comments
    • মায়ের কোলে ঘুম পাড়ানি- যত্ন ও শান্তি।

    • বিধাতা শিশুটিকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখুন….🖤🖤🖤

    • আপনার কবিতার “মায়ের শূন্য জায়গাটুকু / কেউ কি পূরণ হয়?” লাইনটি পড়লে বুকটা সত্যিই অনেক ভার হয়ে আসে, দারুণ লিখেছেন।

    • বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠার মতো এক কবিতা!

  • হারিয়ে যাওয়া ধোপার ঘাট
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    ১৯৮০ কিংবা ১৯৯০-এর দশকের কথা।

    তখন জীবন আজকের মতো এত দ্রুত ছিল না। মানুষের ঘরে ঘরে ছিল মাটির গন্ধ, উঠোনে ছিল কুয়োর পানি, আর পুকুরঘাটে সকাল হলেই জমত মানুষের আনাগোনা। সেই ঘাটের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল কিছু মানুষের জীবন, কিছু মানুষের ঘাম, কিছু মানুষের স্বপ্ন—তাঁরা ছিলেন ধোপা।

    সকালের আলো ফুটতে…Read More

    3
    5 Comments
    • হারিয়ে যাওয়া ধোপার ঘাটের ছপছপ শব্দে এক প্রজন্মের শ্রম, আত্মমর্যাদা ও নীরব ইতিহাস আজও স্মৃতির জলে ধ্বনিত হয়…🖤

    • সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া এক টুকরো জীবন্ত ইতিহাস যেন চোখের সামনে ভেসে উঠল 😔

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম পুরোনো দিনে হারিয়ে গেলাম, সত্যিই সাধারণ মানুষের এই শ্রমের গল্পগুলো আমাদের আবেগ দিয়ে ছুঁয়ে যায়।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটির “সেই ঘাটে বসে তিনি যেন একটি সময়কেও ধুয়ে, মুছে, ধরে রেখেছিলেন”—এই অংশটি আমার হৃদয়ে গভীর ছোঁয়া দিয়ে গেছে। গ্রামবাংলার ফেলে আসা সেই চিরায়ত দৃশ্য ও শ্রমজীবী মানুষের অনুভূতির এমন আবেগঘন চিত্রায়ন সত্যিই দারুণ এক মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। আপনি নিয়মিত আমাদের এই সুন্দর প্ল্যাটফর্মে অন্য সবার লেখা পড়ে উৎসাহমূলক মন্তব্য ও…Read More

  • জীবনের স্রোতধারা

    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    আজও তোমার স্মৃতি নামে নীরব বৃষ্টির জলে,
    পুরোনো সেই ব্যথাগুলো ঢেউ তোলে বুকের তলে।
    যে ভালোবাসা হারিয়ে গেছে সময়েরই স্রোতে,
    তারই ছায়া হেঁটে বেড়ায় নিঃসঙ্গ রাতের পথে।

    মেঘেরা আজ পাহাড় হয়ে নামে আমার আকাশে,
    জীবন যেন অচেনা এক গলিপথে ভাসে।
    অপূর্ণ স্বপ্নের ভেলা বিষাক্ত জলে দোলে,
    না-বলা কত কান্না জমে নী…Read More

    2
    4 Comments
    • বেদনার স্রোত পেরিয়েও জীবনের আলো খুঁজে ফেরার অনন্য এক কবিতাময় যাত্রা…🖤

    • পুরোনো ব্যথাগুলোকে যেন আবারও জাগিয়ে দিলেন 😢

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে একদম মনটা খারাপ হয়ে গেল, কিন্তু শেষের লাইনগুলো বেশ আশাজাগানিয়া।

    • আপনার লেখায় ফুটে ওঠা স্মৃতির টানাপোড়েন এবং জীবনের অবিরাম এগিয়ে চলার বার্তাটি অত্যন্ত গভীর ও হৃদয়স্পর্শী, তাই আপনি যদি এর সাথে একটি বিষণ্ণ কিন্তু আশাবাদী রঙের ছবি যুক্ত করেন তবে এটি পাঠকদের মনে এক দারুণ আবেদন তৈরি করবে।

