-
প্রতিবেদন
পৃথিবীর প্রতি অনাস্থা, এলিয়েনদের সঙ্গে বসবাসের ভাবনাপ্রতিবেদনের বিষয়: যৌন সহিংসতা, নারীর নিরাপত্তা ও সামাজিক অবক্ষয়
প্রতিবেদক: ✍️ রতন চন্দ্র রায়ভূমিকা
পৃথিবীটা কি সত্যিই মানুষের বসবাসের জন্য নিরাপদ?
প্রশ্নটি শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন যখন নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার…Read More
3 Comments -
মৃত মানুষের স্বাক্ষর
✍️ রতন চন্দ্র রায়শহরের দেয়ালে সেদিন নতুন পোস্টার উঠেছিল। বড় বড় অক্ষরে লেখা—“অবহেলিত যৌনকর্মীদের জন্য সরকারি ভাতা—মানবিক রাষ্ট্রের নতুন অঙ্গীকার।” পোস্টারের নিচে হাসিমুখের কয়েকজন নারীর ছবি। মানুষ দাঁড়িয়ে পোস্টার দেখছিল। কেউ বলছিল, “ভালো উদ্যোগ।” কেউ বলছিল, “দেখা যাক, টাকা শেষ পর্যন্ত কার হাতে যায়!”
পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে…Read More5 Comments-
গল্পটা পড়ার সময় বারবার গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল, খুব দারুণ লিখেছেন আপনি। ক্ষমতার অপব্যবহার আর মানুষের অসহায়ত্বের এমন চিত্রকল্প সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়। ময়নার লড়াই আর মায়ার আগমনী পর্বগুলো সব মিলিয়ে দারুণ একটা টুইস্ট ছিল, আপনার লেখনী সত্যিই অসাধারণ।
-
-
মা-হারা ভাতিজা
✍️ রতন চন্দ্র রায়মা-হারা এই ছোট্ট মুখে
কত যে প্রশ্ন জমে,
“মা কোথায়?”—নীরব চোখে
খোঁজে আপন মনে।মায়ের কোলে ঘুম পাড়ানি
শোনে না আর রাতে,
মায়ের হাতের স্নেহের পরশ
নেই তো তারই সাথে।খেলনা হাতে হাসে যখন,
হাসির আড়াল ব্যথা,
মায়ের ছবি বুকের মাঝে—
স্মৃতিই তার কথা।বাবার বুকে মাথা রেখে
চুপটি করে রয়,…Read More4 Comments -
হারিয়ে যাওয়া ধোপার ঘাট
✍️ রতন চন্দ্র রায়১৯৮০ কিংবা ১৯৯০-এর দশকের কথা।
তখন জীবন আজকের মতো এত দ্রুত ছিল না। মানুষের ঘরে ঘরে ছিল মাটির গন্ধ, উঠোনে ছিল কুয়োর পানি, আর পুকুরঘাটে সকাল হলেই জমত মানুষের আনাগোনা। সেই ঘাটের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল কিছু মানুষের জীবন, কিছু মানুষের ঘাম, কিছু মানুষের স্বপ্ন—তাঁরা ছিলেন ধোপা।
সকালের আলো ফুটতে…Read More
5 Comments-
রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখাটির “সেই ঘাটে বসে তিনি যেন একটি সময়কেও ধুয়ে, মুছে, ধরে রেখেছিলেন”—এই অংশটি আমার হৃদয়ে গভীর ছোঁয়া দিয়ে গেছে। গ্রামবাংলার ফেলে আসা সেই চিরায়ত দৃশ্য ও শ্রমজীবী মানুষের অনুভূতির এমন আবেগঘন চিত্রায়ন সত্যিই দারুণ এক মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। আপনি নিয়মিত আমাদের এই সুন্দর প্ল্যাটফর্মে অন্য সবার লেখা পড়ে উৎসাহমূলক মন্তব্য ও…Read More
-
জীবনের স্রোতধারা
✍️ রতন চন্দ্র রায়
আজও তোমার স্মৃতি নামে নীরব বৃষ্টির জলে,
পুরোনো সেই ব্যথাগুলো ঢেউ তোলে বুকের তলে।
যে ভালোবাসা হারিয়ে গেছে সময়েরই স্রোতে,
তারই ছায়া হেঁটে বেড়ায় নিঃসঙ্গ রাতের পথে।মেঘেরা আজ পাহাড় হয়ে নামে আমার আকাশে,
জীবন যেন অচেনা এক গলিপথে ভাসে।
অপূর্ণ স্বপ্নের ভেলা বিষাক্ত জলে দোলে,
না-বলা কত কান্না জমে নী…Read More4 Comments -
লামডিং থেকে ফিরে আসা ভালোবাসা
✍️ রতন চন্দ্র রায়বাংলাদেশের একটি শহরে থাকত রতন। সাধারণ জীবন, সাধারণ স্বপ্ন। প্রতিদিনের ব্যস্ততার বাইরে তার নিজের জন্য খুব বেশি কিছু ছিল না। কিন্তু একদিন ফেসবুকের একটি বন্ধুত্বের অনুরোধ তার জীবনের গল্পটাই বদলে দিল।
নাম—পূজা।
প্রোফাইল দেখে রতন জানতে পারল, মেয়েটি ভারতের আসাম প্রদেশের লামডিং শহরে থাকে।…Read More
3 Comments-
আপনার লেখনীতে জীবনের চরম বাস্তবতা এবং গভীর আবেগের এমন দারুণ এক সংমিশ্রণ ঘটেছে যে, বিশেষ করে “ভালোবাসা কখনো কখনো থেকে যায়, কিন্তু সম্পর্কটা আর থাকে না”—এই লাইনটি পড়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। আপনার এই রচনাটিতে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানিয়ে নেওয়ার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী; আপনি আপনার লেখনি অব্যাহত রাখুন, কারণ আপনার ভাবন…Read More
-
কফিনে পা
✍️ রতন চন্দ্র রায়
কফিনের ওপর পা রেখেছ—
কীসের এত দম্ভ?
