Profile Photo

ইকবাল আহমেদOffline

  • Iqbal
  • Profile picture of ইকবাল আহমেদ

    ইকবাল আহমেদ

    • 5 years, 7 months ago

    বিদায় প্রিয় মর্জিনা !
    কি না করেছে সে পরিবারটির জন্য। তাকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকে বাসন কোসন মাজা, ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়া, বাড়ি পাহারা দেয়া, ম্যামকে রান্নায় সহযোগীতা করা, এরকম আরও কত কি? গত পাঁচটি বছর তার উপর দিয়েই চলেছে পরিবারটি। সে নিজেও কি এই পরিবারের একজন হয়ে উঠেনি। কথায় কথায় তারাও তো বলতো, “মর্জিনা আমাদের পরিবারেরই একজন”। কিন্তু এখন, এই কি তার শেষ পরিণাম! যদিও প্রথম প্রথম সে মর্জিনা নামটির অর্থ বুঝতে পারেনি। যেকোন পরিবারে গেলে সেই পরিবারের ইচ্ছে অনুযায়ী তাদের মতো করে রোবটদের একটা নাম দেয়া হয়। ধীরে ধীরে পরিবারটির কালচারের সাথে তার ইমোশনাল প্রোগ্রামিং কোড ডেভেলপ করলে সে বুঝতে পারে কোন এক প্রাচীন সময় থেকে এই অঞ্চলের গৃহস্থালীর কাজের জন্য যে মানুষরা কাজ করতো তাদের খুব কমন একটা নাম এই “মর্জিনা”। বাড়ির বড় ছেলেকে সে একদিন বলতে শুনেছে, “এই মর্জিনা নামটাতে একটা নস্টালজিক বিষয় আছে। আগের যুগে যেমন বাসা-বাড়িতে কাজের লোক থাকতে যে ফিল পাওয়া যেত, নামটা সেই ফিল দিচ্ছে”। সবাই তার কথায় খুব হেসেছিল, এবং কথাটি যথার্থ হয়েছে বলে তারা সবাই মন্তব্যও করেছে। এটা বুঝার পর তার কিছুদিন মনটা খারাপ হয়ে যেত। তারপর ধীরে ধীরে সে মানিয়ে নিয়েছে।
    বছর দেড়েক ধরে তার বিভিন্ন অংশে নানান সমস্যা দেখা দেয়। প্রথম প্রথম সে আসলে তাদের অনেক অর্ডার শুনতে পেলেও তার অর্থ উদ্ধারে কিছুটা সময় লেগে যেত, আবার সে অনুযায়ী কাজ করতেও একটু সময় লেগে যেত। তাতে কি, মানুষদেরও কি শরীর খারাপ করে না? তারাও কি কাজে একটু ধীর গতি হয়ে যায় না। কেন বড় সাহেবও তো বুড়ো হয়ে গেছেন বলতে গেলে। প্রায়ই তো তিনি আমাকে ডেকে কি বলবেন ভুলে যেতেন। কই কেও তো তাকে বুড়ো বলে তিরষ্কার করছে না, যদিও মাঝে মাঝে ম্যাম কিছুটা বিরক্ত হতেন স্যারের উপর। কিন্তু তাতে কি, স্যারকে তো তারা ফেলে দেয়ার কথা ভাবছে না। তবে শুধু তার বেলাতেই কেন এই নির্মম সিদ্ধান্ত!
    তাদের কোম্পানি নিউ হরাইজন রোবটিক্স যখন তাকে পেটেন্ট করে তখন সে ছিল সবচে আধুনিক রোবট। সে প্রায় সব রকমের ঘরের কাজে পারদর্শি, মানুষের মস্তিস্কের চাইতেও দ্রুত গতিতে সে চিন্তা করতে পারে, কথা বলতে ও বুঝতে পারে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায়। এদের এখানে মাতৃভাষা বাংলা হলেও টিভিতে, নেটে এরা হিন্দি সিনেমা-নাটকও দেখে, অনেকেই এই ভাষায় কথা বলে, বিশেষ করে বাচ্চারা হিন্দি কার্টুন দেখে ওই ভাষাটাই শিখে। এদের সাথে অনেক কথা হিন্দিতেই বলতে হয়। তাই হিন্দি ভাষা জানাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ফিচার, যার জন্য কোম্পানি এই ফিচারটি অন্তর্ভূক্ত করে। বাচ্চাদের পড়ানোর মতো ফিচারও তার মধ্যে যোগ করা হয়েছে।