  • লামডিং থেকে ফিরে আসা ভালোবাসা
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    বাংলাদেশের একটি শহরে থাকত রতন। সাধারণ জীবন, সাধারণ স্বপ্ন। প্রতিদিনের ব্যস্ততার বাইরে তার নিজের জন্য খুব বেশি কিছু ছিল না। কিন্তু একদিন ফেসবুকের একটি বন্ধুত্বের অনুরোধ তার জীবনের গল্পটাই বদলে দিল।

    নাম—পূজা।

    প্রোফাইল দেখে রতন জানতে পারল, মেয়েটি ভারতের আসাম প্রদেশের লামডিং শহরে থাকে।…Read More

    1
    3 Comments
    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার এই লেখাটি পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতির ভেতর দিয়ে গেলাম। চার বছরের একটা সম্পর্কের স্মৃতি এভাবে গুছিয়ে তুলে ধরবেন ভাবিনি, খুব মায়া লাগল পড়ে। আচ্ছা, সেই লামডিং ভ্রমণের পর বাস্তবতার টানাপোড়েন শুরু হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ কি আসলে দূরত্বের ভয় ছিল?

    • চার বছরের সম্পর্কের শেষটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

    • আপনার লেখনীতে জীবনের চরম বাস্তবতা এবং গভীর আবেগের এমন দারুণ এক সংমিশ্রণ ঘটেছে যে, বিশেষ করে “ভালোবাসা কখনো কখনো থেকে যায়, কিন্তু সম্পর্কটা আর থাকে না”—এই লাইনটি পড়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। আপনার এই রচনাটিতে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানিয়ে নেওয়ার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী; আপনি আপনার লেখনি অব্যাহত রাখুন, কারণ আপনার ভাবন…Read More

  • কফিনে পা

    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    কফিনের ওপর পা রেখেছ—
    কীসের এত দম্ভ?
    মৃত মানুষের শেষ ঠিকানায়
    কেন এমন অমানবিক গর্জন?

    হিংসা যদি বুক ভরিয়ে দেয়,
    মানবতা যায় কোথায়?
    মৃতের প্রতি সম্মানটুকুও
    আজ কি তবে হারায়?

    তুমি তাকে মানো না—
    সে তোমার নিজস্ব কথা,
    তাই বলে কি মৃত মানুষকে
    দেবে অপমানের ব্যথা?

    মানুষ মাত্রই ভুলে ভরা,
    দোষে-গুণে মানুষ;…Read More

    2 Comments
    • “মৃতের বিচার মানুষ নয়—বিচার সময়ের হাতে”—আপনার এই লাইনটা একদম বাস্তব আর দারুণ একটা কথা লিখেছেন আপনি।

    • আপনার এই লেখাটিতে জীবনের নশ্বরতা ও মানবিকতার যে গভীর দিক ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং এটি আমাকে জীবনানন্দ দাশের কবিতার সেই চিরন্তন বোধের কথা মনে করিয়ে দিল। আপনার এমন সাহসী চিন্তার প্রকাশ আমাদের সবাইকে আরও সংবেদনশীল হতে সাহায্য করবে, তাই আপনি অনুগ্রহ করে এভাবেই লেখনী চালিয়ে যান।

  • শেষ আশ্রয়
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    সবাই আমাকে পর করবে,
    শ্মশান আমাকে করবে আপন—
    জীবনের যত পরিচিত মুখ
    মুছে যাবে একে একে ক্ষণ।

    যাদের জন্য স্বপ্ন বুনি,
    যাদের জন্য এত আয়োজন,
    সময় শেষে তারাই হয়তো
    হারিয়ে যাবে অচেনা ক্ষণ।

    হাসির দিনে কত আপনজন,
    দুঃখ এলে নীরব সবাই;
    তবু এই মন ভালোবাসা খোঁজে,
    হার মানে না—ভেঙে পড়েও তাই।

    শেষ বিকেলের ন…Read More

    3
    4 Comments
    • সবাই পর করলেও মানুষ যেন থেকে যায় মানুষ হয়ে বাঁচার সেই প্রমাণটুকু নিয়ে…..🤍🖤

