-
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ মাকসুদ সাহেব মারা গেছেন।
মৃত্যুর আগে উনি বলে গেছেন,”আমার দুঃসময়ে যারা আমার পাশে ছিলো না,আমার মৃত্যুর পর তারা যেন তাদের চোখের জল জড়িয়ে আমার লাশের পাশে বসে কোনো প্রকার মায়াকান্না করে না।আমার জানাজায় তাদের প্রবেশাধিকার সম্পুর্ন ভাবে নিষেধ।”
এমতাবস্থায় কি করা উচিৎ মাকসুদ সাহেবের ছেলে আশফাকের?
মাকসুদ সাহেব কি ভুল কিছু বলে গেছেন?
মৃত্যুর আগে যে মানুষ গুলো এক মুহুর্তের জন্যেও তাকে একটু দেখতে আসলো না,তাকে একটু সাহস দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করলো না,তারা কি তার লাশ দেখার বিন্দুমাত্র কোনো অধিকার রাখে?-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 12 June 2022 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 14 March 2023 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 23 September 2024 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 05 July 2025 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 07 July 2025 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
Friends
MD Shikder
@md-sharif-shikder
আরেফিন অনু
@arefeenanu
আব্দুল্লাহ
@g-m-abdulah
Rejwana Khan
@rejwana-khan
মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
@mohammad-shahzaman
Fahim Hasan
@fahim-hasan
__ariyan__
@ariyan
ভাস্কর
@vaskarchou
Prithula Zaman
@prithula



আসলেই বেশ অন্যরকম একটা বেদনাদায়ক দ্বন্দ্ব। কেন যেন মনে হচ্ছে, এরকম ক্ষেত্রে হয়ত মৃত মানুষটার ইচ্ছাকে প্রাধান্য না দেয়াটাই অনেক বেশী সামাজিক আর সুন্দর। কারণ, কার মনে কী ছিল – সেটা তো আর কেউ বলতে পারেন না। হয়ত অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দুঃসময় কাছে কাছে বা পাশে পাশে থাকতে পারেন নি। মৃত্যুর পর স্মরণ অনুষ্ঠানে কিংবা প্রার্থনায় – শত্রু মিত্র সবাইকেই যেন অংশগ্রহণ করতে দেয়া উছিত। কিন্তু আবার অন্যদিকে, সদ্য মৃত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছাকেও ফেলে দেয়া যায় না। সব মিলিয়ে একটা অন্যরকম কিন্তু বেদনাদায়ক দ্বন্দ্ব —
সুন্দর একটা গল্প কিংবা উপন্যাসের চমৎকার আরম্ভ হতে পারে যেন আপনার এই কয়টা লাইন। ভালো লাগল —