মৃত মানুষের শেষ ঠিকানায়
কেন এমন অমানবিক গর্জন?হিংসা যদি বুক ভরিয়ে দেয়,
মানবতা যায় কোথায়?
মৃতের প্রতি সম্মানটুকুও
আজ কি তবে হারায়?তুমি তাকে মানো না—
সে তোমার নিজস্ব কথা,
তাই বলে কি মৃত মানুষকে
দেবে অপমানের ব্যথা?মানুষ মাত্রই ভুলে ভরা,
দোষে-গুণে মানুষ;…Read More2 Comments -
শেষ আশ্রয়
✍️ রতন চন্দ্র রায়সবাই আমাকে পর করবে,
শ্মশান আমাকে করবে আপন—
জীবনের যত পরিচিত মুখ
মুছে যাবে একে একে ক্ষণ।যাদের জন্য স্বপ্ন বুনি,
যাদের জন্য এত আয়োজন,
সময় শেষে তারাই হয়তো
হারিয়ে যাবে অচেনা ক্ষণ।হাসির দিনে কত আপনজন,
দুঃখ এলে নীরব সবাই;
তবু এই মন ভালোবাসা খোঁজে,
হার মানে না—ভেঙে পড়েও তাই।শেষ বিকেলের ন…Read More
4 Comments -
🌺 মায়ের চরণে আশ্রয় 🌺
✍️ রতন চন্দ্র রায়আরতি করি তোমার নামে,
তবু কেন খুঁজে পাই না
তোমার চরণ-ছায়?
ধূপ জ্বালি, দীপ জ্বালি,
অশ্রু দিয়ে আঁচল ভিজাই—
তবু মা, কেন দূরে রয়?শিউলি ঝরে ভোরের বুকে,
তোমার নামটি জাগে সুখে,
শঙ্খ বাজে মন্দির-দ্বারে;
আমি শুধু একলা বসে
ডাকি তোমায় বুকের কাঁপনে—
“মা, এসো আমার অন্ধকারে।”…Read More5 Comments -
-
🌸 মা ও মেয়ের ভালোবাসা 🌸
✍️ রতন চন্দ্র রায়
মায়ের আঁচল জুড়ে মেয়ের ছোট্ট হাসি,
সেই তো যেন স্বর্গসুখ, সেই তো ভালোবাসি।
মায়ের চোখে মেয়েটি এক টুকরো চাঁদ,
তার হাসিতে মুছে যায় জীবনের বিষাদ।মেয়ের ছোট্ট হাতটি যখন মায়ের হাত ধরে,
কৃষ্ণ যেন বাঁশি বাজান নীল যমুনার তীরে।
মায়ের বুকে মাথা রেখে মেয়ের মিষ্টি ঘুম,
সেই দৃশ্যের কাছে হার মানে পৃথিবীর সব সুখ।…Read More3 Comments-
রতন চন্দ্র রায়, আপনার লেখা ‘মায়ের চোখে মেয়েটি এক টুকরো চাঁদ’ অংশটি পড়ে মনের ভেতর এক অদ্ভুত প্রশান্তি ও মমতার ছোঁয়া অনুভব করলাম। মা ও মেয়ের এই স্বর্গীয় সম্পর্কের চিত্রায়নে রাধা-কৃষ্ণের মায়াবী উপমার ব্যবহার আপনার লেখাকে অনেক বেশি গভীর ও হৃদয়স্পর্শী করে তুলেছে, এমন সুন্দর সৃজনশীল চর্চা আপনি নিয়মিত চালিয়ে যান।
-
ডাস্টবিনের অন্ন ও উঁচুতলার নীতি
✍️রতন চন্দ্র রায়আজও মানুষ আহার খোঁজে ডাস্টবিনের অন্ন, বিলাসবহুল এই সমাজে অন্ধ যে জনগণ। সচেতন সবেই স্বার্থের মোহে আজ যে অচেতন, পথের পশে পড়ে রয় প্রাণ, দেখে না কো কোনো মন।
ছেঁড়া ছেঁড়া ছেঁড়া কাপড়ে জড়িয়ে দেহ, রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে কাটায় গৃহ। রোদ আর বৃষ্টির মাঝে সয় কত যন্ত্রণা, স্থায়ী এক খণ্ড ঠাঁই পাওয়ার নেই কো…Read More
5 Comments -
Syed Farah and
রতন চন্দ্র রায় are now friends
-
▫️ স্মৃতির বৈপরীত্য