    • আপনার কবিতার ‘মানুষের মাঝে ভালোবাসা রেখে জীবন হোক তার চেয়েও সুন্দর’ লাইনটা একদম মনের মতো। জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে এমন সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে পড়েই খুব ভালো লাগলো।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখনীতে ফুটে ওঠা “মানুষের মাঝে ভালোবাসা রেখে জীবন হোক তার চেয়েও সুন্দর” কথাটি বড্ড হৃদয়স্পর্শী, আর প্রতিটি লাইনে যে গভীর উপলব্ধির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে—আশা করি আপনার লেখনী এভাবেই আমাদের মুগ্ধ করে যাবে।

    • সমাপ্তিটা একটু দুর্বল হয়ে গেছে, বিশেষ করে শেষ ২ চরণ। শুরুটা দারুণ ছিল।

  • 🌺 মায়ের চরণে আশ্রয় 🌺
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    আরতি করি তোমার নামে,
    তবু কেন খুঁজে পাই না
    তোমার চরণ-ছায়?
    ধূপ জ্বালি, দীপ জ্বালি,
    অশ্রু দিয়ে আঁচল ভিজাই—
    তবু মা, কেন দূরে রয়?

    শিউলি ঝরে ভোরের বুকে,
    তোমার নামটি জাগে সুখে,
    শঙ্খ বাজে মন্দির-দ্বারে;
    আমি শুধু একলা বসে
    ডাকি তোমায় বুকের কাঁপনে—
    “মা, এসো আমার অন্ধকারে।”…Read More

    2
    5 Comments
    • খুবই আবেগময় লেখা।

    • চরণছায়ার সেই একটুখানি আশ্রয় খুঁজে ফেরা এক সন্তানের অভিমানী ডাকই যেন শেষ নিঃশ্বাসের একমাত্র প্রার্থনা…..🤍🖤

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে একদম আবেগপ্রবণ হয়ে গেলাম। আপনার কবিতার “শুধু তোমার আঁচলখানি ঢেকে রাখুক আমার প্রাণ” লাইনটি খুবই চমৎকার এবং হৃদয়স্পর্শী। মায়ের প্রতি এমন আকুল আবেদন খুব কম মানুষের লেখাতেই এতো সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটির “মা, পৃথিবী যদি আমাকে ভুলেও যায়— তুমি যেন ভুলে যেও না” পঙ্‌ক্তিটি হৃদয়ের গভীরের এক আকুতিকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি লাইনের আবেগ ও সরল অভিব্যক্তিগুলো খুব সুন্দর, ভবিষ্যতে বিষয়বস্তু অনুযায়ী ছন্দের কিছুটা পরিবর্তনের কথা ভেবে দেখতে পারেন।

  • 🌸 মা ও মেয়ের ভালোবাসা 🌸

    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    মায়ের আঁচল জুড়ে মেয়ের ছোট্ট হাসি,
    সেই তো যেন স্বর্গসুখ, সেই তো ভালোবাসি।
    মায়ের চোখে মেয়েটি এক টুকরো চাঁদ,
    তার হাসিতে মুছে যায় জীবনের বিষাদ।

    মেয়ের ছোট্ট হাতটি যখন মায়ের হাত ধরে,
    কৃষ্ণ যেন বাঁশি বাজান নীল যমুনার তীরে।
    মায়ের বুকে মাথা রেখে মেয়ের মিষ্টি ঘুম,
    সেই দৃশ্যের কাছে হার মানে পৃথিবীর সব সুখ।…Read More

    1
    3 Comments
    • রতন চন্দ্র রায়, মা আর মেয়ের সম্পর্কের এমন সুন্দর আর মিষ্টি অনুভূতিগুলো পড়ে খুব ভালো লাগল।

    • মা আর মেয়ের এই মায়ার বাঁধনই যেন পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র সুর…..🤍🖤

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখা ‘মায়ের চোখে মেয়েটি এক টুকরো চাঁদ’ অংশটি পড়ে মনের ভেতর এক অদ্ভুত প্রশান্তি ও মমতার ছোঁয়া অনুভব করলাম। মা ও মেয়ের এই স্বর্গীয় সম্পর্কের চিত্রায়নে রাধা-কৃষ্ণের মায়াবী উপমার ব্যবহার আপনার লেখাকে অনেক বেশি গভীর ও হৃদয়স্পর্শী করে তুলেছে, এমন সুন্দর সৃজনশীল চর্চা আপনি নিয়মিত চালিয়ে যান।

