-
রম্য রচনা — ০০২ 😁😁😁😁
ধোঁকা
এ কে তুষারসেদিন প্রাতে বস্তা হাতে
যাচ্ছিলাম যে হাটে,
রিকশা নিয়ে হাটে গিয়ে
ফিরবো একই বাটে।সাহেব বেশে পথে এসে
খুঁজতেছিলাম গাড়ি,
ক্ষণে ক্ষণে জপছি মনে
দই, মিষ্টির হাঁড়ি।রাস্তা ফাঁকা আকা বাকা
পথটা পুরো খালি,
দক্ষিন হাওয়া মন্র পাওয়া
উড়ছে শুধু বালি।পেছন ঘুরে দেখি দূরে
তিন চাকার গাড়ি,
গাড়ির মাঝে বোরকা সাজে
এক অবলা নারী।সামনে এসে চালক হেসে
বলল,”যাবেন নাকি?
হাটের দিকে, যাচ্ছি ধুঁকে
একটা আসন বাকি।”উঠবো কিনা ভাবনা বিনা
এক রমণীর পাশে,
মনে নেবে, কে কি ভেবে
দেখেই যদি হাসে?ডানে-বামে, পথের নামে
যানবাহন আর নেই।
হাটেও তবে যেতেও হবে
কেমনে ফিরাই দেই?“উঠুনতো ভাই, চিন্তা নাই
অনুমতি নেওয়া আছে।”
উপায় নাই উঠলাম তাই
বসলাম তার কাছে।নিশ্চুপ সেই নারীর পাশেই
চুপচাপ হয়ে বসে,
মন যে বলে কথার ছলে
গল্প করি কষে।হাটে কেন যাচ্ছে হেন?
কেনইবা সে একা?
হাটের কাছে কেউকি আছে
করবে সাথে দেখা!আজ-কাল পড়লো আকাল
মেয়েরাও যায় বাজার,
হাটে গেলে দেখা মেলে
নারী হাজার হাজার।হয়তো আজি ভরে সাজি
কিনতে এলো কিছু,
ফেলে কাজ তাহলে আজ
ধরবো তাহার পিছু।একটু খানি মুখের বানী
শুনতাম যদি তার,
চেহারা তার দেখতে পাবার
ইচ্ছে জাগে আর।হোক যেমনই বলবো আজই
প্রেম জেগেছে মনে,
মনের যত ইচ্ছে, ক্ষত
বলবো খানিক ক্ষণে।হাতটা ধরে বলবো ওরে
মেটাও আমার অভাব,
যা চাও দেবো মেনে নেবো
তোমার যেমন স্বভাব।কোন ফাঁকে বাকে বাকে
হাটে গেলুম এসে,
চালক ভাই জলদি তাই
ব্রেক চাপলেন কষে।বাহন ছেড়ে নামলো তেড়ে
আমি ছিলাম বসি,
হঠাৎ করে টানলো জোরে
খুললো মুখের রশি।মুখখানি তার দেখে এবার
পড়লো মাথায় বাজ,
নারীর স্থলে কিশোর ছেলে
এ কেমন অকাজ!বলল আমায় দেখুন মশায়
উপায় ছিলোনা যে,
হাটের পুবে, যাত্রা হবে
আটকে ছিলো মা যে।বাধ্য হয়ে কষ্ট সয়ে
ধরলুম ছদ্মবেশ,
এই বলে গেলো চলে
হলো কথার শেষ।আমি ভাবি, হাবিজাবি
কতই ছিলো মনে,
নীরব সুরে ভেঙে-চুরে
সবই গেল ক্ষণে।সরল মনা বলেই কিনা
সর্বদা খাই ধোঁকা,
এই নিয়তি, আর দুর্গতি
বানায় আমায় বোকা।6 Comments
Friends
Abu Taher
@abu-taher
M. Arman Uddin
@m-arman-uddin
মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী
@maharram
Shuvo Sarkar
@shuvosarkar0046
Fuyad-Bin-Mohammad
@fuyad
মোহাম্মদ তাসিম ইসলাম ইমতি
@tasim780
Mohammad Abul Hasan
@mohammad-abul-hasan
আশরাফুল অনিক
@the-writter-ash
Apu Debnath
@apu-debnath



মনের বেলুন এভাবেই চুপসে যায়