✍️রতন চন্দ্র রায়বর্ষার শেষ বিকেলের ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে ভিজছিল নীলিমা। ছাদের এক কোণে দাঁড়িয়ে সে যেন নিজের ভেতরেই অন্য এক জগত খুঁজে ফিরছিল। কিছুক্ষণ আগেই সে শহর থেকে ফিরে আসা এক পুরোনো পরিচিতের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে এসেছে—এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে একসময় তার গভীর আবেগের কিছু মুহূ…Read More
6 Comments -
▫️ সংসদের ছায়ায় রক্তের দাগ
✍️রতন চন্দ্র রায়সংসদ ভবনের ছায়ায় আজ শোকের মাতম,
ব্যাগ টানতে গিয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষক একজন।
মুহূর্তে ছন্নছাড়া স্বপ্নের সোনার পালঙ্ক,
রিকশা থেকে পড়ে আজ নিভে গেল সব আলো।ব্যাগ টানতে গিয়ে টেনে নিল তাঁর স্বপ্ন ও ভালোবাসা, ছিন্নভিন্ন হলো সাজানো এক জী…Read More
3 Comments-
রতন চন্দ্র রায়, “ব্যাগ টানতে গিয়ে টেনে নিল তাঁর স্বপ্ন ও ভালোবাসা”—এই লাইনটির গভীর অনুভব আমাকে দারুণভাবে স্পর্শ করেছে। আপনি যেভাবে খুব সহজ কথায় এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আপনি আরও লিখতে থাকুন, আপনার প্রতিটি শব্দ মানুষের মনে গভীরভাবে দাগ কাটে।
-
-
▫️ মেঘনার বুকে এক অপরিচিতা
✍️ রতন চন্দ্র রায়মেঘনার জলে ভাসে কচুরিপানা,
তার মাঝে এক নারী, মুখটি অজানা।
নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দি পাড়,
উদ্ধার হলো লাশ, ভারী হলো বাতাস।স্বপ্ন হয়তো ছিল চোখে, ভালোবাসা বুকে,
সবই হারিয়েছে আজ, মেঘনার গভীর সুখে।
কার বোন সে? কার মেয়ে? কার হবে আপন?
প্…Read More2 Comments -
▫️ নিদ্রিত স্বপ্ন ও কঠিন বাস্তব
✍️রতন চন্দ্র রায়রাতের অন্ধকারে, রাস্তার ধুলোয়, ঘুমিয়ে আছে এক মা ও তার শিশু। তাদের দেহ জরাজীর্ণ, কাপড় ছিন্ন ভিন্ন, দারিদ্র্যের কষাঘাতে তারা নিঃস্ব।
পাশে শুয়ে আছে এক কুকুর, অবহেলিত ও ক্ষুধার্ত, তার চোখেও আছে কষ্টের ছাপ, নেই কোনো আশার আলো। চারপাশে ছড়িয়ে আছে…Read More
4 Comments -
▫️ নিষ্পাপ শিশু
✍ রতন চন্দ্র রায়নিষিদ্ধ পাড়ায় জন্ম,
নেই কোনো পিতৃপরিচয়,
শিশুকাল কেটে গেল
নিষিদ্ধ পাড়ায়।শৈশব কেটে গেল পথে পথে,
যৌবনকালে এসে
পড়েছি বড় বিপাকে।সভ্য সমাজের মানুষগুলো
ঠাঁই দেয় না তাদের পরিবেশে,
বাঁকা চোখে দেখে সমাজের লোকে।গোপনে কাঁদি জীবনের গলিপথে,
স্কুলে পাইনি ঠাঁই,
জোটেনি সমাজে…Read More4 Comments -
স্মৃতির পরবাস
✍️ রতন চন্দ্র রায়তুমি চলে গেছ নিজের পথ ধরে,
আমিও তোমায় ভেবেছি ভুল করে।
যেখানে জমেছিল শত অভিমান,
সেখানে আজ কেবলই নীরব গান।হয়তো কোনো স্মৃতির আলপনায়,
তোমার নাম আর আলো ছড়ায় না।
হৃদয়ের কোনো এক অজানা কোণে,
তুমি আর নেই কোনো দিনরাত্রে।তুমিও চলে গেছ পরবাসী হয়ে,
আমিও ভুলে গেছি হৃদয় সয়ে।
এখন শুধু একলা হাওয়া বয়
যেখান…Read More4 Comments -