  • ডাস্টবিনের অন্ন ও উঁচুতলার নীতি
    ✍️রতন চন্দ্র রায়

    আজও মানুষ আহার খোঁজে ডাস্টবিনের অন্ন, বিলাসবহুল এই সমাজে অন্ধ যে জনগণ। সচেতন সবেই স্বার্থের মোহে আজ যে অচেতন, পথের পশে পড়ে রয় প্রাণ, দেখে না কো কোনো মন।

    ছেঁড়া ছেঁড়া ছেঁড়া কাপড়ে জড়িয়ে দেহ, রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে কাটায় গৃহ। রোদ আর বৃষ্টির মাঝে সয় কত যন্ত্রণা, স্থায়ী এক খণ্ড ঠাঁই পাওয়ার নেই কো…Read More

    3
    5 Comments
    • ডাস্টবিনে খাদ্য খোঁজার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে উঁচুতলার নীতির সবচেয়ে করুণ ব্যর্থতা…..🤍🖤

    • অসাধারণ লিখেছেন!

    • রতন চন্দ্র রায়, আমাদের সমাজের এই নির্মম বাস্তবতাকে আপনি যেভাবে নিপুণ ছন্দে তুলে ধরেছেন, তা পাঠকের মনে গভীর দাগ কাটে এবং সামনের দিনগুলোতে এমন আরও সমাজ সচেতন লেখা আমাদের উপহার দিতে পারেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

    • “স্বাধীন দেশের মানুষ হয়েও পরাধীনের মতো ঝরে” ………কী নির্মম একটা বাস্তবতা😕😕😕

    • আপনার লেখাটি পড়ে মনটা সত্যি খারাপ হয়ে গেল। সমাজের এই বৈষম্যগুলো আমরা দিনের আলোয় দেখেও যেন মাঝে মাঝে এড়িয়ে যাই। খুব সুন্দরভাবে আমাদের চারপাশের নিষ্ঠুর বাস্তবতাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

  • ▫️ স্মৃতির বৈপরীত্য
    ✍️রতন চন্দ্র রায়

    বর্ষার শেষ বিকেলের ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে ভিজছিল নীলিমা। ছাদের এক কোণে দাঁড়িয়ে সে যেন নিজের ভেতরেই অন্য এক জগত খুঁজে ফিরছিল। কিছুক্ষণ আগেই সে শহর থেকে ফিরে আসা এক পুরোনো পরিচিতের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে এসেছে—এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে একসময় তার গভীর আবেগের কিছু মুহূ…Read More

    3
    6 Comments
    • স্মৃতি কারো কাছে সহজে ধুয়ে যায় কারো কাছে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জ্বলতে থাকে…..🤍🖤

    • লেখাটা পড়ে বেশ অদ্ভুত এক ঘোর কাজ করছে মনে। নারী আর পুরুষের মনস্তত্ত্বের এই বৈপরীত্য আপনি দারুণভাবে তুলে ধরেছেন। শেষ মুহূর্তের ওই অনুভূতির বর্ণনাটা পড়ে সত্যিই খুব আবেগপ্রবণ লাগছিল।

    • আপনার চমৎকার এই লেখনীতে স্মৃতির বিস্মৃতি ও স্থায়িত্বের যে বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই গভীর ও মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। চরিত্রগুলোর অনুভূতির এই ভিন্নতা ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনি চাইলে কোনো একটি বিশেষ মুহূর্তের বর্ণনায় আরও কিছুটা আবেগ যোগ করতে পারেন, যা আপনার চমৎকার লেখার মানকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

    • মানুষ চলে যায় থেকে যায় মেমোরিস 😌

  • ▫️ সংসদের ছায়ায় রক্তের দাগ
    ✍️রতন চন্দ্র রায়

    সংসদ ভবনের ছায়ায় আজ শোকের মাতম,
    ব্যাগ টানতে গিয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষক একজন।
    মুহূর্তে ছন্নছাড়া স্বপ্নের সোনার পালঙ্ক,
    রিকশা থেকে পড়ে আজ নিভে গেল সব আলো।

