-
সব নিরাশ মানুষের চাওয়া কি? সব সুখি মানুষগুলোর হতাশা কোথায়? মানুষ প্রাণী কিন্তু বুদ্ধি বিবেচনা নিয়ে গড়ে ওঠা বিশাল এক সমুদ্রের মত। যেমনটা ধরায় যাক না মানুষের ব্রেইন , মানুষের মাথা টায় বা কত বড়? তার মধ্যেই আমাদের এই ব্রেইন এর তিনটি ভাগ। তাদের মধ্যে সমঝোতার জন্য রয়েছে মিড ব্রেইন। আজকাল যেমনটা আমরা আমাদের সব কিছু সমাধানের জন্য একজন বিচারক ডেকে আনি তেমন। কেনয় বা আমরা আমাদের সমস্যাগুলো নিজেরা সমাধান করতে পারি না? নিজের জন্য চিন্তা নাকি হতাশা থেকে। এসব উত্তর জানতে চাওয়া পাগলামি। কিন্তু পাগলামি আমার অন্তরে সুখের কাঠি একদম হ্যারি পটারের জাদুর কাঠির মত। সব নিরাশ মানুষ সুখ কে তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, কিন্তু সুখ তাদের সাথে থাকতে চায় না কারণ তারা হতাশায় অভ্যস্ত। আর সুখি মানুষগুলো লোভে লোভে হতাশাই ছায়ায় ভই পেয়ে চলে। কত নিয়ম সমাজে- যার টাকা নাই তার সাথে সঙ্গ দিয়ে ভবিষ্যৎ তোমার ডার্ক তুমি তখন গুড ফর নাথিং। বাবা মা চায় কি? সন্তান খুব ভালো একটা ভবিষ্যৎ অর্জন করুক। কিন্তু কীভাবে? তারা চেপে যাই হাজার রকম নীতি, কত রকম মিনতি। মেয়েরা অনেক অসহায় তায় তো? মোটেও না, তারা আবেগি। মেয়েদের জন্য কত-কত সংঘ, মহিলা পরিষদ এছাড়া সরকারের কত কর্মসূচী। এদিকে অনেক ছেলে তাদের পেলায় পিষ্ট হয়ে বেকার হয়ে হন্য। অবশেষে ভালবাসার মানুষ কেও হারিয়ে হই উনবিংশ অর্থাৎ জীবনটা বেজোড় হয়ে যায়। জোড় হয়ে সরল অঙ্ক কষবার মানুসিকতা বিনষ্ট হয় নীরব রাতে।
আসলে কি জানেনঃ নারীদের নারী গোষ্ঠীই ছোটো করে ফেলেছে। সাধারণ নারীদের সাহস গুলো তারা সন্দহে পুঁজি করেছে। কিন্তু নারী তুমি কি জানো সবায় স্বার্থপর। তবে তোমরা মহান! মা হবার অসীম সাহস তোমরা বয়ে নিয়ে বেরাতে পারো। তবে তুমি হাজারটা হায়নার মাঝে একাই একজন সিংহি।
হতাশ নিরাশ আমাদের প্রতিদিনকার একটু প্রেরণা। হতাশা না থাকলে সামনের দিনগুলোতে সুখের সন্ধানে মানুষ নিজের বিবেককে শিক্ষা দিত না। তবে আফসোস! আজ শিক্ষা না টাকায় তোমার চরিত্রের সার্টিফিকেট প্রদান করে সমাজে। কি হবে যদি একজন মাতাল একজন মাদ্রাসার হুজুরের বন্ধু হয় , কি হবে যদি একটি গরীব মেধাবি ছেলের বিয়ে বড়োলোক ঘড়ের মেয়ের সাথে হয়ে যায়, কি হবে যদি নারী নির্যাতন আইনের ব্যবহার কমে যেত, অথবা পুরুষ নির্যাতন কোন আইন প্রণয়ন হতো মন্ত্রীসভাই। সুবোধ ফিরে আসুক বৃষ্টি হয়ে এই ক্ষয়ে যাওয়া সমাজে।
ফিরবে তবে কীভাবে ফিরবে তা কি কারো জানা আছে? আহা মানুষ সারাদিন শুধু বলে চলে শান্তি নেই মনে। কিন্তু আল্লাহ্ তা আলা নিজেয় বলেছেন “ তুমি তোমার জান জীবনকে অবহেলা কর না”। কিন্তু আমরা তায়তো করে যাচ্ছি। হতাশা থেকে অভাব আর সেই অভাব থেকে লোভ আর লোভ থেকে ক্ষতি। হয়তো সেই লোভের বলি হল যুবায়ের ফারাযি নামের সাত বছরের ছোট্ট জানটার। সে মসজিদে গিয়েছিলো হতাশা যেন তার চার পাশের লোক গুলোকে নিরাশ না করে, বাবা মার শান্তি চাইতে কিন্তু মানুষের লোভ তার বাবা মা কে আজ অশান্তিতে ফেলে রেখে ভেসে দিলো সাগরে। এই দুনিয়ায় জানের প্রাণের কোনও গ্যারান্টি নেই। মসজিদে বিস্ফোরণ , সত্রস্ত্র বাহিনীর বাঘাল কে গুলি করে হত্যা যিনি কিনা ৫ সেকেন্ডে ৮ টা গুলি করতে পারতেন , কিন্তু আফসোস তিনিয় তো রক্ষা পেলেন না। মানুষ তাহলে তোমার হতাশাটা কোথাই? কীসের এতো শিক্ষার বড়ায় তোমার? কেনয়বা তোমার হাত শিকল বন্দী। এই সমাজে আমরা বন্দী। কেমন বন্দী জানেন ; গৃহবন্দী, বাক বন্দী, নিজের আবেগ থেকে বন্দী। এই শিকল ছিরবে না কারণ আমরা রাজ্যনীতিতে যেতে অধিকার পোষণ করতে বড়য় আবেগি , ভীত, সন্ত্রস্ত। আবারো আশা করি সুবোধ ফিরবে।3 Comments
Friends
Mahu Mahbub
@mahumahbub
ভাস্কর
@vaskarchou
Prithula Zaman
@prithula
Md. Deloar Hossen
@md-deloar-hossen
AdabenTatali
@adabentatali
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
অভিমানী মন
@ovimanimon
তুলট ডেস্ক
@toulot
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor


আশা আর হতাশা দুই ভাই-বোন।