▫️ বন্ধুর ছদ্মবেশ
✍️রতন চন্দ্র রায়আশার ছলে কাটে বেলা,
মেটায় না তো ক্ষুধা,
পাশা খেলায় সর্বস্ব যায়,
মেলে বিষম সুধা।দেহপশারি টাকার লোভে
ছড়ায় রূপের আলো,
ক্ষণিকের এই সস্তা প্রেমে
কভু বাসবে ভালো?ডাকাত কেড়ে নেয় সব ধন,
ছলে ভোলায় ঠক,
সোনার খাঁজে খাদ মেশানো
স্যাঁকরার ওই হক।…Read More4 Comments-
মানুষের চেনা রূপ আর আড়ালে থাকা স্বার্থপরতার এই গভীর বয়ানটি পড়ে খুব ভালো লাগল, বিশেষ করে জীবনের রূঢ় বাস্তবতাগুলো যেভাবে এখানে ফুটে উঠেছে তা এক কথায় চমৎকার। আপনি চাইলে আমাদের এই প্ল্যাটফর্মে অন্য লেখকদের সৃজনশীল কাজেও নিয়মিত লাইক, লাভ কিংবা গঠনমূলক মন্তব্য রেখে এই প্রাণের গ্রুপটিকে আরও অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও গতিশীল করে তুলতে পারেন।
-
-
আলোছায়া সিনেমা ঘর
(পরবর্তীকালে ‘চিত্রমহল’)
✍️ রতন চন্দ্র রায়জন্মবর্ষ: ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দ
সূচনা: ১৯১৩-র সেই অদ্ভুত দিনটি
তখন আমি নিছকই ইট-সুরকির তৈরি একটা নতুন দালান। কলকাতার এক ঘিঞ্জি গলির মোড়ে আমার লাল ইটের শরীর দাঁড়িয়ে আছে। সালটা ১৯১৩। চারপাশের মানুষগুলোর পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, কিংবা শাড়ি। ট্রাম চলাচলের ‘ঠং ঠং’ শব্দে শহর মুখরিত।…Read More4 Comments-
Ratan Chandra Roy, আপনার লেখায় ১৯১৩ সালের সেই প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে একটি সিনেমা হলের আত্মকথন যেভাবে ফুটে উঠেছে তা সত্যিই অতুলনীয় এবং বিশেষ করে “আমি ভেদাভেদ দেখিনি; সমাজের সবস্তরের মানুষকে ছাতার মতো আশ্রয় দিয়েছি”—এই পঙ্ক্তিটি হলের মানবিক রূপটিকে এক নিমেষেই চোখের সামনে জীবন্ত করে তোলে, তাই আপনার এই আবেগী শৈল্পিক বর্ণনাকে আরও সমৃদ্ধ করতে আপনি…Read More
-
- Load More Posts

রতন চন্দ্র রায়
ইম্পোজিটর
রতন চন্দ্র রায়
পেশা - সরকারি চাকরি
শখ- লেখা / কবিতা/ গল্প/ উপন্যাস
কর্মস্থল- বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস), তেজগাঁও, ঢাকা- ১২০৮
ঠিকানা- ৪১০ নবীনবাগ উত্তর গোড়ান,
- খিলগাঁও, ঢাকা ১২১৯
Friends
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
@mdziaurrahman
নুর
@thelight
Shahriar Hossain
@shahriarhossain
বিপাশা মন্ডল
@bipashamondal
গাজিবর রহমান
@gaziborrohman
মোঃ মোক্তারুজ্জামান মোক্তার
@mokteruzzamanpbtgmail-com
asif khandaker
@asifkhandaker
দিতি আহমেদ
@ahmedditee87gmail-com
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম)
@fs-hasan-mohammad





যে পৃথিবীতে নিরাপত্তার জন্য এলিয়েনের স্বপ্ন দেখতে হয়, সেখানে মানবতার আয়নায় আমাদের মুখই সবচেয়ে ভয়ংকর……🖤🖤