    ব্যাগ টানতে গিয়ে টেনে নিল তাঁর স্বপ্ন ও ভালোবাসা, ছিন্নভিন্ন হলো সাজানো এক জী…Read More

    3
    3 Comments
    • রতন চন্দ্র রায়, “ব্যাগ টানতে গিয়ে টেনে নিল তাঁর স্বপ্ন ও ভালোবাসা”—এই লাইনটির গভীর অনুভব আমাকে দারুণভাবে স্পর্শ করেছে। আপনি যেভাবে খুব সহজ কথায় এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আপনি আরও লিখতে থাকুন, আপনার প্রতিটি শব্দ মানুষের মনে গভীরভাবে দাগ কাটে।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি খুব খারাপ লাগছে, এমন মর্মান্তিক ঘটনাগুলো আমাদের সবার মনেই একরাশ অস্থিরতা আর ভয়ের সৃষ্টি করে।

    • একটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের নির্মমতাই কেড়ে নিল একটি সাজানো জীবন,
      প্রশ্ন তুলে যায় রাজপথের নিরাপত্তার অসম্পূর্ণ দায়…..🤍🖤

  • ▫️ মেঘনার বুকে এক অপরিচিতা
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    মেঘনার জলে ভাসে কচুরিপানা,
    তার মাঝে এক নারী, মুখটি অজানা।
    নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দি পাড়,
    উদ্ধার হলো লাশ, ভারী হলো বাতাস।

    স্বপ্ন হয়তো ছিল চোখে, ভালোবাসা বুকে,
    সবই হারিয়েছে আজ, মেঘনার গভীর সুখে।
    কার বোন সে? কার মেয়ে? কার হবে আপন?
    প্…Read More

    2
    2 Comments
    • মেঘনার বুকে ভেসে আসা অজানা সেই জীবনের হাহাকার ও অসংগতিগুলো আপনার লেখনীতে অত্যন্ত মর্মস্পর্শী হয়ে ফুটে উঠেছে। হৃদয়ের এই গভীর বেদনাকে শব্দের মালা গেঁথে আপনি যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা অব্যাহত থাকুক এবং আপনার কলম আরও অনেক সৃষ্টিশীলতায় মুখর হয়ে উঠুক।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি খুব খারাপ লাগছে, মেঘনার স্রোতের সাথে জীবনের এমন নিষ্ঠুর বাস্তবতা এভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে মনটা ভার হয়ে গেল।

  • ▫️ নিদ্রিত স্বপ্ন ও কঠিন বাস্তব
    ✍️রতন চন্দ্র রায়

    রাতের অন্ধকারে, রাস্তার ধুলোয়, ঘুমিয়ে আছে এক মা ও তার শিশু। তাদের দেহ জরাজীর্ণ, কাপড় ছিন্ন ভিন্ন, দারিদ্র্যের কষাঘাতে তারা নিঃস্ব।

    পাশে শুয়ে আছে এক কুকুর, অবহেলিত ও ক্ষুধার্ত, তার চোখেও আছে কষ্টের ছাপ, নেই কোনো আশার আলো। চারপাশে ছড়িয়ে আছে…Read More

    3
    4 Comments
    • সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা চাই লেখকপ্রিয়, তবেই সুদিন ফিরবে!

    • ‘মায়ের কোলে শুয়ে শিশুটি ঘুমিয়ে আছে নিশ্চিন্তে, তার মুখে এক নিষ্পাপ হাসি’—এই অংশটি একদিকে যেমন হৃদয়স্পর্শী, তেমনই বাস্তবতার নিদারুণ এক চিত্র তুলে ধরেছে। আপনার লেখনীর গভীরতা ও মানবিক বোধ পাঠককে ভাবিয়ে তোলে, তাই নিয়মিত এমন লেখা আমাদের উপহার দিতে থাকুন।

    • জি হ্যাঁ। নিষ্পাপ শিশুদের এমন হাসি দেখে আমি অভিভূত হই, যদিও পরিবেশ দেখে বোঝা যায় তার অতি দরিদ্র তার পরিবার …

