-
কবি
তাহস্সিন আহমেদ জয়আমি কবি নই,
আমি আত্মস্বীকৃত একজন সাধারণ মানুষ।
কবিতা লেখা?
সে তো রসাগ্রাহী অলংকৃত ছন্দের ভাঁজ খোলা!
ষোড়শীর নির্লিপ্ত নয়নের গভীর সমুদ্রে সাঁতার কাটা-
সে আমার কর্ম নয়, তাই আমি কবি নই।
সঙ্গীহীন বিরহী পাখির আর্তনাদ বোঝার মতো-
হৃদয় আমার নেই, তাই আমি বাল্মীকিকে স্মরণ করি না।
শ্রাবণের ঘনকালো মেঘ হিমালয় চূড়ায় বিশ্রাম নিলে-
কালিদাসের মতো ভাবনা আসে না আমার,
তাই আমি কবি নই।
শুনেছি, বসন্তের আগমনে না-কি কবিমন চঞ্চল হয়-
ভ্রমরের পাখার স্পন্দনে না-কি শব্দ ঝরে পড়ে!
কই? আমার তো এমনটা মনে হয়নি।
মধ্যদুপুরে রাখালের বাঁশির সুরে রাধার মতো কোনো ষোড়শীকে
চঞ্চল হতে দেখিনি-
কী করে চণ্ডীদাস হবো?
কিংবা, প্রচণ্ড ঝড়ের রাতে কণ্টকময় কাদায় বাঁশির টানে রাধার ছুটে চলা-
তার কাদাময় রক্তাক্ত নরম পায়ের যন্ত্রণা আমার হৃদয়কে ব্যথিত করেনি,
তাই আমি বিদ্যাপতি হতে পারব না।
একবার চেষ্টা করেছিলাম-কবির আভরণ গায়ে দেওয়ার,
দেখি, পৃথিবী থেমে গেছে, দিগন্তের ওপারে কার যেন হাতছানি,
চেনা-অচেনার মাঝামাঝি সে;
অনেকটা পথ হেঁটেছি তার দিকে, কখনো কাছে যেতে পারিনি।4 Comments
Friends
আব্দুল্লাহ
@g-m-abdulah
Md.Khaladur Rahman (অনল)
@wanol
মেহাস হালদার
@mehedi-mihi
Bishal Dey ( Niloy )
@bishal
ভাস্কর
@vaskarchou
Prithula Zaman
@prithula
AdabenTatali
@adabentatali
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
Umme Tabassum Taiyeba
@umme-tabassum-taiyeba



“বসন্তের আগমনে না-কি কবিমন চঞ্চল হয়-
ভ্রমরের পাখার স্পন্দনে না-কি শব্দ ঝরে পড়ে!”
চমৎকার বাক্যের সংমিশ্রণ