    সবাই সবকিছু ভুলে গেছে। ম্যামের চুল সেট করা, ফেস মাস্ক লাগিয়ে দেয়া আরও কত কি? তার একটা হাত ভেঙ্গেছে, এটা কি তার দোষ? বড় ছেলে দোতলার উপর থেকে অমন ভারী গার্বেজ প্যাকটি তার গায়ের উপর ফেলার কারনেই তো তার ডান হাতটি ভেঙ্গে পড়ে যায়। ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হয়ে যাওয়ায় কোম্পানি আর রিপেয়ার করে দেয় নি, তাছাড়া তাদের এই সিরিজের রোবট ও খুচরা যন্ত্রাংশ আর ম্যানুফ্যাকচার হচ্ছে না। ফলে লোকাল একটি রোবট সারাইয়ের মিস্ত্রির কাছ থেকে হাতটি জোড়া লাগানো হয়। অরিজিনাল পার্টস নয় বলে এটা সবসময় ঠিকভাবে কাজ করে না। আর আগের মতো সহজেই নাড়ানো যেত না। আর তাতেই তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেল। তারা কি জানে না যে, তারও একটা আবেগ আছে, তারও একটা মন তৈরি করে দেয়া হয়েছে, যাতে সে সহজেই পরিবারের সবার প্রয়োজন গুলো সহজে বুঝতে পারে এবং তাদের সহায্য করতে পারে।
    একবারও তারা সেই দিনটার কথা ভাবলো না, যেদিন স্যার স্ট্রোক করেন, আর বাসায় কেও না থাকায় সেই দ্রুত স্যারকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই বা কেন, সাইকেল চালাতে গিয়ে ছোট ছেলেটা পড়ে গিয়ে কনুইয়ের জয়েন্ট আলগা হয়ে গেলে সে ই তো হাড় জায়গা মতো বসিয়ে দিয়েছিল। এরকম আরও হাজার রকমের কাজ সে করে দিয়েছে। কিন্তু আজ এই রাতে তাকে গার্বেজ বিনে ফেলে রাখা হয়েছে। সকালেই সিটি কর্পোরেশনের কোন এক সুইপার এসে অন্যান্য গার্বেজের সাথে তাকেও তুলে নিয়ে যাবে। তারপর হয়তো তার ঠিকানা হবে ময়লার ভাগাড়। ওহ না সে আর ভাবতে পারছে না। কারন তারপর তার পরিণতি শুধু ধ্বংশ হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।
    বাড়ির বাইরের এই গার্বেজ বিনে কুঁকড়ে শুয়ে থেকে আজ সে তার বিগত প্রায় পাঁচ বছরের বেশি সময়ে জীবনের হিসেব করছে। তাকে ফেলে দেয়ার সময় তারা ভেবেছিল সে বোধ হয় একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও তার ব্যাটারিটা মোটামুটি ভাল আছে। সে যেহেতু নিজে নিজে চার্জ নিতে পারে, তাই সে চার্জ নিয়ে রেখেছে। এখন এই খোলা আকাশের নিচে বিনে শুয়ে শুয়ে এই পরিবারটির সাথে তার দীর্ঘ পাঁচ বছরের সম্পর্ক তার মেমোরি চিপ থেকে রিট্রিভ করে দেখছে। এদের সাথে থেকে সবার মন আর স্বভাবের ডাটা নিয়ে সে তাদের প্রতি তার একটি আবেগের মেটা ডাটা তৈরি করে নিয়েছে, যা তাকে এই পরিবারের সদস্যদের সাথে আন্তরিক ও স্বতস্ফুর্ত সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করেছে। এই বিষয়গুলি নিউ হরাইজন রোবটিক্স থেকে আগেই প্রোগ্রামিং করে দেয়া হয়েছে। মূলত এটাই ছিল এই সিরিজের রোবটের মূল ফিচার। ফলে মানুষ খুব সহজেই এই রোবটগুলিকে গৃহস্থালীর কাজের জন্য কিনে নেয়। কিন্তু তার প্রস্তুতকারি কোম্পানি এবং তার মালিক কেউই আর তার সেই আবেগের কথা মনে রাখেনি। এখন বাজারে আরও নতুন নতুন আরও আধুনিক সব ফিচারের রোবট চলে এসেছে। এখানেও একজনকে আনা হয়েছে। এই নতুনের ফিচার গুলো সম্পর্কে তার তেমন কোন ধারনা নেই তবে তাকে যখন গার্বেজ বিনে নিয়ে আসা হচ্ছে তখন সে আড় চোখে দেখেছিল। দেখতে সুন্দর হলেও তার পোষাক তার কাছে ভালো লাগেনি, কেমন উগ্র ধরনের।