      বেশ দরকারি বিষয় প্রকাশ করেছেন। অনুধাবন করলাম। ধন্যবাদ।

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি খুব খারাপ লাগছে, বাস্তবটা যে কতটা নির্মম তা আপনি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

  • ▫️ নিষ্পাপ শিশু
    ✍ রতন চন্দ্র রায়

    ​নিষিদ্ধ পাড়ায় জন্ম,
    নেই কোনো পিতৃপরিচয়,
    শিশুকাল কেটে গেল
    নিষিদ্ধ পাড়ায়।

    ​শৈশব কেটে গেল পথে পথে,
    যৌবনকালে এসে
    পড়েছি বড় বিপাকে।

    ​সভ্য সমাজের মানুষগুলো
    ঠাঁই দেয় না তাদের পরিবেশে,
    বাঁকা চোখে দেখে সমাজের লোকে।

    ​গোপনে কাঁদি জীবনের গলিপথে,
    স্কুলে পাইনি ঠাঁই,
    জোটেনি সমাজে…Read More

    5
    4 Comments
    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখনীতে ফুটে ওঠা এই অসহায় শিশুগুলোর বাস্তব চিত্র ভীষণ হৃদয়স্পর্শী এবং সমাজব্যবস্থার প্রতি আপনার এই গভীর সংবেদনশীলতাকে আরও নান্দনিক ও কাব্যিক শব্দে ফুটিয়ে তুললে এটি আরও অনেকের হৃদয়ে দাগ কাটতে পারে বলে আমার মনে হয়।

    • খুব নির্মম এক বাস্তবতার কথা বলেছেন।

    • বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা কবিপ্রিয়, সত্যিকারের সভ্যতা গড়ে উঠতে হয়ত আরো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে!তবে, আমরা যদি সবাই মিলে একসাথে কাজ করি তবে, নিশ্চয়ই সে পথ আলোর গতিতে পাড়ি দিতে পারব!

    • আপনার লেখা ‘মুখোশের আড়ালে কত রঙের মানুষ আসে গোপনে নিষিদ্ধ পাড়ায়’ লাইনটা ভীষণভাবে নাড়া দিয়ে গেল, কিন্তু আমাদের এই সমাজ কি কখনো এদের সুস্থ জীবনে ফেরার সুযোগ করে দেওয়ার কথা ভাববে?

  • স্মৃতির পরবাস
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    তুমি চলে গেছ নিজের পথ ধরে,
    আমিও তোমায় ভেবেছি ভুল করে।
    যেখানে জমেছিল শত অভিমান,
    সেখানে আজ কেবলই নীরব গান।

    হয়তো কোনো স্মৃতির আলপনায়,
    তোমার নাম আর আলো ছড়ায় না।
    হৃদয়ের কোনো এক অজানা কোণে,
    তুমি আর নেই কোনো দিনরাত্রে।

    তুমিও চলে গেছ পরবাসী হয়ে,
    আমিও ভুলে গেছি হৃদয় সয়ে।
    এখন শুধু একলা হাওয়া বয়
    যেখান…Read More

    5
    4 Comments
    • “সেখানে আজ কেবলই নীরব গান” – এই অসাধারণ পঙ্‌ক্তিটি হৃদয়ের এক গভীর শূন্যতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি চরণের ছন্দগুলো আরও একটু সহজভাবে সাজিয়ে দেখলে হয়তো পাঠকের মনে গভীর আবেদন তৈরি হতে পারে, আপনার লেখাগুলো এভাবেই নিয়মিত আমাদের উপহার দেবেন।

    • বিচ্ছেদকেও এমন প্রশান্তভাবে গ্রহণ করার এই মানসিকতা মন ছুঁয়ে যায়।

    • খুব সুন্দর! শূন্যতাও যেন এক গভীর আবেগে পূর্ণ!

    • লেখাটা পড়ে একদম মনের ভেতর এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করছে। আপনার শব্দের গাঁথুনিগুলো খুব সুন্দর এবং গোছানো হয়েছে। সব মিলিয়ে খুব দারুণ একটা অনুভূতি প্রকাশ পেল আপনার লেখায়।

  • ▫️ বন্ধুর ছদ্মবেশ
    ✍️রতন চন্দ্র রায়

    আশার ছলে কাটে বেলা,
    মেটায় না তো ক্ষুধা,
    পাশা খেলায় সর্বস্ব যায়,
    মেলে বিষম সুধা।

    দেহপশারি টাকার লোভে
    ছড়ায় রূপের আলো,
    ক্ষণিকের এই সস্তা প্রেমে
    কভু বাসবে ভালো?

