Profile Photo

Nishat Salsabil NilimaOffline

  • nilima1
  • Profile picture of Nishat Salsabil Nilima

    Nishat Salsabil Nilima

    4 years, 6 months ago

    যারা থাকবে ভেবে ক্ষানিক কাছে গেছি। তারা কেনো জানি অচেনা হয়েছে ।আর যারা দূরের ছিলো আমি তেমন আপনের ভিড়ে রাখিনি তারাই থেকে গেছে কোনো না কোনো ভাবে।জীবন বড়ই নাটকীয় আর পরিবর্তনশীল। সব ক্ষেত্রে যা ভাববেন তা হবে না। মাঝেমধ্যে আপনাকে চরম ভাবে চমকে দিবে জীবন। অবশ্য আমি চমকর জন্য অপেক্ষা করছি রীতিমত। একটা চমক হবে। বদলে যাবে সব। আমি তুমি আমরা হব। আমার কাছে অধিকার থাকবে ।থাকবে অজস্র আবদার করার সাহস।
    কিন্তু এসবই আমার সাধ্যের বাইরে । আমার যোগ্যতা নেই তোমাকে চাইবার।কিন্তু একপক্ষ ভালোবাসার খুব শক্তি আছে আমার।

    Profile picture
    4 years, 10 months ago

    প্রিয় নীলাভ,

    নীলিমার নীল আভায় তুমি ভীষণ ঘনিষ্ঠভাবে মিশে আছো।তাই তোমাকে নীলাভ বলতেই বেশ লাগে আমার।সাদার সাথে নীলের আভার যেমন এক প্রেমময় বাঁধন, তুমিও ঠিক তেমনি সাদা নীল আকাশে নীলিমার বাঁধনের মতো জুড়ে রয়েছো আমার এই ইস্পাতসম কাঠিন্য মনে।
    মেঘময় আঁধার ঘনিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর বিষাদময় বিকেলে তোমাকে খুব মনে পড়ছে।চাঞ্চল্যকর আবার বিষাদময় কথা দুটো অদ্ভুত লাগছে তাইনা??তবে অদ্ভুত লাগা টা যে খুব একটা অযৌক্তিক তা অবশ্য নয়।

    মনে পড়ে নীলাভ!এমন মেঘময় গুমড়ে থাকা আকাশ দেখলেই তুমি খুব করে তা অনুভব করতে চাইতে।ধোঁয়া ওঠা রঙ চা নিয়ে বেলকনিই হতো তোমার ঠিকানা।তোমার ওষ্ঠ স্পর্শে চা’য়ের কাপ হতো সিক্ত।আর তুমি অপেক্ষা করতে মেঘ কাটিয়ে বৃষ্টি ঝড়ার।চাঞ্চল্য ভরা প্রহর কাটতো তোমার।মাঝে মাঝে অবশ্য ফোনের স্ক্রীনে তোমার দু একটা টেক্সট ও চোখে পরতো।তবে সেগুলোকে সাবধান বাণী বললেও খুব একটা ভুল হবেনা।
    “ভিজতে যেও না,শুধু শুধু শরীর খারাপ করবে।মন খারাপ করে বসে থেকো না”
    “ভীষণ খামখেয়ালী তুমি।নিশ্চয় জানালা গুলো লাগাওনি!”
    জানো নিলাভ?তোমার এই ছোট্ট ছোট্ট কেয়ার গুলো আমাকে ভীষণ করে আকৃষ্ট করতো।তবে আমি ছিলাম তোমার থেকে খানিকটা আলাদা।গুমোট বাঁধা মেঘময় প্রকৃতিতে আমার মনটাও যেন থাকতো বিষাদে পরিপূর্ণ।আকাশের মন খারাপে আমার মনটাও কেমন ভারি হয়ে যেতো।বৃষ্টি ঝরার সময় কখনো সখনো আমার গাল বেয়েও গড়িয়ে পড়তো দু এক ফোটা বৃষ্টি।

    আচ্ছা নীলাভ!তোমার মনে পড়ে হঠাত করে টং দোকানে চা কিংবা রাস্তার মোড়ে আমার ফুচকা খাওয়ার বায়না?মনে পড়ে ছুটির দিনে রাস্তার পাশের ছাউনি দেওয়া দোকানে ভাত-ভর্তা খেতে যাওয়ার আবদার??তুমি একদিন হঠাত প্রশ্ন করে বসেছিলে-
    “তোমার আবদার গুলো ভীষণ স্বল্প।কখনো তো রেষ্টুরেন্ট কিংবা শপিং এ ও যেতে চাইতে পারো!!”
    বেশ কিছুক্ষণ তোমার দিকে তাকিয়ে থেকে তারপর বলেছিলাম,”ওসবের চেয়ে ছোট ছোট মূহুর্ত তোমার সাথে উপভোগ করেই আমার বেশি প্রশান্তি।ইট পাথর আর কাচে ঘেরা বদ্ধ রেষ্টুরেন্ট কিংবা শপিংমলের আধুনিকতার চেয়ে সাধারণতাতেই আমার তৃপ্তি মেলে।শুধু তুমি পাশে থেকো”
    এখন অফিস থেকে ফেরার পথে ঝালমুড়ির মামা কে দেখে কি একবারো তোমার আমাকে মনে পড়ে?ভুলে গেছো বোধয়, গোধুলি আমার ভীষণ প্রিয় ছিল।তোলপার করা বাতাসে নদীর পারে পা মিলিয়ে হাটার ইচ্ছে ছিল। তীব্র আশা ছিল একসাথে সূর্যাস্ত দেখার।তবে নিয়তি হয়ত চায়নি।
    এখন আর আকাশ মেঘলা নেই।মেঘ কাটিয়ে বৃষ্টি ফুটতে শুরু করেছে।বরাবরের মত মনটা বিষাদে পূর্ণ হলো।তবে এখন আর খামখেয়ালিপণায় শাসন করার কেও নেই।আপনা আপনিই দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল।

    আনমনেই মন বলে উঠল,”নীলাভ, তুমি ভাল থেকো।”
    ইতি
    নীলাদ্রী।

    এক নীলাদ্রীর চিঠি
    কলমে:নিশাত সালসাবিল নীলিমা

    7
    4 Comments

Friends

Skip to toolbar