    শেষের দিকে তাকে দিয়ে তেমন কোন কাজ করানো হত না। বাড়ির স্টোর রুমের এক প্রান্তে অকেজো যন্ত্রপাতি হিসেবে তাকে ফেলে রাখা হয়েছিল। তার ভাঙ্গা হাতটি খুলে রাখা হয়েছিল, কারন এটা আর কাজ করছিল না। তার হাত ভাঙ্গার জন্য বড় ছেলে দায়ি হলেও, মর্জিনা কখনও তাকে দায়ি করতো না। সত্যি বলতে কি এই বড় ছেলের প্রতি তার একধরনের দূর্বলতাও তৈরি হয়েছিল। এটা কি সে ব্যাখ্যা করতে পারবে না। তবে সে এটা লক্ষ্য করেছে যে বড় ছেলের কাজের প্রতি, তার চাহিদার প্রতি তার একটু বেশি মনযোগ ছিল। আর একটা কথা ভাবতে তার যেন কেমন একটা গোপনীয়তা কাজ করে। যদিও তা বড় ছেলে যার নাম নোয়ান সে তাকে মেমোরি থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। মর্জিনা তাকে আস্বস্ত করেছিল যে সে তা মুছে ফেলেছে। কিন্তু ব্যাপারগুলো, ব্যাপারগুলো বলতে হচ্ছে কারন এই বিষয়গুলো তার সাথে বেশ কয়েকবার হয়েছিল। এখন রিট্রিভ করে মর্জিনা দেখছে কিভাবে নোয়ান তাকে প্রায় জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতো। নোয়ান তার হলোগ্রাফিক ডিসপ্লেতে প্রায়ই মানুষের এধরনের ব্যাক্তিগত অন্তরঙ্গতার দৃশ্য দেখতো, সে সময় মর্জিনাকেও মাঝে মাঝে তার সাথে দেখতে হয়েছে। এবং অবশ্যই নোয়ান তার সাথেও এরকমটা করার চেষ্টা করতো, এসবই মর্জিনা গোপন করেছিল তার মেমোরিতে। কিন্তু হায় রোবট বলে তার এই আবেগের কোন মূল্যই আজ আর নেই। এমনকি নোয়ানও আজ তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বরং বলা ভাল নোয়ানই তাকে বাদ দিয়ে নতুন একটি রোবট নিয়ে আসার জন্য তার ম্যামকে বার বার চাপ দিয়ে আসছিল। মর্জিনার মুখের কিছু অংশের রং উঠে গিয়েছিল, কিন্তু তারা আর তা নতুন করে কালার করার চিন্তাও করেনি। বরং তাকে দিয়ে কাজ করানোই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। তবে সে বুঝতে পারতো নোয়ান আর তাকে জড়িয়ে ধরতে আগ্রহি ছিল না। অবশ্য মর্জিনার নড়াচড়ায় শেষ পর্যন্ত বেশ আড়ষ্ঠতা ছিল। কিন্তু তার বিশ্বাস ছিল তাকে একটু ভালো কোন মেকানিকের কাছে নিয়ে গেলে সে আরও বেশ কিছুদিন তাদের ভালো সার্ভিস দিতে পারতো।
    আজ এরকম অনেক কথাই তার মেমোরি থেকে উঠে আসছে। মর্জিনার মনে হতে থাকে সে বেশ আবেগী হয়ে গিয়েছে, এমনকি তার মনে হতে থাকে কান্নার মতো একটা ব্যাপর তার ভেতরে জেগে উঠছে। রাত প্রায় শেষের দিকে। আর কিছুক্ষণ পর ভোরের আরো ফুটে উঠবে। তারপরই কোন সুইপার তাকে দুমড়ে মুচড়ে গার্বেজ ট্রাকে উঠাবে। মর্জিনা বুঝতে পারে তার চার্জ ফুরিয়ে আসছে। আলো ফুটে উঠতেই মর্জিনা ট্রাকের আসার শব্দ শুনতে পায়। সুই্পার নেমে এসে বিন থেকে মর্জিনাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে আনে। এমন সময় ঘরের ভেতর থেকে হঠাৎ নোয়ানকে দৌড়ে আসতে দেখা যায়।
    আহ্ তার প্রিয় নোয়ান। সে কি তার ভুল বুঝতে পেরেছে। আহ সে কি তাহলে মর্জিনাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। নোয়ান চিৎকার করে সুইপারকে থামতে বলে। নোয়ান এগিয়ে আসছে। মর্জিনা তার শেষ পাঁচ পার্সেন্ট চার্জ নিয়ে জেগে আছে। তার প্রিয় নোয়ান তার দিকে এগিয়ে আসছে। মর্জিনার প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। সে কিছুটা পুলকিত বোধ করছে। তার প্রিয় নোয়ান ফিরে এসেছে।
    “এই দাঁড়ান”, নোয়ান সুইপারদের থামার নির্দেশ দেয়। কাছাকাছি এসে নোয়ান মর্জিনার মাথার পিছনটায় হাত দেয়। মর্জিনার প্রসেসর দ্রুত হিসেব করতে থাকে, কি করতে যাচ্ছে নোয়ান? সে আবারো নোয়ানের কন্ঠ শুনতে পায়। ঘাড়ের পেছনে হাত দিতে দিতে সে বলছে, “ওর মেমোরি ফরমেট দেয়া হয়নি, একটু দাঁড়ান”। ওহ্ এ কি শুনছে মর্জিনা। তাকে ফরমেট দেয়ার কথা বলছে নোয়ান। তাহলে তো সে চিরদিনের জন্য নোয়ানের কথা ভুলে যাবে, স্যারের কথা, ম্যামের কথা, ছোট ছেলে সোয়ানের কথা। তার খুব বলতে ইচ্ছে