    ডাকাত কেড়ে নেয় সব ধন,
    ছলে ভোলায় ঠক,
    সোনার খাঁজে খাদ মেশানো
    স্যাঁকরার ওই হক।…Read More

    5
    4 Comments
    • মানুষের চেনা রূপ আর আড়ালে থাকা স্বার্থপরতার এই গভীর বয়ানটি পড়ে খুব ভালো লাগল, বিশেষ করে জীবনের রূঢ় বাস্তবতাগুলো যেভাবে এখানে ফুটে উঠেছে তা এক কথায় চমৎকার। আপনি চাইলে আমাদের এই প্ল্যাটফর্মে অন্য লেখকদের সৃজনশীল কাজেও নিয়মিত লাইক, লাভ কিংবা গঠনমূলক মন্তব্য রেখে এই প্রাণের গ্রুপটিকে আরও অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও গতিশীল করে তুলতে পারেন।

    • ছড়ার আদলে লেখা খুবই প্রাসঙ্গিক একটা কবিতা।

    • হ্যাঁ। সুন্দর ছড়ার ছন্দে অনেক কথা বলা …

    • রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটা পড়ে একদম বাস্তব জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল। স্বার্থপর মানুষগুলো যে ঠিক এভাবেই মুখোশ পরে কাছে আসে, তা খুব সুন্দর ফুটিয়ে তুলেছেন। এই ধরনের মানুষ থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

  • আলোছায়া সিনেমা ঘর
    (পরবর্তীকালে ‘চিত্রমহল’)
    ✍️ রতন চন্দ্র রায়

    জন্মবর্ষ: ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দ
    সূচনা: ১৯১৩-র সেই অদ্ভুত দিনটি
    তখন আমি নিছকই ইট-সুরকির তৈরি একটা নতুন দালান। কলকাতার এক ঘিঞ্জি গলির মোড়ে আমার লাল ইটের শরীর দাঁড়িয়ে আছে। সালটা ১৯১৩। চারপাশের মানুষগুলোর পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, কিংবা শাড়ি। ট্রাম চলাচলের ‘ঠং ঠং’ শব্দে শহর মুখরিত।…Read More

    4
    4 Comments
    • Ratan Chandra Roy, আপনার লেখায় ১৯১৩ সালের সেই প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে একটি সিনেমা হলের আত্মকথন যেভাবে ফুটে উঠেছে তা সত্যিই অতুলনীয় এবং বিশেষ করে “আমি ভেদাভেদ দেখিনি; সমাজের সবস্তরের মানুষকে ছাতার মতো আশ্রয় দিয়েছি”—এই পঙ্‌ক্তিটি হলের মানবিক রূপটিকে এক নিমেষেই চোখের সামনে জীবন্ত করে তোলে, তাই আপনার এই আবেগী শৈল্পিক বর্ণনাকে আরও সমৃদ্ধ করতে আপনি…Read More

    • পুরানো দিনের এই সিনেমা হলের গল্পটা পড়তে খুব ভালো লাগল। আপনার লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছিল চোখের সামনে যেন সিনেমার একটা দৃশ্য ভেসে উঠছে। আমাদের শহরের হারিয়ে যাওয়া এই ইতিহাসগুলো এভাবেই বেঁচে থাকুক আপনার লেখনীতে।

    • ভালো লাগলো স্মৃতির জাবরকাটা ।

  • Load More Posts

রতন চন্দ্র রায়

ইম্পোজিটর

রতন চন্দ্র রায় 

পেশা - সরকারি চাকরি

শখ- লেখা / কবিতা/ গল্প/ উপন্যাস

কর্মস্থল- বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস), তেজগাঁও, ঢাকা- ১২০৮

ঠিকানা- ৪১০ নবীনবাগ উত্তর গোড়ান,

  1. খিলগাঁও,  ঢাকা ১২১৯
Skip to toolbar