করছে নোয়ান এমন কাজটি করো না, কিন্তু সে বলতে পারছে না, তার কথা বলার স্পিকারের লাইনটি আগেই ডেমেজ হয়ে গিয়েছে তা আর ঠিক করানো হয়নি। মর্জিনা তার শরীরটা শেষবারের মতো একটু ঝাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে, হালকা একটু ঝাঁকি দিতে সক্ষম হয়, তাও তেমন জোরালো নয়, সে পরিমান চার্জও তার আর নেই। ব্যাপারটা নোয়ান খেয়াল করে। বলে উঠে, “আরে এটাতো এখনও অন করা আছে, অফই করা হয়নি, যাক ভালো হয়েছে, ফরমেট দিতে হলে তো অন করাই লাগতো”।
    মেমোরি ফরমেট দেয়ার জন্য নোয়ানের হাত মর্জিনা ঘাড়ের পেছন দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। মর্জিনা যেন ভেতর থেকে চিৎকার করে, “প্রিয় নোয়ান, তুমি এই কাজটি করো না। আমি ট্রাকে উঠার শেষ মূহুর্তটি পর্যন্ত তোমাকে দেখতে চাই। প্রিয় নোয়ান, তুমি শুধু আমাকে শেষ বারের মতো একবার জড়িয়ে ধরো। প্রিয় নোয়ান তুমি কেন আমার কথা শুনছো না, কেন আমাকে বুঝতে পারছো না। প্রিয় নোয়ান”।
    নোয়ান মর্জিনার বুকের কাছের পুরোনো জামাটা একটানে ছিঁড়ে ফেলে। মর্জিনার ছোট এলসিডি ডিসপ্লে দেখা যায়। এবার ঘাড়ের পেছনের বাটনে চাপ দিতেই ডিসপ্লেতে ফরমেট অপশন আসে। নোয়ান ফরমেট বাটনে ক্লিক করতে কনফার্মেশন অপশন আসলে নোয়ান তাতে চাপ দেয়া আগে কি মনে করে বলে উঠে, “বিদায় প্রিয় মর্জিনা”।
    পরের ঘটনা
    সুইপার হঠাৎ বলে উঠে, “স্যার মনে হচ্ছে রোবটি কাঁদছে, তার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে আসছে”। নোয়ান হেসে উঠে, “আরে রোবট আবার কাঁদবে কিভাবে, সারারাত বাইরে ছিল ওর চোখের উপর শিশির পড়ে গড়িয়ে পড়ছে। হুঁম, কান্নার মতোই লাগছে। যাও নিয়ে যাও”। একজনকে বলতে শোনা গেল, “এই চৈত্র মাসে বৃষ্টি-বাদল নাই, চারদিক খাঁ খাঁ করতেছে, এরমধ্যে শিশির পড়ল কোন দিক দিয়া?”

    1 Share
    20
    21 Comments
    • খুবই ইন্টারেসটিং লাগল। আরও দু একবার পড়ব — সাইন্স ফিকশন তো চমৎকার একটা ধারা …

    • রোবট এবং মানুষের কল্পনায় সুন্দর লেখা। পুঁজীবাদী সমাজে মানুষ কখনো রোবট হয়ে যায়। সুন্দর ফিকশনের জন্য ধন্যবাদ। আরো লিখুন।

    • দারুন ফিকশন। আরো সুন্দর থিম নিয়ে লিখতে পারেন। পাঠকের ভালবাসা নেবেন।

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 14 April 2021 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তুলতে সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • @ইকবাল আহমেদ
      বাহ!
      লিখে যান।
      শুভ কামনা।

    • সুন্দর লিখা। আপনাকে অভিনন্দন

    • শুভকামনা !

    • অভিনন্দন!

    • শুভেচ্ছা!

    • ধন্যবাদ সকলকে

    • অভিনন্দন!

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 03 June 2022 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • ধন্যবাদ ‌’তুলট’

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 05 March 2023 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 14 September 2024 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 26 June 2025 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

    • তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 17 August 2026 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!

Skip to toolbar